প্রাণ বাংলা ১ম পত্র

SSC বাংলা ১ম পত্র এর প্রাণ অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

১২৩

প্রশ্ন

বাংলা ১ম পত্র

বিষয়

SSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

ব্যবসায়ে বড় ধরনের লোকসান হয়েছে আরিফ সাহেবের। এ কারণে তিনি একেবারে ভেঙে পড়েছেন। সারাদিন শুধু চিন্তা করেন- যে ব্যবসায় তিনি তিল তিল করে বড় করেছেন, ভবিষ্যতের সুখ ও স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য স্বপ্ন দেখেছেন তা এক নিমিষেই শেষ হয়ে গেল। বর্তমানের দারিদ্র্য তিনি কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না। কেননা কিছুদিন আগেও তিনি বেশ জাঁকজমকপূর্ণ জীবনযাপন করতেন, আর আজ তিনি একেবারে নিঃস্ব। এই জীবনের প্রতি আরিফ সাহেব অত্যন্ত বিরক্ত। তিনি বুঝতে পারছেন না এই মুহূর্তে তার কী করা উচিত।
'ডাকঘর' কার লেখা?

উত্তর

'ডাকঘর' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা।
কবি 'চিরতরঙ্গিত' বলতে কী বুঝিয়েছেন?

উত্তর

কবি 'চিরতরঙ্গিত' বলতে মানবজীবনের গতিময়তা কে বুঝিয়েছেন। 'প্রাণ' কবিতায় দেখা যায়, কবি জগতের মায়া ত্যাগ করে অন্যকিছুর আহ্বানে প্রলুব্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করতে চান না। কেননা এই জগৎ সুন্দর এবং আকর্ষণীয়। মানুষের হাসি-কান্না, মান-অভিমান, আবেগ-ভালোবাসায় পৃথিবী পরিপূর্ণ। সমগ্র পৃথিবী জীবনের স্পন্দনে মুখরিত। এই স্পন্দনই পৃথিবীকে গতিশীল করেছে। মানব হৃদয়ের রয়েছে বিচিত্র অনুভূতি। হাসি-কান্না, বিরহ-মিলন, সুখ-সুঃখ সবই পৃথিবীর প্রাণে তরঙ্গ সৃষ্টি করে। আর একেই কবি 'চিরতরঙ্গিত' বলেছেন।
'প্রাণ' কবিতার সঙ্গে উদ্দীপকের বৈসাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

'প্রাণ' কবিতার সাথে উদ্দীপকের জীবনকে নিয়ে নেতিবাচক ভাবনার বৈসাদৃশ্য রয়েছে। 'প্রাণ' কবিতায় কবি জীবনের প্রতি ইতিবাচক ভাবনা প্রকাশ করেছেন। তিনি প্রকৃতির সৌন্দর্য, মানবহৃদয়ের ভালোবাসা ও সৃষ্টির আনন্দে জীবনকে পূর্ণ মনে করেন। তাঁর মতে, মৃত্যুর ভয় করে নয়, বরং সৃষ্টির মধ্য দিয়েই মানুষ চিরকাল বেঁচে থাকে। উদ্দীপকে আরিফ সাহেব একজন ব্যবসায়ী। ব্যবসায়ে লোকসান হওয়ার কারণে তিনি ভেঙে পড়েছেন। তিনি জীবনের সত্য বুঝতে পারেননি বলেই তাঁর এই অবস্থা হয়েছে। ব্যবসায়ে লাভ হলে যেমন জাঁকজমকপূর্ণ জীবনযাপন করা যায় তেমনই লোকসান হলে নিঃস্ব হতে হয়। এটিই জীবনের পরম সত্য। এই সত্য আরিফ সাহেব মেনে নিতে না শিখলেও 'প্রাণ' কবিতার কবি তা জেনেছেন এবং মেনেছেন। কবি উপলব্ধি করেছেন যে, জীবনের মতো সবকিছুরই উত্থান-পতন আছে। এটিই জীবনের স্বাভাবিক নিয়ম। এখানেই কবিতার সাথে উদ্দীপকের বৈসাদৃশ্য।
"প্রাণ' কবিতায় প্রকাশিত চেতনা উদ্দীপকের আরিফ সাহেব ধারণ করলে সমস্ত প্রতিকূলতার মাঝেও জীবনকে উপভোগ করতে পারতেন।"- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর

জীবনকে নিয়ে ইতিবাচক উপলব্ধির প্রয়োজনীয়তার দিক থেকে বলা যায়, 'প্রাণ' কবিতায় প্রকাশিত চেতনা উদ্দীপকের আরিফ সাহেব ধারণ করলে সমস্ত প্রতিকূলতার মাঝেও জীবনকে উপভোগ করতে পারতেন" মন্তব্যটি যথার্থ। 'প্রাণ' কবিতায় কবি মানবিকতার গানে নিজের জীবন মিশিয়ে দিতে চান। তিনি মনে করেন, মানুষই জীবনের আসল সম্পদ, আর মানবহৃদয়েই অমরত্বের আসন। তাই তিনি বিপদে ভেঙে না পড়ে, মৃত্যুকে না ভয় করে, মানব হৃদয়কে জয় করাকেই জীবনের লক্ষা করেছেন। উদ্দীপকে আরিফ সাহেব ব্যবসায়ে লোকসান হওয়ার ফলে নিঃস্ব হয়ে গেছেন। তিনি জাঁকজমকপূর্ণ জীবনযাপন করতে না পেরে জীবনের প্রতি অত্যন্ত বিরক্ত। কারণ তিনি মানবজীবনের একটি দিকের শিক্ষাই পেয়েছেন। সুখের পাশাপাশি যে দুঃখও চলে এ কথা তিনি মেনে নিতে পারছেন না বলেই কষ্ট বেশি পাচ্ছেন। সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনায় এই পৃথিবী পরিপূর্ণ। 'প্রাণ' কবিতায় কবিকে যতদিন পাঠক তাদের হৃদয়ে স্থান দেবেন ততদিনই কবি থাকবেন। তাতেই তিনি সুখী। আবার যেদিন তাঁর সুর মানুষের হৃদয় কম্পিত করবে না সেদিনও বিষয়টাকে তিনি সহজভাবে মেনে নেবেন। আমি মনে করি আরিফ সাহেবেরও সবকিছু সহজভাবে মেনে নেওয়া উচিত। 'প্রাণ' কবিতায় কবি পৃথিবীতে মানুষকে সৎ ও শুভকর্মের মাধ্যমে অমর হওয়ার প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছেন। কর্মময় জীবনে উত্থান-পতন এখানে স্বাভাবিক। এই চেতনাকে ধারণ করে উদ্দীপকের আরিফ সাহেবেরও উচিত বর্তমান বাস্তবতা মেনে নিয়ে যাতে ব্যবসায়ে সফলতা আসে সেই প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া। তবেই তিনি জীবনকে উপভোগ করতে পারবেন। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

ব্যবসায়ে বড় ধরনের লোকসান হয়েছে আরিফ সাহেবের। এ কারণে তিনি একেবারে ভেঙে পড়েছেন। সারাদিন শুধু চিন্তা করেন- যে ব্যবসায় তিনি তিল তিল করে বড় করেছেন, ভবিষ্যতের সুখ ও স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য স্বপ্ন দেখেছেন তা এক নিমিষেই শেষ হয়ে গেল। বর্তমানের দারিদ্র্য তিনি কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না। কেননা কিছুদিন আগেও তিনি বেশ জাঁকজমকপূর্ণ জীবনযাপন করতেন, আর আজ তিনি একেবারে নিঃস্ব। এই জীবনের প্রতি আরিফ সাহেব অত্যন্ত বিরক্ত। তিনি বুঝতে পারছেন না এই মুহূর্তে তার কী করা উচিত।
'ডাকঘর' কার লেখা?

উত্তর

'ডাকঘর' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা।
কবি 'চিরতরঙ্গিত' বলতে কী বুঝিয়েছেন?

উত্তর

কবি 'চিরতরঙ্গিত' বলতে মানবজীবনের গতিময়তা কে বুঝিয়েছেন। 'প্রাণ' কবিতায় দেখা যায়, কবি জগতের মায়া ত্যাগ করে অন্যকিছুর আহ্বানে প্রলুব্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করতে চান না। কেননা এই জগৎ সুন্দর এবং আকর্ষণীয়। মানুষের হাসি-কান্না, মান-অভিমান, আবেগ-ভালোবাসায় পৃথিবী পরিপূর্ণ। সমগ্র পৃথিবী জীবনের স্পন্দনে মুখরিত। এই স্পন্দনই পৃথিবীকে গতিশীল করেছে। মানব হৃদয়ের রয়েছে বিচিত্র অনুভূতি। হাসি-কান্না, বিরহ-মিলন, সুখ-সুঃখ সবই পৃথিবীর প্রাণে তরঙ্গ সৃষ্টি করে। আর একেই কবি 'চিরতরঙ্গিত' বলেছেন।
'প্রাণ' কবিতার সঙ্গে উদ্দীপকের বৈসাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

'প্রাণ' কবিতার সাথে উদ্দীপকের জীবনকে নিয়ে নেতিবাচক ভাবনার বৈসাদৃশ্য রয়েছে। 'প্রাণ' কবিতায় কবি জীবনের প্রতি ইতিবাচক ভাবনা প্রকাশ করেছেন। তিনি প্রকৃতির সৌন্দর্য, মানবহৃদয়ের ভালোবাসা ও সৃষ্টির আনন্দে জীবনকে পূর্ণ মনে করেন। তাঁর মতে, মৃত্যুর ভয় করে নয়, বরং সৃষ্টির মধ্য দিয়েই মানুষ চিরকাল বেঁচে থাকে। উদ্দীপকে আরিফ সাহেব একজন ব্যবসায়ী। ব্যবসায়ে লোকসান হওয়ার কারণে তিনি ভেঙে পড়েছেন। তিনি জীবনের সত্য বুঝতে পারেননি বলেই তাঁর এই অবস্থা হয়েছে। ব্যবসায়ে লাভ হলে যেমন জাঁকজমকপূর্ণ জীবনযাপন করা যায় তেমনই লোকসান হলে নিঃস্ব হতে হয়। এটিই জীবনের পরম সত্য। এই সত্য আরিফ সাহেব মেনে নিতে না শিখলেও 'প্রাণ' কবিতার কবি তা জেনেছেন এবং মেনেছেন। কবি উপলব্ধি করেছেন যে, জীবনের মতো সবকিছুরই উত্থান-পতন আছে। এটিই জীবনের স্বাভাবিক নিয়ম। এখানেই কবিতার সাথে উদ্দীপকের বৈসাদৃশ্য।
"প্রাণ' কবিতায় প্রকাশিত চেতনা উদ্দীপকের আরিফ সাহেব ধারণ করলে সমস্ত প্রতিকূলতার মাঝেও জীবনকে উপভোগ করতে পারতেন।"- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর

জীবনকে নিয়ে ইতিবাচক উপলব্ধির প্রয়োজনীয়তার দিক থেকে বলা যায়, 'প্রাণ' কবিতায় প্রকাশিত চেতনা উদ্দীপকের আরিফ সাহেব ধারণ করলে সমস্ত প্রতিকূলতার মাঝেও জীবনকে উপভোগ করতে পারতেন" মন্তব্যটি যথার্থ। 'প্রাণ' কবিতায় কবি মানবিকতার গানে নিজের জীবন মিশিয়ে দিতে চান। তিনি মনে করেন, মানুষই জীবনের আসল সম্পদ, আর মানবহৃদয়েই অমরত্বের আসন। তাই তিনি বিপদে ভেঙে না পড়ে, মৃত্যুকে না ভয় করে, মানব হৃদয়কে জয় করাকেই জীবনের লক্ষা করেছেন। উদ্দীপকে আরিফ সাহেব ব্যবসায়ে লোকসান হওয়ার ফলে নিঃস্ব হয়ে গেছেন। তিনি জাঁকজমকপূর্ণ জীবনযাপন করতে না পেরে জীবনের প্রতি অত্যন্ত বিরক্ত। কারণ তিনি মানবজীবনের একটি দিকের শিক্ষাই পেয়েছেন। সুখের পাশাপাশি যে দুঃখও চলে এ কথা তিনি মেনে নিতে পারছেন না বলেই কষ্ট বেশি পাচ্ছেন। সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনায় এই পৃথিবী পরিপূর্ণ। 'প্রাণ' কবিতায় কবিকে যতদিন পাঠক তাদের হৃদয়ে স্থান দেবেন ততদিনই কবি থাকবেন। তাতেই তিনি সুখী। আবার যেদিন তাঁর সুর মানুষের হৃদয় কম্পিত করবে না সেদিনও বিষয়টাকে তিনি সহজভাবে মেনে নেবেন। আমি মনে করি আরিফ সাহেবেরও সবকিছু সহজভাবে মেনে নেওয়া উচিত। 'প্রাণ' কবিতায় কবি পৃথিবীতে মানুষকে সৎ ও শুভকর্মের মাধ্যমে অমর হওয়ার প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছেন। কর্মময় জীবনে উত্থান-পতন এখানে স্বাভাবিক। এই চেতনাকে ধারণ করে উদ্দীপকের আরিফ সাহেবেরও উচিত বর্তমান বাস্তবতা মেনে নিয়ে যাতে ব্যবসায়ে সফলতা আসে সেই প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া। তবেই তিনি জীবনকে উপভোগ করতে পারবেন। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

অমর করিয়া রব দেহ দাসে, সুবরদে। ফুটি যেন স্মৃতি-জলে, মানসে, মা, যথা ফলে মধুময় তামরস কী বসন্ত, কী শরদে!
মানবমনের সুখ-দুঃখ নিয়ে সংগীত রচনার উদ্দেশ্য কী?

উত্তর

মানবমনের সুখ-দুঃখ নিয়ে সংগীত রচনার উদ্দেশ্য অমরত্ব লাভ।
"মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে।"- কবি এ কথা বলেছেন কেন?

উত্তর

"মরিতে চাঁহি না আমি সুন্দর ভুবনে" কবি একথা বলেছেন কারণ তিনি মৃত্যুবরণ করে এ জগৎ ত্যাগ করতে চান না। এই জগৎ সুন্দর ও আকর্ষণীয়। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, মানুষের হাসি-কান্না, আবেগ-ভালোবাসায় এই পৃথিবী পরিপূর্ণ। পৃথিবীর মতো এত বৈচিত্র্য অন্য কোথাও নেই। এ কারণেই এ পৃথিবীর প্রতি মায়ার বাঁধনে মানুষ বাঁধা পড়ে। কবিরও ঠিক এমনই অবস্থা। জগতের মায়া তিনি ত্যাগ করতে চান না। অন্যকিছুর প্রলোভনে প্রলুব্ধ হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করতে চান না। এ কারণেই কবি আলোচ্য কথাটি বলেছেন।
উদ্দীপকটি 'প্রাণ' কবিতার সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকটি 'প্রাণ' কবিতায় কবির অমরত্ব লাভের বাসনার দিকটির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। 'প্রাণ' কবিতায় কবি জীবনের সার্থকতা খুঁজেছেন মানবিক সহানুভূতি ও সৃষ্টিশীলতায়। তিনি মরতে চান না, কারণ মৃত্যুর মধ্যে নেই আনন্দ বা দান। তিনি চান তাঁর সৃষ্টির ফুল ফুটে উঠুক মানুষের হৃদয়ে, যাতে তাঁর জীবন অর্থবহ ও অমর হয়ে থাকে। 'প্রাণ' কবিতায় কবি বলেছেন যে, তিনি মরতে চান না, মানুষের মাঝে বেঁচে থাকতে চান। কেননা এই পৃথিবী সুন্দর ও আকর্ষণীয়। আবেগ-ভালোবাসা, সুখ-দুঃখ, মান-অভিমানে এ জগৎ পরিপূর্ণ। কবি এসব ছেড়ে যেতে চান না। তাই তিনি সৎ ও শুভকর্মের মধ্য দিয়ে এ পৃথিবীতে অমর হওয়ার অভিলাষ ব্যক্ত করেছেন। উদ্দীপকের কবিতাংশেও কবি অমরত্বের প্রার্থনা করেছেন। তিনি এ পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করতে পারছেন না। তিনি মৃত্যুর পরও স্মরণীয় হতে চান এ দেশের মাটিতে। তাই মাতৃভূমির কাছে তিনি এই বর প্রার্থনা করেছেন যে, তিনি যেন মাতৃভূমির স্মৃতিজলে ফুটে থাকতে পারেন। এভাবেই উদ্দীপকটি 'প্রাণ' কবিতায় কবির অমরত্ব লাভের বাসনার দিকটির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
"অমরত্বের প্রবল বাসনাই উদ্দীপকে ও 'প্রাণ' কবিতায় মূর্ত হয়ে উঠেছে।" মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।

উত্তর

উদ্দীপক ও 'প্রাণ' কবিতায় মানুষের মাঝে বেঁচে থাকার তীব্র আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পাওয়ায় বলা যায়, "অমরত্বের প্রবল বাসনাই উদ্দীপকে ও 'প্রাণ' কবিতায় মূর্ত হয়ে উঠেছে"- মন্তব্যটি যথার্থ। 'প্রাণ' কবিতায় কবি নিজের জীবনের উদ্দেশ্য নির্ধারণ করেছেন- মানবজীবনের সুখ-দুঃখের সংগীত রচনা করা। তিনি বলেন, যদি সেই অমর সৃষ্টি সম্ভব না হয়, তবুও যেন মানুষের ভালোবাসার মাঝে বেঁচে থাকতে পারেন। এই মানবমুখী দৃষ্টিই কবিতার মূল বিষয়। 'প্রাণ' কবিতায় কবি চিরকাল এ পৃথিবীতে বেঁচে থাকার আশা ব্যক্ত করেছেন। সুন্দর এ পৃথিবী, এ পৃথিবীর মানুষের কাছ থেকে তিনি চিরবিদায় নিতে চান না। তাই তিনি মানুষের মনজয়ী সাহিত্য সৃজনের মধ্য দিয়ে তাদের মনে স্থায়ী আসন লাভ করতে চান উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি মাতৃভূমির কাছে অমরত্বের প্রার্থনা করেছেন। মাতৃভূমিকে তিনি ভালোবাসেন। তাই মাতৃভূমির কাছে তিনি বর প্রার্থনা করেছেন, যেন আজীবন মাতৃভূমির স্মৃতি-জলে পদ্মের মতো ফুটে থাকতে পারেন। 'প্রাণ' কবিতা এবং উদ্দীপকের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। কিন্তু উভয় কবিই মৃত্যুকে বরণ করতে চান না। তারা অমরত্বের প্রত্যাশী। তবে এ অমরত্ব শারীরিকভাবে বেঁচে থাকা নয়। মানুষের হৃদয়ের মাঝে বেঁচে থাকার বাসনাই তারা ব্যক্ত করেছেন। এ কারণেই বলা যায় যে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

অমর করিয়া রব দেহ দাসে, সুবরদে। ফুটি যেন স্মৃতি-জলে, মানসে, মা, যথা ফলে মধুময় তামরস কী বসন্ত, কী শরদে!
মানবমনের সুখ-দুঃখ নিয়ে সংগীত রচনার উদ্দেশ্য কী?

উত্তর

মানবমনের সুখ-দুঃখ নিয়ে সংগীত রচনার উদ্দেশ্য অমরত্ব লাভ।
"মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে।"- কবি এ কথা বলেছেন কেন?

উত্তর

"মরিতে চাঁহি না আমি সুন্দর ভুবনে" কবি একথা বলেছেন কারণ তিনি মৃত্যুবরণ করে এ জগৎ ত্যাগ করতে চান না। এই জগৎ সুন্দর ও আকর্ষণীয়। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, মানুষের হাসি-কান্না, আবেগ-ভালোবাসায় এই পৃথিবী পরিপূর্ণ। পৃথিবীর মতো এত বৈচিত্র্য অন্য কোথাও নেই। এ কারণেই এ পৃথিবীর প্রতি মায়ার বাঁধনে মানুষ বাঁধা পড়ে। কবিরও ঠিক এমনই অবস্থা। জগতের মায়া তিনি ত্যাগ করতে চান না। অন্যকিছুর প্রলোভনে প্রলুব্ধ হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করতে চান না। এ কারণেই কবি আলোচ্য কথাটি বলেছেন।
উদ্দীপকটি 'প্রাণ' কবিতার সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকটি 'প্রাণ' কবিতায় কবির অমরত্ব লাভের বাসনার দিকটির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। 'প্রাণ' কবিতায় কবি জীবনের সার্থকতা খুঁজেছেন মানবিক সহানুভূতি ও সৃষ্টিশীলতায়। তিনি মরতে চান না, কারণ মৃত্যুর মধ্যে নেই আনন্দ বা দান। তিনি চান তাঁর সৃষ্টির ফুল ফুটে উঠুক মানুষের হৃদয়ে, যাতে তাঁর জীবন অর্থবহ ও অমর হয়ে থাকে। 'প্রাণ' কবিতায় কবি বলেছেন যে, তিনি মরতে চান না, মানুষের মাঝে বেঁচে থাকতে চান। কেননা এই পৃথিবী সুন্দর ও আকর্ষণীয়। আবেগ-ভালোবাসা, সুখ-দুঃখ, মান-অভিমানে এ জগৎ পরিপূর্ণ। কবি এসব ছেড়ে যেতে চান না। তাই তিনি সৎ ও শুভকর্মের মধ্য দিয়ে এ পৃথিবীতে অমর হওয়ার অভিলাষ ব্যক্ত করেছেন। উদ্দীপকের কবিতাংশেও কবি অমরত্বের প্রার্থনা করেছেন। তিনি এ পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করতে পারছেন না। তিনি মৃত্যুর পরও স্মরণীয় হতে চান এ দেশের মাটিতে। তাই মাতৃভূমির কাছে তিনি এই বর প্রার্থনা করেছেন যে, তিনি যেন মাতৃভূমির স্মৃতিজলে ফুটে থাকতে পারেন। এভাবেই উদ্দীপকটি 'প্রাণ' কবিতায় কবির অমরত্ব লাভের বাসনার দিকটির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
"অমরত্বের প্রবল বাসনাই উদ্দীপকে ও 'প্রাণ' কবিতায় মূর্ত হয়ে উঠেছে।" মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।

উত্তর

উদ্দীপক ও 'প্রাণ' কবিতায় মানুষের মাঝে বেঁচে থাকার তীব্র আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পাওয়ায় বলা যায়, "অমরত্বের প্রবল বাসনাই উদ্দীপকে ও 'প্রাণ' কবিতায় মূর্ত হয়ে উঠেছে"- মন্তব্যটি যথার্থ। 'প্রাণ' কবিতায় কবি নিজের জীবনের উদ্দেশ্য নির্ধারণ করেছেন- মানবজীবনের সুখ-দুঃখের সংগীত রচনা করা। তিনি বলেন, যদি সেই অমর সৃষ্টি সম্ভব না হয়, তবুও যেন মানুষের ভালোবাসার মাঝে বেঁচে থাকতে পারেন। এই মানবমুখী দৃষ্টিই কবিতার মূল বিষয়। 'প্রাণ' কবিতায় কবি চিরকাল এ পৃথিবীতে বেঁচে থাকার আশা ব্যক্ত করেছেন। সুন্দর এ পৃথিবী, এ পৃথিবীর মানুষের কাছ থেকে তিনি চিরবিদায় নিতে চান না। তাই তিনি মানুষের মনজয়ী সাহিত্য সৃজনের মধ্য দিয়ে তাদের মনে স্থায়ী আসন লাভ করতে চান উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি মাতৃভূমির কাছে অমরত্বের প্রার্থনা করেছেন। মাতৃভূমিকে তিনি ভালোবাসেন। তাই মাতৃভূমির কাছে তিনি বর প্রার্থনা করেছেন, যেন আজীবন মাতৃভূমির স্মৃতি-জলে পদ্মের মতো ফুটে থাকতে পারেন। 'প্রাণ' কবিতা এবং উদ্দীপকের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। কিন্তু উভয় কবিই মৃত্যুকে বরণ করতে চান না। তারা অমরত্বের প্রত্যাশী। তবে এ অমরত্ব শারীরিকভাবে বেঁচে থাকা নয়। মানুষের হৃদয়ের মাঝে বেঁচে থাকার বাসনাই তারা ব্যক্ত করেছেন। এ কারণেই বলা যায় যে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে এই বাংলায় হয়তো মানুষ নয়- হয়তো বা শঙ্খচিল শালিকের বেশে হয়তো ভোরের কাক হয়ে এই কার্তিকের নবান্নের দেশে কুয়াশার বুকে ভেসে একদিন আসিব এই কাঁঠাল ছায়ায়;
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?

উত্তর

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
"নব নব সঙ্গীতের কসম ফটাই" বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?

উত্তর

কবি তার সৃষ্টিকর্মের মধ্য দিয়ে পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে চান। তাই কবি নতুন নতুন সংগীত সৃষ্টি করেন। কবি 'প্রাণ' কবিতায় মানবজীবনের অস্থিরতা এবং নানান দুঃখ-সুখের মাঝেও কিছু সৃজনশীল কাজ করার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন। 'নব নব 'সংগীতের কুসুম ফুটাই' এখানে একটি মেটাফোর, যার মাধ্যমে কবি নতুন নতুন সৃষ্টির কথা বলছেন। 'নব নব সংগীত' বলতে তিনি নতুন, সতেজ ও জীবনমুখী সৃষ্টির কথা বলেছেন, যা মানুষের হৃদয়ে আনন্দ এবং আনন্দের অনুভূতি সৃষ্টি করে। 'কুসুম' ফুলের প্রতীক, এবং এটি আরও স্পষ্টভাবে জীবনের সুন্দর মুহূর্তগুলোর প্রতীক হিসেবে আসে।
উদ্দীপকের প্রত্যাশিত বিষয়টি 'প্রাণ' কবিতার ভাবের সাথে কীভাবে সংগতিপূর্ণ তা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের প্রত্যাশিত বিষয়টি 'প্রাণ' কবিতার সৎ ও শুভকর্মের মাধ্যমে কবির মানুষের মাঝে বেঁচে থাকার আকাঙ্ক্ষার দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ হয়ে ওঠে। 'প্রাণ' কবিতায় কবি জীবনের উচ্ছলতা ও সৌন্দর্যকে উপলব্ধি করেছেন। তাঁর বিশ্বাস- জীবন এক চিরতরঙ্গিত খেলা, যেখানে সুখ ও দুঃখ মিলেমিশে আছে। তিনি চান এই জীবনের সুরে অংশ নিতে, মানুষের হাসি-কান্নার সংগীতে নিজেকে বিলিয়ে দিতে। এভাবেই তিনি মানুষের মাঝে বেঁচে থাকতে চান। উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি যে ধানসিঁড়িটির তীরে ফিরে আসার কথা বলেছেন, সেখানে তিনি মানুষের দেহে অথবা অন্য কোনো প্রাণী, যেমন শঙ্খচিল বা শালিকের রূপে আসতে চান, যা প্রাকৃতিক জগতের সঙ্গে একাত্ম হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে। এটি একধরনের অস্তিত্বের ধারাবাহিকতা বা পুনর্জন্মের প্রতীক। অন্যদিকে 'প্রাণ' কবিতায় কবি মানবসমাজে বাঁচতে চান এবং চিরকালীন সংগীত রচনার মাধ্যমে মানুষের সুখ-দুঃখে অংশ নিতে চান। এখানে তিনি জীবনের অস্থিরতার মধ্যে চিরকালীন সুর তৈরি করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। এভাবে উদ্দীপকের সঙ্গে 'প্রাণ' কবিতাটি চেতনাগত দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
উদ্দীপকটি 'প্রাণ' কবিতার সমগ্রতা প্রকাশ করে না- উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে 'প্রাণ' কবিতার মানুষের জন্য সৎ ও শুভকর্ম করার প্রত্যয় প্রতিফলিত না হওয়ায় "উদ্দীপকটি 'প্রাণ' কবিতার সমগ্রতা প্রকাশ করে না" মন্তব্যটি যথাযথ। 'প্রাণ' কবিতাটি মূলত জীবন, ভালোবাসা ও সৃষ্টিশক্তির জয়গান। কবি এখানে মৃত্যুভয়কে নয়, বরং জীবনের প্রতি গভীর অনুরাগ ও মানবপ্রেমকে গুরুত্ব দিয়েছেন। কবির আকাঙ্ক্ষা- তিনি যেন মানুষের সুখ-দুঃখে, হাসি-কান্নায়, প্রেম-বিরহে মিশে গিয়ে অমর গান রচনা করতে পারেন। উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি পুনর্জন্মের প্রত্যাশা করেছেন, যেখানে তিনি শঙ্খচিল বা শালিকের মতো পাখির রূপে ফিরে আসতে চান। এটি প্রকৃতির' এক নিরবধি চক্রের মধ্যে জীবন ও মৃত্যুর সংযোগের ভাবনা তুলে ধরে। এখানে কবি আত্মার পুনর্জন্মের যে ধারণা দেয় তা কোনো নির্দিষ্ট মানবিক অস্তিত্ব নয়, বরং প্রকৃতির সাথে একাত্ম হওয়া। অন্যদিকে 'প্রাণ' কবিতাটি মানবিক অস্তিত্বের মধ্যেই বাঁচাতে চাওয়া এবং প্রেম, দুঃখ, হাসি, অশ্রু ও জীবনের সংগীত রচনার ইচ্ছা প্রকাশ করে, যা উদ্দীপকের কবিতাংশ থেকে অনেক গভীর ও বিস্তৃত ভাব প্রকাশ করে। উদ্দীপকের কবিতাটি যেখানে প্রকৃতি ও পুনর্জন্মের ভাবনা তুলে ধরে, সেখানে 'প্রাণ' কবিতার মূল ভাবনা হলো সৎ ও শুভ কর্মের মাধ্যমে অমরত্ব অর্জন করার ইচ্ছা। 'প্রাণ' কবিতায় আত্মার মুক্তির এবং মানুষের অনুভূতির স্বীকৃতি চায়, যেখানে উদ্দীপকের কবিতা প্রকৃতি এবং জীবনের চিরন্তন হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে। এ দিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে এই বাংলায় হয়তো মানুষ নয়- হয়তো বা শঙ্খচিল শালিকের বেশে হয়তো ভোরের কাক হয়ে এই কার্তিকের নবান্নের দেশে কুয়াশার বুকে ভেসে একদিন আসিব এই কাঁঠাল ছায়ায়;
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?

উত্তর

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
"নব নব সঙ্গীতের কসম ফটাই" বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?

উত্তর

কবি তার সৃষ্টিকর্মের মধ্য দিয়ে পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে চান। তাই কবি নতুন নতুন সংগীত সৃষ্টি করেন। কবি 'প্রাণ' কবিতায় মানবজীবনের অস্থিরতা এবং নানান দুঃখ-সুখের মাঝেও কিছু সৃজনশীল কাজ করার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন। 'নব নব 'সংগীতের কুসুম ফুটাই' এখানে একটি মেটাফোর, যার মাধ্যমে কবি নতুন নতুন সৃষ্টির কথা বলছেন। 'নব নব সংগীত' বলতে তিনি নতুন, সতেজ ও জীবনমুখী সৃষ্টির কথা বলেছেন, যা মানুষের হৃদয়ে আনন্দ এবং আনন্দের অনুভূতি সৃষ্টি করে। 'কুসুম' ফুলের প্রতীক, এবং এটি আরও স্পষ্টভাবে জীবনের সুন্দর মুহূর্তগুলোর প্রতীক হিসেবে আসে।
উদ্দীপকের প্রত্যাশিত বিষয়টি 'প্রাণ' কবিতার ভাবের সাথে কীভাবে সংগতিপূর্ণ তা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের প্রত্যাশিত বিষয়টি 'প্রাণ' কবিতার সৎ ও শুভকর্মের মাধ্যমে কবির মানুষের মাঝে বেঁচে থাকার আকাঙ্ক্ষার দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ হয়ে ওঠে। 'প্রাণ' কবিতায় কবি জীবনের উচ্ছলতা ও সৌন্দর্যকে উপলব্ধি করেছেন। তাঁর বিশ্বাস- জীবন এক চিরতরঙ্গিত খেলা, যেখানে সুখ ও দুঃখ মিলেমিশে আছে। তিনি চান এই জীবনের সুরে অংশ নিতে, মানুষের হাসি-কান্নার সংগীতে নিজেকে বিলিয়ে দিতে। এভাবেই তিনি মানুষের মাঝে বেঁচে থাকতে চান। উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি যে ধানসিঁড়িটির তীরে ফিরে আসার কথা বলেছেন, সেখানে তিনি মানুষের দেহে অথবা অন্য কোনো প্রাণী, যেমন শঙ্খচিল বা শালিকের রূপে আসতে চান, যা প্রাকৃতিক জগতের সঙ্গে একাত্ম হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে। এটি একধরনের অস্তিত্বের ধারাবাহিকতা বা পুনর্জন্মের প্রতীক। অন্যদিকে 'প্রাণ' কবিতায় কবি মানবসমাজে বাঁচতে চান এবং চিরকালীন সংগীত রচনার মাধ্যমে মানুষের সুখ-দুঃখে অংশ নিতে চান। এখানে তিনি জীবনের অস্থিরতার মধ্যে চিরকালীন সুর তৈরি করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। এভাবে উদ্দীপকের সঙ্গে 'প্রাণ' কবিতাটি চেতনাগত দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
উদ্দীপকটি 'প্রাণ' কবিতার সমগ্রতা প্রকাশ করে না- উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে 'প্রাণ' কবিতার মানুষের জন্য সৎ ও শুভকর্ম করার প্রত্যয় প্রতিফলিত না হওয়ায় "উদ্দীপকটি 'প্রাণ' কবিতার সমগ্রতা প্রকাশ করে না" মন্তব্যটি যথাযথ। 'প্রাণ' কবিতাটি মূলত জীবন, ভালোবাসা ও সৃষ্টিশক্তির জয়গান। কবি এখানে মৃত্যুভয়কে নয়, বরং জীবনের প্রতি গভীর অনুরাগ ও মানবপ্রেমকে গুরুত্ব দিয়েছেন। কবির আকাঙ্ক্ষা- তিনি যেন মানুষের সুখ-দুঃখে, হাসি-কান্নায়, প্রেম-বিরহে মিশে গিয়ে অমর গান রচনা করতে পারেন। উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি পুনর্জন্মের প্রত্যাশা করেছেন, যেখানে তিনি শঙ্খচিল বা শালিকের মতো পাখির রূপে ফিরে আসতে চান। এটি প্রকৃতির' এক নিরবধি চক্রের মধ্যে জীবন ও মৃত্যুর সংযোগের ভাবনা তুলে ধরে। এখানে কবি আত্মার পুনর্জন্মের যে ধারণা দেয় তা কোনো নির্দিষ্ট মানবিক অস্তিত্ব নয়, বরং প্রকৃতির সাথে একাত্ম হওয়া। অন্যদিকে 'প্রাণ' কবিতাটি মানবিক অস্তিত্বের মধ্যেই বাঁচাতে চাওয়া এবং প্রেম, দুঃখ, হাসি, অশ্রু ও জীবনের সংগীত রচনার ইচ্ছা প্রকাশ করে, যা উদ্দীপকের কবিতাংশ থেকে অনেক গভীর ও বিস্তৃত ভাব প্রকাশ করে। উদ্দীপকের কবিতাটি যেখানে প্রকৃতি ও পুনর্জন্মের ভাবনা তুলে ধরে, সেখানে 'প্রাণ' কবিতার মূল ভাবনা হলো সৎ ও শুভ কর্মের মাধ্যমে অমরত্ব অর্জন করার ইচ্ছা। 'প্রাণ' কবিতায় আত্মার মুক্তির এবং মানুষের অনুভূতির স্বীকৃতি চায়, যেখানে উদ্দীপকের কবিতা প্রকৃতি এবং জীবনের চিরন্তন হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে। এ দিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSC বাংলা ১ম পত্র — প্রাণ MCQ | Prosthuti