Dhaka বোর্ড 2025 Biology 1st Paper

Dhaka শিক্ষা বোর্ড 2025 সালের HSC Biology 1st Paper বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

12

প্রশ্ন

Dhaka

বোর্ড

2025

সাল

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

অঙ্গাণু 'XX^{\prime} আদিকোষী এবং প্রকৃতকোষী উভয় জীবেই বিদ্যমান। অঙ্গাণু 'YY^{\prime} কেবল সবুজ কোষে পাওয়া যায়।

Dhaka · 2025

ক্রিস্টি কী?

উত্তর

মাইটোকন্ড্রিয়ার অন্তঃপর্দার ভাঁজগুলো নির্দিষ্ট ব্যবধানে আঙুলের। মতো যে প্রবর্ধক সৃষ্টি করে, তাই ক্রিস্টি।
জেনেটিক কোডনসমূহ সার্বজনীন ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

জেনেটিক কোড হলো জিনের একটি সাংকেতিক সজ্জারূপ, যা প্রোটিন সংশ্লেষণের সময় অ্যামাইনো এসিডের অনুরূপ একটি সজ্জাকে নির্দিষ্ট করে। একে mRNA কোডও বলা হয়। এটি জীবের বংশগতির জৈব রাসায়নিক ভিত্তি এবং প্রায় সকল জীবে একইভাবে থাকে। কোডনসমূহ Universal বা সার্বজনীন অর্থাৎ বিশ্বের সকল প্রজাতির জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। এটিই জেনেটিক কোডের সার্বজনীনতা।
উদ্দীপকে উল্লেখিত 'YY^{\prime} অঙ্গাণুটির রাসায়নিক গঠন এবং শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত 'YY^{\prime} কোষ অঙ্গাণুটি হলো ক্লোরোপ্লাস্ট, যা কেবল সবুজ কোষে পাওয়া যায়। নিচে ক্লোরোপ্লাস্টের রাসায়নিক গঠন এবং শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলি বর্ণনা করা হলো- রাসায়নিক গঠন: রাসায়নিকভাবে ক্লোরোপ্লাস্ট প্রধানত কার্বোহাইড্রেট,লিপিড, প্রোটিন নিয়ে গঠিত। এছাড়া এতে ক্লোরোফিল থাকে। শুষ্ক ওজনের ১০-২০% লিপিড এবং ৩৫-৫৫% প্রোটিন। প্রোটিনের মধ্যে -৮০% হচ্ছে অদ্রবণীয় যা লিপিডের সঙ্গে একত্রে ঝিল্লি নির্মাণ করে, বাকি ২০% দ্রবণীয় এবং এনজাইম হিসেবে থাকে। ক্লোরোপ্লাস্টের রয়েছে ক্লোরোফিল নামক সবুজ বর্ণকণিকা। ক্লোরোপ্লাস্টে ৭৫% ক্লোরোফিল-a ও ২৫% ক্লোরোফিল-৮ রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে সামান্য ক্যারোটিনয়েড ও নিউক্লিক অ্যাসিড। একই ক্লোরোপ্লাস্টে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট পাওয়া যায়, এদের মধ্যে স্টার্চ হচ্ছে সাধারণ কার্বোহাইড্রেট। এছাড়া এতে DNA, RNA, কিছু এনজাইম, খনিজ পদার্থ ও কো-এনজাইম উপস্থিত থাকে। ক্লোরোপ্লাস্টের শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলি : ১. ক্লোরোপ্লাস্ট শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে। এজন্য একে কোষের রান্নাঘর বা Kitchen of cell বলে। ২. ক্লোরোপ্লাস্টের গ্রানা অঞ্চলে সালোকসংশ্লেষণের আলোক পর্যায় ও স্ট্রোমা অঞ্চলে অন্ধকার পর্যায়ের বিক্রিয়া হয়। ৩. এটি ফটোফসফোরাইলেশন প্রক্রিয়ায় সূর্যালোকের সাহায্যে ADP থেকে ATP উৎপন্ন করে। ৪. ক্লোরোপ্লাস্টে ফটোরেসপিরেশন বা আলোক শ্বসন ঘটে। ৫. ক্লোরোপ্লাস্টে অবস্থিত রাইবোসোম প্রোটিন সংশ্লেষণে অংশ নেয়।
প্রোটিন তৈরিতে অঙ্গাণু 'XX^{\prime} এর ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'XX^{\prime} অঙ্গাণুটি হলো রাইবোজোম। এটি এমন একটি ক্ষুদ্র কোষীয় অঙ্গাণু যা সমস্ত জীবকোষে, যেমন- প্রাণী, উদ্ভিদ ও ব্যাকটেরিয়া কোষে পাওয়া যায়। রাইবোজোমের প্রধান কাজ হলো প্রোটিন সংশ্লেষণ করা। রাইবোজোমকে কোষের প্রোটিন তৈরির কারখানা বলা হয়। প্রোটিন তৈরির প্রক্রিয়াটি বেশ কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হয়। প্রথমে, DNA থেকে mRNA তৈরি হয়, যা প্রোটিন তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় জেনেটিক কোড বহন করে। এই mRNA নিউক্লিয়াস থেকে সাইটোপ্লাজমে আসে এবং রাইবোজোমের সাথে যুক্ত হয়। রাইবোজোম দুটি উপ-একক নিয়ে গঠিত। একটি ছোট উপ-একক এবং একটি বড় উপ-একক। mRNA এই ছোট উপ-এককের সাথে সংযুক্ত হয়। এরপর, tRNA (ট্রান্সফার RNA) নির্দিষ্ট অ্যামিনো অ্যাসিড বহন করে রাইবোজোমে নিয়ে আসে। রাইবোজোম mRNA-এর কোডন অনুযায়ী সঠিক অ্যামিনো অ্যাসিডগুলোকে একটার পর একটা যুক্ত করে একটি দীর্ঘ পলিপেপটাইড শৃঙ্খল তৈরি করে। এই পলিপেপটাইড শৃঙ্খলই পরে ভাঁজ হয়ে একটি কার্যকরী প্রোটিনে রূপান্তরিত হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটি ট্রান্সলেশন নামে পরিচিত। রাইবোজোম এই অ্যামিনো অ্যাসিডগুলোকে পেপটাইড বন্ধন দ্বারা যুক্ত করে প্রৈাটিন শৃঙ্খল তৈরি করে। উপরের আলোচনা থেকে বলা যায় যে, রাইবোজোম ছাড়া কোষের পক্ষে প্রোটিন তৈরি করা সম্ভব নয়, যা জীবনের মৌলিক কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য অত্যাবশ্যক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

অঙ্গাণু 'XX^{\prime} আদিকোষী এবং প্রকৃতকোষী উভয় জীবেই বিদ্যমান। অঙ্গাণু 'YY^{\prime} কেবল সবুজ কোষে পাওয়া যায়।

Dhaka · 2025

ক্রিস্টি কী?

উত্তর

মাইটোকন্ড্রিয়ার অন্তঃপর্দার ভাঁজগুলো নির্দিষ্ট ব্যবধানে আঙুলের। মতো যে প্রবর্ধক সৃষ্টি করে, তাই ক্রিস্টি।
জেনেটিক কোডনসমূহ সার্বজনীন ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

জেনেটিক কোড হলো জিনের একটি সাংকেতিক সজ্জারূপ, যা প্রোটিন সংশ্লেষণের সময় অ্যামাইনো এসিডের অনুরূপ একটি সজ্জাকে নির্দিষ্ট করে। একে mRNA কোডও বলা হয়। এটি জীবের বংশগতির জৈব রাসায়নিক ভিত্তি এবং প্রায় সকল জীবে একইভাবে থাকে। কোডনসমূহ Universal বা সার্বজনীন অর্থাৎ বিশ্বের সকল প্রজাতির জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। এটিই জেনেটিক কোডের সার্বজনীনতা।
উদ্দীপকে উল্লেখিত 'YY^{\prime} অঙ্গাণুটির রাসায়নিক গঠন এবং শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত 'YY^{\prime} কোষ অঙ্গাণুটি হলো ক্লোরোপ্লাস্ট, যা কেবল সবুজ কোষে পাওয়া যায়। নিচে ক্লোরোপ্লাস্টের রাসায়নিক গঠন এবং শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলি বর্ণনা করা হলো- রাসায়নিক গঠন: রাসায়নিকভাবে ক্লোরোপ্লাস্ট প্রধানত কার্বোহাইড্রেট,লিপিড, প্রোটিন নিয়ে গঠিত। এছাড়া এতে ক্লোরোফিল থাকে। শুষ্ক ওজনের ১০-২০% লিপিড এবং ৩৫-৫৫% প্রোটিন। প্রোটিনের মধ্যে -৮০% হচ্ছে অদ্রবণীয় যা লিপিডের সঙ্গে একত্রে ঝিল্লি নির্মাণ করে, বাকি ২০% দ্রবণীয় এবং এনজাইম হিসেবে থাকে। ক্লোরোপ্লাস্টের রয়েছে ক্লোরোফিল নামক সবুজ বর্ণকণিকা। ক্লোরোপ্লাস্টে ৭৫% ক্লোরোফিল-a ও ২৫% ক্লোরোফিল-৮ রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে সামান্য ক্যারোটিনয়েড ও নিউক্লিক অ্যাসিড। একই ক্লোরোপ্লাস্টে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট পাওয়া যায়, এদের মধ্যে স্টার্চ হচ্ছে সাধারণ কার্বোহাইড্রেট। এছাড়া এতে DNA, RNA, কিছু এনজাইম, খনিজ পদার্থ ও কো-এনজাইম উপস্থিত থাকে। ক্লোরোপ্লাস্টের শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলি : ১. ক্লোরোপ্লাস্ট শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে। এজন্য একে কোষের রান্নাঘর বা Kitchen of cell বলে। ২. ক্লোরোপ্লাস্টের গ্রানা অঞ্চলে সালোকসংশ্লেষণের আলোক পর্যায় ও স্ট্রোমা অঞ্চলে অন্ধকার পর্যায়ের বিক্রিয়া হয়। ৩. এটি ফটোফসফোরাইলেশন প্রক্রিয়ায় সূর্যালোকের সাহায্যে ADP থেকে ATP উৎপন্ন করে। ৪. ক্লোরোপ্লাস্টে ফটোরেসপিরেশন বা আলোক শ্বসন ঘটে। ৫. ক্লোরোপ্লাস্টে অবস্থিত রাইবোসোম প্রোটিন সংশ্লেষণে অংশ নেয়।
প্রোটিন তৈরিতে অঙ্গাণু 'XX^{\prime} এর ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'XX^{\prime} অঙ্গাণুটি হলো রাইবোজোম। এটি এমন একটি ক্ষুদ্র কোষীয় অঙ্গাণু যা সমস্ত জীবকোষে, যেমন- প্রাণী, উদ্ভিদ ও ব্যাকটেরিয়া কোষে পাওয়া যায়। রাইবোজোমের প্রধান কাজ হলো প্রোটিন সংশ্লেষণ করা। রাইবোজোমকে কোষের প্রোটিন তৈরির কারখানা বলা হয়। প্রোটিন তৈরির প্রক্রিয়াটি বেশ কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হয়। প্রথমে, DNA থেকে mRNA তৈরি হয়, যা প্রোটিন তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় জেনেটিক কোড বহন করে। এই mRNA নিউক্লিয়াস থেকে সাইটোপ্লাজমে আসে এবং রাইবোজোমের সাথে যুক্ত হয়। রাইবোজোম দুটি উপ-একক নিয়ে গঠিত। একটি ছোট উপ-একক এবং একটি বড় উপ-একক। mRNA এই ছোট উপ-এককের সাথে সংযুক্ত হয়। এরপর, tRNA (ট্রান্সফার RNA) নির্দিষ্ট অ্যামিনো অ্যাসিড বহন করে রাইবোজোমে নিয়ে আসে। রাইবোজোম mRNA-এর কোডন অনুযায়ী সঠিক অ্যামিনো অ্যাসিডগুলোকে একটার পর একটা যুক্ত করে একটি দীর্ঘ পলিপেপটাইড শৃঙ্খল তৈরি করে। এই পলিপেপটাইড শৃঙ্খলই পরে ভাঁজ হয়ে একটি কার্যকরী প্রোটিনে রূপান্তরিত হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটি ট্রান্সলেশন নামে পরিচিত। রাইবোজোম এই অ্যামিনো অ্যাসিডগুলোকে পেপটাইড বন্ধন দ্বারা যুক্ত করে প্রৈাটিন শৃঙ্খল তৈরি করে। উপরের আলোচনা থেকে বলা যায় যে, রাইবোজোম ছাড়া কোষের পক্ষে প্রোটিন তৈরি করা সম্ভব নয়, যা জীবনের মৌলিক কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য অত্যাবশ্যক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ কর- \left.\left|\[\begin{array}{l}\mathrm{A}=\mathrm{T} \\ \mathrm{G} \equiv \mathrm{C} \\ \mathrm{T}=\mathrm{A}\end{array}\]\right| \xrightarrow{\mathrm{M}} \right\rvert\, \[\begin{aligned} & \mathrm{U} \\ & \mathrm{C} \\ & \mathrm{A}\end{aligned}\] \xrightarrow{\mathrm{N}}(\text{ Amino acid })_{\mathrm{n}}

Dhaka · 2025

পিউরিন কী?

উত্তর

পিউরিন হলো একটি নাইট্রোজেনযুক্ত জৈব যৌগ যা DNA, RNA এবং ATP-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ জৈব অণুগুলোর গাঠনিক উপাদান হিসেবে কাজ করে।
DNA প্রুফ রিডিং বলতে কী বুঝ?

উত্তর

DNA প্রুফ রিডিং হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ কোষীয় প্রক্রিয়া যা DNA প্রতিলিপন এর সময় ঘটে। যখন DNA পলিমারেজ নতুন DNA স্ট্র্যান্ড তৈরি করে, তখন এটি ভুল বেস যুক্ত করে ফেলতে পারে। প্রুফরিডিং মেকানিজম এই ভুল বেসগুলোকে চিহ্নিত করে এবং সরিয়ে ফেলে, যাতে জেনেটিক কোডের সঠিকতা বজায় থাকে। নিউক্লিয়েজ এনজাইম দ্বারা ভুল নিউক্লিওটাইড অপসারিত হয় এবং DNA পলিমারেজ-II দ্বারা সঠিক নিউক্লিওটাইড সংযুক্ত হয়।
উদ্দীপকের 'MM^{\prime} প্রক্রিয়াটি সংক্ষেপে বর্ণনা কর।

উত্তর

সই উদ্দীপকের 'MM^{\prime} প্রক্রিয়াটি হলো DNA থেকে mRNA তৈরির প্রক্রিয়া অর্থাৎ, 'MM^{\prime} দ্বারা ট্রান্সক্রিপশন প্রক্রিয়াকে বোঝানো হয়েছে। ট্রান্সক্রিপশন প্রক্রিয়াকে প্রধানত ৩টি ধাপে ভাগ করা যায়। যথা- ১. সূচনা বা প্রারম্ভিক ধাপ: এ ধাপে DNA অণুর প্রোমোটার নামক বিশেষ বেস সিকোয়েন্স অংশে ট্রান্সক্রিপশন ফ্যাক্টর ও RNA-পলিমারেজ এনজাইম যুক্ত হয়। প্রোমোটারই RNA-পলিমারেজকে নির্দেশ দেয় DNA অণুর কোন সূত্রের ট্রান্সক্রিপশন ঘটবে এবং ট্রান্সক্রিপশন কোথা থেকে শুরু হবে। প্রোমোটারে সংযুক্ত হওয়ার পর প্রথমে RNA-পলিমারেজ DNA অণুর অংশ বিশেষের পাক খুলে দেয় এবং হাইড্রোজেন বন্ড ভেঙে সূত্র দুটিকে আলাদা করে ফেলে। ২. সূত্র বর্ধিতকরণ বা দীর্ঘায়ন ধাপ: RNA পলিমারেজ-II এনজাইম ATP, GTP, UTP ও CTP থেকে টেমপ্লেটের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় নিউক্লিওটাইড যুক্ত করতে থাকে। এভাবে সূচনা স্থান থেকে mRNA-এর সূত্র বর্ধিতকরণ চলতে থাকে (5' → 3' অভিমুখে) এবং RNA-পলিমারেজ অগ্রসর হতে থাকে। RNA-পলিমারেজ অগ্রসর হওয়ার পর DNA অণুর পাক খুলে যাওয়া অংশে আবার পাক তৈরি হয়। ৩. সমাপ্তিকরণ বা সমাপন ধাপ: RNA সূত্র বর্ধিতকরণ শেষে RNA-পলিমারেজ সমাপ্তি স্থানে পৌছালে এনজাইমটি মুক্ত হয়ে যায় এবং ট্রান্সক্রিপশনের সমাপ্তি ঘটে।
উদ্দীপকের 'MM^{\prime} ও 'NN^{\prime} প্রক্রিয়ার মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'MM^{\prime} ও 'NN^{\prime} প্রক্রিয়া দ্বারা যথাক্রমে ট্রান্সক্রিপশন ও ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়াকে বুঝানো হয়েছে। নিচে এদের মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা উপস্থাপন করা হলো- question image

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ কর- \left.\left|\[\begin{array}{l}\mathrm{A}=\mathrm{T} \\ \mathrm{G} \equiv \mathrm{C} \\ \mathrm{T}=\mathrm{A}\end{array}\]\right| \xrightarrow{\mathrm{M}} \right\rvert\, \[\begin{aligned} & \mathrm{U} \\ & \mathrm{C} \\ & \mathrm{A}\end{aligned}\] \xrightarrow{\mathrm{N}}(\text{ Amino acid })_{\mathrm{n}}

Dhaka · 2025

পিউরিন কী?

উত্তর

পিউরিন হলো একটি নাইট্রোজেনযুক্ত জৈব যৌগ যা DNA, RNA এবং ATP-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ জৈব অণুগুলোর গাঠনিক উপাদান হিসেবে কাজ করে।
DNA প্রুফ রিডিং বলতে কী বুঝ?

উত্তর

DNA প্রুফ রিডিং হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ কোষীয় প্রক্রিয়া যা DNA প্রতিলিপন এর সময় ঘটে। যখন DNA পলিমারেজ নতুন DNA স্ট্র্যান্ড তৈরি করে, তখন এটি ভুল বেস যুক্ত করে ফেলতে পারে। প্রুফরিডিং মেকানিজম এই ভুল বেসগুলোকে চিহ্নিত করে এবং সরিয়ে ফেলে, যাতে জেনেটিক কোডের সঠিকতা বজায় থাকে। নিউক্লিয়েজ এনজাইম দ্বারা ভুল নিউক্লিওটাইড অপসারিত হয় এবং DNA পলিমারেজ-II দ্বারা সঠিক নিউক্লিওটাইড সংযুক্ত হয়।
উদ্দীপকের 'MM^{\prime} প্রক্রিয়াটি সংক্ষেপে বর্ণনা কর।

উত্তর

সই উদ্দীপকের 'MM^{\prime} প্রক্রিয়াটি হলো DNA থেকে mRNA তৈরির প্রক্রিয়া অর্থাৎ, 'MM^{\prime} দ্বারা ট্রান্সক্রিপশন প্রক্রিয়াকে বোঝানো হয়েছে। ট্রান্সক্রিপশন প্রক্রিয়াকে প্রধানত ৩টি ধাপে ভাগ করা যায়। যথা- ১. সূচনা বা প্রারম্ভিক ধাপ: এ ধাপে DNA অণুর প্রোমোটার নামক বিশেষ বেস সিকোয়েন্স অংশে ট্রান্সক্রিপশন ফ্যাক্টর ও RNA-পলিমারেজ এনজাইম যুক্ত হয়। প্রোমোটারই RNA-পলিমারেজকে নির্দেশ দেয় DNA অণুর কোন সূত্রের ট্রান্সক্রিপশন ঘটবে এবং ট্রান্সক্রিপশন কোথা থেকে শুরু হবে। প্রোমোটারে সংযুক্ত হওয়ার পর প্রথমে RNA-পলিমারেজ DNA অণুর অংশ বিশেষের পাক খুলে দেয় এবং হাইড্রোজেন বন্ড ভেঙে সূত্র দুটিকে আলাদা করে ফেলে। ২. সূত্র বর্ধিতকরণ বা দীর্ঘায়ন ধাপ: RNA পলিমারেজ-II এনজাইম ATP, GTP, UTP ও CTP থেকে টেমপ্লেটের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় নিউক্লিওটাইড যুক্ত করতে থাকে। এভাবে সূচনা স্থান থেকে mRNA-এর সূত্র বর্ধিতকরণ চলতে থাকে (5' → 3' অভিমুখে) এবং RNA-পলিমারেজ অগ্রসর হতে থাকে। RNA-পলিমারেজ অগ্রসর হওয়ার পর DNA অণুর পাক খুলে যাওয়া অংশে আবার পাক তৈরি হয়। ৩. সমাপ্তিকরণ বা সমাপন ধাপ: RNA সূত্র বর্ধিতকরণ শেষে RNA-পলিমারেজ সমাপ্তি স্থানে পৌছালে এনজাইমটি মুক্ত হয়ে যায় এবং ট্রান্সক্রিপশনের সমাপ্তি ঘটে।
উদ্দীপকের 'MM^{\prime} ও 'NN^{\prime} প্রক্রিয়ার মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'MM^{\prime} ও 'NN^{\prime} প্রক্রিয়া দ্বারা যথাক্রমে ট্রান্সক্রিপশন ও ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়াকে বুঝানো হয়েছে। নিচে এদের মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা উপস্থাপন করা হলো- question image

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

অঙ্গাণু 'XX^{\prime} আদিকোষী এবং প্রকৃতকোষী উভয় জীবেই বিদ্যমান। অঙ্গাণু 'YY^{\prime} কেবল সবুজ কোষে পাওয়া যায়।

Dhaka · 2025

ক্রিস্টি কী?

উত্তর

মাইটোকন্ড্রিয়ার অন্তঃপর্দার ভাঁজগুলো নির্দিষ্ট ব্যবধানে আঙুলের। মতো যে প্রবর্ধক সৃষ্টি করে, তাই ক্রিস্টি।
জেনেটিক কোডনসমূহ সার্বজনীন ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

জেনেটিক কোড হলো জিনের একটি সাংকেতিক সজ্জারূপ, যা প্রোটিন সংশ্লেষণের সময় অ্যামাইনো এসিডের অনুরূপ একটি সজ্জাকে নির্দিষ্ট করে। একে mRNA কোডও বলা হয়। এটি জীবের বংশগতির জৈব রাসায়নিক ভিত্তি এবং প্রায় সকল জীবে একইভাবে থাকে। কোডনসমূহ Universal বা সার্বজনীন অর্থাৎ বিশ্বের সকল প্রজাতির জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। এটিই জেনেটিক কোডের সার্বজনীনতা।
উদ্দীপকে উল্লেখিত 'YY^{\prime} অঙ্গাণুটির রাসায়নিক গঠন এবং শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত 'YY^{\prime} কোষ অঙ্গাণুটি হলো ক্লোরোপ্লাস্ট, যা কেবল সবুজ কোষে পাওয়া যায়। নিচে ক্লোরোপ্লাস্টের রাসায়নিক গঠন এবং শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলি বর্ণনা করা হলো- রাসায়নিক গঠন: রাসায়নিকভাবে ক্লোরোপ্লাস্ট প্রধানত কার্বোহাইড্রেট,লিপিড, প্রোটিন নিয়ে গঠিত। এছাড়া এতে ক্লোরোফিল থাকে। শুষ্ক ওজনের ১০-২০% লিপিড এবং ৩৫-৫৫% প্রোটিন। প্রোটিনের মধ্যে -৮০% হচ্ছে অদ্রবণীয় যা লিপিডের সঙ্গে একত্রে ঝিল্লি নির্মাণ করে, বাকি ২০% দ্রবণীয় এবং এনজাইম হিসেবে থাকে। ক্লোরোপ্লাস্টের রয়েছে ক্লোরোফিল নামক সবুজ বর্ণকণিকা। ক্লোরোপ্লাস্টে ৭৫% ক্লোরোফিল-a ও ২৫% ক্লোরোফিল-৮ রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে সামান্য ক্যারোটিনয়েড ও নিউক্লিক অ্যাসিড। একই ক্লোরোপ্লাস্টে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট পাওয়া যায়, এদের মধ্যে স্টার্চ হচ্ছে সাধারণ কার্বোহাইড্রেট। এছাড়া এতে DNA, RNA, কিছু এনজাইম, খনিজ পদার্থ ও কো-এনজাইম উপস্থিত থাকে। ক্লোরোপ্লাস্টের শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলি : ১. ক্লোরোপ্লাস্ট শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে। এজন্য একে কোষের রান্নাঘর বা Kitchen of cell বলে। ২. ক্লোরোপ্লাস্টের গ্রানা অঞ্চলে সালোকসংশ্লেষণের আলোক পর্যায় ও স্ট্রোমা অঞ্চলে অন্ধকার পর্যায়ের বিক্রিয়া হয়। ৩. এটি ফটোফসফোরাইলেশন প্রক্রিয়ায় সূর্যালোকের সাহায্যে ADP থেকে ATP উৎপন্ন করে। ৪. ক্লোরোপ্লাস্টে ফটোরেসপিরেশন বা আলোক শ্বসন ঘটে। ৫. ক্লোরোপ্লাস্টে অবস্থিত রাইবোসোম প্রোটিন সংশ্লেষণে অংশ নেয়।
প্রোটিন তৈরিতে অঙ্গাণু 'XX^{\prime} এর ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'XX^{\prime} অঙ্গাণুটি হলো রাইবোজোম। এটি এমন একটি ক্ষুদ্র কোষীয় অঙ্গাণু যা সমস্ত জীবকোষে, যেমন- প্রাণী, উদ্ভিদ ও ব্যাকটেরিয়া কোষে পাওয়া যায়। রাইবোজোমের প্রধান কাজ হলো প্রোটিন সংশ্লেষণ করা। রাইবোজোমকে কোষের প্রোটিন তৈরির কারখানা বলা হয়। প্রোটিন তৈরির প্রক্রিয়াটি বেশ কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হয়। প্রথমে, DNA থেকে mRNA তৈরি হয়, যা প্রোটিন তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় জেনেটিক কোড বহন করে। এই mRNA নিউক্লিয়াস থেকে সাইটোপ্লাজমে আসে এবং রাইবোজোমের সাথে যুক্ত হয়। রাইবোজোম দুটি উপ-একক নিয়ে গঠিত। একটি ছোট উপ-একক এবং একটি বড় উপ-একক। mRNA এই ছোট উপ-এককের সাথে সংযুক্ত হয়। এরপর, tRNA (ট্রান্সফার RNA) নির্দিষ্ট অ্যামিনো অ্যাসিড বহন করে রাইবোজোমে নিয়ে আসে। রাইবোজোম mRNA-এর কোডন অনুযায়ী সঠিক অ্যামিনো অ্যাসিডগুলোকে একটার পর একটা যুক্ত করে একটি দীর্ঘ পলিপেপটাইড শৃঙ্খল তৈরি করে। এই পলিপেপটাইড শৃঙ্খলই পরে ভাঁজ হয়ে একটি কার্যকরী প্রোটিনে রূপান্তরিত হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটি ট্রান্সলেশন নামে পরিচিত। রাইবোজোম এই অ্যামিনো অ্যাসিডগুলোকে পেপটাইড বন্ধন দ্বারা যুক্ত করে প্রৈাটিন শৃঙ্খল তৈরি করে। উপরের আলোচনা থেকে বলা যায় যে, রাইবোজোম ছাড়া কোষের পক্ষে প্রোটিন তৈরি করা সম্ভব নয়, যা জীবনের মৌলিক কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য অত্যাবশ্যক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

অঙ্গাণু 'XX^{\prime} আদিকোষী এবং প্রকৃতকোষী উভয় জীবেই বিদ্যমান। অঙ্গাণু 'YY^{\prime} কেবল সবুজ কোষে পাওয়া যায়।

Dhaka · 2025

ক্রিস্টি কী?

উত্তর

মাইটোকন্ড্রিয়ার অন্তঃপর্দার ভাঁজগুলো নির্দিষ্ট ব্যবধানে আঙুলের। মতো যে প্রবর্ধক সৃষ্টি করে, তাই ক্রিস্টি।
জেনেটিক কোডনসমূহ সার্বজনীন ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

জেনেটিক কোড হলো জিনের একটি সাংকেতিক সজ্জারূপ, যা প্রোটিন সংশ্লেষণের সময় অ্যামাইনো এসিডের অনুরূপ একটি সজ্জাকে নির্দিষ্ট করে। একে mRNA কোডও বলা হয়। এটি জীবের বংশগতির জৈব রাসায়নিক ভিত্তি এবং প্রায় সকল জীবে একইভাবে থাকে। কোডনসমূহ Universal বা সার্বজনীন অর্থাৎ বিশ্বের সকল প্রজাতির জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। এটিই জেনেটিক কোডের সার্বজনীনতা।
উদ্দীপকে উল্লেখিত 'YY^{\prime} অঙ্গাণুটির রাসায়নিক গঠন এবং শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত 'YY^{\prime} কোষ অঙ্গাণুটি হলো ক্লোরোপ্লাস্ট, যা কেবল সবুজ কোষে পাওয়া যায়। নিচে ক্লোরোপ্লাস্টের রাসায়নিক গঠন এবং শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলি বর্ণনা করা হলো- রাসায়নিক গঠন: রাসায়নিকভাবে ক্লোরোপ্লাস্ট প্রধানত কার্বোহাইড্রেট,লিপিড, প্রোটিন নিয়ে গঠিত। এছাড়া এতে ক্লোরোফিল থাকে। শুষ্ক ওজনের ১০-২০% লিপিড এবং ৩৫-৫৫% প্রোটিন। প্রোটিনের মধ্যে -৮০% হচ্ছে অদ্রবণীয় যা লিপিডের সঙ্গে একত্রে ঝিল্লি নির্মাণ করে, বাকি ২০% দ্রবণীয় এবং এনজাইম হিসেবে থাকে। ক্লোরোপ্লাস্টের রয়েছে ক্লোরোফিল নামক সবুজ বর্ণকণিকা। ক্লোরোপ্লাস্টে ৭৫% ক্লোরোফিল-a ও ২৫% ক্লোরোফিল-৮ রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে সামান্য ক্যারোটিনয়েড ও নিউক্লিক অ্যাসিড। একই ক্লোরোপ্লাস্টে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট পাওয়া যায়, এদের মধ্যে স্টার্চ হচ্ছে সাধারণ কার্বোহাইড্রেট। এছাড়া এতে DNA, RNA, কিছু এনজাইম, খনিজ পদার্থ ও কো-এনজাইম উপস্থিত থাকে। ক্লোরোপ্লাস্টের শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলি : ১. ক্লোরোপ্লাস্ট শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে। এজন্য একে কোষের রান্নাঘর বা Kitchen of cell বলে। ২. ক্লোরোপ্লাস্টের গ্রানা অঞ্চলে সালোকসংশ্লেষণের আলোক পর্যায় ও স্ট্রোমা অঞ্চলে অন্ধকার পর্যায়ের বিক্রিয়া হয়। ৩. এটি ফটোফসফোরাইলেশন প্রক্রিয়ায় সূর্যালোকের সাহায্যে ADP থেকে ATP উৎপন্ন করে। ৪. ক্লোরোপ্লাস্টে ফটোরেসপিরেশন বা আলোক শ্বসন ঘটে। ৫. ক্লোরোপ্লাস্টে অবস্থিত রাইবোসোম প্রোটিন সংশ্লেষণে অংশ নেয়।
প্রোটিন তৈরিতে অঙ্গাণু 'XX^{\prime} এর ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'XX^{\prime} অঙ্গাণুটি হলো রাইবোজোম। এটি এমন একটি ক্ষুদ্র কোষীয় অঙ্গাণু যা সমস্ত জীবকোষে, যেমন- প্রাণী, উদ্ভিদ ও ব্যাকটেরিয়া কোষে পাওয়া যায়। রাইবোজোমের প্রধান কাজ হলো প্রোটিন সংশ্লেষণ করা। রাইবোজোমকে কোষের প্রোটিন তৈরির কারখানা বলা হয়। প্রোটিন তৈরির প্রক্রিয়াটি বেশ কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হয়। প্রথমে, DNA থেকে mRNA তৈরি হয়, যা প্রোটিন তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় জেনেটিক কোড বহন করে। এই mRNA নিউক্লিয়াস থেকে সাইটোপ্লাজমে আসে এবং রাইবোজোমের সাথে যুক্ত হয়। রাইবোজোম দুটি উপ-একক নিয়ে গঠিত। একটি ছোট উপ-একক এবং একটি বড় উপ-একক। mRNA এই ছোট উপ-এককের সাথে সংযুক্ত হয়। এরপর, tRNA (ট্রান্সফার RNA) নির্দিষ্ট অ্যামিনো অ্যাসিড বহন করে রাইবোজোমে নিয়ে আসে। রাইবোজোম mRNA-এর কোডন অনুযায়ী সঠিক অ্যামিনো অ্যাসিডগুলোকে একটার পর একটা যুক্ত করে একটি দীর্ঘ পলিপেপটাইড শৃঙ্খল তৈরি করে। এই পলিপেপটাইড শৃঙ্খলই পরে ভাঁজ হয়ে একটি কার্যকরী প্রোটিনে রূপান্তরিত হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটি ট্রান্সলেশন নামে পরিচিত। রাইবোজোম এই অ্যামিনো অ্যাসিডগুলোকে পেপটাইড বন্ধন দ্বারা যুক্ত করে প্রৈাটিন শৃঙ্খল তৈরি করে। উপরের আলোচনা থেকে বলা যায় যে, রাইবোজোম ছাড়া কোষের পক্ষে প্রোটিন তৈরি করা সম্ভব নয়, যা জীবনের মৌলিক কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য অত্যাবশ্যক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ কর- \left.\left|\[\begin{array}{l}\mathrm{A}=\mathrm{T} \\ \mathrm{G} \equiv \mathrm{C} \\ \mathrm{T}=\mathrm{A}\end{array}\]\right| \xrightarrow{\mathrm{M}} \right\rvert\, \[\begin{aligned} & \mathrm{U} \\ & \mathrm{C} \\ & \mathrm{A}\end{aligned}\] \xrightarrow{\mathrm{N}}(\text{ Amino acid })_{\mathrm{n}}

Dhaka · 2025

পিউরিন কী?

উত্তর

পিউরিন হলো একটি নাইট্রোজেনযুক্ত জৈব যৌগ যা DNA, RNA এবং ATP-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ জৈব অণুগুলোর গাঠনিক উপাদান হিসেবে কাজ করে।
DNA প্রুফ রিডিং বলতে কী বুঝ?

উত্তর

DNA প্রুফ রিডিং হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ কোষীয় প্রক্রিয়া যা DNA প্রতিলিপন এর সময় ঘটে। যখন DNA পলিমারেজ নতুন DNA স্ট্র্যান্ড তৈরি করে, তখন এটি ভুল বেস যুক্ত করে ফেলতে পারে। প্রুফরিডিং মেকানিজম এই ভুল বেসগুলোকে চিহ্নিত করে এবং সরিয়ে ফেলে, যাতে জেনেটিক কোডের সঠিকতা বজায় থাকে। নিউক্লিয়েজ এনজাইম দ্বারা ভুল নিউক্লিওটাইড অপসারিত হয় এবং DNA পলিমারেজ-II দ্বারা সঠিক নিউক্লিওটাইড সংযুক্ত হয়।
উদ্দীপকের 'MM^{\prime} প্রক্রিয়াটি সংক্ষেপে বর্ণনা কর।

উত্তর

সই উদ্দীপকের 'MM^{\prime} প্রক্রিয়াটি হলো DNA থেকে mRNA তৈরির প্রক্রিয়া অর্থাৎ, 'MM^{\prime} দ্বারা ট্রান্সক্রিপশন প্রক্রিয়াকে বোঝানো হয়েছে। ট্রান্সক্রিপশন প্রক্রিয়াকে প্রধানত ৩টি ধাপে ভাগ করা যায়। যথা- ১. সূচনা বা প্রারম্ভিক ধাপ: এ ধাপে DNA অণুর প্রোমোটার নামক বিশেষ বেস সিকোয়েন্স অংশে ট্রান্সক্রিপশন ফ্যাক্টর ও RNA-পলিমারেজ এনজাইম যুক্ত হয়। প্রোমোটারই RNA-পলিমারেজকে নির্দেশ দেয় DNA অণুর কোন সূত্রের ট্রান্সক্রিপশন ঘটবে এবং ট্রান্সক্রিপশন কোথা থেকে শুরু হবে। প্রোমোটারে সংযুক্ত হওয়ার পর প্রথমে RNA-পলিমারেজ DNA অণুর অংশ বিশেষের পাক খুলে দেয় এবং হাইড্রোজেন বন্ড ভেঙে সূত্র দুটিকে আলাদা করে ফেলে। ২. সূত্র বর্ধিতকরণ বা দীর্ঘায়ন ধাপ: RNA পলিমারেজ-II এনজাইম ATP, GTP, UTP ও CTP থেকে টেমপ্লেটের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় নিউক্লিওটাইড যুক্ত করতে থাকে। এভাবে সূচনা স্থান থেকে mRNA-এর সূত্র বর্ধিতকরণ চলতে থাকে (5' → 3' অভিমুখে) এবং RNA-পলিমারেজ অগ্রসর হতে থাকে। RNA-পলিমারেজ অগ্রসর হওয়ার পর DNA অণুর পাক খুলে যাওয়া অংশে আবার পাক তৈরি হয়। ৩. সমাপ্তিকরণ বা সমাপন ধাপ: RNA সূত্র বর্ধিতকরণ শেষে RNA-পলিমারেজ সমাপ্তি স্থানে পৌছালে এনজাইমটি মুক্ত হয়ে যায় এবং ট্রান্সক্রিপশনের সমাপ্তি ঘটে।
উদ্দীপকের 'MM^{\prime} ও 'NN^{\prime} প্রক্রিয়ার মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'MM^{\prime} ও 'NN^{\prime} প্রক্রিয়া দ্বারা যথাক্রমে ট্রান্সক্রিপশন ও ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়াকে বুঝানো হয়েছে। নিচে এদের মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা উপস্থাপন করা হলো- question image

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ কর- \left.\left|\[\begin{array}{l}\mathrm{A}=\mathrm{T} \\ \mathrm{G} \equiv \mathrm{C} \\ \mathrm{T}=\mathrm{A}\end{array}\]\right| \xrightarrow{\mathrm{M}} \right\rvert\, \[\begin{aligned} & \mathrm{U} \\ & \mathrm{C} \\ & \mathrm{A}\end{aligned}\] \xrightarrow{\mathrm{N}}(\text{ Amino acid })_{\mathrm{n}}

Dhaka · 2025

পিউরিন কী?

উত্তর

পিউরিন হলো একটি নাইট্রোজেনযুক্ত জৈব যৌগ যা DNA, RNA এবং ATP-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ জৈব অণুগুলোর গাঠনিক উপাদান হিসেবে কাজ করে।
DNA প্রুফ রিডিং বলতে কী বুঝ?

উত্তর

DNA প্রুফ রিডিং হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ কোষীয় প্রক্রিয়া যা DNA প্রতিলিপন এর সময় ঘটে। যখন DNA পলিমারেজ নতুন DNA স্ট্র্যান্ড তৈরি করে, তখন এটি ভুল বেস যুক্ত করে ফেলতে পারে। প্রুফরিডিং মেকানিজম এই ভুল বেসগুলোকে চিহ্নিত করে এবং সরিয়ে ফেলে, যাতে জেনেটিক কোডের সঠিকতা বজায় থাকে। নিউক্লিয়েজ এনজাইম দ্বারা ভুল নিউক্লিওটাইড অপসারিত হয় এবং DNA পলিমারেজ-II দ্বারা সঠিক নিউক্লিওটাইড সংযুক্ত হয়।
উদ্দীপকের 'MM^{\prime} প্রক্রিয়াটি সংক্ষেপে বর্ণনা কর।

উত্তর

সই উদ্দীপকের 'MM^{\prime} প্রক্রিয়াটি হলো DNA থেকে mRNA তৈরির প্রক্রিয়া অর্থাৎ, 'MM^{\prime} দ্বারা ট্রান্সক্রিপশন প্রক্রিয়াকে বোঝানো হয়েছে। ট্রান্সক্রিপশন প্রক্রিয়াকে প্রধানত ৩টি ধাপে ভাগ করা যায়। যথা- ১. সূচনা বা প্রারম্ভিক ধাপ: এ ধাপে DNA অণুর প্রোমোটার নামক বিশেষ বেস সিকোয়েন্স অংশে ট্রান্সক্রিপশন ফ্যাক্টর ও RNA-পলিমারেজ এনজাইম যুক্ত হয়। প্রোমোটারই RNA-পলিমারেজকে নির্দেশ দেয় DNA অণুর কোন সূত্রের ট্রান্সক্রিপশন ঘটবে এবং ট্রান্সক্রিপশন কোথা থেকে শুরু হবে। প্রোমোটারে সংযুক্ত হওয়ার পর প্রথমে RNA-পলিমারেজ DNA অণুর অংশ বিশেষের পাক খুলে দেয় এবং হাইড্রোজেন বন্ড ভেঙে সূত্র দুটিকে আলাদা করে ফেলে। ২. সূত্র বর্ধিতকরণ বা দীর্ঘায়ন ধাপ: RNA পলিমারেজ-II এনজাইম ATP, GTP, UTP ও CTP থেকে টেমপ্লেটের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় নিউক্লিওটাইড যুক্ত করতে থাকে। এভাবে সূচনা স্থান থেকে mRNA-এর সূত্র বর্ধিতকরণ চলতে থাকে (5' → 3' অভিমুখে) এবং RNA-পলিমারেজ অগ্রসর হতে থাকে। RNA-পলিমারেজ অগ্রসর হওয়ার পর DNA অণুর পাক খুলে যাওয়া অংশে আবার পাক তৈরি হয়। ৩. সমাপ্তিকরণ বা সমাপন ধাপ: RNA সূত্র বর্ধিতকরণ শেষে RNA-পলিমারেজ সমাপ্তি স্থানে পৌছালে এনজাইমটি মুক্ত হয়ে যায় এবং ট্রান্সক্রিপশনের সমাপ্তি ঘটে।
উদ্দীপকের 'MM^{\prime} ও 'NN^{\prime} প্রক্রিয়ার মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'MM^{\prime} ও 'NN^{\prime} প্রক্রিয়া দ্বারা যথাক্রমে ট্রান্সক্রিপশন ও ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়াকে বুঝানো হয়েছে। নিচে এদের মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা উপস্থাপন করা হলো- question image

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের চিত্র দুটি লক্ষ কর- question image

Dhaka · 2025

সিন্যাপসিস কী?

উত্তর

দুটি হোমোলোগাস ক্রোমোসোমের জোড় বাঁধার প্রক্রিয়াই হলো সিন্যাপসিস।।
সিনোসাইটিক অবস্থা কেন সৃষ্টি হয়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

মাইটোসিস কোষ বিভাজনের টেলোফেজ পর্যায়ে যদি সাইটোকাইনেসিস না ঘটে কিন্তু ক্যারিওকাইনেসিস চলতে থাকে, তাহলে একটি কোষে একাধিক নিউক্লিয়াস সৃষ্টি হয়। এ ধরনের বিভাজনকে বলা হয় মুক্ত নিউক্লিয়ার বিভাজন। যেমন: ডাবের পানি এই বিভাজনের একটি উদাহরণ। কিছু শৈবাল ও প্রাণিকোষেও এই ধরনের ঘটনা দেখা যায়, যেখানে ক্যারিওকাইনেসিস ঘটলেও সাইটোকাইনেসিস ঘটে না। এর ফলে যে কোষে একাধিক নিউক্লিয়াস থাকে, তাকে বলা হয় সিনোসাইটিক কোষ।
প্রদত্ত বিভাজন 'EE^{\prime} এর কোন কোন ধাপে স্পিন্ডল যন্ত্র বিদ্যমান থাকে? ধাপসমূহ চিত্রসহ বর্ণনা কর।

উত্তর

প্রদত্ত বিভাজন E হচ্ছে মাইটোসিস কোষ বিভাজন। মাইটোসিস কোষ বিভাজনের পাঁচটি ধাপ হলো প্রোফেজ, প্রো-মেটাফেজ, মেটাফেজ, অ্যানাফেজ এবং টেলোফেজ। এদের মধ্যে প্রো-মেটাফেজ এবং মেটাফেজ ধাপ দুটিতে স্পিন্ডল যন্ত্রের উপস্থিতি সবচেয়ে সুস্পষ্ট ও কার্যকরী থাকে। নিচে এদের সচিত্র বর্ণনা দেয়া হলো- প্রো-মেটাফেজ: এটি মাইটোসিসের দ্বিতীয় ও স্বল্পস্থায়ী ধাপ। এর বৈশিষ্ট্যগুলো হলো- ১. এ-দশায় নিউক্লিয়ার মেমব্রেন ও নিউক্লিওলাস প্রায় বিলুপ্ত হয়ে যায় এবং প্রোটিন নির্মিত ও দুইমেরু বিশিষ্ট স্পিন্ডল যন্ত্রের সৃষ্টি হয়। question image ২. স্পিন্ডল যন্ত্রের যে তন্তুগুলো এক মেরু থেকে অপর মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত তাদের স্পিন্ডল তন্তু বলা হয়। আর স্পিন্ডল যন্ত্রের যে তন্তুর। সাথে ক্রোমোসোমের সেন্ট্রোমিয়ার-এর সাথে যুক্ত থাকে তাকে আকর্ষণ তন্তু বা ট্র্যাকশন তন্তু বলে। ৩. প্রতিটি ক্রোমোসোম একটি আকর্ষণ তন্তুর সাথে যুক্ত হয়ে ক্রোমোসোমীয় নৃত্য প্রদর্শন করে। এই সময় ক্রোমোসোমগুলো বিষুবীয় অঞ্চলের দিকে যেতে থাকে। মেটাফেজ: মাইটোসিস কোষ বিভাজনের তৃতীয় দশাটি হলো মেটাফেজ পর্যায়। নিচে চিত্রসহ মেটাফেজ পর্যায় বর্ণনা করা হলো- ১. এ পর্যায়ে নিউক্লিয়ার মেমব্রেন ও নিউক্লিওলাসের বিলুপ্তি ঘটে। ২. স্পিন্ডল যন্ত্রের গঠন সম্পূর্ণ হয় এবং ক্রোমোসোমগুলো বিষুবীয় অঞ্চলে এসে সেন্ট্রোমিয়ারের মাধ্যমে আকর্ষণ তন্তুর সাথে লেগে যায়। question image
ক্রোমোসোমের ভারসাম্য রক্ষায় বিভাজন E এবং F এর পরস্পর নির্ভরশীলতা সম্পর্কে একটি বিশ্লেষণ প্রদান কর।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদর্শিত বিভাজন E হচ্ছে মাইটোসিস এবং বিভাজন F হচ্ছে মিয়োসিস কোষ বিভাজন। জীবজগতে ক্রোমোসোম সংখ্যার ভারসাম্য রক্ষা এবং বংশগতির ধারা বজায় রাখার জন্য মাইটোসিস ও মিয়োসিস কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া দুটি পরস্পরের উপর নির্ভরশীল। মাইটোসিস মূলত দেহকোষে ঘটে এবং এটি জীবের দৈহিক বৃদ্ধি, ক্ষয়পূরণ ও অযৌন জননের জন্য দায়ী। এই প্রক্রিয়ায় একটি মাতৃকোষ থেকে দুটি হুবহু অপত্য কোষের সৃষ্টি হয়, যেখানে ক্রোমোসোম সংখ্যা মাতৃকোষের সমান (2n) থাকে। এর ফলে, প্রতিটি নতুন কোষে সঠিক সংখ্যক ক্রোমোসোম এবং জিনগত তথ্য অপরিবর্তিত থাকে, যা জীবের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সঠিক গঠন ও কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। অন্যদিকে, মিয়োসিস প্রক্রিয়াটি জনন কোষে ঘটে এবং এর মূল উদ্দেশ্য হলো গ্যামেট বা জননকোষ সৃষ্টি। মিয়োসিসে একটি ডিপ্লয়েড (2n) জনন মাতৃকোষ থেকে চারটি হ্যাপ্লয়েড (n) অপত্য কোষ তৈরি হয়, যেখানে ক্রোমোসোম সংখ্যা মাতৃকোষের অর্ধেক হয়ে যায়। এই হ্রাসকৃত ক্রোমোসোম সংখ্যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ পুং ও স্ত্রী গ্যামেটের মিলনের (নিষেক) মাধ্যমে যখন জাইগোট গঠিত হয়, তখন ক্রোমোসোম সংখ্যা আবার প্রজাতির নির্দিষ্ট ডিপ্লয়েড অবস্থায় (2n) ফিরে আসে। যদি মিয়োসিস না ঘটত, তাহলে প্রতি প্রজন্মে ক্রোমোসোম সংখ্যা দ্বিগুণ হতে থাকত, যা জীবের স্বাভাবিক অস্তিত্বের জন্য মারাত্মক হতো। অতএব, মাইটোসিস জীবের দৈহিক স্থায়িত্ব ও বৃদ্ধি নিশ্চিত করে, আর মিয়োসিস বংশপরম্পরায় প্রজাতির ক্রোমোসোম সংখ্যাকে ধ্রুবক রেখে জীবের ধারাবাহিকতা বজায় রাখে। ফলে, মাইটোসিস ও মিয়োসিসের এই পরস্পর নির্ভরশীলতাই ক্রোমোসোমের ভারসাম্য এবং জীবজগতের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের চিত্র দুটি লক্ষ কর- question image

Dhaka · 2025

সিন্যাপসিস কী?

উত্তর

দুটি হোমোলোগাস ক্রোমোসোমের জোড় বাঁধার প্রক্রিয়াই হলো সিন্যাপসিস।।
সিনোসাইটিক অবস্থা কেন সৃষ্টি হয়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

মাইটোসিস কোষ বিভাজনের টেলোফেজ পর্যায়ে যদি সাইটোকাইনেসিস না ঘটে কিন্তু ক্যারিওকাইনেসিস চলতে থাকে, তাহলে একটি কোষে একাধিক নিউক্লিয়াস সৃষ্টি হয়। এ ধরনের বিভাজনকে বলা হয় মুক্ত নিউক্লিয়ার বিভাজন। যেমন: ডাবের পানি এই বিভাজনের একটি উদাহরণ। কিছু শৈবাল ও প্রাণিকোষেও এই ধরনের ঘটনা দেখা যায়, যেখানে ক্যারিওকাইনেসিস ঘটলেও সাইটোকাইনেসিস ঘটে না। এর ফলে যে কোষে একাধিক নিউক্লিয়াস থাকে, তাকে বলা হয় সিনোসাইটিক কোষ।
প্রদত্ত বিভাজন 'EE^{\prime} এর কোন কোন ধাপে স্পিন্ডল যন্ত্র বিদ্যমান থাকে? ধাপসমূহ চিত্রসহ বর্ণনা কর।

উত্তর

প্রদত্ত বিভাজন E হচ্ছে মাইটোসিস কোষ বিভাজন। মাইটোসিস কোষ বিভাজনের পাঁচটি ধাপ হলো প্রোফেজ, প্রো-মেটাফেজ, মেটাফেজ, অ্যানাফেজ এবং টেলোফেজ। এদের মধ্যে প্রো-মেটাফেজ এবং মেটাফেজ ধাপ দুটিতে স্পিন্ডল যন্ত্রের উপস্থিতি সবচেয়ে সুস্পষ্ট ও কার্যকরী থাকে। নিচে এদের সচিত্র বর্ণনা দেয়া হলো- প্রো-মেটাফেজ: এটি মাইটোসিসের দ্বিতীয় ও স্বল্পস্থায়ী ধাপ। এর বৈশিষ্ট্যগুলো হলো- ১. এ-দশায় নিউক্লিয়ার মেমব্রেন ও নিউক্লিওলাস প্রায় বিলুপ্ত হয়ে যায় এবং প্রোটিন নির্মিত ও দুইমেরু বিশিষ্ট স্পিন্ডল যন্ত্রের সৃষ্টি হয়। question image ২. স্পিন্ডল যন্ত্রের যে তন্তুগুলো এক মেরু থেকে অপর মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত তাদের স্পিন্ডল তন্তু বলা হয়। আর স্পিন্ডল যন্ত্রের যে তন্তুর। সাথে ক্রোমোসোমের সেন্ট্রোমিয়ার-এর সাথে যুক্ত থাকে তাকে আকর্ষণ তন্তু বা ট্র্যাকশন তন্তু বলে। ৩. প্রতিটি ক্রোমোসোম একটি আকর্ষণ তন্তুর সাথে যুক্ত হয়ে ক্রোমোসোমীয় নৃত্য প্রদর্শন করে। এই সময় ক্রোমোসোমগুলো বিষুবীয় অঞ্চলের দিকে যেতে থাকে। মেটাফেজ: মাইটোসিস কোষ বিভাজনের তৃতীয় দশাটি হলো মেটাফেজ পর্যায়। নিচে চিত্রসহ মেটাফেজ পর্যায় বর্ণনা করা হলো- ১. এ পর্যায়ে নিউক্লিয়ার মেমব্রেন ও নিউক্লিওলাসের বিলুপ্তি ঘটে। ২. স্পিন্ডল যন্ত্রের গঠন সম্পূর্ণ হয় এবং ক্রোমোসোমগুলো বিষুবীয় অঞ্চলে এসে সেন্ট্রোমিয়ারের মাধ্যমে আকর্ষণ তন্তুর সাথে লেগে যায়। question image
ক্রোমোসোমের ভারসাম্য রক্ষায় বিভাজন E এবং F এর পরস্পর নির্ভরশীলতা সম্পর্কে একটি বিশ্লেষণ প্রদান কর।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদর্শিত বিভাজন E হচ্ছে মাইটোসিস এবং বিভাজন F হচ্ছে মিয়োসিস কোষ বিভাজন। জীবজগতে ক্রোমোসোম সংখ্যার ভারসাম্য রক্ষা এবং বংশগতির ধারা বজায় রাখার জন্য মাইটোসিস ও মিয়োসিস কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া দুটি পরস্পরের উপর নির্ভরশীল। মাইটোসিস মূলত দেহকোষে ঘটে এবং এটি জীবের দৈহিক বৃদ্ধি, ক্ষয়পূরণ ও অযৌন জননের জন্য দায়ী। এই প্রক্রিয়ায় একটি মাতৃকোষ থেকে দুটি হুবহু অপত্য কোষের সৃষ্টি হয়, যেখানে ক্রোমোসোম সংখ্যা মাতৃকোষের সমান (2n) থাকে। এর ফলে, প্রতিটি নতুন কোষে সঠিক সংখ্যক ক্রোমোসোম এবং জিনগত তথ্য অপরিবর্তিত থাকে, যা জীবের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সঠিক গঠন ও কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। অন্যদিকে, মিয়োসিস প্রক্রিয়াটি জনন কোষে ঘটে এবং এর মূল উদ্দেশ্য হলো গ্যামেট বা জননকোষ সৃষ্টি। মিয়োসিসে একটি ডিপ্লয়েড (2n) জনন মাতৃকোষ থেকে চারটি হ্যাপ্লয়েড (n) অপত্য কোষ তৈরি হয়, যেখানে ক্রোমোসোম সংখ্যা মাতৃকোষের অর্ধেক হয়ে যায়। এই হ্রাসকৃত ক্রোমোসোম সংখ্যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ পুং ও স্ত্রী গ্যামেটের মিলনের (নিষেক) মাধ্যমে যখন জাইগোট গঠিত হয়, তখন ক্রোমোসোম সংখ্যা আবার প্রজাতির নির্দিষ্ট ডিপ্লয়েড অবস্থায় (2n) ফিরে আসে। যদি মিয়োসিস না ঘটত, তাহলে প্রতি প্রজন্মে ক্রোমোসোম সংখ্যা দ্বিগুণ হতে থাকত, যা জীবের স্বাভাবিক অস্তিত্বের জন্য মারাত্মক হতো। অতএব, মাইটোসিস জীবের দৈহিক স্থায়িত্ব ও বৃদ্ধি নিশ্চিত করে, আর মিয়োসিস বংশপরম্পরায় প্রজাতির ক্রোমোসোম সংখ্যাকে ধ্রুবক রেখে জীবের ধারাবাহিকতা বজায় রাখে। ফলে, মাইটোসিস ও মিয়োসিসের এই পরস্পর নির্ভরশীলতাই ক্রোমোসোমের ভারসাম্য এবং জীবজগতের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের চিত্র দুটি লক্ষ কর- question image

Dhaka · 2025

সিন্যাপসিস কী?

উত্তর

দুটি হোমোলোগাস ক্রোমোসোমের জোড় বাঁধার প্রক্রিয়াই হলো সিন্যাপসিস।।
সিনোসাইটিক অবস্থা কেন সৃষ্টি হয়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

মাইটোসিস কোষ বিভাজনের টেলোফেজ পর্যায়ে যদি সাইটোকাইনেসিস না ঘটে কিন্তু ক্যারিওকাইনেসিস চলতে থাকে, তাহলে একটি কোষে একাধিক নিউক্লিয়াস সৃষ্টি হয়। এ ধরনের বিভাজনকে বলা হয় মুক্ত নিউক্লিয়ার বিভাজন। যেমন: ডাবের পানি এই বিভাজনের একটি উদাহরণ। কিছু শৈবাল ও প্রাণিকোষেও এই ধরনের ঘটনা দেখা যায়, যেখানে ক্যারিওকাইনেসিস ঘটলেও সাইটোকাইনেসিস ঘটে না। এর ফলে যে কোষে একাধিক নিউক্লিয়াস থাকে, তাকে বলা হয় সিনোসাইটিক কোষ।
প্রদত্ত বিভাজন 'EE^{\prime} এর কোন কোন ধাপে স্পিন্ডল যন্ত্র বিদ্যমান থাকে? ধাপসমূহ চিত্রসহ বর্ণনা কর।

উত্তর

প্রদত্ত বিভাজন E হচ্ছে মাইটোসিস কোষ বিভাজন। মাইটোসিস কোষ বিভাজনের পাঁচটি ধাপ হলো প্রোফেজ, প্রো-মেটাফেজ, মেটাফেজ, অ্যানাফেজ এবং টেলোফেজ। এদের মধ্যে প্রো-মেটাফেজ এবং মেটাফেজ ধাপ দুটিতে স্পিন্ডল যন্ত্রের উপস্থিতি সবচেয়ে সুস্পষ্ট ও কার্যকরী থাকে। নিচে এদের সচিত্র বর্ণনা দেয়া হলো- প্রো-মেটাফেজ: এটি মাইটোসিসের দ্বিতীয় ও স্বল্পস্থায়ী ধাপ। এর বৈশিষ্ট্যগুলো হলো- ১. এ-দশায় নিউক্লিয়ার মেমব্রেন ও নিউক্লিওলাস প্রায় বিলুপ্ত হয়ে যায় এবং প্রোটিন নির্মিত ও দুইমেরু বিশিষ্ট স্পিন্ডল যন্ত্রের সৃষ্টি হয়। question image ২. স্পিন্ডল যন্ত্রের যে তন্তুগুলো এক মেরু থেকে অপর মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত তাদের স্পিন্ডল তন্তু বলা হয়। আর স্পিন্ডল যন্ত্রের যে তন্তুর। সাথে ক্রোমোসোমের সেন্ট্রোমিয়ার-এর সাথে যুক্ত থাকে তাকে আকর্ষণ তন্তু বা ট্র্যাকশন তন্তু বলে। ৩. প্রতিটি ক্রোমোসোম একটি আকর্ষণ তন্তুর সাথে যুক্ত হয়ে ক্রোমোসোমীয় নৃত্য প্রদর্শন করে। এই সময় ক্রোমোসোমগুলো বিষুবীয় অঞ্চলের দিকে যেতে থাকে। মেটাফেজ: মাইটোসিস কোষ বিভাজনের তৃতীয় দশাটি হলো মেটাফেজ পর্যায়। নিচে চিত্রসহ মেটাফেজ পর্যায় বর্ণনা করা হলো- ১. এ পর্যায়ে নিউক্লিয়ার মেমব্রেন ও নিউক্লিওলাসের বিলুপ্তি ঘটে। ২. স্পিন্ডল যন্ত্রের গঠন সম্পূর্ণ হয় এবং ক্রোমোসোমগুলো বিষুবীয় অঞ্চলে এসে সেন্ট্রোমিয়ারের মাধ্যমে আকর্ষণ তন্তুর সাথে লেগে যায়। question image
ক্রোমোসোমের ভারসাম্য রক্ষায় বিভাজন E এবং F এর পরস্পর নির্ভরশীলতা সম্পর্কে একটি বিশ্লেষণ প্রদান কর।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদর্শিত বিভাজন E হচ্ছে মাইটোসিস এবং বিভাজন F হচ্ছে মিয়োসিস কোষ বিভাজন। জীবজগতে ক্রোমোসোম সংখ্যার ভারসাম্য রক্ষা এবং বংশগতির ধারা বজায় রাখার জন্য মাইটোসিস ও মিয়োসিস কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া দুটি পরস্পরের উপর নির্ভরশীল। মাইটোসিস মূলত দেহকোষে ঘটে এবং এটি জীবের দৈহিক বৃদ্ধি, ক্ষয়পূরণ ও অযৌন জননের জন্য দায়ী। এই প্রক্রিয়ায় একটি মাতৃকোষ থেকে দুটি হুবহু অপত্য কোষের সৃষ্টি হয়, যেখানে ক্রোমোসোম সংখ্যা মাতৃকোষের সমান (2n) থাকে। এর ফলে, প্রতিটি নতুন কোষে সঠিক সংখ্যক ক্রোমোসোম এবং জিনগত তথ্য অপরিবর্তিত থাকে, যা জীবের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সঠিক গঠন ও কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। অন্যদিকে, মিয়োসিস প্রক্রিয়াটি জনন কোষে ঘটে এবং এর মূল উদ্দেশ্য হলো গ্যামেট বা জননকোষ সৃষ্টি। মিয়োসিসে একটি ডিপ্লয়েড (2n) জনন মাতৃকোষ থেকে চারটি হ্যাপ্লয়েড (n) অপত্য কোষ তৈরি হয়, যেখানে ক্রোমোসোম সংখ্যা মাতৃকোষের অর্ধেক হয়ে যায়। এই হ্রাসকৃত ক্রোমোসোম সংখ্যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ পুং ও স্ত্রী গ্যামেটের মিলনের (নিষেক) মাধ্যমে যখন জাইগোট গঠিত হয়, তখন ক্রোমোসোম সংখ্যা আবার প্রজাতির নির্দিষ্ট ডিপ্লয়েড অবস্থায় (2n) ফিরে আসে। যদি মিয়োসিস না ঘটত, তাহলে প্রতি প্রজন্মে ক্রোমোসোম সংখ্যা দ্বিগুণ হতে থাকত, যা জীবের স্বাভাবিক অস্তিত্বের জন্য মারাত্মক হতো। অতএব, মাইটোসিস জীবের দৈহিক স্থায়িত্ব ও বৃদ্ধি নিশ্চিত করে, আর মিয়োসিস বংশপরম্পরায় প্রজাতির ক্রোমোসোম সংখ্যাকে ধ্রুবক রেখে জীবের ধারাবাহিকতা বজায় রাখে। ফলে, মাইটোসিস ও মিয়োসিসের এই পরস্পর নির্ভরশীলতাই ক্রোমোসোমের ভারসাম্য এবং জীবজগতের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের চিত্র দুটি লক্ষ কর- question image

Dhaka · 2025

সিন্যাপসিস কী?

উত্তর

দুটি হোমোলোগাস ক্রোমোসোমের জোড় বাঁধার প্রক্রিয়াই হলো সিন্যাপসিস।।
সিনোসাইটিক অবস্থা কেন সৃষ্টি হয়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

মাইটোসিস কোষ বিভাজনের টেলোফেজ পর্যায়ে যদি সাইটোকাইনেসিস না ঘটে কিন্তু ক্যারিওকাইনেসিস চলতে থাকে, তাহলে একটি কোষে একাধিক নিউক্লিয়াস সৃষ্টি হয়। এ ধরনের বিভাজনকে বলা হয় মুক্ত নিউক্লিয়ার বিভাজন। যেমন: ডাবের পানি এই বিভাজনের একটি উদাহরণ। কিছু শৈবাল ও প্রাণিকোষেও এই ধরনের ঘটনা দেখা যায়, যেখানে ক্যারিওকাইনেসিস ঘটলেও সাইটোকাইনেসিস ঘটে না। এর ফলে যে কোষে একাধিক নিউক্লিয়াস থাকে, তাকে বলা হয় সিনোসাইটিক কোষ।
প্রদত্ত বিভাজন 'EE^{\prime} এর কোন কোন ধাপে স্পিন্ডল যন্ত্র বিদ্যমান থাকে? ধাপসমূহ চিত্রসহ বর্ণনা কর।

উত্তর

প্রদত্ত বিভাজন E হচ্ছে মাইটোসিস কোষ বিভাজন। মাইটোসিস কোষ বিভাজনের পাঁচটি ধাপ হলো প্রোফেজ, প্রো-মেটাফেজ, মেটাফেজ, অ্যানাফেজ এবং টেলোফেজ। এদের মধ্যে প্রো-মেটাফেজ এবং মেটাফেজ ধাপ দুটিতে স্পিন্ডল যন্ত্রের উপস্থিতি সবচেয়ে সুস্পষ্ট ও কার্যকরী থাকে। নিচে এদের সচিত্র বর্ণনা দেয়া হলো- প্রো-মেটাফেজ: এটি মাইটোসিসের দ্বিতীয় ও স্বল্পস্থায়ী ধাপ। এর বৈশিষ্ট্যগুলো হলো- ১. এ-দশায় নিউক্লিয়ার মেমব্রেন ও নিউক্লিওলাস প্রায় বিলুপ্ত হয়ে যায় এবং প্রোটিন নির্মিত ও দুইমেরু বিশিষ্ট স্পিন্ডল যন্ত্রের সৃষ্টি হয়। question image ২. স্পিন্ডল যন্ত্রের যে তন্তুগুলো এক মেরু থেকে অপর মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত তাদের স্পিন্ডল তন্তু বলা হয়। আর স্পিন্ডল যন্ত্রের যে তন্তুর। সাথে ক্রোমোসোমের সেন্ট্রোমিয়ার-এর সাথে যুক্ত থাকে তাকে আকর্ষণ তন্তু বা ট্র্যাকশন তন্তু বলে। ৩. প্রতিটি ক্রোমোসোম একটি আকর্ষণ তন্তুর সাথে যুক্ত হয়ে ক্রোমোসোমীয় নৃত্য প্রদর্শন করে। এই সময় ক্রোমোসোমগুলো বিষুবীয় অঞ্চলের দিকে যেতে থাকে। মেটাফেজ: মাইটোসিস কোষ বিভাজনের তৃতীয় দশাটি হলো মেটাফেজ পর্যায়। নিচে চিত্রসহ মেটাফেজ পর্যায় বর্ণনা করা হলো- ১. এ পর্যায়ে নিউক্লিয়ার মেমব্রেন ও নিউক্লিওলাসের বিলুপ্তি ঘটে। ২. স্পিন্ডল যন্ত্রের গঠন সম্পূর্ণ হয় এবং ক্রোমোসোমগুলো বিষুবীয় অঞ্চলে এসে সেন্ট্রোমিয়ারের মাধ্যমে আকর্ষণ তন্তুর সাথে লেগে যায়। question image
ক্রোমোসোমের ভারসাম্য রক্ষায় বিভাজন E এবং F এর পরস্পর নির্ভরশীলতা সম্পর্কে একটি বিশ্লেষণ প্রদান কর।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদর্শিত বিভাজন E হচ্ছে মাইটোসিস এবং বিভাজন F হচ্ছে মিয়োসিস কোষ বিভাজন। জীবজগতে ক্রোমোসোম সংখ্যার ভারসাম্য রক্ষা এবং বংশগতির ধারা বজায় রাখার জন্য মাইটোসিস ও মিয়োসিস কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া দুটি পরস্পরের উপর নির্ভরশীল। মাইটোসিস মূলত দেহকোষে ঘটে এবং এটি জীবের দৈহিক বৃদ্ধি, ক্ষয়পূরণ ও অযৌন জননের জন্য দায়ী। এই প্রক্রিয়ায় একটি মাতৃকোষ থেকে দুটি হুবহু অপত্য কোষের সৃষ্টি হয়, যেখানে ক্রোমোসোম সংখ্যা মাতৃকোষের সমান (2n) থাকে। এর ফলে, প্রতিটি নতুন কোষে সঠিক সংখ্যক ক্রোমোসোম এবং জিনগত তথ্য অপরিবর্তিত থাকে, যা জীবের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সঠিক গঠন ও কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। অন্যদিকে, মিয়োসিস প্রক্রিয়াটি জনন কোষে ঘটে এবং এর মূল উদ্দেশ্য হলো গ্যামেট বা জননকোষ সৃষ্টি। মিয়োসিসে একটি ডিপ্লয়েড (2n) জনন মাতৃকোষ থেকে চারটি হ্যাপ্লয়েড (n) অপত্য কোষ তৈরি হয়, যেখানে ক্রোমোসোম সংখ্যা মাতৃকোষের অর্ধেক হয়ে যায়। এই হ্রাসকৃত ক্রোমোসোম সংখ্যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ পুং ও স্ত্রী গ্যামেটের মিলনের (নিষেক) মাধ্যমে যখন জাইগোট গঠিত হয়, তখন ক্রোমোসোম সংখ্যা আবার প্রজাতির নির্দিষ্ট ডিপ্লয়েড অবস্থায় (2n) ফিরে আসে। যদি মিয়োসিস না ঘটত, তাহলে প্রতি প্রজন্মে ক্রোমোসোম সংখ্যা দ্বিগুণ হতে থাকত, যা জীবের স্বাভাবিক অস্তিত্বের জন্য মারাত্মক হতো। অতএব, মাইটোসিস জীবের দৈহিক স্থায়িত্ব ও বৃদ্ধি নিশ্চিত করে, আর মিয়োসিস বংশপরম্পরায় প্রজাতির ক্রোমোসোম সংখ্যাকে ধ্রুবক রেখে জীবের ধারাবাহিকতা বজায় রাখে। ফলে, মাইটোসিস ও মিয়োসিসের এই পরস্পর নির্ভরশীলতাই ক্রোমোসোমের ভারসাম্য এবং জীবজগতের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো