যাব আমি তোমার দেশে বাংলা ১ম পত্র

SSC বাংলা ১ম পত্র এর যাব আমি তোমার দেশে অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

১৬৬

প্রশ্ন

বাংলা ১ম পত্র

বিষয়

SSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

মাথার সিঁথির মতো মেঠোপথ ধরে দুপাশে বেতস বন যায় পিছু সরে নাম না জানা এক অচিন গাঁয়ে চল না দুজনে আসি ঘুরে
বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে কোন কবির কবিতা প্রবেশিকা বাংলা সংকলনে অন্তর্ভুক্ত হয়?

উত্তর

বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে কবি জসীমউদ্দীনের 'কবর' কবিতা প্রবেশিকা বাংলা সংকলনে অন্তর্ভুক্ত হয়।
"গিয়াছে সে হাবা মেয়ের এলো মাথার সিঁথির মতো"- কথাটি বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর

আঁকাবাঁকা গ্রামীণ সরু মেঠোপথ বোঝাতে 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় প্রশ্নোক্ত চরণটির অবতারণা করা হয়েছে। 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবি এক গ্রামে যেতে চেয়েছেন এবং সেই গ্রামের পথের চিত্র কল্পনায় তুলে ধরেছেন কবিতায়। কবির কল্পনার পল্লিগ্রামের যে পথ তাকে তিনি তুলনা করেছেন পল্লির হাবা মেয়ের এলো সিঁথির সাথে। এলো সিঁথি যেমন আঁকাবাঁকা হয় তেমনই গ্রামীণ পথও কোথাও সোজা বা কোথাও বাঁকা হিসেবে বোঝাতে কবি চরণটির অবতারণা করেছেন।
উদ্দীপকটি 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার কোন দিকটিকে তুলে ধরেছে?- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকটি 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার কবির পল্লিগ্রামে যেতে চাওয়ার দিকটি তুলে ধরেছে। 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবি তাঁর শিকড়ে ফিরে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন। মাটির টানে, গ্রামের সৌন্দর্যে ও প্রকৃতির আলিঙ্গনে তিনি খুঁজে পেতে চান সেই হারানো স্বপ্নের জীবন। 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় দেখা যায়, কবি পল্লি-দুলালের সঙ্গে তার পল্লিগ্রামে যেতে চান। সেই গ্রামের প্রাকৃতিক অনুষঙ্গ খেতের ভেতর সরু সুতার সম্পর্কে কবি বর্ণনা করেন। কবিতায় কবি সেই গ্রামের মেঠোপথ সম্পর্কে বলেন, যে পথটি ধান-কাউনের খে আঁচড়ের মতো দেখতে কিংবা হাবা মেয়ের মাথার সিঁথির মতো। সেই পথ ধরে কবি গ্রামে যেতে চান, তার প্রকৃতির রূপের সুধা পান করতে চান। কবি সেই রূপকে অঙ্কন করতে নানা অনুষঙ্গ টেনেছেন। তিনি সেখানে অজানা ফুলের রূপ দেখে মুগ্ধ হতে চান, পল্লি-দুলালের কাঁধে হাত রেখে উদাস বেশে ঘুরে বেড়াতে চান। গাছের শাখা দুলিয়ে হাজার রঙের ফুল তুলে মালা গাঁথতে চান। উদ্দীপকে এরকম সাদৃশ্যপূর্ণ একটি বিবরণ রয়েছে। সেখানে মাথার সিঁথির মতো মেঠোপথের কথা বলা হয়েছে যা কবিতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। এখানেও নাম না-জানা অচিন গাঁয়ে দুজনে মিলে ঘুরতে যেতে চায়। তাই বলা যায়, প্রাকৃতিক পরিবেশ দিয়ে ঘেরা গ্রামের রূপ চিত্রণে বা সেখানে যেতে চাওয়ার দিকটি উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে।
"উদ্দীপকটি 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতাটির সামগ্রিক ভাব প্রকাশ করেনি।"- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

বিষয়বস্তুর দিক থেকে সমগ্র ভাব প্রতিফলিত না হওয়ায় বলা যায়, "উদ্দীপকটি 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতাটির সামগ্রিক ভাব প্রকাশ করেনি" মন্তব্যটি যথার্থ। 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় প্রকৃতির নিসর্গ ও পল্লিজীবনের ছন্দ মিলেমিশে এক সুর তৈরি করেছে। কবি সেই সুরে হারিয়ে যেতে চান, যেখানে নেই কৃত্রিমতা, আছে কেবল মাটির টান ও প্রকৃত ভালোবাসা। পল্লির অকৃত্রিম প্রাকৃতিক পরিবেশে যে ছেলে বড় হয়েছে 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার কবি তাকে পল্লি-দুলাল বলে সম্বোধন করেছেন। কবি সেই আদরের পল্লি-দুলালের পল্লিগ্রামে যেতে চেয়েছেন। তার সেই গ্রামকে ঘিরে রেখেছে প্রকৃতি, যার শীর্ষে আকাশ, পায়ের কাছে দিক-হারা মাঠ। এখানে কবি সেই মেঠোপথের বিবরণ দিতে গিয়ে গ্রামীণ হাবা মেয়ের এলো মাথার সিঁথির উপমা টেনেছেন। এলো মাথার সিঁথি যেমন কোথাও সোজা কোথাও বাঁকা কবির ভাবনার পথও এমন। কবি সেখানে অজানা ফুলের সুবাসে ভাসতে চেয়েছেন, চেয়েছেন মুগ্ধ হতে। তিনি পল্লি-দুলালের কাঁধে হাত রেখে উদাস বেশে ঘুরে বেড়াতে চেয়েছেন। উদ্দীপকেও দেখা যায় দুজন মিলে ঘুরতে যেতে চায় নাম না-জানা অচিন গাঁয়ে; যেখানে পথকে মাথার সিঁথির মতো মেঠোপথ ভাবা হয়েছে। পথের দুপাশে বেতবন পিছু সরে যায়। উদ্দীপকটি পল্লিপকৃতির অচিন এক গাঁয়ের পথকে তুলে ধরেছে যেখানে দুজনে মিলে যেতে চেয়েছে। এদিক দিয়ে 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার কবির ইচ্ছের সঙ্গে এবং গ্রামীণ পথের কল্পনার সঙ্গে সাদৃশ্য রয়েছে। তবে কবিতায় পল্লিপ্রকৃতির যে সামগ্রিক রূপ তুলে ধরা হয়েছে সেই ভাবটি উদ্দীপকে অনুপস্থিত। তাই বলা যায়, পল্লিগ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অবলোকন এবং সেই অজানায় মিশে যাওয়ার যে ইচ্ছা সেই জায়গা থেকে উদ্দীপকটি 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার একটি ক্ষুদ্র প্রতিচ্ছবি, কিন্তু কবিতার সামগ্রিক ভাব ধারণ করতে পারেনি।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

মাথার সিঁথির মতো মেঠোপথ ধরে দুপাশে বেতস বন যায় পিছু সরে নাম না জানা এক অচিন গাঁয়ে চল না দুজনে আসি ঘুরে
বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে কোন কবির কবিতা প্রবেশিকা বাংলা সংকলনে অন্তর্ভুক্ত হয়?

উত্তর

বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে কবি জসীমউদ্দীনের 'কবর' কবিতা প্রবেশিকা বাংলা সংকলনে অন্তর্ভুক্ত হয়।
"গিয়াছে সে হাবা মেয়ের এলো মাথার সিঁথির মতো"- কথাটি বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর

আঁকাবাঁকা গ্রামীণ সরু মেঠোপথ বোঝাতে 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় প্রশ্নোক্ত চরণটির অবতারণা করা হয়েছে। 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবি এক গ্রামে যেতে চেয়েছেন এবং সেই গ্রামের পথের চিত্র কল্পনায় তুলে ধরেছেন কবিতায়। কবির কল্পনার পল্লিগ্রামের যে পথ তাকে তিনি তুলনা করেছেন পল্লির হাবা মেয়ের এলো সিঁথির সাথে। এলো সিঁথি যেমন আঁকাবাঁকা হয় তেমনই গ্রামীণ পথও কোথাও সোজা বা কোথাও বাঁকা হিসেবে বোঝাতে কবি চরণটির অবতারণা করেছেন।
উদ্দীপকটি 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার কোন দিকটিকে তুলে ধরেছে?- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকটি 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার কবির পল্লিগ্রামে যেতে চাওয়ার দিকটি তুলে ধরেছে। 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবি তাঁর শিকড়ে ফিরে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন। মাটির টানে, গ্রামের সৌন্দর্যে ও প্রকৃতির আলিঙ্গনে তিনি খুঁজে পেতে চান সেই হারানো স্বপ্নের জীবন। 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় দেখা যায়, কবি পল্লি-দুলালের সঙ্গে তার পল্লিগ্রামে যেতে চান। সেই গ্রামের প্রাকৃতিক অনুষঙ্গ খেতের ভেতর সরু সুতার সম্পর্কে কবি বর্ণনা করেন। কবিতায় কবি সেই গ্রামের মেঠোপথ সম্পর্কে বলেন, যে পথটি ধান-কাউনের খে আঁচড়ের মতো দেখতে কিংবা হাবা মেয়ের মাথার সিঁথির মতো। সেই পথ ধরে কবি গ্রামে যেতে চান, তার প্রকৃতির রূপের সুধা পান করতে চান। কবি সেই রূপকে অঙ্কন করতে নানা অনুষঙ্গ টেনেছেন। তিনি সেখানে অজানা ফুলের রূপ দেখে মুগ্ধ হতে চান, পল্লি-দুলালের কাঁধে হাত রেখে উদাস বেশে ঘুরে বেড়াতে চান। গাছের শাখা দুলিয়ে হাজার রঙের ফুল তুলে মালা গাঁথতে চান। উদ্দীপকে এরকম সাদৃশ্যপূর্ণ একটি বিবরণ রয়েছে। সেখানে মাথার সিঁথির মতো মেঠোপথের কথা বলা হয়েছে যা কবিতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। এখানেও নাম না-জানা অচিন গাঁয়ে দুজনে মিলে ঘুরতে যেতে চায়। তাই বলা যায়, প্রাকৃতিক পরিবেশ দিয়ে ঘেরা গ্রামের রূপ চিত্রণে বা সেখানে যেতে চাওয়ার দিকটি উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে।
"উদ্দীপকটি 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতাটির সামগ্রিক ভাব প্রকাশ করেনি।"- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

বিষয়বস্তুর দিক থেকে সমগ্র ভাব প্রতিফলিত না হওয়ায় বলা যায়, "উদ্দীপকটি 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতাটির সামগ্রিক ভাব প্রকাশ করেনি" মন্তব্যটি যথার্থ। 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় প্রকৃতির নিসর্গ ও পল্লিজীবনের ছন্দ মিলেমিশে এক সুর তৈরি করেছে। কবি সেই সুরে হারিয়ে যেতে চান, যেখানে নেই কৃত্রিমতা, আছে কেবল মাটির টান ও প্রকৃত ভালোবাসা। পল্লির অকৃত্রিম প্রাকৃতিক পরিবেশে যে ছেলে বড় হয়েছে 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার কবি তাকে পল্লি-দুলাল বলে সম্বোধন করেছেন। কবি সেই আদরের পল্লি-দুলালের পল্লিগ্রামে যেতে চেয়েছেন। তার সেই গ্রামকে ঘিরে রেখেছে প্রকৃতি, যার শীর্ষে আকাশ, পায়ের কাছে দিক-হারা মাঠ। এখানে কবি সেই মেঠোপথের বিবরণ দিতে গিয়ে গ্রামীণ হাবা মেয়ের এলো মাথার সিঁথির উপমা টেনেছেন। এলো মাথার সিঁথি যেমন কোথাও সোজা কোথাও বাঁকা কবির ভাবনার পথও এমন। কবি সেখানে অজানা ফুলের সুবাসে ভাসতে চেয়েছেন, চেয়েছেন মুগ্ধ হতে। তিনি পল্লি-দুলালের কাঁধে হাত রেখে উদাস বেশে ঘুরে বেড়াতে চেয়েছেন। উদ্দীপকেও দেখা যায় দুজন মিলে ঘুরতে যেতে চায় নাম না-জানা অচিন গাঁয়ে; যেখানে পথকে মাথার সিঁথির মতো মেঠোপথ ভাবা হয়েছে। পথের দুপাশে বেতবন পিছু সরে যায়। উদ্দীপকটি পল্লিপকৃতির অচিন এক গাঁয়ের পথকে তুলে ধরেছে যেখানে দুজনে মিলে যেতে চেয়েছে। এদিক দিয়ে 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার কবির ইচ্ছের সঙ্গে এবং গ্রামীণ পথের কল্পনার সঙ্গে সাদৃশ্য রয়েছে। তবে কবিতায় পল্লিপ্রকৃতির যে সামগ্রিক রূপ তুলে ধরা হয়েছে সেই ভাবটি উদ্দীপকে অনুপস্থিত। তাই বলা যায়, পল্লিগ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অবলোকন এবং সেই অজানায় মিশে যাওয়ার যে ইচ্ছা সেই জায়গা থেকে উদ্দীপকটি 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার একটি ক্ষুদ্র প্রতিচ্ছবি, কিন্তু কবিতার সামগ্রিক ভাব ধারণ করতে পারেনি।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম ও বেড়ে ওঠা অর্নির। সে বাবার কাছে বাবার ছেলেবেলা ও গ্রামের গল্প শুনেছে। তার বাবার বিলদুয়ারিয়া গ্রামের পাশের যমুনা নদীর কথা শুনেছে। বাবার গ্রামের বিরাট মাঠ, নিবিড় বৃক্ষরাজি, বিস্তীর্ণ হলুদ সরিযাখেত, নদীতে দুরন্ত ছেলেমেয়ের লাফানো-ঝাঁপানো সে কল্পনায় দেখতে পায়। শহর থেকে গ্রামে যে সরু রাস্তাটি ফসলের খেতের বুক চিড়ে ঢুকেছে সেটিও কল্পনায় দেখে সে। দাদা-দাদি বেঁচে না থাকায় দীর্ঘদিন পর তারা বাংলাদেশে আসে। এসে তাদের খুব মন খারাপ হয়। বাড়িটি নদীগর্ভে তলিয়ে গিয়েছে। সবকিছুরই পরিবর্তন হয়েছে। গ্রামের সেই চেহারাটি আর নেই। তবে দুরন্ত ছেলেমেয়েদের নদীতে লাফালাফি, ঝাঁপাঝাঁপি দেখে অর্নি অভিভূত হয়ে গেল। সেও ওদের সঙ্গে যোগ দিতে চাইল।
জসীমউদ্দীন সাহিত্য সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ কোন পদক লাভ করেন?

উত্তর

জসীমউদ্দীন সাহিত্য সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ 'একুশে পদক' লাভ করেন
লেখক কোথায় ফুলের মালা রেখে আসবেন? সেখানকার বর্ণনা দাও।

উত্তর

লেখক পল্লিবালা যে ঘাটে কলসি ভরবে সেই ঘাটের এক ধারে ফুলের মালা রেখে আসবেন। 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবি যে পল্লিগ্রামে যেতে চেয়েছেন তা অকৃত্রিম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর। সেখানে হাজার রঙের ফুল ফোটে। লেখক গাছের শাখা দুলিয়ে ফুল পেড়ে তা দিয়ে মালা গেঁথে গাঁয়ের বিভোল পল্লিবালা যে ঘাটে জল ভরতে আসে সেখানে সেই মালা রেখে আসবেন।
'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার সঙ্গে উদ্দীপকটির সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

গ্রামের অকৃত্রিম রূপ ও গ্রামীণ নানা অনুষঙ্গের উপস্থিতির সঙ্গে উদ্দীপক ও 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতাটি সাদৃশ্যপূর্ণ। 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবির অন্তর ভরে ওঠে গ্রামীণ প্রকৃতির আকর্ষণে। তিনি নগরের কোলাহল ছেড়ে শান্ত গ্রামের বুকে ফিরে যেতে চান, যেখানে দিঘির ঢেউ আর বাতাসের সুর মিশে থাকে হৃদয়ের গানে। 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় পল্লিমায়ের আদরের সন্তান পল্লি-দুলাল গ্রামের অকৃত্রিম প্রাকৃতিক পরিবেশে বড় হয়েছে। কবি সেই পল্লি-দুলালের পল্লিগ্রামে যেতে চেয়েছেন। সেই পল্লিগ্রামকে ঘিরে রেখেছে প্রকৃতি। সেখানে পায়ের কাছে দিক-হারা মাঠ, বেতকেয়ার বনে ডাহুক ডাকে। সেখানে ধান-কাউনের খেতের ভেতর দিয়ে সরু সুতার মতো দীর্ঘ পথ আঁকাবাঁকা। সেই পথে গাঁয়ের মেয়ে কদম-কলি ছড়িয়ে হেঁটে চলে। গ্রামীণ চঞ্চল ছেলেদের সঙ্গে কবি খেলা করার ইচ্ছা পোষণ করেন। শৈশবের সেই দুরন্তপনা ও গ্রামের অফুরন্ত সৌন্দর্য কবিতায় ব্যাপকভাবে ফুটে উঠেছে। উদ্দীপকে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রে বেড়ে ওঠা অর্নি তার বাবার কাছে বাবার ছেলেবেলা ও গ্রামের গল্প শুনেছে। গ্রামের পাশে যমুনা নদী। সেখানে বিরাট মাঠ, নিবিড় বৃক্ষরাজি, বিস্তীর্ণ হলুদ সরিষা খেত, নদীতে দুরন্ত ছেলেমেয়ের লাফানো, ঝাঁপানো- এ সব চিত্রই কবিতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, উদ্দীপক ও কবিতার মধ্যে প্রাকৃতিক অনষঙ্গগুলো সাদশ্যপূর্ণ।
উদ্দীপকটি 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার ভাবকে কতটা ধারণ করতে পেরেছে? মতামত দাও।

উত্তর

মূলভাবের দিক থেকে উদ্দীপকটি 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার ভাবকে আংশিক ধারণ করেছে, পুরোটা নয়। 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় বাংলাদেশের পল্লিজীবনের সৌন্দর্য চিত্রিত হয়েছে অনবদ্যভাবে। ধানখেতের সরু পথ, কদমকলির সুবাস, পাখির ডাক- সব মিলিয়ে কবি যেন এক জীবন্ত পল্লিচিত্র এঁকেছেন। এটি প্রকৃতি ও জীবনের মিলনের কবিতা। 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবি পল্লিগ্রামের বিস্তীর্ণ অনিন্দ্য সৌন্দর্যকে নানা অনুষঙ্গ দিয়ে ফুটিয়ে তুলেছেন। সেখানে তিনি পল্লির রূপের সূক্ষ্ম চিত্র দেখিয়েছেন। কবি যে আদরের দুলালের দেশে অর্থাৎ পল্লিগ্রামে যেতে চেয়েছেন সেখানে অকৃত্রিম প্রাকৃতিক পরিবেশ বিদ্যমান। কবি বর্ণনা করেছেন গ্রামের অফুরন্ত সৌন্দর্যের অনুষঙ্গসমূহ। গ্রামের বনের শীর্ষে মুক্ত আকাশ, দিক-হারা মাঠ, বনে ডাহুকের ডাক, মেঠোপথ সবই সৌন্দর্যের আধার। কবি সেখানে গিয়ে পাড়ার ছেলেদের সঙ্গে খেলতে চান। পাখিদের সঙ্গে ডাকতে চান। অজানা ফুলের রূপ দেখে মুগ্ধ হতে চান। উদ্দীপকে দেখা যায়, অর্নি তার বাবার শৈশবের দুরন্ত স্মৃতির গল্প শোনে, সেখানে গ্রামের বিস্তীর্ণ রূপ সম্বন্ধে বাবার কাছে জানতে পারে। কিন্তু দাদা-দাদি বেঁচে না থাকায় দীর্ঘদিন পর দেশে এসে বাবার স্মৃতির সেই গ্রামের সঙ্গে বর্তমান গ্রামকে মেলাতে পারে না। গ্রামের প্রায় সবকিছুই বিলীন হয়ে গেছে। তবে দুরন্ত ছেলেমেয়েদের নদীতে লাফালাফি-ঝাঁপাঝাঁপি দেখে সেও তাদের সঙ্গে যোগ দিতে চাইল। 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় পল্লিগ্রামের অকৃত্রিম রূপ বিদ্যমান। সেখানে গ্রামের পরিবর্তন বা বিলীন হয়ে যাওয়ার কোনো বিষয় নেই। তাই বলা যায়, উদ্দীপকটি গ্রামের সৌন্দর্যকে সুচারুরূপে সম্পূর্ণভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারেনি, বরং বর্ণনানুযায়ী তা হচ্ছে কবিতার আংশিক রূপ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম ও বেড়ে ওঠা অর্নির। সে বাবার কাছে বাবার ছেলেবেলা ও গ্রামের গল্প শুনেছে। তার বাবার বিলদুয়ারিয়া গ্রামের পাশের যমুনা নদীর কথা শুনেছে। বাবার গ্রামের বিরাট মাঠ, নিবিড় বৃক্ষরাজি, বিস্তীর্ণ হলুদ সরিযাখেত, নদীতে দুরন্ত ছেলেমেয়ের লাফানো-ঝাঁপানো সে কল্পনায় দেখতে পায়। শহর থেকে গ্রামে যে সরু রাস্তাটি ফসলের খেতের বুক চিড়ে ঢুকেছে সেটিও কল্পনায় দেখে সে। দাদা-দাদি বেঁচে না থাকায় দীর্ঘদিন পর তারা বাংলাদেশে আসে। এসে তাদের খুব মন খারাপ হয়। বাড়িটি নদীগর্ভে তলিয়ে গিয়েছে। সবকিছুরই পরিবর্তন হয়েছে। গ্রামের সেই চেহারাটি আর নেই। তবে দুরন্ত ছেলেমেয়েদের নদীতে লাফালাফি, ঝাঁপাঝাঁপি দেখে অর্নি অভিভূত হয়ে গেল। সেও ওদের সঙ্গে যোগ দিতে চাইল।
জসীমউদ্দীন সাহিত্য সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ কোন পদক লাভ করেন?

উত্তর

জসীমউদ্দীন সাহিত্য সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ 'একুশে পদক' লাভ করেন
লেখক কোথায় ফুলের মালা রেখে আসবেন? সেখানকার বর্ণনা দাও।

উত্তর

লেখক পল্লিবালা যে ঘাটে কলসি ভরবে সেই ঘাটের এক ধারে ফুলের মালা রেখে আসবেন। 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবি যে পল্লিগ্রামে যেতে চেয়েছেন তা অকৃত্রিম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর। সেখানে হাজার রঙের ফুল ফোটে। লেখক গাছের শাখা দুলিয়ে ফুল পেড়ে তা দিয়ে মালা গেঁথে গাঁয়ের বিভোল পল্লিবালা যে ঘাটে জল ভরতে আসে সেখানে সেই মালা রেখে আসবেন।
'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার সঙ্গে উদ্দীপকটির সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

গ্রামের অকৃত্রিম রূপ ও গ্রামীণ নানা অনুষঙ্গের উপস্থিতির সঙ্গে উদ্দীপক ও 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতাটি সাদৃশ্যপূর্ণ। 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবির অন্তর ভরে ওঠে গ্রামীণ প্রকৃতির আকর্ষণে। তিনি নগরের কোলাহল ছেড়ে শান্ত গ্রামের বুকে ফিরে যেতে চান, যেখানে দিঘির ঢেউ আর বাতাসের সুর মিশে থাকে হৃদয়ের গানে। 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় পল্লিমায়ের আদরের সন্তান পল্লি-দুলাল গ্রামের অকৃত্রিম প্রাকৃতিক পরিবেশে বড় হয়েছে। কবি সেই পল্লি-দুলালের পল্লিগ্রামে যেতে চেয়েছেন। সেই পল্লিগ্রামকে ঘিরে রেখেছে প্রকৃতি। সেখানে পায়ের কাছে দিক-হারা মাঠ, বেতকেয়ার বনে ডাহুক ডাকে। সেখানে ধান-কাউনের খেতের ভেতর দিয়ে সরু সুতার মতো দীর্ঘ পথ আঁকাবাঁকা। সেই পথে গাঁয়ের মেয়ে কদম-কলি ছড়িয়ে হেঁটে চলে। গ্রামীণ চঞ্চল ছেলেদের সঙ্গে কবি খেলা করার ইচ্ছা পোষণ করেন। শৈশবের সেই দুরন্তপনা ও গ্রামের অফুরন্ত সৌন্দর্য কবিতায় ব্যাপকভাবে ফুটে উঠেছে। উদ্দীপকে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রে বেড়ে ওঠা অর্নি তার বাবার কাছে বাবার ছেলেবেলা ও গ্রামের গল্প শুনেছে। গ্রামের পাশে যমুনা নদী। সেখানে বিরাট মাঠ, নিবিড় বৃক্ষরাজি, বিস্তীর্ণ হলুদ সরিষা খেত, নদীতে দুরন্ত ছেলেমেয়ের লাফানো, ঝাঁপানো- এ সব চিত্রই কবিতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, উদ্দীপক ও কবিতার মধ্যে প্রাকৃতিক অনষঙ্গগুলো সাদশ্যপূর্ণ।
উদ্দীপকটি 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার ভাবকে কতটা ধারণ করতে পেরেছে? মতামত দাও।

উত্তর

মূলভাবের দিক থেকে উদ্দীপকটি 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার ভাবকে আংশিক ধারণ করেছে, পুরোটা নয়। 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় বাংলাদেশের পল্লিজীবনের সৌন্দর্য চিত্রিত হয়েছে অনবদ্যভাবে। ধানখেতের সরু পথ, কদমকলির সুবাস, পাখির ডাক- সব মিলিয়ে কবি যেন এক জীবন্ত পল্লিচিত্র এঁকেছেন। এটি প্রকৃতি ও জীবনের মিলনের কবিতা। 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবি পল্লিগ্রামের বিস্তীর্ণ অনিন্দ্য সৌন্দর্যকে নানা অনুষঙ্গ দিয়ে ফুটিয়ে তুলেছেন। সেখানে তিনি পল্লির রূপের সূক্ষ্ম চিত্র দেখিয়েছেন। কবি যে আদরের দুলালের দেশে অর্থাৎ পল্লিগ্রামে যেতে চেয়েছেন সেখানে অকৃত্রিম প্রাকৃতিক পরিবেশ বিদ্যমান। কবি বর্ণনা করেছেন গ্রামের অফুরন্ত সৌন্দর্যের অনুষঙ্গসমূহ। গ্রামের বনের শীর্ষে মুক্ত আকাশ, দিক-হারা মাঠ, বনে ডাহুকের ডাক, মেঠোপথ সবই সৌন্দর্যের আধার। কবি সেখানে গিয়ে পাড়ার ছেলেদের সঙ্গে খেলতে চান। পাখিদের সঙ্গে ডাকতে চান। অজানা ফুলের রূপ দেখে মুগ্ধ হতে চান। উদ্দীপকে দেখা যায়, অর্নি তার বাবার শৈশবের দুরন্ত স্মৃতির গল্প শোনে, সেখানে গ্রামের বিস্তীর্ণ রূপ সম্বন্ধে বাবার কাছে জানতে পারে। কিন্তু দাদা-দাদি বেঁচে না থাকায় দীর্ঘদিন পর দেশে এসে বাবার স্মৃতির সেই গ্রামের সঙ্গে বর্তমান গ্রামকে মেলাতে পারে না। গ্রামের প্রায় সবকিছুই বিলীন হয়ে গেছে। তবে দুরন্ত ছেলেমেয়েদের নদীতে লাফালাফি-ঝাঁপাঝাঁপি দেখে সেও তাদের সঙ্গে যোগ দিতে চাইল। 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় পল্লিগ্রামের অকৃত্রিম রূপ বিদ্যমান। সেখানে গ্রামের পরিবর্তন বা বিলীন হয়ে যাওয়ার কোনো বিষয় নেই। তাই বলা যায়, উদ্দীপকটি গ্রামের সৌন্দর্যকে সুচারুরূপে সম্পূর্ণভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারেনি, বরং বর্ণনানুযায়ী তা হচ্ছে কবিতার আংশিক রূপ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

অপু জন্মিয়া অবধি কোথাও কখনো যায় নাই। এ গাঁয়েরই বকুলতলা, গোঁসাইবাগান, চালতেতলা, নদীর ধার, বড়ো জোর নবাবগঞ্জ যাইবার পাকা সড়ক- এই পর্যন্ত তাহার দৌড়। মাঝে মাঝে বৈশাখ কি জ্যৈষ্ঠ মাসে খুব গরম পড়িলে বৈকালে দিদির সঙ্গে নদীর ঘাটে গিয়া দাঁড়াইয়া থাকিত। আজ সেই অপু সর্বপ্রথম গ্রামের বাহিরে পা দিল। কয়েকদিন হইতেই উৎসাহে তাহার রাত্রিতে ঘুম হওয়া দায় হইয়া পড়িয়াছিল। দিন গনিতে গনিতে অবশেষে যাইবার দিন আসিয়া গেল।
কবি কাদের সঙ্গে দল বেঁধে খেলতে চান?

উত্তর

কবি পাড়ার দস্যি ছেলেদের সঙ্গে দল বেঁধে খেলতে চান।
কবি ফুলের মালা গেঁথে কী করবেন?- বর্ণনা করো।

উত্তর

কবি ফুলের মালা গেঁথে বিভোল পল্লিবালা যে ঘাটে কলস ভরতে যায় সেখানে রেখে আসবেন। 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবি পল্লিপ্রকৃতির সঙ্গে মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছেন। তিনি পল্লিগ্রামের গাছের শাখা দুলিয়ে মনের ইচ্ছামতো ফুল পাড়বেন। পল্লিগ্রামের এই বিচিত্র সুন্দর ফুল দিয়ে তিনি মালা গাঁথবেন। সেই গাঁথা মালা তিনি ঘাটে রেখে আসবেন। কবি কল্পনা করেছেন, পল্লিবালা সেই মালা কে রেখে গেছে এটা ভাবতে ভাবতে মালাটি কুড়িয়ে নেবে এবং গলায় পরবে।
উদ্দীপকটি 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

পল্লিগ্রামের চিত্র বর্ণনা এবং প্রকৃতির সঙ্গে মিশে যাওয়ার দিক থেকে উদ্দীপক ও 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতা সাদৃশ্যপূর্ণ। 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় বাংলাদেশের গ্রামীণ প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য ধরা দিয়েছে। ধানখেত, দিঘির জল, শিমুলডাঙার বন, ডাহুকের ডাক- এসব বর্ণনায় কবি যেন এক জীবন্ত চিত্র অঙ্কন করেছেন। প্রকৃতি এখানে শুধু দৃশ্য নয়, এটি কবির অনুভবের অংশ, জীবনের স্পন্দন। 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবি পল্লিগ্রামে যেতে চেয়েছেন, প্রকৃতি যাকে ঘিরে রেখেছে। তার বনের শীর্ষে আকাশ, পায়ের কাছে দিক-হারা মাঠ, সেখানে বেত-কেয়ার বনে ডাহুক ডাকে। সরু সুতার মতো বাঁকা দীর্ঘ পথে গাঁয়ের মেয়ে কদম-কলি ছড়িয়ে হেঁটে চলে। কবি সেই পথে পল্লি-দুলালের দেশে যাবেন। ধল-দিঘিতে সাঁতার কেটে রক্তকমল তুলে আনবেন। গাছের শাখা দুলিয়ে হাজার রঙের ফুল তুলবেন। সন্ধ্যা নামলে, আঁধার ঘনিয়ে এলে নিরালা নিঝুম অন্ধকারে কবি পল্লি-দুলালের সঙ্গে পল্লিমায়ের অপরূপ সৌন্দর্য অবলোকন করবেন। উদ্দীপকের অপু তার গাঁয়ের তেলে-জলেই মানুষ। গাঁয়ের বকুলতলা, গোঁসাইবাগান, চালতেতলা, নদীর ধার এসবই সে দেখে আসছে যা প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের উৎস। সে বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে গরমে বিকেলে নদীর ঘাটে দাঁড়িয়ে থাকে। এই যে প্রকৃতির সঙ্গে মিশে যাওয়া এই দিক থেকে উদ্দীপক ও কবিতা সাদৃশ্যপূর্ণ।
উদ্দীপকের 'অপু' 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার পল্লি-দুলালের প্রতিনিধিত্ব করে কি? যুক্তিসহকারে মতামত দাও।

উত্তর

হ্যাঁ, বৈশিষ্ট্যগত দিক থেকে উদ্দীপকের অপু 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার পল্লি-দুলালের প্রতিনিধিত্ব করে। 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবি প্রকৃতির স্নিগ্ধ রূপে মুগ্ধ হয়ে পড়েছেন। তিনি দেখতে চান সেই আকাশ, মাঠ, বন ও দিঘির জল যেখানে সবকিছু শান্ত ও নির্মল। কবির মনে পল্লি-দুলালের এই দেশ এক আশ্রয়ের প্রতীক, যেখানে মাটি ও মানুষের ঘ্রাণ মিশে আছে ভালোবাসায়। 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবি পল্লি-দুলাল বলতে পল্লিগ্রামের আদরের ছেলেকে বুঝিয়েছেন, যে পল্লির আলো-বাতাসেই বেড়ে উঠেছে। কবি তার সাথেই তার পল্লিগ্রামে যেতে চেয়েছেন। সেখানে তিনি পল্লি-দুলালের গ্রামের রূপের সৌন্দর্যের বর্ণনা দিয়েছেন, যেখানে গ্রামবাংলার এক অপূর্ব ছবি দেখা যায়। সেই গ্রামকে ঘিরে রেখেছে প্রকৃতি, আর সেই প্রকৃতির ঘিরে রাখা মাঠ, বন এসবেই সে বেড়ে উঠেছে। যেখানে বেত-কেয়ার বনে ডাহুক ডাকে, যেখানে সরু সুতার মতো পথ; সেই পথের রূপ দেখেই বেড়ে উঠেছে পল্লি-দুলাল। উদ্দীপকেও অপুকে দেখা যায় জন্ম অবধি কোথাও যায়নি। গাঁয়ের বকুলতলা, গোঁসাইবাগান, চালতেতলা, নদীর ধার, বড়োজোর নবাবগঞ্জ পর্যন্ত গিয়েছে সে। গ্রামের বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে প্রচণ্ড গরমে সে দিদির সঙ্গে বিকেলে নদীর ঘাটে হাঁটতে যায়। উদ্দীপকের 'অপু' পল্লিপ্রকৃতিতে বেড়ে উঠেছে। এমনকি নিজ গ্রামের বাইরে পর্যন্ত যায়নি। তাই সে একজন অকৃত্রিম পল্লি-দুলাল। 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবি এমন পল্লিতে বেড়ে ওঠা একজন পল্লি-দুলালের দেশে যেতে চেয়েছেন। তাই বলা যায়, পল্লিতে বেড়ে ওঠা এবং গ্রামের প্রকৃতি চিত্রণের দিক থেকে অপু পল্লি-দুলালের প্রতিনিধিত্ব করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

অপু জন্মিয়া অবধি কোথাও কখনো যায় নাই। এ গাঁয়েরই বকুলতলা, গোঁসাইবাগান, চালতেতলা, নদীর ধার, বড়ো জোর নবাবগঞ্জ যাইবার পাকা সড়ক- এই পর্যন্ত তাহার দৌড়। মাঝে মাঝে বৈশাখ কি জ্যৈষ্ঠ মাসে খুব গরম পড়িলে বৈকালে দিদির সঙ্গে নদীর ঘাটে গিয়া দাঁড়াইয়া থাকিত। আজ সেই অপু সর্বপ্রথম গ্রামের বাহিরে পা দিল। কয়েকদিন হইতেই উৎসাহে তাহার রাত্রিতে ঘুম হওয়া দায় হইয়া পড়িয়াছিল। দিন গনিতে গনিতে অবশেষে যাইবার দিন আসিয়া গেল।
কবি কাদের সঙ্গে দল বেঁধে খেলতে চান?

উত্তর

কবি পাড়ার দস্যি ছেলেদের সঙ্গে দল বেঁধে খেলতে চান।
কবি ফুলের মালা গেঁথে কী করবেন?- বর্ণনা করো।

উত্তর

কবি ফুলের মালা গেঁথে বিভোল পল্লিবালা যে ঘাটে কলস ভরতে যায় সেখানে রেখে আসবেন। 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবি পল্লিপ্রকৃতির সঙ্গে মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছেন। তিনি পল্লিগ্রামের গাছের শাখা দুলিয়ে মনের ইচ্ছামতো ফুল পাড়বেন। পল্লিগ্রামের এই বিচিত্র সুন্দর ফুল দিয়ে তিনি মালা গাঁথবেন। সেই গাঁথা মালা তিনি ঘাটে রেখে আসবেন। কবি কল্পনা করেছেন, পল্লিবালা সেই মালা কে রেখে গেছে এটা ভাবতে ভাবতে মালাটি কুড়িয়ে নেবে এবং গলায় পরবে।
উদ্দীপকটি 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

পল্লিগ্রামের চিত্র বর্ণনা এবং প্রকৃতির সঙ্গে মিশে যাওয়ার দিক থেকে উদ্দীপক ও 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতা সাদৃশ্যপূর্ণ। 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় বাংলাদেশের গ্রামীণ প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য ধরা দিয়েছে। ধানখেত, দিঘির জল, শিমুলডাঙার বন, ডাহুকের ডাক- এসব বর্ণনায় কবি যেন এক জীবন্ত চিত্র অঙ্কন করেছেন। প্রকৃতি এখানে শুধু দৃশ্য নয়, এটি কবির অনুভবের অংশ, জীবনের স্পন্দন। 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবি পল্লিগ্রামে যেতে চেয়েছেন, প্রকৃতি যাকে ঘিরে রেখেছে। তার বনের শীর্ষে আকাশ, পায়ের কাছে দিক-হারা মাঠ, সেখানে বেত-কেয়ার বনে ডাহুক ডাকে। সরু সুতার মতো বাঁকা দীর্ঘ পথে গাঁয়ের মেয়ে কদম-কলি ছড়িয়ে হেঁটে চলে। কবি সেই পথে পল্লি-দুলালের দেশে যাবেন। ধল-দিঘিতে সাঁতার কেটে রক্তকমল তুলে আনবেন। গাছের শাখা দুলিয়ে হাজার রঙের ফুল তুলবেন। সন্ধ্যা নামলে, আঁধার ঘনিয়ে এলে নিরালা নিঝুম অন্ধকারে কবি পল্লি-দুলালের সঙ্গে পল্লিমায়ের অপরূপ সৌন্দর্য অবলোকন করবেন। উদ্দীপকের অপু তার গাঁয়ের তেলে-জলেই মানুষ। গাঁয়ের বকুলতলা, গোঁসাইবাগান, চালতেতলা, নদীর ধার এসবই সে দেখে আসছে যা প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের উৎস। সে বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে গরমে বিকেলে নদীর ঘাটে দাঁড়িয়ে থাকে। এই যে প্রকৃতির সঙ্গে মিশে যাওয়া এই দিক থেকে উদ্দীপক ও কবিতা সাদৃশ্যপূর্ণ।
উদ্দীপকের 'অপু' 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার পল্লি-দুলালের প্রতিনিধিত্ব করে কি? যুক্তিসহকারে মতামত দাও।

উত্তর

হ্যাঁ, বৈশিষ্ট্যগত দিক থেকে উদ্দীপকের অপু 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার পল্লি-দুলালের প্রতিনিধিত্ব করে। 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবি প্রকৃতির স্নিগ্ধ রূপে মুগ্ধ হয়ে পড়েছেন। তিনি দেখতে চান সেই আকাশ, মাঠ, বন ও দিঘির জল যেখানে সবকিছু শান্ত ও নির্মল। কবির মনে পল্লি-দুলালের এই দেশ এক আশ্রয়ের প্রতীক, যেখানে মাটি ও মানুষের ঘ্রাণ মিশে আছে ভালোবাসায়। 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবি পল্লি-দুলাল বলতে পল্লিগ্রামের আদরের ছেলেকে বুঝিয়েছেন, যে পল্লির আলো-বাতাসেই বেড়ে উঠেছে। কবি তার সাথেই তার পল্লিগ্রামে যেতে চেয়েছেন। সেখানে তিনি পল্লি-দুলালের গ্রামের রূপের সৌন্দর্যের বর্ণনা দিয়েছেন, যেখানে গ্রামবাংলার এক অপূর্ব ছবি দেখা যায়। সেই গ্রামকে ঘিরে রেখেছে প্রকৃতি, আর সেই প্রকৃতির ঘিরে রাখা মাঠ, বন এসবেই সে বেড়ে উঠেছে। যেখানে বেত-কেয়ার বনে ডাহুক ডাকে, যেখানে সরু সুতার মতো পথ; সেই পথের রূপ দেখেই বেড়ে উঠেছে পল্লি-দুলাল। উদ্দীপকেও অপুকে দেখা যায় জন্ম অবধি কোথাও যায়নি। গাঁয়ের বকুলতলা, গোঁসাইবাগান, চালতেতলা, নদীর ধার, বড়োজোর নবাবগঞ্জ পর্যন্ত গিয়েছে সে। গ্রামের বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে প্রচণ্ড গরমে সে দিদির সঙ্গে বিকেলে নদীর ঘাটে হাঁটতে যায়। উদ্দীপকের 'অপু' পল্লিপ্রকৃতিতে বেড়ে উঠেছে। এমনকি নিজ গ্রামের বাইরে পর্যন্ত যায়নি। তাই সে একজন অকৃত্রিম পল্লি-দুলাল। 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবি এমন পল্লিতে বেড়ে ওঠা একজন পল্লি-দুলালের দেশে যেতে চেয়েছেন। তাই বলা যায়, পল্লিতে বেড়ে ওঠা এবং গ্রামের প্রকৃতি চিত্রণের দিক থেকে অপু পল্লি-দুলালের প্রতিনিধিত্ব করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSC বাংলা ১ম পত্র — যাব আমি তোমার দেশে MCQ | Prosthuti