Chapter 5: সমাজকর্মের সাথে জ্ঞানের বিভিন্ন শাখা এবং পেশার সম্পর্ক (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) Social Work 1st Paper

HSC Social Work 1st Paper এর Chapter 5: সমাজকর্মের সাথে জ্ঞানের বিভিন্ন শাখা এবং পেশার সম্পর্ক (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৩৭৫

প্রশ্ন

Social Work 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCSocial Work 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

স্বর্ণা জাতীয় যাদুঘরে সংরক্ষিত প্রাচীন আমলের বিভিন্ন পুরাকীর্তি দেখে মুগ্ধ হয়েছে। তার ধারণা সে সময়ের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য অনেক উন্নত ছিল, যা সে পুস্তক থেকে জেনেছে। তার ইচ্ছা এ বিষয় নিয়ে সে গভীর অনুসন্ধান করবে। তাহলেই সে প্রাচীন আমলের ব্যবহার্য জিনিসপত্র, আচার-আচরণ ও বিভিন্ন সংস্কৃতির ইতিহাস জানতে পারবে। স্বর্ণা বলে, এ দেশে বহু সমস্যা রয়েছে যার শিকড় সমাজের অনেক গভীরে। যেমন- পতিতাবৃত্তি, যৌতুক, বাল্যবিবাহ প্রভৃতি। এ সমস্যা সমাজে নানা সমস্যার সৃষ্টি করছে। আবার এর পাশাপাশি বহু বিষয়গত জ্ঞানের শাখা সৃষ্টি হয়েছে এবং এর সমাধানে প্রতিকার ও প্রতিরোধে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
ক
সমাজবিজ্ঞানের সংজ্ঞা দাও।

উত্তর

মানবসমাজ এবং সামাজিক সম্পর্ক নিয়ে বিজ্ঞানের যে শাখা আলোচনা করে তাকে সমাজবিজ্ঞান বলে।
খ
. সমাজকর্মীর নিকট সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞান প্রয়োজন কেন?

উত্তর

সমাজবিজ্ঞান ও সমাজকর্মের বিষয়বস্তু সমাজ ও সমাজের মানুষকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। সমাজবিজ্ঞান সমাজ ও সামাজিক সম্পর্কে বিজ্ঞানসম্মত বিশ্লেষণ করে গোটা সমাজ সম্পর্কে বস্তুনিষ্ট জ্ঞানদান করে। আর সমাজকর্ম সামাজিক সম্পর্কের বিভিন্ন পর্যায় সৃষ্ট সমস্যার সমাধান নিয়ে আলোচনা করে। দুটি বিষয়ের পারস্পরিক সম্পর্কের বিষয় সমাজবিজ্ঞানী স্যামুয়েল কোনিগ সুন্দরভাবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জীববিজ্ঞান, ও জীবাণুবিজ্ঞানের সঙ্গে প্রকৌশলবিদ্যার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। জীববিজ্ঞান ও জীবাণুবিজ্ঞানের তত্ত্বগত ও পরীক্ষামূলক গবেষণা ছাড়া যেমন মানবদেহের রোগ চিকিৎসা সম্ভব নয় তেমান সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞান ছাড়া সামাজিক চিকিৎসক হিসেবে সমাজকর্মীদের সামাজিক ব্যাধি মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। তাই সমাজকর্মীদের নিকট সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞান প্রয়োজন।
গ
স্বর্ণা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ওপর গভীর অনুসন্ধানে কোন বিষয়ের জ্ঞানের ওপর অধিক নির্ভর করবে ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

স্বর্ণা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ওপর গভীর অনুসন্ধানে 'নৃবিজ্ঞান' বিষয়ের জ্ঞানের ওপর অধিক নির্ভর করবে। নৃবিজ্ঞান মানুষের অর্জিত ব্যবহার নিয়ে গবেষণা করে। নৃবিজ্ঞানের দুটি শাখার মাধ্যমে মানবজাতির অতীত ইতিহাস, বিবর্তন সুশৃঙ্খলভাবে ফুটে ওঠে। প্রথমত, দৈহিক নৃবিজ্ঞানের মাধ্যমে মানুষের উৎপত্তি, বিকাশ ও দৈহিক গঠনপ্রণালি নিয়ে আলোচনা করে। পৃথিবীর বিভিন্ন মানবগোষ্ঠীর বর্ণ পরিচয় এবং তাদের ওপর পরিবেশের প্রভাব নিয়ে দৈহিক নৃবিজ্ঞান পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালায়। দ্বিতীয়ত, সাংস্কৃতিক নৃবিজ্ঞানে আদিম মানুষের সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বিষয় নিয়ে গবেষণা করা হয়। এতে আদিম উৎপাদন পদ্ধতি, পরিবার ও বিবাহ প্রথা, সরকার, আইন, যাদুবিদ্যা, শিল্পকলা, সামাজিক প্রথা প্রতিষ্ঠান প্রভৃতি অর্জিত ব্যবহার সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। তাই দেখা যায়, স্বর্ণা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ওপর গভীর অনুসন্ধানের জন্য 'নৃবিজ্ঞান' বিষয়ের জ্ঞানের বিকল্প নেই।
ঘ
সমাজ পরিবর্তনের কারণে সমস্যার উত্তরণের পাশাপাশি কোন বিষয়গত জ্ঞানের উদ্ভব ঘটেছে? স্বর্ণার বক্তব্যের আলোকে ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

সমাজ পরিবর্তনের ফলে উদ্ভব সমস্যা উত্তরণে সমাজকর্ম বিষয়টির সৃষ্টি হয়। সমাজকর্ম সামাজিক সমস্যা মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে। উদ্দীপকের স্বর্ণা যেসব সমস্যার কথা উল্লেখ করেছে, সেগুলো সামাজিক সমস্যা। এগুলো প্রতিটি যেমন সমস্যা, তেমনি অন্য বহু সমস্যার কারণ। তাই সমাজকর্ম সমস্যা সমাধানে প্রতিকার ও প্রতিরোধমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করে। সমাজকর্ম সমাজের সকল শ্রেণির জনগণের সমস্যা মোকাবিলাপূর্বক তাদের আর্থসামাজিক উন্নয়নে সম্ভাব্য ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানে প্রচেষ্টা চালায়। সমাজকর্ম শুধু কোনো নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর জন্যে নয়, বরং সকল জনগোষ্ঠীর সামাজিক, অর্থনৈতিক, আবেগীয়, মানসিক প্রভৃতি বিভিন্ন দিকের কল্যাণ লাভে প্রচেষ্টা গ্রহণ করে থাকে। সমাজের প্রতিটি স্তরেই সমস্যা বিদ্যমান। যেমন- পতিতাবৃত্তি, যৌতুক, বাল্যবিবাহ, বেকারত্ব, নারী নির্যাতন, কিশোর অপরাধ প্রভৃতি। এ সমস্যাগুলো মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ক্ষেত্রে নানা প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে। এ সমস্যা সমাধানে সমাজকর্ম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সংশোধনমূলক কার্যক্রম গ্রহণ করে। উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, সামাজিক সমস্যার কার্যক্রম সমাধানের প্রেক্ষিতেই সমাজকর্মের উদ্ভব হয়েছে। এক্ষেত্রে সমাজকর্ম ত্রিমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করে কার্যকর সমাধান কৌশল উদ্ভাবন করে। আর উদ্দীপকের স্বর্ণার কথায় সমাজকর্মের এ দৃষ্টিভঙ্গিরই প্রতিফলন ঘটেছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCSocial Work 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

স্বর্ণা জাতীয় যাদুঘরে সংরক্ষিত প্রাচীন আমলের বিভিন্ন পুরাকীর্তি দেখে মুগ্ধ হয়েছে। তার ধারণা সে সময়ের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য অনেক উন্নত ছিল, যা সে পুস্তক থেকে জেনেছে। তার ইচ্ছা এ বিষয় নিয়ে সে গভীর অনুসন্ধান করবে। তাহলেই সে প্রাচীন আমলের ব্যবহার্য জিনিসপত্র, আচার-আচরণ ও বিভিন্ন সংস্কৃতির ইতিহাস জানতে পারবে। স্বর্ণা বলে, এ দেশে বহু সমস্যা রয়েছে যার শিকড় সমাজের অনেক গভীরে। যেমন- পতিতাবৃত্তি, যৌতুক, বাল্যবিবাহ প্রভৃতি। এ সমস্যা সমাজে নানা সমস্যার সৃষ্টি করছে। আবার এর পাশাপাশি বহু বিষয়গত জ্ঞানের শাখা সৃষ্টি হয়েছে এবং এর সমাধানে প্রতিকার ও প্রতিরোধে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
ক
সমাজবিজ্ঞানের সংজ্ঞা দাও।

উত্তর

মানবসমাজ এবং সামাজিক সম্পর্ক নিয়ে বিজ্ঞানের যে শাখা আলোচনা করে তাকে সমাজবিজ্ঞান বলে।
খ
. সমাজকর্মীর নিকট সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞান প্রয়োজন কেন?

উত্তর

সমাজবিজ্ঞান ও সমাজকর্মের বিষয়বস্তু সমাজ ও সমাজের মানুষকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। সমাজবিজ্ঞান সমাজ ও সামাজিক সম্পর্কে বিজ্ঞানসম্মত বিশ্লেষণ করে গোটা সমাজ সম্পর্কে বস্তুনিষ্ট জ্ঞানদান করে। আর সমাজকর্ম সামাজিক সম্পর্কের বিভিন্ন পর্যায় সৃষ্ট সমস্যার সমাধান নিয়ে আলোচনা করে। দুটি বিষয়ের পারস্পরিক সম্পর্কের বিষয় সমাজবিজ্ঞানী স্যামুয়েল কোনিগ সুন্দরভাবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জীববিজ্ঞান, ও জীবাণুবিজ্ঞানের সঙ্গে প্রকৌশলবিদ্যার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। জীববিজ্ঞান ও জীবাণুবিজ্ঞানের তত্ত্বগত ও পরীক্ষামূলক গবেষণা ছাড়া যেমন মানবদেহের রোগ চিকিৎসা সম্ভব নয় তেমান সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞান ছাড়া সামাজিক চিকিৎসক হিসেবে সমাজকর্মীদের সামাজিক ব্যাধি মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। তাই সমাজকর্মীদের নিকট সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞান প্রয়োজন।
গ
স্বর্ণা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ওপর গভীর অনুসন্ধানে কোন বিষয়ের জ্ঞানের ওপর অধিক নির্ভর করবে ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

স্বর্ণা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ওপর গভীর অনুসন্ধানে 'নৃবিজ্ঞান' বিষয়ের জ্ঞানের ওপর অধিক নির্ভর করবে। নৃবিজ্ঞান মানুষের অর্জিত ব্যবহার নিয়ে গবেষণা করে। নৃবিজ্ঞানের দুটি শাখার মাধ্যমে মানবজাতির অতীত ইতিহাস, বিবর্তন সুশৃঙ্খলভাবে ফুটে ওঠে। প্রথমত, দৈহিক নৃবিজ্ঞানের মাধ্যমে মানুষের উৎপত্তি, বিকাশ ও দৈহিক গঠনপ্রণালি নিয়ে আলোচনা করে। পৃথিবীর বিভিন্ন মানবগোষ্ঠীর বর্ণ পরিচয় এবং তাদের ওপর পরিবেশের প্রভাব নিয়ে দৈহিক নৃবিজ্ঞান পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালায়। দ্বিতীয়ত, সাংস্কৃতিক নৃবিজ্ঞানে আদিম মানুষের সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বিষয় নিয়ে গবেষণা করা হয়। এতে আদিম উৎপাদন পদ্ধতি, পরিবার ও বিবাহ প্রথা, সরকার, আইন, যাদুবিদ্যা, শিল্পকলা, সামাজিক প্রথা প্রতিষ্ঠান প্রভৃতি অর্জিত ব্যবহার সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। তাই দেখা যায়, স্বর্ণা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ওপর গভীর অনুসন্ধানের জন্য 'নৃবিজ্ঞান' বিষয়ের জ্ঞানের বিকল্প নেই।
ঘ
সমাজ পরিবর্তনের কারণে সমস্যার উত্তরণের পাশাপাশি কোন বিষয়গত জ্ঞানের উদ্ভব ঘটেছে? স্বর্ণার বক্তব্যের আলোকে ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

সমাজ পরিবর্তনের ফলে উদ্ভব সমস্যা উত্তরণে সমাজকর্ম বিষয়টির সৃষ্টি হয়। সমাজকর্ম সামাজিক সমস্যা মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে। উদ্দীপকের স্বর্ণা যেসব সমস্যার কথা উল্লেখ করেছে, সেগুলো সামাজিক সমস্যা। এগুলো প্রতিটি যেমন সমস্যা, তেমনি অন্য বহু সমস্যার কারণ। তাই সমাজকর্ম সমস্যা সমাধানে প্রতিকার ও প্রতিরোধমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করে। সমাজকর্ম সমাজের সকল শ্রেণির জনগণের সমস্যা মোকাবিলাপূর্বক তাদের আর্থসামাজিক উন্নয়নে সম্ভাব্য ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানে প্রচেষ্টা চালায়। সমাজকর্ম শুধু কোনো নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর জন্যে নয়, বরং সকল জনগোষ্ঠীর সামাজিক, অর্থনৈতিক, আবেগীয়, মানসিক প্রভৃতি বিভিন্ন দিকের কল্যাণ লাভে প্রচেষ্টা গ্রহণ করে থাকে। সমাজের প্রতিটি স্তরেই সমস্যা বিদ্যমান। যেমন- পতিতাবৃত্তি, যৌতুক, বাল্যবিবাহ, বেকারত্ব, নারী নির্যাতন, কিশোর অপরাধ প্রভৃতি। এ সমস্যাগুলো মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ক্ষেত্রে নানা প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে। এ সমস্যা সমাধানে সমাজকর্ম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সংশোধনমূলক কার্যক্রম গ্রহণ করে। উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, সামাজিক সমস্যার কার্যক্রম সমাধানের প্রেক্ষিতেই সমাজকর্মের উদ্ভব হয়েছে। এক্ষেত্রে সমাজকর্ম ত্রিমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করে কার্যকর সমাধান কৌশল উদ্ভাবন করে। আর উদ্দীপকের স্বর্ণার কথায় সমাজকর্মের এ দৃষ্টিভঙ্গিরই প্রতিফলন ঘটেছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCSocial Work 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রাজিব আহসান একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএসএস ডিগ্রি লাক করেন। লেখাপড়া সমাপ্ত করে চাকরির আশায় না ঘুরে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে পোলট্রি ফার্মের ব্যবসায় শুরু করেন। ঋণের টাকায় সদ্ব্যবহার করে তার ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানকে সম্প্রসারণ করেন। এখন তার প্রতিষ্ঠানে ৫০-৬০ জন যুবক কর্মরত।
ক
অর্থনীতির জনক কে

উত্তর

অর্থনীতির জনক অ্যাডাম স্মিথ।
খ
সমাজকর্মে আইন পেশার গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

আইন হলো সামাজিক মানুষের কল্যাণে রাষ্ট্র কর্তৃক প্রণীত সমাজ স্বীকৃত এমন কিছু বিধিবিধানের সমষ্টি, যা রাষ্ট্রের সব নাগরিকের আচরণ নিয়ন্ত্রণ, স্বার্থ সংরক্ষণ ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। আইন পেশা আজকের বিশ্বে স্বীকৃত সেবাপ্রদানকারী পেশাগুলোর অন্যতম। আইন পেশার দার্শনিক ভিত্তি হলো সব মানুষের কল্যাণে মানব. আচরণ নিয়ন্ত্রণ, অধিকার রক্ষা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। যা সমাজকর্ম দর্শনের সাথে সম্পৃক্ত। তাই সমাজকর্মে আইন পেশার গুরুত্ব। অপরিসীম।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত রাজিব আহসানকে ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠা লাভ করতে কোন বিষয়ের জ্ঞান সহায়তা করেছে? ব্যাখ্যা কর

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত রাজিব আহসানকে ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠা লাভ করতে অর্থনীতির জ্ঞান সহায়তা করেছে। অর্থনীতির ইংরেজি প্রতিশব্দ Economics যা গ্রিক শব্দ 'Dikonomia (ওইকোনোমিয়া) থেকে এসেছে। এর অর্থ হলো গৃহপরিচালনা। কিন্তু সময়ের আবর্তনে অর্থনীতি শব্দটি শুধু অর্থ আর গৃহপরিচালনার মধ্যে আবদ্ধ নয়। আধুনিক সমাজব্যবস্থায় এর প্রভাব ও পরিধি সর্বক্ষেত্রে বিদ্যমান। বিভিন্ন অর্থনীতিবিদগণ অর্থনীতিকে বিভিন্নভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন। বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ অ্যাডাম স্মিথ (Adam Smith) তার 'An Inquiry into the Nature and Causes of the Wealth of Nations′Nations^{\prime} গ্রে অর্থনীতির সংজ্ঞায় বলেন, "অর্থনীতি হলো এমন একটি বিষয় যা জাতিসমূহের সম্পদের প্রকৃতি এবং তার কারণ অনুসন্ধান করে।" ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এল রবিনস (Pro. L. Robbins) তার বিখ্যাত গ্রন্থ 'An Essay on the Nature and Sigificance of Economics Science′Science^{\prime} গ্রন্থে অর্থনীতির একটি প্রণিধানযোগ্য ধারণা প্রদান করেন। তাঁর মতে, "অর্থনীতি হলো এমন একটি বিজ্ঞান মা সীমাবদ্ধ সম্পদের বিকল্প ব্যবহার এবং অসীম অভাবের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের দ্বারা মানবীয় আচরণকে বিশ্লেষণ করে।" (Economics is a science which studies human behaviour relationship ative uses). between \end{s}and scarce means which hav have alternative uses). রবিনসের এ সংজ্ঞা থেকে তিনটি বিষয় অতান্ত সুস্পষ্টভাবে বেরিয়ে আসে। এগুলো হলো- ১. মানুষের অভাব অসীম, ২. সম্পদের যোগান সীমিত বা অপ্রতুল ও ৩. সীমিত সম্পদের বিকল্প ব্যবহার। সুতরাং তার সংজ্ঞায় অর্থনীতির বিষয়বস্তুর প্রায় পুরোটা এসে পড়ে। এজন্য বর্তমানে অধিকাংশ অর্থনীতিবিদ রবিনস এর প্রদত্ত সংজ্ঞাকেই গ্রহণযোগ্য সংজ্ঞা হিসেবে মনে করেন। ক উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, সীমাহীন, অভাব অনুভবকারী বাক্তি ও সমাজ কীভাবে সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে অভাব পূরণের জন্য পছন্দমতো বণ্টন করে তা নিয়ে যে শাস্ত্র আলোচনা করে তাই হলো অর্থনীতি। অর্থনীতির অন্তর্ভুক্ত বিষয়ের মধ্যে মোট উৎপাদন, সম্পদের বণ্টন, জাতীয় উৎপাদন নির্ধারণ এবং এর পরিবর্তন, ভোগ, সঞ্চয় প্রভৃতি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
ঘ
উক্ত বিষয়ের সাথে সমাজকর্মের পারস্পরিক সম্পর্ক আলোচনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের ইঙ্গিতকৃত বিষয় হলো অর্থনীতি। উক্ত বিষয়ের সাথে সমাজকর্মের পারস্পরিক সম্পর্ক নিবিড়। অর্থনীতি বা অর্থশাস্ত্র সামাজিক বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যা সমাজস্থ মানুষের অর্থনৈতিক কর্মকান্ড নিয়ে আলোচনা করে। সামাজিক কল্যাণের যে অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অর্থের দ্বারা পরিমাপ করা যায় তার আলোচনাই অর্থনীতির মধ্য বিষয় হিসেবে বিবেচিত। সমাজকর্মও সীমিত সম্পদ ও সমাজের সদস্যদের নিজস্ব সম্পদের সদ্ব্যবহারের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান ও প্রয়োজন পূরণের লক্ষ্যে কাজ করে। তাই সমাজকর্ম ও অর্থনীতি একে অপরের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত। সমাজকর্ম ও অর্থনীতি উভয়ের লক্ষ্য হলো সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা। এ লক্ষ্যে সমাজকর্ম সীমিত সম্পদের সদ্ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব প্রদান করে যাতে সমস্যার যথোপযুক্ত ও স্থায়ী সমাধান সম্ভব হয় অন্যদিকে অর্থনীতি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আনয়নের জন্য সম্পদের উপযুক্ত ব্যবহার ও বরাদ্দের ওপর আলোচনা করে। সমাজের একজন নাগরিক হিসেবে সুদ্ধ সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্য মৌল মানবিক চাহিদা পূরণকল্পে সমাজকর্ম ও অর্থনীতি উভয়ই বিশেষ প্রয়াস চালায়। যেহেতু সমাজকর্ম মানুষের সমস্যার সমাধানে প্রচেষ্টা চালায়, তাই এটি মৌলিক চাহিদা পূরণের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করে। এক্ষেত্রে সমাজকর্মে সম্পদ ও অর্থনীতির জ্ঞান বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সমাজকর্ম ও অর্থনীতি উভয়ই মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে কাজ করে থাকে। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ প্রভৃতি বিষয়ে নানা কর্মসূচি পরিচালনার মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রা উন্নয়নে সমাজকর্ম যে প্রচেষ্টা চালায় অর্থনীতি ব্যক্তি ও সমন্টির দক্ষতা উন্নয়ন ও সম্পদ বৃদ্ধির মাধ্যমে তা অর্জনে সচেষ্ট থাকে। সমাজকর্ম ব্যক্তিকে তার নিজष সম্পদ ব্যবহারের মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলে। | অন্যদিকে অর্থনীতিও মানুষের সীমিত সম্পদের বিকল্প ব্যবহারের মাধ্যমে স্বাবলম্বিতা অর্জনে গুরুত্বারোপ করে থাকে। তাই দেখা যায় যে, সমাজকর্ম ও অর্থনীতি প্রাপ্ত বস্তুগত ও অবন্ধুগত সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার ও সুষম বণ্টনের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করে। সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টনে অর্থনীতির জ্ঞান সমাজকর্মে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCSocial Work 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রাজিব আহসান একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএসএস ডিগ্রি লাক করেন। লেখাপড়া সমাপ্ত করে চাকরির আশায় না ঘুরে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে পোলট্রি ফার্মের ব্যবসায় শুরু করেন। ঋণের টাকায় সদ্ব্যবহার করে তার ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানকে সম্প্রসারণ করেন। এখন তার প্রতিষ্ঠানে ৫০-৬০ জন যুবক কর্মরত।
ক
অর্থনীতির জনক কে

উত্তর

অর্থনীতির জনক অ্যাডাম স্মিথ।
খ
সমাজকর্মে আইন পেশার গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

আইন হলো সামাজিক মানুষের কল্যাণে রাষ্ট্র কর্তৃক প্রণীত সমাজ স্বীকৃত এমন কিছু বিধিবিধানের সমষ্টি, যা রাষ্ট্রের সব নাগরিকের আচরণ নিয়ন্ত্রণ, স্বার্থ সংরক্ষণ ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। আইন পেশা আজকের বিশ্বে স্বীকৃত সেবাপ্রদানকারী পেশাগুলোর অন্যতম। আইন পেশার দার্শনিক ভিত্তি হলো সব মানুষের কল্যাণে মানব. আচরণ নিয়ন্ত্রণ, অধিকার রক্ষা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। যা সমাজকর্ম দর্শনের সাথে সম্পৃক্ত। তাই সমাজকর্মে আইন পেশার গুরুত্ব। অপরিসীম।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত রাজিব আহসানকে ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠা লাভ করতে কোন বিষয়ের জ্ঞান সহায়তা করেছে? ব্যাখ্যা কর

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত রাজিব আহসানকে ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠা লাভ করতে অর্থনীতির জ্ঞান সহায়তা করেছে। অর্থনীতির ইংরেজি প্রতিশব্দ Economics যা গ্রিক শব্দ 'Dikonomia (ওইকোনোমিয়া) থেকে এসেছে। এর অর্থ হলো গৃহপরিচালনা। কিন্তু সময়ের আবর্তনে অর্থনীতি শব্দটি শুধু অর্থ আর গৃহপরিচালনার মধ্যে আবদ্ধ নয়। আধুনিক সমাজব্যবস্থায় এর প্রভাব ও পরিধি সর্বক্ষেত্রে বিদ্যমান। বিভিন্ন অর্থনীতিবিদগণ অর্থনীতিকে বিভিন্নভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন। বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ অ্যাডাম স্মিথ (Adam Smith) তার 'An Inquiry into the Nature and Causes of the Wealth of Nations′Nations^{\prime} গ্রে অর্থনীতির সংজ্ঞায় বলেন, "অর্থনীতি হলো এমন একটি বিষয় যা জাতিসমূহের সম্পদের প্রকৃতি এবং তার কারণ অনুসন্ধান করে।" ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এল রবিনস (Pro. L. Robbins) তার বিখ্যাত গ্রন্থ 'An Essay on the Nature and Sigificance of Economics Science′Science^{\prime} গ্রন্থে অর্থনীতির একটি প্রণিধানযোগ্য ধারণা প্রদান করেন। তাঁর মতে, "অর্থনীতি হলো এমন একটি বিজ্ঞান মা সীমাবদ্ধ সম্পদের বিকল্প ব্যবহার এবং অসীম অভাবের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের দ্বারা মানবীয় আচরণকে বিশ্লেষণ করে।" (Economics is a science which studies human behaviour relationship ative uses). between \end{s}and scarce means which hav have alternative uses). রবিনসের এ সংজ্ঞা থেকে তিনটি বিষয় অতান্ত সুস্পষ্টভাবে বেরিয়ে আসে। এগুলো হলো- ১. মানুষের অভাব অসীম, ২. সম্পদের যোগান সীমিত বা অপ্রতুল ও ৩. সীমিত সম্পদের বিকল্প ব্যবহার। সুতরাং তার সংজ্ঞায় অর্থনীতির বিষয়বস্তুর প্রায় পুরোটা এসে পড়ে। এজন্য বর্তমানে অধিকাংশ অর্থনীতিবিদ রবিনস এর প্রদত্ত সংজ্ঞাকেই গ্রহণযোগ্য সংজ্ঞা হিসেবে মনে করেন। ক উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, সীমাহীন, অভাব অনুভবকারী বাক্তি ও সমাজ কীভাবে সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে অভাব পূরণের জন্য পছন্দমতো বণ্টন করে তা নিয়ে যে শাস্ত্র আলোচনা করে তাই হলো অর্থনীতি। অর্থনীতির অন্তর্ভুক্ত বিষয়ের মধ্যে মোট উৎপাদন, সম্পদের বণ্টন, জাতীয় উৎপাদন নির্ধারণ এবং এর পরিবর্তন, ভোগ, সঞ্চয় প্রভৃতি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
ঘ
উক্ত বিষয়ের সাথে সমাজকর্মের পারস্পরিক সম্পর্ক আলোচনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের ইঙ্গিতকৃত বিষয় হলো অর্থনীতি। উক্ত বিষয়ের সাথে সমাজকর্মের পারস্পরিক সম্পর্ক নিবিড়। অর্থনীতি বা অর্থশাস্ত্র সামাজিক বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যা সমাজস্থ মানুষের অর্থনৈতিক কর্মকান্ড নিয়ে আলোচনা করে। সামাজিক কল্যাণের যে অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অর্থের দ্বারা পরিমাপ করা যায় তার আলোচনাই অর্থনীতির মধ্য বিষয় হিসেবে বিবেচিত। সমাজকর্মও সীমিত সম্পদ ও সমাজের সদস্যদের নিজস্ব সম্পদের সদ্ব্যবহারের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান ও প্রয়োজন পূরণের লক্ষ্যে কাজ করে। তাই সমাজকর্ম ও অর্থনীতি একে অপরের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত। সমাজকর্ম ও অর্থনীতি উভয়ের লক্ষ্য হলো সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা। এ লক্ষ্যে সমাজকর্ম সীমিত সম্পদের সদ্ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব প্রদান করে যাতে সমস্যার যথোপযুক্ত ও স্থায়ী সমাধান সম্ভব হয় অন্যদিকে অর্থনীতি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আনয়নের জন্য সম্পদের উপযুক্ত ব্যবহার ও বরাদ্দের ওপর আলোচনা করে। সমাজের একজন নাগরিক হিসেবে সুদ্ধ সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্য মৌল মানবিক চাহিদা পূরণকল্পে সমাজকর্ম ও অর্থনীতি উভয়ই বিশেষ প্রয়াস চালায়। যেহেতু সমাজকর্ম মানুষের সমস্যার সমাধানে প্রচেষ্টা চালায়, তাই এটি মৌলিক চাহিদা পূরণের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করে। এক্ষেত্রে সমাজকর্মে সম্পদ ও অর্থনীতির জ্ঞান বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সমাজকর্ম ও অর্থনীতি উভয়ই মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে কাজ করে থাকে। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ প্রভৃতি বিষয়ে নানা কর্মসূচি পরিচালনার মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রা উন্নয়নে সমাজকর্ম যে প্রচেষ্টা চালায় অর্থনীতি ব্যক্তি ও সমন্টির দক্ষতা উন্নয়ন ও সম্পদ বৃদ্ধির মাধ্যমে তা অর্জনে সচেষ্ট থাকে। সমাজকর্ম ব্যক্তিকে তার নিজष সম্পদ ব্যবহারের মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলে। | অন্যদিকে অর্থনীতিও মানুষের সীমিত সম্পদের বিকল্প ব্যবহারের মাধ্যমে স্বাবলম্বিতা অর্জনে গুরুত্বারোপ করে থাকে। তাই দেখা যায় যে, সমাজকর্ম ও অর্থনীতি প্রাপ্ত বস্তুগত ও অবন্ধুগত সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার ও সুষম বণ্টনের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করে। সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টনে অর্থনীতির জ্ঞান সমাজকর্মে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCSocial Work 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

বাংলাদেশকে নিরক্ষরমুক্ত করতে ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচি চালু করেছে। ১৯৮৫ সালে ব্র্যাকে কর্মসূচি চালু করে। প্রাথমিকভাবে ১৯৮৫ সালে মানিকগঞ্জ জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ২২টি স্কুল চালুর মাধ্যমে এ কর্মসূচির বাস্তবায়ন শুরু হয়। বর্তমানে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় ব্র্যাকের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৬ হাজারে। এ প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে প্রায় ৩০ লক্ষ ছাত্রছাত্রী ও মানুষ সেবা নিচ্ছে যাদের শতকরা প্রায় ৫৫ ভাগ মেয়ে।
ক
The Wealth of Nations′Nations^{\prime} গ্রন্থটি কার লেখা?

উত্তর

The Wealth of Nations′Nations^{\prime} গ্রন্থটি অর্থনীতিবিদ অ্যাডাম স্মিথের লেখা।
খ
সমাজকর্মে যেকোনো পরিকল্পনা সফল করতে অর্থনীতির জ্ঞান কেন প্রয়োজন?

উত্তর

সয়াজকর্মে যেকোনো পরিকল্পনা সফল করতে অর্থনীতির জ্ঞান প্রয়োজন হয় অর্থের সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করতে। সমাজকর্মে যেকোনো পরিকল্পনার জন্য অর্থের প্রয়োজন হয়। কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য অর্থকে সঠিকভাবে ব্যয় করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায় অর্থের পরিকল্পনামাফিক ব্যবহারের অভাবে সমাজকর্মের যেকোনো পরিকল্পনা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। আর এ বিষয়টি নিশ্চিতকরণে অর্থনীতির জ্ঞান সহায়তা করে বলে সমাজকর্মে যেকোনো পরিকল্পনা সফল করতে অর্থনীতির জ্ঞান প্রয়োজন হয়।
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত ব্র্যাকের কার্যকলাপ সফল করতে অর্থনীতির জ্ঞান কীভাবে সহায়ক? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত ব্র্যাকের কার্যকলাপ সফল করতে অর্থনীতির জ্ঞান সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখার মাধ্যমে সহায়ক। সমাজের কল্যাণে যেভাবে সমাজকর্ম ভূমিকা রাখে সেভাবে অর্থনীতির জ্ঞানও সহায়তা করে। কল্যাণ রাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য হলো সামাজিক উন্নয়ন সুনিশ্চিত করা। আর অর্থনৈতিক কার্যাবলি সম্পাদন ব্যতীত তা করা অসম্ভব। এ কারণেই অর্থনীতির জ্ঞান অর্থনৈতিক কার্যাবলি সম্পাদনের মাধ্যমে সমাজকল্যাণ নিশ্চিতকরণে সহায়তা করে থাকে। উদ্দীপকের ব্র্যাকের কার্যকলাপ সফল করতেও অর্থনীতির জ্ঞান এ প্রেক্ষিতেই সহায়তা করতে পারে। উক্ত আলোচনায় বাংলাদেশকে নিরক্ষরমুক্ত করতে ব্র্যাকের শিক্ষা কর্মসূচির ভূমিকা তুলে ধরা হয়েছে।' প্রাথমিকভাবে তারা মানিকগঞ্জ জেলায় ১৯৮৫ সালে পরীক্ষামূলকভাবে ২২টি স্কুল চালুর মাধ্যমে কর্মসূচির বাস্তবায়ন শুরু করে। বর্তমানে যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৬ হাজারে সেখানে প্রায় ৩০ লক্ষ ছাত্র-ছাত্রী ও মানুষ সেবা নিচ্ছে। ব্র্যাকের এ মহতী কার্যক্রম পরিচালনা অর্থ ছাড়া অসম্ভব ছিল। এক্ষেত্রে অর্থনৈতিক কার্যাবলির মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে তা পরিকল্পনামাফিকভাবে সমাজকল্যাণে ব্যয় করা হয়েছে। আর এ সমগ্র প্রক্রিয়ায় অর্থনীতির জ্ঞান প্রত্যক্ষভাবে সহায়তা করেছে বলেই ব্র্যাকের কর্মসূচি সফল হয়েছে। পরিশেষে বলা যায়, এভাবেই ব্র্যাকের কল্যাণমূলক কার্যকলাপ সফল করতে অর্থনীতির জ্ঞান সহায়ক ভূমিকা রেখেছে।
ঘ
উদ্দীপকে বর্ণিত ব্র্যাকের কার্যকলাপ সফল করতে অর্থনীতির জ্ঞান কীভাবে সহায়ক? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে আলোচিত ব্র্যাকের নিরক্ষরতা দূরীকরণের উদ্দেশ্যে পরিচালিত কর্মসূচি অর্থনৈতিক জ্ঞানের প্রয়োগের মাধ্যমে সমাজকল্যাণ নিশ্চিত করায় এটি সমাজকর্ম এবং অর্থনীতির জ্ঞানের সংমিশ্রিত রূপের প্রকাশ। ব্র্যাকের শিক্ষা কর্মসূচি সামাজিক উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। শিক্ষার মাধ্যমে ব্যক্তি নিজে যেমন অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে স্বাবলম্বী হয়, তেমনি দেশ বা জাতির মানবসম্পদ সমৃদ্ধ হয়। তাই সমাজের সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ব্র্যাকের কর্মসূচিতে অর্থনীতি ও সমাজকর্ম সহায়ক ভূমিকা পালন করে। যেকোনো দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের অপরিহার্য দুটি খাত হলো অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামাজিক উন্নয়ন। অর্থনৈতিক উন্নয়ন দ্বারা দেশের প্রাপ্ত সম্পদের যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে জাতীয় আয়, মাথাপিছু আয় ও উৎপাদন ক্ষমতা দীর্ঘ সময়ের জন্য বৃদ্ধি করা হয়। অন্যদিকে অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রভাবে সমাজ কাঠামোতে যে পরিবর্তন সূচনা হয়, তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সম্পদের সুষম বণ্টন, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং জনগণের দৃষ্টিভঙ্গি ও মানসিকতার পরিবর্তন হলো সামাজিক উন্নয়ন। অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন একটি অবিচ্ছিন্ন প্রক্রিয়া। যেমন- অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে যদি জাতীয় আয় ও মাথাপিছু আয় বাড়াতে হয়, তবে সামাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে জনসংখ্যা বৃদ্ধি হ্রাস এবং শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা দ্বারা মানব সম্পদ উন্নয়ন ও সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টন করতে হয়। এজন্য অর্থনৈতিক উন্নয়নকে অর্থবহ করে তোলার জন্য সামাজিক উন্নয়ন অপরিহার্য। অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের অর্থনীতি ও সমাজকর্ম সহায়ক ভূমিকা পালন করে। সুতরাং বলা যায়, ব্র্যাকের উল্লিখিত কর্মসূচি মূলত সমাজকর্ম ও অর্থনীতির সম্মিলিত প্রকাশ। তাই এর সফলতা এই দুই বিষয়ের জ্ঞানের সংমিশ্রিত রূপকে প্রকাশ ঘটাবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCSocial Work 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

বাংলাদেশকে নিরক্ষরমুক্ত করতে ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচি চালু করেছে। ১৯৮৫ সালে ব্র্যাকে কর্মসূচি চালু করে। প্রাথমিকভাবে ১৯৮৫ সালে মানিকগঞ্জ জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ২২টি স্কুল চালুর মাধ্যমে এ কর্মসূচির বাস্তবায়ন শুরু হয়। বর্তমানে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় ব্র্যাকের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৬ হাজারে। এ প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে প্রায় ৩০ লক্ষ ছাত্রছাত্রী ও মানুষ সেবা নিচ্ছে যাদের শতকরা প্রায় ৫৫ ভাগ মেয়ে।
ক
The Wealth of Nations′Nations^{\prime} গ্রন্থটি কার লেখা?

উত্তর

The Wealth of Nations′Nations^{\prime} গ্রন্থটি অর্থনীতিবিদ অ্যাডাম স্মিথের লেখা।
খ
সমাজকর্মে যেকোনো পরিকল্পনা সফল করতে অর্থনীতির জ্ঞান কেন প্রয়োজন?

উত্তর

সয়াজকর্মে যেকোনো পরিকল্পনা সফল করতে অর্থনীতির জ্ঞান প্রয়োজন হয় অর্থের সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করতে। সমাজকর্মে যেকোনো পরিকল্পনার জন্য অর্থের প্রয়োজন হয়। কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য অর্থকে সঠিকভাবে ব্যয় করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায় অর্থের পরিকল্পনামাফিক ব্যবহারের অভাবে সমাজকর্মের যেকোনো পরিকল্পনা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। আর এ বিষয়টি নিশ্চিতকরণে অর্থনীতির জ্ঞান সহায়তা করে বলে সমাজকর্মে যেকোনো পরিকল্পনা সফল করতে অর্থনীতির জ্ঞান প্রয়োজন হয়।
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত ব্র্যাকের কার্যকলাপ সফল করতে অর্থনীতির জ্ঞান কীভাবে সহায়ক? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত ব্র্যাকের কার্যকলাপ সফল করতে অর্থনীতির জ্ঞান সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখার মাধ্যমে সহায়ক। সমাজের কল্যাণে যেভাবে সমাজকর্ম ভূমিকা রাখে সেভাবে অর্থনীতির জ্ঞানও সহায়তা করে। কল্যাণ রাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য হলো সামাজিক উন্নয়ন সুনিশ্চিত করা। আর অর্থনৈতিক কার্যাবলি সম্পাদন ব্যতীত তা করা অসম্ভব। এ কারণেই অর্থনীতির জ্ঞান অর্থনৈতিক কার্যাবলি সম্পাদনের মাধ্যমে সমাজকল্যাণ নিশ্চিতকরণে সহায়তা করে থাকে। উদ্দীপকের ব্র্যাকের কার্যকলাপ সফল করতেও অর্থনীতির জ্ঞান এ প্রেক্ষিতেই সহায়তা করতে পারে। উক্ত আলোচনায় বাংলাদেশকে নিরক্ষরমুক্ত করতে ব্র্যাকের শিক্ষা কর্মসূচির ভূমিকা তুলে ধরা হয়েছে।' প্রাথমিকভাবে তারা মানিকগঞ্জ জেলায় ১৯৮৫ সালে পরীক্ষামূলকভাবে ২২টি স্কুল চালুর মাধ্যমে কর্মসূচির বাস্তবায়ন শুরু করে। বর্তমানে যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৬ হাজারে সেখানে প্রায় ৩০ লক্ষ ছাত্র-ছাত্রী ও মানুষ সেবা নিচ্ছে। ব্র্যাকের এ মহতী কার্যক্রম পরিচালনা অর্থ ছাড়া অসম্ভব ছিল। এক্ষেত্রে অর্থনৈতিক কার্যাবলির মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে তা পরিকল্পনামাফিকভাবে সমাজকল্যাণে ব্যয় করা হয়েছে। আর এ সমগ্র প্রক্রিয়ায় অর্থনীতির জ্ঞান প্রত্যক্ষভাবে সহায়তা করেছে বলেই ব্র্যাকের কর্মসূচি সফল হয়েছে। পরিশেষে বলা যায়, এভাবেই ব্র্যাকের কল্যাণমূলক কার্যকলাপ সফল করতে অর্থনীতির জ্ঞান সহায়ক ভূমিকা রেখেছে।
ঘ
উদ্দীপকে বর্ণিত ব্র্যাকের কার্যকলাপ সফল করতে অর্থনীতির জ্ঞান কীভাবে সহায়ক? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে আলোচিত ব্র্যাকের নিরক্ষরতা দূরীকরণের উদ্দেশ্যে পরিচালিত কর্মসূচি অর্থনৈতিক জ্ঞানের প্রয়োগের মাধ্যমে সমাজকল্যাণ নিশ্চিত করায় এটি সমাজকর্ম এবং অর্থনীতির জ্ঞানের সংমিশ্রিত রূপের প্রকাশ। ব্র্যাকের শিক্ষা কর্মসূচি সামাজিক উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। শিক্ষার মাধ্যমে ব্যক্তি নিজে যেমন অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে স্বাবলম্বী হয়, তেমনি দেশ বা জাতির মানবসম্পদ সমৃদ্ধ হয়। তাই সমাজের সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ব্র্যাকের কর্মসূচিতে অর্থনীতি ও সমাজকর্ম সহায়ক ভূমিকা পালন করে। যেকোনো দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের অপরিহার্য দুটি খাত হলো অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামাজিক উন্নয়ন। অর্থনৈতিক উন্নয়ন দ্বারা দেশের প্রাপ্ত সম্পদের যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে জাতীয় আয়, মাথাপিছু আয় ও উৎপাদন ক্ষমতা দীর্ঘ সময়ের জন্য বৃদ্ধি করা হয়। অন্যদিকে অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রভাবে সমাজ কাঠামোতে যে পরিবর্তন সূচনা হয়, তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সম্পদের সুষম বণ্টন, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং জনগণের দৃষ্টিভঙ্গি ও মানসিকতার পরিবর্তন হলো সামাজিক উন্নয়ন। অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন একটি অবিচ্ছিন্ন প্রক্রিয়া। যেমন- অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে যদি জাতীয় আয় ও মাথাপিছু আয় বাড়াতে হয়, তবে সামাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে জনসংখ্যা বৃদ্ধি হ্রাস এবং শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা দ্বারা মানব সম্পদ উন্নয়ন ও সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টন করতে হয়। এজন্য অর্থনৈতিক উন্নয়নকে অর্থবহ করে তোলার জন্য সামাজিক উন্নয়ন অপরিহার্য। অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের অর্থনীতি ও সমাজকর্ম সহায়ক ভূমিকা পালন করে। সুতরাং বলা যায়, ব্র্যাকের উল্লিখিত কর্মসূচি মূলত সমাজকর্ম ও অর্থনীতির সম্মিলিত প্রকাশ। তাই এর সফলতা এই দুই বিষয়ের জ্ঞানের সংমিশ্রিত রূপকে প্রকাশ ঘটাবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো