Chapter 6: সমাজকর্মের পদ্ধতি Social Work 1st Paper

HSC Social Work 1st Paper এর Chapter 6: সমাজকর্মের পদ্ধতি অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৭৬৬

প্রশ্ন

Social Work 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCSocial Work 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের ছকটি দেখ এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:- question image

Rajshahi · 2017

ক
সমষ্টি উন্নয়ন কী?

উত্তর

সমষ্টি উন্নয়ন হলো সমাজকর্মের নীতি ও কর্মকৌশল যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে সমষ্টি জীবনের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান ও সার্বিক জীবনমান উন্নয়নের পদ্ধতি।
খ
গ্রহণ নীতি বলতে কী বোঝ?

উত্তর

গ্রহণ নীতি বলতে ব্যক্তি সমাজকর্মে একজন সমাজকর্মী কর্তৃক সাহায্যার্থীকে আন্তরিকতার সাথে গ্রহণের নীতিকে বোঝায়। সমাজকর্মী সাহায্যার্থীকে কীভাবে গ্রহণ করবে সমস্যা সমাধান তার ওপর অনেকাংশে নির্ভর করে। কারণ সমাজকর্মী যদি আন্তরিকতা ও সহানুভূতির সাথে সাহায্যার্থীকে গ্রহণ না করে তবে তার প্রতি সাহায্যার্থীর বিরূপ মনোভাব সৃষ্টি হতে পারে। তাই সাহায্যার্থী যে শ্রেণিরই হোক না কেন তাকে আন্তরিকতার সাথে গ্রহণ করতে হবে। এটাই গ্রহণ নীতির মূলকথা।
গ
উদ্দীপকে '?' চিহ্নিত স্থানে সমাজকর্মের যে ধরনের পদ্ধতির ইঙ্গিত করা হয়েছে তা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে '?' চিহ্নিত স্থানে সমাজকর্মের সহায়ক পদ্ধতির ইঙ্গিত করা হয়েছে। সমাজকর্মের মৌলিক পদ্ধতিসমূহকে বাস্তব ক্ষেত্রে সুষ্ঠুভাবে প্রয়োগ এবং লক্ষ্যার্জনে যে পদ্ধতি বিশেষভাবে সহায়তা করে থাকে তাকে সহায়ক পদ্ধতি বলে। সমাজকর্মের সহায়ক পদ্ধতিগুলো হলো- সমাজকর্ম প্রশাসন, সমাজকর্ম গবেষণা ও সামাজিক কার্যক্রম। এই শ্রেণিবিভাগটিই উদ্দীপকে উল্লিখিত হয়েছে। সমাজকর্ম প্রশাসন পদ্ধতিটি সমাজকর্মে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি সমাজকর্মের এমন একটি কৌশল ও প্রক্রিয়া যা সামাজিক নীতিকে সামাজিক সেবায় পরিণত করে এবং বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক পরিকল্পনা ও কর্মসূচিকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা ও বাস্তবায়নে সহায়তা করে। অন্যদিকে, সমাজকর্ম গবেষণা এমন একটি বিজ্ঞানভিত্তিক অনুসন্ধান যার মাধ্যমে সমাজকর্মের জ্ঞান, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে যথার্থ এবং সুসংহত করে তোলা হয়। এই পদ্ধতি সমস্যা সমাধানে বাস্তবমুখী নীতি, পরিকল্পনা ও কর্মসূচি প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ও মূল্যায়নে সহায়তা করে। সমাজকর্মের সহায়ক পদ্ধতির তৃতীয়টি হলো সামাজিক কার্যক্রম। সমাজব্যবস্থায় যে সকল অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত অবস্থা বিরাজ করে তা সচেতন ও পরিকল্পিতভাবে পরিবর্তন করে কাঙ্ক্ষিত ও বাঞ্ছিত সমাজব্যবস্থা গড়ে তোলাই হলো সামাজিক কার্যক্রম। উদ্দীপকে ছকের মাধ্যমে এ তিনটি পদ্ধতিই উপস্থাপিত হয়েছে।
ঘ
উক্ত পদ্ধতি সমস্যার পরিপূর্ণ সমাধানে কি যথেষ্ট? বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উক্ত পদ্ধতি অর্থাৎ সমাজকর্মের সহায়ক পদ্ধতি সমস্যার পরিপূর্ণ সমাধানে যথেষ্ট নয় বলে আমি মনে করি। সমাজকর্ম পদ্ধতি মৌলিক ও সহায়ক এ দুটি অংশে বিভক্ত। পৃথক পৃথক ভাবে এ পদ্ধতিগুলো আলোচিত হলেও এগুলো পরস্পর অবিচ্ছেদ্যভাবে সম্পর্কিত। সমাজকর্মে কোনো সমস্যার সমাধানে এই দুই শ্রেণির পদ্ধতির সমন্বয় ঘটানো হয়। অর্থাৎ কেবল মৌলিক বা কেবল সহায়ক পদ্ধতি সমস্যা সমাধানে শতভাগ কার্যকর নয়। সমাজকর্ম একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিনির্ভর সাহায্যকারী পেশা। এটি মূলত সমস্যাগ্রস্ত ব্যক্তি, দল ও সমষ্টির সমস্যা সমাধানে কাজ করে। এ প্রেক্ষিতেই সমাজকর্মের মৌলিক পদ্ধতিগুলোর উদ্ভব ও বিকাশ ঘটেছে। ব্যক্তি, দল ও সমষ্টি সমাজকর্ম এ তিনটি পদ্ধতি সমাজকর্মের মৌলিক পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত হয়। যেকোনো সমস্যার বৈশিষ্ট্য ও প্রকৃতি অনুসারে এই তিনটির মধ্য থেকে উপযুক্ত পদ্ধতিটি প্রয়োগ করে সমাধানের চেষ্টা করা হয়। তবে এগুলোর পাশাপাশি সহায়ক পদ্ধতিরও প্রয়োজন আছে। সহায়ক পদ্ধতি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মৌলিক পদ্ধতি বাস্তবায়নের উপায় বা প্রক্রিয়া হিসেবে কাজ করে। আর এ দুই ধরনের পদ্ধতির সমন্বয়েই সমাজকর্মের আওতাধীন সমস্যার সুষ্ঠু সমাধান করা সম্ভব হয়। উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে এ বিষয়টি সুস্পষ্ট যে, সমাজকর্মের মৌলিক ও সহায়ক পদ্ধতির সমন্বিত প্রয়োগেই যেকোনো সমস্যার পরিপূর্ণ সমাধান সম্ভব।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCSocial Work 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের ছকটি দেখ এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:- question image

Rajshahi · 2017

ক
সমষ্টি উন্নয়ন কী?

উত্তর

সমষ্টি উন্নয়ন হলো সমাজকর্মের নীতি ও কর্মকৌশল যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে সমষ্টি জীবনের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান ও সার্বিক জীবনমান উন্নয়নের পদ্ধতি।
খ
গ্রহণ নীতি বলতে কী বোঝ?

উত্তর

গ্রহণ নীতি বলতে ব্যক্তি সমাজকর্মে একজন সমাজকর্মী কর্তৃক সাহায্যার্থীকে আন্তরিকতার সাথে গ্রহণের নীতিকে বোঝায়। সমাজকর্মী সাহায্যার্থীকে কীভাবে গ্রহণ করবে সমস্যা সমাধান তার ওপর অনেকাংশে নির্ভর করে। কারণ সমাজকর্মী যদি আন্তরিকতা ও সহানুভূতির সাথে সাহায্যার্থীকে গ্রহণ না করে তবে তার প্রতি সাহায্যার্থীর বিরূপ মনোভাব সৃষ্টি হতে পারে। তাই সাহায্যার্থী যে শ্রেণিরই হোক না কেন তাকে আন্তরিকতার সাথে গ্রহণ করতে হবে। এটাই গ্রহণ নীতির মূলকথা।
গ
উদ্দীপকে '?' চিহ্নিত স্থানে সমাজকর্মের যে ধরনের পদ্ধতির ইঙ্গিত করা হয়েছে তা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে '?' চিহ্নিত স্থানে সমাজকর্মের সহায়ক পদ্ধতির ইঙ্গিত করা হয়েছে। সমাজকর্মের মৌলিক পদ্ধতিসমূহকে বাস্তব ক্ষেত্রে সুষ্ঠুভাবে প্রয়োগ এবং লক্ষ্যার্জনে যে পদ্ধতি বিশেষভাবে সহায়তা করে থাকে তাকে সহায়ক পদ্ধতি বলে। সমাজকর্মের সহায়ক পদ্ধতিগুলো হলো- সমাজকর্ম প্রশাসন, সমাজকর্ম গবেষণা ও সামাজিক কার্যক্রম। এই শ্রেণিবিভাগটিই উদ্দীপকে উল্লিখিত হয়েছে। সমাজকর্ম প্রশাসন পদ্ধতিটি সমাজকর্মে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি সমাজকর্মের এমন একটি কৌশল ও প্রক্রিয়া যা সামাজিক নীতিকে সামাজিক সেবায় পরিণত করে এবং বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক পরিকল্পনা ও কর্মসূচিকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা ও বাস্তবায়নে সহায়তা করে। অন্যদিকে, সমাজকর্ম গবেষণা এমন একটি বিজ্ঞানভিত্তিক অনুসন্ধান যার মাধ্যমে সমাজকর্মের জ্ঞান, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে যথার্থ এবং সুসংহত করে তোলা হয়। এই পদ্ধতি সমস্যা সমাধানে বাস্তবমুখী নীতি, পরিকল্পনা ও কর্মসূচি প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ও মূল্যায়নে সহায়তা করে। সমাজকর্মের সহায়ক পদ্ধতির তৃতীয়টি হলো সামাজিক কার্যক্রম। সমাজব্যবস্থায় যে সকল অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত অবস্থা বিরাজ করে তা সচেতন ও পরিকল্পিতভাবে পরিবর্তন করে কাঙ্ক্ষিত ও বাঞ্ছিত সমাজব্যবস্থা গড়ে তোলাই হলো সামাজিক কার্যক্রম। উদ্দীপকে ছকের মাধ্যমে এ তিনটি পদ্ধতিই উপস্থাপিত হয়েছে।
ঘ
উক্ত পদ্ধতি সমস্যার পরিপূর্ণ সমাধানে কি যথেষ্ট? বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উক্ত পদ্ধতি অর্থাৎ সমাজকর্মের সহায়ক পদ্ধতি সমস্যার পরিপূর্ণ সমাধানে যথেষ্ট নয় বলে আমি মনে করি। সমাজকর্ম পদ্ধতি মৌলিক ও সহায়ক এ দুটি অংশে বিভক্ত। পৃথক পৃথক ভাবে এ পদ্ধতিগুলো আলোচিত হলেও এগুলো পরস্পর অবিচ্ছেদ্যভাবে সম্পর্কিত। সমাজকর্মে কোনো সমস্যার সমাধানে এই দুই শ্রেণির পদ্ধতির সমন্বয় ঘটানো হয়। অর্থাৎ কেবল মৌলিক বা কেবল সহায়ক পদ্ধতি সমস্যা সমাধানে শতভাগ কার্যকর নয়। সমাজকর্ম একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিনির্ভর সাহায্যকারী পেশা। এটি মূলত সমস্যাগ্রস্ত ব্যক্তি, দল ও সমষ্টির সমস্যা সমাধানে কাজ করে। এ প্রেক্ষিতেই সমাজকর্মের মৌলিক পদ্ধতিগুলোর উদ্ভব ও বিকাশ ঘটেছে। ব্যক্তি, দল ও সমষ্টি সমাজকর্ম এ তিনটি পদ্ধতি সমাজকর্মের মৌলিক পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত হয়। যেকোনো সমস্যার বৈশিষ্ট্য ও প্রকৃতি অনুসারে এই তিনটির মধ্য থেকে উপযুক্ত পদ্ধতিটি প্রয়োগ করে সমাধানের চেষ্টা করা হয়। তবে এগুলোর পাশাপাশি সহায়ক পদ্ধতিরও প্রয়োজন আছে। সহায়ক পদ্ধতি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মৌলিক পদ্ধতি বাস্তবায়নের উপায় বা প্রক্রিয়া হিসেবে কাজ করে। আর এ দুই ধরনের পদ্ধতির সমন্বয়েই সমাজকর্মের আওতাধীন সমস্যার সুষ্ঠু সমাধান করা সম্ভব হয়। উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে এ বিষয়টি সুস্পষ্ট যে, সমাজকর্মের মৌলিক ও সহায়ক পদ্ধতির সমন্বিত প্রয়োগেই যেকোনো সমস্যার পরিপূর্ণ সমাধান সম্ভব।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCSocial Work 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলায় "আত্মহত্যার হার অনেক বেশি" বলে প্রচলিত আছে। আত্মহত্যার হার সত্যিই বেশি কিনা জানার জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ডঃ জিল্লুর রহমান স্যার কিছু শিক্ষার্থীকে নিয়ে তথ্য সংগ্রহ শুরু করেন। তাদের উদ্দেশ্য ছিল আত্মহত্যাকারীর সংখ্যা, বয়স, লিঙ্গ, শিক্ষা, কারণ, প্রেক্ষাপট, জীবিকা, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থাসহ অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাই এর মাধ্যমে প্রতিবেদন তৈরি ও সুপারিশ করা।

Rajshahi · 2017

ক
সামাজিক কার্যক্রম কী?

উত্তর

সমাজব্যবস্থায় যে সকল অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত অবস্থা বিরাজ করে তা সচেতন ও পরিকল্পিতভাবে পরিবর্তন করে কাঙ্ক্ষিত ও বাঞ্ছিত সমাজব্যবস্থা গড়ে তোলাই হলো সামাজিক কার্যক্রম।
খ
সমাজকর্ম বাস্তবায়নের জন্যে কেন সমাজকর্ম প্রশাসনের প্রয়োজন হয়?

উত্তর

সমাজকর্ম বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় নীতি ও পরিকল্পনা প্রণয়নে সমাজকর্ম প্রশাসনের প্রয়োজন হয়। সমাজকর্ম প্রশাসন সমাজস্থ, ব্যক্তি, দল ও সমষ্টির সমস্যা সমাধান; চাহিদা ও মূল্যবোধ এবং সমাজকর্ম পেশার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কর্মসূচি প্রণয়ন ও পরিচালনায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। প্রকৃতপক্ষে সমাজকর্ম প্রশাসন ছাড়া বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ, কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন তেমন একটা গ্রহণযোগ্য হয় না। তাই লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অর্জনে সমাজকর্ম প্রশাসন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
গ
উদ্দীপকে ডঃ জিল্লুর রহমান স্যারের কাজটি সমাজকর্মের কোন পদ্ধতির অন্তর্ভুক্ত? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে ডঃ জিল্লুর রহমান স্যারের কাজটি সমাজকর্মের সহায়ক পদ্ধতি সামাজিক গবেষণার অন্তর্ভুক্ত। গবেষণা যখন কোনো সামাজিক বিষয় বা ঘটনার ওপর পরিচালিত হয় তখন তাকে সামাজিক গবেষণা বলা হয়। অর্থাৎ সামাজিক বিভিন্ন ঘটনাবলি, আচরণ বা সমস্যা সম্পর্কে বস্তুনিষ্ঠ তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণের মাধ্যমে সুশৃঙ্খলভাবে অনুসন্ধান করাকে সামাজিক গবেষণা বলে। উদ্দীপকেও এ ধরনের গবেষণার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় আত্মহত্যার হার বেশি কিনা সে সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করেন ডঃ জিল্লুর রহমান। এখানে আত্মহত্যার ঘটনাটি একটি সামাজিক সমস্যার অন্তর্গত। এই বিষয়টি সম্পর্কে বস্তুনিষ্ঠ তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনে ডঃ জিল্লুর রহমান তার কিছু শিক্ষার্থীকে নিয়ে কাজ করছেন। তাদের উদ্দেশ্য আত্মহত্যাকারী সংখ্যা, বয়স, লিঙ্গ, শিক্ষা, কারণ, প্রেক্ষাপট, জীবিকা প্রভৃতি বিষয় সম্পর্কে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাই করে প্রতিবেদন তৈরি ও সুপারিশ করা। তাদের কাজের ধরন ও প্রকৃতি থেকেই বোঝা যাচ্ছে, তারা সামাজিক গবেষণা কার্যক্রমই পরিচালনা করছেন। কারণ সমাজকর্মের সহায়ক পদ্ধতি সামাজিক গবেষণার সহায়তায় মূলত এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে।
ঘ
সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও সমাধানের জন্য উদ্দীপকে কি কোনো ধাপ অনুসরণ করেছে? বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও সমাধানের জন্য উদ্দীপকে সামাজিক গবেষণার ধাপসমূহ অনুসৃত হয়েছে। যেকোনো গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সুনির্দিষ্ট ধাপসমূহ অনুসরণ করতে হয়। সামাজিক গবেষণাও এর ব্যতিক্রম নয়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে ডঃ জিল্লুর রহমানও সুনিদিষ্ট কিছু ধাপ অনুযায়ী আলোচ্য গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। প্রকৃতপক্ষে এর ব্যত্যয় হলে সামাজিক গবেষণা পরিচালনা সম্ভব নয়। সামাজিক গবেষণার প্রথম ধাপ হলো সমস্যা নির্বাচন। উদ্দীপকেও গবেষক দল প্রথমেই একটি সমস্যা নির্বাচন করেছেন। উক্ত সমস্যার ভিত্তিতে তাদেরকে গবেষণার ফলাফল সম্পর্কে পূর্ব সিদ্ধান্ত বা অনুকল্প দাঁড় করাতে হয়েছে। এর পরবর্তী ধাপে গবেষণাটি কীভাবে সম্পাদিত হবে সে বিষয়ে একটি নকশা বা পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হয়েছে। এই পরিকল্পনা অনুযায়ীই প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়। তারপর সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণ বা যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হয়। এভাবে গবেষণার ফলাফল পাওয়া গেলে গবেষক তার ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করেন এবং সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় সুপারিশমালা পেশ করেন। এর সকল ধাপই উদ্দীপকে গবেষক দলকে পর্যায়ক্রমে অনুসরণ করতে হয়েছে। পরিশেষে বলা যায়, সামাজিক গবেষণা পরিচালনার উপর্যুক্ত ধাপসমূহ মেনে চলা অপরিহার্য।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCSocial Work 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলায় "আত্মহত্যার হার অনেক বেশি" বলে প্রচলিত আছে। আত্মহত্যার হার সত্যিই বেশি কিনা জানার জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ডঃ জিল্লুর রহমান স্যার কিছু শিক্ষার্থীকে নিয়ে তথ্য সংগ্রহ শুরু করেন। তাদের উদ্দেশ্য ছিল আত্মহত্যাকারীর সংখ্যা, বয়স, লিঙ্গ, শিক্ষা, কারণ, প্রেক্ষাপট, জীবিকা, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থাসহ অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাই এর মাধ্যমে প্রতিবেদন তৈরি ও সুপারিশ করা।

Rajshahi · 2017

ক
সামাজিক কার্যক্রম কী?

উত্তর

সমাজব্যবস্থায় যে সকল অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত অবস্থা বিরাজ করে তা সচেতন ও পরিকল্পিতভাবে পরিবর্তন করে কাঙ্ক্ষিত ও বাঞ্ছিত সমাজব্যবস্থা গড়ে তোলাই হলো সামাজিক কার্যক্রম।
খ
সমাজকর্ম বাস্তবায়নের জন্যে কেন সমাজকর্ম প্রশাসনের প্রয়োজন হয়?

উত্তর

সমাজকর্ম বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় নীতি ও পরিকল্পনা প্রণয়নে সমাজকর্ম প্রশাসনের প্রয়োজন হয়। সমাজকর্ম প্রশাসন সমাজস্থ, ব্যক্তি, দল ও সমষ্টির সমস্যা সমাধান; চাহিদা ও মূল্যবোধ এবং সমাজকর্ম পেশার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কর্মসূচি প্রণয়ন ও পরিচালনায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। প্রকৃতপক্ষে সমাজকর্ম প্রশাসন ছাড়া বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ, কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন তেমন একটা গ্রহণযোগ্য হয় না। তাই লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অর্জনে সমাজকর্ম প্রশাসন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
গ
উদ্দীপকে ডঃ জিল্লুর রহমান স্যারের কাজটি সমাজকর্মের কোন পদ্ধতির অন্তর্ভুক্ত? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে ডঃ জিল্লুর রহমান স্যারের কাজটি সমাজকর্মের সহায়ক পদ্ধতি সামাজিক গবেষণার অন্তর্ভুক্ত। গবেষণা যখন কোনো সামাজিক বিষয় বা ঘটনার ওপর পরিচালিত হয় তখন তাকে সামাজিক গবেষণা বলা হয়। অর্থাৎ সামাজিক বিভিন্ন ঘটনাবলি, আচরণ বা সমস্যা সম্পর্কে বস্তুনিষ্ঠ তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণের মাধ্যমে সুশৃঙ্খলভাবে অনুসন্ধান করাকে সামাজিক গবেষণা বলে। উদ্দীপকেও এ ধরনের গবেষণার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় আত্মহত্যার হার বেশি কিনা সে সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করেন ডঃ জিল্লুর রহমান। এখানে আত্মহত্যার ঘটনাটি একটি সামাজিক সমস্যার অন্তর্গত। এই বিষয়টি সম্পর্কে বস্তুনিষ্ঠ তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনে ডঃ জিল্লুর রহমান তার কিছু শিক্ষার্থীকে নিয়ে কাজ করছেন। তাদের উদ্দেশ্য আত্মহত্যাকারী সংখ্যা, বয়স, লিঙ্গ, শিক্ষা, কারণ, প্রেক্ষাপট, জীবিকা প্রভৃতি বিষয় সম্পর্কে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাই করে প্রতিবেদন তৈরি ও সুপারিশ করা। তাদের কাজের ধরন ও প্রকৃতি থেকেই বোঝা যাচ্ছে, তারা সামাজিক গবেষণা কার্যক্রমই পরিচালনা করছেন। কারণ সমাজকর্মের সহায়ক পদ্ধতি সামাজিক গবেষণার সহায়তায় মূলত এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে।
ঘ
সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও সমাধানের জন্য উদ্দীপকে কি কোনো ধাপ অনুসরণ করেছে? বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও সমাধানের জন্য উদ্দীপকে সামাজিক গবেষণার ধাপসমূহ অনুসৃত হয়েছে। যেকোনো গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সুনির্দিষ্ট ধাপসমূহ অনুসরণ করতে হয়। সামাজিক গবেষণাও এর ব্যতিক্রম নয়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে ডঃ জিল্লুর রহমানও সুনিদিষ্ট কিছু ধাপ অনুযায়ী আলোচ্য গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। প্রকৃতপক্ষে এর ব্যত্যয় হলে সামাজিক গবেষণা পরিচালনা সম্ভব নয়। সামাজিক গবেষণার প্রথম ধাপ হলো সমস্যা নির্বাচন। উদ্দীপকেও গবেষক দল প্রথমেই একটি সমস্যা নির্বাচন করেছেন। উক্ত সমস্যার ভিত্তিতে তাদেরকে গবেষণার ফলাফল সম্পর্কে পূর্ব সিদ্ধান্ত বা অনুকল্প দাঁড় করাতে হয়েছে। এর পরবর্তী ধাপে গবেষণাটি কীভাবে সম্পাদিত হবে সে বিষয়ে একটি নকশা বা পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হয়েছে। এই পরিকল্পনা অনুযায়ীই প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়। তারপর সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণ বা যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হয়। এভাবে গবেষণার ফলাফল পাওয়া গেলে গবেষক তার ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করেন এবং সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় সুপারিশমালা পেশ করেন। এর সকল ধাপই উদ্দীপকে গবেষক দলকে পর্যায়ক্রমে অনুসরণ করতে হয়েছে। পরিশেষে বলা যায়, সামাজিক গবেষণা পরিচালনার উপর্যুক্ত ধাপসমূহ মেনে চলা অপরিহার্য।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCSocial Work 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মি. বার্কার একজন সমাজকর্মী। তিনি তাঁর কাছে আগত সাহায্য প্রার্থীদের কখনও রেস্টুরেন্টে, কখনও তাঁর বাড়িতে, কখনও বাজারে সাক্ষাত করতে বলেন। এতে সাহায্যপ্রার্থীরা বিরক্ত হয়ে সাক্ষাত করতে আসে না।

Dhaka · 2017

ক
সমাজকর্মের সহায়ক পদ্ধতি কয়টি?

উত্তর

সমাজকর্মের সহায়ক পদ্ধতি তিনটি।
খ
পেশাদার প্রতিনিধি বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

পেশাদার প্রতিনিধি বলতে ব্যক্তি সমাজকর্মীকে বোঝানো হয়। পেশাদার প্রতিনিধি ব্যক্তি সমাজকর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। পেশাদার প্রতিনিধি হলেন সমাজকর্মের জ্ঞান, অভিজ্ঞতা, দক্ষতাসম্পন্ন এমন একজন ব্যক্তি যাকে প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সেবাদানের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়। ব্যক্তি সমাজকর্মে সমস্যা সমাধান প্রক্রিয়ার সফলতা মূলত পেশাদার প্রতিনিধির দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ওপরই নির্ভর করে।
গ
মি. বার্কারের মধ্যে ব্যক্তি সমাজকর্মের কোন উপাদানের অভাব রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে ব্যক্তি সমাজকর্মের অন্যতম গুরত্বপূর্ণ উপাদান স্থানের অভাব রয়েছে। ব্যক্তি সমাজকর্মে স্থান হলো এমন এক ধরনের সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান যেখানে সমাজকর্মীরা সাহায্যার্থীকে তার সমস্যা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় বস্তুগত ও অবস্তুগত সাহায্য করে থাকেন। প্রকৃতপক্ষে যেকোনো সংগঠিত ও পেশাভিত্তিক কাজের জন্যই প্রতিষ্ঠান অপরিহার্য। আর উদ্দীপকে ব্যক্তি সমাজকর্মের এ উপাদানটির ব্যত্যয় ঘটেছে। উদ্দীপকে মি. বাকার একজন পেশাদার সমাজকর্মী হলেও তিনি পেশাদারিত্বের পরিচয় দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি কোনো প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে থেকে তার কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেননি। তার কাছে আগত সাহায্যার্থীদেরকে তিনি একেক সময় একেক স্থানে সাক্ষাৎ করতে বলেন। এর ফলে খুব স্বাভাবিকভাবেই সাহায্যার্থীরা তার ওপর বিরক্ত হয়। প্রকৃতপক্ষে মি. বার্কারের উচিত ছিল একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে থেকে অর্থাৎ কোনো একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট স্থানে সাহায্যার্থীদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা। কারণ ব্যক্তি সমাজকর্মে স্থান বা প্রতিষ্ঠান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও আবশ্যক একটি উপাদান। এর মাধ্যমে সমাজকর্মের গোপনীয়তার নীতি রক্ষিত হয় এবং সমাজকর্মী ও সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। তাই বলা যায় মি. বার্কার ব্যক্তি সমাজকর্মের স্থান বা প্রতিষ্ঠান উপাদানটির ধারাবাহিকতা রক্ষা করেননি।
ঘ
উদ্দীপকের মি. বার্কারের মধ্যে ভূমিকা পেশাগত সম্পর্ক স্থাপনের সহায়ক নয়- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের মি. বাকার একজন সমাজকর্মী হিসেবে পেশাদারিত্ব রক্ষা না করায় তার ভূমিকা পেশাগত সম্পর্ক স্থাপনে সহায়ক নয়। ব্যক্তির সমস্যার সমাধানকে কেন্দ্র করে ব্যক্তি সমাজকর্ম পদ্ধতি পরিচালিত হয়। এই সমস্যা সমাধান প্রক্রিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হলো র্যাপো বা পেশাগত সম্পর্ক। এখানে সমাজকর্মী একজন পেশাদার ব্যক্তি হিসেবে তার আচরণের মাধ্যমে সাহায্যার্থীর আস্থাভাজন হবেন। উদ্দীপকে মি, বার্কার একজন পেশাদার সমাজকর্মী হিসেবে সাহায্যার্থীদের আস্থা বা বিশ্বাস অর্জনে ব্যর্থ হয়েছেন। সাহায্যার্থীর সাথে পেশাগত সম্পর্ক স্থাপনের জন্য ফলপ্রসূ সাক্ষাৎকার অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। অথচ মি. বার্কার তার নিকট আগত সাহায্যার্থীদের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্থানে সাক্ষাৎ করার জন্য বলেন। ফলে সেবাগ্রহীতাদের সাথে তার সাক্ষাৎকার ফলপ্রসূ হয় না। এক্ষেত্রে মি. বাকারের কর্মকান্ডে তারা অনেকটাই বিরক্ত এবং মি, বার্কারকে আস্থাভাজন হিসেবে মেনে নিতে পারছেন না। কিন্তু তিনি যদি এ ব্যাপারে আন্তরিক হতেন এবং সাহায্যার্থীদের সাথে সাক্ষাৎকারের ক্ষেত্রে পেশাদারিত্ব বজায় রাখতেন তাহলে এরূপ সমস্যার সৃষ্টি হতো না। বরং তিনি সাহায্যার্থীদের সাথে পেশাগত সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানে কাজ করতে পারতেন। পরিশেষে বলা যায়, সাহায্যার্থীদের সাথে পেশাগত সম্পর্ক স্থাপনে মি. বার্কারকে আরও আন্তরিক হতে হবে এবং পেশাদার মনোভাব লালন করতে হবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCSocial Work 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মি. বার্কার একজন সমাজকর্মী। তিনি তাঁর কাছে আগত সাহায্য প্রার্থীদের কখনও রেস্টুরেন্টে, কখনও তাঁর বাড়িতে, কখনও বাজারে সাক্ষাত করতে বলেন। এতে সাহায্যপ্রার্থীরা বিরক্ত হয়ে সাক্ষাত করতে আসে না।

Dhaka · 2017

ক
সমাজকর্মের সহায়ক পদ্ধতি কয়টি?

উত্তর

সমাজকর্মের সহায়ক পদ্ধতি তিনটি।
খ
পেশাদার প্রতিনিধি বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

পেশাদার প্রতিনিধি বলতে ব্যক্তি সমাজকর্মীকে বোঝানো হয়। পেশাদার প্রতিনিধি ব্যক্তি সমাজকর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। পেশাদার প্রতিনিধি হলেন সমাজকর্মের জ্ঞান, অভিজ্ঞতা, দক্ষতাসম্পন্ন এমন একজন ব্যক্তি যাকে প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সেবাদানের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়। ব্যক্তি সমাজকর্মে সমস্যা সমাধান প্রক্রিয়ার সফলতা মূলত পেশাদার প্রতিনিধির দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ওপরই নির্ভর করে।
গ
মি. বার্কারের মধ্যে ব্যক্তি সমাজকর্মের কোন উপাদানের অভাব রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে ব্যক্তি সমাজকর্মের অন্যতম গুরত্বপূর্ণ উপাদান স্থানের অভাব রয়েছে। ব্যক্তি সমাজকর্মে স্থান হলো এমন এক ধরনের সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান যেখানে সমাজকর্মীরা সাহায্যার্থীকে তার সমস্যা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় বস্তুগত ও অবস্তুগত সাহায্য করে থাকেন। প্রকৃতপক্ষে যেকোনো সংগঠিত ও পেশাভিত্তিক কাজের জন্যই প্রতিষ্ঠান অপরিহার্য। আর উদ্দীপকে ব্যক্তি সমাজকর্মের এ উপাদানটির ব্যত্যয় ঘটেছে। উদ্দীপকে মি. বাকার একজন পেশাদার সমাজকর্মী হলেও তিনি পেশাদারিত্বের পরিচয় দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি কোনো প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে থেকে তার কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেননি। তার কাছে আগত সাহায্যার্থীদেরকে তিনি একেক সময় একেক স্থানে সাক্ষাৎ করতে বলেন। এর ফলে খুব স্বাভাবিকভাবেই সাহায্যার্থীরা তার ওপর বিরক্ত হয়। প্রকৃতপক্ষে মি. বার্কারের উচিত ছিল একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে থেকে অর্থাৎ কোনো একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট স্থানে সাহায্যার্থীদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা। কারণ ব্যক্তি সমাজকর্মে স্থান বা প্রতিষ্ঠান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও আবশ্যক একটি উপাদান। এর মাধ্যমে সমাজকর্মের গোপনীয়তার নীতি রক্ষিত হয় এবং সমাজকর্মী ও সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। তাই বলা যায় মি. বার্কার ব্যক্তি সমাজকর্মের স্থান বা প্রতিষ্ঠান উপাদানটির ধারাবাহিকতা রক্ষা করেননি।
ঘ
উদ্দীপকের মি. বার্কারের মধ্যে ভূমিকা পেশাগত সম্পর্ক স্থাপনের সহায়ক নয়- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের মি. বাকার একজন সমাজকর্মী হিসেবে পেশাদারিত্ব রক্ষা না করায় তার ভূমিকা পেশাগত সম্পর্ক স্থাপনে সহায়ক নয়। ব্যক্তির সমস্যার সমাধানকে কেন্দ্র করে ব্যক্তি সমাজকর্ম পদ্ধতি পরিচালিত হয়। এই সমস্যা সমাধান প্রক্রিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হলো র্যাপো বা পেশাগত সম্পর্ক। এখানে সমাজকর্মী একজন পেশাদার ব্যক্তি হিসেবে তার আচরণের মাধ্যমে সাহায্যার্থীর আস্থাভাজন হবেন। উদ্দীপকে মি, বার্কার একজন পেশাদার সমাজকর্মী হিসেবে সাহায্যার্থীদের আস্থা বা বিশ্বাস অর্জনে ব্যর্থ হয়েছেন। সাহায্যার্থীর সাথে পেশাগত সম্পর্ক স্থাপনের জন্য ফলপ্রসূ সাক্ষাৎকার অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। অথচ মি. বার্কার তার নিকট আগত সাহায্যার্থীদের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্থানে সাক্ষাৎ করার জন্য বলেন। ফলে সেবাগ্রহীতাদের সাথে তার সাক্ষাৎকার ফলপ্রসূ হয় না। এক্ষেত্রে মি. বাকারের কর্মকান্ডে তারা অনেকটাই বিরক্ত এবং মি, বার্কারকে আস্থাভাজন হিসেবে মেনে নিতে পারছেন না। কিন্তু তিনি যদি এ ব্যাপারে আন্তরিক হতেন এবং সাহায্যার্থীদের সাথে সাক্ষাৎকারের ক্ষেত্রে পেশাদারিত্ব বজায় রাখতেন তাহলে এরূপ সমস্যার সৃষ্টি হতো না। বরং তিনি সাহায্যার্থীদের সাথে পেশাগত সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানে কাজ করতে পারতেন। পরিশেষে বলা যায়, সাহায্যার্থীদের সাথে পেশাগত সম্পর্ক স্থাপনে মি. বার্কারকে আরও আন্তরিক হতে হবে এবং পেশাদার মনোভাব লালন করতে হবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো