Comilla বোর্ড 2025 Civics 1st Paper

Comilla শিক্ষা বোর্ড 2025 সালের HSC Civics 1st Paper বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

12

প্রশ্ন

Comilla

বোর্ড

2025

সাল

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCCivics 1st PaperMCQ
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:একাদশ শ্রেণিতে জেরিন এমন একটি বিষয় বেছে নিয়েছে যা অধ্যয়ন করলে নাগরিক অধিকার, কর্তব্য ও আন্তর্জাতিক সংগঠনসহ অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা যায়।Q. উদ্দীপকে জেরিন কোন বিষয় বেছে নিয়েছে?
  • .অর্থনীতি
  • .যুক্তিবিদ্যা
  • .পৌরনীতি ও সুশাসন
  • .সমাজ বিজ্ঞান

উত্তর: পৌরনীতি ও সুশাসন

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 1st PaperMCQ
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:একাদশ শ্রেণিতে জেরিন এমন একটি বিষয় বেছে নিয়েছে যা অধ্যয়ন করলে নাগরিক অধিকার, কর্তব্য ও আন্তর্জাতিক সংগঠনসহ অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা যায়।Q. উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়টির পরিধির অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  • .রাজনৈতিক তত্ত্ব
  • .উৎপাদন ও বণ্টন ব্যবস্থা
  • .সুনাগরিকতার শিক্ষা
  • .সাংবিধানিক অগ্রগতি

উত্তর: উৎপাদন ও বণ্টন ব্যবস্থা

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মি. 'ক' তার সন্তানকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে আদর্শ নাগরিক হিসেবে - গড়ে তোলে এমন একটি বিষয় অধ্যয়নের পরামর্শ দেন।

Comilla · 2025

সুশাসন কী?

উত্তর

সুশাসন হচ্ছে এমন এক ধরনের শাসন কৌশল যার মাধ্যমে সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয় এবং প্রশাসন যন্ত্রের দুর্নীতি রোধ ও. আইনের শাসন বাস্তবায়িত হয়।
নাগরিকতার সাথে জড়িত সকল বিষয় নিয়ে যে শাস্ত্র আলোচনা করে তাকে কী বলে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

নাগরিকতার সাথে জড়িত সকল বিষয় নিয়ে যে শাস্ত্র আলোচনা করে তাকে পৌরনীতি বলে। পৌরনীতি মূলত নাগরিকতাবিষয়ক বিজ্ঞান। নাগরিকের উত্তম জীবন প্রতিষ্ঠা করাই পৌরনীতির লক্ষ্য। এ প্রসঙ্গে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের খ্যাতিমান লেখক ই. এম. হোয়াইট বলেন, 'নাগরিকতার সাথে জড়িত সকল বিষয় নিয়ে যে শাস্ত্র আলোচনা করে তাকে পৌরনীতি বলে।'
মি. 'ক' পঠিত যে বিষয়টির প্রতি ইঙ্গিত করেছেন তার পরিধি আলোচনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে মি. 'ক' পঠিত যে বিষয়টির প্রতি ইঙ্গিত করেছেন তা হলো পৌরনীতি ও সুশাসন। কেননা, মি. 'ক' তার সন্তানকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে আর্দর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে এমন একটি বিষয় অধ্যয়নের পরামর্শ দেন, যা পৌরনীতি ও সুশাসনকে নির্দেশ করে। পৌরনীতি ও সুশাসনের পরিধি অত্যন্ত সুবিস্তৃত।পৌরনীতি ও সুশাসন যেহেতু নাগরিকতাবিষয়ক বিজ্ঞান, তাই এর পরিধি ততটা বিস্তৃত- যতটা নাগরিক জীবন বিস্তৃত রয়েছে। রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকদের কর্তব্য, অধিকার ও কর্তব্যের সম্পর্ক ইত্যাদি বিষয় পৌরনীতির আলোচনার ক্ষেত্র। পৌরনীতি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে আলোচনা করে। পৌরনীতি রাষ্ট্রের উৎপত্তি সম্পর্কিত বিভিন্ন তত্ত্ব বা মতবাদ, রাষ্ট্রের কার্যাবলি এবং রাষ্ট্রের বিভিন্ন উপাদান নিয়ে আলোচনা করে। পৌরনীতি আইন, স্বাধীনতা, সাম্য ইত্যাদি বিমূর্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করে। পৌরনীতি নাগরিকতার স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিকসহ বৈদেশিক সম্পর্কের নীতি, আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহ ও এগুলোর উদ্দেশ্য, গঠন ও কার্যাবলি সম্পর্কে বিশদভাবে আলোচনা করে। পৌরনীতি নাগরিকের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আলোচনা করে। পৌরনীতি বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনা ও আন্দোলন এবং শাসনতান্ত্রিক বিকাশ সম্পর্কেও আলোচনা করে।সুতরাং বলা যায়, পৌরনীতির পরিধি অত্যন্ত বিস্তৃত।
উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়টি কীভাবে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠার শিক্ষা দেয়? বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়টি হলো পৌরনীতি ও সুশাসন, যা একজন নাগরিককে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করে।পৌরনীতি ও সুশাসন পাঠের মাধ্যমে নাগরিক তার দায়িত্ববোধ ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন হয়ে ওঠে। এ থেকে অর্জিত জ্ঞান ও তার সফল প্রয়োগ স্বাভাবিক, সুস্থ ও সুন্দর সমাজজীবন গঠনে নাগরিককে উদ্বুদ্ধ করে। সমাজব্যবস্থাকে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্য মেধা এবং দূরদৃষ্টিসম্পন্ন সুনাগরিক প্রয়োজন। পৌরনীতির জ্ঞান এরূপ নাগরিক সৃষ্টির নিমিত্তে ভূমিকা পালন করে থাকে। এর পাঠ নাগরিকদের গোঁড়ামি ও সংকীর্ণতা ত্যাগ করে উদার দৃষ্টিভঙ্গি সৃষ্টিতে সহায়ক ভূমিকা রাখে, যা সুনাগরিক হতে সাহায্য করে। পৌরনীতি ও সুশাসনে সুনাগরিকতার শিক্ষা দেওয়া হয়। সুনাগরিকতা অর্জনের গুণাবলি যেমন-বুদ্ধি, বিবেক, আত্মসংযম ও মূল্যবোধ সম্পর্কে পৌরনীতি ও সুশাসনের পাঠ সুনাগরিক সৃষ্টি করে। তাছাড়া পৌরনীতির জ্ঞান মানুষের মাঝে দেশপ্রেম ও মানবতাবোধ জাগ্রত করে। এক্ষেত্রে পৌরনীতি নাগরিকের অধিকার, রাষ্ট্রের প্রতি কর্তব্য ও তদসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্বরূপ বিশ্লেষণ করে বলে এর পাঠ দায়িত্বশীল, কর্তব্যপরায়ণ, সুশৃঙ্খল ও আদর্শ নাগরিকতাবোধসম্পন্ন নাগরিক সৃষ্টির সহায়ক। সর্বোপরি পৌরনীতি ও সুশাসনের পরিধিভুক্ত বিষয়গুলো পাঠের মাধ্যমে নাগরিকদের মধ্যে জীবনের সর্বস্তরে ও বিভিন্ন পর্যায়ে সুনাগরিকতার গুণ বিকশিত হয়। আর তাই বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়টি তথা পৌরনীতি ও সুশাসন সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মি. 'ক' তার সন্তানকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে আদর্শ নাগরিক হিসেবে - গড়ে তোলে এমন একটি বিষয় অধ্যয়নের পরামর্শ দেন।

Comilla · 2025

সুশাসন কী?

উত্তর

সুশাসন হচ্ছে এমন এক ধরনের শাসন কৌশল যার মাধ্যমে সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয় এবং প্রশাসন যন্ত্রের দুর্নীতি রোধ ও. আইনের শাসন বাস্তবায়িত হয়।
নাগরিকতার সাথে জড়িত সকল বিষয় নিয়ে যে শাস্ত্র আলোচনা করে তাকে কী বলে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

নাগরিকতার সাথে জড়িত সকল বিষয় নিয়ে যে শাস্ত্র আলোচনা করে তাকে পৌরনীতি বলে। পৌরনীতি মূলত নাগরিকতাবিষয়ক বিজ্ঞান। নাগরিকের উত্তম জীবন প্রতিষ্ঠা করাই পৌরনীতির লক্ষ্য। এ প্রসঙ্গে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের খ্যাতিমান লেখক ই. এম. হোয়াইট বলেন, 'নাগরিকতার সাথে জড়িত সকল বিষয় নিয়ে যে শাস্ত্র আলোচনা করে তাকে পৌরনীতি বলে।'
মি. 'ক' পঠিত যে বিষয়টির প্রতি ইঙ্গিত করেছেন তার পরিধি আলোচনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে মি. 'ক' পঠিত যে বিষয়টির প্রতি ইঙ্গিত করেছেন তা হলো পৌরনীতি ও সুশাসন। কেননা, মি. 'ক' তার সন্তানকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে আর্দর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে এমন একটি বিষয় অধ্যয়নের পরামর্শ দেন, যা পৌরনীতি ও সুশাসনকে নির্দেশ করে। পৌরনীতি ও সুশাসনের পরিধি অত্যন্ত সুবিস্তৃত।পৌরনীতি ও সুশাসন যেহেতু নাগরিকতাবিষয়ক বিজ্ঞান, তাই এর পরিধি ততটা বিস্তৃত- যতটা নাগরিক জীবন বিস্তৃত রয়েছে। রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকদের কর্তব্য, অধিকার ও কর্তব্যের সম্পর্ক ইত্যাদি বিষয় পৌরনীতির আলোচনার ক্ষেত্র। পৌরনীতি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে আলোচনা করে। পৌরনীতি রাষ্ট্রের উৎপত্তি সম্পর্কিত বিভিন্ন তত্ত্ব বা মতবাদ, রাষ্ট্রের কার্যাবলি এবং রাষ্ট্রের বিভিন্ন উপাদান নিয়ে আলোচনা করে। পৌরনীতি আইন, স্বাধীনতা, সাম্য ইত্যাদি বিমূর্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করে। পৌরনীতি নাগরিকতার স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিকসহ বৈদেশিক সম্পর্কের নীতি, আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহ ও এগুলোর উদ্দেশ্য, গঠন ও কার্যাবলি সম্পর্কে বিশদভাবে আলোচনা করে। পৌরনীতি নাগরিকের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আলোচনা করে। পৌরনীতি বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনা ও আন্দোলন এবং শাসনতান্ত্রিক বিকাশ সম্পর্কেও আলোচনা করে।সুতরাং বলা যায়, পৌরনীতির পরিধি অত্যন্ত বিস্তৃত।
উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়টি কীভাবে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠার শিক্ষা দেয়? বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়টি হলো পৌরনীতি ও সুশাসন, যা একজন নাগরিককে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করে।পৌরনীতি ও সুশাসন পাঠের মাধ্যমে নাগরিক তার দায়িত্ববোধ ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন হয়ে ওঠে। এ থেকে অর্জিত জ্ঞান ও তার সফল প্রয়োগ স্বাভাবিক, সুস্থ ও সুন্দর সমাজজীবন গঠনে নাগরিককে উদ্বুদ্ধ করে। সমাজব্যবস্থাকে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্য মেধা এবং দূরদৃষ্টিসম্পন্ন সুনাগরিক প্রয়োজন। পৌরনীতির জ্ঞান এরূপ নাগরিক সৃষ্টির নিমিত্তে ভূমিকা পালন করে থাকে। এর পাঠ নাগরিকদের গোঁড়ামি ও সংকীর্ণতা ত্যাগ করে উদার দৃষ্টিভঙ্গি সৃষ্টিতে সহায়ক ভূমিকা রাখে, যা সুনাগরিক হতে সাহায্য করে। পৌরনীতি ও সুশাসনে সুনাগরিকতার শিক্ষা দেওয়া হয়। সুনাগরিকতা অর্জনের গুণাবলি যেমন-বুদ্ধি, বিবেক, আত্মসংযম ও মূল্যবোধ সম্পর্কে পৌরনীতি ও সুশাসনের পাঠ সুনাগরিক সৃষ্টি করে। তাছাড়া পৌরনীতির জ্ঞান মানুষের মাঝে দেশপ্রেম ও মানবতাবোধ জাগ্রত করে। এক্ষেত্রে পৌরনীতি নাগরিকের অধিকার, রাষ্ট্রের প্রতি কর্তব্য ও তদসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্বরূপ বিশ্লেষণ করে বলে এর পাঠ দায়িত্বশীল, কর্তব্যপরায়ণ, সুশৃঙ্খল ও আদর্শ নাগরিকতাবোধসম্পন্ন নাগরিক সৃষ্টির সহায়ক। সর্বোপরি পৌরনীতি ও সুশাসনের পরিধিভুক্ত বিষয়গুলো পাঠের মাধ্যমে নাগরিকদের মধ্যে জীবনের সর্বস্তরে ও বিভিন্ন পর্যায়ে সুনাগরিকতার গুণ বিকশিত হয়। আর তাই বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়টি তথা পৌরনীতি ও সুশাসন সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো