বই পড়া বাংলা ১ম পত্র

SSC বাংলা ১ম পত্র এর বই পড়া অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

১৬

প্রশ্ন

বাংলা ১ম পত্র

বিষয়

SSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

অংশ-১ : দেহের খাদ্য ভাত ও রুটি মনের খাদ্য কই? খুঁজতে গিয়ে পাই যে আমি নানান রকম বই। অংশ-২ : যে কবিতা শুনতে জানে না সে ঝড়ের আর্তনাদ শুনবে। যে কবিতা শুনতে জানে না সে দিগন্তের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে। যে কবিতা শুনতে জানে না সে আজন্ম ক্রীতদাস থেকে যাবে।

Dinajpur · 2026

'বই পড়া' প্রবন্ধ অনুসারে কাকে আমরা নিষ্কর্মার দলে ফেলে দেই?

উত্তর

'বই পড়া' প্রবন্ধ অনুসারে কেউ স্বেচ্ছায় বই পড়লে তাকে আমরা নিষ্কর্মার দলে ফেলে দেই।
সাহিত্যচর্চাকে শিক্ষার প্রধান অঙ্গ বলা হয়েছে কেন?

উত্তর

সাহিত্যচর্চাকে শিক্ষার প্রধান অঙ্গ বলা হয়েছে কারণ কেবল সাহিত্যের মধ্যেই পুরো মনের সাক্ষাৎ পাওয়া যায়। বিদ্যার অন্যান্য যে শাখা আছে সেখানে কেবল সেই শাখা সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা যায়। কিন্তু সাহিত্য হলো বিদ্যার এমন একটি শাখা যেখানে সব শাস্ত্রের বিষয়েই জানা যায়। সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে মানুষ স্বশিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারে। তাই সাহিত্যচর্চাকে শিক্ষার প্রধান অঙ্গ বলা হয়েছে।
উদ্দীপকের অংশ-১-এ 'বই পড়া' প্রবন্ধের কোন বিশেষ দিক প্রতিফলিত হয়েছে? বর্ণনা দাও।

উত্তর

উদ্দীপকের অংশ-১-এ 'বই পড়া' প্রবন্ধের বই পড়ার গুরুত্ব তথা বই যে মনের খোরাক এই দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। 'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক বই পড়ার গুরুত্বের দিকটি তুলে ধরেছেন। লেখক বইকে বলেছেন মনের খোরাক। বই আমাদের মনকে সজীব, সতেজ ও প্রফুল্ল রাখে। উদ্দীপকের অংশ-১-এর কবিতাংশে কবি মনের খোরাক হিসেবে বইয়ের কথা বলেছেন। দেহের খাদ্য যেমন ভাত ও রুটি তেমনই মনের খাদ্য হলো বই। উদ্দীপকের কবির বইকে মনের খোরাক বলার বিষয়টি 'বই পড়া' প্রবন্ধে বর্ণিত বই পড়ার গুরুত্বের দিকটি নির্দেশ করে। লেখক আলোচ্য প্রবন্ধে লাইব্রেরিকে বলেছেন মনের হাসপাতাল। সেখানে সবাই নিজের পছন্দের বই পড়ে মনকে প্রফুল্ল রাখে। এটি মূলত বই পড়ার গুরুত্বের দিকটিই নির্দেশ করে। এ বিষয়টির ইঙ্গিত উদ্দীপকেও রয়েছে। এভাবেই উদ্দীপকের অংশ-১-এ 'বই পড়া' প্রবন্ধের বই পড়ার গুরুত্ব তথা বই যে মনের খোরাক এ দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।
সাহিত্যবিমুখদের প্রতি লেখকের বক্তব্য কি অংশ-২-এ প্রতিফলিত হয়েছে? তোমার মতের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর

হ্যাঁ, সাহিত্যবিমুখদের প্রতি লেখকের বক্তব্য অংশ-২-এ প্রতিফলিত হয়েছে। কেননা এখানে সাহিত্য পাঠ না করার নেতিবাচক দিকের প্রকাশ ঘটেছে। 'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক বই পড়ার গুরুত্ব আলোচনা করেছেন। প্রসঙ্গতই তিনি, সাহিত্য পাঠের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছেন। সাহিত্যের মধ্যেই সব শাস্ত্রের পুরো দর্শন পাওয়া যায়। সাহিত্য পাঠ না করলে মানুষ যথার্থ শিক্ষিত হতে পারে না। উদ্দীপকের অংশ-২-এ সাহিত্যবিমুখতার নেতিবাচক দিকটির ইঙ্গিত রয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে কবিতা শুনতে না জানলে ঝড়ের আর্তনাদ শুনতে হবে। সে দিগন্তের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে। আবার কবিতা না শুনতে জানলে সে ক্রীতদাস থেকে যাবে। উদ্দীপকের এই কবিতা মূলত সাহিত্যের দিকটি ইঙ্গিত করে। 'বই পড়া' প্রবন্ধেও লেখক সাহিত্য পাঠের গুরুত্বের কথা ও সাহিত্যবিমুখতার নেতিবাচকতার কথা তুলে ধরেছেন। 'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক সাহিত্যকে সব শাস্ত্রের আকর বলতে চেয়েছেন। অন্যান্য শাস্ত্রের যে বিষয় সেখানে কেবল সেই শাস্ত্রের কথাই থাকে, যা মনের খোরাকের ভগ্নাংশের শামিল। কেবল সাহিত্যের মধ্যেই মানুষ তার পুরো মনের সাক্ষাৎ পায়। তাই যারা সাহিত্যবিমুখ তাদের প্রতি কবির অশনিসংকেত প্রকাশ পায় বলে ধরে নেওয়া যায়। এ বিষয়টি উদ্দীপকের অংশ-২ ইঙ্গিতবহ করে তুলেছে। তাই বলা যায়, সাহিত্যবিমুখদের প্রতি লেখকের বক্তব্য অংশ-২-এ প্রতিফলিত হয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

অংশ-১ : দেহের খাদ্য ভাত ও রুটি মনের খাদ্য কই? খুঁজতে গিয়ে পাই যে আমি নানান রকম বই। অংশ-২ : যে কবিতা শুনতে জানে না সে ঝড়ের আর্তনাদ শুনবে। যে কবিতা শুনতে জানে না সে দিগন্তের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে। যে কবিতা শুনতে জানে না সে আজন্ম ক্রীতদাস থেকে যাবে।

Dinajpur · 2026

'বই পড়া' প্রবন্ধ অনুসারে কাকে আমরা নিষ্কর্মার দলে ফেলে দেই?

উত্তর

'বই পড়া' প্রবন্ধ অনুসারে কেউ স্বেচ্ছায় বই পড়লে তাকে আমরা নিষ্কর্মার দলে ফেলে দেই।
সাহিত্যচর্চাকে শিক্ষার প্রধান অঙ্গ বলা হয়েছে কেন?

উত্তর

সাহিত্যচর্চাকে শিক্ষার প্রধান অঙ্গ বলা হয়েছে কারণ কেবল সাহিত্যের মধ্যেই পুরো মনের সাক্ষাৎ পাওয়া যায়। বিদ্যার অন্যান্য যে শাখা আছে সেখানে কেবল সেই শাখা সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা যায়। কিন্তু সাহিত্য হলো বিদ্যার এমন একটি শাখা যেখানে সব শাস্ত্রের বিষয়েই জানা যায়। সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে মানুষ স্বশিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারে। তাই সাহিত্যচর্চাকে শিক্ষার প্রধান অঙ্গ বলা হয়েছে।
উদ্দীপকের অংশ-১-এ 'বই পড়া' প্রবন্ধের কোন বিশেষ দিক প্রতিফলিত হয়েছে? বর্ণনা দাও।

উত্তর

উদ্দীপকের অংশ-১-এ 'বই পড়া' প্রবন্ধের বই পড়ার গুরুত্ব তথা বই যে মনের খোরাক এই দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। 'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক বই পড়ার গুরুত্বের দিকটি তুলে ধরেছেন। লেখক বইকে বলেছেন মনের খোরাক। বই আমাদের মনকে সজীব, সতেজ ও প্রফুল্ল রাখে। উদ্দীপকের অংশ-১-এর কবিতাংশে কবি মনের খোরাক হিসেবে বইয়ের কথা বলেছেন। দেহের খাদ্য যেমন ভাত ও রুটি তেমনই মনের খাদ্য হলো বই। উদ্দীপকের কবির বইকে মনের খোরাক বলার বিষয়টি 'বই পড়া' প্রবন্ধে বর্ণিত বই পড়ার গুরুত্বের দিকটি নির্দেশ করে। লেখক আলোচ্য প্রবন্ধে লাইব্রেরিকে বলেছেন মনের হাসপাতাল। সেখানে সবাই নিজের পছন্দের বই পড়ে মনকে প্রফুল্ল রাখে। এটি মূলত বই পড়ার গুরুত্বের দিকটিই নির্দেশ করে। এ বিষয়টির ইঙ্গিত উদ্দীপকেও রয়েছে। এভাবেই উদ্দীপকের অংশ-১-এ 'বই পড়া' প্রবন্ধের বই পড়ার গুরুত্ব তথা বই যে মনের খোরাক এ দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।
সাহিত্যবিমুখদের প্রতি লেখকের বক্তব্য কি অংশ-২-এ প্রতিফলিত হয়েছে? তোমার মতের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর

হ্যাঁ, সাহিত্যবিমুখদের প্রতি লেখকের বক্তব্য অংশ-২-এ প্রতিফলিত হয়েছে। কেননা এখানে সাহিত্য পাঠ না করার নেতিবাচক দিকের প্রকাশ ঘটেছে। 'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক বই পড়ার গুরুত্ব আলোচনা করেছেন। প্রসঙ্গতই তিনি, সাহিত্য পাঠের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছেন। সাহিত্যের মধ্যেই সব শাস্ত্রের পুরো দর্শন পাওয়া যায়। সাহিত্য পাঠ না করলে মানুষ যথার্থ শিক্ষিত হতে পারে না। উদ্দীপকের অংশ-২-এ সাহিত্যবিমুখতার নেতিবাচক দিকটির ইঙ্গিত রয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে কবিতা শুনতে না জানলে ঝড়ের আর্তনাদ শুনতে হবে। সে দিগন্তের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে। আবার কবিতা না শুনতে জানলে সে ক্রীতদাস থেকে যাবে। উদ্দীপকের এই কবিতা মূলত সাহিত্যের দিকটি ইঙ্গিত করে। 'বই পড়া' প্রবন্ধেও লেখক সাহিত্য পাঠের গুরুত্বের কথা ও সাহিত্যবিমুখতার নেতিবাচকতার কথা তুলে ধরেছেন। 'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক সাহিত্যকে সব শাস্ত্রের আকর বলতে চেয়েছেন। অন্যান্য শাস্ত্রের যে বিষয় সেখানে কেবল সেই শাস্ত্রের কথাই থাকে, যা মনের খোরাকের ভগ্নাংশের শামিল। কেবল সাহিত্যের মধ্যেই মানুষ তার পুরো মনের সাক্ষাৎ পায়। তাই যারা সাহিত্যবিমুখ তাদের প্রতি কবির অশনিসংকেত প্রকাশ পায় বলে ধরে নেওয়া যায়। এ বিষয়টি উদ্দীপকের অংশ-২ ইঙ্গিতবহ করে তুলেছে। তাই বলা যায়, সাহিত্যবিমুখদের প্রতি লেখকের বক্তব্য অংশ-২-এ প্রতিফলিত হয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

ফুয়াদ ছোটোবেলা থেকেই মুখস্থ পড়া বলতে পারত না। লিখতে গেলেই বইয়ের হুবহু তথ্য-উপাত্ত লিখতে পারত না। তবে কোনো বিষয়বস্তু পেলেই দীর্ঘক্ষণ, দীর্ঘ পরিসরে লিখতে পারত। কিন্তু সম্প্রতি সে শিক্ষক ও তার মায়ের চাপে মুখস্থ করার অভ্যাস গড়ে তুলেছে। এতে সে শারীরিক-মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত। তবে এখন সে মুখস্থের বাইরে সাধারণ কোনো বিষয়ে কোনো আলোচনা করতে পারে না। নিজের চিন্তা-চেতনা প্রয়োগ করতে ব্যর্থ হচ্ছে বলে সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লিখতে ব্যাপক সমস্যার সম্মুখীন হয়।

Barisal · 2026

মনের আক্ষেপ মিটাতে মাঝে মাঝে কী করতে হয়?

উত্তর

মনের আক্ষেপ মিটাতে মাঝে মাঝে কড়ি লাগাতে হয়।
আমাদের শখ করার সময় নেই কেন? বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর

শিক্ষার বৈষয়িক লাভের দিকে বেশি মনোযোগী হওয়ায় আমাদের শখ করার সময় নেই। 'বই পড়া' প্রবন্ধে দুঃখ-দারিদ্র্যের দেশের সুন্দর জীবনধারণ করাই যেখানে সমস্যা, তখন সেই জীবনকে সুন্দর ও মহৎ করার প্রস্তাব অনেকে অর্থহীন মনে করবেন বলে লেখকের ধারণা। আমরা প্রাতিষ্ঠানিক সীমিত শিক্ষার ফল লাভের জন্য উদ্দ্বাহু। এই শিক্ষা আমাদের গায়ের জ্বালা ও চোখের জল উভয়ই দূর করবে। তাই শিক্ষার বৈষয়িক লাভের দিকে বেশি দৃষ্টি থাকায় আমাদের শখ করার সময় নেই।
উদ্দীপকে বর্ণিত ফুয়াদের মাঝে 'বই পড়া' প্রবন্ধের প্রতিফলিত দিক ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত ফুয়াদের মাঝে 'বই পড়া' প্রবন্ধের জোর করে বিদ্যা গেলানোর দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। 'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক আমাদের দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে দোষারোপ করেছেন। বিদ্যালয়ে মাস্টার মহাশয়ের দেওয়া নোট মুখস্থ করে ছেলেরা পাশ করে। এতে তাদের স্বশিক্ষিত হওয়ার শক্তি নষ্ট হয়ে যায়। লেখকের মতে, যে শিক্ষা শিক্ষার্থীর মানসিক বিকাশ না ঘটিয়ে আত্মিকভাবে নির্জীব করে ফেলে সেই শিক্ষা প্রকৃত শিক্ষা নয়। উদ্দীপকের ফুয়াদ শিক্ষক ও মায়ের চাপে, মুখস্থ করার অভ্যাস গড়ে তোলে। এতে সে শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। এমনকি তার সৃজনশীল প্রতিভা নষ্ট হয়ে যায়। 'বই পড়া' প্রবন্ধের জবরদস্তি মূলক শিক্ষাব্যবস্থার সাথে উদ্দীপকের মিল আছে। এদেশের স্কুল-কলেজে জোর করে বিদ্যা গেলানো হয়, শিক্ষার্থী সেটা জীর্ণ করতে পারুক বা না পারুক। এতে শিক্ষার্থী দুর্বল চিত্তের অধিকারী হয়ে শিক্ষা জীবন শেষ করে। এছাড়া তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশও বাধাগ্রস্ত হয়। উদ্দীপকের ফুয়াদ যেমন চাপের কারণে মুখস্থ শিক্ষায় অভ্যন্ত হয়ে শারীরিক ও মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে, তেমনই স্কুল-কলেজে জোর করে চাপিয়ে দেওয়া শিক্ষা ব্যবস্থায়ও শিক্ষার্থীরা নিষ্পেষিত হয়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে ফুয়াদের মাঝে 'বই পড়া' প্রবন্ধের জোর করে বিদ্যা গেলানোর দিকটিই প্রতিফলিত হয়েছে।
"উদ্দীপকে বর্ণিত ফুয়াদের পরিণতি থেকে মুক্তির পথ 'বই পড়া' প্রবন্ধে প্রকাশ পেয়েছে।"- মন্তব্যটির মূল্যায়ন করো।

উত্তর

'বই পড়া' প্রবন্ধে পাঠ্যপুস্তক বহির্ভূত বই পড়ে জ্ঞান অর্জন এবং সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে লেখক মুক্তির পথের সন্ধান দেওয়ায় "উদ্দীপকের বর্ণিত ফুয়াদের পরিণতি থেকে মুক্তির পথ 'বই পড়া' প্রবন্ধে প্রকাশ পেয়েছে।"- মন্তব্যটি যথার্থ। 'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক আমাদের দেশে প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার ত্রুটির দিকটি তুলে ধরেছেন। প্রচলিত জবরদস্তিমূলক শিক্ষাব্যবস্থা আমাদের মনোবৃত্তির বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করে। এটি থেকে পরিত্রাণের উপায় হলো পছন্দমতো বই পড়ে নিজেকে বিকশিত করা। উদ্দীপকে ফুয়াদ তার শিক্ষক ও মায়ের চাপে পড়ে মুখস্থবিদ্যার অভ্যাস গড়ে তুলেছে। এতে তার সৃজনশীল প্রতিভা বাধাগ্রস্ত হয়েছে। 'বই পড়া' প্রবন্ধেও স্কুল-কলেজে জোর করে বিদ্যা গেলানো এবং শিক্ষার্থীদের মুখস্থবিদ্যায় অভ্যস্ত করার মাধ্যমে তাদের সৃজনশীল প্রতিভা নষ্ট করার দিকটি লক্ষণীয়। 'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক মনের বিকাশ সাধনের জন্য লাইব্রেরিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেছেন। কেননা মানুষ লাইব্রেরিতে গিয়ে পছন্দসই বই পড়ে যথার্থ জ্ঞান লাভ করতে পারে। এতে মনোবৃত্তিক বিকাশের পথ সুগম হয়। শিক্ষাক্ষেত্রের দুরবস্থা থেকে মুক্তির উপায়স্বরূপ বেশি বেশি বই পড়ে জ্ঞান অর্জন ও সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে মানসিক বিকাশ ঘটাতে উৎসাহিত করেছেন লেখক। তাই বলা যায়, "উদ্দীপকে বর্ণিত ফুয়াদের পরিণতি থেকে মুক্তির পথ 'বই পড়া' প্রবন্ধে প্রকাশ পেয়েছে।”- মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

ফুয়াদ ছোটোবেলা থেকেই মুখস্থ পড়া বলতে পারত না। লিখতে গেলেই বইয়ের হুবহু তথ্য-উপাত্ত লিখতে পারত না। তবে কোনো বিষয়বস্তু পেলেই দীর্ঘক্ষণ, দীর্ঘ পরিসরে লিখতে পারত। কিন্তু সম্প্রতি সে শিক্ষক ও তার মায়ের চাপে মুখস্থ করার অভ্যাস গড়ে তুলেছে। এতে সে শারীরিক-মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত। তবে এখন সে মুখস্থের বাইরে সাধারণ কোনো বিষয়ে কোনো আলোচনা করতে পারে না। নিজের চিন্তা-চেতনা প্রয়োগ করতে ব্যর্থ হচ্ছে বলে সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লিখতে ব্যাপক সমস্যার সম্মুখীন হয়।

Barisal · 2026

মনের আক্ষেপ মিটাতে মাঝে মাঝে কী করতে হয়?

উত্তর

মনের আক্ষেপ মিটাতে মাঝে মাঝে কড়ি লাগাতে হয়।
আমাদের শখ করার সময় নেই কেন? বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর

শিক্ষার বৈষয়িক লাভের দিকে বেশি মনোযোগী হওয়ায় আমাদের শখ করার সময় নেই। 'বই পড়া' প্রবন্ধে দুঃখ-দারিদ্র্যের দেশের সুন্দর জীবনধারণ করাই যেখানে সমস্যা, তখন সেই জীবনকে সুন্দর ও মহৎ করার প্রস্তাব অনেকে অর্থহীন মনে করবেন বলে লেখকের ধারণা। আমরা প্রাতিষ্ঠানিক সীমিত শিক্ষার ফল লাভের জন্য উদ্দ্বাহু। এই শিক্ষা আমাদের গায়ের জ্বালা ও চোখের জল উভয়ই দূর করবে। তাই শিক্ষার বৈষয়িক লাভের দিকে বেশি দৃষ্টি থাকায় আমাদের শখ করার সময় নেই।
উদ্দীপকে বর্ণিত ফুয়াদের মাঝে 'বই পড়া' প্রবন্ধের প্রতিফলিত দিক ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত ফুয়াদের মাঝে 'বই পড়া' প্রবন্ধের জোর করে বিদ্যা গেলানোর দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। 'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক আমাদের দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে দোষারোপ করেছেন। বিদ্যালয়ে মাস্টার মহাশয়ের দেওয়া নোট মুখস্থ করে ছেলেরা পাশ করে। এতে তাদের স্বশিক্ষিত হওয়ার শক্তি নষ্ট হয়ে যায়। লেখকের মতে, যে শিক্ষা শিক্ষার্থীর মানসিক বিকাশ না ঘটিয়ে আত্মিকভাবে নির্জীব করে ফেলে সেই শিক্ষা প্রকৃত শিক্ষা নয়। উদ্দীপকের ফুয়াদ শিক্ষক ও মায়ের চাপে, মুখস্থ করার অভ্যাস গড়ে তোলে। এতে সে শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। এমনকি তার সৃজনশীল প্রতিভা নষ্ট হয়ে যায়। 'বই পড়া' প্রবন্ধের জবরদস্তি মূলক শিক্ষাব্যবস্থার সাথে উদ্দীপকের মিল আছে। এদেশের স্কুল-কলেজে জোর করে বিদ্যা গেলানো হয়, শিক্ষার্থী সেটা জীর্ণ করতে পারুক বা না পারুক। এতে শিক্ষার্থী দুর্বল চিত্তের অধিকারী হয়ে শিক্ষা জীবন শেষ করে। এছাড়া তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশও বাধাগ্রস্ত হয়। উদ্দীপকের ফুয়াদ যেমন চাপের কারণে মুখস্থ শিক্ষায় অভ্যন্ত হয়ে শারীরিক ও মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে, তেমনই স্কুল-কলেজে জোর করে চাপিয়ে দেওয়া শিক্ষা ব্যবস্থায়ও শিক্ষার্থীরা নিষ্পেষিত হয়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে ফুয়াদের মাঝে 'বই পড়া' প্রবন্ধের জোর করে বিদ্যা গেলানোর দিকটিই প্রতিফলিত হয়েছে।
"উদ্দীপকে বর্ণিত ফুয়াদের পরিণতি থেকে মুক্তির পথ 'বই পড়া' প্রবন্ধে প্রকাশ পেয়েছে।"- মন্তব্যটির মূল্যায়ন করো।

উত্তর

'বই পড়া' প্রবন্ধে পাঠ্যপুস্তক বহির্ভূত বই পড়ে জ্ঞান অর্জন এবং সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে লেখক মুক্তির পথের সন্ধান দেওয়ায় "উদ্দীপকের বর্ণিত ফুয়াদের পরিণতি থেকে মুক্তির পথ 'বই পড়া' প্রবন্ধে প্রকাশ পেয়েছে।"- মন্তব্যটি যথার্থ। 'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক আমাদের দেশে প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার ত্রুটির দিকটি তুলে ধরেছেন। প্রচলিত জবরদস্তিমূলক শিক্ষাব্যবস্থা আমাদের মনোবৃত্তির বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করে। এটি থেকে পরিত্রাণের উপায় হলো পছন্দমতো বই পড়ে নিজেকে বিকশিত করা। উদ্দীপকে ফুয়াদ তার শিক্ষক ও মায়ের চাপে পড়ে মুখস্থবিদ্যার অভ্যাস গড়ে তুলেছে। এতে তার সৃজনশীল প্রতিভা বাধাগ্রস্ত হয়েছে। 'বই পড়া' প্রবন্ধেও স্কুল-কলেজে জোর করে বিদ্যা গেলানো এবং শিক্ষার্থীদের মুখস্থবিদ্যায় অভ্যস্ত করার মাধ্যমে তাদের সৃজনশীল প্রতিভা নষ্ট করার দিকটি লক্ষণীয়। 'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক মনের বিকাশ সাধনের জন্য লাইব্রেরিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেছেন। কেননা মানুষ লাইব্রেরিতে গিয়ে পছন্দসই বই পড়ে যথার্থ জ্ঞান লাভ করতে পারে। এতে মনোবৃত্তিক বিকাশের পথ সুগম হয়। শিক্ষাক্ষেত্রের দুরবস্থা থেকে মুক্তির উপায়স্বরূপ বেশি বেশি বই পড়ে জ্ঞান অর্জন ও সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে মানসিক বিকাশ ঘটাতে উৎসাহিত করেছেন লেখক। তাই বলা যায়, "উদ্দীপকে বর্ণিত ফুয়াদের পরিণতি থেকে মুক্তির পথ 'বই পড়া' প্রবন্ধে প্রকাশ পেয়েছে।”- মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

সুজন ইংরেজি বিষয় নিয়ে এম.এ. পাশ করে। ছাত্রজীবনে সে পাঠ্যপুস্তক মুখস্থ করে জিপিএ-৫ পেয়েছে। একদিন তার বন্ধু কাওসার তাকে নিয়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে যায়। সেখানে বিভিন্ন লেখকের বই দেখে পড়তে আগ্রহী হয়। সে প্রতি সপ্তাহে এক, দুইখানা বই এনে পড়তে শুরু করে। কিছুদিনের মধ্যে সে অনুধাবন করে- শুধু মুখস্থ করে সু-শিক্ষিত হওয়া যায় না। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বই তার মনের জানালা 'খুলে দিয়েছে। এখন সে অনুভব করে- দেশের প্রতিটি এলাকায় লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন।

Rajshahi · 2026

ডেমোক্রেসি কীসের সার্থকতা বোঝে?

উত্তর

ডেমোক্রেসি অর্থের সার্থকতা বোঝে।
"পাশ করা ও শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয়”- কেন?

উত্তর

পাশ করা ও শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয়, কারণ শিক্ষিত হওয়ার অর্থ আত্মশক্তি অর্জন করা। শিক্ষা মানুষের প্রকৃত দৃষ্টি খুলে দেয়। যার ফলে আমরা বুঝতে পারি ঠিক ও ভুলের পার্থক্য। অপরদিকে শুধু পাশ করার জন্য মুখস্থবিদ্যা লাভ করলে আমাদের চোখ বন্ধই থেকে যায়। ফলে ভেতরটা হয় অন্তঃসারশূন্য। তাই বলা হয়েছে, পাশ করা ও শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয়।
উদ্দীপকে সুজনের মত 'বই পড়া' প্রবন্ধের কোন দিকটি ইঙ্গিত করেছে- বুঝিয়ে দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে সুজনের মত 'বই পড়া' প্রবন্ধের সুশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার জন্য লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার গুরুত্বের দিকটি ইঙ্গিত করেছে। 'বই পড়া' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক বই পড়ার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। বই না পড়লে আসলে জ্ঞানের দ্বার উন্মোচন হয় না। আর শুধু লাইব্রেরিতেই মানুষ নিজের পছন্দ অনুযায়ী বই পড়তে পারে। উদ্দীপকের সুজন ইংরেজি বিষয় নিয়ে এমএ পাশ করে। ছাত্রজীবনে সে পাঠ্যপুস্তক মুখস্থ করে জিপিএ-৫ পায়। পরে বন্ধুর সঙ্গে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে যাওয়ার পর তার উপলব্ধি হয় সে যথার্থ জ্ঞান লাভ করেনি। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বই তার মনের দরজা খুলে দেয়। সে অনুভব করে- দেশের প্রতিটি এলাকায় লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। উদ্দীপকের সুজনের এই ৰোধ 'বই পড়া' প্রবন্ধে বর্ণিত লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার গুরুত্বের দিকটিই ইঙ্গিত করে। আলোচ্য প্রবন্ধে লেখক মানুষের যথার্থ শিক্ষিত হওয়ার জন্য লাইব্রেরির গুরুত্বের কথা বলেছেন। এভাবেই উদ্দীপকে সুজনের মত' 'বই পড়া' প্রবন্ধের স্বশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার জন্য লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার গুরুত্বের দিকটি ইঙ্গিত করেছে।
উদ্দীপকটিতে 'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখকের আকাঙ্ক্ষার পরিপূর্ণ - প্রকাশ ঘটেছে।- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকের সুজন লাইব্রেরির গুরুত্ব উপলব্ধি করতে পারায় উদ্দীপকটিতে 'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখকের আকাঙ্ক্ষার পরিপূর্ণ প্রকাশ ঘটেছে মন্তব্যটি যথার্থ। 'বই পড়া' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক বই পড়ার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। যথার্থ শিক্ষিত হতে হলে বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। আর মানুষ শুধু লাইব্রেরিতে নিজের ইচ্ছায় পছন্দমতো বই পড়ে জ্ঞানার্জন করতে পারে। তাই জ্ঞানার্জনের জন্য লাইব্রেরির গুরুত্ব অপরিসীম। উদ্দীপকের সুজন ইংরেজি বিষয় নিয়ে এমএ পাশ করে। ছাত্রজীবনে সে পাঠ্যবই মুখস্থ করেই ভালো ফল অর্জন করে। একদিন সে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে যায়। কিছুদিনের মধ্যে সে অনুধাবন করে, শুধু মুখস্থ করে সুশিক্ষিত হওয়া যায় না। তখন সে লাইব্রেরির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। উদ্দীপকের সুজনের মধ্যে লাইব্রেরির গুরুত্ব উপলব্ধি হওয়ার এই দিকটি 'বই 'পড়া' প্রবন্ধের লেখকের আকাঙ্ক্ষা। 'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক' এদেশের মুখস্থনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার সমালোচনা করেছেন। মানুষের যথার্থ শিক্ষিত হওয়ার জন্য লাইব্রেরির গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি লাইব্রেরিকে মনের হাসপাতাল বলেছেন। লেখক লাইব্রেরি সম্পর্কে এত বাক্য ব্যয় করেছেন মূলত লাইব্রেরির গুরুত্ব অনুধাবন করানোর জন্য। আর উদ্দীপকের সুজনের মধ্যে লাইব্রেরির গুরুত্ব অনুধাবনের প্রতিফলন দেখা যায়। দুজনেরই অনুধাবনের মূল হলো লাইব্রেরিতে মানুষ নিজের পছন্দ অনুযায়ী বই | পড়ে যথার্থ শিক্ষিত হয়ে উঠতে পারে। তাই বলা যায় উদ্দীপকটিতে 'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখকের আকাঙ্ক্ষার পরিপূর্ণ প্রকাশ ঘটেছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

সুজন ইংরেজি বিষয় নিয়ে এম.এ. পাশ করে। ছাত্রজীবনে সে পাঠ্যপুস্তক মুখস্থ করে জিপিএ-৫ পেয়েছে। একদিন তার বন্ধু কাওসার তাকে নিয়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে যায়। সেখানে বিভিন্ন লেখকের বই দেখে পড়তে আগ্রহী হয়। সে প্রতি সপ্তাহে এক, দুইখানা বই এনে পড়তে শুরু করে। কিছুদিনের মধ্যে সে অনুধাবন করে- শুধু মুখস্থ করে সু-শিক্ষিত হওয়া যায় না। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বই তার মনের জানালা 'খুলে দিয়েছে। এখন সে অনুভব করে- দেশের প্রতিটি এলাকায় লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন।

Rajshahi · 2026

ডেমোক্রেসি কীসের সার্থকতা বোঝে?

উত্তর

ডেমোক্রেসি অর্থের সার্থকতা বোঝে।
"পাশ করা ও শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয়”- কেন?

উত্তর

পাশ করা ও শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয়, কারণ শিক্ষিত হওয়ার অর্থ আত্মশক্তি অর্জন করা। শিক্ষা মানুষের প্রকৃত দৃষ্টি খুলে দেয়। যার ফলে আমরা বুঝতে পারি ঠিক ও ভুলের পার্থক্য। অপরদিকে শুধু পাশ করার জন্য মুখস্থবিদ্যা লাভ করলে আমাদের চোখ বন্ধই থেকে যায়। ফলে ভেতরটা হয় অন্তঃসারশূন্য। তাই বলা হয়েছে, পাশ করা ও শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয়।
উদ্দীপকে সুজনের মত 'বই পড়া' প্রবন্ধের কোন দিকটি ইঙ্গিত করেছে- বুঝিয়ে দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে সুজনের মত 'বই পড়া' প্রবন্ধের সুশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার জন্য লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার গুরুত্বের দিকটি ইঙ্গিত করেছে। 'বই পড়া' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক বই পড়ার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। বই না পড়লে আসলে জ্ঞানের দ্বার উন্মোচন হয় না। আর শুধু লাইব্রেরিতেই মানুষ নিজের পছন্দ অনুযায়ী বই পড়তে পারে। উদ্দীপকের সুজন ইংরেজি বিষয় নিয়ে এমএ পাশ করে। ছাত্রজীবনে সে পাঠ্যপুস্তক মুখস্থ করে জিপিএ-৫ পায়। পরে বন্ধুর সঙ্গে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে যাওয়ার পর তার উপলব্ধি হয় সে যথার্থ জ্ঞান লাভ করেনি। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বই তার মনের দরজা খুলে দেয়। সে অনুভব করে- দেশের প্রতিটি এলাকায় লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। উদ্দীপকের সুজনের এই ৰোধ 'বই পড়া' প্রবন্ধে বর্ণিত লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার গুরুত্বের দিকটিই ইঙ্গিত করে। আলোচ্য প্রবন্ধে লেখক মানুষের যথার্থ শিক্ষিত হওয়ার জন্য লাইব্রেরির গুরুত্বের কথা বলেছেন। এভাবেই উদ্দীপকে সুজনের মত' 'বই পড়া' প্রবন্ধের স্বশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার জন্য লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার গুরুত্বের দিকটি ইঙ্গিত করেছে।
উদ্দীপকটিতে 'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখকের আকাঙ্ক্ষার পরিপূর্ণ - প্রকাশ ঘটেছে।- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকের সুজন লাইব্রেরির গুরুত্ব উপলব্ধি করতে পারায় উদ্দীপকটিতে 'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখকের আকাঙ্ক্ষার পরিপূর্ণ প্রকাশ ঘটেছে মন্তব্যটি যথার্থ। 'বই পড়া' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক বই পড়ার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। যথার্থ শিক্ষিত হতে হলে বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। আর মানুষ শুধু লাইব্রেরিতে নিজের ইচ্ছায় পছন্দমতো বই পড়ে জ্ঞানার্জন করতে পারে। তাই জ্ঞানার্জনের জন্য লাইব্রেরির গুরুত্ব অপরিসীম। উদ্দীপকের সুজন ইংরেজি বিষয় নিয়ে এমএ পাশ করে। ছাত্রজীবনে সে পাঠ্যবই মুখস্থ করেই ভালো ফল অর্জন করে। একদিন সে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে যায়। কিছুদিনের মধ্যে সে অনুধাবন করে, শুধু মুখস্থ করে সুশিক্ষিত হওয়া যায় না। তখন সে লাইব্রেরির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। উদ্দীপকের সুজনের মধ্যে লাইব্রেরির গুরুত্ব উপলব্ধি হওয়ার এই দিকটি 'বই 'পড়া' প্রবন্ধের লেখকের আকাঙ্ক্ষা। 'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক' এদেশের মুখস্থনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার সমালোচনা করেছেন। মানুষের যথার্থ শিক্ষিত হওয়ার জন্য লাইব্রেরির গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি লাইব্রেরিকে মনের হাসপাতাল বলেছেন। লেখক লাইব্রেরি সম্পর্কে এত বাক্য ব্যয় করেছেন মূলত লাইব্রেরির গুরুত্ব অনুধাবন করানোর জন্য। আর উদ্দীপকের সুজনের মধ্যে লাইব্রেরির গুরুত্ব অনুধাবনের প্রতিফলন দেখা যায়। দুজনেরই অনুধাবনের মূল হলো লাইব্রেরিতে মানুষ নিজের পছন্দ অনুযায়ী বই | পড়ে যথার্থ শিক্ষিত হয়ে উঠতে পারে। তাই বলা যায় উদ্দীপকটিতে 'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখকের আকাঙ্ক্ষার পরিপূর্ণ প্রকাশ ঘটেছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো