তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা বাংলা ১ম পত্র

SSC বাংলা ১ম পত্র এর তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

২৮

প্রশ্ন

বাংলা ১ম পত্র

বিষয়

SSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

'আসাদের মৃত্যুতে আমি অশ্রুহীন; অশোক; কেননা নয়ন কেবল বজ্রবর্ষী, কেননা আমার বৃদ্ধ পিতার শরীরে এখন পশুদের প্রহারের চিহ্ন; কেননা আমার বৃদ্ধ মাতার কণ্ঠে নেই আর্ত হাহাকার, নেই অভিসম্পাত- কেবল দুর্মর ঘৃণার আগুন।'

Mymensingh · 2020

'সাহসী জননী বাংলা' কবিতায় চির কবিতার দেশ বলা হয়েছে কাকে?

উত্তর

'সাহসী জননী' বাংলা কবিতায় বাংলাদেশকে চির কবিতার দেশ বলা হয়েছে।
“এবার বাঘের থাবা, ভোজ হবে আজ প্রতিশোধে”- চরণটিতে কবিমনের কোন ধরনের অভিমত ব্যক্ত হয়েছে? বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর

'এবার বাঘের থাবা, ভোজ হবে আজ প্রতিশোধে'- চরণটিতে কবিমনের মুক্তিযোদ্ধাদের শক্তিশালী আক্রমণের মাধ্যমে প্রতিশোধ গ্রহণের কথা ব্যক্ত করা হয়েছে। • ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এদেশের মানুষের ওপর নির্মম অত্যাচার' চালায়। এদেশের সাহসী মানুষ তাদের অত্যাচার নীরবে সহ্য করেনি। তারা পাকিস্তানি শত্রুদের ধ্বংস করার জন্য জীবন বাজি রেখে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাদের সেই আক্রমণকে বাঘের থাবার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। তাদের শক্তিশালী আক্রমণের মধ্য দিয়ে চরম প্রতিশোধ গ্রহণের বিষয়টি প্রশ্নোক্ত লাইনটির মাধ্যমে ব্যক্ত করা হয়েছে।
উদ্দীপকের কবিতাংশে 'সাহসী জননী বাংলা' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের কবিতাংশে 'সাহসী জননী বাংলা' কবিতার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর অত্যাচার-নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিশোধস্পৃহার দিকটি ফুটে উঠেছে। • বাঙালি শান্ত ও নিরীহ জাতি হিসেবে পরিচিত। বাঙালির এই পরিচয়ের বাইরেও একটা পরিচয় আছে, তা হলো অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদ, শত্রুর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো। • উদ্দীপকে আসাদের মৃত্যুতে অশ্রুসিক্ত না হয়ে তাঁর মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়ার সংগ্রামী চেতনার কথা বলা হয়েছে। উদ্দীপকের কবির নয়ন এখানে বজ্রবর্ষী। কারণ নরপশুরা আসাদকে হত্যা করেছে, তাঁর বাবাকে প্রহার করে ক্ষতবিক্ষত করেছে। তাঁর বৃদ্ধ মাতার কণ্ঠে ছেলে হারানোর আর্তনাদের পরিবর্তে দুর্মর ঘৃণার আগুন জ্বলছে। শত্রুর অন্যায়ের বিরুদ্ধে চরম প্রতিশোধের যে স্পৃহা এখানে প্রতিফলিত তা 'সাহসী জননী বাংলা' কবিতার শত্রুর বিরুদ্ধে প্রতিশোধের বিষয়টি নির্দেশ করে। এই কবিতায় কবি স্বাধীনতার শত্রুদের আক্রমণের জবাব বহুগুণে ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলেছেন। কারণ পাকিস্তানি হানাদাররা এদেশে পৌরাণিক কাহিনির অসুরের মতো তাণ্ডব চালিয়েছিল। নির্বিচারে গুলি করে নিরীহ বাঙালিকে হত্যা করেছে। বাঙালি তাদের সেই অত্যাচারের সমুচিত জবাব দিয়েছে। উদ্দীপকের কবিও অনুরূপ প্রতিশোধের জন্য দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ।
“উদ্দীপকে 'সাহসী জননী বাংলা' কবিতার সমগ্র অনুভূতি দৃশ্যমান।”- উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর

“উদ্দীপকে 'সাহসী জননী বাংলা' কবিতার সমগ্র অনুভূতি দৃশ্যমান।”- মন্তব্যটি যথার্থ। • পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে এদেশের মানুষকে শোষণ করে আসছিল। বাঙালিরা তাদের সেই শোষণ থেকে মুক্ত হতে আন্দোলন-সংগ্রাম শুরু করে, ন্যায্য অধিকার ও স্বাধীনতা দাবি করে। ন্যায্য দাবি হলেও পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কিছুতেই তা মেনে নেয় না। • উদ্দীপকে আসাদের মৃত্যুতে তাঁর স্বজনরা শোকের পরিবর্তে শত্রুর প্রতি চরম ঘৃণা প্রকাশ করেছে। তাদের ওপর পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর পীড়ন-নির্যাতনের প্রতিবাদ ও প্রতিশোধের জন্য তারা তৎপর হয়েছে। এখানে আসাদের মৃত্যুর চরম প্রতিশোধ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। শত্রুর বিরুদ্ধে প্রতিশোধের যে ইচ্ছা উদ্দীপকের কবিতাংশে প্রকাশ পেয়েছে তা আলোচ্য কবিতায় প্রতিফলিত কবির ইচ্ছার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। • 'সাহসী জননী বাংলা' কবিতায় মাতৃভূমির বীরত্বপূর্ণ দেশপ্রেমের পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে। স্বদেশের স্বাধীনতার জন্য তার সন্তানেরা হাতে তুলে নিয়েছিল গ্রেনেড, রাইফেল। তারা বাংলা মায়ের অপমানের উপযুক্ত প্রতিশোধ নিয়েছে। শত্রুদের রক্তাক্ত হাত মুচড়ে দিয়েছে, কান কেটে দিয়েছে, অর্থাৎ পরাজিত করে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করেছে। প্রতিশোধের এই দিকটি উদ্দীপকেও প্রতিফলিত হয়েছে। এভাবে উভয় ক্ষেত্রেই প্রতিশোধস্পৃহা এক ও অভিন্ন। এসব কারণে তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

'আসাদের মৃত্যুতে আমি অশ্রুহীন; অশোক; কেননা নয়ন কেবল বজ্রবর্ষী, কেননা আমার বৃদ্ধ পিতার শরীরে এখন পশুদের প্রহারের চিহ্ন; কেননা আমার বৃদ্ধ মাতার কণ্ঠে নেই আর্ত হাহাকার, নেই অভিসম্পাত- কেবল দুর্মর ঘৃণার আগুন।'

Mymensingh · 2020

'সাহসী জননী বাংলা' কবিতায় চির কবিতার দেশ বলা হয়েছে কাকে?

উত্তর

'সাহসী জননী' বাংলা কবিতায় বাংলাদেশকে চির কবিতার দেশ বলা হয়েছে।
“এবার বাঘের থাবা, ভোজ হবে আজ প্রতিশোধে”- চরণটিতে কবিমনের কোন ধরনের অভিমত ব্যক্ত হয়েছে? বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর

'এবার বাঘের থাবা, ভোজ হবে আজ প্রতিশোধে'- চরণটিতে কবিমনের মুক্তিযোদ্ধাদের শক্তিশালী আক্রমণের মাধ্যমে প্রতিশোধ গ্রহণের কথা ব্যক্ত করা হয়েছে। • ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এদেশের মানুষের ওপর নির্মম অত্যাচার' চালায়। এদেশের সাহসী মানুষ তাদের অত্যাচার নীরবে সহ্য করেনি। তারা পাকিস্তানি শত্রুদের ধ্বংস করার জন্য জীবন বাজি রেখে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাদের সেই আক্রমণকে বাঘের থাবার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। তাদের শক্তিশালী আক্রমণের মধ্য দিয়ে চরম প্রতিশোধ গ্রহণের বিষয়টি প্রশ্নোক্ত লাইনটির মাধ্যমে ব্যক্ত করা হয়েছে।
উদ্দীপকের কবিতাংশে 'সাহসী জননী বাংলা' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের কবিতাংশে 'সাহসী জননী বাংলা' কবিতার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর অত্যাচার-নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিশোধস্পৃহার দিকটি ফুটে উঠেছে। • বাঙালি শান্ত ও নিরীহ জাতি হিসেবে পরিচিত। বাঙালির এই পরিচয়ের বাইরেও একটা পরিচয় আছে, তা হলো অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদ, শত্রুর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো। • উদ্দীপকে আসাদের মৃত্যুতে অশ্রুসিক্ত না হয়ে তাঁর মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়ার সংগ্রামী চেতনার কথা বলা হয়েছে। উদ্দীপকের কবির নয়ন এখানে বজ্রবর্ষী। কারণ নরপশুরা আসাদকে হত্যা করেছে, তাঁর বাবাকে প্রহার করে ক্ষতবিক্ষত করেছে। তাঁর বৃদ্ধ মাতার কণ্ঠে ছেলে হারানোর আর্তনাদের পরিবর্তে দুর্মর ঘৃণার আগুন জ্বলছে। শত্রুর অন্যায়ের বিরুদ্ধে চরম প্রতিশোধের যে স্পৃহা এখানে প্রতিফলিত তা 'সাহসী জননী বাংলা' কবিতার শত্রুর বিরুদ্ধে প্রতিশোধের বিষয়টি নির্দেশ করে। এই কবিতায় কবি স্বাধীনতার শত্রুদের আক্রমণের জবাব বহুগুণে ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলেছেন। কারণ পাকিস্তানি হানাদাররা এদেশে পৌরাণিক কাহিনির অসুরের মতো তাণ্ডব চালিয়েছিল। নির্বিচারে গুলি করে নিরীহ বাঙালিকে হত্যা করেছে। বাঙালি তাদের সেই অত্যাচারের সমুচিত জবাব দিয়েছে। উদ্দীপকের কবিও অনুরূপ প্রতিশোধের জন্য দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ।
“উদ্দীপকে 'সাহসী জননী বাংলা' কবিতার সমগ্র অনুভূতি দৃশ্যমান।”- উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর

“উদ্দীপকে 'সাহসী জননী বাংলা' কবিতার সমগ্র অনুভূতি দৃশ্যমান।”- মন্তব্যটি যথার্থ। • পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে এদেশের মানুষকে শোষণ করে আসছিল। বাঙালিরা তাদের সেই শোষণ থেকে মুক্ত হতে আন্দোলন-সংগ্রাম শুরু করে, ন্যায্য অধিকার ও স্বাধীনতা দাবি করে। ন্যায্য দাবি হলেও পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কিছুতেই তা মেনে নেয় না। • উদ্দীপকে আসাদের মৃত্যুতে তাঁর স্বজনরা শোকের পরিবর্তে শত্রুর প্রতি চরম ঘৃণা প্রকাশ করেছে। তাদের ওপর পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর পীড়ন-নির্যাতনের প্রতিবাদ ও প্রতিশোধের জন্য তারা তৎপর হয়েছে। এখানে আসাদের মৃত্যুর চরম প্রতিশোধ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। শত্রুর বিরুদ্ধে প্রতিশোধের যে ইচ্ছা উদ্দীপকের কবিতাংশে প্রকাশ পেয়েছে তা আলোচ্য কবিতায় প্রতিফলিত কবির ইচ্ছার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। • 'সাহসী জননী বাংলা' কবিতায় মাতৃভূমির বীরত্বপূর্ণ দেশপ্রেমের পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে। স্বদেশের স্বাধীনতার জন্য তার সন্তানেরা হাতে তুলে নিয়েছিল গ্রেনেড, রাইফেল। তারা বাংলা মায়ের অপমানের উপযুক্ত প্রতিশোধ নিয়েছে। শত্রুদের রক্তাক্ত হাত মুচড়ে দিয়েছে, কান কেটে দিয়েছে, অর্থাৎ পরাজিত করে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করেছে। প্রতিশোধের এই দিকটি উদ্দীপকেও প্রতিফলিত হয়েছে। এভাবে উভয় ক্ষেত্রেই প্রতিশোধস্পৃহা এক ও অভিন্ন। এসব কারণে তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

“গহর মরেনি। মরতে পারে না সে আজও রয়েছে বেঁচে। বাংলাদেশের বুকের ভিতর, হয়তো এখন তার ডান কাঁধ কামানের গোলায় ঝাঁঝরা, বাঁ হাতে ব্যান্ডেজ বাঁধা, তবুও বন্দুক হাতে এক লক্ষ্যে বসে আছে ট্রেঞ্চের ভিতর। গহর আমরা শুধু অফুরন্ত দিন গুনছি অগুনতি বছর। (বাংলাদেশ- দুর্গাদাস সরকার)

Barisal · 2020

থুথুড়ে বুড়োর চোখের নিচে কী ছিল?

উত্তর

থুথুড়ে বুড়োর চোখের নিচে ছিল অপরাহ্ণের দুর্বল আলোর ঝিলিক।
'সাকিনা বিবির কপাল ভাঙল।”- এ কথার মাধ্যমে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর

“সাকিনা বিবির কপাল ভাঙল" এই কথার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাদের হাতে সাকিনা বিবির স্বামীর মারা যাওয়ার বিষয়টি বোঝানো হয়েছে। এদেশের লাখো মানুষ মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হয়েছেন। পাকিস্তানি হানাদারদের বর্বর আক্রমণে শহিদদের একজন সাকিনা বিবির স্বামী। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে দেশের জন্য সাকিনা বিবির মতো গ্রামীণ নারীদের সহায়-সম্বল-সম্ভ্রম বিসর্জিত হয়েছে। সাকিনা বিবি। এখানে মুক্তিযুদ্ধে স্বামী, সম্ভ্রম হারানো নারীদের প্রতিনিধি। প্রশ্নোক্ত কথাটিতে এই ভাবটিই প্রকাশ পেয়েছে।
উদ্দীপকের 'ডান কাঁধ কামানের গোলায় ঝাঁঝরা' চরণটি 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার কোন দিকটি নির্দেশ করে?

উত্তর

উদ্দীপকের 'ডান কাঁধ কামানের গোলায় ঝাঁঝরা' চরণটিতে 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবির মুক্তিযুদ্ধের সময়কার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর অত্যাচারের দিকটি নির্দেশ করে। স্বাধীনতা মানুষের জন্মগত অধিকার। সেই অধিকার অর্জন করতে হলে মানুষকে অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। অনেক রক্ত ও অনেক ত্যাগের বিনিময়ে বাঙালি এ দেশ স্বাধীন করেছে। উদ্দীপকে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী গহরের কথা বলা হয়েছে। স্বাধীনতা অর্জনের জন্য বাঙালির ত্যাগ-তিতিক্ষার দিকটি এখানে প্রতিফলিত হয়েছে। 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় সাকিনা বিবি, হরিদাসীরা বিধবা হয়েছে; ছাত্রাবাস-বস্তি উজার হয়েছে। হানাদাররা গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দিয়েছে। বহু লোক আহত ও পঙ্গু হয়েছে। উদ্দীপকেও এই বিষয়টি লক্ষ করা যায়। গহর নামের লোকটি যুদ্ধে শহিদ হয়েও কবির চেতনায় চিরঞ্জীব হয়ে আছেন। তাঁর ডান কাঁধ কামানের গোলায় ঝাঁঝরা, বাম হাতে ব্যান্ডেজ বাঁধা, তবুও স্থির লক্ষ্যে সে ট্রেঞ্চের ভিতর যেন বসে আছে।
“উদ্দীপকের 'গহর' আর 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার 'তেজি তরুণ' একই আদর্শে উজ্জীবিত।”- তুমি কি একমত? ব্যাখ্যা দাও।

উত্তর

উদ্দীপকের 'গহর' আর 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার তেজি তরুণ একই আদর্শে উজ্জীবিত।- মন্তব্যটি যথার্থ। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এদেশের মানুষের ওপর নির্মম নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞ চালায়। এদেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারা দীর্ঘ নয় মাস শত্রুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে অবশেষে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জন করে। বিশ্বের বুকে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্ম হয়। উদ্দীপকের কবিতাংশের গহর এক সাহসী তেজোদীপ্ত তরুণ। তার ডান কাঁধ কামানের গোলায় ঝাঁঝরা হয়ে গেছে, বাম হাতে ব্যান্ডেজ বাঁধা। তবুও বন্দুক হাতে সে এক লক্ষ্যে ট্রেঞ্চের ভেতর বসে আছে। তার এই অবস্থান শত্রু নিধন, স্বাধীনতা অর্জন। কবি দিন গুনছেন স্বাধীনতার জন্য। 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় একইভাবে স্বাধীনতার স্বপ্নে তেজি তরুণ উজ্জীবিত। সে রাইফেল কাঁধে বনে জঙ্গলে ঘুরে বেড়ায়। কবি মনে করেন তার পদভারে একটি নতুন পৃথিবীর জন্ম হতে চলেছে। সবাই সেখানে প্রতীক্ষায় আছে স্বাধীনতার জন্য। 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় কবি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশের বিধ্বস্ত অবস্থা তুলে ধরেছেন। এখানে স্বাধীনতার জন্য আত্মদানের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে যা উদ্দীপকের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। উদ্দীপকের গহর এবং 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার তেজি তরুণ উভয়ই মুক্তি চেতনায় উজ্জীবিত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

“গহর মরেনি। মরতে পারে না সে আজও রয়েছে বেঁচে। বাংলাদেশের বুকের ভিতর, হয়তো এখন তার ডান কাঁধ কামানের গোলায় ঝাঁঝরা, বাঁ হাতে ব্যান্ডেজ বাঁধা, তবুও বন্দুক হাতে এক লক্ষ্যে বসে আছে ট্রেঞ্চের ভিতর। গহর আমরা শুধু অফুরন্ত দিন গুনছি অগুনতি বছর। (বাংলাদেশ- দুর্গাদাস সরকার)

Barisal · 2020

থুথুড়ে বুড়োর চোখের নিচে কী ছিল?

উত্তর

থুথুড়ে বুড়োর চোখের নিচে ছিল অপরাহ্ণের দুর্বল আলোর ঝিলিক।
'সাকিনা বিবির কপাল ভাঙল।”- এ কথার মাধ্যমে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর

“সাকিনা বিবির কপাল ভাঙল" এই কথার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাদের হাতে সাকিনা বিবির স্বামীর মারা যাওয়ার বিষয়টি বোঝানো হয়েছে। এদেশের লাখো মানুষ মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হয়েছেন। পাকিস্তানি হানাদারদের বর্বর আক্রমণে শহিদদের একজন সাকিনা বিবির স্বামী। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে দেশের জন্য সাকিনা বিবির মতো গ্রামীণ নারীদের সহায়-সম্বল-সম্ভ্রম বিসর্জিত হয়েছে। সাকিনা বিবি। এখানে মুক্তিযুদ্ধে স্বামী, সম্ভ্রম হারানো নারীদের প্রতিনিধি। প্রশ্নোক্ত কথাটিতে এই ভাবটিই প্রকাশ পেয়েছে।
উদ্দীপকের 'ডান কাঁধ কামানের গোলায় ঝাঁঝরা' চরণটি 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার কোন দিকটি নির্দেশ করে?

উত্তর

উদ্দীপকের 'ডান কাঁধ কামানের গোলায় ঝাঁঝরা' চরণটিতে 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবির মুক্তিযুদ্ধের সময়কার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর অত্যাচারের দিকটি নির্দেশ করে। স্বাধীনতা মানুষের জন্মগত অধিকার। সেই অধিকার অর্জন করতে হলে মানুষকে অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। অনেক রক্ত ও অনেক ত্যাগের বিনিময়ে বাঙালি এ দেশ স্বাধীন করেছে। উদ্দীপকে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী গহরের কথা বলা হয়েছে। স্বাধীনতা অর্জনের জন্য বাঙালির ত্যাগ-তিতিক্ষার দিকটি এখানে প্রতিফলিত হয়েছে। 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় সাকিনা বিবি, হরিদাসীরা বিধবা হয়েছে; ছাত্রাবাস-বস্তি উজার হয়েছে। হানাদাররা গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দিয়েছে। বহু লোক আহত ও পঙ্গু হয়েছে। উদ্দীপকেও এই বিষয়টি লক্ষ করা যায়। গহর নামের লোকটি যুদ্ধে শহিদ হয়েও কবির চেতনায় চিরঞ্জীব হয়ে আছেন। তাঁর ডান কাঁধ কামানের গোলায় ঝাঁঝরা, বাম হাতে ব্যান্ডেজ বাঁধা, তবুও স্থির লক্ষ্যে সে ট্রেঞ্চের ভিতর যেন বসে আছে।
“উদ্দীপকের 'গহর' আর 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার 'তেজি তরুণ' একই আদর্শে উজ্জীবিত।”- তুমি কি একমত? ব্যাখ্যা দাও।

উত্তর

উদ্দীপকের 'গহর' আর 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার তেজি তরুণ একই আদর্শে উজ্জীবিত।- মন্তব্যটি যথার্থ। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এদেশের মানুষের ওপর নির্মম নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞ চালায়। এদেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারা দীর্ঘ নয় মাস শত্রুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে অবশেষে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জন করে। বিশ্বের বুকে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্ম হয়। উদ্দীপকের কবিতাংশের গহর এক সাহসী তেজোদীপ্ত তরুণ। তার ডান কাঁধ কামানের গোলায় ঝাঁঝরা হয়ে গেছে, বাম হাতে ব্যান্ডেজ বাঁধা। তবুও বন্দুক হাতে সে এক লক্ষ্যে ট্রেঞ্চের ভেতর বসে আছে। তার এই অবস্থান শত্রু নিধন, স্বাধীনতা অর্জন। কবি দিন গুনছেন স্বাধীনতার জন্য। 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় একইভাবে স্বাধীনতার স্বপ্নে তেজি তরুণ উজ্জীবিত। সে রাইফেল কাঁধে বনে জঙ্গলে ঘুরে বেড়ায়। কবি মনে করেন তার পদভারে একটি নতুন পৃথিবীর জন্ম হতে চলেছে। সবাই সেখানে প্রতীক্ষায় আছে স্বাধীনতার জন্য। 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় কবি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশের বিধ্বস্ত অবস্থা তুলে ধরেছেন। এখানে স্বাধীনতার জন্য আত্মদানের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে যা উদ্দীপকের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। উদ্দীপকের গহর এবং 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার তেজি তরুণ উভয়ই মুক্তি চেতনায় উজ্জীবিত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র অমিত দেশমাতৃকার দুর্দিনে অন্য বন্ধুদের সাথে যুদ্ধে যোগ দিল। পাক সেনাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপারেশনে সফল নেতৃত্ব দিল। একদিন সম্মুখ যুদ্ধে শত্রুর বুলেটের আঘাতে দেহ ছিন্ন-ভিন্ন হয়ে গেল। বন্ধুরা তার মৃতদেহ বাড়িতে আনলে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হলো। কিন্তু তার বৃদ্ধ মা একটুও বিচলিত না হয়ে সবাইকে লক্ষ্য করে বললেন, "দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করা গৌরব ও সম্মানের। সকলের ত্যাগের বিনিময়েই দেশ একদিন স্বাধীন হবে।"

Jessore · 2020

অবুঝ শিশু কোথায় হামাগুড়ি দিল?

উত্তর

অবুঝ শিশু হামাগুড়ি দিল পিতা-মাতার লাশের ওপর।
'তোমাকে আসতেই হবে, হে স্বাধীনতা'- কবির এই দৃঢ় উক্তির কারণ বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর

প্রশ্নোক্ত পঙ্ক্তিটিতে কবি বাঙালির জন্মগত অধিকার স্বাধীনতা অর্জনের দিকটি তুলে ধরেছেন। ১৯৭১ সালে, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাঙালিদের ওপর বর্বর - নির্যাতন চালায়। তারা আগুন দিয়ে ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয়। কবি সেই ধ্বংস আর হত্যাযজ্ঞের মধ্যেও অবলোকন করেন নবীন রক্তের প্রাণস্পন্দন ও আশা। তাই তিনি মুক্তিযুদ্ধকালে দৃঢ়তার সঙ্গে উচ্চারণ করেন- এত আত্মত্যাগ যার উদ্দেশ্যে সেই স্বাধীনতাকে বাঙালি একদিন ছিনিয়ে আনবেই।
উদ্দীপকের সাথে 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় প্রকাশিত স্বাধীনতার জন্য বাংলার মানুষের সুমহান আত্মত্যাগের দিকটির সঙ্গে উদ্দীপকটির সাদৃশ্য রয়েছে। যুগে যুগে বাঙালি জাতি নানা বিদেশি শত্রুর কাছে শোষিত নির্যাতিত হয়েছে। সবশেষে এ জাতির ওপর আগ্রাসন চালিয়েছে পশ্চিম পাকিস্তানিরা। তারা বাঙালিকে দমিয়ে রেখে নিজেদের স্বার্থান্বেষী শাসন কায়েম করতে চেয়েছিল। কিন্তু বীর বাঙালি তাদের পরাজিত করে স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছে। উদ্দীপকে দেখা যায়, মুক্তিযুদ্ধের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র অমিত পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। একপর্যায়ে সে শহিদ হয় এবং সহযোদ্ধারা তার মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসে। তার বৃদ্ধা মা ছেলের আত্মত্যাগের জন্য গর্ববোধ করেছেন। 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায়ও স্বাধীনতার জন্য বাঙালির আত্মত্যাগের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। কবি এখানে দেখিয়েছেন স্বাধীনতা আসবে বলে হরিদাসীর সিঁথির সিঁদুর মুছে যায়, সাকিনা বিবির কপাল ভাঙে। ছাত্রাবাস, বস্তি উজাড় হয়। পিতামাতার লাশের ওপর ওবুঝ শিশু হামাগুড়ি দেয়। স্বাধীনতার জন্য বাঙালিকে এমনই আত্মত্যাগ করতে হয়। কবিতার এ দিকটির সঙ্গেই উদ্দীপকটির সাদৃশ্য রয়েছে।
উদ্দীপকে মায়ের উক্তিতে 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার কবির আকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন ঘটেছে-মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে মায়ের উক্তিতে 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার কবির আকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন ঘটেছে- মন্তব্যটি যথার্থ। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদারদের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতি সর্বশক্তি দিয়ে রুখে দাঁড়ায়। অবশেষে এক রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করে। স্বপ্নের স্বাধীনতাকে ছিনিয়ে আনতে এদেশের অগণিত মানুষ জীবন উৎসর্গ করেছেন। উদ্দীপকে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছেলে অমিত যুদ্ধে গিয়ে শহিদ হয়। সহযোদ্ধারা তার মৃতদেহ বাড়িতে নিয়ে এলে বৃদ্ধা মা তা দেখে শোকাকুল না হয়ে ছেলের এমন বীরোচিত মৃত্যুতে গর্ববোধ করেন এবং বলেন, দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করা গৌরব ও সম্মানের। সবার ত্যাগের বিনিময়েই একদিন এদেশ স্বাধীন হবে। অমিতের মায়ের এ উক্তিতে 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার কবির আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন দেখা যায়। কারণ এ কবিতায় কবি বলেছেন এ দেশের সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগের কথা, যারা দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন। কবি তাই মনে করেন স্বাধীনতাকে বাঙালি এক দিন ছিনিয়ে আনবেই। 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় কবি দেখিয়েছেন স্বাধীনতার জন্য বাঙালির আত্মত্যাগের দৃষ্টান্ত। সেই সঙ্গে নবীন রক্তে প্রাণস্পন্দন ও আশা জেগে থাকতে দেখে কবি দৃঢ়তার সঙ্গে উচ্চারণ করেন- যার উদ্দেশ্যে এত আত্মত্যাগ সেই স্বাধীনতাকে একদিন আসতেই হবে। উদ্দীপকের মায়ের কথায় কবির এ আকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন ঘটেছে। এসব বিচারে মন্তব্যটি যথার্থ বলা যায়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র অমিত দেশমাতৃকার দুর্দিনে অন্য বন্ধুদের সাথে যুদ্ধে যোগ দিল। পাক সেনাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপারেশনে সফল নেতৃত্ব দিল। একদিন সম্মুখ যুদ্ধে শত্রুর বুলেটের আঘাতে দেহ ছিন্ন-ভিন্ন হয়ে গেল। বন্ধুরা তার মৃতদেহ বাড়িতে আনলে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হলো। কিন্তু তার বৃদ্ধ মা একটুও বিচলিত না হয়ে সবাইকে লক্ষ্য করে বললেন, "দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করা গৌরব ও সম্মানের। সকলের ত্যাগের বিনিময়েই দেশ একদিন স্বাধীন হবে।"

Jessore · 2020

অবুঝ শিশু কোথায় হামাগুড়ি দিল?

উত্তর

অবুঝ শিশু হামাগুড়ি দিল পিতা-মাতার লাশের ওপর।
'তোমাকে আসতেই হবে, হে স্বাধীনতা'- কবির এই দৃঢ় উক্তির কারণ বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর

প্রশ্নোক্ত পঙ্ক্তিটিতে কবি বাঙালির জন্মগত অধিকার স্বাধীনতা অর্জনের দিকটি তুলে ধরেছেন। ১৯৭১ সালে, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাঙালিদের ওপর বর্বর - নির্যাতন চালায়। তারা আগুন দিয়ে ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয়। কবি সেই ধ্বংস আর হত্যাযজ্ঞের মধ্যেও অবলোকন করেন নবীন রক্তের প্রাণস্পন্দন ও আশা। তাই তিনি মুক্তিযুদ্ধকালে দৃঢ়তার সঙ্গে উচ্চারণ করেন- এত আত্মত্যাগ যার উদ্দেশ্যে সেই স্বাধীনতাকে বাঙালি একদিন ছিনিয়ে আনবেই।
উদ্দীপকের সাথে 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় প্রকাশিত স্বাধীনতার জন্য বাংলার মানুষের সুমহান আত্মত্যাগের দিকটির সঙ্গে উদ্দীপকটির সাদৃশ্য রয়েছে। যুগে যুগে বাঙালি জাতি নানা বিদেশি শত্রুর কাছে শোষিত নির্যাতিত হয়েছে। সবশেষে এ জাতির ওপর আগ্রাসন চালিয়েছে পশ্চিম পাকিস্তানিরা। তারা বাঙালিকে দমিয়ে রেখে নিজেদের স্বার্থান্বেষী শাসন কায়েম করতে চেয়েছিল। কিন্তু বীর বাঙালি তাদের পরাজিত করে স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছে। উদ্দীপকে দেখা যায়, মুক্তিযুদ্ধের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র অমিত পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। একপর্যায়ে সে শহিদ হয় এবং সহযোদ্ধারা তার মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসে। তার বৃদ্ধা মা ছেলের আত্মত্যাগের জন্য গর্ববোধ করেছেন। 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায়ও স্বাধীনতার জন্য বাঙালির আত্মত্যাগের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। কবি এখানে দেখিয়েছেন স্বাধীনতা আসবে বলে হরিদাসীর সিঁথির সিঁদুর মুছে যায়, সাকিনা বিবির কপাল ভাঙে। ছাত্রাবাস, বস্তি উজাড় হয়। পিতামাতার লাশের ওপর ওবুঝ শিশু হামাগুড়ি দেয়। স্বাধীনতার জন্য বাঙালিকে এমনই আত্মত্যাগ করতে হয়। কবিতার এ দিকটির সঙ্গেই উদ্দীপকটির সাদৃশ্য রয়েছে।
উদ্দীপকে মায়ের উক্তিতে 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার কবির আকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন ঘটেছে-মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে মায়ের উক্তিতে 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার কবির আকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন ঘটেছে- মন্তব্যটি যথার্থ। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদারদের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতি সর্বশক্তি দিয়ে রুখে দাঁড়ায়। অবশেষে এক রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করে। স্বপ্নের স্বাধীনতাকে ছিনিয়ে আনতে এদেশের অগণিত মানুষ জীবন উৎসর্গ করেছেন। উদ্দীপকে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছেলে অমিত যুদ্ধে গিয়ে শহিদ হয়। সহযোদ্ধারা তার মৃতদেহ বাড়িতে নিয়ে এলে বৃদ্ধা মা তা দেখে শোকাকুল না হয়ে ছেলের এমন বীরোচিত মৃত্যুতে গর্ববোধ করেন এবং বলেন, দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করা গৌরব ও সম্মানের। সবার ত্যাগের বিনিময়েই একদিন এদেশ স্বাধীন হবে। অমিতের মায়ের এ উক্তিতে 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার কবির আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন দেখা যায়। কারণ এ কবিতায় কবি বলেছেন এ দেশের সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগের কথা, যারা দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন। কবি তাই মনে করেন স্বাধীনতাকে বাঙালি এক দিন ছিনিয়ে আনবেই। 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় কবি দেখিয়েছেন স্বাধীনতার জন্য বাঙালির আত্মত্যাগের দৃষ্টান্ত। সেই সঙ্গে নবীন রক্তে প্রাণস্পন্দন ও আশা জেগে থাকতে দেখে কবি দৃঢ়তার সঙ্গে উচ্চারণ করেন- যার উদ্দেশ্যে এত আত্মত্যাগ সেই স্বাধীনতাকে একদিন আসতেই হবে। উদ্দীপকের মায়ের কথায় কবির এ আকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন ঘটেছে। এসব বিচারে মন্তব্যটি যথার্থ বলা যায়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো