Chittagong বোর্ড 2025 Civics 2nd Paper

Chittagong শিক্ষা বোর্ড 2025 সালের HSC Civics 2nd Paper বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

12

প্রশ্ন

Chittagong

বোর্ড

2025

সাল

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCCivics 2nd PaperMCQ
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:'ক' নামক অঞ্চলটিতে এক সময় বৃটিশ উপনিবেশ ছিল। উপনিবেশিক সরকার একটি আইন প্রণয়ন করে। উক্ত আইনের ফলে 'ক' অঞ্চলটি ভেঙ্গে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়।প্রশ্ন: উদ্দীপকে বর্ণিত উপনিবেশিক সরকারের আইনের সাথে তোমার পঠিত কত সালের আইনের সাদৃশ্য রয়েছে?
  • .১৯০৫
  • .১৯১৯
  • .১৯৩৫
  • .১৯৪৭

উত্তর: ১৯৪৭

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 2nd PaperMCQ
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:'ক' নামক অঞ্চলটিতে এক সময় বৃটিশ উপনিবেশ ছিল। উপনিবেশিক সরকার একটি আইন প্রণয়ন করে। উক্ত আইনের ফলে 'ক' অঞ্চলটি ভেঙ্গে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়।প্রশ্ন: উক্ত আইনের ফলে-
i. ভারতে বৃটিশ শাসনের অবসান হয়
ii. ধর্মীয় সম্পৃতি বৃদ্ধি পায়
iii. মুসলমানদের জন্য পৃথক রাষ্ট্র হয়নিচের কোনটি সঠিক?
  • .i ও ii
  • .i ও iii
  • .ii ও iii
  • .i, ii ও iii

উত্তর: i ও iii

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 2nd PaperMCQ
১৯৪৬ সালের নির্বাচনের ফলে-
i. মুসলিম লীগের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায়
ii. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মুখ্যমন্ত্রী হন
iii. দ্বি-জাতিতত্ত্বের ভিত্তি সুদৃঢ় হয়নিচের কোনটি সঠিক?
  • .i ও ii
  • .i ও iii
  • .ii ও iii
  • .i, ii ও iii

উত্তর: i, ii ও iii

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

একটি ঔপনিবেশিক সরকার প্রশাসনিক যুক্তি দেখিয়ে রাষ্ট্রের একটি অঞ্চলকে দুই ভাগে ভাগ করে। একাংশের জনগণ এতে তাদের ভাগ্যোন্নয়নের সম্ভাবনা দেখতে পেয়ে এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানায় কিন্তু অপর অংশের বিভিন্ন গোষ্ঠী তাদের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কায় এর বিরোধিতা শুরু করে। পরবর্তীতে আন্দোলনের প্রেক্ষিতে ঔপনিবেশিক সরকার এই বিভক্তি বাতিল করে।

Chittagong · 2025

ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস কখন প্রতিষ্ঠিত হয়?

উত্তর

ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ১৮৮৫ সালে গঠিত হয়।
দ্বৈতশাসন বলতে কী বোঝ? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো প্রদেশে দ্বৈতশাসন প্রবর্তন। প্রাদেশিক বিষয়গুলোকে দুই শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়। যেমন- ক. হস্তান্তরিত বিষয় এবং খ. সংরক্ষিত বিষয়। হস্তান্তরিত বিষয়গুলো গভর্নর ও প্রাদেশিক মন্ত্রিসভা যৌথভাবে পরিচালনা করতেন। আর সংরক্ষিত বিষয় কেবল গভর্নর ও শাসন পরিষদের নেতৃত্বে পরিচালিত হতো। এভাবে প্রাদেশিক শাসনসংক্রান্ত বিষয়কে দুই ভাগে বিভক্ত করায় একে দ্বৈতশাসন বলে অভিহিত করা হয়।
উদ্দীপকের ঘটনাটি ব্রিটিশ ভারতের কোন ঘটনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনার সাথে আমার পঠিত বঙ্গভঙ্গের মিল আছে। উদ্দীপকে একটি ঔপনিবেশিক সরকার একটি প্রদেশকে প্রশাসনিক দুর্বলতা ও উন্নয়নে বৈষম্যের কারণে দুটি ভাগে বিভক্ত করা হয়। পূর্বাঞ্চলের জনগণ এতে খুশি হলেও পশ্চিমাঞ্চল বিরূপ প্রতিক্রিয়া জানায় এবং পরে পুনরায় একত্রীকরণ করা হয়। এ ঘটনাটি ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের সঙ্গে মিল রাখে। ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ ছিল ব্রিটিশ শাসকদের একটি বিতর্কিত প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, যার মাধ্যমে বাংলা প্রেসিডেন্সিকে পূর্ববঙ্গ ও আসাম এবং। পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যা নামে দুটি ভাগে বিভক্ত করা হয়। প্রশাসনিক সুবিধার কথা বলা হলেও এর পেছনে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক নানা কারণ ছিল, যার মধ্যে 'ভাগ কর ও। শাসন কর' নীতি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ব্রিটিশ সরকার প্রশাসনিক জটিলতা দূর করার অজুহাতে বাংলাকে দুই ভাগে ভাগ করলেও। প্রকৃতপক্ষে এটি ছিল রাজনৈতিক কৌশল। হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে। বিভেদ সৃষ্টির মাধ্যমে জাতীয়তাবাদী আন্দোলন দমনই ছিল প্রকৃত লক্ষ্য। তবে পূর্ববঙ্গের মুসলমান কৃষিজীবী জনগণ এই বিভক্তিকে। স্বাগত জানায়, কারণ এতে তারা নতুন প্রশাসনিক রাজধানী ঢাকা থেকে সুবিধা পাবে বলে আশা করেছিল। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু সমাজ এর বিরোধিতা করে ব্যাপক আন্দোলন গড়ে তোলে। পরিণতিতে ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ প্রত্যাহার করা হয়।
উক্ত ঘটনাটি কীভাবে পরবর্তী রাজনীতিকে প্রভাবিত করেছে? বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উল্লিখিত ঘটনা তথা বঙ্গভঙ্গের ফলে উভয় অঞ্চলের জনগণের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ একটি ঐতিহাসিক প্রশাসনিক পদক্ষেপ, যা ব্রিটিশ শাসনামলে বাংলাকে পূর্ব ও পশ্চিম-দুটি প্রদেশে বিভক্ত করে। এই বিভাজনের ফলে সমাজের দুই ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়, যা দীর্ঘমেয়াদে রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব ফেলে।উদ্দীপকে আবহে ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের প্রতিচ্ছবি প্রকাশ পায়। তৎকালীন এই বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ববঙ্গের জনগণ খুশি হলেও পশ্চিমাঞ্চলের জনগণ ক্ষুব্ধ হয়। কারণ, পূর্বাঞ্চলের মুসলমানগণ নতুন রাজধানী ঢাকাকে ঘিরে শিক্ষা, প্রশাসন ও অর্থনীতির ক্ষেত্রে বিশেষ সুযোগ-সুবিধা পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে। ঢাকায় নবাব স্যার সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে মুসলমান সম্প্রদায় বঙ্গভঙ্গকে নিজেদের পুনরুত্থানের সুযোগ হিসেবে দেখেছিল। অন্যদিকে, পশ্চিমাঞ্চলের শিক্ষিত হিন্দু সমাজ ও পেশাজীবীরা এ বিভাজনকে নিজেদের প্রভাব হ্রাসের ষড়যন্ত্র হিসেবে বিবেচনা করে তীব্র প্রতিবাদ করে। তাদের আশঙ্কা ছিল, পূর্বাঞ্চলে মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রতিষ্ঠা পেলে হিন্দুরা সংখ্যালঘু হয়ে পড়বে এবং রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা হবে। এভাবে বিভক্তির ফলে উভয় অঞ্চলের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সন্দেহ, অসন্তোষ এবং দ্বন্দ্বের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। তবে মুসলমান সমাজে আত্মবিশ্বাস ও অগ্রগতির নতুন দ্বার উন্মোচিত হলেও হিন্দু সমাজে শঙ্কা ও ক্ষোভ তীব্র হয়।সুতরাং বলা যায়, বঙ্গভঙ্গ দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে ভিন্নমুখী প্রভাব ফেলেছিল-একপক্ষ লাভবান হলেও অন্যপক্ষ নিজেকে বঞ্চিত ও শঙ্কিত মনে করেছিল, যা পরবর্তীকালে রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধির পথও প্রশস্ত করেছিল।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

একটি ঔপনিবেশিক সরকার প্রশাসনিক যুক্তি দেখিয়ে রাষ্ট্রের একটি অঞ্চলকে দুই ভাগে ভাগ করে। একাংশের জনগণ এতে তাদের ভাগ্যোন্নয়নের সম্ভাবনা দেখতে পেয়ে এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানায় কিন্তু অপর অংশের বিভিন্ন গোষ্ঠী তাদের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কায় এর বিরোধিতা শুরু করে। পরবর্তীতে আন্দোলনের প্রেক্ষিতে ঔপনিবেশিক সরকার এই বিভক্তি বাতিল করে।

Chittagong · 2025

ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস কখন প্রতিষ্ঠিত হয়?

উত্তর

ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ১৮৮৫ সালে গঠিত হয়।
দ্বৈতশাসন বলতে কী বোঝ? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো প্রদেশে দ্বৈতশাসন প্রবর্তন। প্রাদেশিক বিষয়গুলোকে দুই শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়। যেমন- ক. হস্তান্তরিত বিষয় এবং খ. সংরক্ষিত বিষয়। হস্তান্তরিত বিষয়গুলো গভর্নর ও প্রাদেশিক মন্ত্রিসভা যৌথভাবে পরিচালনা করতেন। আর সংরক্ষিত বিষয় কেবল গভর্নর ও শাসন পরিষদের নেতৃত্বে পরিচালিত হতো। এভাবে প্রাদেশিক শাসনসংক্রান্ত বিষয়কে দুই ভাগে বিভক্ত করায় একে দ্বৈতশাসন বলে অভিহিত করা হয়।
উদ্দীপকের ঘটনাটি ব্রিটিশ ভারতের কোন ঘটনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনার সাথে আমার পঠিত বঙ্গভঙ্গের মিল আছে। উদ্দীপকে একটি ঔপনিবেশিক সরকার একটি প্রদেশকে প্রশাসনিক দুর্বলতা ও উন্নয়নে বৈষম্যের কারণে দুটি ভাগে বিভক্ত করা হয়। পূর্বাঞ্চলের জনগণ এতে খুশি হলেও পশ্চিমাঞ্চল বিরূপ প্রতিক্রিয়া জানায় এবং পরে পুনরায় একত্রীকরণ করা হয়। এ ঘটনাটি ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের সঙ্গে মিল রাখে। ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ ছিল ব্রিটিশ শাসকদের একটি বিতর্কিত প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, যার মাধ্যমে বাংলা প্রেসিডেন্সিকে পূর্ববঙ্গ ও আসাম এবং। পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যা নামে দুটি ভাগে বিভক্ত করা হয়। প্রশাসনিক সুবিধার কথা বলা হলেও এর পেছনে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক নানা কারণ ছিল, যার মধ্যে 'ভাগ কর ও। শাসন কর' নীতি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ব্রিটিশ সরকার প্রশাসনিক জটিলতা দূর করার অজুহাতে বাংলাকে দুই ভাগে ভাগ করলেও। প্রকৃতপক্ষে এটি ছিল রাজনৈতিক কৌশল। হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে। বিভেদ সৃষ্টির মাধ্যমে জাতীয়তাবাদী আন্দোলন দমনই ছিল প্রকৃত লক্ষ্য। তবে পূর্ববঙ্গের মুসলমান কৃষিজীবী জনগণ এই বিভক্তিকে। স্বাগত জানায়, কারণ এতে তারা নতুন প্রশাসনিক রাজধানী ঢাকা থেকে সুবিধা পাবে বলে আশা করেছিল। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু সমাজ এর বিরোধিতা করে ব্যাপক আন্দোলন গড়ে তোলে। পরিণতিতে ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ প্রত্যাহার করা হয়।
উক্ত ঘটনাটি কীভাবে পরবর্তী রাজনীতিকে প্রভাবিত করেছে? বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উল্লিখিত ঘটনা তথা বঙ্গভঙ্গের ফলে উভয় অঞ্চলের জনগণের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ একটি ঐতিহাসিক প্রশাসনিক পদক্ষেপ, যা ব্রিটিশ শাসনামলে বাংলাকে পূর্ব ও পশ্চিম-দুটি প্রদেশে বিভক্ত করে। এই বিভাজনের ফলে সমাজের দুই ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়, যা দীর্ঘমেয়াদে রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব ফেলে।উদ্দীপকে আবহে ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের প্রতিচ্ছবি প্রকাশ পায়। তৎকালীন এই বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ববঙ্গের জনগণ খুশি হলেও পশ্চিমাঞ্চলের জনগণ ক্ষুব্ধ হয়। কারণ, পূর্বাঞ্চলের মুসলমানগণ নতুন রাজধানী ঢাকাকে ঘিরে শিক্ষা, প্রশাসন ও অর্থনীতির ক্ষেত্রে বিশেষ সুযোগ-সুবিধা পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে। ঢাকায় নবাব স্যার সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে মুসলমান সম্প্রদায় বঙ্গভঙ্গকে নিজেদের পুনরুত্থানের সুযোগ হিসেবে দেখেছিল। অন্যদিকে, পশ্চিমাঞ্চলের শিক্ষিত হিন্দু সমাজ ও পেশাজীবীরা এ বিভাজনকে নিজেদের প্রভাব হ্রাসের ষড়যন্ত্র হিসেবে বিবেচনা করে তীব্র প্রতিবাদ করে। তাদের আশঙ্কা ছিল, পূর্বাঞ্চলে মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রতিষ্ঠা পেলে হিন্দুরা সংখ্যালঘু হয়ে পড়বে এবং রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা হবে। এভাবে বিভক্তির ফলে উভয় অঞ্চলের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সন্দেহ, অসন্তোষ এবং দ্বন্দ্বের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। তবে মুসলমান সমাজে আত্মবিশ্বাস ও অগ্রগতির নতুন দ্বার উন্মোচিত হলেও হিন্দু সমাজে শঙ্কা ও ক্ষোভ তীব্র হয়।সুতরাং বলা যায়, বঙ্গভঙ্গ দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে ভিন্নমুখী প্রভাব ফেলেছিল-একপক্ষ লাভবান হলেও অন্যপক্ষ নিজেকে বঞ্চিত ও শঙ্কিত মনে করেছিল, যা পরবর্তীকালে রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধির পথও প্রশস্ত করেছিল।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 2nd Paperসৃজনশীল

Chittagong · 2025

মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনার নেতৃত্ব দেন কে?

উত্তর

মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনার নেতৃত্ব দেন ক্লেমেন্ট রিচার্ড অ্যাটলি।
'ভাগ কর ও শাসন কর' নীতি বলতে কী বোঝ?

উত্তর

ঔপনিবেশিক আমলে ব্রিটিশ শাসকরা ১৯০৫ সালে বাংলাকে ভাগ করে শাসনকার্য পরিচালনা করার যে নীতি গ্রহণ করেছিল তাকেই 'ভাগ কর শাসন কর' নীতি বলে। এ নীতির আওতায় ব্রিটিশরা বাংলাকে বিভক্ত করে একটি সম্প্রদায়কে নিজেদের অনুকূলে রেখে অপর সম্প্রদায়কে শাসন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিল। মূলত তাদের উদ্দেশ্য ছিল ব্রিটিশ শাসন দীর্ঘায়িত করা
উদ্দীপকে (?) চিহ্নিত স্থানে ব্রিটিশ ভারতের কোন আইনটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে (?) চিহ্নিত স্থানে বৃটিশ ভারতের ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনটি প্রতিফলিত হয়েছে।১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন ছিল ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক প্রণীত একটি বিস্তৃত সংবিধানগত আইন, যা ভারতীয় উপমহাদেশে শাসন কাঠামো পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে কার্যকর করা হয়। এই আইনে সর্বভারতীয় যুক্তরাষ্ট্র, গঠনের পরিকল্পনা, শাসনবিষয়ের বিভাজন এবং প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের মতো বৈপ্লবিক বৈশিষ্ট্য সংযুক্ত ছিল।উদ্দীপকে উল্লিখিত "যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা প্রবর্তন, কেন্দ্রে দ্বৈত শাসন এবং নতুন প্রদেশ সৃষ্টি”-এই তিনটি বৈশিষ্ট্য মূলত ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনেই প্রতিফলিত হয়েছে। এই আইনের মাধ্যমে সর্বভারতীয় যুক্তরাষ্ট্র গঠনের পরিকল্পনা করা হয় এবং শাসন কাঠামোয় কেন্দ্র ও প্রদেশের মধ্যে দায়িত্ব বিভাজন করা হয়। কেন্দ্রে দ্বৈত শাসনের মাধ্যমে সংরক্ষিত ও হস্তান্তরিত বিষয়ে শাসন চালু করা হয়। এ ছাড়া আইনটিতে ব্রহ্মদেশকে আলাদা করে উড়িষ্যা ও সিন্ধু নামে নতুন দুটি প্রদেশ গঠনের ব্যবস্থাও অন্তর্ভুক্ত ছিল। তাই বিশ্লেষণে দেখা যায়, উদ্দীপকে যে বৈশিষ্ট্যগুলো তুলে ধরা হয়েছে, তা সরাসরি ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন দ্বারা প্রতিফলিত হয়েছে।
উক্ত আইনে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন কতটুকু কার্যকর হয়েছিল? মূল্যায়ন কর।

উত্তর

১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের কার্যকারিতা ছিল সীমিত।১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের আওতায় প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তনের লক্ষ্য ছিল প্রদেশগুলোকে স্বাধীনভাবে শাসনের সুযোগ দেওয়া। এর মাধ্যমে ব্রিটিশ সরকার ভারতীয়দের প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা অর্জনের পথ তৈরি করতে চেয়েছিল। ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা ও কেন্দ্রীয় দ্বৈতশাসনের প্রেক্ষাপটে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন তত্ত্বগতভাবে প্রতিষ্ঠা পেলেও বাস্তবে তা পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। ১৯৩৭ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রদেশে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ ক্ষমতায় আসে এবং কিছু ক্ষেত্রে কোয়ালিশন মন্ত্রিসভা গঠন করে। তবে কংগ্রেস মুসলিম লীগকে উপেক্ষা করে এককভাবে মন্ত্রিসভা গঠন করে, যা দ্বন্দ্ব বাড়ায়। যদিও ব্রিটিশ সরকার গভর্নরের অনুপ্রবেশ না করার প্রতিশ্রুতি দেয়, কিন্তু বিহার ও যুক্ত প্রদেশে রাজবন্দিদের মুক্তি ইস্যুতে মতানৈক্য স্পষ্ট হয়। ১৯৩৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ভারতকে জড়িয়ে নেওয়ার ঘটনায় কংগ্রেস পদত্যাগ করে, যা স্বায়ত্তশাসন বাস্তবায়নে বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। অন্যদিকে মুসলিম লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন ও মুসলমানদের প্রতিনিধিত্ব প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় থাকলেও তাদের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসনের দাবি স্বীকৃতি পায়নি। সর্বোপরি, গভর্নর জেনারেল, গভর্নর ও ভারত সচিবের অযাচিত হস্তক্ষেপের কারণে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের বাস্তব রূপ প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।সুতরাং বলা যায়, ১৯৩৫ সালের আইনে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন প্রবর্তিত হলেও রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা, একচেটিয়া মনোভাব ও ব্রিটিশ শাসকদের নিয়ন্ত্রণে এর কার্যকারিতা সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়নি।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 2nd Paperসৃজনশীল

Chittagong · 2025

মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনার নেতৃত্ব দেন কে?

উত্তর

মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনার নেতৃত্ব দেন ক্লেমেন্ট রিচার্ড অ্যাটলি।
'ভাগ কর ও শাসন কর' নীতি বলতে কী বোঝ?

উত্তর

ঔপনিবেশিক আমলে ব্রিটিশ শাসকরা ১৯০৫ সালে বাংলাকে ভাগ করে শাসনকার্য পরিচালনা করার যে নীতি গ্রহণ করেছিল তাকেই 'ভাগ কর শাসন কর' নীতি বলে। এ নীতির আওতায় ব্রিটিশরা বাংলাকে বিভক্ত করে একটি সম্প্রদায়কে নিজেদের অনুকূলে রেখে অপর সম্প্রদায়কে শাসন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিল। মূলত তাদের উদ্দেশ্য ছিল ব্রিটিশ শাসন দীর্ঘায়িত করা
উদ্দীপকে (?) চিহ্নিত স্থানে ব্রিটিশ ভারতের কোন আইনটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে (?) চিহ্নিত স্থানে বৃটিশ ভারতের ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনটি প্রতিফলিত হয়েছে।১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন ছিল ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক প্রণীত একটি বিস্তৃত সংবিধানগত আইন, যা ভারতীয় উপমহাদেশে শাসন কাঠামো পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে কার্যকর করা হয়। এই আইনে সর্বভারতীয় যুক্তরাষ্ট্র, গঠনের পরিকল্পনা, শাসনবিষয়ের বিভাজন এবং প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের মতো বৈপ্লবিক বৈশিষ্ট্য সংযুক্ত ছিল।উদ্দীপকে উল্লিখিত "যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা প্রবর্তন, কেন্দ্রে দ্বৈত শাসন এবং নতুন প্রদেশ সৃষ্টি”-এই তিনটি বৈশিষ্ট্য মূলত ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনেই প্রতিফলিত হয়েছে। এই আইনের মাধ্যমে সর্বভারতীয় যুক্তরাষ্ট্র গঠনের পরিকল্পনা করা হয় এবং শাসন কাঠামোয় কেন্দ্র ও প্রদেশের মধ্যে দায়িত্ব বিভাজন করা হয়। কেন্দ্রে দ্বৈত শাসনের মাধ্যমে সংরক্ষিত ও হস্তান্তরিত বিষয়ে শাসন চালু করা হয়। এ ছাড়া আইনটিতে ব্রহ্মদেশকে আলাদা করে উড়িষ্যা ও সিন্ধু নামে নতুন দুটি প্রদেশ গঠনের ব্যবস্থাও অন্তর্ভুক্ত ছিল। তাই বিশ্লেষণে দেখা যায়, উদ্দীপকে যে বৈশিষ্ট্যগুলো তুলে ধরা হয়েছে, তা সরাসরি ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন দ্বারা প্রতিফলিত হয়েছে।
উক্ত আইনে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন কতটুকু কার্যকর হয়েছিল? মূল্যায়ন কর।

উত্তর

১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের কার্যকারিতা ছিল সীমিত।১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের আওতায় প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তনের লক্ষ্য ছিল প্রদেশগুলোকে স্বাধীনভাবে শাসনের সুযোগ দেওয়া। এর মাধ্যমে ব্রিটিশ সরকার ভারতীয়দের প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা অর্জনের পথ তৈরি করতে চেয়েছিল। ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা ও কেন্দ্রীয় দ্বৈতশাসনের প্রেক্ষাপটে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন তত্ত্বগতভাবে প্রতিষ্ঠা পেলেও বাস্তবে তা পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। ১৯৩৭ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রদেশে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ ক্ষমতায় আসে এবং কিছু ক্ষেত্রে কোয়ালিশন মন্ত্রিসভা গঠন করে। তবে কংগ্রেস মুসলিম লীগকে উপেক্ষা করে এককভাবে মন্ত্রিসভা গঠন করে, যা দ্বন্দ্ব বাড়ায়। যদিও ব্রিটিশ সরকার গভর্নরের অনুপ্রবেশ না করার প্রতিশ্রুতি দেয়, কিন্তু বিহার ও যুক্ত প্রদেশে রাজবন্দিদের মুক্তি ইস্যুতে মতানৈক্য স্পষ্ট হয়। ১৯৩৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ভারতকে জড়িয়ে নেওয়ার ঘটনায় কংগ্রেস পদত্যাগ করে, যা স্বায়ত্তশাসন বাস্তবায়নে বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। অন্যদিকে মুসলিম লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন ও মুসলমানদের প্রতিনিধিত্ব প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় থাকলেও তাদের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসনের দাবি স্বীকৃতি পায়নি। সর্বোপরি, গভর্নর জেনারেল, গভর্নর ও ভারত সচিবের অযাচিত হস্তক্ষেপের কারণে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের বাস্তব রূপ প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।সুতরাং বলা যায়, ১৯৩৫ সালের আইনে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন প্রবর্তিত হলেও রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা, একচেটিয়া মনোভাব ও ব্রিটিশ শাসকদের নিয়ন্ত্রণে এর কার্যকারিতা সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়নি।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

ব্রিটিশ ভারতের একজন রাজনীতিবিদ তার দলের বার্ষিক অধিবেশনে নিজ সম্প্রদায়ের স্বার্থরক্ষা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য পৃথক রাষ্ট্রের দাবি সংবলিত একটি ঐতিহাসিক প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরবর্তীতে এ প্রস্তাবের ভিত্তিতে ব্রিটিশ ভারতে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে।

Chittagong · 2025

কাকে 'মজলুম জননেতা' বলা হয়?

উত্তর

মজলুম জননেতা ছিলেন মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
বারাসাত বিদ্রোহ কী?

উত্তর

ব্রিটিশ শোষণের যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে কৃষকরা যখন সর্বস্বান্ত ও দিশেহারা হয়ে পড়ে তখন মীর নিসার আলী ওরফে তিতুমীর কৃষক আন্দোলন গড়ে তোলেন। তিতুমীরের কৃষক আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল নীলকর ও স্থানীয় সামন্ত রাজা-জমিদারদের শোষণ ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে। ইংরেজ সরকারকে একাধিকবার নীলকর ও জমিদারদের স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ করলেও তাদের উদাসীনতায় ক্ষিপ্ত হয়ে তিতুমীর নিজ বাহিনীকে সংগঠিত করেন। ১৮২৫ সালে তিনি দলবলসহ চব্বিশ পরগনার কিয়দংশ এবং নদীয়া ও ফরিদপুরের কিছু অংশের সমন্বয়ে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী হন। স্বতঃস্ফূর্তভাবে সংগঠিত প্রায় ৮৩ হাজার কৃষকসেনাকে নিয়ে ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন, যা ইতিহাসে তিতুমীরের বারাসাত বিদ্রোহ নামে পরিচিত।
উদ্দীপকে বর্ণিত প্রস্তাবের সাথে তোমার পঠিত কোন প্রস্তাবের সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপক বর্ণিত প্রস্তাবের সাথে আমি যে ঐতিহাসিক ঘটনার সাদৃশ্য খুঁজে পাই তা হলো ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাব।ভারত উপমহাদেশে মুসলমানদের রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় স্বাতন্ত্র্য রক্ষার প্রশ্নটি দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল। কংগ্রেসের একচেটিয়া শাসনের প্রেক্ষিতে মুসলমানদের স্বার্থরক্ষায় বিকল্প রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা তখন প্রবলভাবে অনুভূত হয়। এমন প্রেক্ষাপটেই ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব গৃহীত হয়েছিল, যা মুসলিম সম্প্রদায়ের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।উদ্দীপকে উল্লেখ্য যে, ব্রিটিশ ভারতের একজন রাজনীতিবিদ তার দলের বার্ষিক অধিবেশনে নিজ সম্প্রদায়ের স্বার্থরক্ষা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য পৃথক রাষ্ট্রের দাবি সংবলিত একটি ঐতিহাসিক প্রস্তাব উত্থাপন করেন। উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রস্তাবের সাথে ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাবের সরাসরি সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এটি ছিল এমন একটি ঘোষণা, যার মাধ্যমে মুসলিম লীগ ভারতবর্ষে পৃথক রাষ্ট্র গঠনের দাবি তোলে। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলের ভিত্তিতে একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের যে প্রস্তাব শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক উত্থাপন করেন, তা ছিল মুসলিম জাতিসত্তার স্বীকৃতি আদায়ের এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। লাহোর প্রস্তাবে শুধু পৃথক রাষ্ট্র গঠনের ধারণাই নয়, বরং ওই রাষ্ট্রসমূহের স্বায়ত্তশাসন, সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা এবং শাসনতান্ত্রিক নিরাপত্তার বিষয়গুলোকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ প্রস্তাবের মাধ্যমেই পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার রাজনৈতিক ভিত্তি সুদৃঢ় হয়, যা পরবর্তীকালে উপমহাদেশ বিভাজনের ঐতিহাসিক ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।
ব্রিটিশ শাসনের অবসানে উক্ত প্রস্তাবের গুরুত্ব পর্যালোচনা কর।

উত্তর

ব্রিটিশ শাসনের অবসানে লাহোর প্রস্তাবের গুরুত্ব অপরিসীম।১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ, লাহোরে অনুষ্ঠিত সর্বভারতীয় মুসলিম লীগের অধিবেশনে গৃহীত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব ইতিহাসে 'লাহোর প্রস্তাব' নামে খ্যাত। এ প্রস্তাবে উপমহাদেশের মুসলমানদের জন্য স্বাধীন ও স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্র গঠনের দাবি জানানো হয়, যা পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পথ প্রশস্ত করে।উদ্দীপকের আবহে লাহোর প্রস্তাবের প্রতিচ্ছবি প্রকাশ পেয়েছে। লাহোর প্রস্তাব উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনে। এ প্রস্তাবের মাধ্যমে মুসলিম লীগ তাদের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় যে, তারা কোনো একক ভারতীয় জাতির অংশ নয়, বরং একটি স্বতন্ত্র জাতিসত্তা। এটি বৃটিশ সরকার ও কংগ্রেসের ওপর চাপ সৃষ্টি করে মুসলমানদের দাবি মানার জন্য। প্রস্তাবটির ফলে দ্বিজাতিতত্ত্ব আরও গ্রহণযোগ্যতা পায় এবং মুসলমানদের আলাদা রাষ্ট্রের ধারণা বেগবান হয়। রাজনৈতিকভাবে এটি মুসলিম লীগের নেতৃত্বকে আরও শক্তিশালী করে এবং পাকিস্তান আন্দোলনের ভিত্তি সুদৃঢ় করে। দীর্ঘ ব্রিটিশ শাসনের পরিপ্রেক্ষিতে এই প্রস্তাব একটি নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করে, যা শেষ পর্যন্ত ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের মাধ্যমে বৃটিশ শাসনের অবসান ঘটায়।আলোচনার পরিশেষে বলা যায়, লাহোর প্রস্তাব ছিল বৃটিশবিরোধী আন্দোলনের একটি কৌশলগত সাফল্য। এটি মুসলমানদের জাতীয়তাবাদকে একটি বাস্তব রূপ দেয় এবং বৃটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের পতনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো