প্রবাস বন্ধু বাংলা ১ম পত্র

SSC বাংলা ১ম পত্র এর প্রবাস বন্ধু অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

২১৩

প্রশ্ন

বাংলা ১ম পত্র

বিষয়

SSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

SSCবাংলা ১ম পত্রMCQ
'প্রবাস বন্ধু' রচনায় পানসির সম্পর্কে আবদুর রহমানের অতিরিক্ত বর্ণনার কারণ— (i) জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসা (ii) লেখককে ভ্রমণে উদ্বুদ্ধ করা (iii) লেখকের ক্ষতি ফিরিয়ে আনা নিচের কোনটি সঠিক?
  • ক.i ও ii
  • খ.i ও iii
  • গ.ii ও iii
  • ঘ.i, ii ও iii

উত্তর: i ও ii

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

উদ্দীপক (i): রুপালি গৃহস্থালির কাজে বেশ পটু। বাড়ির সদস্যদের প্রয়োজনে যতটুকু কাজ করা দরকার তার চেয়ে বেশিই করে। ভদ্র ও অমায়িক আচরণের জন্য বাড়ির সবাই তার প্রতি সন্তুষ্ট। উদ্দীপক (ii) : এত স্নিগ্ধ নদী কাহার, কোথায় এমন ধূম্র পাহাড়, কোথায় এমন হরিৎ ক্ষেত্র আকাশতলে মেশে। এমন ধানের উপর ঢেউ খেলে যায় বাতাস কাহার দেশে। এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি, ও সে সকল দেশের রানি সে যে আমার জন্মভূমি।

Dinajpur · 2023

ক
কাবুলের পানিকে কীসের সাথে তুলনা করা হয়েছে?

উত্তর

কাবুলের পানিকে গালানো পাথরের সাথে তুলনা করা হয়েছে।
খ
'অল্প শোকে কাতর, অধিক শোকে পাথর'- লেখক কেন এ কথা বলেছেন? বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর

একজনের যা প্রয়োজন তার তুলনায় ছয়গুণ খাবার পরিবেশন করায় লেখক আবদুর রহমানকে উদ্দেশ্য করে এ মন্তব্যটি করেছিলেন। আফগানিস্তানে অবস্থানের সময় আবদুর রহমান নামের একজন গৃহকর্মী লেখকের দেখভালের দায়িত্বে ছিল। সে সেখানকার বিচিত্র ও সুস্বাদু খাবার রান্না করে খাওয়ায়। সে লেখকের একার জন্য অনেক বেশি খাবার একসঙ্গে পরিবেশন করে। এটি দেখে লেখকের অবস্থা 'অল্প শোকে কাতর অধিক শোকে পাথর' হওয়ার মতো হলো। তিনি বলেছেন, একজনের রান্না না করে কেউ যদি তিন জনের রান্না করে, তবে তাকে ধমক দেওয়া যায়, কিন্তু সে যদি ছয় জনের রান্না পরিবেশন করেও বলে, রান্নাঘরে আরও আছে তখন আর কী করার থাকে?
গ
উদ্দীপক (i) এর রুপালির সঙ্গে 'প্রবাস বন্ধু' গল্পের আবদুর রহমানের যে দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ, তা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপক (i) এর রুপালির সঙ্গে 'প্রবাস বন্ধু' গল্পের আবদুর রহমানের কর্মনিপুণতা ও সদাচারণের দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ। 'প্রবাস বন্ধু' গল্পের লেখক সৈয়দ মুজতবা আলী চাকরিসূত্রে কাবুল যান। কাবুলে তার রান্না-বান্নার জন্য একজন বাবুর্চি নিয়োগ করা হয়। যার নাম আবদুর রহমান। আবদুর রহমান অত্যন্ত পরিশ্রমী ছিল। সে রান্না-বান্নাসহ লেখকের সব ধরনের কাজ করত। সে রান্নার কাজে খুব দক্ষ ছিল। রান্নাসহ গৃহের যাবতীয় কাজেই আবদুর রহমান পারদর্শী ছিল। তার কর্মনিপুণতা সত্যিই প্রশংসনীয়। তাছাড়া আবদুর রহমানের আচার-আচরণ অত্যন্ত সন্তোষজনক ছিল। সদাচারণের গুণাবলি তার চরিত্রে ফুটে উঠেছিল। সে লেখকের খুব বিশ্বস্ত ভৃত্য ছিল। সে লেখককে খুব সম্মান ও শ্রদ্ধার দৃষ্টিতে দেখত। এজন্য লেখকও তার প্রতি সন্তুষ্ট ছিল। উদ্দীপকের রুপালি গৃহ পরিচারিকা হিসেবে অন্যের বাসায় কাজ করে। সে গৃহস্থালির যাবতীয় কাজে অত্যন্ত পটু। বাড়ির সদস্যদের জন্য যতটুকু কাজ করা প্রয়োজন রুপালি তার অধিক বেশি কাজ করে। এজন্য বাড়ির সদস্যরা তার প্রতি অত্যন্ত সন্তুষ্ট। তাছাড়া রুপালির ভদ্র ও অমায়িক আচরণের জন্য সবাই তাকে পছন্দ করে। 'প্রবাস বন্ধু' গল্পের আবদুর রহমান তার যোগ্যতা দিয়ে লেখকের আস্থা অর্জন করেছিল। তাই বলা যায়, উদ্দীপক (i) এর রুপালির সঙ্গে 'প্রবাস বন্ধু' গল্পের আবদুর রহমানের সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি হলো কর্মনিপুণতা ও সদাচারণ।
ঘ
"উদ্দীপক (ii) এর ভাব যেন আবদুর রহমান চরিত্রের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্যের ধারক।"- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।

উত্তর

"উদ্দীপক (ii) এর ভাব যেন আবদুর রহমান চরিত্রের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্যের ধারক।"- মন্তব্যটি যথার্থ। 'প্রবাস বন্ধু' গল্পের আবদুর রহমান চরিত্রের বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। তন্মধ্যে দেশপ্রেমের বৈশিষ্ট্যটি তাকে বিশেষ বৈশিষ্ট্যে মন্ডিত করেছে। আবদুর রহমানের জন্মভূমি উত্তর আফগানিস্তানের পানশির প্রদেশে। সেটি মূলত শীতপ্রধান অঞ্চল। শীতকালে সেখানে এতটা শীত পড়ে যে চারদিকে বরফের আস্তরণ তৈরি হয়। ঘরের ভেতরে আঙার জ্বালিয়ে রাখতে হয়। লেখকের নিকট এমন স্থান অপছন্দনীয়। কিন্তু আবদুর রহমানের নিকট তা অত্যন্ত পছন্দনীয়। কারণ সেটি তার জন্মভূমি। জন্মভূমির আবহাওয়া যতই প্রতিকূল হোক না কেন তবুও তা ভালো লাগে। কারণ জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসা প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে বিদ্যমান থাকে। আবদুর রহমানও সেক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নয়। তার হৃদয় জুড়ে রয়েছে জন্মভূমির প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা। উদ্দীপকের কতিাংশে কবির জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। কবি তার জন্মভূমিকে গভীরভাবে ভালোবাসেন। ভালোবাসার অনুভূতিকে তিনি আলোচ্য কবিতার মধ্যে ব্যক্ত করেছেন। এদেশের প্রাকৃতিক অনুষঙ্গ কবিকে মুগ্ধ করেছে। স্নিগ্ধ নদী, ধূম্র পাহাড়, হরিৎ ক্ষেত্র এসব দৃশ্য কবির হৃদয়ে মিশে আছে। কবি মনে করেন এমন দৃশ্য পৃথিবীর অন্য কথাও দেখতে পাওয়া যাবে না। এদেশের ধানখেতে বাতাস এসে ঢেউ খেলে যায়। এজন্য কবি বলেছেন, এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি/সকল দেশের রানি সে যে আমার জন্মভূমি।" অর্থাৎ এমন দেশ আর কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না। কবির জন্মভূমি সকল দেশের রানি। গভীর দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হওয়ার কারণেই কবি এমন মন্তব্য করেছেন। উপরিউক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, উদ্দীপক (ii) এর ভাব যেন আবদুর রহমান চরিত্রের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্যের ধারক। কারণ আবদুর রহমান চরিত্রের মধ্যে দেশপ্রেমের বৈশিষ্ট্যটি প্রকট আকারে দেখা দিয়েছে। যেমনটি উদ্দীপকের কবির মধ্যেও দৃশ্যমান। কিন্তু শুধু দেশপ্রেমের বৈশিষ্ট্যটির মধ্যেই আবদুর রহমান চরিত্রটি সীমাবদ্ধ নয়। আবদুর রহমান চরিত্রের মধ্যে বিবিধ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। তবে সেগুলোর মধ্যে মাত্র একটি বৈশিষ্ট্য উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে। অন্যান্য বৈশিষ্ট্যগুলো সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। কাজেই উদ্দীপক (ii) এর ভাব যেন আবদুর রহমান চরিত্রের সামগ্রিক বৈশিষ্ট্য নয় বরং একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্যের ধারক মাত্র।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

উদ্দীপক (i): রুপালি গৃহস্থালির কাজে বেশ পটু। বাড়ির সদস্যদের প্রয়োজনে যতটুকু কাজ করা দরকার তার চেয়ে বেশিই করে। ভদ্র ও অমায়িক আচরণের জন্য বাড়ির সবাই তার প্রতি সন্তুষ্ট। উদ্দীপক (ii) : এত স্নিগ্ধ নদী কাহার, কোথায় এমন ধূম্র পাহাড়, কোথায় এমন হরিৎ ক্ষেত্র আকাশতলে মেশে। এমন ধানের উপর ঢেউ খেলে যায় বাতাস কাহার দেশে। এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি, ও সে সকল দেশের রানি সে যে আমার জন্মভূমি।

Dinajpur · 2023

ক
কাবুলের পানিকে কীসের সাথে তুলনা করা হয়েছে?

উত্তর

কাবুলের পানিকে গালানো পাথরের সাথে তুলনা করা হয়েছে।
খ
'অল্প শোকে কাতর, অধিক শোকে পাথর'- লেখক কেন এ কথা বলেছেন? বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর

একজনের যা প্রয়োজন তার তুলনায় ছয়গুণ খাবার পরিবেশন করায় লেখক আবদুর রহমানকে উদ্দেশ্য করে এ মন্তব্যটি করেছিলেন। আফগানিস্তানে অবস্থানের সময় আবদুর রহমান নামের একজন গৃহকর্মী লেখকের দেখভালের দায়িত্বে ছিল। সে সেখানকার বিচিত্র ও সুস্বাদু খাবার রান্না করে খাওয়ায়। সে লেখকের একার জন্য অনেক বেশি খাবার একসঙ্গে পরিবেশন করে। এটি দেখে লেখকের অবস্থা 'অল্প শোকে কাতর অধিক শোকে পাথর' হওয়ার মতো হলো। তিনি বলেছেন, একজনের রান্না না করে কেউ যদি তিন জনের রান্না করে, তবে তাকে ধমক দেওয়া যায়, কিন্তু সে যদি ছয় জনের রান্না পরিবেশন করেও বলে, রান্নাঘরে আরও আছে তখন আর কী করার থাকে?
গ
উদ্দীপক (i) এর রুপালির সঙ্গে 'প্রবাস বন্ধু' গল্পের আবদুর রহমানের যে দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ, তা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপক (i) এর রুপালির সঙ্গে 'প্রবাস বন্ধু' গল্পের আবদুর রহমানের কর্মনিপুণতা ও সদাচারণের দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ। 'প্রবাস বন্ধু' গল্পের লেখক সৈয়দ মুজতবা আলী চাকরিসূত্রে কাবুল যান। কাবুলে তার রান্না-বান্নার জন্য একজন বাবুর্চি নিয়োগ করা হয়। যার নাম আবদুর রহমান। আবদুর রহমান অত্যন্ত পরিশ্রমী ছিল। সে রান্না-বান্নাসহ লেখকের সব ধরনের কাজ করত। সে রান্নার কাজে খুব দক্ষ ছিল। রান্নাসহ গৃহের যাবতীয় কাজেই আবদুর রহমান পারদর্শী ছিল। তার কর্মনিপুণতা সত্যিই প্রশংসনীয়। তাছাড়া আবদুর রহমানের আচার-আচরণ অত্যন্ত সন্তোষজনক ছিল। সদাচারণের গুণাবলি তার চরিত্রে ফুটে উঠেছিল। সে লেখকের খুব বিশ্বস্ত ভৃত্য ছিল। সে লেখককে খুব সম্মান ও শ্রদ্ধার দৃষ্টিতে দেখত। এজন্য লেখকও তার প্রতি সন্তুষ্ট ছিল। উদ্দীপকের রুপালি গৃহ পরিচারিকা হিসেবে অন্যের বাসায় কাজ করে। সে গৃহস্থালির যাবতীয় কাজে অত্যন্ত পটু। বাড়ির সদস্যদের জন্য যতটুকু কাজ করা প্রয়োজন রুপালি তার অধিক বেশি কাজ করে। এজন্য বাড়ির সদস্যরা তার প্রতি অত্যন্ত সন্তুষ্ট। তাছাড়া রুপালির ভদ্র ও অমায়িক আচরণের জন্য সবাই তাকে পছন্দ করে। 'প্রবাস বন্ধু' গল্পের আবদুর রহমান তার যোগ্যতা দিয়ে লেখকের আস্থা অর্জন করেছিল। তাই বলা যায়, উদ্দীপক (i) এর রুপালির সঙ্গে 'প্রবাস বন্ধু' গল্পের আবদুর রহমানের সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি হলো কর্মনিপুণতা ও সদাচারণ।
ঘ
"উদ্দীপক (ii) এর ভাব যেন আবদুর রহমান চরিত্রের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্যের ধারক।"- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।

উত্তর

"উদ্দীপক (ii) এর ভাব যেন আবদুর রহমান চরিত্রের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্যের ধারক।"- মন্তব্যটি যথার্থ। 'প্রবাস বন্ধু' গল্পের আবদুর রহমান চরিত্রের বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। তন্মধ্যে দেশপ্রেমের বৈশিষ্ট্যটি তাকে বিশেষ বৈশিষ্ট্যে মন্ডিত করেছে। আবদুর রহমানের জন্মভূমি উত্তর আফগানিস্তানের পানশির প্রদেশে। সেটি মূলত শীতপ্রধান অঞ্চল। শীতকালে সেখানে এতটা শীত পড়ে যে চারদিকে বরফের আস্তরণ তৈরি হয়। ঘরের ভেতরে আঙার জ্বালিয়ে রাখতে হয়। লেখকের নিকট এমন স্থান অপছন্দনীয়। কিন্তু আবদুর রহমানের নিকট তা অত্যন্ত পছন্দনীয়। কারণ সেটি তার জন্মভূমি। জন্মভূমির আবহাওয়া যতই প্রতিকূল হোক না কেন তবুও তা ভালো লাগে। কারণ জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসা প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে বিদ্যমান থাকে। আবদুর রহমানও সেক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নয়। তার হৃদয় জুড়ে রয়েছে জন্মভূমির প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা। উদ্দীপকের কতিাংশে কবির জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। কবি তার জন্মভূমিকে গভীরভাবে ভালোবাসেন। ভালোবাসার অনুভূতিকে তিনি আলোচ্য কবিতার মধ্যে ব্যক্ত করেছেন। এদেশের প্রাকৃতিক অনুষঙ্গ কবিকে মুগ্ধ করেছে। স্নিগ্ধ নদী, ধূম্র পাহাড়, হরিৎ ক্ষেত্র এসব দৃশ্য কবির হৃদয়ে মিশে আছে। কবি মনে করেন এমন দৃশ্য পৃথিবীর অন্য কথাও দেখতে পাওয়া যাবে না। এদেশের ধানখেতে বাতাস এসে ঢেউ খেলে যায়। এজন্য কবি বলেছেন, এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি/সকল দেশের রানি সে যে আমার জন্মভূমি।" অর্থাৎ এমন দেশ আর কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না। কবির জন্মভূমি সকল দেশের রানি। গভীর দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হওয়ার কারণেই কবি এমন মন্তব্য করেছেন। উপরিউক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, উদ্দীপক (ii) এর ভাব যেন আবদুর রহমান চরিত্রের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্যের ধারক। কারণ আবদুর রহমান চরিত্রের মধ্যে দেশপ্রেমের বৈশিষ্ট্যটি প্রকট আকারে দেখা দিয়েছে। যেমনটি উদ্দীপকের কবির মধ্যেও দৃশ্যমান। কিন্তু শুধু দেশপ্রেমের বৈশিষ্ট্যটির মধ্যেই আবদুর রহমান চরিত্রটি সীমাবদ্ধ নয়। আবদুর রহমান চরিত্রের মধ্যে বিবিধ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। তবে সেগুলোর মধ্যে মাত্র একটি বৈশিষ্ট্য উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে। অন্যান্য বৈশিষ্ট্যগুলো সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। কাজেই উদ্দীপক (ii) এর ভাব যেন আবদুর রহমান চরিত্রের সামগ্রিক বৈশিষ্ট্য নয় বরং একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্যের ধারক মাত্র।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

শীতকালীন অবকাশে সেনাজ তার বাবা-মায়ের সাথে শেরপুরে বেড়াতে যায়। সেখানকার সবুজ-শ্যামল প্রকৃতি আর গারো পাহাড়ের সৌন্দর্যে সে বিমোহিত হয়। এই এলাকার বিভিন্ন দৃষ্টিনন্দন দৃশ্যাবলি সবাই মিলে উপভোগ করে এবং গারো আদিবাসীদের সুন্দর ব্যবহারে অভিভূত হয়।

Chittagong · 2023

ক
'ওরভোয়া' শব্দের অর্থ কী?

উত্তর

'ওরভোয়া' শব্দের অর্থ আবার দেখা হবে।
খ
আবদুর রহমানকে নরদানব বলার কারণ কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

আবদুর রহমানের শারীরিক গঠনের কারণে তাকে নরদানব বলা হয়েছে। 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনিতে উল্লেখিত আবদুর রহমান উচ্চতায় ছয় ফুট চার ইঞ্চি। হাত দুটি হাঁটু পর্যন্ত লম্বা। যেমন চওড়া তার কাঁধ, তেমনি চওড়া তার মুখ। এবড়োখেবড়ো নাক-কপাল নেই। আবদুর রহমানের এমন শারীরিক গঠন দেখে লেখক তাকে নরদানব বলেছেন।
গ
উদ্দীপকের সেনাজের দেখা সৌন্দর্য 'প্রবাস বন্ধ্বু' ভ্রমণকাহিনির কোন দিকটির প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের সেনাজের দেখা সৌন্দর্য 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনির সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগের দিকটিকে প্রতিফলিত করেছে। 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনিতে লেখকের প্রবাস জীবনের বিচিত্র অভিজ্ঞতা এবং সেবক আবদুর রহমানের চারিত্রিক সৌন্দর্য বর্ণিত হয়েছে। ভিন্ন দেশের বৈচিত্র্যময় পরিবেশে লেখকের ভ্রমণ সার্থক হয়েছে। আফগানিস্তানের প্রস্তরভূমি ও বরফশীতল জলবায়ু তার কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। উদ্দীপকে দেখা যায়, সেনাজ শীতকালে শেরপুরে বেড়াতে যায়। সেখানে যেমন আছে সবুজ-শ্যামল প্রকৃতি তেমনি আছে গারো পাহাড়। এগুলোর রয়েছে অনাবিল সৌন্দর্য। যা সে বিমুগ্ধ চিত্তে উপভোগ করে। এই এলাকার দৃষ্টিনন্দন দৃশ্যাবলি তাকে ও তার বাবা-মাকে বিমোহিত করে। শুধু তাই নয়, গারো আদিবাসীদের সুন্দর ব্যবহারে সে অভিভূত হয়। আবদুর রহমান কর্তৃক লেখক যেমন আপ্যায়িত ও খুশি হয়েছিলেন তেমনি উদ্দীপকের সেনাজ শেরপুরে বেড়াতে গিয়ে মুগ্ধ হয়েছিল। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের সেনাজের দেখা সৌন্দর্য 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনির আফগানিস্তানে লেখকের মনোমুগ্ধকর ভ্রমণের সৌন্দর্য উপভোগ, সরল আতিথেয়তা ইত্যাদি দিকের প্রতিফলন ঘটেছে।
ঘ
"উদ্দীপকের বিষয়বস্তু 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনির খন্ডাংশ মাত্র।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

"উদ্দীপকের বিষয়বস্তু 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনির খন্ডাংশ মাত্র।"- মন্তব্যটি যথার্থ। 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনিতে অতিথিপরায়ণতার সঙ্গে আফগানিস্তানের প্রকৃতি-পরিবেশের পরিচয় ফুটে উঠেছে। বিদেশি অতিথির প্রতি কেমন আচরণ করতে হবে সে রীতিও এখানে বিধৃত হয়েছে। এছাড়া আবদুর রহমানের নম্রতা, সরলতা, দেশপ্রেম ও কর্মস্পৃহা এ কাহিনিটিকে একটি ভিন্ন মাত্রা দিয়েছে। উদ্দীপকে একটি প্রাকৃতিক পরিবেশে ভ্রমণের কথা বর্ণিত হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, সেনাজ শীতকালীন অবকাশ পায়। এ সময় সে বাবা-মায়ের সাথে শেরপুরে বেড়াতে যায়। এখানে সে সবুজ-শ্যামল প্রকৃতি আর গারো পাহাড় দেখে মুগ্ধ হয়। গারো আদিবাসীদের সুন্দর ব্যবহারে সে অভিভূত হয়। সেখানকার নৈসর্গিক দৃশ্যাবলি দেখে তার চোখ জুড়ায়। আফগানিস্তানেও এমন দৃশ্যাবলি বিদ্যমান। 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনির বিষয়বস্তু উদ্দীকের তুলনায় ব্যাপক ও বিস্তৃত। এখানে লেখক বিভিন্ন দেশ ভ্রমণের মাধ্যমে সেই দেশের মানুষের আচার-ব্যবহার, সভ্যতা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জ্ঞানার্জনের কথা বলেছেন। যা উদ্দীপকে উল্লেখ নেই। বিভিন্ন দেশ বা অঞ্চল ভ্রমণের মাধ্যমে সেখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, মানুষের ব্যবহার সম্পর্কে জানা যায়। যা উদ্দীপকে এবং আলোচ্য ভ্রমণ কাহিনিতে লক্ষণীয়। এ কাহিনিতে আফগানিস্তানের ভূমি, আবহাওয়া, পানশির পরিবেশ ইত্যাদি স্থান পেয়েছে। যা উদ্দীপকে বর্ণিত হয়নি। তাই যথার্থই বলা যায়, উদ্দীপকের বিষয়বস্তু আলোচ্য ভ্রমণকাহিনির খন্ডাংশ মাত্র, পুরোপুরি নয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

শীতকালীন অবকাশে সেনাজ তার বাবা-মায়ের সাথে শেরপুরে বেড়াতে যায়। সেখানকার সবুজ-শ্যামল প্রকৃতি আর গারো পাহাড়ের সৌন্দর্যে সে বিমোহিত হয়। এই এলাকার বিভিন্ন দৃষ্টিনন্দন দৃশ্যাবলি সবাই মিলে উপভোগ করে এবং গারো আদিবাসীদের সুন্দর ব্যবহারে অভিভূত হয়।

Chittagong · 2023

ক
'ওরভোয়া' শব্দের অর্থ কী?

উত্তর

'ওরভোয়া' শব্দের অর্থ আবার দেখা হবে।
খ
আবদুর রহমানকে নরদানব বলার কারণ কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

আবদুর রহমানের শারীরিক গঠনের কারণে তাকে নরদানব বলা হয়েছে। 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনিতে উল্লেখিত আবদুর রহমান উচ্চতায় ছয় ফুট চার ইঞ্চি। হাত দুটি হাঁটু পর্যন্ত লম্বা। যেমন চওড়া তার কাঁধ, তেমনি চওড়া তার মুখ। এবড়োখেবড়ো নাক-কপাল নেই। আবদুর রহমানের এমন শারীরিক গঠন দেখে লেখক তাকে নরদানব বলেছেন।
গ
উদ্দীপকের সেনাজের দেখা সৌন্দর্য 'প্রবাস বন্ধ্বু' ভ্রমণকাহিনির কোন দিকটির প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের সেনাজের দেখা সৌন্দর্য 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনির সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগের দিকটিকে প্রতিফলিত করেছে। 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনিতে লেখকের প্রবাস জীবনের বিচিত্র অভিজ্ঞতা এবং সেবক আবদুর রহমানের চারিত্রিক সৌন্দর্য বর্ণিত হয়েছে। ভিন্ন দেশের বৈচিত্র্যময় পরিবেশে লেখকের ভ্রমণ সার্থক হয়েছে। আফগানিস্তানের প্রস্তরভূমি ও বরফশীতল জলবায়ু তার কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। উদ্দীপকে দেখা যায়, সেনাজ শীতকালে শেরপুরে বেড়াতে যায়। সেখানে যেমন আছে সবুজ-শ্যামল প্রকৃতি তেমনি আছে গারো পাহাড়। এগুলোর রয়েছে অনাবিল সৌন্দর্য। যা সে বিমুগ্ধ চিত্তে উপভোগ করে। এই এলাকার দৃষ্টিনন্দন দৃশ্যাবলি তাকে ও তার বাবা-মাকে বিমোহিত করে। শুধু তাই নয়, গারো আদিবাসীদের সুন্দর ব্যবহারে সে অভিভূত হয়। আবদুর রহমান কর্তৃক লেখক যেমন আপ্যায়িত ও খুশি হয়েছিলেন তেমনি উদ্দীপকের সেনাজ শেরপুরে বেড়াতে গিয়ে মুগ্ধ হয়েছিল। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের সেনাজের দেখা সৌন্দর্য 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনির আফগানিস্তানে লেখকের মনোমুগ্ধকর ভ্রমণের সৌন্দর্য উপভোগ, সরল আতিথেয়তা ইত্যাদি দিকের প্রতিফলন ঘটেছে।
ঘ
"উদ্দীপকের বিষয়বস্তু 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনির খন্ডাংশ মাত্র।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

"উদ্দীপকের বিষয়বস্তু 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনির খন্ডাংশ মাত্র।"- মন্তব্যটি যথার্থ। 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনিতে অতিথিপরায়ণতার সঙ্গে আফগানিস্তানের প্রকৃতি-পরিবেশের পরিচয় ফুটে উঠেছে। বিদেশি অতিথির প্রতি কেমন আচরণ করতে হবে সে রীতিও এখানে বিধৃত হয়েছে। এছাড়া আবদুর রহমানের নম্রতা, সরলতা, দেশপ্রেম ও কর্মস্পৃহা এ কাহিনিটিকে একটি ভিন্ন মাত্রা দিয়েছে। উদ্দীপকে একটি প্রাকৃতিক পরিবেশে ভ্রমণের কথা বর্ণিত হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, সেনাজ শীতকালীন অবকাশ পায়। এ সময় সে বাবা-মায়ের সাথে শেরপুরে বেড়াতে যায়। এখানে সে সবুজ-শ্যামল প্রকৃতি আর গারো পাহাড় দেখে মুগ্ধ হয়। গারো আদিবাসীদের সুন্দর ব্যবহারে সে অভিভূত হয়। সেখানকার নৈসর্গিক দৃশ্যাবলি দেখে তার চোখ জুড়ায়। আফগানিস্তানেও এমন দৃশ্যাবলি বিদ্যমান। 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনির বিষয়বস্তু উদ্দীকের তুলনায় ব্যাপক ও বিস্তৃত। এখানে লেখক বিভিন্ন দেশ ভ্রমণের মাধ্যমে সেই দেশের মানুষের আচার-ব্যবহার, সভ্যতা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জ্ঞানার্জনের কথা বলেছেন। যা উদ্দীপকে উল্লেখ নেই। বিভিন্ন দেশ বা অঞ্চল ভ্রমণের মাধ্যমে সেখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, মানুষের ব্যবহার সম্পর্কে জানা যায়। যা উদ্দীপকে এবং আলোচ্য ভ্রমণ কাহিনিতে লক্ষণীয়। এ কাহিনিতে আফগানিস্তানের ভূমি, আবহাওয়া, পানশির পরিবেশ ইত্যাদি স্থান পেয়েছে। যা উদ্দীপকে বর্ণিত হয়নি। তাই যথার্থই বলা যায়, উদ্দীপকের বিষয়বস্তু আলোচ্য ভ্রমণকাহিনির খন্ডাংশ মাত্র, পুরোপুরি নয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন। যার সৌন্দর্যের বর্ণনা কখনও চাক্ষুষ না দেখে বোঝানো সম্ভব নয়। দ্বীপের যেদিকে চোখ যায় শুধু নীল আর নীল। আকাশ আর সমুদ্রের নীল এখানে মিলেমিশে একাকার। তাইতো বিশাল পৃথিবীর বুকে সেন্টমার্টিন যেন একখড স্বর্গ। কথাগুলো বলেছিল, বাঙালি ছেলে তানভীর তার জাপানি বন্ধু জেমসকে।

Jessore · 2023

ক
আবদুর রহমানের উচ্চতা কত?

উত্তর

আবদুর রহমানের উচ্চতা ছয় ফুট চার ইঞ্চি।
খ
লেখক 'থ' হয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন কেন?

উত্তর

লেখকের জন্য রাখা টেবিলে অতিরিক্ত খাবার দেখে লেখক থ মেরে দাঁড়িয়ে রইলেন। লেখকের পাচক আবদুর রহমান। তিনি রাতে খাবারের টেবিলে এসে দেখলেন যে, সেখানে এত পরিমাণ খাদ্য পরিবেশন করা হয়েছে যে, সেই খাবার ছয় জনে খেয়েও শেষ করতে পারবে না। দুম্বার মাংস, কোপতা-পোলাও, শামী কাবাব, মুরগির রোস্টসহ আরও অনেক খাবার সেখানে রাখা আছে। সেজন্য লেখক থ মেরে দাঁড়িয়ে রইলেন।
গ
উদ্দীপকের সাথে 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনির সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের সাথে 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনিতে প্রকাশিত আফগানিস্তানের বিভিন্ন প্রাকৃতিক দৃশ্য বর্ণনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। ভ্রমণে আনন্দ উপভোগের পাশাপাশি অনেক কিছু জানা যায়। আর অজানাকে জানার কৌতূহল মানুষের চিরন্তন প্রবৃত্তি। এজন্য বিশ্বের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঘুরে বেড়ায় ভ্রমণপিপাসু মানুষ। বিভিন্ন জায়গা ভ্রমণ করে জানতে পারে সেখানকার ভৌগোলিক অবস্থান, প্রাকৃতিক দৃশ্য, মানুষের আচার-আচরণ, সংস্কৃতি, ইতিহাস-ঐতিহ্য ইত্যাদি সম্পর্কে। উদ্দীপকে বর্ণিত হয়েছে বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সম্পর্কে। সেন্টমার্টিন দ্বীপের যেদিকে তাকানো যায় শুধু নীল আর নীল। এ যেন পৃথিবীর বুকে একখড স্বর্গ। জাপানি বন্ধু জেমসের কাছে তার দেশের কথা তানভীর এভাবেই তুলে ধরেছে। 'প্রবাস বন্ধ্বু' ভ্রমণকাহিনিতেও লেখক আফগানিস্তানের মনোরম দৃশ্য অবলোকন করেছেন এবং নানা রকম পরিস্থিতির কথা বর্ণনা করেছেন। আফগানিস্তানের ভৌগোলিক অবস্থান, সেখানকার প্রাকৃতিক দৃশ্য, মানুষের আতিথেয়তা ইত্যাদি বিষয়ের কথা লেখক বলেছেন। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের সাথে 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনিতে প্রকাশিত আফগানিস্তানের বিভিন্ন প্রাকৃতিক দৃশ্য বর্ণনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ
"উদ্দীপকে 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনির খডাংশ প্রকাশ পেয়েছে মাত্র।"- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।

উত্তর

'উদ্দীপকের বিষয়বস্তু 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনির খডাংশ মাত্র।'- মন্তব্যটি যথার্থ। 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনিতে অতিথিপরায়ণতার সঙ্গে আফগানিস্তানের প্রকৃতি-পরিবেশের পরিচয় ফুটে উঠেছে। বিদেশি অতিথির প্রতি কেমন আচরণ করতে হবে সে রীতিও এখানে বিধৃত হয়েছে। এছাড়া আবদুর রহমানের নম্রতা, সরলতা, দেশপ্রেম ও কর্মস্পৃহা এ কাহিনিটিকে একটি ভিন্ন মাত্রা দিয়েছে। উদ্দীপকে একটি প্রাকৃতিক পরিবেশে ভ্রমণের কথা বর্ণিত হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, সেনাজ শীতকালীন অবকাশ পায়। এ সময় সে বাবা-মায়ের সাথে শেরপুরে বেড়াতে যায়। এখানে সে সবুজ-শ্যামল প্রকৃতি আর গারো পাহাড় দেখে মুগ্ধ হয়। গারো আদিবাসীদের সুন্দর ব্যবহারে সে অভিভূত হয়। সেখানকার নৈসর্গিক দৃশ্যাবলি দেখে তার চোখ জুড়ায়। আফগানিস্তানেও এমন দৃশ্যাবলি বিদ্যমান। 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনির বিষয়বস্তু উদ্দীকের তুলনায় ব্যাপক ও বিস্তৃত। এখানে লেখক বিভিন্ন দেশ ভ্রমণের মাধ্যমে সেই দেশের মানুষের আচার-ব্যবহার, সভ্যতা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জ্ঞানার্জনের কথা বলেছেন। যা উদ্দীপকে উল্লেখ নেই। বিভিন্ন দেশ বা অঞ্চল ভ্রমণের মাধ্যমে সেখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, মানুষের ব্যবহার সম্পর্কে জানা যায়। যা উদ্দীপকে এবং আলোচ্য ভ্রমণ কাহিনিতে লক্ষণীয়। এ কাহিনিতে আফগানিস্তানের ভূমি, আবহাওয়া, পানশির পরিবেশ ইত্যাদি স্থান পেয়েছে। যা উদ্দীপকে বর্ণিত হয়নি। তাই যথার্থই বলা যায়, উদ্দীপকের বিষয়বস্তু আলোচ্য ভ্রমণকাহিনির খডাংশ মাত্র, পুরোপুরি নয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন। যার সৌন্দর্যের বর্ণনা কখনও চাক্ষুষ না দেখে বোঝানো সম্ভব নয়। দ্বীপের যেদিকে চোখ যায় শুধু নীল আর নীল। আকাশ আর সমুদ্রের নীল এখানে মিলেমিশে একাকার। তাইতো বিশাল পৃথিবীর বুকে সেন্টমার্টিন যেন একখড স্বর্গ। কথাগুলো বলেছিল, বাঙালি ছেলে তানভীর তার জাপানি বন্ধু জেমসকে।

Jessore · 2023

ক
আবদুর রহমানের উচ্চতা কত?

উত্তর

আবদুর রহমানের উচ্চতা ছয় ফুট চার ইঞ্চি।
খ
লেখক 'থ' হয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন কেন?

উত্তর

লেখকের জন্য রাখা টেবিলে অতিরিক্ত খাবার দেখে লেখক থ মেরে দাঁড়িয়ে রইলেন। লেখকের পাচক আবদুর রহমান। তিনি রাতে খাবারের টেবিলে এসে দেখলেন যে, সেখানে এত পরিমাণ খাদ্য পরিবেশন করা হয়েছে যে, সেই খাবার ছয় জনে খেয়েও শেষ করতে পারবে না। দুম্বার মাংস, কোপতা-পোলাও, শামী কাবাব, মুরগির রোস্টসহ আরও অনেক খাবার সেখানে রাখা আছে। সেজন্য লেখক থ মেরে দাঁড়িয়ে রইলেন।
গ
উদ্দীপকের সাথে 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনির সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের সাথে 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনিতে প্রকাশিত আফগানিস্তানের বিভিন্ন প্রাকৃতিক দৃশ্য বর্ণনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। ভ্রমণে আনন্দ উপভোগের পাশাপাশি অনেক কিছু জানা যায়। আর অজানাকে জানার কৌতূহল মানুষের চিরন্তন প্রবৃত্তি। এজন্য বিশ্বের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঘুরে বেড়ায় ভ্রমণপিপাসু মানুষ। বিভিন্ন জায়গা ভ্রমণ করে জানতে পারে সেখানকার ভৌগোলিক অবস্থান, প্রাকৃতিক দৃশ্য, মানুষের আচার-আচরণ, সংস্কৃতি, ইতিহাস-ঐতিহ্য ইত্যাদি সম্পর্কে। উদ্দীপকে বর্ণিত হয়েছে বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সম্পর্কে। সেন্টমার্টিন দ্বীপের যেদিকে তাকানো যায় শুধু নীল আর নীল। এ যেন পৃথিবীর বুকে একখড স্বর্গ। জাপানি বন্ধু জেমসের কাছে তার দেশের কথা তানভীর এভাবেই তুলে ধরেছে। 'প্রবাস বন্ধ্বু' ভ্রমণকাহিনিতেও লেখক আফগানিস্তানের মনোরম দৃশ্য অবলোকন করেছেন এবং নানা রকম পরিস্থিতির কথা বর্ণনা করেছেন। আফগানিস্তানের ভৌগোলিক অবস্থান, সেখানকার প্রাকৃতিক দৃশ্য, মানুষের আতিথেয়তা ইত্যাদি বিষয়ের কথা লেখক বলেছেন। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের সাথে 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনিতে প্রকাশিত আফগানিস্তানের বিভিন্ন প্রাকৃতিক দৃশ্য বর্ণনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ
"উদ্দীপকে 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনির খডাংশ প্রকাশ পেয়েছে মাত্র।"- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।

উত্তর

'উদ্দীপকের বিষয়বস্তু 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনির খডাংশ মাত্র।'- মন্তব্যটি যথার্থ। 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনিতে অতিথিপরায়ণতার সঙ্গে আফগানিস্তানের প্রকৃতি-পরিবেশের পরিচয় ফুটে উঠেছে। বিদেশি অতিথির প্রতি কেমন আচরণ করতে হবে সে রীতিও এখানে বিধৃত হয়েছে। এছাড়া আবদুর রহমানের নম্রতা, সরলতা, দেশপ্রেম ও কর্মস্পৃহা এ কাহিনিটিকে একটি ভিন্ন মাত্রা দিয়েছে। উদ্দীপকে একটি প্রাকৃতিক পরিবেশে ভ্রমণের কথা বর্ণিত হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, সেনাজ শীতকালীন অবকাশ পায়। এ সময় সে বাবা-মায়ের সাথে শেরপুরে বেড়াতে যায়। এখানে সে সবুজ-শ্যামল প্রকৃতি আর গারো পাহাড় দেখে মুগ্ধ হয়। গারো আদিবাসীদের সুন্দর ব্যবহারে সে অভিভূত হয়। সেখানকার নৈসর্গিক দৃশ্যাবলি দেখে তার চোখ জুড়ায়। আফগানিস্তানেও এমন দৃশ্যাবলি বিদ্যমান। 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনির বিষয়বস্তু উদ্দীকের তুলনায় ব্যাপক ও বিস্তৃত। এখানে লেখক বিভিন্ন দেশ ভ্রমণের মাধ্যমে সেই দেশের মানুষের আচার-ব্যবহার, সভ্যতা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জ্ঞানার্জনের কথা বলেছেন। যা উদ্দীপকে উল্লেখ নেই। বিভিন্ন দেশ বা অঞ্চল ভ্রমণের মাধ্যমে সেখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, মানুষের ব্যবহার সম্পর্কে জানা যায়। যা উদ্দীপকে এবং আলোচ্য ভ্রমণ কাহিনিতে লক্ষণীয়। এ কাহিনিতে আফগানিস্তানের ভূমি, আবহাওয়া, পানশির পরিবেশ ইত্যাদি স্থান পেয়েছে। যা উদ্দীপকে বর্ণিত হয়নি। তাই যথার্থই বলা যায়, উদ্দীপকের বিষয়বস্তু আলোচ্য ভ্রমণকাহিনির খডাংশ মাত্র, পুরোপুরি নয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো