Comilla বোর্ড 2025 Biology 1st Paper

Comilla শিক্ষা বোর্ড 2025 সালের HSC Biology 1st Paper বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

12

প্রশ্ন

Comilla

বোর্ড

2025

সাল

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের চিত্র দুটি লক্ষ কর- question image

Comilla · 2025

জিন কাকে বলে?

উত্তর

জিন হলো ক্রোমোসোমের লোকাসে অবস্থিত DNA অণুর সুনির্দিষ্ট সিকুয়েন্স যা জীবের একটি নির্দিষ্ট কার্যকর সংকেত আবদ্ধ করে এবং প্রোটিন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে বৈশিষ্ট্যের বিকাশ ঘটায়।
লাইসোসোমকে 'আত্মঘাতী থলিকা' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

লাইসোসোমের ভেতর বিভিন্ন ধরনের এনজাইম থাকে। অনেক সময় তীব্র খাদ্যাভাবে এর প্রাচীর ফেটে যায় এবং আবদ্ধকৃত এনজাইম ভেতর থেকে বের হয়ে কোষের অন্যান্য অঙ্গাণুগুলোকে ধ্বংস করে ফেলে। এ কাজকে অটোফ্যাগী বা স্বগ্রাস বলে। এভাবে সমস্ত কোষটিও পরিপাক হয়ে যেতে পারে। এরা জীবদেহের অকেজো কোষসমূহকে অটোলাইসিস প্রক্রিয়ায় ধ্বংস করে বলে এদের আত্মঘাতী থলিকা বা সুইসাইডাল স্কোয়াড বলা হয়।
উদ্দীপকে উল্লেখিত 'AA^{\prime} যৌগটির ভৌত গঠন বর্ণনা কর।

উত্তর

এ উদ্দীপকের 'AA^{\prime} নির্দেশিত জৈব অণুটি হলো DNA। DNA হলো জীবের বংশগতির তথ্য বহনকারী অণু, যা জীবের গঠন ও কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে। নিচে DNA অণুর ভৌত গঠন বর্ণনা করা হলো- ১. DNA অণু দ্বিসূত্রক, লোহার সিঁড়ির মতো ডান থেকে বাম দিকে প্যাঁচানো, যাকে বলা হয় ডাবল হেলিক্স। ২. সূত্র দুটি সমদূরত্বে পরস্পর বিপরীতমুখী (একটি ৫' → ৩' মুখী, অপরটি ৩' → ৫' মুখী) হয়ে অবস্থান করে। ৩. সিঁড়ির দু'দিকের হাতল তৈরি হয় ডিঅক্সিরাইবোজ স্যুগার (s) ও ফসফেটের (P) পর্যায়ক্রমিক সংযুক্তির মাধ্যমে। ৪. সূত্র দুটির মাঝখানের প্রতিটি ধাপ তৈরি হয় একজোড়া নাইট্রোজেন বেস (A = T বা G=C) দিয়ে। ৫. ফসফেট যুক্ত থাকে ডিঅক্সিরাইবোজ স্যুগারের ৩য় ও ৫ম (3' ও 5' কার্বনের) কার্বনের সাথে এবং ক্ষারকগুলো যুক্ত থাকে ডিঅক্সিরাইবোজ স্যুগারের ১ম কার্বনের (1' কার্বনের) সাথে। কাজেই সূত্রকের বাইরের দিকে ফসফেট এবং ভিতরের দিকে 'নাইট্রোজেন ক্ষারক থাকে। ৬. DNA অণুতে চার ধরনের নাইট্রোজেন ক্ষারক (এডিনিন (A), গুয়ানিন (G), থাইমিন (A) এবং সাইটোসিন (C)) থাকে। একটি সূত্রের এডিনিন (A) অপর সূত্রের থাইমিনের সাথে দুটি হাইড্রোজেন বন্ধনী দ্বারা (A = T/T = A) এবং একটি সূত্রের গুয়ানিন (G) অপর সূত্রের সাইটোসিনের (C) সাথে তিনটি হাইড্রোজেন বন্ধনী দ্বারা (C= G/G = C) যুক্ত থাকে। ৭. ডাবল হেলিক্সের প্রতিটি সম্পূর্ণ প্যাঁচ বা ঘূর্ণনের দূরত্ব 34°A (= 3.4 nm)। প্রতিটি সম্পূর্ণ প্যাঁচে ১০ জোড়া মনোনিউক্লিওটাইড থাকে। প্রতিটি প্যাঁচে ২৫টি হাইড্রোজেন বন্ড থাকে। ৮. সিঁড়ির এক ধাপ থেকে অপর ধাপ অর্থাৎ বেস জোড়গুলো পরস্পর থেকে 3.4Å দূরত্বে অবস্থিত। ৯. হেলিক্সের ব্যাস 20Å (= 2 nm)। তবে প্রজাতিভেদে অণুর দৈর্ঘ্য বিভিন্ন হয়। ১০. DNA-এর আনবিক ওজন 10610910^6-10^9 ডাল্টন এর মধ্যে।
উদ্দীপকের যৌগ 'BB^{\prime} যে ধরনের জৈব অণুর প্রতিনিধিত্ব করে, 'XX^{\prime} প্রক্রিয়া সংঘটনে তাদের ভূমিকা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের যৌগ 'BB^{\prime} যে ধরনের জৈব অণুর প্রতিনিধিত্ব করে তা হলো RNA এবং 'XX^{\prime} প্রক্রিয়াটি হলো ট্রান্সলেশন। ট্রান্সলেশন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে mRNA-এর নিউক্লিওটাইড সিকোয়েন্স অনুযায়ী অ্যামাইনো অ্যাসিড একটির পর একটি যুক্ত হয়ে একটি পলিপেপটাইড শৃঙ্খল তৈরি করে। এই প্রক্রিয়াটি ঘটে রাইবোসোমে, যেখানে mRNA, tRNA ও রাইবোসোম যৌথভাবে কাজ করে। ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়ায় mRNA ও. tRNA এর ভূমিকা বিশ্লেষণ করা হলো- ১. ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়াটি রাইবোসোমে সংঘটিত হয়। রাইবোসোমের ছোট উপ-এককের সাথে mRNA সর্বপ্রথম যুক্ত হয়। রাইবোসোমে tRNA-র জন্য ২টি স্থান থাকে যথা- A সাইট এবং P সাইট। A সাইটে প্রথম সূচনা কোডসহ mRNA এবং tRNA যুক্ত হয়। ২. রাইবোসোমের মধ্যে mRNA-র 5' প্রান্ত প্রথম অনুপ্রবেশ করে সেখানে প্রারম্ভিক কোডন AUG এর সাথে tRNA এর UAC অ্যান্টিকোডনের সংযুক্তি ঘটে। ৩. mRNA ক্রমান্বয়ে 5' → 3' রাইবোসোমের A সাইট হতে P সাইটে অতিক্রম করতে থাকে। 8. A সাইট ও P সাইট পাশাপাশি দুটি অ্যামিনো অ্যাসিড পলিপেপটাইড বন্ধনী দিয়ে সংযুক্ত হয়। অ্যামাইনো অ্যাসিডসহ tRNA, A সাইট হতে P সাইটে বন্ধনী গঠন করে পুনরায় tRNA মুক্ত হয়ে যায়। ৫. mRNA-র শেষে টারমিনেশন বা সমাপ্তি কোডন- UAA, UAG, UGA রাইবোসোমের A সাইটে পৌঁছালে নতুন tRNA হাজির না হয়ে একটি প্রোটিন রিলিজ ফ্যাক্টর যুক্ত হয়। যার ফলে পলিপেপটাইড চেইন P সাইট থেকে মুক্ত হয়। ৬. পলিপেপটাইড অণু ও mRNA রাইবোসোম ত্যাগ করে এবং রাইবোসোমের দুটি উপ-একক পৃথক হয়ে পড়ে। এভাবে কয়েকটি ধারাবাহিক ধাপের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের অ্যামিনো অ্যাসিড, এনজাইমের সহায়তায় পলিপেপটাইড চেইন তথা প্রোটিন তৈরির ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়ায় tRNA ও mRNA গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের চিত্র দুটি লক্ষ কর- question image

Comilla · 2025

জিন কাকে বলে?

উত্তর

জিন হলো ক্রোমোসোমের লোকাসে অবস্থিত DNA অণুর সুনির্দিষ্ট সিকুয়েন্স যা জীবের একটি নির্দিষ্ট কার্যকর সংকেত আবদ্ধ করে এবং প্রোটিন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে বৈশিষ্ট্যের বিকাশ ঘটায়।
লাইসোসোমকে 'আত্মঘাতী থলিকা' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

লাইসোসোমের ভেতর বিভিন্ন ধরনের এনজাইম থাকে। অনেক সময় তীব্র খাদ্যাভাবে এর প্রাচীর ফেটে যায় এবং আবদ্ধকৃত এনজাইম ভেতর থেকে বের হয়ে কোষের অন্যান্য অঙ্গাণুগুলোকে ধ্বংস করে ফেলে। এ কাজকে অটোফ্যাগী বা স্বগ্রাস বলে। এভাবে সমস্ত কোষটিও পরিপাক হয়ে যেতে পারে। এরা জীবদেহের অকেজো কোষসমূহকে অটোলাইসিস প্রক্রিয়ায় ধ্বংস করে বলে এদের আত্মঘাতী থলিকা বা সুইসাইডাল স্কোয়াড বলা হয়।
উদ্দীপকে উল্লেখিত 'AA^{\prime} যৌগটির ভৌত গঠন বর্ণনা কর।

উত্তর

এ উদ্দীপকের 'AA^{\prime} নির্দেশিত জৈব অণুটি হলো DNA। DNA হলো জীবের বংশগতির তথ্য বহনকারী অণু, যা জীবের গঠন ও কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে। নিচে DNA অণুর ভৌত গঠন বর্ণনা করা হলো- ১. DNA অণু দ্বিসূত্রক, লোহার সিঁড়ির মতো ডান থেকে বাম দিকে প্যাঁচানো, যাকে বলা হয় ডাবল হেলিক্স। ২. সূত্র দুটি সমদূরত্বে পরস্পর বিপরীতমুখী (একটি ৫' → ৩' মুখী, অপরটি ৩' → ৫' মুখী) হয়ে অবস্থান করে। ৩. সিঁড়ির দু'দিকের হাতল তৈরি হয় ডিঅক্সিরাইবোজ স্যুগার (s) ও ফসফেটের (P) পর্যায়ক্রমিক সংযুক্তির মাধ্যমে। ৪. সূত্র দুটির মাঝখানের প্রতিটি ধাপ তৈরি হয় একজোড়া নাইট্রোজেন বেস (A = T বা G=C) দিয়ে। ৫. ফসফেট যুক্ত থাকে ডিঅক্সিরাইবোজ স্যুগারের ৩য় ও ৫ম (3' ও 5' কার্বনের) কার্বনের সাথে এবং ক্ষারকগুলো যুক্ত থাকে ডিঅক্সিরাইবোজ স্যুগারের ১ম কার্বনের (1' কার্বনের) সাথে। কাজেই সূত্রকের বাইরের দিকে ফসফেট এবং ভিতরের দিকে 'নাইট্রোজেন ক্ষারক থাকে। ৬. DNA অণুতে চার ধরনের নাইট্রোজেন ক্ষারক (এডিনিন (A), গুয়ানিন (G), থাইমিন (A) এবং সাইটোসিন (C)) থাকে। একটি সূত্রের এডিনিন (A) অপর সূত্রের থাইমিনের সাথে দুটি হাইড্রোজেন বন্ধনী দ্বারা (A = T/T = A) এবং একটি সূত্রের গুয়ানিন (G) অপর সূত্রের সাইটোসিনের (C) সাথে তিনটি হাইড্রোজেন বন্ধনী দ্বারা (C= G/G = C) যুক্ত থাকে। ৭. ডাবল হেলিক্সের প্রতিটি সম্পূর্ণ প্যাঁচ বা ঘূর্ণনের দূরত্ব 34°A (= 3.4 nm)। প্রতিটি সম্পূর্ণ প্যাঁচে ১০ জোড়া মনোনিউক্লিওটাইড থাকে। প্রতিটি প্যাঁচে ২৫টি হাইড্রোজেন বন্ড থাকে। ৮. সিঁড়ির এক ধাপ থেকে অপর ধাপ অর্থাৎ বেস জোড়গুলো পরস্পর থেকে 3.4Å দূরত্বে অবস্থিত। ৯. হেলিক্সের ব্যাস 20Å (= 2 nm)। তবে প্রজাতিভেদে অণুর দৈর্ঘ্য বিভিন্ন হয়। ১০. DNA-এর আনবিক ওজন 10610910^6-10^9 ডাল্টন এর মধ্যে।
উদ্দীপকের যৌগ 'BB^{\prime} যে ধরনের জৈব অণুর প্রতিনিধিত্ব করে, 'XX^{\prime} প্রক্রিয়া সংঘটনে তাদের ভূমিকা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের যৌগ 'BB^{\prime} যে ধরনের জৈব অণুর প্রতিনিধিত্ব করে তা হলো RNA এবং 'XX^{\prime} প্রক্রিয়াটি হলো ট্রান্সলেশন। ট্রান্সলেশন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে mRNA-এর নিউক্লিওটাইড সিকোয়েন্স অনুযায়ী অ্যামাইনো অ্যাসিড একটির পর একটি যুক্ত হয়ে একটি পলিপেপটাইড শৃঙ্খল তৈরি করে। এই প্রক্রিয়াটি ঘটে রাইবোসোমে, যেখানে mRNA, tRNA ও রাইবোসোম যৌথভাবে কাজ করে। ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়ায় mRNA ও. tRNA এর ভূমিকা বিশ্লেষণ করা হলো- ১. ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়াটি রাইবোসোমে সংঘটিত হয়। রাইবোসোমের ছোট উপ-এককের সাথে mRNA সর্বপ্রথম যুক্ত হয়। রাইবোসোমে tRNA-র জন্য ২টি স্থান থাকে যথা- A সাইট এবং P সাইট। A সাইটে প্রথম সূচনা কোডসহ mRNA এবং tRNA যুক্ত হয়। ২. রাইবোসোমের মধ্যে mRNA-র 5' প্রান্ত প্রথম অনুপ্রবেশ করে সেখানে প্রারম্ভিক কোডন AUG এর সাথে tRNA এর UAC অ্যান্টিকোডনের সংযুক্তি ঘটে। ৩. mRNA ক্রমান্বয়ে 5' → 3' রাইবোসোমের A সাইট হতে P সাইটে অতিক্রম করতে থাকে। 8. A সাইট ও P সাইট পাশাপাশি দুটি অ্যামিনো অ্যাসিড পলিপেপটাইড বন্ধনী দিয়ে সংযুক্ত হয়। অ্যামাইনো অ্যাসিডসহ tRNA, A সাইট হতে P সাইটে বন্ধনী গঠন করে পুনরায় tRNA মুক্ত হয়ে যায়। ৫. mRNA-র শেষে টারমিনেশন বা সমাপ্তি কোডন- UAA, UAG, UGA রাইবোসোমের A সাইটে পৌঁছালে নতুন tRNA হাজির না হয়ে একটি প্রোটিন রিলিজ ফ্যাক্টর যুক্ত হয়। যার ফলে পলিপেপটাইড চেইন P সাইট থেকে মুক্ত হয়। ৬. পলিপেপটাইড অণু ও mRNA রাইবোসোম ত্যাগ করে এবং রাইবোসোমের দুটি উপ-একক পৃথক হয়ে পড়ে। এভাবে কয়েকটি ধারাবাহিক ধাপের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের অ্যামিনো অ্যাসিড, এনজাইমের সহায়তায় পলিপেপটাইড চেইন তথা প্রোটিন তৈরির ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়ায় tRNA ও mRNA গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের চিত্র দুটি লক্ষ কর- question image

Comilla · 2025

জিন কাকে বলে?

উত্তর

জিন হলো ক্রোমোসোমের লোকাসে অবস্থিত DNA অণুর সুনির্দিষ্ট সিকুয়েন্স যা জীবের একটি নির্দিষ্ট কার্যকর সংকেত আবদ্ধ করে এবং প্রোটিন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে বৈশিষ্ট্যের বিকাশ ঘটায়।
লাইসোসোমকে 'আত্মঘাতী থলিকা' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

লাইসোসোমের ভেতর বিভিন্ন ধরনের এনজাইম থাকে। অনেক সময় তীব্র খাদ্যাভাবে এর প্রাচীর ফেটে যায় এবং আবদ্ধকৃত এনজাইম ভেতর থেকে বের হয়ে কোষের অন্যান্য অঙ্গাণুগুলোকে ধ্বংস করে ফেলে। এ কাজকে অটোফ্যাগী বা স্বগ্রাস বলে। এভাবে সমস্ত কোষটিও পরিপাক হয়ে যেতে পারে। এরা জীবদেহের অকেজো কোষসমূহকে অটোলাইসিস প্রক্রিয়ায় ধ্বংস করে বলে এদের আত্মঘাতী থলিকা বা সুইসাইডাল স্কোয়াড বলা হয়।
উদ্দীপকে উল্লেখিত 'AA^{\prime} যৌগটির ভৌত গঠন বর্ণনা কর।

উত্তর

এ উদ্দীপকের 'AA^{\prime} নির্দেশিত জৈব অণুটি হলো DNA। DNA হলো জীবের বংশগতির তথ্য বহনকারী অণু, যা জীবের গঠন ও কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে। নিচে DNA অণুর ভৌত গঠন বর্ণনা করা হলো- ১. DNA অণু দ্বিসূত্রক, লোহার সিঁড়ির মতো ডান থেকে বাম দিকে প্যাঁচানো, যাকে বলা হয় ডাবল হেলিক্স। ২. সূত্র দুটি সমদূরত্বে পরস্পর বিপরীতমুখী (একটি ৫' → ৩' মুখী, অপরটি ৩' → ৫' মুখী) হয়ে অবস্থান করে। ৩. সিঁড়ির দু'দিকের হাতল তৈরি হয় ডিঅক্সিরাইবোজ স্যুগার (s) ও ফসফেটের (P) পর্যায়ক্রমিক সংযুক্তির মাধ্যমে। ৪. সূত্র দুটির মাঝখানের প্রতিটি ধাপ তৈরি হয় একজোড়া নাইট্রোজেন বেস (A = T বা G=C) দিয়ে। ৫. ফসফেট যুক্ত থাকে ডিঅক্সিরাইবোজ স্যুগারের ৩য় ও ৫ম (3' ও 5' কার্বনের) কার্বনের সাথে এবং ক্ষারকগুলো যুক্ত থাকে ডিঅক্সিরাইবোজ স্যুগারের ১ম কার্বনের (1' কার্বনের) সাথে। কাজেই সূত্রকের বাইরের দিকে ফসফেট এবং ভিতরের দিকে 'নাইট্রোজেন ক্ষারক থাকে। ৬. DNA অণুতে চার ধরনের নাইট্রোজেন ক্ষারক (এডিনিন (A), গুয়ানিন (G), থাইমিন (A) এবং সাইটোসিন (C)) থাকে। একটি সূত্রের এডিনিন (A) অপর সূত্রের থাইমিনের সাথে দুটি হাইড্রোজেন বন্ধনী দ্বারা (A = T/T = A) এবং একটি সূত্রের গুয়ানিন (G) অপর সূত্রের সাইটোসিনের (C) সাথে তিনটি হাইড্রোজেন বন্ধনী দ্বারা (C= G/G = C) যুক্ত থাকে। ৭. ডাবল হেলিক্সের প্রতিটি সম্পূর্ণ প্যাঁচ বা ঘূর্ণনের দূরত্ব 34°A (= 3.4 nm)। প্রতিটি সম্পূর্ণ প্যাঁচে ১০ জোড়া মনোনিউক্লিওটাইড থাকে। প্রতিটি প্যাঁচে ২৫টি হাইড্রোজেন বন্ড থাকে। ৮. সিঁড়ির এক ধাপ থেকে অপর ধাপ অর্থাৎ বেস জোড়গুলো পরস্পর থেকে 3.4Å দূরত্বে অবস্থিত। ৯. হেলিক্সের ব্যাস 20Å (= 2 nm)। তবে প্রজাতিভেদে অণুর দৈর্ঘ্য বিভিন্ন হয়। ১০. DNA-এর আনবিক ওজন 10610910^6-10^9 ডাল্টন এর মধ্যে।
উদ্দীপকের যৌগ 'BB^{\prime} যে ধরনের জৈব অণুর প্রতিনিধিত্ব করে, 'XX^{\prime} প্রক্রিয়া সংঘটনে তাদের ভূমিকা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের যৌগ 'BB^{\prime} যে ধরনের জৈব অণুর প্রতিনিধিত্ব করে তা হলো RNA এবং 'XX^{\prime} প্রক্রিয়াটি হলো ট্রান্সলেশন। ট্রান্সলেশন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে mRNA-এর নিউক্লিওটাইড সিকোয়েন্স অনুযায়ী অ্যামাইনো অ্যাসিড একটির পর একটি যুক্ত হয়ে একটি পলিপেপটাইড শৃঙ্খল তৈরি করে। এই প্রক্রিয়াটি ঘটে রাইবোসোমে, যেখানে mRNA, tRNA ও রাইবোসোম যৌথভাবে কাজ করে। ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়ায় mRNA ও. tRNA এর ভূমিকা বিশ্লেষণ করা হলো- ১. ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়াটি রাইবোসোমে সংঘটিত হয়। রাইবোসোমের ছোট উপ-এককের সাথে mRNA সর্বপ্রথম যুক্ত হয়। রাইবোসোমে tRNA-র জন্য ২টি স্থান থাকে যথা- A সাইট এবং P সাইট। A সাইটে প্রথম সূচনা কোডসহ mRNA এবং tRNA যুক্ত হয়। ২. রাইবোসোমের মধ্যে mRNA-র 5' প্রান্ত প্রথম অনুপ্রবেশ করে সেখানে প্রারম্ভিক কোডন AUG এর সাথে tRNA এর UAC অ্যান্টিকোডনের সংযুক্তি ঘটে। ৩. mRNA ক্রমান্বয়ে 5' → 3' রাইবোসোমের A সাইট হতে P সাইটে অতিক্রম করতে থাকে। 8. A সাইট ও P সাইট পাশাপাশি দুটি অ্যামিনো অ্যাসিড পলিপেপটাইড বন্ধনী দিয়ে সংযুক্ত হয়। অ্যামাইনো অ্যাসিডসহ tRNA, A সাইট হতে P সাইটে বন্ধনী গঠন করে পুনরায় tRNA মুক্ত হয়ে যায়। ৫. mRNA-র শেষে টারমিনেশন বা সমাপ্তি কোডন- UAA, UAG, UGA রাইবোসোমের A সাইটে পৌঁছালে নতুন tRNA হাজির না হয়ে একটি প্রোটিন রিলিজ ফ্যাক্টর যুক্ত হয়। যার ফলে পলিপেপটাইড চেইন P সাইট থেকে মুক্ত হয়। ৬. পলিপেপটাইড অণু ও mRNA রাইবোসোম ত্যাগ করে এবং রাইবোসোমের দুটি উপ-একক পৃথক হয়ে পড়ে। এভাবে কয়েকটি ধারাবাহিক ধাপের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের অ্যামিনো অ্যাসিড, এনজাইমের সহায়তায় পলিপেপটাইড চেইন তথা প্রোটিন তৈরির ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়ায় tRNA ও mRNA গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের চিত্র দুটি লক্ষ কর- question image

Comilla · 2025

জিন কাকে বলে?

উত্তর

জিন হলো ক্রোমোসোমের লোকাসে অবস্থিত DNA অণুর সুনির্দিষ্ট সিকুয়েন্স যা জীবের একটি নির্দিষ্ট কার্যকর সংকেত আবদ্ধ করে এবং প্রোটিন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে বৈশিষ্ট্যের বিকাশ ঘটায়।
লাইসোসোমকে 'আত্মঘাতী থলিকা' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

লাইসোসোমের ভেতর বিভিন্ন ধরনের এনজাইম থাকে। অনেক সময় তীব্র খাদ্যাভাবে এর প্রাচীর ফেটে যায় এবং আবদ্ধকৃত এনজাইম ভেতর থেকে বের হয়ে কোষের অন্যান্য অঙ্গাণুগুলোকে ধ্বংস করে ফেলে। এ কাজকে অটোফ্যাগী বা স্বগ্রাস বলে। এভাবে সমস্ত কোষটিও পরিপাক হয়ে যেতে পারে। এরা জীবদেহের অকেজো কোষসমূহকে অটোলাইসিস প্রক্রিয়ায় ধ্বংস করে বলে এদের আত্মঘাতী থলিকা বা সুইসাইডাল স্কোয়াড বলা হয়।
উদ্দীপকে উল্লেখিত 'AA^{\prime} যৌগটির ভৌত গঠন বর্ণনা কর।

উত্তর

এ উদ্দীপকের 'AA^{\prime} নির্দেশিত জৈব অণুটি হলো DNA। DNA হলো জীবের বংশগতির তথ্য বহনকারী অণু, যা জীবের গঠন ও কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে। নিচে DNA অণুর ভৌত গঠন বর্ণনা করা হলো- ১. DNA অণু দ্বিসূত্রক, লোহার সিঁড়ির মতো ডান থেকে বাম দিকে প্যাঁচানো, যাকে বলা হয় ডাবল হেলিক্স। ২. সূত্র দুটি সমদূরত্বে পরস্পর বিপরীতমুখী (একটি ৫' → ৩' মুখী, অপরটি ৩' → ৫' মুখী) হয়ে অবস্থান করে। ৩. সিঁড়ির দু'দিকের হাতল তৈরি হয় ডিঅক্সিরাইবোজ স্যুগার (s) ও ফসফেটের (P) পর্যায়ক্রমিক সংযুক্তির মাধ্যমে। ৪. সূত্র দুটির মাঝখানের প্রতিটি ধাপ তৈরি হয় একজোড়া নাইট্রোজেন বেস (A = T বা G=C) দিয়ে। ৫. ফসফেট যুক্ত থাকে ডিঅক্সিরাইবোজ স্যুগারের ৩য় ও ৫ম (3' ও 5' কার্বনের) কার্বনের সাথে এবং ক্ষারকগুলো যুক্ত থাকে ডিঅক্সিরাইবোজ স্যুগারের ১ম কার্বনের (1' কার্বনের) সাথে। কাজেই সূত্রকের বাইরের দিকে ফসফেট এবং ভিতরের দিকে 'নাইট্রোজেন ক্ষারক থাকে। ৬. DNA অণুতে চার ধরনের নাইট্রোজেন ক্ষারক (এডিনিন (A), গুয়ানিন (G), থাইমিন (A) এবং সাইটোসিন (C)) থাকে। একটি সূত্রের এডিনিন (A) অপর সূত্রের থাইমিনের সাথে দুটি হাইড্রোজেন বন্ধনী দ্বারা (A = T/T = A) এবং একটি সূত্রের গুয়ানিন (G) অপর সূত্রের সাইটোসিনের (C) সাথে তিনটি হাইড্রোজেন বন্ধনী দ্বারা (C= G/G = C) যুক্ত থাকে। ৭. ডাবল হেলিক্সের প্রতিটি সম্পূর্ণ প্যাঁচ বা ঘূর্ণনের দূরত্ব 34°A (= 3.4 nm)। প্রতিটি সম্পূর্ণ প্যাঁচে ১০ জোড়া মনোনিউক্লিওটাইড থাকে। প্রতিটি প্যাঁচে ২৫টি হাইড্রোজেন বন্ড থাকে। ৮. সিঁড়ির এক ধাপ থেকে অপর ধাপ অর্থাৎ বেস জোড়গুলো পরস্পর থেকে 3.4Å দূরত্বে অবস্থিত। ৯. হেলিক্সের ব্যাস 20Å (= 2 nm)। তবে প্রজাতিভেদে অণুর দৈর্ঘ্য বিভিন্ন হয়। ১০. DNA-এর আনবিক ওজন 10610910^6-10^9 ডাল্টন এর মধ্যে।
উদ্দীপকের যৌগ 'BB^{\prime} যে ধরনের জৈব অণুর প্রতিনিধিত্ব করে, 'XX^{\prime} প্রক্রিয়া সংঘটনে তাদের ভূমিকা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের যৌগ 'BB^{\prime} যে ধরনের জৈব অণুর প্রতিনিধিত্ব করে তা হলো RNA এবং 'XX^{\prime} প্রক্রিয়াটি হলো ট্রান্সলেশন। ট্রান্সলেশন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে mRNA-এর নিউক্লিওটাইড সিকোয়েন্স অনুযায়ী অ্যামাইনো অ্যাসিড একটির পর একটি যুক্ত হয়ে একটি পলিপেপটাইড শৃঙ্খল তৈরি করে। এই প্রক্রিয়াটি ঘটে রাইবোসোমে, যেখানে mRNA, tRNA ও রাইবোসোম যৌথভাবে কাজ করে। ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়ায় mRNA ও. tRNA এর ভূমিকা বিশ্লেষণ করা হলো- ১. ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়াটি রাইবোসোমে সংঘটিত হয়। রাইবোসোমের ছোট উপ-এককের সাথে mRNA সর্বপ্রথম যুক্ত হয়। রাইবোসোমে tRNA-র জন্য ২টি স্থান থাকে যথা- A সাইট এবং P সাইট। A সাইটে প্রথম সূচনা কোডসহ mRNA এবং tRNA যুক্ত হয়। ২. রাইবোসোমের মধ্যে mRNA-র 5' প্রান্ত প্রথম অনুপ্রবেশ করে সেখানে প্রারম্ভিক কোডন AUG এর সাথে tRNA এর UAC অ্যান্টিকোডনের সংযুক্তি ঘটে। ৩. mRNA ক্রমান্বয়ে 5' → 3' রাইবোসোমের A সাইট হতে P সাইটে অতিক্রম করতে থাকে। 8. A সাইট ও P সাইট পাশাপাশি দুটি অ্যামিনো অ্যাসিড পলিপেপটাইড বন্ধনী দিয়ে সংযুক্ত হয়। অ্যামাইনো অ্যাসিডসহ tRNA, A সাইট হতে P সাইটে বন্ধনী গঠন করে পুনরায় tRNA মুক্ত হয়ে যায়। ৫. mRNA-র শেষে টারমিনেশন বা সমাপ্তি কোডন- UAA, UAG, UGA রাইবোসোমের A সাইটে পৌঁছালে নতুন tRNA হাজির না হয়ে একটি প্রোটিন রিলিজ ফ্যাক্টর যুক্ত হয়। যার ফলে পলিপেপটাইড চেইন P সাইট থেকে মুক্ত হয়। ৬. পলিপেপটাইড অণু ও mRNA রাইবোসোম ত্যাগ করে এবং রাইবোসোমের দুটি উপ-একক পৃথক হয়ে পড়ে। এভাবে কয়েকটি ধারাবাহিক ধাপের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের অ্যামিনো অ্যাসিড, এনজাইমের সহায়তায় পলিপেপটাইড চেইন তথা প্রোটিন তৈরির ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়ায় tRNA ও mRNA গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মানুষের জনন মাতৃকোষের এক প্রকার বিভাজনের রেখচিত্র নিম্নরূপ: question image

Comilla · 2025

মেটাকাইনেসিস কাকে বলে?

উত্তর

মাইটোসিস কোষ বিভাজনের মেটাফেজ পর্যায়ে স্পিন্ডল যন্ত্রের বিষুবীয় অঞ্চলে ক্রোমোসোমের বিন্যস্ত হওয়াকে মেটাকাইনেসিস বলে।
কোষ বিভাজনে সাইটোকাইনেসিস প্রয়োজনীয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

নিউক্লিয়ার বিভাজনের পর সাইটোপ্লাজমের বিভাজন ও পৃথকীকরণকে সাইটোকাইনেসিস বলে। কোষ বিভাজনের সময় সাইটোকাইনেসিস অপরিহার্য। কারণ এটি সাইটোপ্লাজম এবং অঙ্গাণুগুলোকে দুটি নতুন অপত্য কোষে সঠিকভাবে বিভাজন করে। ক্যারিওকাইনেসিসের পর যদি সাইটোকাইনেসিস না ঘটে, তবে একটি কোষের মধ্যে একাধিক নিউক্লিয়াস তৈরি হবে, যা জীবের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য ক্ষতিকর। তাই সাইটোকাইনেসিস কোষ বিভাজনের একটি অপরিহার্য ধাপ।
উদ্দীপকে উল্লেখিত ১ম পর্বটিতে জেনেটিক বৈচিত্র্য সৃষ্টিকারী উপ-পর্যায়ের বর্ণনা দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদর্শিত রেখাচিত্রটিতে ১ম পর্বটি হলো মিয়োসিস-১।মিয়োসিস-১ বিভাজনের প্রোফেজ-১ পর্যায়ের প্যাকাইটিন নামক উপ-পর্যায়ে ক্রসিং ওভার ঘটে এবং এর ফলে জীবে জেনেটিক বৈচিত্র্য সৃষ্টি হয়। নিচে এ উপ-পর্যায়ের বর্ণনা দেওয়া হলো- ১. প্যাকাইটিন অপেক্ষাকৃত দীর্ঘস্থায়ী উপপর্যায়। ক্রমাগত সংকোচনের ফলে এ উপ-পর্যায়ে ক্রোমোসোমগুলো আরও মোটা ও খাটো হয়। ২. এ উপ-পর্যায়ে সর্বপ্রথম বাইভেলেন্টের প্রতিটি ক্রোমোসোমকে সেন্ট্রোমিয়ার ব্যতীত লম্বালম্বিভাবে রিভক্ত হয়ে দুটি করে ক্রোমাটিডে বিভক্ত হতে দেখা যায়, অর্থাৎ প্রতিটি বাইভেলেন্টে দুটি সেন্ট্রোমিয়ার এবং চারটি ক্রোমাটিড দেখা যায়। এ অবস্থাকে টেট্রাড বলে। ৩. একই ক্রোমোসোমের দুটি ক্রোমাটিডকে সিস্টার ক্রোমাটিড বলে। একই জোড়ার দুটি ভিন্ন ক্রোমোসোমের ক্রোমাটিড দুটিকে নন-সিস্টার ক্রোমাটিড বলে। ৪. এ উপ-পর্যায়ের শেষের দিকে বাইভেলেন্টের যেকোনো দুটি নন-সিস্টার ক্রোমাটিড সম্ভবত একই স্থানে ভেঙ্গে গিয়ে পুনরায় একটির সাথে অন্যটির জোড়া লাগে। ফলে ঐ জোড়ার স্থানে একটি ইংরেজি "X" আকৃতির অবস্থা সৃষ্টি হয়। ৫. দুটি নন-সিস্টার ক্রোমাটিডের "X" আকৃতির সংযোগস্থলকে এক বচনে কায়াজমা এবং বহুবচনে কায়াজমাটা বলে। ৬. নন-সিস্টার ক্রোমাটিডের মধ্যে পরস্পর অংশের বিনিময়কে ক্রসিং ওভার বা ক্রস ওভার বলে। ৭. নিউক্লিও পর্দা ও নিউক্লিওলাস তখনও অবিকৃত অবস্থায় থাকে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত ২য় পর্বটি সমীকরণিক বিভাজনের অনুরূপ -– বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদর্শিত রেখাচিত্রটিতে ২য় পর্বটি হলো মিয়োসিস-২।মিয়োসিস-২ যা সমীকরণিক রিভাজন নামেও পরিচিত। এটি মিয়োসিস প্রক্রিয়ার দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত পর্যায়। এর বিভাজন প্রক্রিয়া অনেকটাই মাইটোসিস বিভাজনের মতো। মিয়োসিস-১ এর ফলে সৃষ্ট দুটি হ্যাপ্লয়েড কোষে (n) এই বিভাজন ঘটে।মিয়োসিস-২ কে চারটি উপ-পর্যায়ে ভাগ করা যায়। যথা- প্রোফেজ-২: এই পর্যায়ে নিউক্লিয়ার এনভেলপ ভেঙে যায় এবং স্পিন্ডল ফাইবার গঠিত হয়। মেটাফেজ-২: ক্রোমোসোমগুলো কোষের বিষুবীয় তলে বিন্যস্ত হয়। অ্যানাফেজ-২: সেন্ট্রোমিয়ার বিভক্ত হয় এবং সিস্টার ক্রোমাটিডগুলো স্পিন্ডল ফাইবারের টানে বিপরীত মেরুতে চলে যায়। এই পর্যায়ে প্রতিটি ক্রোমাটিডকে এখন পূর্ণাঙ্গ ক্রোমোসোম ধরা হয়। টেলোফেজ-২: প্রতিটি মেরুতে ক্রোমোসোমগুলো একত্রিত হয়, নিউক্লিয়ার এনভেলপ পুনরায় গঠিত হয় এবং সাইটোকাইনেসিস ঘটে। এই বিভাজনের মাধ্যমে চারটি হ্যাপ্লয়েড কোষ তৈরি হয়, যা জনন কোষ উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মাইটোসিসের মতোই ক্রোমোসোম সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকে, তাই একে সমীকরণিক বিভাজন বলা হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মানুষের জনন মাতৃকোষের এক প্রকার বিভাজনের রেখচিত্র নিম্নরূপ: question image

Comilla · 2025

মেটাকাইনেসিস কাকে বলে?

উত্তর

মাইটোসিস কোষ বিভাজনের মেটাফেজ পর্যায়ে স্পিন্ডল যন্ত্রের বিষুবীয় অঞ্চলে ক্রোমোসোমের বিন্যস্ত হওয়াকে মেটাকাইনেসিস বলে।
কোষ বিভাজনে সাইটোকাইনেসিস প্রয়োজনীয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

নিউক্লিয়ার বিভাজনের পর সাইটোপ্লাজমের বিভাজন ও পৃথকীকরণকে সাইটোকাইনেসিস বলে। কোষ বিভাজনের সময় সাইটোকাইনেসিস অপরিহার্য। কারণ এটি সাইটোপ্লাজম এবং অঙ্গাণুগুলোকে দুটি নতুন অপত্য কোষে সঠিকভাবে বিভাজন করে। ক্যারিওকাইনেসিসের পর যদি সাইটোকাইনেসিস না ঘটে, তবে একটি কোষের মধ্যে একাধিক নিউক্লিয়াস তৈরি হবে, যা জীবের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য ক্ষতিকর। তাই সাইটোকাইনেসিস কোষ বিভাজনের একটি অপরিহার্য ধাপ।
উদ্দীপকে উল্লেখিত ১ম পর্বটিতে জেনেটিক বৈচিত্র্য সৃষ্টিকারী উপ-পর্যায়ের বর্ণনা দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদর্শিত রেখাচিত্রটিতে ১ম পর্বটি হলো মিয়োসিস-১।মিয়োসিস-১ বিভাজনের প্রোফেজ-১ পর্যায়ের প্যাকাইটিন নামক উপ-পর্যায়ে ক্রসিং ওভার ঘটে এবং এর ফলে জীবে জেনেটিক বৈচিত্র্য সৃষ্টি হয়। নিচে এ উপ-পর্যায়ের বর্ণনা দেওয়া হলো- ১. প্যাকাইটিন অপেক্ষাকৃত দীর্ঘস্থায়ী উপপর্যায়। ক্রমাগত সংকোচনের ফলে এ উপ-পর্যায়ে ক্রোমোসোমগুলো আরও মোটা ও খাটো হয়। ২. এ উপ-পর্যায়ে সর্বপ্রথম বাইভেলেন্টের প্রতিটি ক্রোমোসোমকে সেন্ট্রোমিয়ার ব্যতীত লম্বালম্বিভাবে রিভক্ত হয়ে দুটি করে ক্রোমাটিডে বিভক্ত হতে দেখা যায়, অর্থাৎ প্রতিটি বাইভেলেন্টে দুটি সেন্ট্রোমিয়ার এবং চারটি ক্রোমাটিড দেখা যায়। এ অবস্থাকে টেট্রাড বলে। ৩. একই ক্রোমোসোমের দুটি ক্রোমাটিডকে সিস্টার ক্রোমাটিড বলে। একই জোড়ার দুটি ভিন্ন ক্রোমোসোমের ক্রোমাটিড দুটিকে নন-সিস্টার ক্রোমাটিড বলে। ৪. এ উপ-পর্যায়ের শেষের দিকে বাইভেলেন্টের যেকোনো দুটি নন-সিস্টার ক্রোমাটিড সম্ভবত একই স্থানে ভেঙ্গে গিয়ে পুনরায় একটির সাথে অন্যটির জোড়া লাগে। ফলে ঐ জোড়ার স্থানে একটি ইংরেজি "X" আকৃতির অবস্থা সৃষ্টি হয়। ৫. দুটি নন-সিস্টার ক্রোমাটিডের "X" আকৃতির সংযোগস্থলকে এক বচনে কায়াজমা এবং বহুবচনে কায়াজমাটা বলে। ৬. নন-সিস্টার ক্রোমাটিডের মধ্যে পরস্পর অংশের বিনিময়কে ক্রসিং ওভার বা ক্রস ওভার বলে। ৭. নিউক্লিও পর্দা ও নিউক্লিওলাস তখনও অবিকৃত অবস্থায় থাকে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত ২য় পর্বটি সমীকরণিক বিভাজনের অনুরূপ -– বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদর্শিত রেখাচিত্রটিতে ২য় পর্বটি হলো মিয়োসিস-২।মিয়োসিস-২ যা সমীকরণিক রিভাজন নামেও পরিচিত। এটি মিয়োসিস প্রক্রিয়ার দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত পর্যায়। এর বিভাজন প্রক্রিয়া অনেকটাই মাইটোসিস বিভাজনের মতো। মিয়োসিস-১ এর ফলে সৃষ্ট দুটি হ্যাপ্লয়েড কোষে (n) এই বিভাজন ঘটে।মিয়োসিস-২ কে চারটি উপ-পর্যায়ে ভাগ করা যায়। যথা- প্রোফেজ-২: এই পর্যায়ে নিউক্লিয়ার এনভেলপ ভেঙে যায় এবং স্পিন্ডল ফাইবার গঠিত হয়। মেটাফেজ-২: ক্রোমোসোমগুলো কোষের বিষুবীয় তলে বিন্যস্ত হয়। অ্যানাফেজ-২: সেন্ট্রোমিয়ার বিভক্ত হয় এবং সিস্টার ক্রোমাটিডগুলো স্পিন্ডল ফাইবারের টানে বিপরীত মেরুতে চলে যায়। এই পর্যায়ে প্রতিটি ক্রোমাটিডকে এখন পূর্ণাঙ্গ ক্রোমোসোম ধরা হয়। টেলোফেজ-২: প্রতিটি মেরুতে ক্রোমোসোমগুলো একত্রিত হয়, নিউক্লিয়ার এনভেলপ পুনরায় গঠিত হয় এবং সাইটোকাইনেসিস ঘটে। এই বিভাজনের মাধ্যমে চারটি হ্যাপ্লয়েড কোষ তৈরি হয়, যা জনন কোষ উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মাইটোসিসের মতোই ক্রোমোসোম সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকে, তাই একে সমীকরণিক বিভাজন বলা হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মানুষের জনন মাতৃকোষের এক প্রকার বিভাজনের রেখচিত্র নিম্নরূপ: question image

Comilla · 2025

মেটাকাইনেসিস কাকে বলে?

উত্তর

মাইটোসিস কোষ বিভাজনের মেটাফেজ পর্যায়ে স্পিন্ডল যন্ত্রের বিষুবীয় অঞ্চলে ক্রোমোসোমের বিন্যস্ত হওয়াকে মেটাকাইনেসিস বলে।
কোষ বিভাজনে সাইটোকাইনেসিস প্রয়োজনীয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

নিউক্লিয়ার বিভাজনের পর সাইটোপ্লাজমের বিভাজন ও পৃথকীকরণকে সাইটোকাইনেসিস বলে। কোষ বিভাজনের সময় সাইটোকাইনেসিস অপরিহার্য। কারণ এটি সাইটোপ্লাজম এবং অঙ্গাণুগুলোকে দুটি নতুন অপত্য কোষে সঠিকভাবে বিভাজন করে। ক্যারিওকাইনেসিসের পর যদি সাইটোকাইনেসিস না ঘটে, তবে একটি কোষের মধ্যে একাধিক নিউক্লিয়াস তৈরি হবে, যা জীবের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য ক্ষতিকর। তাই সাইটোকাইনেসিস কোষ বিভাজনের একটি অপরিহার্য ধাপ।
উদ্দীপকে উল্লেখিত ১ম পর্বটিতে জেনেটিক বৈচিত্র্য সৃষ্টিকারী উপ-পর্যায়ের বর্ণনা দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদর্শিত রেখাচিত্রটিতে ১ম পর্বটি হলো মিয়োসিস-১।মিয়োসিস-১ বিভাজনের প্রোফেজ-১ পর্যায়ের প্যাকাইটিন নামক উপ-পর্যায়ে ক্রসিং ওভার ঘটে এবং এর ফলে জীবে জেনেটিক বৈচিত্র্য সৃষ্টি হয়। নিচে এ উপ-পর্যায়ের বর্ণনা দেওয়া হলো- ১. প্যাকাইটিন অপেক্ষাকৃত দীর্ঘস্থায়ী উপপর্যায়। ক্রমাগত সংকোচনের ফলে এ উপ-পর্যায়ে ক্রোমোসোমগুলো আরও মোটা ও খাটো হয়। ২. এ উপ-পর্যায়ে সর্বপ্রথম বাইভেলেন্টের প্রতিটি ক্রোমোসোমকে সেন্ট্রোমিয়ার ব্যতীত লম্বালম্বিভাবে রিভক্ত হয়ে দুটি করে ক্রোমাটিডে বিভক্ত হতে দেখা যায়, অর্থাৎ প্রতিটি বাইভেলেন্টে দুটি সেন্ট্রোমিয়ার এবং চারটি ক্রোমাটিড দেখা যায়। এ অবস্থাকে টেট্রাড বলে। ৩. একই ক্রোমোসোমের দুটি ক্রোমাটিডকে সিস্টার ক্রোমাটিড বলে। একই জোড়ার দুটি ভিন্ন ক্রোমোসোমের ক্রোমাটিড দুটিকে নন-সিস্টার ক্রোমাটিড বলে। ৪. এ উপ-পর্যায়ের শেষের দিকে বাইভেলেন্টের যেকোনো দুটি নন-সিস্টার ক্রোমাটিড সম্ভবত একই স্থানে ভেঙ্গে গিয়ে পুনরায় একটির সাথে অন্যটির জোড়া লাগে। ফলে ঐ জোড়ার স্থানে একটি ইংরেজি "X" আকৃতির অবস্থা সৃষ্টি হয়। ৫. দুটি নন-সিস্টার ক্রোমাটিডের "X" আকৃতির সংযোগস্থলকে এক বচনে কায়াজমা এবং বহুবচনে কায়াজমাটা বলে। ৬. নন-সিস্টার ক্রোমাটিডের মধ্যে পরস্পর অংশের বিনিময়কে ক্রসিং ওভার বা ক্রস ওভার বলে। ৭. নিউক্লিও পর্দা ও নিউক্লিওলাস তখনও অবিকৃত অবস্থায় থাকে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত ২য় পর্বটি সমীকরণিক বিভাজনের অনুরূপ -– বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদর্শিত রেখাচিত্রটিতে ২য় পর্বটি হলো মিয়োসিস-২।মিয়োসিস-২ যা সমীকরণিক রিভাজন নামেও পরিচিত। এটি মিয়োসিস প্রক্রিয়ার দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত পর্যায়। এর বিভাজন প্রক্রিয়া অনেকটাই মাইটোসিস বিভাজনের মতো। মিয়োসিস-১ এর ফলে সৃষ্ট দুটি হ্যাপ্লয়েড কোষে (n) এই বিভাজন ঘটে।মিয়োসিস-২ কে চারটি উপ-পর্যায়ে ভাগ করা যায়। যথা- প্রোফেজ-২: এই পর্যায়ে নিউক্লিয়ার এনভেলপ ভেঙে যায় এবং স্পিন্ডল ফাইবার গঠিত হয়। মেটাফেজ-২: ক্রোমোসোমগুলো কোষের বিষুবীয় তলে বিন্যস্ত হয়। অ্যানাফেজ-২: সেন্ট্রোমিয়ার বিভক্ত হয় এবং সিস্টার ক্রোমাটিডগুলো স্পিন্ডল ফাইবারের টানে বিপরীত মেরুতে চলে যায়। এই পর্যায়ে প্রতিটি ক্রোমাটিডকে এখন পূর্ণাঙ্গ ক্রোমোসোম ধরা হয়। টেলোফেজ-২: প্রতিটি মেরুতে ক্রোমোসোমগুলো একত্রিত হয়, নিউক্লিয়ার এনভেলপ পুনরায় গঠিত হয় এবং সাইটোকাইনেসিস ঘটে। এই বিভাজনের মাধ্যমে চারটি হ্যাপ্লয়েড কোষ তৈরি হয়, যা জনন কোষ উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মাইটোসিসের মতোই ক্রোমোসোম সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকে, তাই একে সমীকরণিক বিভাজন বলা হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মানুষের জনন মাতৃকোষের এক প্রকার বিভাজনের রেখচিত্র নিম্নরূপ: question image

Comilla · 2025

মেটাকাইনেসিস কাকে বলে?

উত্তর

মাইটোসিস কোষ বিভাজনের মেটাফেজ পর্যায়ে স্পিন্ডল যন্ত্রের বিষুবীয় অঞ্চলে ক্রোমোসোমের বিন্যস্ত হওয়াকে মেটাকাইনেসিস বলে।
কোষ বিভাজনে সাইটোকাইনেসিস প্রয়োজনীয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

নিউক্লিয়ার বিভাজনের পর সাইটোপ্লাজমের বিভাজন ও পৃথকীকরণকে সাইটোকাইনেসিস বলে। কোষ বিভাজনের সময় সাইটোকাইনেসিস অপরিহার্য। কারণ এটি সাইটোপ্লাজম এবং অঙ্গাণুগুলোকে দুটি নতুন অপত্য কোষে সঠিকভাবে বিভাজন করে। ক্যারিওকাইনেসিসের পর যদি সাইটোকাইনেসিস না ঘটে, তবে একটি কোষের মধ্যে একাধিক নিউক্লিয়াস তৈরি হবে, যা জীবের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য ক্ষতিকর। তাই সাইটোকাইনেসিস কোষ বিভাজনের একটি অপরিহার্য ধাপ।
উদ্দীপকে উল্লেখিত ১ম পর্বটিতে জেনেটিক বৈচিত্র্য সৃষ্টিকারী উপ-পর্যায়ের বর্ণনা দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদর্শিত রেখাচিত্রটিতে ১ম পর্বটি হলো মিয়োসিস-১।মিয়োসিস-১ বিভাজনের প্রোফেজ-১ পর্যায়ের প্যাকাইটিন নামক উপ-পর্যায়ে ক্রসিং ওভার ঘটে এবং এর ফলে জীবে জেনেটিক বৈচিত্র্য সৃষ্টি হয়। নিচে এ উপ-পর্যায়ের বর্ণনা দেওয়া হলো- ১. প্যাকাইটিন অপেক্ষাকৃত দীর্ঘস্থায়ী উপপর্যায়। ক্রমাগত সংকোচনের ফলে এ উপ-পর্যায়ে ক্রোমোসোমগুলো আরও মোটা ও খাটো হয়। ২. এ উপ-পর্যায়ে সর্বপ্রথম বাইভেলেন্টের প্রতিটি ক্রোমোসোমকে সেন্ট্রোমিয়ার ব্যতীত লম্বালম্বিভাবে রিভক্ত হয়ে দুটি করে ক্রোমাটিডে বিভক্ত হতে দেখা যায়, অর্থাৎ প্রতিটি বাইভেলেন্টে দুটি সেন্ট্রোমিয়ার এবং চারটি ক্রোমাটিড দেখা যায়। এ অবস্থাকে টেট্রাড বলে। ৩. একই ক্রোমোসোমের দুটি ক্রোমাটিডকে সিস্টার ক্রোমাটিড বলে। একই জোড়ার দুটি ভিন্ন ক্রোমোসোমের ক্রোমাটিড দুটিকে নন-সিস্টার ক্রোমাটিড বলে। ৪. এ উপ-পর্যায়ের শেষের দিকে বাইভেলেন্টের যেকোনো দুটি নন-সিস্টার ক্রোমাটিড সম্ভবত একই স্থানে ভেঙ্গে গিয়ে পুনরায় একটির সাথে অন্যটির জোড়া লাগে। ফলে ঐ জোড়ার স্থানে একটি ইংরেজি "X" আকৃতির অবস্থা সৃষ্টি হয়। ৫. দুটি নন-সিস্টার ক্রোমাটিডের "X" আকৃতির সংযোগস্থলকে এক বচনে কায়াজমা এবং বহুবচনে কায়াজমাটা বলে। ৬. নন-সিস্টার ক্রোমাটিডের মধ্যে পরস্পর অংশের বিনিময়কে ক্রসিং ওভার বা ক্রস ওভার বলে। ৭. নিউক্লিও পর্দা ও নিউক্লিওলাস তখনও অবিকৃত অবস্থায় থাকে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত ২য় পর্বটি সমীকরণিক বিভাজনের অনুরূপ -– বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদর্শিত রেখাচিত্রটিতে ২য় পর্বটি হলো মিয়োসিস-২।মিয়োসিস-২ যা সমীকরণিক রিভাজন নামেও পরিচিত। এটি মিয়োসিস প্রক্রিয়ার দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত পর্যায়। এর বিভাজন প্রক্রিয়া অনেকটাই মাইটোসিস বিভাজনের মতো। মিয়োসিস-১ এর ফলে সৃষ্ট দুটি হ্যাপ্লয়েড কোষে (n) এই বিভাজন ঘটে।মিয়োসিস-২ কে চারটি উপ-পর্যায়ে ভাগ করা যায়। যথা- প্রোফেজ-২: এই পর্যায়ে নিউক্লিয়ার এনভেলপ ভেঙে যায় এবং স্পিন্ডল ফাইবার গঠিত হয়। মেটাফেজ-২: ক্রোমোসোমগুলো কোষের বিষুবীয় তলে বিন্যস্ত হয়। অ্যানাফেজ-২: সেন্ট্রোমিয়ার বিভক্ত হয় এবং সিস্টার ক্রোমাটিডগুলো স্পিন্ডল ফাইবারের টানে বিপরীত মেরুতে চলে যায়। এই পর্যায়ে প্রতিটি ক্রোমাটিডকে এখন পূর্ণাঙ্গ ক্রোমোসোম ধরা হয়। টেলোফেজ-২: প্রতিটি মেরুতে ক্রোমোসোমগুলো একত্রিত হয়, নিউক্লিয়ার এনভেলপ পুনরায় গঠিত হয় এবং সাইটোকাইনেসিস ঘটে। এই বিভাজনের মাধ্যমে চারটি হ্যাপ্লয়েড কোষ তৈরি হয়, যা জনন কোষ উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মাইটোসিসের মতোই ক্রোমোসোম সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকে, তাই একে সমীকরণিক বিভাজন বলা হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রাকিব দীর্ঘদিন যাবৎ জ্বরে আক্রান্ত, তার প্রতি ২-৩ দিন পরপর কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে। ইদানিং তার দেহে মারাত্মক রক্তশূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে।

Comilla · 2025

ভিরিয়ন কাকে বলে?

উত্তর

কি নিউক্লিক এসিড ও একে ঘিরে অবস্থিত ক্যাপসিড সমন্বয়ে গঠিত এক একটি সংক্রমণ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি সম্পূর্ণ ভাইরাস কণাকে ভিরিয়ন বলে।
বাধ্যতামূলক পরজীবী বলতে কী বুঝায়?

উত্তর

বাধ্যতামূলক পরজীবী বলতে এমন জীবকে বুঝায়, যারা তাদের জীবনচক্র সম্পন্ন করার জন্য অবশ্যই একটি উপযুক্ত পোষক জীবদেহের ওপর নির্ভরশীল। এরা পোষক ছাড়া স্বাধীনভাবে বাঁচতে বা বংশবৃদ্ধি করতে পারে না। ভাইরাস এর একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। ভাইরাসের নিজস্ব কোনো কোষীয় কাঠামো বা বিপাকীয় ব্যবস্থা নেই। তাই এরা পোষক কোষের বাইরে নিষ্ক্রিয় থাকে এবং কোষের ভিতরে প্রবেশ করেই পোষক কোষের উপকরণ ব্যবহার করে নিজেদের বংশবৃদ্ধি করে।
রাকিবের শেষোক্ত সমস্যা সৃষ্টির জন্য জীবাণুটির জীবনচক্রের যে ধাপটি দায়ী, তা চিত্রের সাহায্যে দেখাও।

উত্তর

উদ্দীপকে রাকিবের মারাত্মক রক্তশূন্যতা সৃষ্টির জন্য ম্যালেরিয়া পরজীবীর জীবনচক্রের এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি ধাপটি দায়ী। এই ধাপে পরজীবীগুলো মানুষের লোহিত রক্ত কণিকাকে আক্রমণ করে এবং ধ্বংস করে। এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি ধাপের চিত্র নিচে দেখানো হলো- question image
উদ্দীপকে যে রোগটির উল্লেখ আছে, তার সংক্রমণ প্রতিহত করার জন্য কী কী পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন?

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত রোগটি হলো ম্যালেরিয়া। এটি স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশকীবাহিত একটি জ্বরজনিত রোগ। যেহেতু ম্যালেরিয়ার সংক্রমণ মশার মাধ্যমে ঘটে, তাই মশকী প্রতিরোধের মাধ্যমে এ রোগের সংক্রমণ প্রতিহত করা সম্ভব। ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণের জন্য গৃহীত পদক্ষেপগুলো প্রধানত তিনটি ভাগে বিভক্ত- ১.. মশককুল নিয়ন্ত্রণ, ২. মশকীর দংশন থেকে আত্মরক্ষা ও ৩. ম্যালেরিয়া রোগের চিকিৎসা। মশককুল নিয়ন্ত্রণ: ম্যালেরিয়া প্রতিরোধের প্রধান উপায় হলো রোগবাহক স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশকী নিধন এবং তাদের প্রজননক্ষেত্র ধ্বংস। মশকী বদ্ধ পানিতে ডিম পাড়ে, তাই জমে থাকা পানি অপসারণ, ডোবা-নালা ভরাট এবং ঝোঁপ-ঝাড় পরিষ্কার করা অপরিহার্য। জলাশয়ে কেরোসিন বা কীটনাশক প্রয়োগ করে লার্ভা মারা যায়। জৈবিকভাবে, কৈ, তেলাপিয়া, গাপ্পি ইত্যাদি লার্ভাখাদক মাছের চাষও মশা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর। মশকীর দংশন থেকে আত্মরক্ষা: উঁচু ভূমিতে বাসস্থান নির্মাণ করে,মশারির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে, কয়েল বা কীটনাশক স্প্রে বা অ্যারোসল বা ধূপ ব্যবহার করে, দরজা, জানালায় ঘন তারের নেট লাগাতে হবে, দেহের অনাবৃত অংশে মশা নিরোধক ক্রিম বা লোশন ব্যবহার করতে হবে, ইত্যাদি উপায়ে মশকীর দংশন থেকে আত্মরক্ষা করা যায়। ম্যালেরিয়া রোগের চিকিৎসা: ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত সন্দেহ হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। আক্রান্ত ব্যক্তিদের দ্রুত রোগ নির্ণয় ও সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করলে রোগের জটিলতা কমে এবং সংক্রমণ বিস্তারও রোধ করা যায়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রাকিব দীর্ঘদিন যাবৎ জ্বরে আক্রান্ত, তার প্রতি ২-৩ দিন পরপর কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে। ইদানিং তার দেহে মারাত্মক রক্তশূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে।

Comilla · 2025

ভিরিয়ন কাকে বলে?

উত্তর

কি নিউক্লিক এসিড ও একে ঘিরে অবস্থিত ক্যাপসিড সমন্বয়ে গঠিত এক একটি সংক্রমণ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি সম্পূর্ণ ভাইরাস কণাকে ভিরিয়ন বলে।
বাধ্যতামূলক পরজীবী বলতে কী বুঝায়?

উত্তর

বাধ্যতামূলক পরজীবী বলতে এমন জীবকে বুঝায়, যারা তাদের জীবনচক্র সম্পন্ন করার জন্য অবশ্যই একটি উপযুক্ত পোষক জীবদেহের ওপর নির্ভরশীল। এরা পোষক ছাড়া স্বাধীনভাবে বাঁচতে বা বংশবৃদ্ধি করতে পারে না। ভাইরাস এর একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। ভাইরাসের নিজস্ব কোনো কোষীয় কাঠামো বা বিপাকীয় ব্যবস্থা নেই। তাই এরা পোষক কোষের বাইরে নিষ্ক্রিয় থাকে এবং কোষের ভিতরে প্রবেশ করেই পোষক কোষের উপকরণ ব্যবহার করে নিজেদের বংশবৃদ্ধি করে।
রাকিবের শেষোক্ত সমস্যা সৃষ্টির জন্য জীবাণুটির জীবনচক্রের যে ধাপটি দায়ী, তা চিত্রের সাহায্যে দেখাও।

উত্তর

উদ্দীপকে রাকিবের মারাত্মক রক্তশূন্যতা সৃষ্টির জন্য ম্যালেরিয়া পরজীবীর জীবনচক্রের এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি ধাপটি দায়ী। এই ধাপে পরজীবীগুলো মানুষের লোহিত রক্ত কণিকাকে আক্রমণ করে এবং ধ্বংস করে। এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি ধাপের চিত্র নিচে দেখানো হলো- question image
উদ্দীপকে যে রোগটির উল্লেখ আছে, তার সংক্রমণ প্রতিহত করার জন্য কী কী পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন?

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত রোগটি হলো ম্যালেরিয়া। এটি স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশকীবাহিত একটি জ্বরজনিত রোগ। যেহেতু ম্যালেরিয়ার সংক্রমণ মশার মাধ্যমে ঘটে, তাই মশকী প্রতিরোধের মাধ্যমে এ রোগের সংক্রমণ প্রতিহত করা সম্ভব। ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণের জন্য গৃহীত পদক্ষেপগুলো প্রধানত তিনটি ভাগে বিভক্ত- ১.. মশককুল নিয়ন্ত্রণ, ২. মশকীর দংশন থেকে আত্মরক্ষা ও ৩. ম্যালেরিয়া রোগের চিকিৎসা। মশককুল নিয়ন্ত্রণ: ম্যালেরিয়া প্রতিরোধের প্রধান উপায় হলো রোগবাহক স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশকী নিধন এবং তাদের প্রজননক্ষেত্র ধ্বংস। মশকী বদ্ধ পানিতে ডিম পাড়ে, তাই জমে থাকা পানি অপসারণ, ডোবা-নালা ভরাট এবং ঝোঁপ-ঝাড় পরিষ্কার করা অপরিহার্য। জলাশয়ে কেরোসিন বা কীটনাশক প্রয়োগ করে লার্ভা মারা যায়। জৈবিকভাবে, কৈ, তেলাপিয়া, গাপ্পি ইত্যাদি লার্ভাখাদক মাছের চাষও মশা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর। মশকীর দংশন থেকে আত্মরক্ষা: উঁচু ভূমিতে বাসস্থান নির্মাণ করে,মশারির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে, কয়েল বা কীটনাশক স্প্রে বা অ্যারোসল বা ধূপ ব্যবহার করে, দরজা, জানালায় ঘন তারের নেট লাগাতে হবে, দেহের অনাবৃত অংশে মশা নিরোধক ক্রিম বা লোশন ব্যবহার করতে হবে, ইত্যাদি উপায়ে মশকীর দংশন থেকে আত্মরক্ষা করা যায়। ম্যালেরিয়া রোগের চিকিৎসা: ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত সন্দেহ হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। আক্রান্ত ব্যক্তিদের দ্রুত রোগ নির্ণয় ও সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করলে রোগের জটিলতা কমে এবং সংক্রমণ বিস্তারও রোধ করা যায়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

জীবজগতে এক ধরনের প্রাককেন্দ্রিক অণুজীব 'AA^{\prime} রয়েছে। যাদের কোষ প্রাচীরের প্রধান উপাদান পেপটিডোগ্লাইকান। 'AA^{\prime} কে পোষক হিসেবে 'ব্যবহার করলে ফায ভাইরাসের ক্ষেত্রে দুটি ভিন্ন ধরনের জীবনচক্র দেখা যায়।

Comilla · 2025

জনুক্রম কাকে বলে?

উত্তর

কোনো জীবের জীবনচক্রে হ্যাপ্লয়েড ও ডিপ্লয়েড দশার পর্যায়ক্রমিক আবর্তনকেই জনুক্রম বলে।
ম্যালেরিয়া পরজীবীর জীবনচক্রে দুটি পোষক প্রয়োজন কেন?

উত্তর

ম্যালেরিয়া পরজীবীর জীবনচক্র সম্পন্ন করতে যৌন ও অযৌন চক্র পারস্পরিকভাবে জড়িত। আবার, এ চক্র দুটি একটি পোষকদেহে সম্পন্ন হয় না। পরজীবীটি মশকীয় দেহে যৌন জনন এবং মানুষের দেহে অযৌন জনন সম্পন্ন করে। সুতরাং, পরজীবীটির পূর্ণাঙ্গ জীবনচক্র সম্পন্ন করার জন্যই দুটি পোষক প্রয়োজন।
'AA^{\prime} অণুজীবটির প্রধান বংশবৃদ্ধি প্রক্রিয়া বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে 'AA^{\prime} অণুজীবটি হলো ব্যাকটেরিয়া, কারণ এর কোষ প্রাচীরের প্রধান উপাদান হলো পেপটিডোগ্লাইকান। ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধির প্রধান প্রক্রিয়া হলো দ্বি-বিভাজন। এই প্রক্রিয়ায় একটি একক ব্যাকটেরিয়াল কোষ বিভাজিত হয়ে দুটি অভিন্ন অপত্য কোষ তৈরি করে। প্রক্রিয়াটি নিম্নলিখিত উপায়ে সম্পন্ন হয়- ১. ব্যাকটেরিয়াল ক্রোমোসোম তথা DNA ব্যাকটেরিয়া কোষের দুই প্রান্তের মাঝামাঝি আরসালত নেয় এবং প্লাজমামেমব্রেনের সাথে সংযুক্ত হয়। ২. প্লাজমামেমব্রেনের সাথে সংযুক্ত অবস্থায় ব্যাকটেরিয়া কোষের DNA-অণুর প্রতিলিপন ঘটে। ৩. এ অবস্থায় কোষটি লম্বায় বৃদ্ধি পায়। কোষ প্রাচীর এবং প্লাজমামেমব্রেনের বৃদ্ধি কোষের দুই প্রান্তের মাঝখানে ঘটে থাকে। ৪. কোষ প্রাচীর ও প্লাজমামেমব্রেন লম্বায় বৃদ্ধির কারণে DNA রেপ্লিকা দুটি দুই দিকে পৃথক হয়ে যায়। ৫. লম্বায় বৃদ্ধিপ্রাপ্ত কোষের মাঝখানে প্লাজমামেমব্রেন ক্রমশ ভেতরের দিকে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হতে থাকে এবং একই সাথে ঐ অংশে কোষ প্রাচীর সংশ্লেষিত হতে থাকে। এক সময় একটি কোষ দুটি অপত্য ব্যাকটেরিয়া কোষে পরিণত হয়। ৬. শেষ পর্যায়ে টার্গার প্রেসারের কারণে নতুন সৃষ্ট অপত্য ব্যাকটেরিয়া কোষ দুটি পরস্পর হতে পৃথক হয়ে যায়। question image
উদ্দীপকের শেষ বাক্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের A অণুজীবটি হলো ব্যাকটেরিয়া। ফায ভাইরাস যা ব্যাকটেরিওফায নামে পরিচিত। উদ্দীপকের শেষ বাক্যটি হলো ব্যাকটেরিয়াকে পোষক হিসেবে ব্যবহার করলে ফায ভাইরাসের ক্ষেত্রে দুটি ভিন্ন ধরনের জীবনচক্র লাইটিক চক্র এবং লাইসোজেনিক চক্র দেখা যায়। নিচে বাক্যটি বিশ্লেষণ করা হলো- ১ . লাইটিক চক্র: এই চক্রে ফায ভাইরাস প্রথমে ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরে সংযুক্ত হয় এবং তার জেনেটিক উপাদান (DNA) ব্যাকটেরিয়ার সাইটোপ্লাজমে প্রবেশ করায়। এরপর ফাযের DNA ব্যাকটেরিয়ার বিপাকীয় প্রক্রিয়া ব্যবহার করে নিজের অসংখ্য প্রতিলিপি তৈরি করে এবং প্রোটিন সংশ্লেষণ ঘটায়। নতুন তৈরি হওয়া ভাইরাসের উপাদানগুলো একত্রিত হয়ে নতুন ফায ভাইরাস গঠন করে। সবশেষে ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর বিদীর্ণ হয়ে নতুন ভাইরাসগুলো বাইরে বেরিয়ে আসে, যা অন্য ব্যাকটেরিয়া কোষকে সংক্রমিত করতে সক্ষম। এই প্রক্রিয়ায় ব্যাকটেরিয়া কোষ সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যায়। ২. লাইসোজেনিক চক্র: এই চক্রে ফায ভাইরাস ব্যাকটেরিয়াকে তাৎক্ষণিকভাবে ধ্বংস করে না, বরং ব্যাকটেরিয়ার সাথে সহাবস্থান করে। ফায ভাইরাস তার DNA ব্যাকটেরিয়ার সাইটোপ্লাজমে প্রবেশ করানোর পর, এই DNA ব্যাকটেরিয়ার নিজস্ব DNA-এর সাথে একত্রিত হয়ে প্রোফায গঠন করে। এই প্রোফায ব্যাকটেরিয়ার DNA-এর অংশ হিসেবে সুপ্ত অবস্থায় থাকে এবং ব্যাকটেরিয়া বিভাজিত হলে এর সাথে প্রতিলিপিত হয়ে অপত্য কোষে স্থানান্তরিত হয়। প্রতিকূল পরিবেশে প্রোফায সক্রিয় হয়ে লাইটিক চক্রে প্রবেশ করে এবং নতুন অপত্য ফায গঠন করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

জীবজগতে এক ধরনের প্রাককেন্দ্রিক অণুজীব 'AA^{\prime} রয়েছে। যাদের কোষ প্রাচীরের প্রধান উপাদান পেপটিডোগ্লাইকান। 'AA^{\prime} কে পোষক হিসেবে 'ব্যবহার করলে ফায ভাইরাসের ক্ষেত্রে দুটি ভিন্ন ধরনের জীবনচক্র দেখা যায়।

Comilla · 2025

জনুক্রম কাকে বলে?

উত্তর

কোনো জীবের জীবনচক্রে হ্যাপ্লয়েড ও ডিপ্লয়েড দশার পর্যায়ক্রমিক আবর্তনকেই জনুক্রম বলে।
ম্যালেরিয়া পরজীবীর জীবনচক্রে দুটি পোষক প্রয়োজন কেন?

উত্তর

ম্যালেরিয়া পরজীবীর জীবনচক্র সম্পন্ন করতে যৌন ও অযৌন চক্র পারস্পরিকভাবে জড়িত। আবার, এ চক্র দুটি একটি পোষকদেহে সম্পন্ন হয় না। পরজীবীটি মশকীয় দেহে যৌন জনন এবং মানুষের দেহে অযৌন জনন সম্পন্ন করে। সুতরাং, পরজীবীটির পূর্ণাঙ্গ জীবনচক্র সম্পন্ন করার জন্যই দুটি পোষক প্রয়োজন।
'AA^{\prime} অণুজীবটির প্রধান বংশবৃদ্ধি প্রক্রিয়া বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে 'AA^{\prime} অণুজীবটি হলো ব্যাকটেরিয়া, কারণ এর কোষ প্রাচীরের প্রধান উপাদান হলো পেপটিডোগ্লাইকান। ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধির প্রধান প্রক্রিয়া হলো দ্বি-বিভাজন। এই প্রক্রিয়ায় একটি একক ব্যাকটেরিয়াল কোষ বিভাজিত হয়ে দুটি অভিন্ন অপত্য কোষ তৈরি করে। প্রক্রিয়াটি নিম্নলিখিত উপায়ে সম্পন্ন হয়- ১. ব্যাকটেরিয়াল ক্রোমোসোম তথা DNA ব্যাকটেরিয়া কোষের দুই প্রান্তের মাঝামাঝি আরসালত নেয় এবং প্লাজমামেমব্রেনের সাথে সংযুক্ত হয়। ২. প্লাজমামেমব্রেনের সাথে সংযুক্ত অবস্থায় ব্যাকটেরিয়া কোষের DNA-অণুর প্রতিলিপন ঘটে। ৩. এ অবস্থায় কোষটি লম্বায় বৃদ্ধি পায়। কোষ প্রাচীর এবং প্লাজমামেমব্রেনের বৃদ্ধি কোষের দুই প্রান্তের মাঝখানে ঘটে থাকে। ৪. কোষ প্রাচীর ও প্লাজমামেমব্রেন লম্বায় বৃদ্ধির কারণে DNA রেপ্লিকা দুটি দুই দিকে পৃথক হয়ে যায়। ৫. লম্বায় বৃদ্ধিপ্রাপ্ত কোষের মাঝখানে প্লাজমামেমব্রেন ক্রমশ ভেতরের দিকে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হতে থাকে এবং একই সাথে ঐ অংশে কোষ প্রাচীর সংশ্লেষিত হতে থাকে। এক সময় একটি কোষ দুটি অপত্য ব্যাকটেরিয়া কোষে পরিণত হয়। ৬. শেষ পর্যায়ে টার্গার প্রেসারের কারণে নতুন সৃষ্ট অপত্য ব্যাকটেরিয়া কোষ দুটি পরস্পর হতে পৃথক হয়ে যায়। question image
উদ্দীপকের শেষ বাক্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের A অণুজীবটি হলো ব্যাকটেরিয়া। ফায ভাইরাস যা ব্যাকটেরিওফায নামে পরিচিত। উদ্দীপকের শেষ বাক্যটি হলো ব্যাকটেরিয়াকে পোষক হিসেবে ব্যবহার করলে ফায ভাইরাসের ক্ষেত্রে দুটি ভিন্ন ধরনের জীবনচক্র লাইটিক চক্র এবং লাইসোজেনিক চক্র দেখা যায়। নিচে বাক্যটি বিশ্লেষণ করা হলো- ১ . লাইটিক চক্র: এই চক্রে ফায ভাইরাস প্রথমে ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরে সংযুক্ত হয় এবং তার জেনেটিক উপাদান (DNA) ব্যাকটেরিয়ার সাইটোপ্লাজমে প্রবেশ করায়। এরপর ফাযের DNA ব্যাকটেরিয়ার বিপাকীয় প্রক্রিয়া ব্যবহার করে নিজের অসংখ্য প্রতিলিপি তৈরি করে এবং প্রোটিন সংশ্লেষণ ঘটায়। নতুন তৈরি হওয়া ভাইরাসের উপাদানগুলো একত্রিত হয়ে নতুন ফায ভাইরাস গঠন করে। সবশেষে ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর বিদীর্ণ হয়ে নতুন ভাইরাসগুলো বাইরে বেরিয়ে আসে, যা অন্য ব্যাকটেরিয়া কোষকে সংক্রমিত করতে সক্ষম। এই প্রক্রিয়ায় ব্যাকটেরিয়া কোষ সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যায়। ২. লাইসোজেনিক চক্র: এই চক্রে ফায ভাইরাস ব্যাকটেরিয়াকে তাৎক্ষণিকভাবে ধ্বংস করে না, বরং ব্যাকটেরিয়ার সাথে সহাবস্থান করে। ফায ভাইরাস তার DNA ব্যাকটেরিয়ার সাইটোপ্লাজমে প্রবেশ করানোর পর, এই DNA ব্যাকটেরিয়ার নিজস্ব DNA-এর সাথে একত্রিত হয়ে প্রোফায গঠন করে। এই প্রোফায ব্যাকটেরিয়ার DNA-এর অংশ হিসেবে সুপ্ত অবস্থায় থাকে এবং ব্যাকটেরিয়া বিভাজিত হলে এর সাথে প্রতিলিপিত হয়ে অপত্য কোষে স্থানান্তরিত হয়। প্রতিকূল পরিবেশে প্রোফায সক্রিয় হয়ে লাইটিক চক্রে প্রবেশ করে এবং নতুন অপত্য ফায গঠন করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো