Chapter 4 : বিধেয়ক Logic 1st Paper

HSC Logic 1st Paper এর Chapter 4 : বিধেয়ক অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৮৩৩

প্রশ্ন

Logic 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCLogic 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Barisal · 2017

ক
বিধেয়ক কী?

উত্তর

সদর্থক যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদ উদ্দেশ্য পদের সাথে যে সম্পর্ক নির্দেশ করে তাকে বলা হয় বিধেয়ক (Predicables)
খ
সমজাতীয় উপজাতির ধারণাটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

একটি জাতিকে (Genus) যখন একাধিক উপজাতিতে ভাগ করা হয় তখন ওই উপজাতিগুলোকে পরস্পরের সহযোগী বা সমজাতীয় উপজাতি (Cognate Specics) বলে। এক্ষেত্রে সহযোগী উপজাতিগুলো এক সাথে একই জাতির অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ এরা একটি বৃহত্তর জাতির ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশ বিশেষ। প্রাণিজাতির অন্তর্ভুক্ত মানুষ, গরু, ছাগল ইত্যাদি উপজাতি সম্বন্ধের দিক থেকে সহযোগী বা সমজাতীয় উপজাতি।
গ
উদ্দীপকে দানাযুক্ত ও দানামুক্ত কলার মাধ্যমে বিধেয়কের কোন ধারণাটি প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের দানাযুক্ত ও দানামুক্ত কলার মাধ্যমে বিধেয়কের আসন্নতম জাতি ও আসন্নতম উপজাতির ধারণা প্রকাশ পেয়েছে। একটি উপজাতির সবচেয়ে নিকটতম জাতিকে 'আসন্নতম জাতি' বলে। একটি উপজাতি একাধিক জাতির সাথে সম্পর্কিত হতে পারে। ব্যাপকতার দিক থেকে কোনোটি খুব কাছে; আবার কোনোটি দূরে। তবে এদের মধ্যে যেটি সবচেয়ে কাছে সেটিকে উপজাতিটির আসন্নতম জাতি বলে। যদি মানুষকে উপজাতি হিসেবে বিবেচনা করা হয় তবে তার নিকটতম বা আসন্নতম জাতি হবে জীব। একইভাবে একটি জাতি একাধিক উপজাতির সাথে সম্পর্কিত হতে পারে। উপজাতিগুলোর মধ্যে যেটি সবচেয়ে কাছে, তাকে ঐ জাতির আসন্নতম উপজাতি (Proximate Species) বলে। যেমন: 'জীব' যদি জাতি হয় তবে তার আসন্নতম উপজাতি হচ্ছে 'মানুষ' এবং মানুষের আসন্নতম উপজাতি হচ্ছে 'সৎ মানুষ'। উদ্দীপকে, দানাযুক্ত কলা হচ্ছে আসন্নতম জাতি এবং দানামুক্ত কলা হচ্ছে আসন্নতম উপজাতি।
ঘ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত বিষয় দুটির আন্তঃসম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত বিষয় দুটি হলো জাতি ও উপজাতি। এদের মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক বিদ্যমান।জাতি ও উপজাতির মধ্যে গভীর সম্পর্ক বিদ্যমান। উভয়ই শ্রেণিবাচক পদ। উভয়েরই বিশেষ বিশেষ সদস্য রয়েছে। তবে জাতি ও উপজাতি একে অন্যের সাথে অস্তিত্বের দিক থেকে নির্ভরশীল। এদের কোনোটিই এককভাবে অস্তিত্বশীল থাকতে পারে না। জাতি হতে হলে তার সাথে উপজাতি থাকতে হয় এবং উপজাতি হতে হলে তার সাথে জাতি থাকতে হয়। তবে মজার ব্যাপার হলো দুটি শ্রেণিবাচক পদের একই যুক্তিবাক্যে অবস্থানের ফলেই এদের জাতি-উপজাতি সম্পর্ক নির্ধারিত হতে পারে। এককভাবে এদেরকে জাতি-উপজাতি আখ্যা দেওয়া কঠিন। কেননা কোনো পদ এককভাবে জাতি হতে পারে না আবার উপজাতিও হতে পারে না। যেমন: 'জীব' পদটির তুলনায় মানুষ একটি উপজাতি। অন্যদিকে, সৎমানুষ, দার্শনিক, কবি ইত্যাদি পদের তুলনায় 'মানুষ' একটি জাতি। তাই যুক্তিবিদ্যায় জাতি ও উপজাতিকে কোনো যুক্তিবাক্যে ব্যবহৃত দুটি শ্রেণিবাচক পদের তুলনামূলক সম্পর্কের মাধ্যমে নির্ণয় করা হয়। সুতরাং, ওপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, জাতি ও উপজাতির আন্তঃসম্পর্ক হলো এরা একে অপরের ওপর নির্ভরশীল। একটি ছাড়া অপরটি অস্তিত্বশীল হয় না।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCLogic 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Barisal · 2017

ক
বিধেয়ক কী?

উত্তর

সদর্থক যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদ উদ্দেশ্য পদের সাথে যে সম্পর্ক নির্দেশ করে তাকে বলা হয় বিধেয়ক (Predicables)
খ
সমজাতীয় উপজাতির ধারণাটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

একটি জাতিকে (Genus) যখন একাধিক উপজাতিতে ভাগ করা হয় তখন ওই উপজাতিগুলোকে পরস্পরের সহযোগী বা সমজাতীয় উপজাতি (Cognate Specics) বলে। এক্ষেত্রে সহযোগী উপজাতিগুলো এক সাথে একই জাতির অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ এরা একটি বৃহত্তর জাতির ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশ বিশেষ। প্রাণিজাতির অন্তর্ভুক্ত মানুষ, গরু, ছাগল ইত্যাদি উপজাতি সম্বন্ধের দিক থেকে সহযোগী বা সমজাতীয় উপজাতি।
গ
উদ্দীপকে দানাযুক্ত ও দানামুক্ত কলার মাধ্যমে বিধেয়কের কোন ধারণাটি প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের দানাযুক্ত ও দানামুক্ত কলার মাধ্যমে বিধেয়কের আসন্নতম জাতি ও আসন্নতম উপজাতির ধারণা প্রকাশ পেয়েছে। একটি উপজাতির সবচেয়ে নিকটতম জাতিকে 'আসন্নতম জাতি' বলে। একটি উপজাতি একাধিক জাতির সাথে সম্পর্কিত হতে পারে। ব্যাপকতার দিক থেকে কোনোটি খুব কাছে; আবার কোনোটি দূরে। তবে এদের মধ্যে যেটি সবচেয়ে কাছে সেটিকে উপজাতিটির আসন্নতম জাতি বলে। যদি মানুষকে উপজাতি হিসেবে বিবেচনা করা হয় তবে তার নিকটতম বা আসন্নতম জাতি হবে জীব। একইভাবে একটি জাতি একাধিক উপজাতির সাথে সম্পর্কিত হতে পারে। উপজাতিগুলোর মধ্যে যেটি সবচেয়ে কাছে, তাকে ঐ জাতির আসন্নতম উপজাতি (Proximate Species) বলে। যেমন: 'জীব' যদি জাতি হয় তবে তার আসন্নতম উপজাতি হচ্ছে 'মানুষ' এবং মানুষের আসন্নতম উপজাতি হচ্ছে 'সৎ মানুষ'। উদ্দীপকে, দানাযুক্ত কলা হচ্ছে আসন্নতম জাতি এবং দানামুক্ত কলা হচ্ছে আসন্নতম উপজাতি।
ঘ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত বিষয় দুটির আন্তঃসম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত বিষয় দুটি হলো জাতি ও উপজাতি। এদের মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক বিদ্যমান।জাতি ও উপজাতির মধ্যে গভীর সম্পর্ক বিদ্যমান। উভয়ই শ্রেণিবাচক পদ। উভয়েরই বিশেষ বিশেষ সদস্য রয়েছে। তবে জাতি ও উপজাতি একে অন্যের সাথে অস্তিত্বের দিক থেকে নির্ভরশীল। এদের কোনোটিই এককভাবে অস্তিত্বশীল থাকতে পারে না। জাতি হতে হলে তার সাথে উপজাতি থাকতে হয় এবং উপজাতি হতে হলে তার সাথে জাতি থাকতে হয়। তবে মজার ব্যাপার হলো দুটি শ্রেণিবাচক পদের একই যুক্তিবাক্যে অবস্থানের ফলেই এদের জাতি-উপজাতি সম্পর্ক নির্ধারিত হতে পারে। এককভাবে এদেরকে জাতি-উপজাতি আখ্যা দেওয়া কঠিন। কেননা কোনো পদ এককভাবে জাতি হতে পারে না আবার উপজাতিও হতে পারে না। যেমন: 'জীব' পদটির তুলনায় মানুষ একটি উপজাতি। অন্যদিকে, সৎমানুষ, দার্শনিক, কবি ইত্যাদি পদের তুলনায় 'মানুষ' একটি জাতি। তাই যুক্তিবিদ্যায় জাতি ও উপজাতিকে কোনো যুক্তিবাক্যে ব্যবহৃত দুটি শ্রেণিবাচক পদের তুলনামূলক সম্পর্কের মাধ্যমে নির্ণয় করা হয়। সুতরাং, ওপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, জাতি ও উপজাতির আন্তঃসম্পর্ক হলো এরা একে অপরের ওপর নির্ভরশীল। একটি ছাড়া অপরটি অস্তিত্বশীল হয় না।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCLogic 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

সকল দার্শনিক হয় মানুষ। আমিনুল ইসলাম একজন দার্শনিক। তিনি ১৯৪৫ সালের ১লা জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কৌতুকপ্রিয়। কৌতুকপ্রিয়তার কারণে তিনি সকলের নিকট জনপ্রিয়।

Sylhet · 2017

ক
জাতি কী?

উত্তর

দুটি শ্রেণিবাচক পদ পরস্পরের সাথে সম্পর্কের দিক থেকে ব্যক্ত্যর্থের বিবেচনায় যদি একটি পদ ব্যাপক এবং অন্য পদটিকে অন্তর্ভুক্ত করে তবে ওই ব্যাপক পদটিকে পদের 'জাতি' (Genus) বলে।
খ
বিধেয় ও বিধেয়ক কি সমার্থক? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

বিধেয় (Predicate) হচ্ছে একটি পদ এবং বিধেয়ক (Predicables) একটি সম্পর্কের নাম বিধায় এরা সমার্থক নয়। যে পদ দ্বারা উদ্দেশ্য সম্বন্ধে কোনো কিছু স্বীকার বা অস্বীকার করা হয় তাকেই বলে বিধেয়। যেমন- মানুষ হয় দ্বিপদী। এ যুক্তিবাক্যে 'দ্বিপদী' কথাটি 'মানুষ' পদ সম্বন্ধে স্বীকার করা হয়েছে। কাজেই 'দ্বিপদী' পদটি বিধেয় পদ। কিন্তু এই যুক্তিবাক্যে মানুষ ও দ্বিপদী পদের মধ্যে যে বিশেষ সম্পর্ক বিদ্যমান তাকে বলা হয় বিধেয়ক। সুতরাং বিধেয় ও বিধেয়ক এক নয়। বিধেয় হচ্ছে একটি পদ। অপরদিকে, বিধেয়ক হলো একটি সম্পর্কের নাম।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ১৯৪৫ সালের ১ জানুয়ারি কোন ধরনের বিধেয়ককে নির্দেশ করে? তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত ১৯৪৫ সালের ১ জানুয়ারি হচ্ছে ব্যক্তিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ। অবান্তর লক্ষণ (Accidens) হচ্ছে পদের (Term) এমন গুণ যা কোনো পদের জাত্যর্থের (Connotation) অংশ নয় বা জাত্যর্থ থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয় না, কিন্তু পদের মধ্যে সেই গুণগুলোর উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। যেমন- বহু মানুষের চুল কালো। এ বাক্যে চুল কালো হওয়ার গুণটি মানুষ পদের অবান্তর লক্ষণ। অবান্তর লক্ষণকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। ১. ব্যক্তিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ এবং ২. ব্যক্তিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ। ব্যক্তির যে গুণগুলো তার মধ্যে সর্বদা এবং অপরিবর্তনীয়ভাবে থাকে তাকে ব্যক্তিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ বলে। যেমন- ব্যক্তির জন্মতারিখ, বংশ পরিচয় ইত্যাদি।
ঘ
কৌতুকপ্রিয় কোন ধরনের বিধেয়ক? তার শ্রেণিবিভাগ তোমার পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

কৌতুকপ্রিয় হলো অবান্তর লক্ষণ। নিচে অবান্তর লক্ষণের বিভিন্ন প্রকার উল্লেখ করা হলো। যে গুণ বা গুণসমষ্টি কোনো পদের জাত্যর্থের অংশ নয়, কিংবা জাত্যর্থ থেকে অনিবার্যভাবে বেরিয়েও আসে না, তা-ই অবান্তর লক্ষণ। যেমন- মানুষের 'সংগীতপ্রিয়তা', 'হাস্যপ্রিয়তা' গুণগুলো হলো অবান্তর লক্ষণ। অবান্তর লক্ষণকে চারভাগে ভাগ করা যায় যথা- ১. ব্যক্তিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ। যেমন- ব্যক্তির রুচি, পোশাক, পেশা ইত্যাদি। ২. ব্যক্তিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ। যেমন- ব্যক্তির জন্মস্থান, বংশ পরিচয় ইত্যাদি। ৩. শ্রেণিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ। যেমন- মানুষ শ্রেণির কালো চুল। ৪. শ্রেণিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ। যেমন- ঘোড়া শ্রেণির চতুষ্পদ গুণ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCLogic 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

সকল দার্শনিক হয় মানুষ। আমিনুল ইসলাম একজন দার্শনিক। তিনি ১৯৪৫ সালের ১লা জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কৌতুকপ্রিয়। কৌতুকপ্রিয়তার কারণে তিনি সকলের নিকট জনপ্রিয়।

Sylhet · 2017

ক
জাতি কী?

উত্তর

দুটি শ্রেণিবাচক পদ পরস্পরের সাথে সম্পর্কের দিক থেকে ব্যক্ত্যর্থের বিবেচনায় যদি একটি পদ ব্যাপক এবং অন্য পদটিকে অন্তর্ভুক্ত করে তবে ওই ব্যাপক পদটিকে পদের 'জাতি' (Genus) বলে।
খ
বিধেয় ও বিধেয়ক কি সমার্থক? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

বিধেয় (Predicate) হচ্ছে একটি পদ এবং বিধেয়ক (Predicables) একটি সম্পর্কের নাম বিধায় এরা সমার্থক নয়। যে পদ দ্বারা উদ্দেশ্য সম্বন্ধে কোনো কিছু স্বীকার বা অস্বীকার করা হয় তাকেই বলে বিধেয়। যেমন- মানুষ হয় দ্বিপদী। এ যুক্তিবাক্যে 'দ্বিপদী' কথাটি 'মানুষ' পদ সম্বন্ধে স্বীকার করা হয়েছে। কাজেই 'দ্বিপদী' পদটি বিধেয় পদ। কিন্তু এই যুক্তিবাক্যে মানুষ ও দ্বিপদী পদের মধ্যে যে বিশেষ সম্পর্ক বিদ্যমান তাকে বলা হয় বিধেয়ক। সুতরাং বিধেয় ও বিধেয়ক এক নয়। বিধেয় হচ্ছে একটি পদ। অপরদিকে, বিধেয়ক হলো একটি সম্পর্কের নাম।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ১৯৪৫ সালের ১ জানুয়ারি কোন ধরনের বিধেয়ককে নির্দেশ করে? তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত ১৯৪৫ সালের ১ জানুয়ারি হচ্ছে ব্যক্তিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ। অবান্তর লক্ষণ (Accidens) হচ্ছে পদের (Term) এমন গুণ যা কোনো পদের জাত্যর্থের (Connotation) অংশ নয় বা জাত্যর্থ থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয় না, কিন্তু পদের মধ্যে সেই গুণগুলোর উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। যেমন- বহু মানুষের চুল কালো। এ বাক্যে চুল কালো হওয়ার গুণটি মানুষ পদের অবান্তর লক্ষণ। অবান্তর লক্ষণকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। ১. ব্যক্তিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ এবং ২. ব্যক্তিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ। ব্যক্তির যে গুণগুলো তার মধ্যে সর্বদা এবং অপরিবর্তনীয়ভাবে থাকে তাকে ব্যক্তিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ বলে। যেমন- ব্যক্তির জন্মতারিখ, বংশ পরিচয় ইত্যাদি।
ঘ
কৌতুকপ্রিয় কোন ধরনের বিধেয়ক? তার শ্রেণিবিভাগ তোমার পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

কৌতুকপ্রিয় হলো অবান্তর লক্ষণ। নিচে অবান্তর লক্ষণের বিভিন্ন প্রকার উল্লেখ করা হলো। যে গুণ বা গুণসমষ্টি কোনো পদের জাত্যর্থের অংশ নয়, কিংবা জাত্যর্থ থেকে অনিবার্যভাবে বেরিয়েও আসে না, তা-ই অবান্তর লক্ষণ। যেমন- মানুষের 'সংগীতপ্রিয়তা', 'হাস্যপ্রিয়তা' গুণগুলো হলো অবান্তর লক্ষণ। অবান্তর লক্ষণকে চারভাগে ভাগ করা যায় যথা- ১. ব্যক্তিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ। যেমন- ব্যক্তির রুচি, পোশাক, পেশা ইত্যাদি। ২. ব্যক্তিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ। যেমন- ব্যক্তির জন্মস্থান, বংশ পরিচয় ইত্যাদি। ৩. শ্রেণিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ। যেমন- মানুষ শ্রেণির কালো চুল। ৪. শ্রেণিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ। যেমন- ঘোড়া শ্রেণির চতুষ্পদ গুণ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCLogic 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১: কিছু প্রাণী হয় সুন্দর। দৃশ্যকল্প-২: সকল প্রবাসীরাই দেশপ্রেমিক সুতরাং সকল দেশপ্রেমিকরাই প্রবাসী।

Chittagong · 2017

ক
অনুমান কী?

উত্তর

কোনো জ্ঞাত বিষয় বা তথ্যের ওপর নির্ভর করে কোনো অজ্ঞাত বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান লাভের মানসিক প্রক্রিয়াকে অনুমান (Inference) বলে।
খ
অবরোহ অনুমানের সিদ্ধান্ত আশ্রয় বাক্যের তুলনায় কম ব্যাপক হয় কেন?

উত্তর

অবরোহ অনুমানে সার্বিক দৃষ্টান্ত থেকে বিশেষ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় তাই সিদ্ধান্ত আশ্রয়বাক্যের তুলনায় কম ব্যাপক হয়। আমরা জানি, অবরোহ অনুমানের নিয়ম অনুযায়ী সিদ্ধান্ত আশ্রয়বাক্য থেকে বেশি ব্যাপক হতে পারবে না। সিদ্ধান্ত আশ্রয়বাক্যের সমব্যাপক বা আংশিক ব্যাপক হতে পারে। কিন্তু কোনোভাবেই আশ্রয়বাক্যের থেকে বেশি ব্যাপক হবে না। যেমন- সকল মানুষ হয় মরণশীল, রীনা হয় একজন মানুষ'। অতএব, রীনা হয় মরণশীল। এই অনুমানে সিদ্ধান্ত আশ্রয়বাক্য থেকে কম ব্যাপক।
গ
দৃশ্যকল্প-১ কোন ধরনের যুক্তিবাক্য? যুক্তিবাক্যটি প্রতিবর্তন করে দেখাও।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্য বা I বাক্য। I যুক্তিবাক্যের প্রতিবর্তন করতে হয় যুক্তিবাক্য।। যুক্তিবাক্য বিশেষ যুক্তিবাক্য হওয়ায় তার প্রতিবর্তিত হবে বিশেষ যুক্তিবাক্য। অন্যদিকে, I যুক্তিবাক্য যেহেতু সদর্থক যুক্তিবাক্য তাই প্রতিবর্তনের নিয়মানুসারে এর সিদ্ধান্ত বা প্রতিবর্তিত হবে নঞর্থক যুক্তিবাক্য। তাই দেখা যায়, I যুক্তিবাক্যের প্রতিবর্তন করতে হবে বিশেষ নঞর্থক যুক্তিবাক্যে, অর্থাৎ O যুক্তিবাক্যে। উদাহরণ: I- কিছু মানুষ হয় সৎ- প্রতিবর্তনীয় ∴ O- কিছু মানুষ নয় অসৎ- প্রতিবর্তিত। এই দৃষ্টান্তটিতে প্রতিবর্তনের কোনো নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়নি। তাই । বাক্যের প্রতিবর্তন করতে হবে বাক্যে। দৃশ্যকল্প-১ এ উল্লিখিত যুক্তিবাক্যটি হলো 'কিছু প্রাণী হয় সুন্দর' যা একটি বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্য বা I বাক্য। এর প্রতিবর্তন হবে- I - কিছু প্রাণী হয় সুন্দর- প্রতিবর্তনীয়' ∴ O - কিছু প্রাণী নয় অসুন্দর- প্রতিবর্তিত।
ঘ
দৃশ্যকল্প-২ এ বর্ণিত অনুমানটির বিচারমূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-২ এ বর্ণিত অনুমানটি আবর্তনের একটি ভ্রান্ত দৃষ্টান্ত। এখানে A বাক্যের অবৈধ সরল আবর্তন করা হয়েছে। আবর্তনের নিয়ম অনুসারে A যুক্তিবাক্যের সরল আবর্তন হয় না, কারণ A- বাক্যের আবর্তনে সিদ্ধান্ত হিসেবে পাওয়া যায় I বাক্য। A একটি সার্বিক বাক্য এবং I একটি বিশেষ বাক্য। উদারণস্বরূপ- A সকল দার্শনিক হয় মানুষ। - আবর্তনীয় ∴ I কিছু মানুষ হয় দার্শনিক। আবর্তিত। এই আবর্তনটি হলো A বাক্যের আবর্তনের একটি বৈধ দৃষ্টান্ত। আমরা জানি, আবর্তনের নিয়ম অনুসারে আশ্রয়বাক্যের অব্যাপ্য পদ কখনো সিদ্ধান্তে ব্যাপ্য হতে পারে না। তাই A বাক্যের সরল আবর্তন করতে গিয়ে যখন আশ্রয়বাক্যের অব্যাপ্য পদ সিদ্ধান্তে ব্যাপ্য হয়ে যায় তখন তা হয় অবৈধ আবর্তন। উদ্দীপকে দেওয়া আছে সকল প্রবাসীরাই দেশপ্রেমিক। সুতরাং, সকল দেশপ্রেমিকরাই প্রবাসী এর যৌক্তিক রূপ হলো- A-সকল প্রবাসীরাই হয় দেশপ্রেমিক A-সকল দেশপ্রেমিকরাই হয় প্রবাসী। এখানে A বাক্যের সরল আবর্তন করতে গিয়ে আশ্রয়বাক্যের অব্যাপ্য দেশপ্রেমিক পদটি সিদ্ধান্তে এসে ব্যাপ্য হয়ে গেছে। ফলে আবর্তনের নিয়ম লঙ্ঘন হওয়ায় এটি A বাক্যের একটি অবৈধ সরল আবর্তন। সুতরাং, বিচারমূলক বিশ্লেষণ করে বলা যায় দৃশ্যকল্প-২ এর উদাহরণটি হলো A বাক্যের আবর্তনের একটি অবৈধ দৃষ্টান্ত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCLogic 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১: কিছু প্রাণী হয় সুন্দর। দৃশ্যকল্প-২: সকল প্রবাসীরাই দেশপ্রেমিক সুতরাং সকল দেশপ্রেমিকরাই প্রবাসী।

Chittagong · 2017

ক
অনুমান কী?

উত্তর

কোনো জ্ঞাত বিষয় বা তথ্যের ওপর নির্ভর করে কোনো অজ্ঞাত বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান লাভের মানসিক প্রক্রিয়াকে অনুমান (Inference) বলে।
খ
অবরোহ অনুমানের সিদ্ধান্ত আশ্রয় বাক্যের তুলনায় কম ব্যাপক হয় কেন?

উত্তর

অবরোহ অনুমানে সার্বিক দৃষ্টান্ত থেকে বিশেষ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় তাই সিদ্ধান্ত আশ্রয়বাক্যের তুলনায় কম ব্যাপক হয়। আমরা জানি, অবরোহ অনুমানের নিয়ম অনুযায়ী সিদ্ধান্ত আশ্রয়বাক্য থেকে বেশি ব্যাপক হতে পারবে না। সিদ্ধান্ত আশ্রয়বাক্যের সমব্যাপক বা আংশিক ব্যাপক হতে পারে। কিন্তু কোনোভাবেই আশ্রয়বাক্যের থেকে বেশি ব্যাপক হবে না। যেমন- সকল মানুষ হয় মরণশীল, রীনা হয় একজন মানুষ'। অতএব, রীনা হয় মরণশীল। এই অনুমানে সিদ্ধান্ত আশ্রয়বাক্য থেকে কম ব্যাপক।
গ
দৃশ্যকল্প-১ কোন ধরনের যুক্তিবাক্য? যুক্তিবাক্যটি প্রতিবর্তন করে দেখাও।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্য বা I বাক্য। I যুক্তিবাক্যের প্রতিবর্তন করতে হয় যুক্তিবাক্য।। যুক্তিবাক্য বিশেষ যুক্তিবাক্য হওয়ায় তার প্রতিবর্তিত হবে বিশেষ যুক্তিবাক্য। অন্যদিকে, I যুক্তিবাক্য যেহেতু সদর্থক যুক্তিবাক্য তাই প্রতিবর্তনের নিয়মানুসারে এর সিদ্ধান্ত বা প্রতিবর্তিত হবে নঞর্থক যুক্তিবাক্য। তাই দেখা যায়, I যুক্তিবাক্যের প্রতিবর্তন করতে হবে বিশেষ নঞর্থক যুক্তিবাক্যে, অর্থাৎ O যুক্তিবাক্যে। উদাহরণ: I- কিছু মানুষ হয় সৎ- প্রতিবর্তনীয় ∴ O- কিছু মানুষ নয় অসৎ- প্রতিবর্তিত। এই দৃষ্টান্তটিতে প্রতিবর্তনের কোনো নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়নি। তাই । বাক্যের প্রতিবর্তন করতে হবে বাক্যে। দৃশ্যকল্প-১ এ উল্লিখিত যুক্তিবাক্যটি হলো 'কিছু প্রাণী হয় সুন্দর' যা একটি বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্য বা I বাক্য। এর প্রতিবর্তন হবে- I - কিছু প্রাণী হয় সুন্দর- প্রতিবর্তনীয়' ∴ O - কিছু প্রাণী নয় অসুন্দর- প্রতিবর্তিত।
ঘ
দৃশ্যকল্প-২ এ বর্ণিত অনুমানটির বিচারমূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-২ এ বর্ণিত অনুমানটি আবর্তনের একটি ভ্রান্ত দৃষ্টান্ত। এখানে A বাক্যের অবৈধ সরল আবর্তন করা হয়েছে। আবর্তনের নিয়ম অনুসারে A যুক্তিবাক্যের সরল আবর্তন হয় না, কারণ A- বাক্যের আবর্তনে সিদ্ধান্ত হিসেবে পাওয়া যায় I বাক্য। A একটি সার্বিক বাক্য এবং I একটি বিশেষ বাক্য। উদারণস্বরূপ- A সকল দার্শনিক হয় মানুষ। - আবর্তনীয় ∴ I কিছু মানুষ হয় দার্শনিক। আবর্তিত। এই আবর্তনটি হলো A বাক্যের আবর্তনের একটি বৈধ দৃষ্টান্ত। আমরা জানি, আবর্তনের নিয়ম অনুসারে আশ্রয়বাক্যের অব্যাপ্য পদ কখনো সিদ্ধান্তে ব্যাপ্য হতে পারে না। তাই A বাক্যের সরল আবর্তন করতে গিয়ে যখন আশ্রয়বাক্যের অব্যাপ্য পদ সিদ্ধান্তে ব্যাপ্য হয়ে যায় তখন তা হয় অবৈধ আবর্তন। উদ্দীপকে দেওয়া আছে সকল প্রবাসীরাই দেশপ্রেমিক। সুতরাং, সকল দেশপ্রেমিকরাই প্রবাসী এর যৌক্তিক রূপ হলো- A-সকল প্রবাসীরাই হয় দেশপ্রেমিক A-সকল দেশপ্রেমিকরাই হয় প্রবাসী। এখানে A বাক্যের সরল আবর্তন করতে গিয়ে আশ্রয়বাক্যের অব্যাপ্য দেশপ্রেমিক পদটি সিদ্ধান্তে এসে ব্যাপ্য হয়ে গেছে। ফলে আবর্তনের নিয়ম লঙ্ঘন হওয়ায় এটি A বাক্যের একটি অবৈধ সরল আবর্তন। সুতরাং, বিচারমূলক বিশ্লেষণ করে বলা যায় দৃশ্যকল্প-২ এর উদাহরণটি হলো A বাক্যের আবর্তনের একটি অবৈধ দৃষ্টান্ত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো