Dhaka বোর্ড 2025 Biology 2nd Paper

Dhaka শিক্ষা বোর্ড 2025 সালের HSC Biology 2nd Paper বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

12

প্রশ্ন

Dhaka

বোর্ড

2025

সাল

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

A ও B পর্বভুক্ত প্রাণীগুলো পরজীবী। A এর প্রাণীগুলো চ্যাপ্টা এবং B এর প্রাণীগুলো নলাকার। অন্যদিকে C পর্বভুক্ত প্রাণীরা পঞ্চঅরীয় ও সামুদ্রিক।

Dhaka · 2025

নটোকর্ড কী?

উত্তর

মেসোডার্ম উদ্ধৃত কোষ দিয়ে গঠিত ভূণাবস্থায় অথবা আজীবন দেহের পৃষ্ঠমধ্য রেখা বরাবর অবস্থিত কিছুটা নমনীয়, স্থিতিস্থাপক ও ছিদ্রযুক্ত দণ্ডাকার গঠনকে নটোকর্ড বলে।
সিলোম বলতে কী বুঝায়?

উত্তর

বহুকোষী ত্রিস্তরী প্রাণিদেহের পৌষ্টিকনালি ও দেহপ্রাচীরের মধ্যবর্তী তরলপূর্ণ গহ্বরকে সিলোম বলে। সিলোম হচ্ছে এমন দেহ গহ্বর যা মেসোডার্ম থেকে উদ্ভূত এবং পেরিটোনিয়াম নামক মেসোডার্মাল কোষ স্তরে আবৃত। সিলোম প্রাণী শ্রেণিবিন্যাসের বিশেষ ভিত্তি। সিলোমের ভিন্নতার ভিত্তিতে বহুকোষী ত্রিস্তরী প্রাণীদের তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: (১) অ্যাসিলোমেট (২) স্যুডোসিলোমেট এবং (৩) ইউসিলোমেট।
A প্রাণীগুলোর পরজীবী অভিযোজন বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত 'AA^{\prime} দ্বারা প্লাটিহেলমিনথেস (Platyhelminthes) পর্বের প্রাণীদেরকে নির্দেশ করা হয়েছে। Platyhelminthes পর্বের অধিকাংশ প্রাণী পরজীবী জীবন স্থাপন করে থাকে। এদের মধ্যে ফ্লুক (Trematoda) ও টেপওয়ার্ম (Cestoda) শ্রেণির সদস্যরা বিশেষভাবে পরজীবী অভিযোজন প্রদর্শন করে। নিচে এদের পরজীবী অভিযোজনগুলোর বর্ণনা দেওয়া হলো- ১. শরীরের গঠনগত অভিযোজন: চ্যাপ্টা শরীর: সরু ও চ্যাপ্টা শরীর থাকার ফলে হোস্টের শরীরে সহজে অবস্থান করতে পারে এবং স্থান দখল করে কম জায়গায় বসবাস করতে পারে। সাকার: শরীরে এক বা একাধিক সাকার থাকে, যা হোস্টের শরীরের ভেতরে আঁকড়ে থাকতে সাহায্য করে। হুক বা কাঁটা: টেপওয়ার্মের হুক বা চোচক অঙ্গ থাকে যা দিয়ে এটি হোস্টের অন্ত্রের প্রাচীরে আটকে থাকে। ২. প্রজননগত অভিযোজন: অধিকাংশ Platyhelminthes উভলিঙ্গ এবং প্রচুর ডিম উৎপাদন করে যাতে হোস্টের দেহে বংশবৃদ্ধি করতে পারে। ৩. শারীরবৃত্তীয় অভিযোজন: টেপওয়ার্মের মতো কিছু প্রাণী হোস্টের অন্ত্রে সরাসরি ত্বকের মাধ্যমে পুষ্টি শোষণ করে বেঁচে থাকে। ৪. আচরণগত অভিযোজন: ডিম বা লার্ভা বিভিন্ন মাধ্যমে হোস্টে প্রবেশ করে এবং অনেক সময় একাধিক হোস্ট পরিবর্তন করে পূর্ণবয়স্ক হয়। উপরের আলোচনা থেকে বুঝায় যায় যে, Platyhelminthes পর্বের প্রাণীরা পরজীবী জীবন যাপনের জন্য দেহগত, প্রজননগত ও শারীরবৃত্তীয় বিভিন্ন অভিযোজন গড়ে তুলেছে, যার ফলে তারা হোস্টের দেহে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকতে এবং বংশবিস্তার করতে পারে।
B ও C প্রাণীদের মধ্যে কোনটি উন্নত? যুক্তি দিয়ে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত 'BB^{\prime} হলো Nematoda পর্বভুক্ত প্রাণী এবং 'CC^{\prime}-হলো Echinodermata পর্বভুক্ত প্রাণী। Nematoda এবং Echinodermata পর্বভুক্ত প্রাণীদের মধ্যে কোনটি উন্নত নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- Nematoda পর্বের বৈশিষ্ট্য: ১. দেহ নলাকার, দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম ও দুদিক সুচালো। ২. দেহ নমনীয়; ইলাস্টিন নির্মিত অকোষীয় কিউটিকলে আবৃত। ৩. পৌষ্টিকনালি সোজা ও শাখাহীন এবং মুখ থেকে পায়ু পর্যন্ত প্রসারিত। এ কারণে এসব প্রাণীর দেহকে 'নলের ভেতর নল' ধরনের গঠনের মতো দেখায়। ৪. মুখছিদ্র সাধারণত বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ওষ্ঠে পরিবৃত। ৫. শ্বসনতন্ত্র ও সংবহনতন্ত্র অনুপস্থিত। ৬. অধিকাংশ প্রাণী একলিঙ্গ, যৌন দ্বিরূপতা দেখা যায়। ৭. এরা স্থলচর বা জলচর, মুক্তজীবী বা পরজীবী প্রাণী। Echinodermata পর্বের বৈশিষ্ট্য: ১. দেহ পঞ্চঅরীয় প্রতিসম, তারকাকার, চাকতির মতো। ২. দেহ কণ্টকময়, স্পাইন ও পেডিসিলারি নামক বহিঃকঙ্কালযুক্ত। ৩. দেহ মৌখিক ও বিমৌখিকতলে বিন্যস্ত। মৌখিকতলে পাঁচটি অ্যাম্বুল্যাক্রাল খাদ উপস্থিত। ৪. দেহের ভেতরে সিলোম থেকে সৃষ্ট অনন্য গড়নের পানি সংবহনতন্ত্র রয়েছে। এর সংশ্লিষ্ট নালিকাপদ এদের চলন অঙ্গ। ৫. রক্ত সংবহনতন্ত্র অনুপস্থিত তবে হিমাল ও পেরিহিমালতন্ত্র সংবহনতন্ত্রের কাজ করে। ৬. রেচনতন্ত্র নেই। ৭. এরা সামুদ্রিক। উপরের আলোচনা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, Echinodermata পর্বের প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য Nematoda পর্বের প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য অপেক্ষা উন্নত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

A ও B পর্বভুক্ত প্রাণীগুলো পরজীবী। A এর প্রাণীগুলো চ্যাপ্টা এবং B এর প্রাণীগুলো নলাকার। অন্যদিকে C পর্বভুক্ত প্রাণীরা পঞ্চঅরীয় ও সামুদ্রিক।

Dhaka · 2025

নটোকর্ড কী?

উত্তর

মেসোডার্ম উদ্ধৃত কোষ দিয়ে গঠিত ভূণাবস্থায় অথবা আজীবন দেহের পৃষ্ঠমধ্য রেখা বরাবর অবস্থিত কিছুটা নমনীয়, স্থিতিস্থাপক ও ছিদ্রযুক্ত দণ্ডাকার গঠনকে নটোকর্ড বলে।
সিলোম বলতে কী বুঝায়?

উত্তর

বহুকোষী ত্রিস্তরী প্রাণিদেহের পৌষ্টিকনালি ও দেহপ্রাচীরের মধ্যবর্তী তরলপূর্ণ গহ্বরকে সিলোম বলে। সিলোম হচ্ছে এমন দেহ গহ্বর যা মেসোডার্ম থেকে উদ্ভূত এবং পেরিটোনিয়াম নামক মেসোডার্মাল কোষ স্তরে আবৃত। সিলোম প্রাণী শ্রেণিবিন্যাসের বিশেষ ভিত্তি। সিলোমের ভিন্নতার ভিত্তিতে বহুকোষী ত্রিস্তরী প্রাণীদের তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: (১) অ্যাসিলোমেট (২) স্যুডোসিলোমেট এবং (৩) ইউসিলোমেট।
A প্রাণীগুলোর পরজীবী অভিযোজন বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত 'AA^{\prime} দ্বারা প্লাটিহেলমিনথেস (Platyhelminthes) পর্বের প্রাণীদেরকে নির্দেশ করা হয়েছে। Platyhelminthes পর্বের অধিকাংশ প্রাণী পরজীবী জীবন স্থাপন করে থাকে। এদের মধ্যে ফ্লুক (Trematoda) ও টেপওয়ার্ম (Cestoda) শ্রেণির সদস্যরা বিশেষভাবে পরজীবী অভিযোজন প্রদর্শন করে। নিচে এদের পরজীবী অভিযোজনগুলোর বর্ণনা দেওয়া হলো- ১. শরীরের গঠনগত অভিযোজন: চ্যাপ্টা শরীর: সরু ও চ্যাপ্টা শরীর থাকার ফলে হোস্টের শরীরে সহজে অবস্থান করতে পারে এবং স্থান দখল করে কম জায়গায় বসবাস করতে পারে। সাকার: শরীরে এক বা একাধিক সাকার থাকে, যা হোস্টের শরীরের ভেতরে আঁকড়ে থাকতে সাহায্য করে। হুক বা কাঁটা: টেপওয়ার্মের হুক বা চোচক অঙ্গ থাকে যা দিয়ে এটি হোস্টের অন্ত্রের প্রাচীরে আটকে থাকে। ২. প্রজননগত অভিযোজন: অধিকাংশ Platyhelminthes উভলিঙ্গ এবং প্রচুর ডিম উৎপাদন করে যাতে হোস্টের দেহে বংশবৃদ্ধি করতে পারে। ৩. শারীরবৃত্তীয় অভিযোজন: টেপওয়ার্মের মতো কিছু প্রাণী হোস্টের অন্ত্রে সরাসরি ত্বকের মাধ্যমে পুষ্টি শোষণ করে বেঁচে থাকে। ৪. আচরণগত অভিযোজন: ডিম বা লার্ভা বিভিন্ন মাধ্যমে হোস্টে প্রবেশ করে এবং অনেক সময় একাধিক হোস্ট পরিবর্তন করে পূর্ণবয়স্ক হয়। উপরের আলোচনা থেকে বুঝায় যায় যে, Platyhelminthes পর্বের প্রাণীরা পরজীবী জীবন যাপনের জন্য দেহগত, প্রজননগত ও শারীরবৃত্তীয় বিভিন্ন অভিযোজন গড়ে তুলেছে, যার ফলে তারা হোস্টের দেহে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকতে এবং বংশবিস্তার করতে পারে।
B ও C প্রাণীদের মধ্যে কোনটি উন্নত? যুক্তি দিয়ে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত 'BB^{\prime} হলো Nematoda পর্বভুক্ত প্রাণী এবং 'CC^{\prime}-হলো Echinodermata পর্বভুক্ত প্রাণী। Nematoda এবং Echinodermata পর্বভুক্ত প্রাণীদের মধ্যে কোনটি উন্নত নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- Nematoda পর্বের বৈশিষ্ট্য: ১. দেহ নলাকার, দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম ও দুদিক সুচালো। ২. দেহ নমনীয়; ইলাস্টিন নির্মিত অকোষীয় কিউটিকলে আবৃত। ৩. পৌষ্টিকনালি সোজা ও শাখাহীন এবং মুখ থেকে পায়ু পর্যন্ত প্রসারিত। এ কারণে এসব প্রাণীর দেহকে 'নলের ভেতর নল' ধরনের গঠনের মতো দেখায়। ৪. মুখছিদ্র সাধারণত বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ওষ্ঠে পরিবৃত। ৫. শ্বসনতন্ত্র ও সংবহনতন্ত্র অনুপস্থিত। ৬. অধিকাংশ প্রাণী একলিঙ্গ, যৌন দ্বিরূপতা দেখা যায়। ৭. এরা স্থলচর বা জলচর, মুক্তজীবী বা পরজীবী প্রাণী। Echinodermata পর্বের বৈশিষ্ট্য: ১. দেহ পঞ্চঅরীয় প্রতিসম, তারকাকার, চাকতির মতো। ২. দেহ কণ্টকময়, স্পাইন ও পেডিসিলারি নামক বহিঃকঙ্কালযুক্ত। ৩. দেহ মৌখিক ও বিমৌখিকতলে বিন্যস্ত। মৌখিকতলে পাঁচটি অ্যাম্বুল্যাক্রাল খাদ উপস্থিত। ৪. দেহের ভেতরে সিলোম থেকে সৃষ্ট অনন্য গড়নের পানি সংবহনতন্ত্র রয়েছে। এর সংশ্লিষ্ট নালিকাপদ এদের চলন অঙ্গ। ৫. রক্ত সংবহনতন্ত্র অনুপস্থিত তবে হিমাল ও পেরিহিমালতন্ত্র সংবহনতন্ত্রের কাজ করে। ৬. রেচনতন্ত্র নেই। ৭. এরা সামুদ্রিক। উপরের আলোচনা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, Echinodermata পর্বের প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য Nematoda পর্বের প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য অপেক্ষা উন্নত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

A ও B পর্বভুক্ত প্রাণীগুলো পরজীবী। A এর প্রাণীগুলো চ্যাপ্টা এবং B এর প্রাণীগুলো নলাকার। অন্যদিকে C পর্বভুক্ত প্রাণীরা পঞ্চঅরীয় ও সামুদ্রিক।

Dhaka · 2025

নটোকর্ড কী?

উত্তর

মেসোডার্ম উদ্ধৃত কোষ দিয়ে গঠিত ভূণাবস্থায় অথবা আজীবন দেহের পৃষ্ঠমধ্য রেখা বরাবর অবস্থিত কিছুটা নমনীয়, স্থিতিস্থাপক ও ছিদ্রযুক্ত দণ্ডাকার গঠনকে নটোকর্ড বলে।
সিলোম বলতে কী বুঝায়?

উত্তর

বহুকোষী ত্রিস্তরী প্রাণিদেহের পৌষ্টিকনালি ও দেহপ্রাচীরের মধ্যবর্তী তরলপূর্ণ গহ্বরকে সিলোম বলে। সিলোম হচ্ছে এমন দেহ গহ্বর যা মেসোডার্ম থেকে উদ্ভূত এবং পেরিটোনিয়াম নামক মেসোডার্মাল কোষ স্তরে আবৃত। সিলোম প্রাণী শ্রেণিবিন্যাসের বিশেষ ভিত্তি। সিলোমের ভিন্নতার ভিত্তিতে বহুকোষী ত্রিস্তরী প্রাণীদের তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: (১) অ্যাসিলোমেট (২) স্যুডোসিলোমেট এবং (৩) ইউসিলোমেট।
A প্রাণীগুলোর পরজীবী অভিযোজন বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত 'AA^{\prime} দ্বারা প্লাটিহেলমিনথেস (Platyhelminthes) পর্বের প্রাণীদেরকে নির্দেশ করা হয়েছে। Platyhelminthes পর্বের অধিকাংশ প্রাণী পরজীবী জীবন স্থাপন করে থাকে। এদের মধ্যে ফ্লুক (Trematoda) ও টেপওয়ার্ম (Cestoda) শ্রেণির সদস্যরা বিশেষভাবে পরজীবী অভিযোজন প্রদর্শন করে। নিচে এদের পরজীবী অভিযোজনগুলোর বর্ণনা দেওয়া হলো- ১. শরীরের গঠনগত অভিযোজন: চ্যাপ্টা শরীর: সরু ও চ্যাপ্টা শরীর থাকার ফলে হোস্টের শরীরে সহজে অবস্থান করতে পারে এবং স্থান দখল করে কম জায়গায় বসবাস করতে পারে। সাকার: শরীরে এক বা একাধিক সাকার থাকে, যা হোস্টের শরীরের ভেতরে আঁকড়ে থাকতে সাহায্য করে। হুক বা কাঁটা: টেপওয়ার্মের হুক বা চোচক অঙ্গ থাকে যা দিয়ে এটি হোস্টের অন্ত্রের প্রাচীরে আটকে থাকে। ২. প্রজননগত অভিযোজন: অধিকাংশ Platyhelminthes উভলিঙ্গ এবং প্রচুর ডিম উৎপাদন করে যাতে হোস্টের দেহে বংশবৃদ্ধি করতে পারে। ৩. শারীরবৃত্তীয় অভিযোজন: টেপওয়ার্মের মতো কিছু প্রাণী হোস্টের অন্ত্রে সরাসরি ত্বকের মাধ্যমে পুষ্টি শোষণ করে বেঁচে থাকে। ৪. আচরণগত অভিযোজন: ডিম বা লার্ভা বিভিন্ন মাধ্যমে হোস্টে প্রবেশ করে এবং অনেক সময় একাধিক হোস্ট পরিবর্তন করে পূর্ণবয়স্ক হয়। উপরের আলোচনা থেকে বুঝায় যায় যে, Platyhelminthes পর্বের প্রাণীরা পরজীবী জীবন যাপনের জন্য দেহগত, প্রজননগত ও শারীরবৃত্তীয় বিভিন্ন অভিযোজন গড়ে তুলেছে, যার ফলে তারা হোস্টের দেহে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকতে এবং বংশবিস্তার করতে পারে।
B ও C প্রাণীদের মধ্যে কোনটি উন্নত? যুক্তি দিয়ে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত 'BB^{\prime} হলো Nematoda পর্বভুক্ত প্রাণী এবং 'CC^{\prime}-হলো Echinodermata পর্বভুক্ত প্রাণী। Nematoda এবং Echinodermata পর্বভুক্ত প্রাণীদের মধ্যে কোনটি উন্নত নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- Nematoda পর্বের বৈশিষ্ট্য: ১. দেহ নলাকার, দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম ও দুদিক সুচালো। ২. দেহ নমনীয়; ইলাস্টিন নির্মিত অকোষীয় কিউটিকলে আবৃত। ৩. পৌষ্টিকনালি সোজা ও শাখাহীন এবং মুখ থেকে পায়ু পর্যন্ত প্রসারিত। এ কারণে এসব প্রাণীর দেহকে 'নলের ভেতর নল' ধরনের গঠনের মতো দেখায়। ৪. মুখছিদ্র সাধারণত বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ওষ্ঠে পরিবৃত। ৫. শ্বসনতন্ত্র ও সংবহনতন্ত্র অনুপস্থিত। ৬. অধিকাংশ প্রাণী একলিঙ্গ, যৌন দ্বিরূপতা দেখা যায়। ৭. এরা স্থলচর বা জলচর, মুক্তজীবী বা পরজীবী প্রাণী। Echinodermata পর্বের বৈশিষ্ট্য: ১. দেহ পঞ্চঅরীয় প্রতিসম, তারকাকার, চাকতির মতো। ২. দেহ কণ্টকময়, স্পাইন ও পেডিসিলারি নামক বহিঃকঙ্কালযুক্ত। ৩. দেহ মৌখিক ও বিমৌখিকতলে বিন্যস্ত। মৌখিকতলে পাঁচটি অ্যাম্বুল্যাক্রাল খাদ উপস্থিত। ৪. দেহের ভেতরে সিলোম থেকে সৃষ্ট অনন্য গড়নের পানি সংবহনতন্ত্র রয়েছে। এর সংশ্লিষ্ট নালিকাপদ এদের চলন অঙ্গ। ৫. রক্ত সংবহনতন্ত্র অনুপস্থিত তবে হিমাল ও পেরিহিমালতন্ত্র সংবহনতন্ত্রের কাজ করে। ৬. রেচনতন্ত্র নেই। ৭. এরা সামুদ্রিক। উপরের আলোচনা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, Echinodermata পর্বের প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য Nematoda পর্বের প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য অপেক্ষা উন্নত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

A ও B পর্বভুক্ত প্রাণীগুলো পরজীবী। A এর প্রাণীগুলো চ্যাপ্টা এবং B এর প্রাণীগুলো নলাকার। অন্যদিকে C পর্বভুক্ত প্রাণীরা পঞ্চঅরীয় ও সামুদ্রিক।

Dhaka · 2025

নটোকর্ড কী?

উত্তর

মেসোডার্ম উদ্ধৃত কোষ দিয়ে গঠিত ভূণাবস্থায় অথবা আজীবন দেহের পৃষ্ঠমধ্য রেখা বরাবর অবস্থিত কিছুটা নমনীয়, স্থিতিস্থাপক ও ছিদ্রযুক্ত দণ্ডাকার গঠনকে নটোকর্ড বলে।
সিলোম বলতে কী বুঝায়?

উত্তর

বহুকোষী ত্রিস্তরী প্রাণিদেহের পৌষ্টিকনালি ও দেহপ্রাচীরের মধ্যবর্তী তরলপূর্ণ গহ্বরকে সিলোম বলে। সিলোম হচ্ছে এমন দেহ গহ্বর যা মেসোডার্ম থেকে উদ্ভূত এবং পেরিটোনিয়াম নামক মেসোডার্মাল কোষ স্তরে আবৃত। সিলোম প্রাণী শ্রেণিবিন্যাসের বিশেষ ভিত্তি। সিলোমের ভিন্নতার ভিত্তিতে বহুকোষী ত্রিস্তরী প্রাণীদের তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: (১) অ্যাসিলোমেট (২) স্যুডোসিলোমেট এবং (৩) ইউসিলোমেট।
A প্রাণীগুলোর পরজীবী অভিযোজন বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত 'AA^{\prime} দ্বারা প্লাটিহেলমিনথেস (Platyhelminthes) পর্বের প্রাণীদেরকে নির্দেশ করা হয়েছে। Platyhelminthes পর্বের অধিকাংশ প্রাণী পরজীবী জীবন স্থাপন করে থাকে। এদের মধ্যে ফ্লুক (Trematoda) ও টেপওয়ার্ম (Cestoda) শ্রেণির সদস্যরা বিশেষভাবে পরজীবী অভিযোজন প্রদর্শন করে। নিচে এদের পরজীবী অভিযোজনগুলোর বর্ণনা দেওয়া হলো- ১. শরীরের গঠনগত অভিযোজন: চ্যাপ্টা শরীর: সরু ও চ্যাপ্টা শরীর থাকার ফলে হোস্টের শরীরে সহজে অবস্থান করতে পারে এবং স্থান দখল করে কম জায়গায় বসবাস করতে পারে। সাকার: শরীরে এক বা একাধিক সাকার থাকে, যা হোস্টের শরীরের ভেতরে আঁকড়ে থাকতে সাহায্য করে। হুক বা কাঁটা: টেপওয়ার্মের হুক বা চোচক অঙ্গ থাকে যা দিয়ে এটি হোস্টের অন্ত্রের প্রাচীরে আটকে থাকে। ২. প্রজননগত অভিযোজন: অধিকাংশ Platyhelminthes উভলিঙ্গ এবং প্রচুর ডিম উৎপাদন করে যাতে হোস্টের দেহে বংশবৃদ্ধি করতে পারে। ৩. শারীরবৃত্তীয় অভিযোজন: টেপওয়ার্মের মতো কিছু প্রাণী হোস্টের অন্ত্রে সরাসরি ত্বকের মাধ্যমে পুষ্টি শোষণ করে বেঁচে থাকে। ৪. আচরণগত অভিযোজন: ডিম বা লার্ভা বিভিন্ন মাধ্যমে হোস্টে প্রবেশ করে এবং অনেক সময় একাধিক হোস্ট পরিবর্তন করে পূর্ণবয়স্ক হয়। উপরের আলোচনা থেকে বুঝায় যায় যে, Platyhelminthes পর্বের প্রাণীরা পরজীবী জীবন যাপনের জন্য দেহগত, প্রজননগত ও শারীরবৃত্তীয় বিভিন্ন অভিযোজন গড়ে তুলেছে, যার ফলে তারা হোস্টের দেহে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকতে এবং বংশবিস্তার করতে পারে।
B ও C প্রাণীদের মধ্যে কোনটি উন্নত? যুক্তি দিয়ে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত 'BB^{\prime} হলো Nematoda পর্বভুক্ত প্রাণী এবং 'CC^{\prime}-হলো Echinodermata পর্বভুক্ত প্রাণী। Nematoda এবং Echinodermata পর্বভুক্ত প্রাণীদের মধ্যে কোনটি উন্নত নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- Nematoda পর্বের বৈশিষ্ট্য: ১. দেহ নলাকার, দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম ও দুদিক সুচালো। ২. দেহ নমনীয়; ইলাস্টিন নির্মিত অকোষীয় কিউটিকলে আবৃত। ৩. পৌষ্টিকনালি সোজা ও শাখাহীন এবং মুখ থেকে পায়ু পর্যন্ত প্রসারিত। এ কারণে এসব প্রাণীর দেহকে 'নলের ভেতর নল' ধরনের গঠনের মতো দেখায়। ৪. মুখছিদ্র সাধারণত বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ওষ্ঠে পরিবৃত। ৫. শ্বসনতন্ত্র ও সংবহনতন্ত্র অনুপস্থিত। ৬. অধিকাংশ প্রাণী একলিঙ্গ, যৌন দ্বিরূপতা দেখা যায়। ৭. এরা স্থলচর বা জলচর, মুক্তজীবী বা পরজীবী প্রাণী। Echinodermata পর্বের বৈশিষ্ট্য: ১. দেহ পঞ্চঅরীয় প্রতিসম, তারকাকার, চাকতির মতো। ২. দেহ কণ্টকময়, স্পাইন ও পেডিসিলারি নামক বহিঃকঙ্কালযুক্ত। ৩. দেহ মৌখিক ও বিমৌখিকতলে বিন্যস্ত। মৌখিকতলে পাঁচটি অ্যাম্বুল্যাক্রাল খাদ উপস্থিত। ৪. দেহের ভেতরে সিলোম থেকে সৃষ্ট অনন্য গড়নের পানি সংবহনতন্ত্র রয়েছে। এর সংশ্লিষ্ট নালিকাপদ এদের চলন অঙ্গ। ৫. রক্ত সংবহনতন্ত্র অনুপস্থিত তবে হিমাল ও পেরিহিমালতন্ত্র সংবহনতন্ত্রের কাজ করে। ৬. রেচনতন্ত্র নেই। ৭. এরা সামুদ্রিক। উপরের আলোচনা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, Echinodermata পর্বের প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য Nematoda পর্বের প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য অপেক্ষা উন্নত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

দ্বিস্তরী প্রাণীরা গ্যামেট ছাড়াই গ্রীষ্মকালে এক বিশেষ ধরনের জনন সম্পন্ন করে। এরা লম্বা ও অল্প দূরত্ব অতিক্রম করার জন্য দুটি ভিন্ন পদ্ধতিতে চলন সম্পন্ন করে।

Dhaka · 2025

হিপনোটক্সিন কী?

উত্তর

Hydra নেমাটোসিস্টের ভিতরে অবস্থিত ফেনল ও প্রোটিন সহযোগে গঠিত এক ধরনের বিষাক্ত তরল পদার্থকে হিপনোটক্সিন বলা হয়।
হিমোসিল বলতে কী বুঝায়?

উত্তর

ভূণীয় বিকাশের সময় প্রকৃত সিলোমের প্রাচীর ফেটে গিয়ে ব্লাস্টোসিলের সাথে একাকার হয়ে যায় এবং পূর্ণাঙ্গ প্রাণীতে ঐ সংযুক্ত গহ্বর পেরিটোনিয়াম নামক পর্দায় আবৃত থাকে না। এরকম সিলোমকে হিমোসিল বলে। এটি রক্তপূর্ণ থাকে তাই রক্তপূর্ণ দেহগহ্বরকে হিমোসিল বলে। ঘাসফড়িং এর হিমোসিল দুটি অণুপ্রস্থ পর্দা দিয়ে তিনটি প্রকোষ্ঠ বা সাইনাসে বিভক্ত। হিমোসিল দেহের বিভিন্ন অঙ্গ, রক্ত ও লসিকা ধারণ করে। এর মাধ্যমে খাদ্যরস ও বর্জ্য বস্তু পরিবাহিত হয়।
উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রাণীর বিশেষ জনন প্রক্রিয়ার ধাপসমূহ চিত্রসহ বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত বিশেষ জনন প্রক্রিয়াটি হলো Hydra-র মুকুলোদগম বা কুঁড়ি সৃষ্টি। নিচে Hydra-র মুকুলোদগম প্রক্রিয়াটি চিত্রসহ বর্ণনা করা হলো- এটি Hydra-র একটি সাধারণ প্রজনন পদ্ধতি। খাদ্যের প্রাচুর্যতার কারণে গ্রীষ্মকালে Hydra দেহে মুকুলোদগম ঘটায়। মুকুললোদগম প্রক্রিয়া নিম্নলিখিত ধাপে সংঘটিত হয়- ১. প্রক্রিয়ার শুরুতে দেহের মধ্যাংশ বা নিম্নাংশের কোনো স্থানের এপিডার্মাল ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ দ্রুত বিভাজিত হয়ে একটি ক্ষুদ্র স্ফীতি অংশের সৃষ্টি করে। ২. এটি ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়ে ফাঁপা, নলাকার মুকুল বা কুঁড়িতে পরিণত হয়। এতে ক্রমশ এপিডার্মিস, মেসোগ্লিয়া ও গ্যাস্ট্রোডার্মিস গঠিত হয়। মাতৃপ্রাণীর সিলেন্টেরন মুকুলের কেন্দ্রে প্রসারিত হয়। ৩. মুকুলটি মাতৃপ্রাণী হতে পুষ্টি গ্রহণ করে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয় এবঙ শীর্ষপ্রান্তে মুখছিদ্র, হাইপোস্টোম ও কর্ষিকা গঠন করে। ৪. এসময় মাতৃপ্রাণী ও মুকুলের সংযোগস্থলে একটি বৃত্তাকার খাঁজের সৃষ্টি হয়; এ খাঁজটি ক্রমে গভীর হয়ে মুকুল তথা অপত্য হাইড্রাকে মাতৃপ্রাণী হতে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। ৫. অপত্য হাইড্রার বিচ্ছিন্ন হওয়ার প্রান্তে পদচাকতি গঠিত হয় এবং এটি স্বাধীনভাবে জীবনযাপন শুরু করে। একই সময়ে একটি হাইড্রার দেহে একাধিক মুকুল সৃষ্টি হতে পারে। Hydra-র একটি মুকুলোদগম সম্পন্ন হতে সময় লাগে 2 হতে 3 দিন।
উদ্দীপকে উল্লেখিত চলন দুটির তুলনামূলক আলোচনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটি হলো Cnidaria পর্বের দ্বিস্তরী প্রাণী Hydra। Hydra-র চলন প্রক্রিয়ায় লম্বা দূরত্ব অতিক্রমের জন্য লুপিং (হামাগুড়ি) প্রক্রিয়া এবং দ্রুত চলার জন্য সমারসল্টিং (ডিগবাজী) প্রক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়। নিচে উক্ত চলন প্রক্রিয়া দুটির মধ্যে তুলনা করা হলো- question image

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

দ্বিস্তরী প্রাণীরা গ্যামেট ছাড়াই গ্রীষ্মকালে এক বিশেষ ধরনের জনন সম্পন্ন করে। এরা লম্বা ও অল্প দূরত্ব অতিক্রম করার জন্য দুটি ভিন্ন পদ্ধতিতে চলন সম্পন্ন করে।

Dhaka · 2025

হিপনোটক্সিন কী?

উত্তর

Hydra নেমাটোসিস্টের ভিতরে অবস্থিত ফেনল ও প্রোটিন সহযোগে গঠিত এক ধরনের বিষাক্ত তরল পদার্থকে হিপনোটক্সিন বলা হয়।
হিমোসিল বলতে কী বুঝায়?

উত্তর

ভূণীয় বিকাশের সময় প্রকৃত সিলোমের প্রাচীর ফেটে গিয়ে ব্লাস্টোসিলের সাথে একাকার হয়ে যায় এবং পূর্ণাঙ্গ প্রাণীতে ঐ সংযুক্ত গহ্বর পেরিটোনিয়াম নামক পর্দায় আবৃত থাকে না। এরকম সিলোমকে হিমোসিল বলে। এটি রক্তপূর্ণ থাকে তাই রক্তপূর্ণ দেহগহ্বরকে হিমোসিল বলে। ঘাসফড়িং এর হিমোসিল দুটি অণুপ্রস্থ পর্দা দিয়ে তিনটি প্রকোষ্ঠ বা সাইনাসে বিভক্ত। হিমোসিল দেহের বিভিন্ন অঙ্গ, রক্ত ও লসিকা ধারণ করে। এর মাধ্যমে খাদ্যরস ও বর্জ্য বস্তু পরিবাহিত হয়।
উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রাণীর বিশেষ জনন প্রক্রিয়ার ধাপসমূহ চিত্রসহ বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত বিশেষ জনন প্রক্রিয়াটি হলো Hydra-র মুকুলোদগম বা কুঁড়ি সৃষ্টি। নিচে Hydra-র মুকুলোদগম প্রক্রিয়াটি চিত্রসহ বর্ণনা করা হলো- এটি Hydra-র একটি সাধারণ প্রজনন পদ্ধতি। খাদ্যের প্রাচুর্যতার কারণে গ্রীষ্মকালে Hydra দেহে মুকুলোদগম ঘটায়। মুকুললোদগম প্রক্রিয়া নিম্নলিখিত ধাপে সংঘটিত হয়- ১. প্রক্রিয়ার শুরুতে দেহের মধ্যাংশ বা নিম্নাংশের কোনো স্থানের এপিডার্মাল ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ দ্রুত বিভাজিত হয়ে একটি ক্ষুদ্র স্ফীতি অংশের সৃষ্টি করে। ২. এটি ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়ে ফাঁপা, নলাকার মুকুল বা কুঁড়িতে পরিণত হয়। এতে ক্রমশ এপিডার্মিস, মেসোগ্লিয়া ও গ্যাস্ট্রোডার্মিস গঠিত হয়। মাতৃপ্রাণীর সিলেন্টেরন মুকুলের কেন্দ্রে প্রসারিত হয়। ৩. মুকুলটি মাতৃপ্রাণী হতে পুষ্টি গ্রহণ করে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয় এবঙ শীর্ষপ্রান্তে মুখছিদ্র, হাইপোস্টোম ও কর্ষিকা গঠন করে। ৪. এসময় মাতৃপ্রাণী ও মুকুলের সংযোগস্থলে একটি বৃত্তাকার খাঁজের সৃষ্টি হয়; এ খাঁজটি ক্রমে গভীর হয়ে মুকুল তথা অপত্য হাইড্রাকে মাতৃপ্রাণী হতে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। ৫. অপত্য হাইড্রার বিচ্ছিন্ন হওয়ার প্রান্তে পদচাকতি গঠিত হয় এবং এটি স্বাধীনভাবে জীবনযাপন শুরু করে। একই সময়ে একটি হাইড্রার দেহে একাধিক মুকুল সৃষ্টি হতে পারে। Hydra-র একটি মুকুলোদগম সম্পন্ন হতে সময় লাগে 2 হতে 3 দিন।
উদ্দীপকে উল্লেখিত চলন দুটির তুলনামূলক আলোচনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটি হলো Cnidaria পর্বের দ্বিস্তরী প্রাণী Hydra। Hydra-র চলন প্রক্রিয়ায় লম্বা দূরত্ব অতিক্রমের জন্য লুপিং (হামাগুড়ি) প্রক্রিয়া এবং দ্রুত চলার জন্য সমারসল্টিং (ডিগবাজী) প্রক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়। নিচে উক্ত চলন প্রক্রিয়া দুটির মধ্যে তুলনা করা হলো- question image

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রুইমাছ পেরিকার্ডিয়াম আবৃত অঙ্গ দ্বারা রক্তসংবহন প্রক্রিয়া ও চিরুনি পাতবিশিষ্ট অঙ্গ দ্বারা গ্যাস বিনিময় কার্য সম্পন্ন করে।

Dhaka · 2025

প্রোনোটাম কী?

উত্তর

ঘাসফড়িং এর অগ্রবক্ষের টার্গাম অংশটি বেশ বড়, চওড়া এবং পিছনে ও পাশে প্রসারিত অংশের নাম প্রোনোটাম।
মাছের ক্ষেত্রে বায়ুথলির প্রয়োজন কেন?

উত্তর

বায়ুথলি মাছের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। মাছের ক্ষেত্রে বায়ুথলির প্রয়োজন, কারণ- ১. এটি পানির যেকোনো গভীরতায় মাছকে সক্রিয়ভাবে সাঁতারে সহায়তা করে। ২. এটি ভেতরের গ্যাসের পরিমাণ বাড়িয়ে বা কমিয়ে চার পাশের পরিবেশের সাথে পানিতে মাছের ভারসাম্য রক্ষা করে। ৩. পানিতে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দিলে বায়ু পটকাতে বিদ্যমান গ্যাস সে ঘাটতি পূরণ করে মাছের শ্বসন কাজে সহায়তা করে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রাণীর প্রথম অঙ্গটির গঠন সচিত্র বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রাণীটি হলো রুই মাছ এবং প্রথম অঙ্গটি হলো হৃৎপিণ্ড।নিচে রুই মাছের হৃৎপিন্ডের গঠন সচিত্র বর্ণনা করা হলো- গঠন: ১. সাইনাস ভেনোসাস: এটি পাতলা প্রাচীর বিশিষ্ট উপপ্রকোষ্ঠ যা হৃৎপিণ্ডের পৃষ্ঠদেশে অবস্থিত। ২. অ্যাট্রিয়াম: এটি পেরিকার্ডিয়াল গহ্বরের সম্মুখ পৃষ্ঠভাগে অবস্থিত পাতলা প্রাচীরবিশিষ্ট বৃহত্তম প্রকোষ্ঠ। ৩. ভেন্ট্রিকল: এটি হৃৎপিন্ডের সর্বশেষ প্রকোষ্ঠ। পেরিকার্ডিয়াল গহ্বরের অঙ্কীয় দেশে অবস্থিত। ৪. বাম্বাস আর্টারিওসাস: বুই মাছের হৃৎপিণ্ডে কোনাস আর্টারিওসাস নেই। তার পরিবর্তে বাল্বাস আর্টারিওসাস নামক একটি গঠন দেখা অ্যাওর্টার স্ফীত হওয়া যায় যা মূলত ভেন্ট্রাল গোড়া বা মূল। এটি হৃৎপিণ্ড থেকে ভেন্ট্রাল অ্যাওর্টায় রক্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে। রুইমাছের উপপ্রকোষ্ঠ ও প্রকোষ্ঠগুলোর সংযোগ ছিদ্রে কপাটিকা থাকে। কপাটিকাগুলো হলো- question image ১. সাইনো-অ্যাট্রিয়াল কপাটিকা: সাইনাস ভেনোসাস ও অ্যাট্রিয়ামের মাঝে অবস্থিত ছিদ্রপথে এ কপাটিকা থাকে। ২. অ্যাট্রিও-ভেন্ট্রিকুলার কপাটিকা: অ্যাট্রিয়াম ও ভেন্ট্রিকলের মাঝে অবস্থিত অ্যাট্রিও-ভেন্ট্রিকুলার ছিদ্রপথে এ কপাটিকা অবস্থান করে। ৩. ভেন্ট্রিকুলো-বাশ্বাস কপাটিকা: এটি ভেন্ট্রিকল ও বাল্বাস অ্যাওর্টার মাঝে অবস্থিত কপাটিকা।
উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রাণীর দ্বিতীয় অঙ্গটির গ্যাসীয় বিনিময় কৌশল ঘাসফড়িং এর ক্ষেত্রে ভিন্নতর- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রাণীটি হলো রুই মাছ এবং দ্বিতীয় অঙ্গটি হলো ফুলকা যা শ্বসন কার্যে ব্যবহৃত হয়। ঘাসফড়িং-এর শ্বসন পদ্ধতি বা গ্যাসীয় বিনিময় কৌশল রুইমাছের শ্বসন পদ্ধতি হতে ভিন্নতর। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- ঘাসফড়িং এর রক্তে কোনো শ্বাসরঞ্জক বা হিমোগ্লোবিন না থাকায় এর রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে O2O_2 পরিবহন করতে পারে না। O2O_2 পরিবহনের এই অক্ষমতা পূরণের জন্য পরিবেশ থেকে গৃহীত O2O_2 সরাসরি দেহকোষে প্রবেশের ক্ষেত্রে ট্রাকিয়া নামক শ্বাসনালির উদ্ভব ঘটেছে। এই শ্বাসনালিগুলোর মাধ্যমে O2O_2 দেহের প্রতিটি কোষে পৌছায় এবং শ্বসন ক্রিয়ার মাধ্যমে উৎপন্ন CO2CO_2 দেহের বাইরে নির্গত হয়। শ্বসনতন্ত্রের বিভিন্ন অঙ্গাণুর মাধ্যমে শ্বাসগ্রহণ ও শ্বাসত্যাগ প্রক্রিয়ায় উল্লিখিত ঘটনাটি সূচারুরূপে ঘটে থাকে। শ্বাস গ্রহণে ট্রাকিয়ার আয়তন বৃদ্ধি পায় ফলে O2O_2 যুক্ত বায়ু শ্বাসরন্দ্রের মাধ্যমে অ্যাট্রিয়ামে ও পরে ট্রাকিয়ার মধ্য দিয়ে তা ট্রাকিওল হয়ে প্রান্তীয় থলিতে পৌঁছায়। সেখানে ট্রাকিওল রসে বায়ুস্থ O2O_2 দ্রবীভূত হয়ে দেহ কোষে প্রবেশ করে। অপরদিকে, রুই মাছের প্রধান শ্বসন অঙ্গ হলো ফুলকা। এ অঙ্গটি দ্বারা রুই মাছ শ্বসন কার্য সম্পন্ন করে থাকে। প্রশ্বাসের সময় রুই মাছের মুখের পেশি প্রসারিত হয় বলে গলবিল ও মুখ গহ্বরের প্রসারণ ঘটে। এ সময় ফুলকা আর্চ বাইরের দিকে প্রসারিত হয় এবং মুখের সম্মুখে অবস্থিত কপাটিকা খুলে যায়। মুখ গহ্বরের প্রকোষ্ঠের আয়তন বৃদ্ধি ঘটায়, O2O_2 সমৃদ্ধ পানি বাইরের পরিবেশ থেকে মুখছিদ্রের মধ্য দিয়ে, মুখবিবর ও গলবিলে প্রবেশ করে এবং অন্তঃফুলকা ছিদ্রের মাধ্যমে পানি ফুলকা প্রকোষ্ঠের ফুলকার সংস্পর্শে আসে। ফুলকা সূত্রের উপর দিয়ে পানি প্রবাহের সময় ফুলকাতে অবস্থিত কৈশিক জালিকার রক্তের সাথে পানির গ্যাসীয় বিনিময় ঘটে 'ফলে পানি থেকে রক্তে O2O_2 প্রবেশ করে এবং রক্ত থেকে পানিতে CO2CO_2 মুক্ত হয়। O2O_2 এবং CO2CO_2 গ্যাসের বিনিময় সম্পাদনের পর পেশি। সংকোচনের ফলে মুখবিবর ও ফুলকা প্রকোষ্ঠ সংকুচিত হতে থাকে। ফলে CO2CO_2 যুক্ত পানি ফুলকা প্রকোষ্ঠ থেকে বেরিয়ে মুখবিবরে যায়। এ সময় মুখছিদ্রের কপাটিকা দুটি বন্ধ থাকে এবং মুখবিবরের আয়তন হ্রাস পায়। ফলে অপারকুলাম এবং ব্রাঙ্কিওস্টেগাল পর্দা খুলে যায় এবং বহিঃফুলকা ছিদ্র পথে CO2CO_2 যুক্ত পানি দেহের বাইরে বের হয়ে আসে। উপরের আলোচনা থেকে বুঝা যায় যে, ঘাসফড়িং এর শ্বসন পদ্ধতি রুই মাছের শ্বসন পদ্ধতি হতে ভিন্নতর।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রুইমাছ পেরিকার্ডিয়াম আবৃত অঙ্গ দ্বারা রক্তসংবহন প্রক্রিয়া ও চিরুনি পাতবিশিষ্ট অঙ্গ দ্বারা গ্যাস বিনিময় কার্য সম্পন্ন করে।

Dhaka · 2025

প্রোনোটাম কী?

উত্তর

ঘাসফড়িং এর অগ্রবক্ষের টার্গাম অংশটি বেশ বড়, চওড়া এবং পিছনে ও পাশে প্রসারিত অংশের নাম প্রোনোটাম।
মাছের ক্ষেত্রে বায়ুথলির প্রয়োজন কেন?

উত্তর

বায়ুথলি মাছের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। মাছের ক্ষেত্রে বায়ুথলির প্রয়োজন, কারণ- ১. এটি পানির যেকোনো গভীরতায় মাছকে সক্রিয়ভাবে সাঁতারে সহায়তা করে। ২. এটি ভেতরের গ্যাসের পরিমাণ বাড়িয়ে বা কমিয়ে চার পাশের পরিবেশের সাথে পানিতে মাছের ভারসাম্য রক্ষা করে। ৩. পানিতে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দিলে বায়ু পটকাতে বিদ্যমান গ্যাস সে ঘাটতি পূরণ করে মাছের শ্বসন কাজে সহায়তা করে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রাণীর প্রথম অঙ্গটির গঠন সচিত্র বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রাণীটি হলো রুই মাছ এবং প্রথম অঙ্গটি হলো হৃৎপিণ্ড।নিচে রুই মাছের হৃৎপিন্ডের গঠন সচিত্র বর্ণনা করা হলো- গঠন: ১. সাইনাস ভেনোসাস: এটি পাতলা প্রাচীর বিশিষ্ট উপপ্রকোষ্ঠ যা হৃৎপিণ্ডের পৃষ্ঠদেশে অবস্থিত। ২. অ্যাট্রিয়াম: এটি পেরিকার্ডিয়াল গহ্বরের সম্মুখ পৃষ্ঠভাগে অবস্থিত পাতলা প্রাচীরবিশিষ্ট বৃহত্তম প্রকোষ্ঠ। ৩. ভেন্ট্রিকল: এটি হৃৎপিন্ডের সর্বশেষ প্রকোষ্ঠ। পেরিকার্ডিয়াল গহ্বরের অঙ্কীয় দেশে অবস্থিত। ৪. বাম্বাস আর্টারিওসাস: বুই মাছের হৃৎপিণ্ডে কোনাস আর্টারিওসাস নেই। তার পরিবর্তে বাল্বাস আর্টারিওসাস নামক একটি গঠন দেখা অ্যাওর্টার স্ফীত হওয়া যায় যা মূলত ভেন্ট্রাল গোড়া বা মূল। এটি হৃৎপিণ্ড থেকে ভেন্ট্রাল অ্যাওর্টায় রক্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে। রুইমাছের উপপ্রকোষ্ঠ ও প্রকোষ্ঠগুলোর সংযোগ ছিদ্রে কপাটিকা থাকে। কপাটিকাগুলো হলো- question image ১. সাইনো-অ্যাট্রিয়াল কপাটিকা: সাইনাস ভেনোসাস ও অ্যাট্রিয়ামের মাঝে অবস্থিত ছিদ্রপথে এ কপাটিকা থাকে। ২. অ্যাট্রিও-ভেন্ট্রিকুলার কপাটিকা: অ্যাট্রিয়াম ও ভেন্ট্রিকলের মাঝে অবস্থিত অ্যাট্রিও-ভেন্ট্রিকুলার ছিদ্রপথে এ কপাটিকা অবস্থান করে। ৩. ভেন্ট্রিকুলো-বাশ্বাস কপাটিকা: এটি ভেন্ট্রিকল ও বাল্বাস অ্যাওর্টার মাঝে অবস্থিত কপাটিকা।
উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রাণীর দ্বিতীয় অঙ্গটির গ্যাসীয় বিনিময় কৌশল ঘাসফড়িং এর ক্ষেত্রে ভিন্নতর- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রাণীটি হলো রুই মাছ এবং দ্বিতীয় অঙ্গটি হলো ফুলকা যা শ্বসন কার্যে ব্যবহৃত হয়। ঘাসফড়িং-এর শ্বসন পদ্ধতি বা গ্যাসীয় বিনিময় কৌশল রুইমাছের শ্বসন পদ্ধতি হতে ভিন্নতর। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- ঘাসফড়িং এর রক্তে কোনো শ্বাসরঞ্জক বা হিমোগ্লোবিন না থাকায় এর রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে O2O_2 পরিবহন করতে পারে না। O2O_2 পরিবহনের এই অক্ষমতা পূরণের জন্য পরিবেশ থেকে গৃহীত O2O_2 সরাসরি দেহকোষে প্রবেশের ক্ষেত্রে ট্রাকিয়া নামক শ্বাসনালির উদ্ভব ঘটেছে। এই শ্বাসনালিগুলোর মাধ্যমে O2O_2 দেহের প্রতিটি কোষে পৌছায় এবং শ্বসন ক্রিয়ার মাধ্যমে উৎপন্ন CO2CO_2 দেহের বাইরে নির্গত হয়। শ্বসনতন্ত্রের বিভিন্ন অঙ্গাণুর মাধ্যমে শ্বাসগ্রহণ ও শ্বাসত্যাগ প্রক্রিয়ায় উল্লিখিত ঘটনাটি সূচারুরূপে ঘটে থাকে। শ্বাস গ্রহণে ট্রাকিয়ার আয়তন বৃদ্ধি পায় ফলে O2O_2 যুক্ত বায়ু শ্বাসরন্দ্রের মাধ্যমে অ্যাট্রিয়ামে ও পরে ট্রাকিয়ার মধ্য দিয়ে তা ট্রাকিওল হয়ে প্রান্তীয় থলিতে পৌঁছায়। সেখানে ট্রাকিওল রসে বায়ুস্থ O2O_2 দ্রবীভূত হয়ে দেহ কোষে প্রবেশ করে। অপরদিকে, রুই মাছের প্রধান শ্বসন অঙ্গ হলো ফুলকা। এ অঙ্গটি দ্বারা রুই মাছ শ্বসন কার্য সম্পন্ন করে থাকে। প্রশ্বাসের সময় রুই মাছের মুখের পেশি প্রসারিত হয় বলে গলবিল ও মুখ গহ্বরের প্রসারণ ঘটে। এ সময় ফুলকা আর্চ বাইরের দিকে প্রসারিত হয় এবং মুখের সম্মুখে অবস্থিত কপাটিকা খুলে যায়। মুখ গহ্বরের প্রকোষ্ঠের আয়তন বৃদ্ধি ঘটায়, O2O_2 সমৃদ্ধ পানি বাইরের পরিবেশ থেকে মুখছিদ্রের মধ্য দিয়ে, মুখবিবর ও গলবিলে প্রবেশ করে এবং অন্তঃফুলকা ছিদ্রের মাধ্যমে পানি ফুলকা প্রকোষ্ঠের ফুলকার সংস্পর্শে আসে। ফুলকা সূত্রের উপর দিয়ে পানি প্রবাহের সময় ফুলকাতে অবস্থিত কৈশিক জালিকার রক্তের সাথে পানির গ্যাসীয় বিনিময় ঘটে 'ফলে পানি থেকে রক্তে O2O_2 প্রবেশ করে এবং রক্ত থেকে পানিতে CO2CO_2 মুক্ত হয়। O2O_2 এবং CO2CO_2 গ্যাসের বিনিময় সম্পাদনের পর পেশি। সংকোচনের ফলে মুখবিবর ও ফুলকা প্রকোষ্ঠ সংকুচিত হতে থাকে। ফলে CO2CO_2 যুক্ত পানি ফুলকা প্রকোষ্ঠ থেকে বেরিয়ে মুখবিবরে যায়। এ সময় মুখছিদ্রের কপাটিকা দুটি বন্ধ থাকে এবং মুখবিবরের আয়তন হ্রাস পায়। ফলে অপারকুলাম এবং ব্রাঙ্কিওস্টেগাল পর্দা খুলে যায় এবং বহিঃফুলকা ছিদ্র পথে CO2CO_2 যুক্ত পানি দেহের বাইরে বের হয়ে আসে। উপরের আলোচনা থেকে বুঝা যায় যে, ঘাসফড়িং এর শ্বসন পদ্ধতি রুই মাছের শ্বসন পদ্ধতি হতে ভিন্নতর।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

দ্বিস্তরী প্রাণীরা গ্যামেট ছাড়াই গ্রীষ্মকালে এক বিশেষ ধরনের জনন সম্পন্ন করে। এরা লম্বা ও অল্প দূরত্ব অতিক্রম করার জন্য দুটি ভিন্ন পদ্ধতিতে চলন সম্পন্ন করে।

Dhaka · 2025

হিপনোটক্সিন কী?

উত্তর

Hydra নেমাটোসিস্টের ভিতরে অবস্থিত ফেনল ও প্রোটিন সহযোগে গঠিত এক ধরনের বিষাক্ত তরল পদার্থকে হিপনোটক্সিন বলা হয়।
হিমোসিল বলতে কী বুঝায়?

উত্তর

ভূণীয় বিকাশের সময় প্রকৃত সিলোমের প্রাচীর ফেটে গিয়ে ব্লাস্টোসিলের সাথে একাকার হয়ে যায় এবং পূর্ণাঙ্গ প্রাণীতে ঐ সংযুক্ত গহ্বর পেরিটোনিয়াম নামক পর্দায় আবৃত থাকে না। এরকম সিলোমকে হিমোসিল বলে। এটি রক্তপূর্ণ থাকে তাই রক্তপূর্ণ দেহগহ্বরকে হিমোসিল বলে। ঘাসফড়িং এর হিমোসিল দুটি অণুপ্রস্থ পর্দা দিয়ে তিনটি প্রকোষ্ঠ বা সাইনাসে বিভক্ত। হিমোসিল দেহের বিভিন্ন অঙ্গ, রক্ত ও লসিকা ধারণ করে। এর মাধ্যমে খাদ্যরস ও বর্জ্য বস্তু পরিবাহিত হয়।
উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রাণীর বিশেষ জনন প্রক্রিয়ার ধাপসমূহ চিত্রসহ বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত বিশেষ জনন প্রক্রিয়াটি হলো Hydra-র মুকুলোদগম বা কুঁড়ি সৃষ্টি। নিচে Hydra-র মুকুলোদগম প্রক্রিয়াটি চিত্রসহ বর্ণনা করা হলো- এটি Hydra-র একটি সাধারণ প্রজনন পদ্ধতি। খাদ্যের প্রাচুর্যতার কারণে গ্রীষ্মকালে Hydra দেহে মুকুলোদগম ঘটায়। মুকুললোদগম প্রক্রিয়া নিম্নলিখিত ধাপে সংঘটিত হয়- ১. প্রক্রিয়ার শুরুতে দেহের মধ্যাংশ বা নিম্নাংশের কোনো স্থানের এপিডার্মাল ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ দ্রুত বিভাজিত হয়ে একটি ক্ষুদ্র স্ফীতি অংশের সৃষ্টি করে। ২. এটি ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়ে ফাঁপা, নলাকার মুকুল বা কুঁড়িতে পরিণত হয়। এতে ক্রমশ এপিডার্মিস, মেসোগ্লিয়া ও গ্যাস্ট্রোডার্মিস গঠিত হয়। মাতৃপ্রাণীর সিলেন্টেরন মুকুলের কেন্দ্রে প্রসারিত হয়। ৩. মুকুলটি মাতৃপ্রাণী হতে পুষ্টি গ্রহণ করে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয় এবঙ শীর্ষপ্রান্তে মুখছিদ্র, হাইপোস্টোম ও কর্ষিকা গঠন করে। ৪. এসময় মাতৃপ্রাণী ও মুকুলের সংযোগস্থলে একটি বৃত্তাকার খাঁজের সৃষ্টি হয়; এ খাঁজটি ক্রমে গভীর হয়ে মুকুল তথা অপত্য হাইড্রাকে মাতৃপ্রাণী হতে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। ৫. অপত্য হাইড্রার বিচ্ছিন্ন হওয়ার প্রান্তে পদচাকতি গঠিত হয় এবং এটি স্বাধীনভাবে জীবনযাপন শুরু করে। একই সময়ে একটি হাইড্রার দেহে একাধিক মুকুল সৃষ্টি হতে পারে। Hydra-র একটি মুকুলোদগম সম্পন্ন হতে সময় লাগে 2 হতে 3 দিন।
উদ্দীপকে উল্লেখিত চলন দুটির তুলনামূলক আলোচনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটি হলো Cnidaria পর্বের দ্বিস্তরী প্রাণী Hydra। Hydra-র চলন প্রক্রিয়ায় লম্বা দূরত্ব অতিক্রমের জন্য লুপিং (হামাগুড়ি) প্রক্রিয়া এবং দ্রুত চলার জন্য সমারসল্টিং (ডিগবাজী) প্রক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়। নিচে উক্ত চলন প্রক্রিয়া দুটির মধ্যে তুলনা করা হলো- question image

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

দ্বিস্তরী প্রাণীরা গ্যামেট ছাড়াই গ্রীষ্মকালে এক বিশেষ ধরনের জনন সম্পন্ন করে। এরা লম্বা ও অল্প দূরত্ব অতিক্রম করার জন্য দুটি ভিন্ন পদ্ধতিতে চলন সম্পন্ন করে।

Dhaka · 2025

হিপনোটক্সিন কী?

উত্তর

Hydra নেমাটোসিস্টের ভিতরে অবস্থিত ফেনল ও প্রোটিন সহযোগে গঠিত এক ধরনের বিষাক্ত তরল পদার্থকে হিপনোটক্সিন বলা হয়।
হিমোসিল বলতে কী বুঝায়?

উত্তর

ভূণীয় বিকাশের সময় প্রকৃত সিলোমের প্রাচীর ফেটে গিয়ে ব্লাস্টোসিলের সাথে একাকার হয়ে যায় এবং পূর্ণাঙ্গ প্রাণীতে ঐ সংযুক্ত গহ্বর পেরিটোনিয়াম নামক পর্দায় আবৃত থাকে না। এরকম সিলোমকে হিমোসিল বলে। এটি রক্তপূর্ণ থাকে তাই রক্তপূর্ণ দেহগহ্বরকে হিমোসিল বলে। ঘাসফড়িং এর হিমোসিল দুটি অণুপ্রস্থ পর্দা দিয়ে তিনটি প্রকোষ্ঠ বা সাইনাসে বিভক্ত। হিমোসিল দেহের বিভিন্ন অঙ্গ, রক্ত ও লসিকা ধারণ করে। এর মাধ্যমে খাদ্যরস ও বর্জ্য বস্তু পরিবাহিত হয়।
উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রাণীর বিশেষ জনন প্রক্রিয়ার ধাপসমূহ চিত্রসহ বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত বিশেষ জনন প্রক্রিয়াটি হলো Hydra-র মুকুলোদগম বা কুঁড়ি সৃষ্টি। নিচে Hydra-র মুকুলোদগম প্রক্রিয়াটি চিত্রসহ বর্ণনা করা হলো- এটি Hydra-র একটি সাধারণ প্রজনন পদ্ধতি। খাদ্যের প্রাচুর্যতার কারণে গ্রীষ্মকালে Hydra দেহে মুকুলোদগম ঘটায়। মুকুললোদগম প্রক্রিয়া নিম্নলিখিত ধাপে সংঘটিত হয়- ১. প্রক্রিয়ার শুরুতে দেহের মধ্যাংশ বা নিম্নাংশের কোনো স্থানের এপিডার্মাল ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ দ্রুত বিভাজিত হয়ে একটি ক্ষুদ্র স্ফীতি অংশের সৃষ্টি করে। ২. এটি ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়ে ফাঁপা, নলাকার মুকুল বা কুঁড়িতে পরিণত হয়। এতে ক্রমশ এপিডার্মিস, মেসোগ্লিয়া ও গ্যাস্ট্রোডার্মিস গঠিত হয়। মাতৃপ্রাণীর সিলেন্টেরন মুকুলের কেন্দ্রে প্রসারিত হয়। ৩. মুকুলটি মাতৃপ্রাণী হতে পুষ্টি গ্রহণ করে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয় এবঙ শীর্ষপ্রান্তে মুখছিদ্র, হাইপোস্টোম ও কর্ষিকা গঠন করে। ৪. এসময় মাতৃপ্রাণী ও মুকুলের সংযোগস্থলে একটি বৃত্তাকার খাঁজের সৃষ্টি হয়; এ খাঁজটি ক্রমে গভীর হয়ে মুকুল তথা অপত্য হাইড্রাকে মাতৃপ্রাণী হতে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। ৫. অপত্য হাইড্রার বিচ্ছিন্ন হওয়ার প্রান্তে পদচাকতি গঠিত হয় এবং এটি স্বাধীনভাবে জীবনযাপন শুরু করে। একই সময়ে একটি হাইড্রার দেহে একাধিক মুকুল সৃষ্টি হতে পারে। Hydra-র একটি মুকুলোদগম সম্পন্ন হতে সময় লাগে 2 হতে 3 দিন।
উদ্দীপকে উল্লেখিত চলন দুটির তুলনামূলক আলোচনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটি হলো Cnidaria পর্বের দ্বিস্তরী প্রাণী Hydra। Hydra-র চলন প্রক্রিয়ায় লম্বা দূরত্ব অতিক্রমের জন্য লুপিং (হামাগুড়ি) প্রক্রিয়া এবং দ্রুত চলার জন্য সমারসল্টিং (ডিগবাজী) প্রক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়। নিচে উক্ত চলন প্রক্রিয়া দুটির মধ্যে তুলনা করা হলো- question image

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রুইমাছ পেরিকার্ডিয়াম আবৃত অঙ্গ দ্বারা রক্তসংবহন প্রক্রিয়া ও চিরুনি পাতবিশিষ্ট অঙ্গ দ্বারা গ্যাস বিনিময় কার্য সম্পন্ন করে।

Dhaka · 2025

প্রোনোটাম কী?

উত্তর

ঘাসফড়িং এর অগ্রবক্ষের টার্গাম অংশটি বেশ বড়, চওড়া এবং পিছনে ও পাশে প্রসারিত অংশের নাম প্রোনোটাম।
মাছের ক্ষেত্রে বায়ুথলির প্রয়োজন কেন?

উত্তর

বায়ুথলি মাছের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। মাছের ক্ষেত্রে বায়ুথলির প্রয়োজন, কারণ- ১. এটি পানির যেকোনো গভীরতায় মাছকে সক্রিয়ভাবে সাঁতারে সহায়তা করে। ২. এটি ভেতরের গ্যাসের পরিমাণ বাড়িয়ে বা কমিয়ে চার পাশের পরিবেশের সাথে পানিতে মাছের ভারসাম্য রক্ষা করে। ৩. পানিতে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দিলে বায়ু পটকাতে বিদ্যমান গ্যাস সে ঘাটতি পূরণ করে মাছের শ্বসন কাজে সহায়তা করে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রাণীর প্রথম অঙ্গটির গঠন সচিত্র বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রাণীটি হলো রুই মাছ এবং প্রথম অঙ্গটি হলো হৃৎপিণ্ড।নিচে রুই মাছের হৃৎপিন্ডের গঠন সচিত্র বর্ণনা করা হলো- গঠন: ১. সাইনাস ভেনোসাস: এটি পাতলা প্রাচীর বিশিষ্ট উপপ্রকোষ্ঠ যা হৃৎপিণ্ডের পৃষ্ঠদেশে অবস্থিত। ২. অ্যাট্রিয়াম: এটি পেরিকার্ডিয়াল গহ্বরের সম্মুখ পৃষ্ঠভাগে অবস্থিত পাতলা প্রাচীরবিশিষ্ট বৃহত্তম প্রকোষ্ঠ। ৩. ভেন্ট্রিকল: এটি হৃৎপিন্ডের সর্বশেষ প্রকোষ্ঠ। পেরিকার্ডিয়াল গহ্বরের অঙ্কীয় দেশে অবস্থিত। ৪. বাম্বাস আর্টারিওসাস: বুই মাছের হৃৎপিণ্ডে কোনাস আর্টারিওসাস নেই। তার পরিবর্তে বাল্বাস আর্টারিওসাস নামক একটি গঠন দেখা অ্যাওর্টার স্ফীত হওয়া যায় যা মূলত ভেন্ট্রাল গোড়া বা মূল। এটি হৃৎপিণ্ড থেকে ভেন্ট্রাল অ্যাওর্টায় রক্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে। রুইমাছের উপপ্রকোষ্ঠ ও প্রকোষ্ঠগুলোর সংযোগ ছিদ্রে কপাটিকা থাকে। কপাটিকাগুলো হলো- question image ১. সাইনো-অ্যাট্রিয়াল কপাটিকা: সাইনাস ভেনোসাস ও অ্যাট্রিয়ামের মাঝে অবস্থিত ছিদ্রপথে এ কপাটিকা থাকে। ২. অ্যাট্রিও-ভেন্ট্রিকুলার কপাটিকা: অ্যাট্রিয়াম ও ভেন্ট্রিকলের মাঝে অবস্থিত অ্যাট্রিও-ভেন্ট্রিকুলার ছিদ্রপথে এ কপাটিকা অবস্থান করে। ৩. ভেন্ট্রিকুলো-বাশ্বাস কপাটিকা: এটি ভেন্ট্রিকল ও বাল্বাস অ্যাওর্টার মাঝে অবস্থিত কপাটিকা।
উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রাণীর দ্বিতীয় অঙ্গটির গ্যাসীয় বিনিময় কৌশল ঘাসফড়িং এর ক্ষেত্রে ভিন্নতর- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রাণীটি হলো রুই মাছ এবং দ্বিতীয় অঙ্গটি হলো ফুলকা যা শ্বসন কার্যে ব্যবহৃত হয়। ঘাসফড়িং-এর শ্বসন পদ্ধতি বা গ্যাসীয় বিনিময় কৌশল রুইমাছের শ্বসন পদ্ধতি হতে ভিন্নতর। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- ঘাসফড়িং এর রক্তে কোনো শ্বাসরঞ্জক বা হিমোগ্লোবিন না থাকায় এর রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে O2O_2 পরিবহন করতে পারে না। O2O_2 পরিবহনের এই অক্ষমতা পূরণের জন্য পরিবেশ থেকে গৃহীত O2O_2 সরাসরি দেহকোষে প্রবেশের ক্ষেত্রে ট্রাকিয়া নামক শ্বাসনালির উদ্ভব ঘটেছে। এই শ্বাসনালিগুলোর মাধ্যমে O2O_2 দেহের প্রতিটি কোষে পৌছায় এবং শ্বসন ক্রিয়ার মাধ্যমে উৎপন্ন CO2CO_2 দেহের বাইরে নির্গত হয়। শ্বসনতন্ত্রের বিভিন্ন অঙ্গাণুর মাধ্যমে শ্বাসগ্রহণ ও শ্বাসত্যাগ প্রক্রিয়ায় উল্লিখিত ঘটনাটি সূচারুরূপে ঘটে থাকে। শ্বাস গ্রহণে ট্রাকিয়ার আয়তন বৃদ্ধি পায় ফলে O2O_2 যুক্ত বায়ু শ্বাসরন্দ্রের মাধ্যমে অ্যাট্রিয়ামে ও পরে ট্রাকিয়ার মধ্য দিয়ে তা ট্রাকিওল হয়ে প্রান্তীয় থলিতে পৌঁছায়। সেখানে ট্রাকিওল রসে বায়ুস্থ O2O_2 দ্রবীভূত হয়ে দেহ কোষে প্রবেশ করে। অপরদিকে, রুই মাছের প্রধান শ্বসন অঙ্গ হলো ফুলকা। এ অঙ্গটি দ্বারা রুই মাছ শ্বসন কার্য সম্পন্ন করে থাকে। প্রশ্বাসের সময় রুই মাছের মুখের পেশি প্রসারিত হয় বলে গলবিল ও মুখ গহ্বরের প্রসারণ ঘটে। এ সময় ফুলকা আর্চ বাইরের দিকে প্রসারিত হয় এবং মুখের সম্মুখে অবস্থিত কপাটিকা খুলে যায়। মুখ গহ্বরের প্রকোষ্ঠের আয়তন বৃদ্ধি ঘটায়, O2O_2 সমৃদ্ধ পানি বাইরের পরিবেশ থেকে মুখছিদ্রের মধ্য দিয়ে, মুখবিবর ও গলবিলে প্রবেশ করে এবং অন্তঃফুলকা ছিদ্রের মাধ্যমে পানি ফুলকা প্রকোষ্ঠের ফুলকার সংস্পর্শে আসে। ফুলকা সূত্রের উপর দিয়ে পানি প্রবাহের সময় ফুলকাতে অবস্থিত কৈশিক জালিকার রক্তের সাথে পানির গ্যাসীয় বিনিময় ঘটে 'ফলে পানি থেকে রক্তে O2O_2 প্রবেশ করে এবং রক্ত থেকে পানিতে CO2CO_2 মুক্ত হয়। O2O_2 এবং CO2CO_2 গ্যাসের বিনিময় সম্পাদনের পর পেশি। সংকোচনের ফলে মুখবিবর ও ফুলকা প্রকোষ্ঠ সংকুচিত হতে থাকে। ফলে CO2CO_2 যুক্ত পানি ফুলকা প্রকোষ্ঠ থেকে বেরিয়ে মুখবিবরে যায়। এ সময় মুখছিদ্রের কপাটিকা দুটি বন্ধ থাকে এবং মুখবিবরের আয়তন হ্রাস পায়। ফলে অপারকুলাম এবং ব্রাঙ্কিওস্টেগাল পর্দা খুলে যায় এবং বহিঃফুলকা ছিদ্র পথে CO2CO_2 যুক্ত পানি দেহের বাইরে বের হয়ে আসে। উপরের আলোচনা থেকে বুঝা যায় যে, ঘাসফড়িং এর শ্বসন পদ্ধতি রুই মাছের শ্বসন পদ্ধতি হতে ভিন্নতর।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রুইমাছ পেরিকার্ডিয়াম আবৃত অঙ্গ দ্বারা রক্তসংবহন প্রক্রিয়া ও চিরুনি পাতবিশিষ্ট অঙ্গ দ্বারা গ্যাস বিনিময় কার্য সম্পন্ন করে।

Dhaka · 2025

প্রোনোটাম কী?

উত্তর

ঘাসফড়িং এর অগ্রবক্ষের টার্গাম অংশটি বেশ বড়, চওড়া এবং পিছনে ও পাশে প্রসারিত অংশের নাম প্রোনোটাম।
মাছের ক্ষেত্রে বায়ুথলির প্রয়োজন কেন?

উত্তর

বায়ুথলি মাছের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। মাছের ক্ষেত্রে বায়ুথলির প্রয়োজন, কারণ- ১. এটি পানির যেকোনো গভীরতায় মাছকে সক্রিয়ভাবে সাঁতারে সহায়তা করে। ২. এটি ভেতরের গ্যাসের পরিমাণ বাড়িয়ে বা কমিয়ে চার পাশের পরিবেশের সাথে পানিতে মাছের ভারসাম্য রক্ষা করে। ৩. পানিতে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দিলে বায়ু পটকাতে বিদ্যমান গ্যাস সে ঘাটতি পূরণ করে মাছের শ্বসন কাজে সহায়তা করে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রাণীর প্রথম অঙ্গটির গঠন সচিত্র বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রাণীটি হলো রুই মাছ এবং প্রথম অঙ্গটি হলো হৃৎপিণ্ড।নিচে রুই মাছের হৃৎপিন্ডের গঠন সচিত্র বর্ণনা করা হলো- গঠন: ১. সাইনাস ভেনোসাস: এটি পাতলা প্রাচীর বিশিষ্ট উপপ্রকোষ্ঠ যা হৃৎপিণ্ডের পৃষ্ঠদেশে অবস্থিত। ২. অ্যাট্রিয়াম: এটি পেরিকার্ডিয়াল গহ্বরের সম্মুখ পৃষ্ঠভাগে অবস্থিত পাতলা প্রাচীরবিশিষ্ট বৃহত্তম প্রকোষ্ঠ। ৩. ভেন্ট্রিকল: এটি হৃৎপিন্ডের সর্বশেষ প্রকোষ্ঠ। পেরিকার্ডিয়াল গহ্বরের অঙ্কীয় দেশে অবস্থিত। ৪. বাম্বাস আর্টারিওসাস: বুই মাছের হৃৎপিণ্ডে কোনাস আর্টারিওসাস নেই। তার পরিবর্তে বাল্বাস আর্টারিওসাস নামক একটি গঠন দেখা অ্যাওর্টার স্ফীত হওয়া যায় যা মূলত ভেন্ট্রাল গোড়া বা মূল। এটি হৃৎপিণ্ড থেকে ভেন্ট্রাল অ্যাওর্টায় রক্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে। রুইমাছের উপপ্রকোষ্ঠ ও প্রকোষ্ঠগুলোর সংযোগ ছিদ্রে কপাটিকা থাকে। কপাটিকাগুলো হলো- question image ১. সাইনো-অ্যাট্রিয়াল কপাটিকা: সাইনাস ভেনোসাস ও অ্যাট্রিয়ামের মাঝে অবস্থিত ছিদ্রপথে এ কপাটিকা থাকে। ২. অ্যাট্রিও-ভেন্ট্রিকুলার কপাটিকা: অ্যাট্রিয়াম ও ভেন্ট্রিকলের মাঝে অবস্থিত অ্যাট্রিও-ভেন্ট্রিকুলার ছিদ্রপথে এ কপাটিকা অবস্থান করে। ৩. ভেন্ট্রিকুলো-বাশ্বাস কপাটিকা: এটি ভেন্ট্রিকল ও বাল্বাস অ্যাওর্টার মাঝে অবস্থিত কপাটিকা।
উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রাণীর দ্বিতীয় অঙ্গটির গ্যাসীয় বিনিময় কৌশল ঘাসফড়িং এর ক্ষেত্রে ভিন্নতর- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রাণীটি হলো রুই মাছ এবং দ্বিতীয় অঙ্গটি হলো ফুলকা যা শ্বসন কার্যে ব্যবহৃত হয়। ঘাসফড়িং-এর শ্বসন পদ্ধতি বা গ্যাসীয় বিনিময় কৌশল রুইমাছের শ্বসন পদ্ধতি হতে ভিন্নতর। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- ঘাসফড়িং এর রক্তে কোনো শ্বাসরঞ্জক বা হিমোগ্লোবিন না থাকায় এর রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে O2O_2 পরিবহন করতে পারে না। O2O_2 পরিবহনের এই অক্ষমতা পূরণের জন্য পরিবেশ থেকে গৃহীত O2O_2 সরাসরি দেহকোষে প্রবেশের ক্ষেত্রে ট্রাকিয়া নামক শ্বাসনালির উদ্ভব ঘটেছে। এই শ্বাসনালিগুলোর মাধ্যমে O2O_2 দেহের প্রতিটি কোষে পৌছায় এবং শ্বসন ক্রিয়ার মাধ্যমে উৎপন্ন CO2CO_2 দেহের বাইরে নির্গত হয়। শ্বসনতন্ত্রের বিভিন্ন অঙ্গাণুর মাধ্যমে শ্বাসগ্রহণ ও শ্বাসত্যাগ প্রক্রিয়ায় উল্লিখিত ঘটনাটি সূচারুরূপে ঘটে থাকে। শ্বাস গ্রহণে ট্রাকিয়ার আয়তন বৃদ্ধি পায় ফলে O2O_2 যুক্ত বায়ু শ্বাসরন্দ্রের মাধ্যমে অ্যাট্রিয়ামে ও পরে ট্রাকিয়ার মধ্য দিয়ে তা ট্রাকিওল হয়ে প্রান্তীয় থলিতে পৌঁছায়। সেখানে ট্রাকিওল রসে বায়ুস্থ O2O_2 দ্রবীভূত হয়ে দেহ কোষে প্রবেশ করে। অপরদিকে, রুই মাছের প্রধান শ্বসন অঙ্গ হলো ফুলকা। এ অঙ্গটি দ্বারা রুই মাছ শ্বসন কার্য সম্পন্ন করে থাকে। প্রশ্বাসের সময় রুই মাছের মুখের পেশি প্রসারিত হয় বলে গলবিল ও মুখ গহ্বরের প্রসারণ ঘটে। এ সময় ফুলকা আর্চ বাইরের দিকে প্রসারিত হয় এবং মুখের সম্মুখে অবস্থিত কপাটিকা খুলে যায়। মুখ গহ্বরের প্রকোষ্ঠের আয়তন বৃদ্ধি ঘটায়, O2O_2 সমৃদ্ধ পানি বাইরের পরিবেশ থেকে মুখছিদ্রের মধ্য দিয়ে, মুখবিবর ও গলবিলে প্রবেশ করে এবং অন্তঃফুলকা ছিদ্রের মাধ্যমে পানি ফুলকা প্রকোষ্ঠের ফুলকার সংস্পর্শে আসে। ফুলকা সূত্রের উপর দিয়ে পানি প্রবাহের সময় ফুলকাতে অবস্থিত কৈশিক জালিকার রক্তের সাথে পানির গ্যাসীয় বিনিময় ঘটে 'ফলে পানি থেকে রক্তে O2O_2 প্রবেশ করে এবং রক্ত থেকে পানিতে CO2CO_2 মুক্ত হয়। O2O_2 এবং CO2CO_2 গ্যাসের বিনিময় সম্পাদনের পর পেশি। সংকোচনের ফলে মুখবিবর ও ফুলকা প্রকোষ্ঠ সংকুচিত হতে থাকে। ফলে CO2CO_2 যুক্ত পানি ফুলকা প্রকোষ্ঠ থেকে বেরিয়ে মুখবিবরে যায়। এ সময় মুখছিদ্রের কপাটিকা দুটি বন্ধ থাকে এবং মুখবিবরের আয়তন হ্রাস পায়। ফলে অপারকুলাম এবং ব্রাঙ্কিওস্টেগাল পর্দা খুলে যায় এবং বহিঃফুলকা ছিদ্র পথে CO2CO_2 যুক্ত পানি দেহের বাইরে বের হয়ে আসে। উপরের আলোচনা থেকে বুঝা যায় যে, ঘাসফড়িং এর শ্বসন পদ্ধতি রুই মাছের শ্বসন পদ্ধতি হতে ভিন্নতর।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো