শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব বাংলা ১ম পত্র

SSC বাংলা ১ম পত্র এর শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

১৬৪

প্রশ্ন

বাংলা ১ম পত্র

বিষয়

SSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

রহমত ও কিসমত একসাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়া শেষ করে উচ্চপদে চাকরি নেয়। রহমত কয়েক বছরের মধ্যেই প্রচুর সম্পদের মালিক হয়ে যায়। কিন্তু কিসমত সচ্ছল জীবনযাপন করলেও অর্থ-বিত্তের পেছনে ছোটেন না, বরং তার সঞ্চয় থেকে গ্রামে দরিদ্র-অসহায় মানুষের জন্য কুটিরশিল্প তৈরির সংস্থা গড়ে তোলেন।

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2026

ক
অন্নবস্ত্রের প্রাচুর্যের চেয়েও কোনটি বড়ো?

উত্তর

অন্নবস্ত্রের প্রাচুর্যের চেয়েও মুক্তি বড়ো।
খ
শিক্ষার অপ্রয়োজনীয় দিকটিকে লেখক শ্রেষ্ঠ দিক বলেছেন কেন?

উত্তর

শিক্ষার অপ্রয়োজনের দিকই শ্রেষ্ঠ দিক। কারণ এই দিক মানুষের মনকে বিকশিত করে, মনুষ্যত্ব অর্জনে সহায়তা করে। শিক্ষার দুটি দিক- একটি প্রয়োজনের, অন্যটি অপ্রয়োজনের। দ্বিতীয় দিকটি মানুষের মনের দুয়ার উন্মোচিত করে তাকে শেখায় কীভাবে জীবনকে উপভোগ করতে হয়। শুধু তাই নয়, এর মাধ্যমেই মানুষ অনুভূতি ও কল্পনার রস আস্বাদন করতে পারে। তার সুপ্ত মন শিক্ষার স্পর্শ পেয়ে অন্য দশজন সাধারণ ব্যক্তি থেকে পৃথক হয়ে ওঠে। এসব কারণে শিক্ষার অপ্রয়োজনের দিকটিই শ্রেষ্ঠ।
গ
উদ্দীপকের রহমতের চরিত্রে 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের রহমতের চরিত্রে 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধের জীবসত্তা বা ক্ষুৎপিপাসাকে প্রাধান্য দেওয়ার দিকটি ফুটে উঠেছে। 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধে লেখক মানবজীবনে জীবসত্তার দিককে গুরুত্ব দেওয়ার নেতিবাচক দিক তথা পরিণতি তুলে ধরেছেন। তিনি মনে করেন, মানুষ যখন অর্থচিন্তাকে প্রাধান্য দেয় তখন সে শিক্ষিত হয়েও অন্যায় কাজে লিপ্ত হয়। ফলে একসময় সে হয়ে পড়ে মনুষ্যত্বহীন। এভাবেই জীবসত্তার অনুসরণ মানুষকে অমানুষ করে ফেলে। উদ্দীপকের রহমত বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়া শেষ করে উচ্চপদে চাকরি নেয়। কয়েক বছরের মধ্যেই সে প্রচুর সম্পদের মালিক হয়ে যায়। অর্থাৎ এককথায় জীবসত্তার প্রয়োজন মেটাতে রহমত অর্থের আকাঙ্ক্ষায় লোভী হয়ে উঠেছে। এই বিষয়টি 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধেও লেখক তুলে ধরেছেন। তাঁর মতে জীবসত্তার তাগিদে মানুষ অর্থাস্তার নিগড়ে বন্দি হয়ে পড়ে। এভাবে উদ্দীপকের রহমতের মধ্যে 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধের জীবসত্তার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।
ঘ
"উদ্দীপকের কিসমতের কাজে প্রবন্ধের শিক্ষণীয় দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে।”- যুক্তি দাও।

উত্তর

শিক্ষা অর্জনের মাধ্যমে অর্থচিন্তার সমাধান ও মনুষ্যত্বের স্বাদ পাওয়ার প্রচেষ্টার মধ্যে সমন্বয় থাকায় "উদ্দীপকের কিসমতের কাজে প্রবন্ধের শিক্ষণীয় দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে।"- মন্তব্যটি যৌক্তিক। 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধে লেখক প্রকৃত শিক্ষা লাভ করে জ্ঞান অর্জন ও অন্তরের মুক্তির মাধ্যমে মানুষ কীভাবে একজন প্রকৃত মানুষে রূপান্তরিত হতে পারে সেই দিকটি তুলে ধরেছেন। তিনি মনে করেন, জীবসত্তা ও মানবসত্তা নামে মানুষের দুটি সত্তা আছে। আর জীবসত্তার প্রয়োজনে অন্নবস্ত্রের চিন্তা থেকে মুক্তি ও শিক্ষা লাভের মাধ্যমে মানুষ মনুষ্যত্বলোকে প্রবেশ করে। উদ্দীপকের কিসমত বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষ করে উচ্চপদে চাকরি নেয়। তবে তার মধ্যে অর্থের প্রতি লোভ দেখা যায় না। তিনি শিক্ষা অর্জন করে অর্থ-বিত্তের পিছনে না ছোটে সচ্ছল জীবনযাপন করেছেন। পাশাপাশি তার সঞ্চয় থেকে গ্রামে দরিদ্র-অসহায় মানুষের জন্য কুটিরশিল্প তৈরির সংস্থা গড়ে তোলেন। 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধেও লেখক কিসমতের মতো মানুষই প্রত্যাশা করেছেন। যে শিক্ষা অর্জনের মাধ্যমে নিজের অর্থচিন্তা ও মনুষ্যত্ববোধ জাগ্রত হয়ে মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত হবে। 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধে লেখক মনুষ্যত্ব অর্জনকে শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত বলে মনে করেছেন। তিনি বলেছেন শিক্ষা মানুষকে মুক্তির ও মনুষ্যত্বলোকের সন্ধান দেয়। এক্ষেত্রে তিনি অর্থচিন্তার সমাধান ও মনুষ্যত্ব অর্জন দুটো দিককেই গুরুত্ব দিতে বলেছেন। নতুবা শিক্ষা অর্জনের উদ্দেশ্য ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে। উদ্দীপকের কিসমতের কাজে লেখকের প্রত্যাশাই বাস্তবাযিত হয়েছে। তাই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

রহমত ও কিসমত একসাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়া শেষ করে উচ্চপদে চাকরি নেয়। রহমত কয়েক বছরের মধ্যেই প্রচুর সম্পদের মালিক হয়ে যায়। কিন্তু কিসমত সচ্ছল জীবনযাপন করলেও অর্থ-বিত্তের পেছনে ছোটেন না, বরং তার সঞ্চয় থেকে গ্রামে দরিদ্র-অসহায় মানুষের জন্য কুটিরশিল্প তৈরির সংস্থা গড়ে তোলেন।

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2026

ক
অন্নবস্ত্রের প্রাচুর্যের চেয়েও কোনটি বড়ো?

উত্তর

অন্নবস্ত্রের প্রাচুর্যের চেয়েও মুক্তি বড়ো।
খ
শিক্ষার অপ্রয়োজনীয় দিকটিকে লেখক শ্রেষ্ঠ দিক বলেছেন কেন?

উত্তর

শিক্ষার অপ্রয়োজনের দিকই শ্রেষ্ঠ দিক। কারণ এই দিক মানুষের মনকে বিকশিত করে, মনুষ্যত্ব অর্জনে সহায়তা করে। শিক্ষার দুটি দিক- একটি প্রয়োজনের, অন্যটি অপ্রয়োজনের। দ্বিতীয় দিকটি মানুষের মনের দুয়ার উন্মোচিত করে তাকে শেখায় কীভাবে জীবনকে উপভোগ করতে হয়। শুধু তাই নয়, এর মাধ্যমেই মানুষ অনুভূতি ও কল্পনার রস আস্বাদন করতে পারে। তার সুপ্ত মন শিক্ষার স্পর্শ পেয়ে অন্য দশজন সাধারণ ব্যক্তি থেকে পৃথক হয়ে ওঠে। এসব কারণে শিক্ষার অপ্রয়োজনের দিকটিই শ্রেষ্ঠ।
গ
উদ্দীপকের রহমতের চরিত্রে 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের রহমতের চরিত্রে 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধের জীবসত্তা বা ক্ষুৎপিপাসাকে প্রাধান্য দেওয়ার দিকটি ফুটে উঠেছে। 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধে লেখক মানবজীবনে জীবসত্তার দিককে গুরুত্ব দেওয়ার নেতিবাচক দিক তথা পরিণতি তুলে ধরেছেন। তিনি মনে করেন, মানুষ যখন অর্থচিন্তাকে প্রাধান্য দেয় তখন সে শিক্ষিত হয়েও অন্যায় কাজে লিপ্ত হয়। ফলে একসময় সে হয়ে পড়ে মনুষ্যত্বহীন। এভাবেই জীবসত্তার অনুসরণ মানুষকে অমানুষ করে ফেলে। উদ্দীপকের রহমত বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়া শেষ করে উচ্চপদে চাকরি নেয়। কয়েক বছরের মধ্যেই সে প্রচুর সম্পদের মালিক হয়ে যায়। অর্থাৎ এককথায় জীবসত্তার প্রয়োজন মেটাতে রহমত অর্থের আকাঙ্ক্ষায় লোভী হয়ে উঠেছে। এই বিষয়টি 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধেও লেখক তুলে ধরেছেন। তাঁর মতে জীবসত্তার তাগিদে মানুষ অর্থাস্তার নিগড়ে বন্দি হয়ে পড়ে। এভাবে উদ্দীপকের রহমতের মধ্যে 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধের জীবসত্তার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।
ঘ
"উদ্দীপকের কিসমতের কাজে প্রবন্ধের শিক্ষণীয় দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে।”- যুক্তি দাও।

উত্তর

শিক্ষা অর্জনের মাধ্যমে অর্থচিন্তার সমাধান ও মনুষ্যত্বের স্বাদ পাওয়ার প্রচেষ্টার মধ্যে সমন্বয় থাকায় "উদ্দীপকের কিসমতের কাজে প্রবন্ধের শিক্ষণীয় দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে।"- মন্তব্যটি যৌক্তিক। 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধে লেখক প্রকৃত শিক্ষা লাভ করে জ্ঞান অর্জন ও অন্তরের মুক্তির মাধ্যমে মানুষ কীভাবে একজন প্রকৃত মানুষে রূপান্তরিত হতে পারে সেই দিকটি তুলে ধরেছেন। তিনি মনে করেন, জীবসত্তা ও মানবসত্তা নামে মানুষের দুটি সত্তা আছে। আর জীবসত্তার প্রয়োজনে অন্নবস্ত্রের চিন্তা থেকে মুক্তি ও শিক্ষা লাভের মাধ্যমে মানুষ মনুষ্যত্বলোকে প্রবেশ করে। উদ্দীপকের কিসমত বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষ করে উচ্চপদে চাকরি নেয়। তবে তার মধ্যে অর্থের প্রতি লোভ দেখা যায় না। তিনি শিক্ষা অর্জন করে অর্থ-বিত্তের পিছনে না ছোটে সচ্ছল জীবনযাপন করেছেন। পাশাপাশি তার সঞ্চয় থেকে গ্রামে দরিদ্র-অসহায় মানুষের জন্য কুটিরশিল্প তৈরির সংস্থা গড়ে তোলেন। 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধেও লেখক কিসমতের মতো মানুষই প্রত্যাশা করেছেন। যে শিক্ষা অর্জনের মাধ্যমে নিজের অর্থচিন্তা ও মনুষ্যত্ববোধ জাগ্রত হয়ে মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত হবে। 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধে লেখক মনুষ্যত্ব অর্জনকে শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত বলে মনে করেছেন। তিনি বলেছেন শিক্ষা মানুষকে মুক্তির ও মনুষ্যত্বলোকের সন্ধান দেয়। এক্ষেত্রে তিনি অর্থচিন্তার সমাধান ও মনুষ্যত্ব অর্জন দুটো দিককেই গুরুত্ব দিতে বলেছেন। নতুবা শিক্ষা অর্জনের উদ্দেশ্য ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে। উদ্দীপকের কিসমতের কাজে লেখকের প্রত্যাশাই বাস্তবাযিত হয়েছে। তাই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

১ জুলাই, ২০১৬ ঢাকার গুলশানের হলি আর্টিজেন বেকারি এন্ড রেস্টুরেন্টে একদল শিক্ষিত বিপথগামী যুবক নৃশংস হামলা চালিয়ে দেশি-বিদেশিসহ ২২ জন মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করে। এটি এ দেশের ইতিহাসে একটি জঘন্যতম হত্যার ঘটনা।

মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ঢাকা · 2026

ক
মোতাহের হোসেন চৌধুরীর পৈতৃক নিবাস কোন গ্রামে?

উত্তর

মোতাহের হোসেন চৌধুরীর পৈতৃক নিবাস নোয়াখালী জেলার কাঞ্চনপুর গ্রামে।
খ
মানবজীবনে শিক্ষা সোনা ফলাতে পারে না কেন?

উত্তর

মানবজীবনে শিক্ষা সোনা ফলাতে না পারার কারণ, 'অর্থসাধনাই জীবনসাধনা নয়'- মানুষ একথা ভালোভাবে বুঝতে পারে না। অধিকাংশ মানুষই শিক্ষাকে জীবনধারণের উপায় মনে করে। তারা মনে করে, অর্থসাধনাই জীবনসাধনা। কিন্তু অর্থসাধনাই যে জীবনের সব নয় এ বিষয়টি যদি মানুষকে বোঝানো না যায় তবে শিক্ষা সোনা ফলাতে পারবে না। এতে করে কিছুসংখ্যক মানুষ শিক্ষার সুফল বুঝতে পারলেও অধিকাংশ মানুষই শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য অনুধাবন করতে পারবে না। তারা যে তিমিরে আছে, সেই তিমিরেই থেকে যাবে।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত যুবকদের মধ্যে 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধে বর্ণিত শিক্ষার কোন দিকটি অনুপস্থিত? বর্ণনা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত যুবকদের মধ্যে 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধে বর্ণিত শিক্ষার অপ্রয়োজনের দিকটি অনুপস্থিত। 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধে লেখক জীবসত্তা বলতে মানবজীবনের বিশৃঙ্খল দিককে বুঝিয়েছেন। এই স্তরে থাকলে মানুষ মনুষ্যত্বের নাগাল পায় না। তার কাছে তখন অর্থচিন্তা তথা অন্নবস্ত্রের চাহিদা পূরণ করাই। মুখ্য হয়ে ওঠে। আর এজন্যই সে অন্যায় কাজে লিপ্ত হয়ে পড়ে। 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধে লেখক বলেছেন যে, শিক্ষার আসল কাজ হলো মূল্যবোধ সৃষ্টি, জ্ঞান দান নয়। অথচ প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থায় মানুষ শিক্ষা অর্জন করলেও তার ভেতরে মূল্যবোধ সৃষ্টি হচ্ছে না। কেবল অর্থচিন্তার নিগড়ে বন্দি হয়ে পড়ছে, ফলে শিক্ষার অপ্রয়োজনের দিকটি অর্জিত হচ্ছে না। উদ্দীপকের যুবকরাও মনুষ্যত্ববোধ অর্জন করেনি। তারা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছে ঠিকই কিন্তু সেই শিক্ষা তাদের মনুষ্যত্ববোধ জাগ্রত করতে পারছে না। তাই তারা নৃশংস হামলা চালিয়ে মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করতে পিছপা হচ্ছে না।
ঘ
"উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনা 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধের লেখকের প্রত্যাশার বিপরীত।"- বিষয়টি মূল্যায়ন করো।

উত্তর

শিক্ষার মাধ্যমে মূল্যবোধ অর্জন করতে না পারায় “উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনা 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধে লেখকের প্রত্যাশার বিপরীত।" মন্তব্যটি যথার্থ। 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধে লেখক মানুষকে জীবসত্তা থেকে মানবসত্তায় উত্তরণের জন্য শিক্ষাকে অন্যতম উপায় হিসেবে বিবেচনা করেছেন। তিনি মনে করেন, শিক্ষার আসল কাজ হচ্ছে মানুষকে মনুষ্যত্বলোকের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। পাশাপাশি তিনি অন্নবস্ত্রের চাহিদা পূরণ করার প্রতিও গুরুত্ব দিয়েছেন। উদ্দীপকের যুবকরা শিক্ষিত হয়েও মনুষ্যত্ব বিবর্জিত। এ কারণে নৃশংস হত্যাকাণ্ডে তাদের হাত কাঁপেনি। তাদের জন্য 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধের প্রত্যাশিত প্রকৃত শিক্ষাই কাম্য ছিল; যে শিক্ষা তাদের ভেতরে মনুষ্যত্ববোধকে জাগিয়ে তুলতে পারত। এ প্রবন্ধে লেখক বলেছেন, মানুষের জীবন হলো একটি দোতলা ঘর। জীবসত্তা হলো সেই ঘরের নিচতলা আর মানবসত্তা বা মনুষ্যত্ব হলো সেই ঘরে ওপরের তলা। এই জীবসত্তা থেকে মানবসত্তার ঘরে পৌঁছানোর মই হলো শিক্ষা। শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো মূল্যবোধ সৃষ্টি, যা উদ্দীপকের যুবকদের মধ্যে সৃষ্টি হয়নি। 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধে লেখক প্রত্যাশা করেছেন মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ, যা প্রকৃত শিক্ষার মাধ্যমেই অর্জন করা সম্ভব। কিন্তু উদ্দীপকের যুবকরা শিক্ষিত হলেও তারা প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত নয়। এ কারণে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটিকে যথার্থ বলা যায়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

১ জুলাই, ২০১৬ ঢাকার গুলশানের হলি আর্টিজেন বেকারি এন্ড রেস্টুরেন্টে একদল শিক্ষিত বিপথগামী যুবক নৃশংস হামলা চালিয়ে দেশি-বিদেশিসহ ২২ জন মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করে। এটি এ দেশের ইতিহাসে একটি জঘন্যতম হত্যার ঘটনা।

মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ঢাকা · 2026

ক
মোতাহের হোসেন চৌধুরীর পৈতৃক নিবাস কোন গ্রামে?

উত্তর

মোতাহের হোসেন চৌধুরীর পৈতৃক নিবাস নোয়াখালী জেলার কাঞ্চনপুর গ্রামে।
খ
মানবজীবনে শিক্ষা সোনা ফলাতে পারে না কেন?

উত্তর

মানবজীবনে শিক্ষা সোনা ফলাতে না পারার কারণ, 'অর্থসাধনাই জীবনসাধনা নয়'- মানুষ একথা ভালোভাবে বুঝতে পারে না। অধিকাংশ মানুষই শিক্ষাকে জীবনধারণের উপায় মনে করে। তারা মনে করে, অর্থসাধনাই জীবনসাধনা। কিন্তু অর্থসাধনাই যে জীবনের সব নয় এ বিষয়টি যদি মানুষকে বোঝানো না যায় তবে শিক্ষা সোনা ফলাতে পারবে না। এতে করে কিছুসংখ্যক মানুষ শিক্ষার সুফল বুঝতে পারলেও অধিকাংশ মানুষই শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য অনুধাবন করতে পারবে না। তারা যে তিমিরে আছে, সেই তিমিরেই থেকে যাবে।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত যুবকদের মধ্যে 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধে বর্ণিত শিক্ষার কোন দিকটি অনুপস্থিত? বর্ণনা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত যুবকদের মধ্যে 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধে বর্ণিত শিক্ষার অপ্রয়োজনের দিকটি অনুপস্থিত। 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধে লেখক জীবসত্তা বলতে মানবজীবনের বিশৃঙ্খল দিককে বুঝিয়েছেন। এই স্তরে থাকলে মানুষ মনুষ্যত্বের নাগাল পায় না। তার কাছে তখন অর্থচিন্তা তথা অন্নবস্ত্রের চাহিদা পূরণ করাই। মুখ্য হয়ে ওঠে। আর এজন্যই সে অন্যায় কাজে লিপ্ত হয়ে পড়ে। 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধে লেখক বলেছেন যে, শিক্ষার আসল কাজ হলো মূল্যবোধ সৃষ্টি, জ্ঞান দান নয়। অথচ প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থায় মানুষ শিক্ষা অর্জন করলেও তার ভেতরে মূল্যবোধ সৃষ্টি হচ্ছে না। কেবল অর্থচিন্তার নিগড়ে বন্দি হয়ে পড়ছে, ফলে শিক্ষার অপ্রয়োজনের দিকটি অর্জিত হচ্ছে না। উদ্দীপকের যুবকরাও মনুষ্যত্ববোধ অর্জন করেনি। তারা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছে ঠিকই কিন্তু সেই শিক্ষা তাদের মনুষ্যত্ববোধ জাগ্রত করতে পারছে না। তাই তারা নৃশংস হামলা চালিয়ে মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করতে পিছপা হচ্ছে না।
ঘ
"উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনা 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধের লেখকের প্রত্যাশার বিপরীত।"- বিষয়টি মূল্যায়ন করো।

উত্তর

শিক্ষার মাধ্যমে মূল্যবোধ অর্জন করতে না পারায় “উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনা 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধে লেখকের প্রত্যাশার বিপরীত।" মন্তব্যটি যথার্থ। 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধে লেখক মানুষকে জীবসত্তা থেকে মানবসত্তায় উত্তরণের জন্য শিক্ষাকে অন্যতম উপায় হিসেবে বিবেচনা করেছেন। তিনি মনে করেন, শিক্ষার আসল কাজ হচ্ছে মানুষকে মনুষ্যত্বলোকের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। পাশাপাশি তিনি অন্নবস্ত্রের চাহিদা পূরণ করার প্রতিও গুরুত্ব দিয়েছেন। উদ্দীপকের যুবকরা শিক্ষিত হয়েও মনুষ্যত্ব বিবর্জিত। এ কারণে নৃশংস হত্যাকাণ্ডে তাদের হাত কাঁপেনি। তাদের জন্য 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধের প্রত্যাশিত প্রকৃত শিক্ষাই কাম্য ছিল; যে শিক্ষা তাদের ভেতরে মনুষ্যত্ববোধকে জাগিয়ে তুলতে পারত। এ প্রবন্ধে লেখক বলেছেন, মানুষের জীবন হলো একটি দোতলা ঘর। জীবসত্তা হলো সেই ঘরের নিচতলা আর মানবসত্তা বা মনুষ্যত্ব হলো সেই ঘরে ওপরের তলা। এই জীবসত্তা থেকে মানবসত্তার ঘরে পৌঁছানোর মই হলো শিক্ষা। শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো মূল্যবোধ সৃষ্টি, যা উদ্দীপকের যুবকদের মধ্যে সৃষ্টি হয়নি। 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধে লেখক প্রত্যাশা করেছেন মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ, যা প্রকৃত শিক্ষার মাধ্যমেই অর্জন করা সম্ভব। কিন্তু উদ্দীপকের যুবকরা শিক্ষিত হলেও তারা প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত নয়। এ কারণে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটিকে যথার্থ বলা যায়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

সৌন্দর্য ও প্রেমের স্পর্শে মানুষের জীবন সার্থক হয়ে ওঠে। সূক্ষ্মবুদ্ধি, উদারহৃদয়, গভীরচিত্ত ব্যক্তির কাছে জীবনে টিকে থাকার চেয়ে বড়ো বিষয় জীবনের বিকাশ, এ সত্যটি যারা উপলব্ধি করেন তারাই জীবনে সার্থক। খেয়ে-পরে তো পশুপাখিও বেঁচে থাকে, তার মতো জীবন তো মানুষের হতে পারে না। এক্ষেত্রে মানুষের সাথে পশুর প্রভেদ হয় মনুষ্যত্বে, যা অর্জন করতে তাকে সহায়তা করে শিক্ষা। শিক্ষার আসল উদ্দেশ্য অর্থাৎ আত্মিক মুক্তির পথটি প্রসারিত হলে নিষ্ঠুর জবরদস্তিপ্রিয় স্বার্থপর মানুষের স্থলে দেখা দেবে বিকশিত বিবেকবান পরিপূর্ণ মানুষ।

ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চট্টগ্রাম · 2026

ক
জীবসত্তার ঘরে শিক্ষা কী কাজ করে?

উত্তর

জীবসত্তার ঘরে শিক্ষা ক্ষুৎপিপাসার দিকটিকে মানবিক করে তোলে।
খ
মানবজীবনে শিক্ষা সোনা ফলাতে পারে না কেন?

উত্তর

মানবজীবনে শিক্ষা সোনা ফলাতে না পারার কারণ, 'অর্থসাধনাই জীবনসাধনা নয়' মানুষ এ কথা ভালোভাবে বুঝতে পারে না। অধিকাংশ মানুষই শিক্ষাকে জীবনধারণের উপায় মনে করে। তারা মনে করে, অর্থসাধনাই জীবনসাধনা। কিন্তু অর্থসাধনাই যে জীবনের সব নয় এ বিষয়টি যদি মানুষকে বোঝানো না যায় তবে শিক্ষা সোনা ফলাতে পারবে না। এতে করে কিছুসংখ্যক মানুষ শিক্ষার সুফল বুঝতে পারলেও অধিকাংশ মানুষই শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য অনুধাবন করতে পারবে না। তারা যে তিমিরে আছে, সেই তিমিরেই থেকে যাবে।
গ
উদ্দীপকটি কীভাবে 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধের সাথে সংগতিপূর্ণ? আলোচনা করো।

উত্তর

উদ্দীপকটি শিক্ষার মাধ্যমে মনুষ্যত্ব অর্জনের দিক থেকে 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধের সাথে সংগতিপূর্ণ। 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধে লেখক মানুষের জীবনকে জীবসত্তা ও মনুষ্যত্ব এ দুটি স্তরে ভাগ করেছেন। জীবসত্তার স্তরটি মানুষকে অন্ন-বস্ত্রের চিন্তায় সব সময় বিব্রত রাখে। শিক্ষাদীক্ষার মাধ্যমে মানুষ মনুষ্যত্বের স্তরে উন্নীত হতে পারে। উদ্দীপকে লেখক প্রেম ও সৌন্দর্য বিকশিত সূক্ষ্মবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ দ্বারা মনুষ্যত্বে উন্নীত মানুষকে বুঝিয়েছেন। যারা মনুষ্যত্বে উন্নীত হতে পেরেছে তাদের জীবনই সার্থক। কেননা মানুষ ও পশুর মধ্যে প্রভেদ হলো মনুষ্যত্বে। 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধে লেখক শিক্ষার মাধ্যমে মনুষ্যত্ব অর্জন করে মানবসত্তায় উন্নীত হওয়ার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন। এ দিক থেকে উদ্দীপকের সাথে 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধটি সংগতিপূর্ণ।
ঘ
মানবমুক্তির জন্য শিক্ষার অপ্রয়োজনীয় দিকটির গুরুত্ব উদ্দীপক ও প্রবন্ধ অবলম্বনে আলোচনা করো।

উত্তর

মনুষ্যত্ব অর্জনের মাধ্যমে মানবমুক্তির জন্য শিক্ষার অপ্রয়োজনীয় দিকটির প্রতি উদ্দীপক ও আলোচ্য প্রবন্ধে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধে লেখক শিক্ষার প্রয়োজনীয় ও অপ্রয়োজনীয় উভয় দিক উল্লেখ করে শিক্ষার অপ্রয়োজনীয় দিকটিকে শ্রেষ্ঠ বলেছেন। কারণ শিক্ষার এ দিকটিই মনুষ্যত্বের স্তরে উন্নীত হয়। উদ্দীপকের লেখক জীবনের বিকাশে শিক্ষার মাধ্যমে মনুষ্যত্ব অর্জনের বিষয়টি তুলে ধরেছেন। আর শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্যই আত্মিক মুক্তির পথটি প্রসারিত করা। আর এভাবেই বিকশিত বিবেকবান - পরিপূর্ণ মানুষ দেখা দেবে। শিক্ষা মানুষকে জীবসত্তার ঘর থেকে মানবসত্তার ঘরে নিয়ে যায়। শিক্ষার প্রয়োজনীয় দিকটি হলো অন্ন-বস্ত্রের সমাধান দেওয়া। আর অপ্রয়োজনের দিকটি হলো কল্পনা ও অনুভূতির রস আস্বাদন করে বিকশিত ও মনুষ্যত্ববোধে জাগ্রত মানুষে উন্নীত হওয়া। উদ্দীপকে শিক্ষার এই অপ্রয়োজনীয় দিকটিই ফুটে উঠেছে, যা মানবমুক্তির অনিবার্য শর্ত। তাই বলা যায় যে, মানবমুক্তির জন্য শিক্ষার অপ্রয়োজনীয় দিকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

সৌন্দর্য ও প্রেমের স্পর্শে মানুষের জীবন সার্থক হয়ে ওঠে। সূক্ষ্মবুদ্ধি, উদারহৃদয়, গভীরচিত্ত ব্যক্তির কাছে জীবনে টিকে থাকার চেয়ে বড়ো বিষয় জীবনের বিকাশ, এ সত্যটি যারা উপলব্ধি করেন তারাই জীবনে সার্থক। খেয়ে-পরে তো পশুপাখিও বেঁচে থাকে, তার মতো জীবন তো মানুষের হতে পারে না। এক্ষেত্রে মানুষের সাথে পশুর প্রভেদ হয় মনুষ্যত্বে, যা অর্জন করতে তাকে সহায়তা করে শিক্ষা। শিক্ষার আসল উদ্দেশ্য অর্থাৎ আত্মিক মুক্তির পথটি প্রসারিত হলে নিষ্ঠুর জবরদস্তিপ্রিয় স্বার্থপর মানুষের স্থলে দেখা দেবে বিকশিত বিবেকবান পরিপূর্ণ মানুষ।

ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চট্টগ্রাম · 2026

ক
জীবসত্তার ঘরে শিক্ষা কী কাজ করে?

উত্তর

জীবসত্তার ঘরে শিক্ষা ক্ষুৎপিপাসার দিকটিকে মানবিক করে তোলে।
খ
মানবজীবনে শিক্ষা সোনা ফলাতে পারে না কেন?

উত্তর

মানবজীবনে শিক্ষা সোনা ফলাতে না পারার কারণ, 'অর্থসাধনাই জীবনসাধনা নয়' মানুষ এ কথা ভালোভাবে বুঝতে পারে না। অধিকাংশ মানুষই শিক্ষাকে জীবনধারণের উপায় মনে করে। তারা মনে করে, অর্থসাধনাই জীবনসাধনা। কিন্তু অর্থসাধনাই যে জীবনের সব নয় এ বিষয়টি যদি মানুষকে বোঝানো না যায় তবে শিক্ষা সোনা ফলাতে পারবে না। এতে করে কিছুসংখ্যক মানুষ শিক্ষার সুফল বুঝতে পারলেও অধিকাংশ মানুষই শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য অনুধাবন করতে পারবে না। তারা যে তিমিরে আছে, সেই তিমিরেই থেকে যাবে।
গ
উদ্দীপকটি কীভাবে 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধের সাথে সংগতিপূর্ণ? আলোচনা করো।

উত্তর

উদ্দীপকটি শিক্ষার মাধ্যমে মনুষ্যত্ব অর্জনের দিক থেকে 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধের সাথে সংগতিপূর্ণ। 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধে লেখক মানুষের জীবনকে জীবসত্তা ও মনুষ্যত্ব এ দুটি স্তরে ভাগ করেছেন। জীবসত্তার স্তরটি মানুষকে অন্ন-বস্ত্রের চিন্তায় সব সময় বিব্রত রাখে। শিক্ষাদীক্ষার মাধ্যমে মানুষ মনুষ্যত্বের স্তরে উন্নীত হতে পারে। উদ্দীপকে লেখক প্রেম ও সৌন্দর্য বিকশিত সূক্ষ্মবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ দ্বারা মনুষ্যত্বে উন্নীত মানুষকে বুঝিয়েছেন। যারা মনুষ্যত্বে উন্নীত হতে পেরেছে তাদের জীবনই সার্থক। কেননা মানুষ ও পশুর মধ্যে প্রভেদ হলো মনুষ্যত্বে। 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধে লেখক শিক্ষার মাধ্যমে মনুষ্যত্ব অর্জন করে মানবসত্তায় উন্নীত হওয়ার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন। এ দিক থেকে উদ্দীপকের সাথে 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধটি সংগতিপূর্ণ।
ঘ
মানবমুক্তির জন্য শিক্ষার অপ্রয়োজনীয় দিকটির গুরুত্ব উদ্দীপক ও প্রবন্ধ অবলম্বনে আলোচনা করো।

উত্তর

মনুষ্যত্ব অর্জনের মাধ্যমে মানবমুক্তির জন্য শিক্ষার অপ্রয়োজনীয় দিকটির প্রতি উদ্দীপক ও আলোচ্য প্রবন্ধে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধে লেখক শিক্ষার প্রয়োজনীয় ও অপ্রয়োজনীয় উভয় দিক উল্লেখ করে শিক্ষার অপ্রয়োজনীয় দিকটিকে শ্রেষ্ঠ বলেছেন। কারণ শিক্ষার এ দিকটিই মনুষ্যত্বের স্তরে উন্নীত হয়। উদ্দীপকের লেখক জীবনের বিকাশে শিক্ষার মাধ্যমে মনুষ্যত্ব অর্জনের বিষয়টি তুলে ধরেছেন। আর শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্যই আত্মিক মুক্তির পথটি প্রসারিত করা। আর এভাবেই বিকশিত বিবেকবান - পরিপূর্ণ মানুষ দেখা দেবে। শিক্ষা মানুষকে জীবসত্তার ঘর থেকে মানবসত্তার ঘরে নিয়ে যায়। শিক্ষার প্রয়োজনীয় দিকটি হলো অন্ন-বস্ত্রের সমাধান দেওয়া। আর অপ্রয়োজনের দিকটি হলো কল্পনা ও অনুভূতির রস আস্বাদন করে বিকশিত ও মনুষ্যত্ববোধে জাগ্রত মানুষে উন্নীত হওয়া। উদ্দীপকে শিক্ষার এই অপ্রয়োজনীয় দিকটিই ফুটে উঠেছে, যা মানবমুক্তির অনিবার্য শর্ত। তাই বলা যায় যে, মানবমুক্তির জন্য শিক্ষার অপ্রয়োজনীয় দিকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো