Chittagong বোর্ড 2025 Civics 1st Paper

Chittagong শিক্ষা বোর্ড 2025 সালের HSC Civics 1st Paper বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

12

প্রশ্ন

Chittagong

বোর্ড

2025

সাল

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCCivics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নবীন উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির ছাত্র। তার শিক্ষক তাকে নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কিত একটি বিষয় অধ্যয়ন করতে বলেন, কারণ দায়িত্বসম্পন্ন সুনাগরিকতার শিক্ষা এ বিষয় থেকে পাওয়া যায়। নবীনদের রাষ্ট্রে বর্তমানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে রাষ্ট্রের যাবতীয় কর্মকাণ্ড পরিচালিত হওয়ায় সরকারের জনপ্রিয়তা ক্রমশ বাড়ছে।

Chittagong · 2025

কোন প্রতিষ্ঠান সর্বপ্রথম সুশাসন সম্পর্কে ধারণা প্রদান করে?

উত্তর

বিশ্বব্যাংক সর্বপ্রথম সুশাসন সম্পর্কে ধারণা প্রদান করে।
স্বজনপ্রীতি কী?

উত্তর

সাধারণভাবে স্বজনপ্রীতি হচ্ছে আত্মীয় তোষণ। স্বজনপ্রীতি বলতে বোঝায় স্বজনদের বিশেষ সুবিধা প্রদান করা। কিন্তু প্রশাসনিক অর্থে নিয়োগ, বদলি, পদায়ন বা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে স্বজনদের অগ্রাধিকার প্রদান করাই হচ্ছে স্বজনপ্রীতি।
নবীনের শিক্ষক যে বিষয়টি অধ্যয়ন করতে বলেছেন তার স্বরূপ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

নবীনের শিক্ষক পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়টি অধ্যয়ন করতে বলেছেন।উদ্দীপকে বলা হয়েছে, নবীন উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির ছাত্র। তার শিক্ষক তাকে নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কিত একটি বিষয় অধ্যয়ন করতে বলেন। কারণ দায়িত্বসম্পন্ন সুনাগরিকতার শিক্ষা এ বিষয় থেকে পাওয়া যায়। এরূপ বৈশিষ্ট্যগুলো পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়টিকে উপস্থাপন করে।পৌরনীতি নাগরিকতাবিষয়ক বিজ্ঞান। নাগরিকতার সাথে জড়িত সকল বিষয় নিয়ে পৌরনীতি ও সুশাসন আলোচনা করে। এক্ষেত্রে নাগরিকের ব্যক্তিত্ব বিকাশের জন্য আমরা যেমন রাষ্ট্রপ্রদত্ত সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও মৌলিক অধিকার ভোগ করি, তেমনি আমাদেরকেও রাষ্ট্রকে সচল, গতিশীল ও প্রাণবন্ত করার জন্য বিভিন্ন কর্তব্য পালন করতে হয়। যেমন- রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ, আইন মান্য করা, সঠিক সময়ে কর প্রদান করা, সন্তানদের শিক্ষিত করা, রাষ্ট্রের সেবা করা, সততার সাথে ভোটদান ইত্যাদি। অধিকার ও কর্তব্যের এসব বিষয় পৌরনীতি আলোচনা করে।শুধু তাই নয়, রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে তার অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ কিংবা স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ভূমিকা কী হবে সে বিষয়েও পৌরনীতি ধারণা প্রদান করে ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করে। ফলে একজন নাগরিক স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে সুনাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়। এসব কারণে পৌরনীতি ও সুশাসনের পরিধি অত্যন্ত ব্যাপক।
উদ্দীপকে উল্লিখিত রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ব্যবস্থা অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে- মতামত দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় সুশাসন বিদ্যমান। এক্ষেত্রে সুশাসন অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে- উক্তিটি যথার্থ। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, নবীনদের রাষ্ট্রে বর্তমানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে রাষ্ট্রের যাবতীয় কার্মকান্ড পরিচালিত হওয়ায় সরকারের জনপ্রিয়তা ক্রমশ বাড়ছে। অর্থাৎ তাদের রাষ্ট্রে সুশাসন বিদ্যমান। আর অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সুশাসন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুশাসন হলো একটি রাষ্ট্র পরিচালনার এমন প্রক্রিয়া যেখানে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, ন্যায়বিচার, দুর্নীতি দমন ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত থাকে। এর মূল লক্ষ্য হলো জনকল্যাণ নিশ্চিত করা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা, যা একটি টেকসই ও স্থিতিশীল সমাজ গঠনে সহায়তা করে। সুশাসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রে সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জিত হয়, যা বিনিয়োগ, শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ায়। সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার এবং বৈষম্য হ্রাসের মাধ্যমে আয় বণ্টনের ভারসাম্য রক্ষা করা যায়। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, জনসম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং ন্যায়সংগত আর্থিক নীতি প্রণয়নের ফলে জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পায়। এটি উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করে এবং একচেটিয়া কারবার রোধ করে। ফলে উৎপাদন বৃদ্ধি পায়, বেকারত্ব কমে এবং রাষ্ট্র অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে ওঠে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা দূর করে অর্থনৈতিক খাতে একটি স্থায়ী কাঠামো তৈরি হয়, যা দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন নিশ্চিত করে। সুশাসন জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণে রাষ্ট্রকে কার্যকরভাবে পরিচালিত করে, ফলে জনসেবা কার্যক্রম আরও ফলপ্রসূ হয়। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সুশাসন এমন একটি পরিবেশ তৈরি করে, যেখানে জাতীয় আয় বৃদ্ধি এবং তা জনগণের কল্যাণে ব্যবহৃত হয়। সুতরাং, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সুশাসনের উপস্থিতি রাষ্ট্রের উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে, আয় ও সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করে এবং রাষ্ট্রকে বৈদেশিক নির্ভরশীলতা থেকে মুক্ত করে একটি আত্মনির্ভরশীল অর্থনীতি গড়ে তোলে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নবীন উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির ছাত্র। তার শিক্ষক তাকে নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কিত একটি বিষয় অধ্যয়ন করতে বলেন, কারণ দায়িত্বসম্পন্ন সুনাগরিকতার শিক্ষা এ বিষয় থেকে পাওয়া যায়। নবীনদের রাষ্ট্রে বর্তমানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে রাষ্ট্রের যাবতীয় কর্মকাণ্ড পরিচালিত হওয়ায় সরকারের জনপ্রিয়তা ক্রমশ বাড়ছে।

Chittagong · 2025

কোন প্রতিষ্ঠান সর্বপ্রথম সুশাসন সম্পর্কে ধারণা প্রদান করে?

উত্তর

বিশ্বব্যাংক সর্বপ্রথম সুশাসন সম্পর্কে ধারণা প্রদান করে।
স্বজনপ্রীতি কী?

উত্তর

সাধারণভাবে স্বজনপ্রীতি হচ্ছে আত্মীয় তোষণ। স্বজনপ্রীতি বলতে বোঝায় স্বজনদের বিশেষ সুবিধা প্রদান করা। কিন্তু প্রশাসনিক অর্থে নিয়োগ, বদলি, পদায়ন বা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে স্বজনদের অগ্রাধিকার প্রদান করাই হচ্ছে স্বজনপ্রীতি।
নবীনের শিক্ষক যে বিষয়টি অধ্যয়ন করতে বলেছেন তার স্বরূপ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

নবীনের শিক্ষক পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়টি অধ্যয়ন করতে বলেছেন।উদ্দীপকে বলা হয়েছে, নবীন উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির ছাত্র। তার শিক্ষক তাকে নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কিত একটি বিষয় অধ্যয়ন করতে বলেন। কারণ দায়িত্বসম্পন্ন সুনাগরিকতার শিক্ষা এ বিষয় থেকে পাওয়া যায়। এরূপ বৈশিষ্ট্যগুলো পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়টিকে উপস্থাপন করে।পৌরনীতি নাগরিকতাবিষয়ক বিজ্ঞান। নাগরিকতার সাথে জড়িত সকল বিষয় নিয়ে পৌরনীতি ও সুশাসন আলোচনা করে। এক্ষেত্রে নাগরিকের ব্যক্তিত্ব বিকাশের জন্য আমরা যেমন রাষ্ট্রপ্রদত্ত সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও মৌলিক অধিকার ভোগ করি, তেমনি আমাদেরকেও রাষ্ট্রকে সচল, গতিশীল ও প্রাণবন্ত করার জন্য বিভিন্ন কর্তব্য পালন করতে হয়। যেমন- রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ, আইন মান্য করা, সঠিক সময়ে কর প্রদান করা, সন্তানদের শিক্ষিত করা, রাষ্ট্রের সেবা করা, সততার সাথে ভোটদান ইত্যাদি। অধিকার ও কর্তব্যের এসব বিষয় পৌরনীতি আলোচনা করে।শুধু তাই নয়, রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে তার অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ কিংবা স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ভূমিকা কী হবে সে বিষয়েও পৌরনীতি ধারণা প্রদান করে ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করে। ফলে একজন নাগরিক স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে সুনাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়। এসব কারণে পৌরনীতি ও সুশাসনের পরিধি অত্যন্ত ব্যাপক।
উদ্দীপকে উল্লিখিত রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ব্যবস্থা অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে- মতামত দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় সুশাসন বিদ্যমান। এক্ষেত্রে সুশাসন অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে- উক্তিটি যথার্থ। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, নবীনদের রাষ্ট্রে বর্তমানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে রাষ্ট্রের যাবতীয় কার্মকান্ড পরিচালিত হওয়ায় সরকারের জনপ্রিয়তা ক্রমশ বাড়ছে। অর্থাৎ তাদের রাষ্ট্রে সুশাসন বিদ্যমান। আর অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সুশাসন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুশাসন হলো একটি রাষ্ট্র পরিচালনার এমন প্রক্রিয়া যেখানে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, ন্যায়বিচার, দুর্নীতি দমন ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত থাকে। এর মূল লক্ষ্য হলো জনকল্যাণ নিশ্চিত করা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা, যা একটি টেকসই ও স্থিতিশীল সমাজ গঠনে সহায়তা করে। সুশাসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রে সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জিত হয়, যা বিনিয়োগ, শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ায়। সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার এবং বৈষম্য হ্রাসের মাধ্যমে আয় বণ্টনের ভারসাম্য রক্ষা করা যায়। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, জনসম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং ন্যায়সংগত আর্থিক নীতি প্রণয়নের ফলে জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পায়। এটি উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করে এবং একচেটিয়া কারবার রোধ করে। ফলে উৎপাদন বৃদ্ধি পায়, বেকারত্ব কমে এবং রাষ্ট্র অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে ওঠে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা দূর করে অর্থনৈতিক খাতে একটি স্থায়ী কাঠামো তৈরি হয়, যা দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন নিশ্চিত করে। সুশাসন জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণে রাষ্ট্রকে কার্যকরভাবে পরিচালিত করে, ফলে জনসেবা কার্যক্রম আরও ফলপ্রসূ হয়। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সুশাসন এমন একটি পরিবেশ তৈরি করে, যেখানে জাতীয় আয় বৃদ্ধি এবং তা জনগণের কল্যাণে ব্যবহৃত হয়। সুতরাং, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সুশাসনের উপস্থিতি রাষ্ট্রের উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে, আয় ও সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করে এবং রাষ্ট্রকে বৈদেশিক নির্ভরশীলতা থেকে মুক্ত করে একটি আত্মনির্ভরশীল অর্থনীতি গড়ে তোলে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নবীন উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির ছাত্র। তার শিক্ষক তাকে নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কিত একটি বিষয় অধ্যয়ন করতে বলেন, কারণ দায়িত্বসম্পন্ন সুনাগরিকতার শিক্ষা এ বিষয় থেকে পাওয়া যায়। নবীনদের রাষ্ট্রে বর্তমানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে রাষ্ট্রের যাবতীয় কর্মকাণ্ড পরিচালিত হওয়ায় সরকারের জনপ্রিয়তা ক্রমশ বাড়ছে।

Chittagong · 2025

কোন প্রতিষ্ঠান সর্বপ্রথম সুশাসন সম্পর্কে ধারণা প্রদান করে?

উত্তর

বিশ্বব্যাংক সর্বপ্রথম সুশাসন সম্পর্কে ধারণা প্রদান করে।
স্বজনপ্রীতি কী?

উত্তর

সাধারণভাবে স্বজনপ্রীতি হচ্ছে আত্মীয় তোষণ। স্বজনপ্রীতি বলতে বোঝায় স্বজনদের বিশেষ সুবিধা প্রদান করা। কিন্তু প্রশাসনিক অর্থে নিয়োগ, বদলি, পদায়ন বা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে স্বজনদের অগ্রাধিকার প্রদান করাই হচ্ছে স্বজনপ্রীতি।
নবীনের শিক্ষক যে বিষয়টি অধ্যয়ন করতে বলেছেন তার স্বরূপ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

নবীনের শিক্ষক পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়টি অধ্যয়ন করতে বলেছেন।উদ্দীপকে বলা হয়েছে, নবীন উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির ছাত্র। তার শিক্ষক তাকে নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কিত একটি বিষয় অধ্যয়ন করতে বলেন। কারণ দায়িত্বসম্পন্ন সুনাগরিকতার শিক্ষা এ বিষয় থেকে পাওয়া যায়। এরূপ বৈশিষ্ট্যগুলো পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়টিকে উপস্থাপন করে।পৌরনীতি নাগরিকতাবিষয়ক বিজ্ঞান। নাগরিকতার সাথে জড়িত সকল বিষয় নিয়ে পৌরনীতি ও সুশাসন আলোচনা করে। এক্ষেত্রে নাগরিকের ব্যক্তিত্ব বিকাশের জন্য আমরা যেমন রাষ্ট্রপ্রদত্ত সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও মৌলিক অধিকার ভোগ করি, তেমনি আমাদেরকেও রাষ্ট্রকে সচল, গতিশীল ও প্রাণবন্ত করার জন্য বিভিন্ন কর্তব্য পালন করতে হয়। যেমন- রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ, আইন মান্য করা, সঠিক সময়ে কর প্রদান করা, সন্তানদের শিক্ষিত করা, রাষ্ট্রের সেবা করা, সততার সাথে ভোটদান ইত্যাদি। অধিকার ও কর্তব্যের এসব বিষয় পৌরনীতি আলোচনা করে।শুধু তাই নয়, রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে তার অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ কিংবা স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ভূমিকা কী হবে সে বিষয়েও পৌরনীতি ধারণা প্রদান করে ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করে। ফলে একজন নাগরিক স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে সুনাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়। এসব কারণে পৌরনীতি ও সুশাসনের পরিধি অত্যন্ত ব্যাপক।
উদ্দীপকে উল্লিখিত রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ব্যবস্থা অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে- মতামত দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় সুশাসন বিদ্যমান। এক্ষেত্রে সুশাসন অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে- উক্তিটি যথার্থ। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, নবীনদের রাষ্ট্রে বর্তমানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে রাষ্ট্রের যাবতীয় কার্মকান্ড পরিচালিত হওয়ায় সরকারের জনপ্রিয়তা ক্রমশ বাড়ছে। অর্থাৎ তাদের রাষ্ট্রে সুশাসন বিদ্যমান। আর অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সুশাসন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুশাসন হলো একটি রাষ্ট্র পরিচালনার এমন প্রক্রিয়া যেখানে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, ন্যায়বিচার, দুর্নীতি দমন ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত থাকে। এর মূল লক্ষ্য হলো জনকল্যাণ নিশ্চিত করা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা, যা একটি টেকসই ও স্থিতিশীল সমাজ গঠনে সহায়তা করে। সুশাসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রে সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জিত হয়, যা বিনিয়োগ, শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ায়। সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার এবং বৈষম্য হ্রাসের মাধ্যমে আয় বণ্টনের ভারসাম্য রক্ষা করা যায়। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, জনসম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং ন্যায়সংগত আর্থিক নীতি প্রণয়নের ফলে জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পায়। এটি উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করে এবং একচেটিয়া কারবার রোধ করে। ফলে উৎপাদন বৃদ্ধি পায়, বেকারত্ব কমে এবং রাষ্ট্র অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে ওঠে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা দূর করে অর্থনৈতিক খাতে একটি স্থায়ী কাঠামো তৈরি হয়, যা দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন নিশ্চিত করে। সুশাসন জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণে রাষ্ট্রকে কার্যকরভাবে পরিচালিত করে, ফলে জনসেবা কার্যক্রম আরও ফলপ্রসূ হয়। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সুশাসন এমন একটি পরিবেশ তৈরি করে, যেখানে জাতীয় আয় বৃদ্ধি এবং তা জনগণের কল্যাণে ব্যবহৃত হয়। সুতরাং, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সুশাসনের উপস্থিতি রাষ্ট্রের উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে, আয় ও সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করে এবং রাষ্ট্রকে বৈদেশিক নির্ভরশীলতা থেকে মুক্ত করে একটি আত্মনির্ভরশীল অর্থনীতি গড়ে তোলে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নবীন উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির ছাত্র। তার শিক্ষক তাকে নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কিত একটি বিষয় অধ্যয়ন করতে বলেন, কারণ দায়িত্বসম্পন্ন সুনাগরিকতার শিক্ষা এ বিষয় থেকে পাওয়া যায়। নবীনদের রাষ্ট্রে বর্তমানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে রাষ্ট্রের যাবতীয় কর্মকাণ্ড পরিচালিত হওয়ায় সরকারের জনপ্রিয়তা ক্রমশ বাড়ছে।

Chittagong · 2025

কোন প্রতিষ্ঠান সর্বপ্রথম সুশাসন সম্পর্কে ধারণা প্রদান করে?

উত্তর

বিশ্বব্যাংক সর্বপ্রথম সুশাসন সম্পর্কে ধারণা প্রদান করে।
স্বজনপ্রীতি কী?

উত্তর

সাধারণভাবে স্বজনপ্রীতি হচ্ছে আত্মীয় তোষণ। স্বজনপ্রীতি বলতে বোঝায় স্বজনদের বিশেষ সুবিধা প্রদান করা। কিন্তু প্রশাসনিক অর্থে নিয়োগ, বদলি, পদায়ন বা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে স্বজনদের অগ্রাধিকার প্রদান করাই হচ্ছে স্বজনপ্রীতি।
নবীনের শিক্ষক যে বিষয়টি অধ্যয়ন করতে বলেছেন তার স্বরূপ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

নবীনের শিক্ষক পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়টি অধ্যয়ন করতে বলেছেন।উদ্দীপকে বলা হয়েছে, নবীন উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির ছাত্র। তার শিক্ষক তাকে নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কিত একটি বিষয় অধ্যয়ন করতে বলেন। কারণ দায়িত্বসম্পন্ন সুনাগরিকতার শিক্ষা এ বিষয় থেকে পাওয়া যায়। এরূপ বৈশিষ্ট্যগুলো পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়টিকে উপস্থাপন করে।পৌরনীতি নাগরিকতাবিষয়ক বিজ্ঞান। নাগরিকতার সাথে জড়িত সকল বিষয় নিয়ে পৌরনীতি ও সুশাসন আলোচনা করে। এক্ষেত্রে নাগরিকের ব্যক্তিত্ব বিকাশের জন্য আমরা যেমন রাষ্ট্রপ্রদত্ত সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও মৌলিক অধিকার ভোগ করি, তেমনি আমাদেরকেও রাষ্ট্রকে সচল, গতিশীল ও প্রাণবন্ত করার জন্য বিভিন্ন কর্তব্য পালন করতে হয়। যেমন- রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ, আইন মান্য করা, সঠিক সময়ে কর প্রদান করা, সন্তানদের শিক্ষিত করা, রাষ্ট্রের সেবা করা, সততার সাথে ভোটদান ইত্যাদি। অধিকার ও কর্তব্যের এসব বিষয় পৌরনীতি আলোচনা করে।শুধু তাই নয়, রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে তার অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ কিংবা স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ভূমিকা কী হবে সে বিষয়েও পৌরনীতি ধারণা প্রদান করে ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করে। ফলে একজন নাগরিক স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে সুনাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়। এসব কারণে পৌরনীতি ও সুশাসনের পরিধি অত্যন্ত ব্যাপক।
উদ্দীপকে উল্লিখিত রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ব্যবস্থা অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে- মতামত দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় সুশাসন বিদ্যমান। এক্ষেত্রে সুশাসন অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে- উক্তিটি যথার্থ। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, নবীনদের রাষ্ট্রে বর্তমানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে রাষ্ট্রের যাবতীয় কার্মকান্ড পরিচালিত হওয়ায় সরকারের জনপ্রিয়তা ক্রমশ বাড়ছে। অর্থাৎ তাদের রাষ্ট্রে সুশাসন বিদ্যমান। আর অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সুশাসন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুশাসন হলো একটি রাষ্ট্র পরিচালনার এমন প্রক্রিয়া যেখানে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, ন্যায়বিচার, দুর্নীতি দমন ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত থাকে। এর মূল লক্ষ্য হলো জনকল্যাণ নিশ্চিত করা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা, যা একটি টেকসই ও স্থিতিশীল সমাজ গঠনে সহায়তা করে। সুশাসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রে সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জিত হয়, যা বিনিয়োগ, শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ায়। সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার এবং বৈষম্য হ্রাসের মাধ্যমে আয় বণ্টনের ভারসাম্য রক্ষা করা যায়। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, জনসম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং ন্যায়সংগত আর্থিক নীতি প্রণয়নের ফলে জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পায়। এটি উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করে এবং একচেটিয়া কারবার রোধ করে। ফলে উৎপাদন বৃদ্ধি পায়, বেকারত্ব কমে এবং রাষ্ট্র অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে ওঠে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা দূর করে অর্থনৈতিক খাতে একটি স্থায়ী কাঠামো তৈরি হয়, যা দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন নিশ্চিত করে। সুশাসন জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণে রাষ্ট্রকে কার্যকরভাবে পরিচালিত করে, ফলে জনসেবা কার্যক্রম আরও ফলপ্রসূ হয়। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সুশাসন এমন একটি পরিবেশ তৈরি করে, যেখানে জাতীয় আয় বৃদ্ধি এবং তা জনগণের কল্যাণে ব্যবহৃত হয়। সুতরাং, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সুশাসনের উপস্থিতি রাষ্ট্রের উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে, আয় ও সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করে এবং রাষ্ট্রকে বৈদেশিক নির্ভরশীলতা থেকে মুক্ত করে একটি আত্মনির্ভরশীল অর্থনীতি গড়ে তোলে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

জনাব 'ক' একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে তার অনুসারীদের উদ্দেশ্যে বললেন, মানুষের বাহ্যিক আচার-আচরণ নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্র অনুমোদিত বিধিবিধান সকলকে অনুসরণ করতে হবে। গতকাল তার বাড়ির সামনে দারোয়ানের নিকট একজন ভিক্ষুক সাহায্য চাইলে, সে তাকে ধাক্কা দেয়। বিষয়টি জুনায়েদ হোসেনকে মর্মাহত করে। তিনি দারোয়ানকে কথাবার্তা, আচার-আচরণের নীতি অনুসরণ করার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, মানুষের মনোজগতকে নিয়ন্ত্রণের জন্য এসব নীতির অনুসরণ অপরিহার্য।

Chittagong · 2025

বিশ্ব মানবাধিকার দিবস কবে পালিত হয়?

উত্তর

১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত হয়।
মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ করা জরুরি কেন?

উত্তর

মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ করা জরুরি, কারণ এগুলো নাগরিকদের স্বাধীন ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের নিশ্চয়তা দেয়। মৌলিক অধিকার ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা, মতপ্রকাশ, ধর্মপালন, সমতা ও নিরাপত্তার মতো মানবিক অধিকারকে নিশ্চিত করে। এগুলো সংরক্ষিত না হলে রাষ্ট্র ইচ্ছামতো নাগরিকের ওপর দমনমূলক আচরণ করতে পারে, যা গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। তাই মৌলিক অধিকার রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব এবং সচেতন নাগরিক হিসেবে এসব অধিকারের সুরক্ষা সম্পর্কে জানা ও তা প্রয়োগের দাবি তোলা আমাদের কর্তব্য।
উদ্দীপকের প্রথমাংশে ইঙ্গিতকৃত বিষয়টির তিনটি উৎস ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের প্রথমাংশে ইঙ্গিতকৃত বিষয়টি হলো আইন। আইনের তিনটি উৎস হলো- প্রথা, ধর্মীয় বিধিবিধান ও বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা। উদ্দীপকে দেখা যায়, জনাব 'ক' তার ধর্মীয় অনুসারীদের উদ্দেশ্যে বলেন যে, মানুষের আচরণ নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্র অনুমোদিত নিয়ম সকলের মানা উচিত। এই বক্তব্যে আইন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেওয়া হয়েছে। আইনের ছয়টি উৎস রয়েছে। তার মধ্যে তিনটি হলো- প্রথা, ধর্মীয় বিধিবিধান ও বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা। আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হলো প্রথা। দীর্ঘদিন ধরে সমাজে চলে আসা রীতিনীতি ও আচার-ব্যবহার প্রথায় পরিণত হয় এবং জনসমর্থনের মাধ্যমে অনেক সময় তা আইনগত স্বীকৃতি লাভ করে। দ্বিতীয়ত, ধর্মীয় বিধিবিধান অনেক সমাজে আইন তৈরির ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ধর্মীয় অনুশাসন ও ধর্মগ্রন্থ থেকে সংগৃহীত নিয়মাবলির ওপর ভিত্তি করেই অনেক রাষ্ট্রে পারিবারিক বা উত্তরাধিকার সংক্রান্ত আইন গঠিত হয়। তৃতীয় উৎস হলো বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা, অর্থাৎ আইনবিদদের গবেষণাভিত্তিক ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ। এসব ব্যাখ্যা আদালতে প্রভাব ফেলে এবং আইন প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই তিনটি উৎসই আইনকে সমাজে কার্যকর, গ্রহণযোগ্য ও সময়োপযোগী করে তোলে।
উদ্দীপকে তোমার পাঠ্যবইয়ের যে দুটি বিষয়ের কথা বলা হয়েছে তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে আমার পাঠ্যবইয়ের যে দুইটি বিষয়ের কথা বলা হয়েছে। তা হলো আইন ও নৈতিকতা। এদের পারস্পরিক সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য।আইন ও নৈতিকতা উভয়ই মানুষের সমাজজীবন পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক। আইন হলো রাষ্ট্র কর্তৃক প্রণীত বাধ্যতামূলক বিধান, যা মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে। অপরদিকে, নৈতিকতা হচ্ছে ভালো-মন্দ, উচিত-অনুচিত, ন্যায়-অন্যায়ের ধারণার ভিত্তিতে গঠিত বিধিবিধান, যা মানুষের মনোজগত ও অভ্যন্তরীণ আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে।আইন ও নৈতিকতা পরস্পরের পরিপূরক এবং এদের মধ্যে একটি অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক বিদ্যমান। উভয়েরই উদ্দেশ্য হলো সমাজে শৃঙ্খলা ও কল্যাণ নিশ্চিত করা। আইন সমাজের প্রথা, ধর্ম, ন্যায়বোধ থেকে উৎসারিত, যা নৈতিকতারও উৎস। মানুষের নৈতিক মান যত উন্নত হয়, আইন তত কার্যকর হয়। আইন প্রণয়ন ও প্রবর্তনে সমাজের নীতিবোধ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আবার কখনো কখনো আইনই সমাজের প্রচলিত নৈতিকতাকে প্রভাবিত করে এবং পরিবর্তনের পথ দেখায়। উদাহরণ হিসেবে, আগে কোনো কাজ সমাজে নীতিসম্মত মনে হলেও আইন করে তা নিষিদ্ধ করার ফলে সমাজেও সেই কাজকে নীতিবিরোধী মনে করা হয়। আইন বাহ্যিক নিয়ন্ত্রণ আরোপ করলেও তা কার্যকর হয় মানুষের নীতিবোধের মাধ্যমে। আবার নৈতিকতা যদি একেবারে অবহেলিত হয়, তবে আইনের শাসনও প্রশ্নবিদ্ধ হয়। সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় উভয়ের সমন্বয় অপরিহার্য।অতএব বলা যায়, একটি সুশৃঙ্খল, ন্যায়ভিত্তিক ও উন্নত সমাজ গঠনে আইন ও নৈতিকতার সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য এবং একে অন্যের পরিপূরক শক্তি হিসেবে কাজ করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

জনাব 'ক' একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে তার অনুসারীদের উদ্দেশ্যে বললেন, মানুষের বাহ্যিক আচার-আচরণ নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্র অনুমোদিত বিধিবিধান সকলকে অনুসরণ করতে হবে। গতকাল তার বাড়ির সামনে দারোয়ানের নিকট একজন ভিক্ষুক সাহায্য চাইলে, সে তাকে ধাক্কা দেয়। বিষয়টি জুনায়েদ হোসেনকে মর্মাহত করে। তিনি দারোয়ানকে কথাবার্তা, আচার-আচরণের নীতি অনুসরণ করার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, মানুষের মনোজগতকে নিয়ন্ত্রণের জন্য এসব নীতির অনুসরণ অপরিহার্য।

Chittagong · 2025

বিশ্ব মানবাধিকার দিবস কবে পালিত হয়?

উত্তর

১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত হয়।
মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ করা জরুরি কেন?

উত্তর

মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ করা জরুরি, কারণ এগুলো নাগরিকদের স্বাধীন ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের নিশ্চয়তা দেয়। মৌলিক অধিকার ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা, মতপ্রকাশ, ধর্মপালন, সমতা ও নিরাপত্তার মতো মানবিক অধিকারকে নিশ্চিত করে। এগুলো সংরক্ষিত না হলে রাষ্ট্র ইচ্ছামতো নাগরিকের ওপর দমনমূলক আচরণ করতে পারে, যা গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। তাই মৌলিক অধিকার রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব এবং সচেতন নাগরিক হিসেবে এসব অধিকারের সুরক্ষা সম্পর্কে জানা ও তা প্রয়োগের দাবি তোলা আমাদের কর্তব্য।
উদ্দীপকের প্রথমাংশে ইঙ্গিতকৃত বিষয়টির তিনটি উৎস ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের প্রথমাংশে ইঙ্গিতকৃত বিষয়টি হলো আইন। আইনের তিনটি উৎস হলো- প্রথা, ধর্মীয় বিধিবিধান ও বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা। উদ্দীপকে দেখা যায়, জনাব 'ক' তার ধর্মীয় অনুসারীদের উদ্দেশ্যে বলেন যে, মানুষের আচরণ নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্র অনুমোদিত নিয়ম সকলের মানা উচিত। এই বক্তব্যে আইন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেওয়া হয়েছে। আইনের ছয়টি উৎস রয়েছে। তার মধ্যে তিনটি হলো- প্রথা, ধর্মীয় বিধিবিধান ও বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা। আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হলো প্রথা। দীর্ঘদিন ধরে সমাজে চলে আসা রীতিনীতি ও আচার-ব্যবহার প্রথায় পরিণত হয় এবং জনসমর্থনের মাধ্যমে অনেক সময় তা আইনগত স্বীকৃতি লাভ করে। দ্বিতীয়ত, ধর্মীয় বিধিবিধান অনেক সমাজে আইন তৈরির ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ধর্মীয় অনুশাসন ও ধর্মগ্রন্থ থেকে সংগৃহীত নিয়মাবলির ওপর ভিত্তি করেই অনেক রাষ্ট্রে পারিবারিক বা উত্তরাধিকার সংক্রান্ত আইন গঠিত হয়। তৃতীয় উৎস হলো বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা, অর্থাৎ আইনবিদদের গবেষণাভিত্তিক ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ। এসব ব্যাখ্যা আদালতে প্রভাব ফেলে এবং আইন প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই তিনটি উৎসই আইনকে সমাজে কার্যকর, গ্রহণযোগ্য ও সময়োপযোগী করে তোলে।
উদ্দীপকে তোমার পাঠ্যবইয়ের যে দুটি বিষয়ের কথা বলা হয়েছে তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে আমার পাঠ্যবইয়ের যে দুইটি বিষয়ের কথা বলা হয়েছে। তা হলো আইন ও নৈতিকতা। এদের পারস্পরিক সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য।আইন ও নৈতিকতা উভয়ই মানুষের সমাজজীবন পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক। আইন হলো রাষ্ট্র কর্তৃক প্রণীত বাধ্যতামূলক বিধান, যা মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে। অপরদিকে, নৈতিকতা হচ্ছে ভালো-মন্দ, উচিত-অনুচিত, ন্যায়-অন্যায়ের ধারণার ভিত্তিতে গঠিত বিধিবিধান, যা মানুষের মনোজগত ও অভ্যন্তরীণ আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে।আইন ও নৈতিকতা পরস্পরের পরিপূরক এবং এদের মধ্যে একটি অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক বিদ্যমান। উভয়েরই উদ্দেশ্য হলো সমাজে শৃঙ্খলা ও কল্যাণ নিশ্চিত করা। আইন সমাজের প্রথা, ধর্ম, ন্যায়বোধ থেকে উৎসারিত, যা নৈতিকতারও উৎস। মানুষের নৈতিক মান যত উন্নত হয়, আইন তত কার্যকর হয়। আইন প্রণয়ন ও প্রবর্তনে সমাজের নীতিবোধ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আবার কখনো কখনো আইনই সমাজের প্রচলিত নৈতিকতাকে প্রভাবিত করে এবং পরিবর্তনের পথ দেখায়। উদাহরণ হিসেবে, আগে কোনো কাজ সমাজে নীতিসম্মত মনে হলেও আইন করে তা নিষিদ্ধ করার ফলে সমাজেও সেই কাজকে নীতিবিরোধী মনে করা হয়। আইন বাহ্যিক নিয়ন্ত্রণ আরোপ করলেও তা কার্যকর হয় মানুষের নীতিবোধের মাধ্যমে। আবার নৈতিকতা যদি একেবারে অবহেলিত হয়, তবে আইনের শাসনও প্রশ্নবিদ্ধ হয়। সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় উভয়ের সমন্বয় অপরিহার্য।অতএব বলা যায়, একটি সুশৃঙ্খল, ন্যায়ভিত্তিক ও উন্নত সমাজ গঠনে আইন ও নৈতিকতার সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য এবং একে অন্যের পরিপূরক শক্তি হিসেবে কাজ করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো