ফুলের বিবাহ বাংলা ১ম পত্র

SSC বাংলা ১ম পত্র এর ফুলের বিবাহ অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

১৭৯

প্রশ্ন

বাংলা ১ম পত্র

বিষয়

SSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

বিনোদ মশাইয়ের মেয়ে বিয়ের উপযুক্ত হওয়ায় তার ঘুম হারাম হয়েছে। মেয়েকে ভালো ঘরে পাত্রস্থ না করে তার শান্তি নেই। অনেক পাত্র দেখলেন কিন্তু মেয়ের জন্য উপযুক্ত কাউকে বাছাই করতে তিনি ব্যর্থ হন। এজন্য ঘটকের সাহায্য নেন। ঘটক মেয়ের উপযুক্ত পাত্র খুঁজে বিয়ের ব্যবস্থা করেন। বিনোদ মশাই ঘটকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
কে মেয়ে দেখতে চাইল?

উত্তর

ভ্রমররাজ ঘটক হয়ে মেয়ে দেখতে চাইল।
"ফর্দ দিবেন, কড়ায় গণ্ডায় বুঝাইয়া দিবে" বলতে কী বোঝ? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

"ফর্দ দিবেন, কড়ায় গণ্ডায় বুঝাইয়া দিবে" বুলতে বরের চাহিদা অনুযায়ী যৌতুক/পণসামগ্রী দেওয়ার প্রতিশ্রুতি বোঝানো হয়েছে। মল্লিকা ফুলের বাবা কন্যা বিবাহযোগ্যা হওয়ায় পাত্রের সন্ধান করতে লাগলেন। কিন্তু কিছুতেই পাত্র স্থির করতে পারলেন না। এ সময় ভ্রমর ঘটক হয়ে মল্লিকা ফুলের বিয়ে দেওয়ার জন্য মল্লিকাবৃক্ষের বাড়ি আসে। বিয়েতে যৌতুক দেওয়া সামাজিক নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই কন্যার বাবার কাছে পণের খবর জানতে চায়। ঘটকের কথা শুনে মল্লিকাবৃক্ষ আলোচ্য উক্তিটি করে।
উদ্দীপকের সঙ্গে 'ফুলের বিবাহ' গল্পের সাদৃশ্য কোথায়?- বুঝিয়ে দাও।

উত্তর

উদ্দীপকের সঙ্গে 'ফুলের বিবাহ' গল্পের কন্যাদায়গ্রস্ত পিতার বিয়ে দেওয়ার চিন্তা এবং তা থেকে ঘটক কীভাবে চিন্তা দূর করল তার সাথে সাদৃশ্য রয়েছে। 'ফুলের বিবাহ' গল্পে ক্ষুদ্র বৃক্ষটি আসলে একজন সাধারণ মানুষ, যার অনেক মেয়ে আছে এবং সে তাদের বিয়ে নিয়ে চিন্তিত। ঘটকের মাধ্যমে কন্যা পাত্রস্থ করতে সে ক্ষুদ্র বৃক্ষটির মতো অনেক সমস্যার সম্মুখীন হয়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার মেয়ের বিয়ে সম্পন্ন হয়। উদ্দীপকের বিনোদ মশাই ঘরে বিয়ের উপযুক্ত মেয়ে থাকায় রাতে ঠিকমতো ঘুমাতে পারেন না। মেয়েকে ভালো ঘরে পাত্রস্থ না করতে পারলে শান্তি নেই। এজন্য তিনি ঘটকের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন। ঘটক মেয়ের উপযুক্ত পাত্র খুঁজে বের করে বিয়েতে সহায়তা করেন। 'ফুলের বিবাহ' গল্পেও মল্লিকা ফুল বিয়ের উপযুক্ত হওয়ায় তার বাবা চিন্তিত হয়েছে। নিজে পাত্র স্থির করতে না পেরে ঘটকের সাহায্য নিয়েছে। শেষ পর্যন্ত মল্লিকা ফুলের বিয়ে হয়েছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের সাথে 'ফুলের বিবাহ' গল্পের সাদৃশ্য রয়েছে কন্যাদায়গ্রস্ত পিতার এবং ঘটকের সাহায্যে বিয়ে দেওয়ার ঘটনায়।
"উদ্দীপকটি 'ফুলের বিবাহ' গল্পের আংশিক বিষয়ের প্রতিনিধিত্ব করে।"- মূল্যায়ন করো।

উত্তর

উপযুক্ত পাত্রের হাতে মেয়েকে সমর্পণে ঘটকের সাহায্যের বিষয়টি থাকায় “উদ্দীপকটি 'ফুলের বিবাহ' গল্পের আংশিক বিষয়ের প্রতিনিধিত্ব করে" মন্তব্যটি যথার্থ। 'ফুলের বিবাহ' গল্পের প্রধান চরিত্র হলো ক্ষুদ্র বৃক্ষ, যিনি কন্যাদায়গ্রস্ত পিতা। তিনি তার মেয়ে মল্লিকার জন্য উপযুক্ত বর খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন এবং অবশেষে ঘটকের মধ্যস্থতায় একটি ভালো সম্পর্ক স্থাপন করতে সক্ষম হন। লেখক তাঁর অসাধারণ দক্ষতায় গল্পটিকে বাস্তব ও জীবন্ত করে তুলেছেন। উদ্দীপকে বিনোদ মশাইয়ের বিয়ের যোগ্য মেয়ে নিয়ে চিন্তার বর্ণনা পাই। মেয়ের জন্য উপযুক্ত পাত্র খুঁজে পেতে পিতা ব্যর্থ হন। এরপর মেয়ের জন্য উপযুক্ত পাত্রের খোঁজে তিনি ঘটকের সহযোগিতা নেন এবং শেষ পর্যন্ত মেয়েকে পাত্রস্থ করতে সমর্থ হন। 'ফুলের বিবাহ' গল্পে মল্লিকা ফুলের বিয়ে নিয়ে তার বাবা চিন্তিত। তার সেই চিন্তা থেকে মুক্ত করতে ঘটকের আবির্ভাব ঘটে। উদ্দীপকে মেয়ের বিয়ে নিয়ে চিন্তা ও ঘটকের মাধ্যমে সেই চিন্তা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বিনোদ মশাই। 'ফুলের বিবাহ' গল্পেও উদ্দীপকের এই বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে। এছাড়াও বিয়েতে যৌতুক, ঘটকের পাওনা, বিয়েবাড়ির নানা আয়োজন এবং বিয়েকে কেন্দ্র করে আনন্দ উৎসবের বর্ণনা দেওয়া, হয়েছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকটি 'ফুলের বিবাহ' গল্পের আংশিক বিষয়ের প্রতিনিধিত্ব করো।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

বিনোদ মশাইয়ের মেয়ে বিয়ের উপযুক্ত হওয়ায় তার ঘুম হারাম হয়েছে। মেয়েকে ভালো ঘরে পাত্রস্থ না করে তার শান্তি নেই। অনেক পাত্র দেখলেন কিন্তু মেয়ের জন্য উপযুক্ত কাউকে বাছাই করতে তিনি ব্যর্থ হন। এজন্য ঘটকের সাহায্য নেন। ঘটক মেয়ের উপযুক্ত পাত্র খুঁজে বিয়ের ব্যবস্থা করেন। বিনোদ মশাই ঘটকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
কে মেয়ে দেখতে চাইল?

উত্তর

ভ্রমররাজ ঘটক হয়ে মেয়ে দেখতে চাইল।
"ফর্দ দিবেন, কড়ায় গণ্ডায় বুঝাইয়া দিবে" বলতে কী বোঝ? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

"ফর্দ দিবেন, কড়ায় গণ্ডায় বুঝাইয়া দিবে" বুলতে বরের চাহিদা অনুযায়ী যৌতুক/পণসামগ্রী দেওয়ার প্রতিশ্রুতি বোঝানো হয়েছে। মল্লিকা ফুলের বাবা কন্যা বিবাহযোগ্যা হওয়ায় পাত্রের সন্ধান করতে লাগলেন। কিন্তু কিছুতেই পাত্র স্থির করতে পারলেন না। এ সময় ভ্রমর ঘটক হয়ে মল্লিকা ফুলের বিয়ে দেওয়ার জন্য মল্লিকাবৃক্ষের বাড়ি আসে। বিয়েতে যৌতুক দেওয়া সামাজিক নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই কন্যার বাবার কাছে পণের খবর জানতে চায়। ঘটকের কথা শুনে মল্লিকাবৃক্ষ আলোচ্য উক্তিটি করে।
উদ্দীপকের সঙ্গে 'ফুলের বিবাহ' গল্পের সাদৃশ্য কোথায়?- বুঝিয়ে দাও।

উত্তর

উদ্দীপকের সঙ্গে 'ফুলের বিবাহ' গল্পের কন্যাদায়গ্রস্ত পিতার বিয়ে দেওয়ার চিন্তা এবং তা থেকে ঘটক কীভাবে চিন্তা দূর করল তার সাথে সাদৃশ্য রয়েছে। 'ফুলের বিবাহ' গল্পে ক্ষুদ্র বৃক্ষটি আসলে একজন সাধারণ মানুষ, যার অনেক মেয়ে আছে এবং সে তাদের বিয়ে নিয়ে চিন্তিত। ঘটকের মাধ্যমে কন্যা পাত্রস্থ করতে সে ক্ষুদ্র বৃক্ষটির মতো অনেক সমস্যার সম্মুখীন হয়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার মেয়ের বিয়ে সম্পন্ন হয়। উদ্দীপকের বিনোদ মশাই ঘরে বিয়ের উপযুক্ত মেয়ে থাকায় রাতে ঠিকমতো ঘুমাতে পারেন না। মেয়েকে ভালো ঘরে পাত্রস্থ না করতে পারলে শান্তি নেই। এজন্য তিনি ঘটকের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন। ঘটক মেয়ের উপযুক্ত পাত্র খুঁজে বের করে বিয়েতে সহায়তা করেন। 'ফুলের বিবাহ' গল্পেও মল্লিকা ফুল বিয়ের উপযুক্ত হওয়ায় তার বাবা চিন্তিত হয়েছে। নিজে পাত্র স্থির করতে না পেরে ঘটকের সাহায্য নিয়েছে। শেষ পর্যন্ত মল্লিকা ফুলের বিয়ে হয়েছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের সাথে 'ফুলের বিবাহ' গল্পের সাদৃশ্য রয়েছে কন্যাদায়গ্রস্ত পিতার এবং ঘটকের সাহায্যে বিয়ে দেওয়ার ঘটনায়।
"উদ্দীপকটি 'ফুলের বিবাহ' গল্পের আংশিক বিষয়ের প্রতিনিধিত্ব করে।"- মূল্যায়ন করো।

উত্তর

উপযুক্ত পাত্রের হাতে মেয়েকে সমর্পণে ঘটকের সাহায্যের বিষয়টি থাকায় “উদ্দীপকটি 'ফুলের বিবাহ' গল্পের আংশিক বিষয়ের প্রতিনিধিত্ব করে" মন্তব্যটি যথার্থ। 'ফুলের বিবাহ' গল্পের প্রধান চরিত্র হলো ক্ষুদ্র বৃক্ষ, যিনি কন্যাদায়গ্রস্ত পিতা। তিনি তার মেয়ে মল্লিকার জন্য উপযুক্ত বর খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন এবং অবশেষে ঘটকের মধ্যস্থতায় একটি ভালো সম্পর্ক স্থাপন করতে সক্ষম হন। লেখক তাঁর অসাধারণ দক্ষতায় গল্পটিকে বাস্তব ও জীবন্ত করে তুলেছেন। উদ্দীপকে বিনোদ মশাইয়ের বিয়ের যোগ্য মেয়ে নিয়ে চিন্তার বর্ণনা পাই। মেয়ের জন্য উপযুক্ত পাত্র খুঁজে পেতে পিতা ব্যর্থ হন। এরপর মেয়ের জন্য উপযুক্ত পাত্রের খোঁজে তিনি ঘটকের সহযোগিতা নেন এবং শেষ পর্যন্ত মেয়েকে পাত্রস্থ করতে সমর্থ হন। 'ফুলের বিবাহ' গল্পে মল্লিকা ফুলের বিয়ে নিয়ে তার বাবা চিন্তিত। তার সেই চিন্তা থেকে মুক্ত করতে ঘটকের আবির্ভাব ঘটে। উদ্দীপকে মেয়ের বিয়ে নিয়ে চিন্তা ও ঘটকের মাধ্যমে সেই চিন্তা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বিনোদ মশাই। 'ফুলের বিবাহ' গল্পেও উদ্দীপকের এই বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে। এছাড়াও বিয়েতে যৌতুক, ঘটকের পাওনা, বিয়েবাড়ির নানা আয়োজন এবং বিয়েকে কেন্দ্র করে আনন্দ উৎসবের বর্ণনা দেওয়া, হয়েছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকটি 'ফুলের বিবাহ' গল্পের আংশিক বিষয়ের প্রতিনিধিত্ব করো।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

শিমুলের ভাইয়ের বিয়ে উপলক্ষ্যে সবাই কন্যার বাড়ির উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। বিয়েবাড়ি পৌঁছানোর সাথে সাথে কন্যাপক্ষের মেয়েরা গেট বন্ধ করে দাঁড়ায়। একজন বলে এক হাজার টাকা না দিলে যাইতে দিমু না। শিমুলের মামা বিরক্ত হয়ে বলে ওঠেন, টাকা কি গাং দিয়া ভাইসা আসে? টাকা দিতে পারব না। গেট ছাড়ো, নইলে বর নিয়া গেলাম। কন্যাপক্ষের একটি মেয়ে বলে, কী কিপ্টা মানুষরে, যান, টাকা লাগব না। লজ্জার খাতিরে বড় খালা তাদের হাতে পাঁচশ টাকা ধরিয়ে দেন। সবাই অত্যন্ত খুশি হয়ে বরকে বরণ করে নেয়।
বর কোন সময় বিয়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা করল?

উত্তর

বর গোধূলিলগ্নে বিয়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা করল।
মল্লিকা ফুলের বিয়ে ঠিক হলো কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

অনেক পাত্র দেখার পর যাচাই-বাছাই করেই তবে মল্লিকা ফুলের বিয়ে ঠিক হলো। মল্লিকা ফুলের বাবা ক্ষুদ্র বৃক্ষ গরিব এবং অনেক কন্যাভারগ্রস্ত। মেয়ের বিয়ের জন্য অনেক পাত্র এলেও বিয়েটা স্থির হচ্ছিল না। স্থলপদ্ম পাত্র হিসেবে নির্দোষ হলেও অনেক উঁচু ঘরের ছেলে। তাই তার সাথে বিয়ে হলো না। জবা এ বিয়েতে সম্মত হলেও পাত্র রাগী হওয়ায় কন্যাকর্তা পেছালেন। আবার গন্ধরাজ সব দিক থেকে ভালো হলেও তার দেমাগ একটু বেশি। অবশেষে ভ্রমররাজ ঘটক হয়ে এলেন এবং বংশ, সম্পদ, ভদ্রতা সব দিক থেকে উপযুক্ত পাত্র নির্বাচিত হয় গোলাব। অনেক চড়াই-উতরাই পার করে গোলাবের সাথে মল্লিকার বিয়ে ঠিক হয়।
উদ্দীপকে 'ফুলের বিবাহ' গল্পের কোন বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে 'ফুলের বিবাহ' গল্পের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা ও আনন্দের বিষয়টি উপস্থাপিত হয়েছে। 'ফুলের বিবাহ' গল্পের নামকরণে একটি বিশেষ ব্যঙ্গ বা কৌতুক রয়েছে। এটি প্রচলিত বিয়ের প্রথাকে প্রকৃতির মাধ্যমে তুলে ধরে, যা এই রচনাটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে। উদ্দীপকে শিমুলের ভাই বিয়ে করতে এলে কন্যাপক্ষের কয়েকটি মেয়ে গেট আগলে দাঁড়ায়। কিছু টাকাও দাবি করে। এটা নিয়ে গেটে একপ্রকার বাগ্বিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। এটা আমাদের গ্রাম্য সমাজের বিয়ের চিরন্তন রূপ। আর বিয়ের এমনই আনন্দময় রূপ 'ফুলের বিবাহ' গল্পেও দেখা যায়। বরপক্ষ বিয়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা করলে উচ্চিঙ্গড়া নহবৎ বাজানো শুরু করল, খদ্যোতরা ঝাড় ধরল, আকাশে তারাবাজি হলো ইত্যাদি ঘটনায় বিয়ে আনন্দ অনুষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। বিয়েকে কেন্দ্র করে বিয়ের আগেই দুই পক্ষের এই আনন্দ, বায়না, বাকবিতণ্ডা ইত্যাদি প্রকাশ পেয়েছে উদ্দীপক ও 'ফুলের বিবাহ' গল্পে।
"উদ্দীপক ও 'ফুলের বিবাহ' গল্পের বিয়ের ঘটনা গ্রামবাংলার প্রতিটি বিয়ের প্রতিচ্ছবি।" উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।

উত্তর

বাংলার গ্রামীণ ঐতিহ্য আর লোকজ সব আচারের নান্দনিক ছোঁয়ায় আমাদের বিয়ের অনুষ্ঠানগুলো সম্পন্ন হয় যা "উদ্দীপক ও 'ফুলের বিবাহ' গল্পের বিয়ের ঘটনা গ্রামবাংলার প্রতিটি বিয়ের প্রতিচ্ছবি" উক্তিটি যথার্থ। 'ফুলের বিবাহ' গল্পে লেখক' বাঙালি গার্হস্থ্য জীবনের অন্যতম পারিবারিক অনুষ্ঠান বিয়ের একটি পূর্ণাঙ্গ ছবি তুলে ধরেছেন। আমাদের গ্রামবাংলায় যে রীতিনীতি ও আচার অনুষ্ঠান পালন করে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করা হয় তার বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে ফুলেদের বিয়ের মধ্য দিয়ে। 'ফুলের বিবাহ' গল্পে মল্লিকা ফুলের সঙ্গে গোলাবের বিয়ে ঠিক হয়। নির্দিষ্ট দিনে বরপক্ষ যাত্রা করে। বাহক হিসেবে বাতাস বায়না করলেও সময়মতো থাকে না। বরযাত্রীরা নানা সমস্যার সম্মুখীন হয়। তারপর পরম যত্নে তাদের বরণ এবং আপ্যায়ন করানো হয়। আর এ সবকিছুই গ্রামবাংলার বিয়ের চিরন্তন রূপ। এই রূপই প্রকাশ পেয়েছে আলোচ্য উদ্দীপকে। উদ্দীপকেও বিয়েবাড়ির আনন্দ উদ্যাপন এবং রীতি-নীতি পালন প্রকাশ পেয়েছে। গেট আটকানো এবং বরের সঙ্গে মজা করার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। তারপর সাদরে তাদের বরণ করা হয়। উদ্দীপক এবং 'ফুলের বিবাহ' গল্পের প্রেক্ষাপট হলো বিয়ের অনুষ্ঠান। যেখানে মুখ্য বিষয় হলো সংস্কার ও রীতিনীতি। বিয়েকে কেন্দ্র করে এসব সংস্কার ও উৎসব সবকিছুই গ্রাম্য সমাজের বিয়ের অনুষ্ঠানের সাধারণ চিত্র। আলোচ্য উদ্দীপকটি গ্রামবাংলার প্রতিটি বিয়ের একটা প্রতিচ্ছবি। উদ্দীপক ও 'ফুলের বিবাহ' গল্পের বরযাত্রা, গেট ধরা, বরযাত্রী বরণ, অতিথি আপ্যায়ন এসব বিষয়ই গ্রামবাংলার বিয়ের প্রতিচ্ছবি। তাই উক্তিটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

শিমুলের ভাইয়ের বিয়ে উপলক্ষ্যে সবাই কন্যার বাড়ির উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। বিয়েবাড়ি পৌঁছানোর সাথে সাথে কন্যাপক্ষের মেয়েরা গেট বন্ধ করে দাঁড়ায়। একজন বলে এক হাজার টাকা না দিলে যাইতে দিমু না। শিমুলের মামা বিরক্ত হয়ে বলে ওঠেন, টাকা কি গাং দিয়া ভাইসা আসে? টাকা দিতে পারব না। গেট ছাড়ো, নইলে বর নিয়া গেলাম। কন্যাপক্ষের একটি মেয়ে বলে, কী কিপ্টা মানুষরে, যান, টাকা লাগব না। লজ্জার খাতিরে বড় খালা তাদের হাতে পাঁচশ টাকা ধরিয়ে দেন। সবাই অত্যন্ত খুশি হয়ে বরকে বরণ করে নেয়।
বর কোন সময় বিয়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা করল?

উত্তর

বর গোধূলিলগ্নে বিয়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা করল।
মল্লিকা ফুলের বিয়ে ঠিক হলো কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

অনেক পাত্র দেখার পর যাচাই-বাছাই করেই তবে মল্লিকা ফুলের বিয়ে ঠিক হলো। মল্লিকা ফুলের বাবা ক্ষুদ্র বৃক্ষ গরিব এবং অনেক কন্যাভারগ্রস্ত। মেয়ের বিয়ের জন্য অনেক পাত্র এলেও বিয়েটা স্থির হচ্ছিল না। স্থলপদ্ম পাত্র হিসেবে নির্দোষ হলেও অনেক উঁচু ঘরের ছেলে। তাই তার সাথে বিয়ে হলো না। জবা এ বিয়েতে সম্মত হলেও পাত্র রাগী হওয়ায় কন্যাকর্তা পেছালেন। আবার গন্ধরাজ সব দিক থেকে ভালো হলেও তার দেমাগ একটু বেশি। অবশেষে ভ্রমররাজ ঘটক হয়ে এলেন এবং বংশ, সম্পদ, ভদ্রতা সব দিক থেকে উপযুক্ত পাত্র নির্বাচিত হয় গোলাব। অনেক চড়াই-উতরাই পার করে গোলাবের সাথে মল্লিকার বিয়ে ঠিক হয়।
উদ্দীপকে 'ফুলের বিবাহ' গল্পের কোন বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে 'ফুলের বিবাহ' গল্পের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা ও আনন্দের বিষয়টি উপস্থাপিত হয়েছে। 'ফুলের বিবাহ' গল্পের নামকরণে একটি বিশেষ ব্যঙ্গ বা কৌতুক রয়েছে। এটি প্রচলিত বিয়ের প্রথাকে প্রকৃতির মাধ্যমে তুলে ধরে, যা এই রচনাটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে। উদ্দীপকে শিমুলের ভাই বিয়ে করতে এলে কন্যাপক্ষের কয়েকটি মেয়ে গেট আগলে দাঁড়ায়। কিছু টাকাও দাবি করে। এটা নিয়ে গেটে একপ্রকার বাগ্বিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। এটা আমাদের গ্রাম্য সমাজের বিয়ের চিরন্তন রূপ। আর বিয়ের এমনই আনন্দময় রূপ 'ফুলের বিবাহ' গল্পেও দেখা যায়। বরপক্ষ বিয়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা করলে উচ্চিঙ্গড়া নহবৎ বাজানো শুরু করল, খদ্যোতরা ঝাড় ধরল, আকাশে তারাবাজি হলো ইত্যাদি ঘটনায় বিয়ে আনন্দ অনুষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। বিয়েকে কেন্দ্র করে বিয়ের আগেই দুই পক্ষের এই আনন্দ, বায়না, বাকবিতণ্ডা ইত্যাদি প্রকাশ পেয়েছে উদ্দীপক ও 'ফুলের বিবাহ' গল্পে।
"উদ্দীপক ও 'ফুলের বিবাহ' গল্পের বিয়ের ঘটনা গ্রামবাংলার প্রতিটি বিয়ের প্রতিচ্ছবি।" উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।

উত্তর

বাংলার গ্রামীণ ঐতিহ্য আর লোকজ সব আচারের নান্দনিক ছোঁয়ায় আমাদের বিয়ের অনুষ্ঠানগুলো সম্পন্ন হয় যা "উদ্দীপক ও 'ফুলের বিবাহ' গল্পের বিয়ের ঘটনা গ্রামবাংলার প্রতিটি বিয়ের প্রতিচ্ছবি" উক্তিটি যথার্থ। 'ফুলের বিবাহ' গল্পে লেখক' বাঙালি গার্হস্থ্য জীবনের অন্যতম পারিবারিক অনুষ্ঠান বিয়ের একটি পূর্ণাঙ্গ ছবি তুলে ধরেছেন। আমাদের গ্রামবাংলায় যে রীতিনীতি ও আচার অনুষ্ঠান পালন করে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করা হয় তার বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে ফুলেদের বিয়ের মধ্য দিয়ে। 'ফুলের বিবাহ' গল্পে মল্লিকা ফুলের সঙ্গে গোলাবের বিয়ে ঠিক হয়। নির্দিষ্ট দিনে বরপক্ষ যাত্রা করে। বাহক হিসেবে বাতাস বায়না করলেও সময়মতো থাকে না। বরযাত্রীরা নানা সমস্যার সম্মুখীন হয়। তারপর পরম যত্নে তাদের বরণ এবং আপ্যায়ন করানো হয়। আর এ সবকিছুই গ্রামবাংলার বিয়ের চিরন্তন রূপ। এই রূপই প্রকাশ পেয়েছে আলোচ্য উদ্দীপকে। উদ্দীপকেও বিয়েবাড়ির আনন্দ উদ্যাপন এবং রীতি-নীতি পালন প্রকাশ পেয়েছে। গেট আটকানো এবং বরের সঙ্গে মজা করার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। তারপর সাদরে তাদের বরণ করা হয়। উদ্দীপক এবং 'ফুলের বিবাহ' গল্পের প্রেক্ষাপট হলো বিয়ের অনুষ্ঠান। যেখানে মুখ্য বিষয় হলো সংস্কার ও রীতিনীতি। বিয়েকে কেন্দ্র করে এসব সংস্কার ও উৎসব সবকিছুই গ্রাম্য সমাজের বিয়ের অনুষ্ঠানের সাধারণ চিত্র। আলোচ্য উদ্দীপকটি গ্রামবাংলার প্রতিটি বিয়ের একটা প্রতিচ্ছবি। উদ্দীপক ও 'ফুলের বিবাহ' গল্পের বরযাত্রা, গেট ধরা, বরযাত্রী বরণ, অতিথি আপ্যায়ন এসব বিষয়ই গ্রামবাংলার বিয়ের প্রতিচ্ছবি। তাই উক্তিটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

গফুর মিয়া হাজির হয়েছেন রামগোপালের বাড়ি। এর আগেও বহুবার এসেছেন তিনি। বহু নামিদামি পাত্র দেখিয়েছেন। কিন্তু পছন্দ না হওয়ায় ফিরে যেতে হয়েছে তাকে। অবশ্য এজন্য তাকে প্রতিবারই সম্মানি দেওয়া হয়েছে। এজন্যই তার এত গরজ। অবশেষে আজ রামগোপালের পাত্র পছন্দ হলো। কিছুদিনের মধ্যেই সারা বাড়িতে বিয়ে উপলক্ষ্যে আনন্দের মেলা বসল।
বিয়ের পাত্র কে?

উত্তর

বিয়ের পাত্র হলো গোলাব।
বরপক্ষের বড় বিপদ দেখা দিল কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

যথাসময়ে বাহকের অনুপস্থিতির কারণেই বরপক্ষের বিপদ দেখা দিল। বরপক্ষ বিয়েবাড়ি যাবে। কিন্তু বাহক অনুপস্থিত। বাহকের বায়না নিয়েছিলেন বাতাস। তখন হুঁ-হুম করে অনেক মর্দানি করেছিলেন কিন্তু কাজের সময় তিনি কোথায় গেলেন, কেউ খুঁজে পায় না। তিনি যথাসময়ে সেখানে উপস্থিত ছিল না বলেই বরপক্ষ বিপদের মধ্যে পড়ে যায়।
উদ্দীপকের গফুর মিয়ার সাথে 'ফুলের বিবাহ' গল্পের কার সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের গফুর মিয়ার সঙ্গে 'ফুলের বিবাহ' গল্পের ভ্রমরের সাদৃশ্য রয়েছে। 'ফুলের বিবাহ' গল্পে ভ্রমরকে ঘটকের ভূমিকায় দেখা যায়। সে মল্লিকা ও গোলাবের মধ্যে বিয়ের সম্বন্ধ আনে। ভ্রমর এখানে মানুষের মতো স্বার্থপরতা ও আর্থিক লাভের কথা ভাবে, যা প্রকৃতির সরলতার সঙ্গে বৈপরীত্য সৃষ্টি করে। উদ্দীপকে ঘটকের চরিত্রে গফুর মিয়াকে দেখা যায়, যিনি বিয়ের সম্বন্ধ নিয়ে মেয়ের বাড়িতে আসেন। একইভাবে ছেলের বাড়িতেও যান এবং উভয় পরিবারের পছন্দ এক হয়ে গেলে বিয়ের কাজ সমাধা করেন। এটার জন্য তাকে পারিশ্রমিক দিতে হয়। কারণ এটা তার পেশা। এই একই পেশার আরেকটি চরিত্রের সাক্ষাৎ পাই 'ফুলের বিবাহ' গল্পের ভ্রমরের মধ্যে। ভ্রমর মল্লিকা ফুলের জন্য পাত্রের সন্ধান নিয়ে আসে। বিয়ের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত গোলাব ও মল্লিকার মধ্যকার সামাজিক বন্ধন তৈরিতে একটি সক্রিয় চরিত্র হলো ভ্রমররাজ। তাই একথা বলা যায় যে, উদ্দীপকের গফুর মিয়া ও 'ফুলের বিবাহ' গল্পের ভ্রমর পেশাগত দিক থেকে সাদৃশ্য বজায় রাখে।
“গফুর মিয়া ও ভ্রমরের মতো মানুষই বিয়ের অনুষ্ঠান সার্থক করে তোলে।” তুমি কি একমত? 'ফুলের বিবাহ' গল্পের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

বাঙালি সমাজে বিয়ের ক্ষেত্রে ঘটকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর বলে বিবেচিত হওয়ায় "গফুর মিয়া ও ভ্রমরের মতো মানুষই বিয়ের অনুষ্ঠান সার্থক করে তোলে" মন্তব্যটির সঙ্গে আমি সম্পূর্ণ একমত। 'ফুলের বিবাহ' গল্পে মল্লিকা ফুলের বিয়ের জন্য ঘটকের কাজ করেছে, ভ্রমর। বিয়েতে ঘটক একজন মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে থাকে। মূলত সে-ই দু'পক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতা করে বিয়ের কাজ সম্পূর্ণ করে থাকে। এ গল্পে ঘটক হিসেবে এ কাজ সম্পন্ন করেছে ভ্রমর। উদ্দীপকের গফুর মিয়া টাকার বিনিময়ে ঘটকালি করেন। তাই বারবার ব্যর্থ হওয়ার পরও তিনি হাল ছাড়েননি। বরং কয়েকবারের চেষ্টার পর পছন্দমতো পাত্র জোগাড় করতে সমর্থ হয়েছেন। উদ্দীপকের 'ফুলের বিবাহ' গল্পেও ঘটকরূপী ভ্রমরকে দেখা যায়। সেখানেও ভ্রমর গোলাব আর মল্লিকা ফুলের বিয়ের ব্যবস্থা করেছে। দুই পরিবারকে বিয়ের জন্য রাজি করিয়েছে। ঘটক হলেন বিয়ের দূত। উদ্দীপকের গফুর মিয়া কিংবা 'ফুলের বিবাহ' গল্পের ভ্রমরের মধ্যস্থতায় দুই পরিবারের মধ্যে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। সুতরাং এ থেকে বলা যায়, ঘটকরা টাকার বিনিময়ে কাজ করলেও বিয়ে সুসম্পন্ন করে তুলতে তাদের ভূমিকা থাকে অনেক বেশি। আমাদের স্বীকার করতেই হবে যে, গফুর মিয়া ও ভ্রমরের মতো মানুষরাই বিয়ের অনুষ্ঠানকে সার্থক করে তোলে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

গফুর মিয়া হাজির হয়েছেন রামগোপালের বাড়ি। এর আগেও বহুবার এসেছেন তিনি। বহু নামিদামি পাত্র দেখিয়েছেন। কিন্তু পছন্দ না হওয়ায় ফিরে যেতে হয়েছে তাকে। অবশ্য এজন্য তাকে প্রতিবারই সম্মানি দেওয়া হয়েছে। এজন্যই তার এত গরজ। অবশেষে আজ রামগোপালের পাত্র পছন্দ হলো। কিছুদিনের মধ্যেই সারা বাড়িতে বিয়ে উপলক্ষ্যে আনন্দের মেলা বসল।
বিয়ের পাত্র কে?

উত্তর

বিয়ের পাত্র হলো গোলাব।
বরপক্ষের বড় বিপদ দেখা দিল কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

যথাসময়ে বাহকের অনুপস্থিতির কারণেই বরপক্ষের বিপদ দেখা দিল। বরপক্ষ বিয়েবাড়ি যাবে। কিন্তু বাহক অনুপস্থিত। বাহকের বায়না নিয়েছিলেন বাতাস। তখন হুঁ-হুম করে অনেক মর্দানি করেছিলেন কিন্তু কাজের সময় তিনি কোথায় গেলেন, কেউ খুঁজে পায় না। তিনি যথাসময়ে সেখানে উপস্থিত ছিল না বলেই বরপক্ষ বিপদের মধ্যে পড়ে যায়।
উদ্দীপকের গফুর মিয়ার সাথে 'ফুলের বিবাহ' গল্পের কার সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের গফুর মিয়ার সঙ্গে 'ফুলের বিবাহ' গল্পের ভ্রমরের সাদৃশ্য রয়েছে। 'ফুলের বিবাহ' গল্পে ভ্রমরকে ঘটকের ভূমিকায় দেখা যায়। সে মল্লিকা ও গোলাবের মধ্যে বিয়ের সম্বন্ধ আনে। ভ্রমর এখানে মানুষের মতো স্বার্থপরতা ও আর্থিক লাভের কথা ভাবে, যা প্রকৃতির সরলতার সঙ্গে বৈপরীত্য সৃষ্টি করে। উদ্দীপকে ঘটকের চরিত্রে গফুর মিয়াকে দেখা যায়, যিনি বিয়ের সম্বন্ধ নিয়ে মেয়ের বাড়িতে আসেন। একইভাবে ছেলের বাড়িতেও যান এবং উভয় পরিবারের পছন্দ এক হয়ে গেলে বিয়ের কাজ সমাধা করেন। এটার জন্য তাকে পারিশ্রমিক দিতে হয়। কারণ এটা তার পেশা। এই একই পেশার আরেকটি চরিত্রের সাক্ষাৎ পাই 'ফুলের বিবাহ' গল্পের ভ্রমরের মধ্যে। ভ্রমর মল্লিকা ফুলের জন্য পাত্রের সন্ধান নিয়ে আসে। বিয়ের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত গোলাব ও মল্লিকার মধ্যকার সামাজিক বন্ধন তৈরিতে একটি সক্রিয় চরিত্র হলো ভ্রমররাজ। তাই একথা বলা যায় যে, উদ্দীপকের গফুর মিয়া ও 'ফুলের বিবাহ' গল্পের ভ্রমর পেশাগত দিক থেকে সাদৃশ্য বজায় রাখে।
“গফুর মিয়া ও ভ্রমরের মতো মানুষই বিয়ের অনুষ্ঠান সার্থক করে তোলে।” তুমি কি একমত? 'ফুলের বিবাহ' গল্পের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

বাঙালি সমাজে বিয়ের ক্ষেত্রে ঘটকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর বলে বিবেচিত হওয়ায় "গফুর মিয়া ও ভ্রমরের মতো মানুষই বিয়ের অনুষ্ঠান সার্থক করে তোলে" মন্তব্যটির সঙ্গে আমি সম্পূর্ণ একমত। 'ফুলের বিবাহ' গল্পে মল্লিকা ফুলের বিয়ের জন্য ঘটকের কাজ করেছে, ভ্রমর। বিয়েতে ঘটক একজন মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে থাকে। মূলত সে-ই দু'পক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতা করে বিয়ের কাজ সম্পূর্ণ করে থাকে। এ গল্পে ঘটক হিসেবে এ কাজ সম্পন্ন করেছে ভ্রমর। উদ্দীপকের গফুর মিয়া টাকার বিনিময়ে ঘটকালি করেন। তাই বারবার ব্যর্থ হওয়ার পরও তিনি হাল ছাড়েননি। বরং কয়েকবারের চেষ্টার পর পছন্দমতো পাত্র জোগাড় করতে সমর্থ হয়েছেন। উদ্দীপকের 'ফুলের বিবাহ' গল্পেও ঘটকরূপী ভ্রমরকে দেখা যায়। সেখানেও ভ্রমর গোলাব আর মল্লিকা ফুলের বিয়ের ব্যবস্থা করেছে। দুই পরিবারকে বিয়ের জন্য রাজি করিয়েছে। ঘটক হলেন বিয়ের দূত। উদ্দীপকের গফুর মিয়া কিংবা 'ফুলের বিবাহ' গল্পের ভ্রমরের মধ্যস্থতায় দুই পরিবারের মধ্যে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। সুতরাং এ থেকে বলা যায়, ঘটকরা টাকার বিনিময়ে কাজ করলেও বিয়ে সুসম্পন্ন করে তুলতে তাদের ভূমিকা থাকে অনেক বেশি। আমাদের স্বীকার করতেই হবে যে, গফুর মিয়া ও ভ্রমরের মতো মানুষরাই বিয়ের অনুষ্ঠানকে সার্থক করে তোলে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSC বাংলা ১ম পত্র — ফুলের বিবাহ MCQ | Prosthuti