নিমগাছ বাংলা ১ম পত্র

SSC বাংলা ১ম পত্র এর নিমগাছ অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

২৪

প্রশ্ন

বাংলা ১ম পত্র

বিষয়

SSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

কলি ও নিপুনের ছয় বছরের সংসারে দুইটি ফুটফুটে সন্তান রয়েছে। নিপুনের মা-বাবা বৃদ্ধ হওয়ায় কলি নিজের মা-বাবার মতো সেবাযত্ন দিয়ে তাদের আগলে রেখেছে। নিপুন একটি বহুজাতিক কোম্পানিতে চাকরি করে। সংসারের প্রতি মন দেওয়ার সময় নেই তার। কলি সন্তানদের স্কুলে আনা-নেওয়া, রান্না-বান্না, বাজার করাসহ সংসারের যাবতীয় কাজ করে থাকে। কিন্তু সামান্য ছোটখাটো বিষয় নিয়ে নিপুন কলির সাথে কলহ করে। সে কলিকে বাবার বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। কিন্তু সন্তানদের মুখের দিকে তাকিয়ে কলি নিপুনের শত লাঞ্ছনা সহ্য করে যাচ্ছে।

Mymensingh · 2022

বনফুলের প্রকৃত নাম কী?

উত্তর

বনফুলের প্রকৃত নাম বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়।
'নিমের হাওয়া ভালো, থাক, কেটো না'- কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর

নিমের হাওয়া ভালো, থাক, কেটো না'- কথাটি দ্বারা নিমগাছের উপকারী দিক বিবেচনায় তা না কাটাকে বোঝানো হয়েছে। সাধারণ অর্থে নিমগাছ একটি ঔষধি গুণসম্পন্ন গাছ। এ গাছ আপনা-আপনি বেড়ে ওঠে। এ গাছের যত্ন না করলেও ঔষধি গুণ রয়েছে। নিমগাছের হাওয়া শরীরের জন্য উপকারী কারণ এটি আশেপাশের বাতাস বিশুদ্ধ রাখে। নিমগাছের কারণে বাতাসে অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি থাকে। তাই বাড়ির পাশে নিমগাছ গজালে বিজ্ঞরা প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করেন।
উদ্দীপকের নিপুনের আচরণের সাথে 'নিমগাছ' গল্পের কোন দিকের সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের নিপুনের আচরণের সঙ্গে 'নিমগাছ' গল্পের গৃহকর্ম-নিপুণা লক্ষ্মীবউটির প্রতি অবহেলা ও অমানবিক আচরণের দিকের সাদৃশ্য রয়েছে। 'নিমগাছ' গল্পে নিমগাছের প্রতীকে গল্পকার একজন লক্ষ্মীবউয়ের জীবনবাস্তবতার নির্মম চিত্র তুলে ধরেছেন। লক্ষ্মীবউটি নিজের কর্মকুশলতা ও অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে সংসারের যাবতীয় কাজকর্ম করে। এভাবে সে সবাইকে সুখে-শান্তিতে রাখে। কিন্তু কেউই তার যত্ন নেয় না। সবাই তাকে অবহেলা করে। একজন কবির আচরণ তার ভালো লাগলেও সংসারের জালে আবদ্ধ থাকায় তাও সে পারে না। উদ্দীপকে সংসারের যাবতীয় কাজে গভীর মনোযোগী কলির প্রতি তার স্বামী নিপুনের অবহেলার দিকটি লক্ষ করা যায়। নিপুন বহুজাতিক কোম্পানির একজন চাকরিজীবী। সংসারের দিকে মন দেওয়ার তার কোনো সময় নেই। নিপুনের বাবা-মাকে সেবা-যত্ন, সন্তানদের দেখাশোনা, তাদেরকে স্কুলে আনা-নেওয়া করা, রান্নাবান্না করাসহ সমস্ত কাজই করে তার স্ত্রী কলি। অথচ ছোটখাটো বিষয়কে কেন্দ্র করে নিপুন কলির সঙ্গে ঝগড়া করে। তাকে বাবার বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। তার এই আচরণ 'নিমগাছ' গল্পের গৃহকর্ম-নিপুণা লক্ষ্মীবউটির প্রতি পরিবারের লোকজনের অবহেলার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। সাধারণ অর্থে নিমগাছের উপকারীভোগীরা যেমন নিমগাছের ছাল, পাতা, ডাল ভেঙে নিয়ে অমানবিকতার পরিচয় দেয়, তেমনই অমানবিকতার শিকার গৃহলক্ষ্মীবউটি। সে সংসারে সবার জন্য খেটেও চরম অবহেলার শিকার হয় যা উদ্দীপকের নিপুনের আচরণে প্রকাশ পেয়েছে।
'উদ্দীপকের কলি যেন বাঙালি নারীর বাস্তব প্রতিচ্ছবি'- 'নিমগাছ' গল্পের আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

“উদ্দীপকের 'কলি' যেন বাঙালি নারীর বাস্তব প্রতিচ্ছবি”– মন্তব্যটি যথার্থ। কেননা সে গৃহবদ্ধ হিসেবে নিঃশর্তভাবে সংসারের কাজ করেছে। 'নিমগাছ' গল্পে নিমগাছ প্রতীকের সূত্রে গল্পকার দেখিয়েছেন নারীর অপরিসীম আত্মত্যাগ। নারীর মানবিক মর্যাদা, পারিবারিক ও সামাজিক গুরুত্ব উপলব্ধি করার ইঙ্গিত রয়েছে উক্ত গল্পটিতে। একটি নিমগাছ যেমন অজস্র উপকার করেও বিনিময়ে পায় অযত্ন ও অবহেলা তেমনই গৃহবধূও অক্লান্ত পরিশ্রম করে বিনিময়ে সংসার থেকে দুঃখ-কষ্ট পেয়ে থাকে। গল্পের গৃহবধূ যেন বাঙালি নারীর বাস্তব প্রতিচ্ছবি। উদ্দীপকে সংসারের প্রতি গভীর মনোযোগী নারীর প্রতি পুরুষের অবহেলা ও মানসিক নির্যাতনের দিকটি তুলে ধরা হয়েছে। এখানে গৃহবধূ কলি তার সন্তান, সংসার গভীর মনোযোগ দিয়ে আগলে রাখলেও সামান্য বিষয় নিয়ে স্বামী নিপুনের অবহেলার শিকার। নিপুনের বাবা-মাকে নিজের মা-বাবার মতো সেবা-যত্ন দিয়ে আগলে রাখলেও নিপুন কলিকে তার যোগ্য মর্যাদা দেয় না। সে বহুজাতিক কোম্পানির চাকরি নিয়ে ব্যস্ত থাকে। সন্তানদের স্কুলে আনা-নেওয়াসহ সংসারের সমস্ত কাজই কলি একা করে থাকে। অথচ সেসব কাজের কোনো মূল্যায়ন সে পায় না। এ বিষয়টি 'নিমগাছ' গল্পের গৃহলক্ষ্মীবউটির সংসারের সব কাজ করেও মূল্যায়ন না পাওয়ার সঙ্গে একসূত্রে গাঁথা। এই গল্প লেখক দেখিয়েছেন পরিবারে নারীর আত্মত্যাগ ও অবমূল্যায়িত হওয়ার বিষয়টি। 'নিমগাছ' গল্পে নিমগাছের প্রতীকে লেখক গৃহকর্ম-নিপুণা এক লক্ষ্মীবউয়ের জীবন-যন্ত্রণাকে নির্দেশ করেছেন। সেই বউ শ্বশুরবাড়িতে সবার জন্য নিবেদিতপ্রাণ, অথচ তার প্রতি কেউ সদয় নয়। সেই জীবন থেকে সে মুক্তি চাইলেও সংসারের শিকড় ছিন্ন করে আসতে পারে না। উদ্দীপকের কলিও সংসারে সবার জন্য সারা দিন খেটেও যথাযোগ্য মর্যাদা পায় না। সন্তান ও সংসার নিয়ে দিন কাটলেও স্বামীর অবহেলার শিকার হয়। এই দিক বিবেচনায় বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

কলি ও নিপুনের ছয় বছরের সংসারে দুইটি ফুটফুটে সন্তান রয়েছে। নিপুনের মা-বাবা বৃদ্ধ হওয়ায় কলি নিজের মা-বাবার মতো সেবাযত্ন দিয়ে তাদের আগলে রেখেছে। নিপুন একটি বহুজাতিক কোম্পানিতে চাকরি করে। সংসারের প্রতি মন দেওয়ার সময় নেই তার। কলি সন্তানদের স্কুলে আনা-নেওয়া, রান্না-বান্না, বাজার করাসহ সংসারের যাবতীয় কাজ করে থাকে। কিন্তু সামান্য ছোটখাটো বিষয় নিয়ে নিপুন কলির সাথে কলহ করে। সে কলিকে বাবার বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। কিন্তু সন্তানদের মুখের দিকে তাকিয়ে কলি নিপুনের শত লাঞ্ছনা সহ্য করে যাচ্ছে।

Mymensingh · 2022

বনফুলের প্রকৃত নাম কী?

উত্তর

বনফুলের প্রকৃত নাম বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়।
'নিমের হাওয়া ভালো, থাক, কেটো না'- কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর

নিমের হাওয়া ভালো, থাক, কেটো না'- কথাটি দ্বারা নিমগাছের উপকারী দিক বিবেচনায় তা না কাটাকে বোঝানো হয়েছে। সাধারণ অর্থে নিমগাছ একটি ঔষধি গুণসম্পন্ন গাছ। এ গাছ আপনা-আপনি বেড়ে ওঠে। এ গাছের যত্ন না করলেও ঔষধি গুণ রয়েছে। নিমগাছের হাওয়া শরীরের জন্য উপকারী কারণ এটি আশেপাশের বাতাস বিশুদ্ধ রাখে। নিমগাছের কারণে বাতাসে অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি থাকে। তাই বাড়ির পাশে নিমগাছ গজালে বিজ্ঞরা প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করেন।
উদ্দীপকের নিপুনের আচরণের সাথে 'নিমগাছ' গল্পের কোন দিকের সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের নিপুনের আচরণের সঙ্গে 'নিমগাছ' গল্পের গৃহকর্ম-নিপুণা লক্ষ্মীবউটির প্রতি অবহেলা ও অমানবিক আচরণের দিকের সাদৃশ্য রয়েছে। 'নিমগাছ' গল্পে নিমগাছের প্রতীকে গল্পকার একজন লক্ষ্মীবউয়ের জীবনবাস্তবতার নির্মম চিত্র তুলে ধরেছেন। লক্ষ্মীবউটি নিজের কর্মকুশলতা ও অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে সংসারের যাবতীয় কাজকর্ম করে। এভাবে সে সবাইকে সুখে-শান্তিতে রাখে। কিন্তু কেউই তার যত্ন নেয় না। সবাই তাকে অবহেলা করে। একজন কবির আচরণ তার ভালো লাগলেও সংসারের জালে আবদ্ধ থাকায় তাও সে পারে না। উদ্দীপকে সংসারের যাবতীয় কাজে গভীর মনোযোগী কলির প্রতি তার স্বামী নিপুনের অবহেলার দিকটি লক্ষ করা যায়। নিপুন বহুজাতিক কোম্পানির একজন চাকরিজীবী। সংসারের দিকে মন দেওয়ার তার কোনো সময় নেই। নিপুনের বাবা-মাকে সেবা-যত্ন, সন্তানদের দেখাশোনা, তাদেরকে স্কুলে আনা-নেওয়া করা, রান্নাবান্না করাসহ সমস্ত কাজই করে তার স্ত্রী কলি। অথচ ছোটখাটো বিষয়কে কেন্দ্র করে নিপুন কলির সঙ্গে ঝগড়া করে। তাকে বাবার বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। তার এই আচরণ 'নিমগাছ' গল্পের গৃহকর্ম-নিপুণা লক্ষ্মীবউটির প্রতি পরিবারের লোকজনের অবহেলার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। সাধারণ অর্থে নিমগাছের উপকারীভোগীরা যেমন নিমগাছের ছাল, পাতা, ডাল ভেঙে নিয়ে অমানবিকতার পরিচয় দেয়, তেমনই অমানবিকতার শিকার গৃহলক্ষ্মীবউটি। সে সংসারে সবার জন্য খেটেও চরম অবহেলার শিকার হয় যা উদ্দীপকের নিপুনের আচরণে প্রকাশ পেয়েছে।
'উদ্দীপকের কলি যেন বাঙালি নারীর বাস্তব প্রতিচ্ছবি'- 'নিমগাছ' গল্পের আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

“উদ্দীপকের 'কলি' যেন বাঙালি নারীর বাস্তব প্রতিচ্ছবি”– মন্তব্যটি যথার্থ। কেননা সে গৃহবদ্ধ হিসেবে নিঃশর্তভাবে সংসারের কাজ করেছে। 'নিমগাছ' গল্পে নিমগাছ প্রতীকের সূত্রে গল্পকার দেখিয়েছেন নারীর অপরিসীম আত্মত্যাগ। নারীর মানবিক মর্যাদা, পারিবারিক ও সামাজিক গুরুত্ব উপলব্ধি করার ইঙ্গিত রয়েছে উক্ত গল্পটিতে। একটি নিমগাছ যেমন অজস্র উপকার করেও বিনিময়ে পায় অযত্ন ও অবহেলা তেমনই গৃহবধূও অক্লান্ত পরিশ্রম করে বিনিময়ে সংসার থেকে দুঃখ-কষ্ট পেয়ে থাকে। গল্পের গৃহবধূ যেন বাঙালি নারীর বাস্তব প্রতিচ্ছবি। উদ্দীপকে সংসারের প্রতি গভীর মনোযোগী নারীর প্রতি পুরুষের অবহেলা ও মানসিক নির্যাতনের দিকটি তুলে ধরা হয়েছে। এখানে গৃহবধূ কলি তার সন্তান, সংসার গভীর মনোযোগ দিয়ে আগলে রাখলেও সামান্য বিষয় নিয়ে স্বামী নিপুনের অবহেলার শিকার। নিপুনের বাবা-মাকে নিজের মা-বাবার মতো সেবা-যত্ন দিয়ে আগলে রাখলেও নিপুন কলিকে তার যোগ্য মর্যাদা দেয় না। সে বহুজাতিক কোম্পানির চাকরি নিয়ে ব্যস্ত থাকে। সন্তানদের স্কুলে আনা-নেওয়াসহ সংসারের সমস্ত কাজই কলি একা করে থাকে। অথচ সেসব কাজের কোনো মূল্যায়ন সে পায় না। এ বিষয়টি 'নিমগাছ' গল্পের গৃহলক্ষ্মীবউটির সংসারের সব কাজ করেও মূল্যায়ন না পাওয়ার সঙ্গে একসূত্রে গাঁথা। এই গল্প লেখক দেখিয়েছেন পরিবারে নারীর আত্মত্যাগ ও অবমূল্যায়িত হওয়ার বিষয়টি। 'নিমগাছ' গল্পে নিমগাছের প্রতীকে লেখক গৃহকর্ম-নিপুণা এক লক্ষ্মীবউয়ের জীবন-যন্ত্রণাকে নির্দেশ করেছেন। সেই বউ শ্বশুরবাড়িতে সবার জন্য নিবেদিতপ্রাণ, অথচ তার প্রতি কেউ সদয় নয়। সেই জীবন থেকে সে মুক্তি চাইলেও সংসারের শিকড় ছিন্ন করে আসতে পারে না। উদ্দীপকের কলিও সংসারে সবার জন্য সারা দিন খেটেও যথাযোগ্য মর্যাদা পায় না। সন্তান ও সংসার নিয়ে দিন কাটলেও স্বামীর অবহেলার শিকার হয়। এই দিক বিবেচনায় বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিয়তি দেবী প্রতিদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠে গৃহস্থালির কাজ-কাম শেষ করে পরিবারের সবার জন্য খাবার তৈরি করেন। সন্তানদের স্কুলের জন্য তৈরি করেন। শ্বশুর-শাশুড়ির দেখাশুনা এবং ঔষধ খাওয়ানো সবই রুটিন মতো করেন। কারো যত্নের এতটুকু অবহেলা করেন না। সংসারের যাবতীয় কাজ নিজ হাতে সুন্দর ভাবে করতে চেষ্টা করেন। বাড়ির সবার যত্ন নেন তিনি কিন্তু তার খবর কেউ রাখে না। সংসারে একটানা খাটনি খাটতে খাটতে তিনি হাঁপিয়ে উঠেছেন।

Sylhet · 2026

'অব্যর্থ' শব্দের অর্থ কী?

উত্তর

'অব্যর্থ' শব্দের অর্থ- যা বিফল হবে না।
“একঝাঁক নক্ষত্র নেমে এসেছে যেন নীল আকাশ থেকে সবুজ সায়রে।"- কীভাবে? তা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

"একঝাক নক্ষত্র নেমে এসেছে যেন নীল আকাশ থেকে সবুজ সায়রে।"- কথাটি দ্বারা মূলত নিমগাছে ফুটে থাকা থোকা থোকা ফুলের সৌন্দর্যের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। ঔষধি গুণের কারণে নিমগাছ সবার কাছে খুবই আদরণীয় এবং যাচিত। তাই তো নিমের ছাল-বাকল, পাতা-ডাল যে যেভাবে পারে ব্যবহার করে। কিন্তু ঔষধি গুণের বাইরেও যে নিমগাছের আলাদা সৌন্দর্য রয়েছে সেটা কারও চোখেই পড়ে না। অনেকটা গুণের অর্থাৎ প্রয়োজনের আড়ালে রূপ হারিয়ে যাওয়ার মতো। কিন্তু সবুজ পাতায় ঘেরা এই গাছের ফুটন্ত ফুলের রূপ কবির চোখে ধরা পড়ে, যেটাকে তিনি একঝাঁক নক্ষত্রের সঙ্গে তুলনা করেছেন। কবির মনে হয়েছে, নীল আকাশ থেকে সবুজ সমুদ্রে যেন নক্ষত্র নেমে এসেছে।
উদ্দীপকের নিয়তি দেবীর সাথে 'নিমগাছ' গল্পের লক্ষ্মীবউয়ের যে সাদৃশ্য রয়েছে তা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের নিয়তি দেবীর সাথে 'নিমগাছ' গল্পের লক্ষ্মীবউয়ের আত্মত্যাগী, উপেক্ষিত ও বন্দিজীবনের করুণ সাদৃশ্য রয়েছে। 'নিমগাছ' গল্পের লক্ষ্মীবউটি সংসারের আড়ালে থাকা এক অবহেলিত ও নিগৃহীত নারীর প্রতীক। সে সংসারে সবার চাহিদা মেটালেও তার যত্ন কেউ নেয় না। আবার সে চাইলেও এই সংসার ছেড়ে চলে যেতে পারে না। উদ্দীপকের নিয়তি দেবী ভোর থেকে রাত পর্যন্ত গৃহস্থালির সব কাজ নিজ হাতে করেন; কিন্তু কেউ তার খবর রাখে না। 'নিমগাছ' গল্পের লক্ষ্মীবউটির মতো নিয়তি দেবীও সংসারের সব বোঝা নিজের কাঁধে বহন করেন। অথচ দুটি চরিত্রই সমাজের চোখে অবহেলিত। দুজনেই ক্লান্ত ও নিঃসঙ্গ। উভয়েরই কোনোখানে চলে যাওয়ার পথ নেই- কারণ তাদের শিকড় মাটির গভীরে প্রোথিত। সংসার ও কর্তব্যের বেড়াজাল তাদের আটকে রেখেছে। উপেক্ষিত কর্মঠ নারীর এই বেদনাদগ্ধ চিত্রটি নিয়তি দেবী ও লক্ষ্মীবউয়ের মূল সাদৃশ্য।
"সংসারের মায়াজালের বাঁধন ছিন্ন করে কেউ যেতে পারে না।"- উদ্দীপক এবং 'নিমগাছ' গল্পের আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

ভালোবাসা ও কর্তব্যের দিক দিয়ে উদ্দীপক ও 'নিমগাছ' গল্পের আলোকে "সংসারের মায়াজালের বাঁধন ছিন্ন করে কেউ যেতে পারে না”- মন্তব্যটি যথার্থ। 'নিমগাছ' গল্পের নিমগাছটি কবির প্রশংসায় উদ্বেলিত হয়ে তার সঙ্গে যেতে চায়। কিন্তু শিকড় মাটির ভেতরে অনেক দূরে চলে যাওয়ায় গাছটি যেতে পারে না। কারণ তার অস্তিত্বই মাটির সঙ্গে বাঁধা। নিমগাছের মতো লক্ষ্মীবউটিও মায়ার বন্ধনে আবদ্ধ। উদ্দীপকের নিয়তি দেবী সংসারের কাজে একদম হাঁপিয়ে উঠেছেন, তবু তিনি সংসার ছেড়ে চলে যেতে পারেন না বা ভিন্ন পথ বেছে নিতে পারেন না। কারণ পুরো সংসারের দায়িত্ব তাকে বেঁধে রেখেছে। 'নিমগাছ' গল্পের লক্ষ্মীবউটির বন্দিজীবনও একই চিত্র ফুটিয়ে তোলে। সংসার, মায়া ও দায়িত্বের শিকড় সহজে ছিন্ন করা যায় না। সংসারের মায়াজাল হলো অভ্যন্তরীণ টান, অভ্যাস ও দায়বদ্ধতার একটি জটিল জাল। উদ্দীপকের নিয়তি দেবী হয়তো মুক্তি চান, কিন্তু কর্তব্য ও ভালোবাসা তাকে বেঁধে রাখে। 'নিমগাছ' গল্পের গাছটিকেও তার শিকড় স্থির করে দেয়। যন্ত্রণা পেলেও সে আবর্জনার স্তূপেই দাঁড়িয়ে থাকে। গৃহকর্ম-নিপুণা লক্ষ্মীবউটিরও একই দশা। বাস্তব জীবনে সব মানুষই কোনো না কোনো শিকড়ে বাঁধা- পরিবার, সমাজ, দায়িত্ব ও ভালোবাসার বন্ধনে বাঁধা। উদ্দীপক ও 'নিমগাছ' গল্পের মাধ্যমে বোঝা যায়, সংসারের এই অদৃশ্য বাঁধন সহজে ছিন্ন করা কারও পক্ষে সম্ভব নয়। তাই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিয়তি দেবী প্রতিদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠে গৃহস্থালির কাজ-কাম শেষ করে পরিবারের সবার জন্য খাবার তৈরি করেন। সন্তানদের স্কুলের জন্য তৈরি করেন। শ্বশুর-শাশুড়ির দেখাশুনা এবং ঔষধ খাওয়ানো সবই রুটিন মতো করেন। কারো যত্নের এতটুকু অবহেলা করেন না। সংসারের যাবতীয় কাজ নিজ হাতে সুন্দর ভাবে করতে চেষ্টা করেন। বাড়ির সবার যত্ন নেন তিনি কিন্তু তার খবর কেউ রাখে না। সংসারে একটানা খাটনি খাটতে খাটতে তিনি হাঁপিয়ে উঠেছেন।

Sylhet · 2026

'অব্যর্থ' শব্দের অর্থ কী?

উত্তর

'অব্যর্থ' শব্দের অর্থ- যা বিফল হবে না।
“একঝাঁক নক্ষত্র নেমে এসেছে যেন নীল আকাশ থেকে সবুজ সায়রে।"- কীভাবে? তা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

"একঝাক নক্ষত্র নেমে এসেছে যেন নীল আকাশ থেকে সবুজ সায়রে।"- কথাটি দ্বারা মূলত নিমগাছে ফুটে থাকা থোকা থোকা ফুলের সৌন্দর্যের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। ঔষধি গুণের কারণে নিমগাছ সবার কাছে খুবই আদরণীয় এবং যাচিত। তাই তো নিমের ছাল-বাকল, পাতা-ডাল যে যেভাবে পারে ব্যবহার করে। কিন্তু ঔষধি গুণের বাইরেও যে নিমগাছের আলাদা সৌন্দর্য রয়েছে সেটা কারও চোখেই পড়ে না। অনেকটা গুণের অর্থাৎ প্রয়োজনের আড়ালে রূপ হারিয়ে যাওয়ার মতো। কিন্তু সবুজ পাতায় ঘেরা এই গাছের ফুটন্ত ফুলের রূপ কবির চোখে ধরা পড়ে, যেটাকে তিনি একঝাঁক নক্ষত্রের সঙ্গে তুলনা করেছেন। কবির মনে হয়েছে, নীল আকাশ থেকে সবুজ সমুদ্রে যেন নক্ষত্র নেমে এসেছে।
উদ্দীপকের নিয়তি দেবীর সাথে 'নিমগাছ' গল্পের লক্ষ্মীবউয়ের যে সাদৃশ্য রয়েছে তা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের নিয়তি দেবীর সাথে 'নিমগাছ' গল্পের লক্ষ্মীবউয়ের আত্মত্যাগী, উপেক্ষিত ও বন্দিজীবনের করুণ সাদৃশ্য রয়েছে। 'নিমগাছ' গল্পের লক্ষ্মীবউটি সংসারের আড়ালে থাকা এক অবহেলিত ও নিগৃহীত নারীর প্রতীক। সে সংসারে সবার চাহিদা মেটালেও তার যত্ন কেউ নেয় না। আবার সে চাইলেও এই সংসার ছেড়ে চলে যেতে পারে না। উদ্দীপকের নিয়তি দেবী ভোর থেকে রাত পর্যন্ত গৃহস্থালির সব কাজ নিজ হাতে করেন; কিন্তু কেউ তার খবর রাখে না। 'নিমগাছ' গল্পের লক্ষ্মীবউটির মতো নিয়তি দেবীও সংসারের সব বোঝা নিজের কাঁধে বহন করেন। অথচ দুটি চরিত্রই সমাজের চোখে অবহেলিত। দুজনেই ক্লান্ত ও নিঃসঙ্গ। উভয়েরই কোনোখানে চলে যাওয়ার পথ নেই- কারণ তাদের শিকড় মাটির গভীরে প্রোথিত। সংসার ও কর্তব্যের বেড়াজাল তাদের আটকে রেখেছে। উপেক্ষিত কর্মঠ নারীর এই বেদনাদগ্ধ চিত্রটি নিয়তি দেবী ও লক্ষ্মীবউয়ের মূল সাদৃশ্য।
"সংসারের মায়াজালের বাঁধন ছিন্ন করে কেউ যেতে পারে না।"- উদ্দীপক এবং 'নিমগাছ' গল্পের আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

ভালোবাসা ও কর্তব্যের দিক দিয়ে উদ্দীপক ও 'নিমগাছ' গল্পের আলোকে "সংসারের মায়াজালের বাঁধন ছিন্ন করে কেউ যেতে পারে না”- মন্তব্যটি যথার্থ। 'নিমগাছ' গল্পের নিমগাছটি কবির প্রশংসায় উদ্বেলিত হয়ে তার সঙ্গে যেতে চায়। কিন্তু শিকড় মাটির ভেতরে অনেক দূরে চলে যাওয়ায় গাছটি যেতে পারে না। কারণ তার অস্তিত্বই মাটির সঙ্গে বাঁধা। নিমগাছের মতো লক্ষ্মীবউটিও মায়ার বন্ধনে আবদ্ধ। উদ্দীপকের নিয়তি দেবী সংসারের কাজে একদম হাঁপিয়ে উঠেছেন, তবু তিনি সংসার ছেড়ে চলে যেতে পারেন না বা ভিন্ন পথ বেছে নিতে পারেন না। কারণ পুরো সংসারের দায়িত্ব তাকে বেঁধে রেখেছে। 'নিমগাছ' গল্পের লক্ষ্মীবউটির বন্দিজীবনও একই চিত্র ফুটিয়ে তোলে। সংসার, মায়া ও দায়িত্বের শিকড় সহজে ছিন্ন করা যায় না। সংসারের মায়াজাল হলো অভ্যন্তরীণ টান, অভ্যাস ও দায়বদ্ধতার একটি জটিল জাল। উদ্দীপকের নিয়তি দেবী হয়তো মুক্তি চান, কিন্তু কর্তব্য ও ভালোবাসা তাকে বেঁধে রাখে। 'নিমগাছ' গল্পের গাছটিকেও তার শিকড় স্থির করে দেয়। যন্ত্রণা পেলেও সে আবর্জনার স্তূপেই দাঁড়িয়ে থাকে। গৃহকর্ম-নিপুণা লক্ষ্মীবউটিরও একই দশা। বাস্তব জীবনে সব মানুষই কোনো না কোনো শিকড়ে বাঁধা- পরিবার, সমাজ, দায়িত্ব ও ভালোবাসার বন্ধনে বাঁধা। উদ্দীপক ও 'নিমগাছ' গল্পের মাধ্যমে বোঝা যায়, সংসারের এই অদৃশ্য বাঁধন সহজে ছিন্ন করা কারও পক্ষে সম্ভব নয়। তাই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

আমি কখনও ধূপ কখনও রজনীগন্ধা তোমরা যখন সুগন্ধ নাও- তখন আমি পুড়ি নিভে গেলে শুধু পাই এক রাশ ছাই। প্রয়োজনে দামি ফুলদানিতে সাজিয়ে রাখো রজনী বলে। রূপ দিয়ে, যৌবন দিয়ে- সুবাস দিয়ে তখনও মলিন রূপে ঝরে যাই।

Barisal · 2026

হঠাৎ কোন প্রকৃতির লোক এলো?

উত্তর

হঠাৎ নতুন ধরনের লোক এলো।
'নিমগাছ' গল্পে কারা প্রশংসায় পঞ্চমুখ? বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর

ঔষধি গুণের কারণে কবিরাজরা নিমগাছের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। 'নিমগাছ' গল্পে নিমগাছ ঔষধি গুণসম্পন্ন গাছ। নিমপাতা চর্মরোগের অব্যর্থ মহৌষধ। খোস-পাঁচড়া, দাদ, হাজা, চুলকানিতে নিমপাতা ও নিমগাছের ছাল অত্যন্ত উপকারী। নিমের কচিপাতা যকৃতের জন্য অত্যন্ত উপকারী। নিমের কচি ডাল চিবালে দাঁত ভালো থাকে। আর এসব ঔষধি গুণের কারণে কবিরাজরা নিমগাছের প্রশংসায় পঞ্চমুখ।
উদ্দীপকের ভাববস্তুর সাথে 'নিমগাছ' গল্পের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের ভাববস্তুর সাথে 'নিমগাছ' গল্পের নিমগাছ প্রতীকে গৃহকর্ম-নিপুণা লক্ষ্মীবউটির নিজেকে নিঃশেষ করে অন্যের প্রয়োজনে বিলিয়ে দেওয়ার বিষয়টি সাদৃশ্যপূর্ণ। 'নিমগাছ' গল্পে নিমগাছ প্রতীকের আড়ালে লেখক গৃহকর্ম-নিপুণা এক লক্ষ্মী বউয়ের জীবনযন্ত্রণাকে তুলে ধরেছেন। শ্বশুর বাড়ির সবার জন্য নিরলস পরিশ্রম করে সে। তবু কেউ তাকে একটু যত্ন করে না। শত অবহেলা-অনাদর সত্ত্বেও সেই বউটি সংসারের মায়াজাল ছিন্ন করে বেরিয়ে আসতে পারে না। উদ্দীপকে ধূপ ও রজনীগন্ধার করুণ পরিণতির দিকটি ফুটে উঠেছে। ধূপ নিজেকে পুড়িয়ে অপরকে সুগন্ধ বিলায়। অন্যদিকে রজনীগন্ধাও সুবাস ছড়িয়ে যায়। উভয়েই পরার্থে নিজেদের বিলিয়ে নিঃশেষ হয়, কিন্তু প্রতিদানে কিছুই পায় না। 'নিমগাছ' গল্পের বউটিও পরিবারের মঙ্গলার্থে আত্মনিবেদন করে। উদ্দীপকের সাথে গল্পের গৃহকর্ম-নিপুণা লক্ষ্মী বউটির পরার্থে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার দিকটির মিল রয়েছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের ভাববস্তুর সাথে 'নিমগাছ' গল্পটি সাদৃশ্যপূর্ণ।
উদ্দীপকে 'নিমগাছ' গল্পের লক্ষ্মীবধূর আকাঙ্ক্ষা কতটুকু ধ্বনিত - হয়েছে বলে তুমি মনে করো? যৌক্তিক মতামত দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে কেবল পরার্থে আত্মত্যাগ এবং বিনিময়ে কিছুই না পাওয়ার বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ায় তাতে 'নিমগাছ' গল্পের লক্ষ্মীবধূর আকাঙ্ক্ষা ধ্বনিত হয়নি। 'নিমগাছ' গল্পে নিমগাছ প্রতীকের আড়ালে গৃহকর্ম-নিপুণা এক লক্ষ্মীবউয়ের জীবনবাস্তবতা উঠে এসেছে। লেখক নিমগাছের মাধ্যমে মানুষের নানাভাবে উপকৃত হওয়ার দিকটি তুলে ধরেছেন। নিমগাছের প্রতি মানুষের অযত্ন ও অবহেলার কথাও বলেছেন। মূলত এর মাধ্যমে লেখক নারীর আত্মত্যাগ ও মানবিক মর্যাদা উপলব্ধির ইঙ্গিত দিয়েছেন। উদ্দীপকে ধূপ নিজেকে পুড়িয়ে সুগন্ধ দেয়। রজনীগন্ধাও একইরূপে সুবাস দেয়। কিন্তু উভয়েই পরার্থে নিজেদের নিঃশেষ করলেও বিনিময়ে পায় না কিছুই। 'নিমগাছ' গল্পের লক্ষ্মীবউটি পরিবারের জন্য দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে। কিন্তু বিনিময়ে সে পায় শুধু অনাদর আর অবহেলা। সংসার নারীদের অবদানেই প্রাণ চঞ্চল হয়। অথচ পরিবারে তারাই থাকে মূল্যহীন। নারীর মানবিক মর্যাদার পাশাপাশি পারিবারিক ও সামাজিক গুরুত্বও অবহেলিত। 'নিমগাছ' গল্পে নিমগাছ বিভিন্ন ভাবে মানুষের উপকার সাধন করলেও কেউ তার যত্ন করে না। একদিন একজন কবি নিম গাছের প্রশংসা করলে গাছটির ইচ্ছে হয় তার সঙ্গে চলে যাওয়ার। কিন্তু মাটির গভীরে তার শিকড় বিস্তৃত হওয়ায় আর যেতে পারে না। মূলত লক্ষ্মীবধূর আকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন ঘটেছে নিমগাছের ইচ্ছার মধ্য দিয়ে। অন্যদিকে উদ্দীপকে ধূপ ও রজনীগন্ধার আত্মত্যাগ আর বিনিময়ে কোনোকিছু না পাওয়ার বিষয়টিই শুধু এসেছে, লক্ষ্মী বউটির মতো কোনো আকাঙ্ক্ষার প্রকাশ ঘটেনি। তাই 'নিমগাছ' গল্পের লক্ষ্মীবধূর আকাঙ্ক্ষা উদ্দীপকে ধ্বনিত হয়নি।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

আমি কখনও ধূপ কখনও রজনীগন্ধা তোমরা যখন সুগন্ধ নাও- তখন আমি পুড়ি নিভে গেলে শুধু পাই এক রাশ ছাই। প্রয়োজনে দামি ফুলদানিতে সাজিয়ে রাখো রজনী বলে। রূপ দিয়ে, যৌবন দিয়ে- সুবাস দিয়ে তখনও মলিন রূপে ঝরে যাই।

Barisal · 2026

হঠাৎ কোন প্রকৃতির লোক এলো?

উত্তর

হঠাৎ নতুন ধরনের লোক এলো।
'নিমগাছ' গল্পে কারা প্রশংসায় পঞ্চমুখ? বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর

ঔষধি গুণের কারণে কবিরাজরা নিমগাছের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। 'নিমগাছ' গল্পে নিমগাছ ঔষধি গুণসম্পন্ন গাছ। নিমপাতা চর্মরোগের অব্যর্থ মহৌষধ। খোস-পাঁচড়া, দাদ, হাজা, চুলকানিতে নিমপাতা ও নিমগাছের ছাল অত্যন্ত উপকারী। নিমের কচিপাতা যকৃতের জন্য অত্যন্ত উপকারী। নিমের কচি ডাল চিবালে দাঁত ভালো থাকে। আর এসব ঔষধি গুণের কারণে কবিরাজরা নিমগাছের প্রশংসায় পঞ্চমুখ।
উদ্দীপকের ভাববস্তুর সাথে 'নিমগাছ' গল্পের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের ভাববস্তুর সাথে 'নিমগাছ' গল্পের নিমগাছ প্রতীকে গৃহকর্ম-নিপুণা লক্ষ্মীবউটির নিজেকে নিঃশেষ করে অন্যের প্রয়োজনে বিলিয়ে দেওয়ার বিষয়টি সাদৃশ্যপূর্ণ। 'নিমগাছ' গল্পে নিমগাছ প্রতীকের আড়ালে লেখক গৃহকর্ম-নিপুণা এক লক্ষ্মী বউয়ের জীবনযন্ত্রণাকে তুলে ধরেছেন। শ্বশুর বাড়ির সবার জন্য নিরলস পরিশ্রম করে সে। তবু কেউ তাকে একটু যত্ন করে না। শত অবহেলা-অনাদর সত্ত্বেও সেই বউটি সংসারের মায়াজাল ছিন্ন করে বেরিয়ে আসতে পারে না। উদ্দীপকে ধূপ ও রজনীগন্ধার করুণ পরিণতির দিকটি ফুটে উঠেছে। ধূপ নিজেকে পুড়িয়ে অপরকে সুগন্ধ বিলায়। অন্যদিকে রজনীগন্ধাও সুবাস ছড়িয়ে যায়। উভয়েই পরার্থে নিজেদের বিলিয়ে নিঃশেষ হয়, কিন্তু প্রতিদানে কিছুই পায় না। 'নিমগাছ' গল্পের বউটিও পরিবারের মঙ্গলার্থে আত্মনিবেদন করে। উদ্দীপকের সাথে গল্পের গৃহকর্ম-নিপুণা লক্ষ্মী বউটির পরার্থে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার দিকটির মিল রয়েছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের ভাববস্তুর সাথে 'নিমগাছ' গল্পটি সাদৃশ্যপূর্ণ।
উদ্দীপকে 'নিমগাছ' গল্পের লক্ষ্মীবধূর আকাঙ্ক্ষা কতটুকু ধ্বনিত - হয়েছে বলে তুমি মনে করো? যৌক্তিক মতামত দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে কেবল পরার্থে আত্মত্যাগ এবং বিনিময়ে কিছুই না পাওয়ার বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ায় তাতে 'নিমগাছ' গল্পের লক্ষ্মীবধূর আকাঙ্ক্ষা ধ্বনিত হয়নি। 'নিমগাছ' গল্পে নিমগাছ প্রতীকের আড়ালে গৃহকর্ম-নিপুণা এক লক্ষ্মীবউয়ের জীবনবাস্তবতা উঠে এসেছে। লেখক নিমগাছের মাধ্যমে মানুষের নানাভাবে উপকৃত হওয়ার দিকটি তুলে ধরেছেন। নিমগাছের প্রতি মানুষের অযত্ন ও অবহেলার কথাও বলেছেন। মূলত এর মাধ্যমে লেখক নারীর আত্মত্যাগ ও মানবিক মর্যাদা উপলব্ধির ইঙ্গিত দিয়েছেন। উদ্দীপকে ধূপ নিজেকে পুড়িয়ে সুগন্ধ দেয়। রজনীগন্ধাও একইরূপে সুবাস দেয়। কিন্তু উভয়েই পরার্থে নিজেদের নিঃশেষ করলেও বিনিময়ে পায় না কিছুই। 'নিমগাছ' গল্পের লক্ষ্মীবউটি পরিবারের জন্য দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে। কিন্তু বিনিময়ে সে পায় শুধু অনাদর আর অবহেলা। সংসার নারীদের অবদানেই প্রাণ চঞ্চল হয়। অথচ পরিবারে তারাই থাকে মূল্যহীন। নারীর মানবিক মর্যাদার পাশাপাশি পারিবারিক ও সামাজিক গুরুত্বও অবহেলিত। 'নিমগাছ' গল্পে নিমগাছ বিভিন্ন ভাবে মানুষের উপকার সাধন করলেও কেউ তার যত্ন করে না। একদিন একজন কবি নিম গাছের প্রশংসা করলে গাছটির ইচ্ছে হয় তার সঙ্গে চলে যাওয়ার। কিন্তু মাটির গভীরে তার শিকড় বিস্তৃত হওয়ায় আর যেতে পারে না। মূলত লক্ষ্মীবধূর আকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন ঘটেছে নিমগাছের ইচ্ছার মধ্য দিয়ে। অন্যদিকে উদ্দীপকে ধূপ ও রজনীগন্ধার আত্মত্যাগ আর বিনিময়ে কোনোকিছু না পাওয়ার বিষয়টিই শুধু এসেছে, লক্ষ্মী বউটির মতো কোনো আকাঙ্ক্ষার প্রকাশ ঘটেনি। তাই 'নিমগাছ' গল্পের লক্ষ্মীবধূর আকাঙ্ক্ষা উদ্দীপকে ধ্বনিত হয়নি।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো