Chapter 2 : সমাজবিজ্ঞানের বৈজ্ঞানিক মর্যাদা (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) Sociology 1st Paper

HSC Sociology 1st Paper এর Chapter 2 : সমাজবিজ্ঞানের বৈজ্ঞানিক মর্যাদা (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৩১৯

প্রশ্ন

Sociology 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCSociology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

সেলিনা বেগম একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। প্রতিষ্ঠান তাকে ভান্ডারিয়া গ্রামের মুক্তিযুদ্ধের ওপর একটি গবেষণা করার অনুমতি দেয়। এ গ্রামে পাকিস্তানি বাহিনীর সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের খন্ড খন্ড যুদ্ধ হয়েছিল। গ্রামের সাধারণ মানুষ এ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল। এলাকাটি নদীবেষ্টিত হওয়ার কারণে পাকিস্তানি বাহিনী নানা কৌশলে যুদ্ধ করেছে। গবেষক সেলিনা বেগম এ গবেষণার জন্য একটি সমস্যা নির্বাচন করেন। সমস্যা নির্বাচনের পর তিনি তথ্য সংগ্রহ করেন এবং কতিপয় সিদ্ধান্তে পৌঁছেন। কিন্তু গবেষণাকর্মটি যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়নি বলে তার প্রতিষ্ঠান এটি পুনরায় করার আদেশ দেয়।
ক
গবেষণা সমস্যার তাত্ত্বিক কাঠামো কী?

উত্তর

একজন গবেষক গবেষণার মাধ্যমে যা জানতে চান বা যে সমস্যাটির সমাধান করতে চান, সে বিষয়টিকে যথাযথভাবে সংজ্ঞায়ন করা হলো সমস্যার তাত্ত্বিক কাঠামো স্থির করা।
খ
সমস্যার তাত্ত্বিক কাঠামো গঠন করতে হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

সমস্যার তাত্ত্বিক কাঠামো গঠনের মূল উদ্দেশ্য হলো একজন গবেষক যা জানতে চান বা যে সমস্যা নিয়ে গবেষণা করবেন তার একটি স্পষ্ট ও যুক্তিসংগত ধারণা প্রদান করা। কেননা একটি শব্দের বিভিন্ন অর্থ বা ব্যাখ্যা থাকলেও গবেষক যখন গবেষণা করেন তখন তিনি কেবল সুনির্দিষ্ট একটি অর্থই গ্রহণ করে থাকেন। এটি গ্রহণ না করা হলে গবেষণাকর্মটি ব্যাহত হতে বাধ্য। এজন্য সমস্যার তাত্ত্বিক কাঠামো প্রদানের মাধ্যমে বিষয়টির ভূমিকা, ব্যাখ্যা, সংজ্ঞায়ন ইত্যাদি স্পষ্ট করা হয়।
গ
গবেষক সেলিনা এ বিষয়ের ওপর গবেষণা করার জন্য কোন পদ্ধতিটি বেছে নেবেন এবং কেন?

উত্তর

উদ্দীপকের গবেষক সেলিনা ঐতিহাসিক পদ্ধতি অনুসরণ করবেন। কেননা উক্ত গবেষণাকর্মটি এমন একটি বিষয়ের ওপর, যা সংঘটিত হয়েছিল অনেক আগে এবং বর্তমানে এর বাস্তব কোনো অবশিষ্ট অংশ নেই। গবেষণাটি করতে হবে ঘটনার সাথে সম্পর্কযুক্ত দলিল-দস্তাবেজ, পুস্তক, ডায়েরি, সেই সময়কার ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তির বর্ণনা এবং যুদ্ধের কোনো উপাদান বা প্রামাণ্য বস্তু থাকলে তা বিশ্লেষণ করে। এরূপ গবেষণা করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা আবশ্যক। কেননা কাজটি খুব সহজসাধ্য কোনো বিষয় নয়। সংগৃহীত উপাদানের উপযুক্ততা বিচার করে এবং সংশ্লিষ্ট ঘটনার সাথে তার সম্পৃক্ততা খুব সূক্ষ্মভাবে বিচার-বিশ্লেষণ পূর্বক ঐতিহাসিক গবেষণাকর্মটি সম্পন্ন করা হয়। ইতিহাস যেহেতু পরিস্থিতি ও পরিবেশের ফসল, তাই ঐতিহাসিক তথ্য ও উপাত্তকে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করা হয় তৎকালীন প্রেক্ষাপটের আলোকে। পরিশেষে বলা যায় যে, উদ্দীপকের সেলিনাও তার গবেষণায় ঐতিহাসিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে সফল হবেন।
ঘ
গবেষণাকর্মটি যথাযথভাবে সম্পন্ন না হওয়ার কারণ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

ঐতিহাসিক কোনো ঘটনার ওপর গবেষণা করা একটি জটিল ও সময়সাপেক্ষ কাজ। এরূপ গবেষণা করার ক্ষেত্রে প্রায়ই নির্ভর করতে হয় সেকেন্ডারি তথ্য ও উপাত্তের ওপর। এছাড়াও প্রাথমিক উৎস থেকে কিছু তথ্য পাওয়া যায়। যেমন- ব্যক্তিগত নথি, ডায়েরি, জীবনপুঞ্জি, প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতালব্ধ বর্ণনা ইত্যাদি প্রাথমিক উৎস। কিন্তু এরূপ উৎসকে গ্রহণ করতে চাইলে তার যথার্থতা বিচার করতে হবে। যেমন- কোনো একটি ব্যক্তিগত ডায়েরিতে ১৯৭১ সাল সম্পর্কে লেখা থাকতে পারে। কিন্তু এর পাতা, লেখার কালি, কাগজের মান ইত্যাদি ১৯৭১ সালের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা, তা দেখার বিষয়। কিংবা সেকেন্ডারি তথ্য হলে এর উৎস, লেখকের বিশ্বাসযোগ্যতা, গ্রহণযোগ্যতা, মতাদর্শ ইত্যাদি বিষয়ের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে। উদ্দীপকের গবেষণাকর্মটি একটি ঐতিহাসিক গবেষণা। তাই এর সাথে সম্পর্কযুক্ত বিষয়গুলোকেও সেভাবেই মূল্যায়ন করতে হবে। কিন্তু সেলিনা বেগম তার গবেষণাটি এরূপ মানদন্ড অনুসারে করেছেন কিনা, তা বিবেচ্য বিষয়। এরূপ মানদন্ড অনুসরণ করা হয়নি বলেই উদ্দীপকের গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি এটি গ্রহণ করেনি। উপযুক্ত আলোচনার পরিশেষে বলা যায় যে, ঐতিহাসিক গবেষণা করার ক্ষেত্রে যে পদ্ধতি ও কৌশল অবলম্বন করার কথা, তা যথাযথভাবে অনুসরণ না করায় গবেষণাটি গৃহীত হয়নি।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCSociology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

সেলিনা বেগম একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। প্রতিষ্ঠান তাকে ভান্ডারিয়া গ্রামের মুক্তিযুদ্ধের ওপর একটি গবেষণা করার অনুমতি দেয়। এ গ্রামে পাকিস্তানি বাহিনীর সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের খন্ড খন্ড যুদ্ধ হয়েছিল। গ্রামের সাধারণ মানুষ এ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল। এলাকাটি নদীবেষ্টিত হওয়ার কারণে পাকিস্তানি বাহিনী নানা কৌশলে যুদ্ধ করেছে। গবেষক সেলিনা বেগম এ গবেষণার জন্য একটি সমস্যা নির্বাচন করেন। সমস্যা নির্বাচনের পর তিনি তথ্য সংগ্রহ করেন এবং কতিপয় সিদ্ধান্তে পৌঁছেন। কিন্তু গবেষণাকর্মটি যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়নি বলে তার প্রতিষ্ঠান এটি পুনরায় করার আদেশ দেয়।
ক
গবেষণা সমস্যার তাত্ত্বিক কাঠামো কী?

উত্তর

একজন গবেষক গবেষণার মাধ্যমে যা জানতে চান বা যে সমস্যাটির সমাধান করতে চান, সে বিষয়টিকে যথাযথভাবে সংজ্ঞায়ন করা হলো সমস্যার তাত্ত্বিক কাঠামো স্থির করা।
খ
সমস্যার তাত্ত্বিক কাঠামো গঠন করতে হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

সমস্যার তাত্ত্বিক কাঠামো গঠনের মূল উদ্দেশ্য হলো একজন গবেষক যা জানতে চান বা যে সমস্যা নিয়ে গবেষণা করবেন তার একটি স্পষ্ট ও যুক্তিসংগত ধারণা প্রদান করা। কেননা একটি শব্দের বিভিন্ন অর্থ বা ব্যাখ্যা থাকলেও গবেষক যখন গবেষণা করেন তখন তিনি কেবল সুনির্দিষ্ট একটি অর্থই গ্রহণ করে থাকেন। এটি গ্রহণ না করা হলে গবেষণাকর্মটি ব্যাহত হতে বাধ্য। এজন্য সমস্যার তাত্ত্বিক কাঠামো প্রদানের মাধ্যমে বিষয়টির ভূমিকা, ব্যাখ্যা, সংজ্ঞায়ন ইত্যাদি স্পষ্ট করা হয়।
গ
গবেষক সেলিনা এ বিষয়ের ওপর গবেষণা করার জন্য কোন পদ্ধতিটি বেছে নেবেন এবং কেন?

উত্তর

উদ্দীপকের গবেষক সেলিনা ঐতিহাসিক পদ্ধতি অনুসরণ করবেন। কেননা উক্ত গবেষণাকর্মটি এমন একটি বিষয়ের ওপর, যা সংঘটিত হয়েছিল অনেক আগে এবং বর্তমানে এর বাস্তব কোনো অবশিষ্ট অংশ নেই। গবেষণাটি করতে হবে ঘটনার সাথে সম্পর্কযুক্ত দলিল-দস্তাবেজ, পুস্তক, ডায়েরি, সেই সময়কার ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তির বর্ণনা এবং যুদ্ধের কোনো উপাদান বা প্রামাণ্য বস্তু থাকলে তা বিশ্লেষণ করে। এরূপ গবেষণা করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা আবশ্যক। কেননা কাজটি খুব সহজসাধ্য কোনো বিষয় নয়। সংগৃহীত উপাদানের উপযুক্ততা বিচার করে এবং সংশ্লিষ্ট ঘটনার সাথে তার সম্পৃক্ততা খুব সূক্ষ্মভাবে বিচার-বিশ্লেষণ পূর্বক ঐতিহাসিক গবেষণাকর্মটি সম্পন্ন করা হয়। ইতিহাস যেহেতু পরিস্থিতি ও পরিবেশের ফসল, তাই ঐতিহাসিক তথ্য ও উপাত্তকে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করা হয় তৎকালীন প্রেক্ষাপটের আলোকে। পরিশেষে বলা যায় যে, উদ্দীপকের সেলিনাও তার গবেষণায় ঐতিহাসিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে সফল হবেন।
ঘ
গবেষণাকর্মটি যথাযথভাবে সম্পন্ন না হওয়ার কারণ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

ঐতিহাসিক কোনো ঘটনার ওপর গবেষণা করা একটি জটিল ও সময়সাপেক্ষ কাজ। এরূপ গবেষণা করার ক্ষেত্রে প্রায়ই নির্ভর করতে হয় সেকেন্ডারি তথ্য ও উপাত্তের ওপর। এছাড়াও প্রাথমিক উৎস থেকে কিছু তথ্য পাওয়া যায়। যেমন- ব্যক্তিগত নথি, ডায়েরি, জীবনপুঞ্জি, প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতালব্ধ বর্ণনা ইত্যাদি প্রাথমিক উৎস। কিন্তু এরূপ উৎসকে গ্রহণ করতে চাইলে তার যথার্থতা বিচার করতে হবে। যেমন- কোনো একটি ব্যক্তিগত ডায়েরিতে ১৯৭১ সাল সম্পর্কে লেখা থাকতে পারে। কিন্তু এর পাতা, লেখার কালি, কাগজের মান ইত্যাদি ১৯৭১ সালের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা, তা দেখার বিষয়। কিংবা সেকেন্ডারি তথ্য হলে এর উৎস, লেখকের বিশ্বাসযোগ্যতা, গ্রহণযোগ্যতা, মতাদর্শ ইত্যাদি বিষয়ের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে। উদ্দীপকের গবেষণাকর্মটি একটি ঐতিহাসিক গবেষণা। তাই এর সাথে সম্পর্কযুক্ত বিষয়গুলোকেও সেভাবেই মূল্যায়ন করতে হবে। কিন্তু সেলিনা বেগম তার গবেষণাটি এরূপ মানদন্ড অনুসারে করেছেন কিনা, তা বিবেচ্য বিষয়। এরূপ মানদন্ড অনুসরণ করা হয়নি বলেই উদ্দীপকের গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি এটি গ্রহণ করেনি। উপযুক্ত আলোচনার পরিশেষে বলা যায় যে, ঐতিহাসিক গবেষণা করার ক্ষেত্রে যে পদ্ধতি ও কৌশল অবলম্বন করার কথা, তা যথাযথভাবে অনুসরণ না করায় গবেষণাটি গৃহীত হয়নি।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCSociology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

সেলিনা বেগম একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। প্রতিষ্ঠান তাকে ভান্ডারিয়া গ্রামের মুক্তিযুদ্ধের ওপর একটি গবেষণা করার অনুমতি দেয়। এ গ্রামে পাকিস্তানি বাহিনীর সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের খন্ড খন্ড যুদ্ধ হয়েছিল। গ্রামের সাধারণ মানুষ এ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল। এলাকাটি নদীবেষ্টিত হওয়ার কারণে পাকিস্তানি বাহিনী নানা কৌশলে যুদ্ধ করেছে। গবেষক সেলিনা বেগম এ গবেষণার জন্য একটি সমস্যা নির্বাচন করেন। সমস্যা নির্বাচনের পর তিনি তথ্য সংগ্রহ করেন এবং কতিপয় সিদ্ধান্তে পৌঁছেন। কিন্তু গবেষণাকর্মটি যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়নি বলে তার প্রতিষ্ঠান এটি পুনরায় করার আদেশ দেয়।
ক
গবেষণা সমস্যার তাত্ত্বিক কাঠামো কী?

উত্তর

একজন গবেষক গবেষণার মাধ্যমে যা জানতে চান বা যে সমস্যাটির সমাধান করতে চান, সে বিষয়টিকে যথাযথভাবে সংজ্ঞায়ন করা হলো সমস্যার তাত্ত্বিক কাঠামো স্থির করা।
খ
সমস্যার তাত্ত্বিক কাঠামো গঠন করতে হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

সমস্যার তাত্ত্বিক কাঠামো গঠনের মূল উদ্দেশ্য হলো একজন গবেষক যা জানতে চান বা যে সমস্যা নিয়ে গবেষণা করবেন তার একটি স্পষ্ট ও যুক্তিসংগত ধারণা প্রদান করা। কেননা একটি শব্দের বিভিন্ন অর্থ বা ব্যাখ্যা থাকলেও গবেষক যখন গবেষণা করেন তখন তিনি কেবল সুনির্দিষ্ট একটি অর্থই গ্রহণ করে থাকেন। এটি গ্রহণ না করা হলে গবেষণাকর্মটি ব্যাহত হতে বাধ্য। এজন্য সমস্যার তাত্ত্বিক কাঠামো প্রদানের মাধ্যমে বিষয়টির ভূমিকা, ব্যাখ্যা, সংজ্ঞায়ন ইত্যাদি স্পষ্ট করা হয়।
গ
গবেষক সেলিনা এ বিষয়ের ওপর গবেষণা করার জন্য কোন পদ্ধতিটি বেছে নেবেন এবং কেন?

উত্তর

উদ্দীপকের গবেষক সেলিনা ঐতিহাসিক পদ্ধতি অনুসরণ করবেন। কেননা উক্ত গবেষণাকর্মটি এমন একটি বিষয়ের ওপর, যা সংঘটিত হয়েছিল অনেক আগে এবং বর্তমানে এর বাস্তব কোনো অবশিষ্ট অংশ নেই। গবেষণাটি করতে হবে ঘটনার সাথে সম্পর্কযুক্ত দলিল-দস্তাবেজ, পুস্তক, ডায়েরি, সেই সময়কার ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তির বর্ণনা এবং যুদ্ধের কোনো উপাদান বা প্রামাণ্য বস্তু থাকলে তা বিশ্লেষণ করে। এরূপ গবেষণা করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা আবশ্যক। কেননা কাজটি খুব সহজসাধ্য কোনো বিষয় নয়। সংগৃহীত উপাদানের উপযুক্ততা বিচার করে এবং সংশ্লিষ্ট ঘটনার সাথে তার সম্পৃক্ততা খুব সূক্ষ্মভাবে বিচার-বিশ্লেষণ পূর্বক ঐতিহাসিক গবেষণাকর্মটি সম্পন্ন করা হয়। ইতিহাস যেহেতু পরিস্থিতি ও পরিবেশের ফসল, তাই ঐতিহাসিক তথ্য ও উপাত্তকে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করা হয় তৎকালীন প্রেক্ষাপটের আলোকে। পরিশেষে বলা যায় যে, উদ্দীপকের সেলিনাও তার গবেষণায় ঐতিহাসিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে সফল হবেন।
ঘ
গবেষণাকর্মটি যথাযথভাবে সম্পন্ন না হওয়ার কারণ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

ঐতিহাসিক কোনো ঘটনার ওপর গবেষণা করা একটি জটিল ও সময়সাপেক্ষ কাজ। এরূপ গবেষণা করার ক্ষেত্রে প্রায়ই নির্ভর করতে হয় সেকেন্ডারি তথ্য ও উপাত্তের ওপর। এছাড়াও প্রাথমিক উৎস থেকে কিছু তথ্য পাওয়া যায়। যেমন- ব্যক্তিগত নথি, ডায়েরি, জীবনপুঞ্জি, প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতালব্ধ বর্ণনা ইত্যাদি প্রাথমিক উৎস। কিন্তু এরূপ উৎসকে গ্রহণ করতে চাইলে তার যথার্থতা বিচার করতে হবে। যেমন- কোনো একটি ব্যক্তিগত ডায়েরিতে ১৯৭১ সাল সম্পর্কে লেখা থাকতে পারে। কিন্তু এর পাতা, লেখার কালি, কাগজের মান ইত্যাদি ১৯৭১ সালের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা, তা দেখার বিষয়। কিংবা সেকেন্ডারি তথ্য হলে এর উৎস, লেখকের বিশ্বাসযোগ্যতা, গ্রহণযোগ্যতা, মতাদর্শ ইত্যাদি বিষয়ের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে। উদ্দীপকের গবেষণাকর্মটি একটি ঐতিহাসিক গবেষণা। তাই এর সাথে সম্পর্কযুক্ত বিষয়গুলোকেও সেভাবেই মূল্যায়ন করতে হবে। কিন্তু সেলিনা বেগম তার গবেষণাটি এরূপ মানদন্ড অনুসারে করেছেন কিনা, তা বিবেচ্য বিষয়। এরূপ মানদন্ড অনুসরণ করা হয়নি বলেই উদ্দীপকের গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি এটি গ্রহণ করেনি। উপযুক্ত আলোচনার পরিশেষে বলা যায় যে, ঐতিহাসিক গবেষণা করার ক্ষেত্রে যে পদ্ধতি ও কৌশল অবলম্বন করার কথা, তা যথাযথভাবে অনুসরণ না করায় গবেষণাটি গৃহীত হয়নি।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCSociology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

সেলিনা বেগম একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। প্রতিষ্ঠান তাকে ভান্ডারিয়া গ্রামের মুক্তিযুদ্ধের ওপর একটি গবেষণা করার অনুমতি দেয়। এ গ্রামে পাকিস্তানি বাহিনীর সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের খন্ড খন্ড যুদ্ধ হয়েছিল। গ্রামের সাধারণ মানুষ এ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল। এলাকাটি নদীবেষ্টিত হওয়ার কারণে পাকিস্তানি বাহিনী নানা কৌশলে যুদ্ধ করেছে। গবেষক সেলিনা বেগম এ গবেষণার জন্য একটি সমস্যা নির্বাচন করেন। সমস্যা নির্বাচনের পর তিনি তথ্য সংগ্রহ করেন এবং কতিপয় সিদ্ধান্তে পৌঁছেন। কিন্তু গবেষণাকর্মটি যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়নি বলে তার প্রতিষ্ঠান এটি পুনরায় করার আদেশ দেয়।
ক
গবেষণা সমস্যার তাত্ত্বিক কাঠামো কী?

উত্তর

একজন গবেষক গবেষণার মাধ্যমে যা জানতে চান বা যে সমস্যাটির সমাধান করতে চান, সে বিষয়টিকে যথাযথভাবে সংজ্ঞায়ন করা হলো সমস্যার তাত্ত্বিক কাঠামো স্থির করা।
খ
সমস্যার তাত্ত্বিক কাঠামো গঠন করতে হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

সমস্যার তাত্ত্বিক কাঠামো গঠনের মূল উদ্দেশ্য হলো একজন গবেষক যা জানতে চান বা যে সমস্যা নিয়ে গবেষণা করবেন তার একটি স্পষ্ট ও যুক্তিসংগত ধারণা প্রদান করা। কেননা একটি শব্দের বিভিন্ন অর্থ বা ব্যাখ্যা থাকলেও গবেষক যখন গবেষণা করেন তখন তিনি কেবল সুনির্দিষ্ট একটি অর্থই গ্রহণ করে থাকেন। এটি গ্রহণ না করা হলে গবেষণাকর্মটি ব্যাহত হতে বাধ্য। এজন্য সমস্যার তাত্ত্বিক কাঠামো প্রদানের মাধ্যমে বিষয়টির ভূমিকা, ব্যাখ্যা, সংজ্ঞায়ন ইত্যাদি স্পষ্ট করা হয়।
গ
গবেষক সেলিনা এ বিষয়ের ওপর গবেষণা করার জন্য কোন পদ্ধতিটি বেছে নেবেন এবং কেন?

উত্তর

উদ্দীপকের গবেষক সেলিনা ঐতিহাসিক পদ্ধতি অনুসরণ করবেন। কেননা উক্ত গবেষণাকর্মটি এমন একটি বিষয়ের ওপর, যা সংঘটিত হয়েছিল অনেক আগে এবং বর্তমানে এর বাস্তব কোনো অবশিষ্ট অংশ নেই। গবেষণাটি করতে হবে ঘটনার সাথে সম্পর্কযুক্ত দলিল-দস্তাবেজ, পুস্তক, ডায়েরি, সেই সময়কার ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তির বর্ণনা এবং যুদ্ধের কোনো উপাদান বা প্রামাণ্য বস্তু থাকলে তা বিশ্লেষণ করে। এরূপ গবেষণা করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা আবশ্যক। কেননা কাজটি খুব সহজসাধ্য কোনো বিষয় নয়। সংগৃহীত উপাদানের উপযুক্ততা বিচার করে এবং সংশ্লিষ্ট ঘটনার সাথে তার সম্পৃক্ততা খুব সূক্ষ্মভাবে বিচার-বিশ্লেষণ পূর্বক ঐতিহাসিক গবেষণাকর্মটি সম্পন্ন করা হয়। ইতিহাস যেহেতু পরিস্থিতি ও পরিবেশের ফসল, তাই ঐতিহাসিক তথ্য ও উপাত্তকে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করা হয় তৎকালীন প্রেক্ষাপটের আলোকে। পরিশেষে বলা যায় যে, উদ্দীপকের সেলিনাও তার গবেষণায় ঐতিহাসিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে সফল হবেন।
ঘ
গবেষণাকর্মটি যথাযথভাবে সম্পন্ন না হওয়ার কারণ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

ঐতিহাসিক কোনো ঘটনার ওপর গবেষণা করা একটি জটিল ও সময়সাপেক্ষ কাজ। এরূপ গবেষণা করার ক্ষেত্রে প্রায়ই নির্ভর করতে হয় সেকেন্ডারি তথ্য ও উপাত্তের ওপর। এছাড়াও প্রাথমিক উৎস থেকে কিছু তথ্য পাওয়া যায়। যেমন- ব্যক্তিগত নথি, ডায়েরি, জীবনপুঞ্জি, প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতালব্ধ বর্ণনা ইত্যাদি প্রাথমিক উৎস। কিন্তু এরূপ উৎসকে গ্রহণ করতে চাইলে তার যথার্থতা বিচার করতে হবে। যেমন- কোনো একটি ব্যক্তিগত ডায়েরিতে ১৯৭১ সাল সম্পর্কে লেখা থাকতে পারে। কিন্তু এর পাতা, লেখার কালি, কাগজের মান ইত্যাদি ১৯৭১ সালের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা, তা দেখার বিষয়। কিংবা সেকেন্ডারি তথ্য হলে এর উৎস, লেখকের বিশ্বাসযোগ্যতা, গ্রহণযোগ্যতা, মতাদর্শ ইত্যাদি বিষয়ের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে। উদ্দীপকের গবেষণাকর্মটি একটি ঐতিহাসিক গবেষণা। তাই এর সাথে সম্পর্কযুক্ত বিষয়গুলোকেও সেভাবেই মূল্যায়ন করতে হবে। কিন্তু সেলিনা বেগম তার গবেষণাটি এরূপ মানদন্ড অনুসারে করেছেন কিনা, তা বিবেচ্য বিষয়। এরূপ মানদন্ড অনুসরণ করা হয়নি বলেই উদ্দীপকের গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি এটি গ্রহণ করেনি। উপযুক্ত আলোচনার পরিশেষে বলা যায় যে, ঐতিহাসিক গবেষণা করার ক্ষেত্রে যে পদ্ধতি ও কৌশল অবলম্বন করার কথা, তা যথাযথভাবে অনুসরণ না করায় গবেষণাটি গৃহীত হয়নি।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCSociology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

গৌতম একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় চাকরি করেন। সম্প্রতি তাকে স্বপ্নপুর গ্রামে বদলি করা হয়। তাকে এ গ্রামের মানুষের সার্বিক উন্নয়নের জন্য কাজ করতে হবে। গৌতম পরিসংখ্যান অফিস থেকে এ গ্রামের পরিবারের সংখ্যা (৩৬০টি) এবং নারী ও পুরুষের সংখ্যা (৬৭৮ ও ৬২০ জন) জেনেছেন। এ গ্রামের মানুষের সমস্যা, চাহিদা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন পরিস্থিতি তাকে গবেষণা করে বের করতে হবে এবং তাদের জন্য কী পদক্ষেপ নিতে হবে। তাও নির্ধারণ করতে হবে।
ক
বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির একটি বৈশিষ্ট্য লেখ।

উত্তর

বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির একটি বৈশিষ্ট্য হলো এটি মূল্যবোধের নিরপেক্ষতা বজায় রাখে।
খ
গবেষণায় কেন অনুমিত সিদ্ধান্ত প্রণয়ন করতে হয়?

উত্তর

গবেষণায় সমস্যা সমাধানের জন্য একটি অনুমিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে সেই আলোকে গবেষণাকর্ম পরিচালনা করা হয়। এর মাধ্যমে গবেষণায় সমস্যা সমাধানের পথ নির্দেশিত হওয়ার পাশাপাশি করণীয় এবং বর্জনীয় নির্ধারিত হয়। এর মাধ্যমে কেবল নির্দিষ্ট পথে গবেষণাকর্ম পরিচালনা করা সম্ভব হয়, যা গবেষককে সময়, জনবল, অর্থ ও মেধার অপচয় থেকে রক্ষা করে। অনুমিত সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে কেবল সুনির্দিষ্ট পথে সমস্যা সমাধানে পদক্ষেপ নেওয়া হয়
গ
স্বপ্নপুরের সার্বিক উন্নয়ন সম্পর্কে একটি পরীক্ষা করতে চাইলে গৌতম কোন গবেষণা পদ্ধতিটি বেছে নেবেন এবং কেন?

উত্তর

উদ্দীপকের প্রেক্ষাপটে গৌতম স্বপ্নপুরের সার্বিক উন্নয়ন সম্পর্কিত পরীক্ষা পরিচালনা করতে চাইলে সমীক্ষা পদ্ধতি বা ঘটনা অনুসন্ধান পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারে। এক্ষেত্রে এ পদ্ধতিটি সবচেয়ে বেশি কার্যকর হবে বলে মনে হয়। একটি ঘটনা হলো সমাজ জীবনের বাস্তব কোনো পরিস্থিতি। এ বাস্তবতাই হলো ঘটনার উৎস। ঘটনা বা কেস হতে পারে কোনো ব্যক্তি, দল, প্রতিষ্ঠান বা একটি নির্দিষ্ট অঞ্চল, যার সাথে কোনো সমস্যা সম্পর্কিত আছে। ঘটনা সমীক্ষা বা অনুসন্ধান ক্ষেত্রে এরূপ বিষয়ের যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। সংগৃহীত উপাত্ত বিশ্লেষণ' করে সমস্যা চিহ্নিত করা হয়। উদ্দীপকের স্বপ্নপুর গ্রামটি যদি হয় একটি কেস (ঘটনা) এবং এর উন্নয়ন পরীক্ষা যদি হয় সমস্যা, তবে এ সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করে তা সাজিয়ে এবং বিশ্লেষণ করে গ্রামটির প্রকৃত চিত্র পাওয়া যেতে পারে। আর এজন্য এটিই উক্ত ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য উপযুক্ত পদ্ধতি।
ঘ
অন্যান্য গবেষণা পদ্ধতির ন্যায় উক্ত পদ্ধতিটিতে কতকগুলো ধাপ অনুসরণ করতে হয়।"- উক্তিটি মূল্যায়ন কর।

উত্তর

গবেষণা হলো কোনো সমস্যার গভীরে প্রবেশ করে তার সম্ভাব্য সমাধান বের করে আনার পদ্ধতি বিশেষ। বিভিন্ন পদ্ধতি, কৌশল ও উপায় অবলম্বন করে গবেষণাকার্য সম্পন্ন করা হয়। প্রতিটি গবেষণা পদ্ধতির সুনির্দিষ্ট ধাপ ও ক্রম রয়েছে। সমীক্ষা পদ্ধতিরও অনুরূপ ধাপ আছে। সমীক্ষা পদ্ধতির ধাপগুলোকে নিচের চিত্রের মতো করে সাজানো যায়- question image সমীক্ষা পদ্ধতিতে গবেষণাকর্ম সম্পন্ন করার সময় উপরিউক্ত ধাপ অনুসরণ করা হয়। প্রথমে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এ তথ্য নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে সাজিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়। বিশ্লেষিত তথ্যকে সংকোচন করে প্রয়োজন অনুসারে তথ্য প্রকাশ করা হয়। এ প্রকাশিত তথ্য থেকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সার্বিক দিক বিবেচনা শেষে তাই বলা যায়, প্রশ্নের উক্তিটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCSociology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

গৌতম একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় চাকরি করেন। সম্প্রতি তাকে স্বপ্নপুর গ্রামে বদলি করা হয়। তাকে এ গ্রামের মানুষের সার্বিক উন্নয়নের জন্য কাজ করতে হবে। গৌতম পরিসংখ্যান অফিস থেকে এ গ্রামের পরিবারের সংখ্যা (৩৬০টি) এবং নারী ও পুরুষের সংখ্যা (৬৭৮ ও ৬২০ জন) জেনেছেন। এ গ্রামের মানুষের সমস্যা, চাহিদা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন পরিস্থিতি তাকে গবেষণা করে বের করতে হবে এবং তাদের জন্য কী পদক্ষেপ নিতে হবে। তাও নির্ধারণ করতে হবে।
ক
বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির একটি বৈশিষ্ট্য লেখ।

উত্তর

বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির একটি বৈশিষ্ট্য হলো এটি মূল্যবোধের নিরপেক্ষতা বজায় রাখে।
খ
গবেষণায় কেন অনুমিত সিদ্ধান্ত প্রণয়ন করতে হয়?

উত্তর

গবেষণায় সমস্যা সমাধানের জন্য একটি অনুমিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে সেই আলোকে গবেষণাকর্ম পরিচালনা করা হয়। এর মাধ্যমে গবেষণায় সমস্যা সমাধানের পথ নির্দেশিত হওয়ার পাশাপাশি করণীয় এবং বর্জনীয় নির্ধারিত হয়। এর মাধ্যমে কেবল নির্দিষ্ট পথে গবেষণাকর্ম পরিচালনা করা সম্ভব হয়, যা গবেষককে সময়, জনবল, অর্থ ও মেধার অপচয় থেকে রক্ষা করে। অনুমিত সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে কেবল সুনির্দিষ্ট পথে সমস্যা সমাধানে পদক্ষেপ নেওয়া হয়
গ
স্বপ্নপুরের সার্বিক উন্নয়ন সম্পর্কে একটি পরীক্ষা করতে চাইলে গৌতম কোন গবেষণা পদ্ধতিটি বেছে নেবেন এবং কেন?

উত্তর

উদ্দীপকের প্রেক্ষাপটে গৌতম স্বপ্নপুরের সার্বিক উন্নয়ন সম্পর্কিত পরীক্ষা পরিচালনা করতে চাইলে সমীক্ষা পদ্ধতি বা ঘটনা অনুসন্ধান পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারে। এক্ষেত্রে এ পদ্ধতিটি সবচেয়ে বেশি কার্যকর হবে বলে মনে হয়। একটি ঘটনা হলো সমাজ জীবনের বাস্তব কোনো পরিস্থিতি। এ বাস্তবতাই হলো ঘটনার উৎস। ঘটনা বা কেস হতে পারে কোনো ব্যক্তি, দল, প্রতিষ্ঠান বা একটি নির্দিষ্ট অঞ্চল, যার সাথে কোনো সমস্যা সম্পর্কিত আছে। ঘটনা সমীক্ষা বা অনুসন্ধান ক্ষেত্রে এরূপ বিষয়ের যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। সংগৃহীত উপাত্ত বিশ্লেষণ' করে সমস্যা চিহ্নিত করা হয়। উদ্দীপকের স্বপ্নপুর গ্রামটি যদি হয় একটি কেস (ঘটনা) এবং এর উন্নয়ন পরীক্ষা যদি হয় সমস্যা, তবে এ সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করে তা সাজিয়ে এবং বিশ্লেষণ করে গ্রামটির প্রকৃত চিত্র পাওয়া যেতে পারে। আর এজন্য এটিই উক্ত ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য উপযুক্ত পদ্ধতি।
ঘ
অন্যান্য গবেষণা পদ্ধতির ন্যায় উক্ত পদ্ধতিটিতে কতকগুলো ধাপ অনুসরণ করতে হয়।"- উক্তিটি মূল্যায়ন কর।

উত্তর

গবেষণা হলো কোনো সমস্যার গভীরে প্রবেশ করে তার সম্ভাব্য সমাধান বের করে আনার পদ্ধতি বিশেষ। বিভিন্ন পদ্ধতি, কৌশল ও উপায় অবলম্বন করে গবেষণাকার্য সম্পন্ন করা হয়। প্রতিটি গবেষণা পদ্ধতির সুনির্দিষ্ট ধাপ ও ক্রম রয়েছে। সমীক্ষা পদ্ধতিরও অনুরূপ ধাপ আছে। সমীক্ষা পদ্ধতির ধাপগুলোকে নিচের চিত্রের মতো করে সাজানো যায়- question image সমীক্ষা পদ্ধতিতে গবেষণাকর্ম সম্পন্ন করার সময় উপরিউক্ত ধাপ অনুসরণ করা হয়। প্রথমে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এ তথ্য নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে সাজিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়। বিশ্লেষিত তথ্যকে সংকোচন করে প্রয়োজন অনুসারে তথ্য প্রকাশ করা হয়। এ প্রকাশিত তথ্য থেকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সার্বিক দিক বিবেচনা শেষে তাই বলা যায়, প্রশ্নের উক্তিটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো