Chapter 2 : যৌক্তিক বিভাগ Logic 2nd Paper

HSC Logic 2nd Paper এর Chapter 2 : যৌক্তিক বিভাগ অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

১,০১১

প্রশ্ন

Logic 2nd Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCLogic 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Barisal · 2017

ক
যৌক্তিক বিভাগ কী?

উত্তর

কোনো একটি সূত্র বা নীতির ভিত্তিতে একটি জাতি বা উচ্চতর শ্রেণিকে তার অন্তর্গত উপজাতি বা নিম্নতর শ্রেণিসমূহে বিভক্ত করার প্রক্রিয়াকে যৌক্তিক বিভাগ (Logical Division) বলে।
খ
উল্লম্ফন বিভাগ যুক্তিদোষ বলতে কী বোঝায় ?

উত্তর

যৌক্তিক বিভাগে সর্বোচ্চ পদ বা জাতির (Genus) বিভক্তকরণে তার মধ্যবর্তী স্তর বা উপজাতি (Species) বাদ পড়লে উল্লম্ফন বিভাগ নামক যুক্তিদোষ (Fallacy of Division by Leap) ঘটে। যৌক্তিক বিভাগে একটি জাতিকে তার অন্তর্গত নিকটতম উপজাতিসমূহে বিভক্ত করা হয়। এক্ষেত্রে মধ্যবর্তী কোনো স্তরকে বাদ দেওয়া যাবে না। কোনো ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম হলে অনুপপত্তি ঘটবে। এই অনুপপত্তিকে উল্লম্ফন বিভাগ অনুপপত্তি বলা হয়। যেমন- 'প্রাণী' জাতিকে বিভক্ত করতে গিয়ে 'মানুষ' উপজাতি উল্লেখ না করে 'সভ্য' ও 'অসভ্য' উপজাতিতে বিভক্ত করলে উল্লম্ফন বিভাগ অনুপপত্তি ঘটবে।
গ
ছক নং-৩ এ যৌক্তিক বিভাগের কোন বিষয়টির ইঙ্গিত পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের ছকের মাধ্যমে আমার পাঠ্যবইয়ের দ্বিকোটিক বিভাগের (Division by Dichotomy) ইঙ্গিত পাওয়া যায়। প্রখ্যাত যুক্তিবিদ জেরেমি বেনথাম (Jeremy Bentham) সর্বপ্রথম দ্বিকোটিক বিভাগ প্রবর্তন করেন। দ্বিকোটিক বিভাগ বলতে এমন একটি বিভাগ প্রক্রিয়াকে বুঝায় যেখানে কোনো শ্রেণিবাচক পদ বা জাতিকে দু'টি সংকীর্ণতর শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। যাদের একটি হলো সদর্থক পদ আর অপরটি হলো নঞর্থক পদ। অর্থাৎ দ্বিকোটিক বিভাগে বিভক্ত দু'টি উপজাতি হলো পরস্পর বিরুদ্ধ পদ। যেমন- মানুষকে 'সুন্দর' ও 'অসুন্দর' এই দুটি পরস্পর বিরুদ্ধ পদে বিভক্ত করার প্রক্রিয়া হলো দ্বিকোটিক বিভাগ । উদ্দীপকে 'মানুষ' পদকে প্রথমে এশিয়াবাসী ও অ-এশিয়াবাসী আবার 'এশিয়াবাসীকে' বাংলাদেশি ও অ-বাংলাদেশি এবং বাংলাদেশি পদকে ধর্মে বিশ্বাসী ও ধর্মে অবিশ্বাসী পদে বিভক্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রতিটি বিভক্তিতে উপজাতিগুলো পরস্পর বিরুদ্ধ পদ (Contradictory Terms) হিসেবে বিবেচিত। এই কারণে উদ্দীপকে ছকটিকে দ্বিকোটিক বিভাগ বলা যায় ।
ঘ
১নং ও ২নং ছকে যে বিষয়গুলো প্রতিফলিত হয়েছে সেগুলোর তুলনামূলক বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

দিনাজপুর বোর্ড-২০১৭ সৃজনশীল ২ এর 'ঘ' নং প্রশ্নোত্তর দেখো ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCLogic 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Barisal · 2017

ক
যৌক্তিক বিভাগ কী?

উত্তর

কোনো একটি সূত্র বা নীতির ভিত্তিতে একটি জাতি বা উচ্চতর শ্রেণিকে তার অন্তর্গত উপজাতি বা নিম্নতর শ্রেণিসমূহে বিভক্ত করার প্রক্রিয়াকে যৌক্তিক বিভাগ (Logical Division) বলে।
খ
উল্লম্ফন বিভাগ যুক্তিদোষ বলতে কী বোঝায় ?

উত্তর

যৌক্তিক বিভাগে সর্বোচ্চ পদ বা জাতির (Genus) বিভক্তকরণে তার মধ্যবর্তী স্তর বা উপজাতি (Species) বাদ পড়লে উল্লম্ফন বিভাগ নামক যুক্তিদোষ (Fallacy of Division by Leap) ঘটে। যৌক্তিক বিভাগে একটি জাতিকে তার অন্তর্গত নিকটতম উপজাতিসমূহে বিভক্ত করা হয়। এক্ষেত্রে মধ্যবর্তী কোনো স্তরকে বাদ দেওয়া যাবে না। কোনো ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম হলে অনুপপত্তি ঘটবে। এই অনুপপত্তিকে উল্লম্ফন বিভাগ অনুপপত্তি বলা হয়। যেমন- 'প্রাণী' জাতিকে বিভক্ত করতে গিয়ে 'মানুষ' উপজাতি উল্লেখ না করে 'সভ্য' ও 'অসভ্য' উপজাতিতে বিভক্ত করলে উল্লম্ফন বিভাগ অনুপপত্তি ঘটবে।
গ
ছক নং-৩ এ যৌক্তিক বিভাগের কোন বিষয়টির ইঙ্গিত পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের ছকের মাধ্যমে আমার পাঠ্যবইয়ের দ্বিকোটিক বিভাগের (Division by Dichotomy) ইঙ্গিত পাওয়া যায়। প্রখ্যাত যুক্তিবিদ জেরেমি বেনথাম (Jeremy Bentham) সর্বপ্রথম দ্বিকোটিক বিভাগ প্রবর্তন করেন। দ্বিকোটিক বিভাগ বলতে এমন একটি বিভাগ প্রক্রিয়াকে বুঝায় যেখানে কোনো শ্রেণিবাচক পদ বা জাতিকে দু'টি সংকীর্ণতর শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। যাদের একটি হলো সদর্থক পদ আর অপরটি হলো নঞর্থক পদ। অর্থাৎ দ্বিকোটিক বিভাগে বিভক্ত দু'টি উপজাতি হলো পরস্পর বিরুদ্ধ পদ। যেমন- মানুষকে 'সুন্দর' ও 'অসুন্দর' এই দুটি পরস্পর বিরুদ্ধ পদে বিভক্ত করার প্রক্রিয়া হলো দ্বিকোটিক বিভাগ । উদ্দীপকে 'মানুষ' পদকে প্রথমে এশিয়াবাসী ও অ-এশিয়াবাসী আবার 'এশিয়াবাসীকে' বাংলাদেশি ও অ-বাংলাদেশি এবং বাংলাদেশি পদকে ধর্মে বিশ্বাসী ও ধর্মে অবিশ্বাসী পদে বিভক্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রতিটি বিভক্তিতে উপজাতিগুলো পরস্পর বিরুদ্ধ পদ (Contradictory Terms) হিসেবে বিবেচিত। এই কারণে উদ্দীপকে ছকটিকে দ্বিকোটিক বিভাগ বলা যায় ।
ঘ
১নং ও ২নং ছকে যে বিষয়গুলো প্রতিফলিত হয়েছে সেগুলোর তুলনামূলক বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

দিনাজপুর বোর্ড-২০১৭ সৃজনশীল ২ এর 'ঘ' নং প্রশ্নোত্তর দেখো ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCLogic 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত বি.পি.এল এর সবগুলো ম্যাচ দেখার পর আশরাফ তার বন্ধু আতিককে বললো, বিপিএল-এর সব খেলাই ভালো মানের। উত্তরে আতিক বললো, আমিও এ পর্যন্ত যে কয়টি ম্যাচ দেখেছি সেগুলো ভালো মানের ছিল। তাই বলা যায়, বিপিএল-এর সব খেলা হয় ভালো মানের।

Jessore · 2017

ক
প্রকৃত আরোহ কী?

উত্তর

যে অনুমান প্রক্রিয়ায় আরোহের মূল বৈশিষ্ট্যে আরোহমূলক লম্ফ উপস্থিত থাকে তাকে প্রকৃত আরোহ (Proper Induction) বলে।
খ
আরোহমূলক লম্ফ বলতে কী বোঝ?

উত্তর

কতিপয় বিশেষ দৃষ্টান্ত থেকে একটি সার্বিক সিদ্ধান্ত স্থাপন করার প্রক্রিয়াই হলো আরোহমূলক লম্ফ (Inductive Leap)। আরোহ অনুমানে আমরা কিছু থেকে সকলে, জানা থেকে অজানায়, নিরীক্ষিত থেকে অনিরীক্ষিততে পদার্পণ করি। এভাবে কতিপয় জানা ঘটনাকে ভিত্তি করে অজানা ঘটনায়, বিশেষ থেকে সার্বিক ঘটনায় উত্তরণ প্রক্রিয়াকে আরোহমূলক লম্ফ বলে। যেমন- আমার চারপাশে যত কাক দেখেছি সেগুলো সব কালো। আমার এই অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত নিলাম যে, 'সকল কাক হয় কালো'। এরূপ বিশেষ থেকে সার্বিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াকে বলে আরোহমূলক লম্ফ।
গ
উদ্দীপকে আশরাফের বক্তব্য দ্বারা কোন ধরনের আরোহকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে আশরাফের বক্তব্য পূর্ণাঙ্গ আরোহকে নির্দেশ করে । যে আরোহ অনুমানে সকল দৃষ্টান্তের পর্যবেক্ষণ বা নিরীক্ষণের ভিত্তিতে সার্বিক যুক্তিবাক্য প্রতিষ্ঠা করা হয় তাকে পূর্ণাঙ্গ আরোহ বলে। যেমন- একটি বাগানে ৫০টি ফলের গাছ আছে। প্রতিটি ফলের গাছ পর্যবেক্ষণ করে একটি সার্বিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলো— বাগানের সকল গাছই লিচুর । উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনায় ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত বিপিএল-এর সবগুলো ম্যাচ দেখার পর আশরাফ তার বন্ধু আতিককে বলে, বিপিএল-এর সকল ম্যাচের খেলাই ভালো মানের। এ বক্তব্য দেওয়ার পূর্বে আশরাফকে বিপিএল এর সকল ম্যাচের খেলা দেখতে হয়েছে। অর্থাৎ তাকে প্রতিটি দৃষ্টান্ত পরখ করতে হয়েছে। এ কারণে বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত দৃষ্টান্ত পূর্ণাঙ্গ আরোহের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ
উদ্দীপকে আতিকের বক্তব্যে যে আরোহের প্রকাশ ঘটেছে তার গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে আতিকের বক্তব্যে অবৈজ্ঞানিক আরোহের প্রকাশ ঘটেছে। কারণ সে বিপিএল-এর কয়েকটি খেলার আলোকে সার্বিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। নিচে অবৈজ্ঞানিক আরোহ অনুমানের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করা হলো— ১. লৌকিক আরোহ হিসেবে অবৈজ্ঞানিক আরোহের ব্যবহার মানব ইতিহাসে একটা প্রাচীনতম প্রচেষ্টা। কাজেই বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাত এবং অসংখ্য অভিজ্ঞতার পথ বেয়ে এই পদ্ধতিতে নির্ণীত সিদ্ধান্তগুলো যথেষ্ট মূল্য ও গুরুত্ব বহন করে । আজ সাধারণ মানুষ এই আরোহ পদ্ধতির সাহায্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকে এবং ভবিষ্যতেও মানুষের মাঝে এর ব্যবহার চলতে থাকবে। ২. অবৈজ্ঞানিক আরোহ হলো বৈজ্ঞানিক আরোহের দিকে অগ্রসর হওয়ার প্রথম পদক্ষেপ। বৈজ্ঞানিক আরোহের স্তর পৌছানোর জন্য সিঁড়ি হিসেবে কাজ করে অবৈজ্ঞানিক আরোহ । তাই এর গুরুত্ব অনস্বীকার্য। ৩. বৈজ্ঞানিক স্বতঃসিদ্ধ নিয়ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতিকে অবৈজ্ঞানিক আরোহ তার সিদ্ধান্তের ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করে। কাজেই এ পদ্ধতি মানুষের জ্ঞানের পরিসর বিস্তৃত করতে সাহায্য করে। ৪. অবৈজ্ঞানিক আরোহ আমাদের প্রকল্প গঠন করতে সহায়তা করে। বস্তুত প্রকল্পের মাধ্যমে কার্যকারণ সম্পর্ক আবিষ্কার করা সম্ভব হয়। কাজেই অবৈজ্ঞানিক আরোহ নিজে কার্যকারণ সম্বন্ধ প্রতিষ্ঠা করতে না পারলেও নিঃসন্দেহে কার্যকারণ সম্বন্ধের ইঙ্গিত বহন করে। পরিশেষে বলা যায়, যেসব ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক আরোহ অনুমান প্ৰয়োগ করে সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া সম্ভব হয় না, সেসব ক্ষেত্রে আমরা অবৈজ্ঞানিক আরোহের সরল প্রকৃতি ব্যবহার করে থাকি। কাজেই দৈনন্দিন জীবনে অবৈজ্ঞানিক আরোহের যথেষ্ট মূল্য ও গুরুত্ব রয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCLogic 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত বি.পি.এল এর সবগুলো ম্যাচ দেখার পর আশরাফ তার বন্ধু আতিককে বললো, বিপিএল-এর সব খেলাই ভালো মানের। উত্তরে আতিক বললো, আমিও এ পর্যন্ত যে কয়টি ম্যাচ দেখেছি সেগুলো ভালো মানের ছিল। তাই বলা যায়, বিপিএল-এর সব খেলা হয় ভালো মানের।

Jessore · 2017

ক
প্রকৃত আরোহ কী?

উত্তর

যে অনুমান প্রক্রিয়ায় আরোহের মূল বৈশিষ্ট্যে আরোহমূলক লম্ফ উপস্থিত থাকে তাকে প্রকৃত আরোহ (Proper Induction) বলে।
খ
আরোহমূলক লম্ফ বলতে কী বোঝ?

উত্তর

কতিপয় বিশেষ দৃষ্টান্ত থেকে একটি সার্বিক সিদ্ধান্ত স্থাপন করার প্রক্রিয়াই হলো আরোহমূলক লম্ফ (Inductive Leap)। আরোহ অনুমানে আমরা কিছু থেকে সকলে, জানা থেকে অজানায়, নিরীক্ষিত থেকে অনিরীক্ষিততে পদার্পণ করি। এভাবে কতিপয় জানা ঘটনাকে ভিত্তি করে অজানা ঘটনায়, বিশেষ থেকে সার্বিক ঘটনায় উত্তরণ প্রক্রিয়াকে আরোহমূলক লম্ফ বলে। যেমন- আমার চারপাশে যত কাক দেখেছি সেগুলো সব কালো। আমার এই অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত নিলাম যে, 'সকল কাক হয় কালো'। এরূপ বিশেষ থেকে সার্বিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াকে বলে আরোহমূলক লম্ফ।
গ
উদ্দীপকে আশরাফের বক্তব্য দ্বারা কোন ধরনের আরোহকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে আশরাফের বক্তব্য পূর্ণাঙ্গ আরোহকে নির্দেশ করে । যে আরোহ অনুমানে সকল দৃষ্টান্তের পর্যবেক্ষণ বা নিরীক্ষণের ভিত্তিতে সার্বিক যুক্তিবাক্য প্রতিষ্ঠা করা হয় তাকে পূর্ণাঙ্গ আরোহ বলে। যেমন- একটি বাগানে ৫০টি ফলের গাছ আছে। প্রতিটি ফলের গাছ পর্যবেক্ষণ করে একটি সার্বিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলো— বাগানের সকল গাছই লিচুর । উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনায় ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত বিপিএল-এর সবগুলো ম্যাচ দেখার পর আশরাফ তার বন্ধু আতিককে বলে, বিপিএল-এর সকল ম্যাচের খেলাই ভালো মানের। এ বক্তব্য দেওয়ার পূর্বে আশরাফকে বিপিএল এর সকল ম্যাচের খেলা দেখতে হয়েছে। অর্থাৎ তাকে প্রতিটি দৃষ্টান্ত পরখ করতে হয়েছে। এ কারণে বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত দৃষ্টান্ত পূর্ণাঙ্গ আরোহের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ
উদ্দীপকে আতিকের বক্তব্যে যে আরোহের প্রকাশ ঘটেছে তার গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে আতিকের বক্তব্যে অবৈজ্ঞানিক আরোহের প্রকাশ ঘটেছে। কারণ সে বিপিএল-এর কয়েকটি খেলার আলোকে সার্বিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। নিচে অবৈজ্ঞানিক আরোহ অনুমানের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করা হলো— ১. লৌকিক আরোহ হিসেবে অবৈজ্ঞানিক আরোহের ব্যবহার মানব ইতিহাসে একটা প্রাচীনতম প্রচেষ্টা। কাজেই বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাত এবং অসংখ্য অভিজ্ঞতার পথ বেয়ে এই পদ্ধতিতে নির্ণীত সিদ্ধান্তগুলো যথেষ্ট মূল্য ও গুরুত্ব বহন করে । আজ সাধারণ মানুষ এই আরোহ পদ্ধতির সাহায্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকে এবং ভবিষ্যতেও মানুষের মাঝে এর ব্যবহার চলতে থাকবে। ২. অবৈজ্ঞানিক আরোহ হলো বৈজ্ঞানিক আরোহের দিকে অগ্রসর হওয়ার প্রথম পদক্ষেপ। বৈজ্ঞানিক আরোহের স্তর পৌছানোর জন্য সিঁড়ি হিসেবে কাজ করে অবৈজ্ঞানিক আরোহ । তাই এর গুরুত্ব অনস্বীকার্য। ৩. বৈজ্ঞানিক স্বতঃসিদ্ধ নিয়ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতিকে অবৈজ্ঞানিক আরোহ তার সিদ্ধান্তের ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করে। কাজেই এ পদ্ধতি মানুষের জ্ঞানের পরিসর বিস্তৃত করতে সাহায্য করে। ৪. অবৈজ্ঞানিক আরোহ আমাদের প্রকল্প গঠন করতে সহায়তা করে। বস্তুত প্রকল্পের মাধ্যমে কার্যকারণ সম্পর্ক আবিষ্কার করা সম্ভব হয়। কাজেই অবৈজ্ঞানিক আরোহ নিজে কার্যকারণ সম্বন্ধ প্রতিষ্ঠা করতে না পারলেও নিঃসন্দেহে কার্যকারণ সম্বন্ধের ইঙ্গিত বহন করে। পরিশেষে বলা যায়, যেসব ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক আরোহ অনুমান প্ৰয়োগ করে সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া সম্ভব হয় না, সেসব ক্ষেত্রে আমরা অবৈজ্ঞানিক আরোহের সরল প্রকৃতি ব্যবহার করে থাকি। কাজেই দৈনন্দিন জীবনে অবৈজ্ঞানিক আরোহের যথেষ্ট মূল্য ও গুরুত্ব রয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCLogic 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Jessore · 2017

ক
যৌক্তিক বিভাগ কী?

উত্তর

একটি নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসারে কোনো জাতিকে (Genus) তার অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন উপজাতিতে (Species) বিভক্ত করার প্রক্রিয়াকে যৌক্তিক বিভাগ (Logical Division) বলে ।
খ
ক্ষুদ্রতম উপজাতির যৌক্তিক বিভাগ সম্ভব নয় কেন?

উত্তর

ক্ষুদ্রতম উপজাতির কোনো নিম্নতর উপজাতি থাকে না বিধায় এর যৌক্তিক বিভাগ সম্ভব নয় । যৌক্তিক বিভাগের উপজাতি হলো শ্রেণিবাচক পদ। এ জাতীয় পদকে বিভক্ত করলে একক ব্যক্তি বা বস্তু পাওয়া যায়। যৌক্তিক বিভাগের নিয়মানুযায়ী যেহেতু একক ব্যক্তি বা বস্তুর বিভাজন করা যায় না, তাই ক্ষুদ্রতম উপজাতিকেও বিভক্ত করা যায় না। যেমন: 'মানুষ' হচ্ছে একটি সর্বনিম্ন বা ক্ষুদ্রতম উপজাতি। কারণ একে বিভক্ত করলে সুমন, জামাল, সেলিম প্রভৃতি ব্যক্তি বিশেষকে পাওয়া যায়। তাই ক্ষুদ্রতম উপজাতি হিসেবে 'মানুষ' পদকে যৌক্তিকভাবে বিভক্ত করা সম্ভব নয়।
গ
ছক-১ এ কোন ধরনের বিভাগ অনুপপত্তি ঘটেছে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

ছক-১ এ উল্লম্ফন বিভাগ অনুপপত্তি (Fallacy of Division by Leap) ঘটেছে। যৌক্তিক বিভাগের ষষ্ঠ নিয়মানুযায়ী সর্বোচ্চ পদ বা জাতির (Genus) বিভক্তকরণে তার মধ্যবর্তী স্তর বা উপজাতি (Species) বাদ দেওয়া যাবে না। এ নিয়ম লঙ্ঘন করলে উল্লম্ফন বিভাগ নামক যুক্তিদোষ ঘটে। যেমন- 'প্রাণী' জাতিকে বিভক্ত করতে গিয়ে 'মানুষ' উপজাতি উল্লেখ না করে 'সভ্য' ও 'অসভ্য' উপজাতিতে বিভক্ত করলে উল্লম্ফন বিভাগজনিত অনুপপত্তি ঘটবে। ছক-১ এ উল্লিখিত 'জীব' জাতিকে 'শিক্ষিত মানুষ' ও 'অশিক্ষিত মানুষ' উপজাতিতে বিভক্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ মধ্যবর্তী স্তর হিসেবে 'মানুষ পদটি বাদ পড়েছে। এ কারণে ছক-১ এ উল্লম্ফন বিভাগজনিত অনুপপত্তি ঘটেছে।
ঘ
ছক-১ ও ছক-২ এর বিভাজন প্রক্রিয়া তোমার পঠিত বিষয়ের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

ছক-১ ও ছক-২ এর বিভাজন প্রক্রিয়া যৌক্তিক বিভাগের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। তবে এর মধ্যে ছক-১ এর বিভাজন প্রক্রিয়া ভ্রান্ত হলেও ছক-২ এর প্রক্রিয়া সঠিক। একটি নীতি বা সূত্রের ওপর ভিত্তি করে কোনো শ্রেণিকে তার অন্তর্গত উপশ্রেণিতে বিভক্ত করার প্রক্রিয়াকে যৌক্তিক বিভাগ বলে। সাধারণত বিভক্ত উপশ্রেণি দুটির মধ্যে একটিতে সূত্রের ঐ বিশেষ গুণটি বিদ্যমান থাকে । আর অন্যটিতে বিশেষ গুণটি অনুপস্থিত থাকে। যেমন- ছক-২ এ বর্ণিত মানুষ পদকে 'সভ্যতার' ভিত্তিতে সভ্য মানুষ ও অসভ্য মানুষে বিভক্ত করা হয়েছে। এ বিভক্তকরণে যৌক্তিক বিভাগের ছয়টি নিয়মই অনুসরণ করা হয়েছে । তাই এটি একটি শুদ্ধ যৌক্তিক বিভাগ I আমরা জানি, যৌক্তিক বিভাগের ষষ্ঠ নিয়ম অনুসারে ক্রমিক বিভাজনের ক্ষেত্রে প্রতিটি জাতিকে তার নিকটতম উপজাতিতে ভাগ করতে হবে। মধ্যবর্তী কোনো স্তরকে বাদ দিয়ে যৌক্তিক বিভাগ করা যাবে না।' কিন্তু ছক-১ এ মানুষ পদকে বাদ দিয়ে 'জীব' জাতিকে 'শিক্ষিত মানুষ' ও 'অশিক্ষিত মানুষ' পদে বিভক্ত করা হয়েছে। এ কারণে ছক-১ এর দৃষ্টান্ত হলো ভ্রান্ত যৌক্তিক বিভাগ। যা উল্লম্ফন বিভাগজনিত অনুপপত্তি হিসেবে পরিগণিত। পরিশেষে বলা যায়, যৌক্তিক বিভাগে একটিমাত্র মূলসূত্র অনুসরণ করে পদের বিভাগায়ন করা যায়। এ বিভাগায়ন প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ পদের মধ্যবর্তী স্তর বাদ দেওয়া যায় না। কিন্তু ছক-১ এ এই নিয়মটি লঙ্ঘন করা হয়েছে। এ কারণেই ছক-১ ও ছক-২ এর বিভাজন প্রক্রিয়ায় ভিন্নতা লক্ষণীয়

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCLogic 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Jessore · 2017

ক
যৌক্তিক বিভাগ কী?

উত্তর

একটি নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসারে কোনো জাতিকে (Genus) তার অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন উপজাতিতে (Species) বিভক্ত করার প্রক্রিয়াকে যৌক্তিক বিভাগ (Logical Division) বলে ।
খ
ক্ষুদ্রতম উপজাতির যৌক্তিক বিভাগ সম্ভব নয় কেন?

উত্তর

ক্ষুদ্রতম উপজাতির কোনো নিম্নতর উপজাতি থাকে না বিধায় এর যৌক্তিক বিভাগ সম্ভব নয় । যৌক্তিক বিভাগের উপজাতি হলো শ্রেণিবাচক পদ। এ জাতীয় পদকে বিভক্ত করলে একক ব্যক্তি বা বস্তু পাওয়া যায়। যৌক্তিক বিভাগের নিয়মানুযায়ী যেহেতু একক ব্যক্তি বা বস্তুর বিভাজন করা যায় না, তাই ক্ষুদ্রতম উপজাতিকেও বিভক্ত করা যায় না। যেমন: 'মানুষ' হচ্ছে একটি সর্বনিম্ন বা ক্ষুদ্রতম উপজাতি। কারণ একে বিভক্ত করলে সুমন, জামাল, সেলিম প্রভৃতি ব্যক্তি বিশেষকে পাওয়া যায়। তাই ক্ষুদ্রতম উপজাতি হিসেবে 'মানুষ' পদকে যৌক্তিকভাবে বিভক্ত করা সম্ভব নয়।
গ
ছক-১ এ কোন ধরনের বিভাগ অনুপপত্তি ঘটেছে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

ছক-১ এ উল্লম্ফন বিভাগ অনুপপত্তি (Fallacy of Division by Leap) ঘটেছে। যৌক্তিক বিভাগের ষষ্ঠ নিয়মানুযায়ী সর্বোচ্চ পদ বা জাতির (Genus) বিভক্তকরণে তার মধ্যবর্তী স্তর বা উপজাতি (Species) বাদ দেওয়া যাবে না। এ নিয়ম লঙ্ঘন করলে উল্লম্ফন বিভাগ নামক যুক্তিদোষ ঘটে। যেমন- 'প্রাণী' জাতিকে বিভক্ত করতে গিয়ে 'মানুষ' উপজাতি উল্লেখ না করে 'সভ্য' ও 'অসভ্য' উপজাতিতে বিভক্ত করলে উল্লম্ফন বিভাগজনিত অনুপপত্তি ঘটবে। ছক-১ এ উল্লিখিত 'জীব' জাতিকে 'শিক্ষিত মানুষ' ও 'অশিক্ষিত মানুষ' উপজাতিতে বিভক্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ মধ্যবর্তী স্তর হিসেবে 'মানুষ পদটি বাদ পড়েছে। এ কারণে ছক-১ এ উল্লম্ফন বিভাগজনিত অনুপপত্তি ঘটেছে।
ঘ
ছক-১ ও ছক-২ এর বিভাজন প্রক্রিয়া তোমার পঠিত বিষয়ের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

ছক-১ ও ছক-২ এর বিভাজন প্রক্রিয়া যৌক্তিক বিভাগের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। তবে এর মধ্যে ছক-১ এর বিভাজন প্রক্রিয়া ভ্রান্ত হলেও ছক-২ এর প্রক্রিয়া সঠিক। একটি নীতি বা সূত্রের ওপর ভিত্তি করে কোনো শ্রেণিকে তার অন্তর্গত উপশ্রেণিতে বিভক্ত করার প্রক্রিয়াকে যৌক্তিক বিভাগ বলে। সাধারণত বিভক্ত উপশ্রেণি দুটির মধ্যে একটিতে সূত্রের ঐ বিশেষ গুণটি বিদ্যমান থাকে । আর অন্যটিতে বিশেষ গুণটি অনুপস্থিত থাকে। যেমন- ছক-২ এ বর্ণিত মানুষ পদকে 'সভ্যতার' ভিত্তিতে সভ্য মানুষ ও অসভ্য মানুষে বিভক্ত করা হয়েছে। এ বিভক্তকরণে যৌক্তিক বিভাগের ছয়টি নিয়মই অনুসরণ করা হয়েছে । তাই এটি একটি শুদ্ধ যৌক্তিক বিভাগ I আমরা জানি, যৌক্তিক বিভাগের ষষ্ঠ নিয়ম অনুসারে ক্রমিক বিভাজনের ক্ষেত্রে প্রতিটি জাতিকে তার নিকটতম উপজাতিতে ভাগ করতে হবে। মধ্যবর্তী কোনো স্তরকে বাদ দিয়ে যৌক্তিক বিভাগ করা যাবে না।' কিন্তু ছক-১ এ মানুষ পদকে বাদ দিয়ে 'জীব' জাতিকে 'শিক্ষিত মানুষ' ও 'অশিক্ষিত মানুষ' পদে বিভক্ত করা হয়েছে। এ কারণে ছক-১ এর দৃষ্টান্ত হলো ভ্রান্ত যৌক্তিক বিভাগ। যা উল্লম্ফন বিভাগজনিত অনুপপত্তি হিসেবে পরিগণিত। পরিশেষে বলা যায়, যৌক্তিক বিভাগে একটিমাত্র মূলসূত্র অনুসরণ করে পদের বিভাগায়ন করা যায়। এ বিভাগায়ন প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ পদের মধ্যবর্তী স্তর বাদ দেওয়া যায় না। কিন্তু ছক-১ এ এই নিয়মটি লঙ্ঘন করা হয়েছে। এ কারণেই ছক-১ ও ছক-২ এর বিভাজন প্রক্রিয়ায় ভিন্নতা লক্ষণীয়

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো