Chapter 2 : যুক্তিবিদ্যার প্রায়োগিক দিক Logic 1st Paper

HSC Logic 1st Paper এর Chapter 2 : যুক্তিবিদ্যার প্রায়োগিক দিক অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৩৪৫

প্রশ্ন

Logic 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCLogic 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মামুন সাহেবের রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট দেখে ডাক্তার বললেন, আপনি ডায়োবেটিসে আক্রান্ত। আপনাকে সুস্থ থাকতে হলে প্রতিদিন-নিয়ম করে ত্রিশ মিনিট হাঁটতে হবে। পুষ্টিকর এবং নির্ধারিত খাবার খেতে হবে। এভাবেই আপনার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে। মামুন সাহেব। বললেন, ধন্যবাদ, আমি অবশ্যই আপনার কথা অনুসরণ করব, কারণ আপনার কথায় যুক্তি আছে। [রংপুর সরকারি কলেজ]
ক
যুক্তিবিদ্যার প্রধান উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য কী?

উত্তর

যুক্তিবিদ্যার প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সত্যকে অর্জন করা।
খ
দর্শন ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জগতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়'- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

দর্শন সমগ্র জগৎ ও জীবনের সাথে যুক্ত। জগৎ বলতে অনেকে পরিদৃশ্যমান জগৎ বা ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জগৎকে বুঝিয়ে থাকেন কিন্তু দর্শনের বিষয়বস্তুর দিকে তাকালে দেখা যায় যে, এখানে এমন কতকগুলো বিষয় আছে, যা ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জগতের বাইরে। বিভিন্ন আধ্যাত্মিক বিষয় যেমন- আত্মা, ঈশ্বর, পরকাল ইত্যাদি বিষয়গুলো "পরিদৃশ্যমান জগতের বাইরে। এছাড়া এমন অনেক বিষয় আছে 'যা ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জগতের বাইরে। যেহেতু দর্শন ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জগতের বাইরের বিষয় নিয়েও আলোচনা করে, তাই বলা যায়, দর্শন ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জগতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
গ
মামুন সাহেবের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে যুক্তিবিদ্যা যেভাবে ভূমিকা রাখে তা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের মামুন সাহেবের ডায়াবেটিস নিডন্ত্রণে যুক্তিবিদ্যার ভূমিকা আছে। কেননা মামুন সাহেবের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কিছু যুক্তিসংগত নিয়মকানুন ভূমিকা রাখবে। যুক্তিবিদ্যা যুক্তিসংক্রান্ত বিদ্যা। যুক্তির জন্য সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়মকানুন রয়েছে। এছাড়া যুক্তিবিদ্যা নিজস্ব বিষয়বস্তুকে ব্যাখ্যা করার জন্য কিছু নিয়মকানুন প্রণয়ন করে। আর শুদ্ধ যুক্তি প্রদানের জন্য যুক্তির নিয়মগুলোকে যথাযথভাবে অনুসরণ করে যুক্তি প্রদান করতে হয়। তাহলেই শুদ্ধ বা যথার্থ যুক্তি প্রদান করা সম্ভব হয়। উদ্দীপকের মামুন সাহেবের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও সুনির্দিষ্ট নিয়মকানুনের ওপর নির্ভরশীল। নিয়ম অনুযায়ী হাঁটলে, খাবার খেলে ও 'অন্যান্য কাজকর্ম করলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে। কেননা ডায়াবেটিস এমন একটি রোগ যা সুনির্দিষ্ট নিয়মশৃঙ্খলা মেনে চললে নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই দেখা যাচ্ছে যে, যুক্তিবিদ্যার সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। যুক্তি প্রদান করার সময়ও সংশ্লিষ্ট যুক্তির নিয়মগুলো ভালোভাবে অনুসরণ করতে হয়। আর উদ্দীপকের মামুন সাহেবের ডায়াবেটিসের নিয়ন্ত্রণও সুনির্দিষ্ট নিয়মশৃঙ্খলার ওপর নির্ভরশীল। তাই বলা যায়, মামুন সাহেবের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে যুক্তির ভূমিকা আছে।
ঘ
উদ্দীপকের আলোকে কী এটাই প্রতীয়মান হয়? 'আমাদের জীবনের সার্বিক দিকে যুক্তিবিদ্যার ব্যবহার লক্ষণীয়'- উত্তরের সপক্ষে তোমার মত বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে আমাদের বাস্তব জীবনে যুক্তির প্রয়োগ দেখানো হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে বলা যায়, "আমাদের জীবনের সার্বিক দিয়ে যুক্তিবিদ্যার ব্যবহার লক্ষণীয়"। আমরা আমাদের বাস্তব জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিয়ম অনুসরণ করে কাজ করে থাকি। বিভিন্ন কাজের এসব নিয়মকানুনের মধ্যে যুক্তির প্রয়োগ রয়েছে। আমরা আমাদের কাজগুলো যৌক্তিক প্রক্রিয়ায়ই সম্পন্ন করি। যৌক্তিক এবং বৌদ্ধিক চিন্তা আমাদের বিভিন্ন কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাস হতে মুক্ত হতে সাহায্য করে। বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয় যৌক্তিক নিয়মে কাজ করে। যেকোনো গবেষণাও যৌক্তিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়। বর্তমান বিশ্বের খুবই প্রয়োজনীয় যন্ত্র কম্পিউটার যৌক্তিক নিয়মে কাজ করে। যুক্তির ব্যবহার দ্বারা মানুষ তার আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। আর অবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে মানুষ সঠিক কাজটি করতে পারে এবং ভুল কম হয়। মানুষের সুস্থ থাকার জন্য খাবার, ব্যায়াম ও বিশ্রামের জন্য যৌক্তিকভাবে নিয়ম অনুসরণ করতে হয়। উদ্দীপকের মামুন সাহেবের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ডাক্তার যে পরামর্শ দিয়েছে সেখানেও যৌক্তিকভাবে নিয়ম পালনের কথা বলা হয়েছে। আর মামুন সাহেব ডাক্তারের পরামর্শ পালন করতে সম্মত হয়েছেন কারণ তিনি মনে করেন ডাক্তারের কথায় যুক্তি আছে। অর্থাৎ, যুক্তির কারণেই ডাক্তারের পরামর্শ মামুন সাহেবের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়েছে। এছাড়াও আমরা যৌক্তিক কারণেই বিভিন্ন বিষয়কে সমর্থন করি এবং বিভিন্ন কাজ করে থাকি। তাই বলা যায়, আমাদের জীবনের সার্বিক দিকে যুক্তিবিদ্যার ব্যবহার লক্ষণীয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCLogic 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মামুন সাহেবের রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট দেখে ডাক্তার বললেন, আপনি ডায়োবেটিসে আক্রান্ত। আপনাকে সুস্থ থাকতে হলে প্রতিদিন-নিয়ম করে ত্রিশ মিনিট হাঁটতে হবে। পুষ্টিকর এবং নির্ধারিত খাবার খেতে হবে। এভাবেই আপনার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে। মামুন সাহেব। বললেন, ধন্যবাদ, আমি অবশ্যই আপনার কথা অনুসরণ করব, কারণ আপনার কথায় যুক্তি আছে। [রংপুর সরকারি কলেজ]
ক
যুক্তিবিদ্যার প্রধান উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য কী?

উত্তর

যুক্তিবিদ্যার প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সত্যকে অর্জন করা।
খ
দর্শন ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জগতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়'- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

দর্শন সমগ্র জগৎ ও জীবনের সাথে যুক্ত। জগৎ বলতে অনেকে পরিদৃশ্যমান জগৎ বা ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জগৎকে বুঝিয়ে থাকেন কিন্তু দর্শনের বিষয়বস্তুর দিকে তাকালে দেখা যায় যে, এখানে এমন কতকগুলো বিষয় আছে, যা ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জগতের বাইরে। বিভিন্ন আধ্যাত্মিক বিষয় যেমন- আত্মা, ঈশ্বর, পরকাল ইত্যাদি বিষয়গুলো "পরিদৃশ্যমান জগতের বাইরে। এছাড়া এমন অনেক বিষয় আছে 'যা ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জগতের বাইরে। যেহেতু দর্শন ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জগতের বাইরের বিষয় নিয়েও আলোচনা করে, তাই বলা যায়, দর্শন ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জগতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
গ
মামুন সাহেবের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে যুক্তিবিদ্যা যেভাবে ভূমিকা রাখে তা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের মামুন সাহেবের ডায়াবেটিস নিডন্ত্রণে যুক্তিবিদ্যার ভূমিকা আছে। কেননা মামুন সাহেবের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কিছু যুক্তিসংগত নিয়মকানুন ভূমিকা রাখবে। যুক্তিবিদ্যা যুক্তিসংক্রান্ত বিদ্যা। যুক্তির জন্য সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়মকানুন রয়েছে। এছাড়া যুক্তিবিদ্যা নিজস্ব বিষয়বস্তুকে ব্যাখ্যা করার জন্য কিছু নিয়মকানুন প্রণয়ন করে। আর শুদ্ধ যুক্তি প্রদানের জন্য যুক্তির নিয়মগুলোকে যথাযথভাবে অনুসরণ করে যুক্তি প্রদান করতে হয়। তাহলেই শুদ্ধ বা যথার্থ যুক্তি প্রদান করা সম্ভব হয়। উদ্দীপকের মামুন সাহেবের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও সুনির্দিষ্ট নিয়মকানুনের ওপর নির্ভরশীল। নিয়ম অনুযায়ী হাঁটলে, খাবার খেলে ও 'অন্যান্য কাজকর্ম করলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে। কেননা ডায়াবেটিস এমন একটি রোগ যা সুনির্দিষ্ট নিয়মশৃঙ্খলা মেনে চললে নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই দেখা যাচ্ছে যে, যুক্তিবিদ্যার সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। যুক্তি প্রদান করার সময়ও সংশ্লিষ্ট যুক্তির নিয়মগুলো ভালোভাবে অনুসরণ করতে হয়। আর উদ্দীপকের মামুন সাহেবের ডায়াবেটিসের নিয়ন্ত্রণও সুনির্দিষ্ট নিয়মশৃঙ্খলার ওপর নির্ভরশীল। তাই বলা যায়, মামুন সাহেবের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে যুক্তির ভূমিকা আছে।
ঘ
উদ্দীপকের আলোকে কী এটাই প্রতীয়মান হয়? 'আমাদের জীবনের সার্বিক দিকে যুক্তিবিদ্যার ব্যবহার লক্ষণীয়'- উত্তরের সপক্ষে তোমার মত বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে আমাদের বাস্তব জীবনে যুক্তির প্রয়োগ দেখানো হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে বলা যায়, "আমাদের জীবনের সার্বিক দিয়ে যুক্তিবিদ্যার ব্যবহার লক্ষণীয়"। আমরা আমাদের বাস্তব জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিয়ম অনুসরণ করে কাজ করে থাকি। বিভিন্ন কাজের এসব নিয়মকানুনের মধ্যে যুক্তির প্রয়োগ রয়েছে। আমরা আমাদের কাজগুলো যৌক্তিক প্রক্রিয়ায়ই সম্পন্ন করি। যৌক্তিক এবং বৌদ্ধিক চিন্তা আমাদের বিভিন্ন কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাস হতে মুক্ত হতে সাহায্য করে। বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয় যৌক্তিক নিয়মে কাজ করে। যেকোনো গবেষণাও যৌক্তিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়। বর্তমান বিশ্বের খুবই প্রয়োজনীয় যন্ত্র কম্পিউটার যৌক্তিক নিয়মে কাজ করে। যুক্তির ব্যবহার দ্বারা মানুষ তার আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। আর অবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে মানুষ সঠিক কাজটি করতে পারে এবং ভুল কম হয়। মানুষের সুস্থ থাকার জন্য খাবার, ব্যায়াম ও বিশ্রামের জন্য যৌক্তিকভাবে নিয়ম অনুসরণ করতে হয়। উদ্দীপকের মামুন সাহেবের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ডাক্তার যে পরামর্শ দিয়েছে সেখানেও যৌক্তিকভাবে নিয়ম পালনের কথা বলা হয়েছে। আর মামুন সাহেব ডাক্তারের পরামর্শ পালন করতে সম্মত হয়েছেন কারণ তিনি মনে করেন ডাক্তারের কথায় যুক্তি আছে। অর্থাৎ, যুক্তির কারণেই ডাক্তারের পরামর্শ মামুন সাহেবের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়েছে। এছাড়াও আমরা যৌক্তিক কারণেই বিভিন্ন বিষয়কে সমর্থন করি এবং বিভিন্ন কাজ করে থাকি। তাই বলা যায়, আমাদের জীবনের সার্বিক দিকে যুক্তিবিদ্যার ব্যবহার লক্ষণীয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCLogic 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

করিম সাহেব ব্যাংকে চাকরি করেন। তিনি প্রতিদিন সময় মত. অফিসে যান। তার উপর অর্পিত সকল দায়িত্ব অতি সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করেন। অর্থাৎ যা কিছু উচিত তিনি তাই করেন এবং যা কিছু অনুচিত তা বর্জন করেন। করিম সাহেবের পাশের বাসায় থাকেন হাবিব সাহেব। উনি ভীষণ যৌক্তিক চলাফেরা করেন। এপার্টম্যান্টের কোনো ঝগড়াঝাঁটি হলে হাবিব সাহেবই অত্যন্ত যুক্তিতর্ক, বিচার-বিশ্লেষণের মাধ্যমে মীমাংসা করেন। [ঝালকাঠি সরকারি কলেজ]
ক
কম্পিউটার কী?

উত্তর

কম্পিউটার' শব্দের বাংলা অর্থ 'গণনাকারী। তবে বর্তমান যুগে কম্পিউটার কেবল গণনার কাজেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং একে প্রয়োজন অনুসারে বিভিন্নভাবে প্রোগ্রাম করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অত্যন্ত দ্রুত ও নির্ভুলভাবে সিদ্ধান্ত অর্জন করা সম্ভব নয়।
খ
নন্দনতত্ত্ব বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

নন্দনতত্ত্ব মূল্যবিদ্যার একটি শাখা। মূল্যবিদ্যার শাখা হিসেবে নন্দনতত্ত্ব সৌন্দর্য, বুচি, সুন্দর, অসুন্দর ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা, করে। অর্থাৎ নন্দনতত্ত্ব রুচি, সৌন্দর্য ও সুন্দর-অসুন্দর নিয়ে আলোচনা, করে। নন্দনতত্ত্ব, কলাবিদ্যা, সৌন্দর্যতত্ত্ব ও রুচি সংক্রান্ত বিষয়ের সাথেও সম্পৃক্ত।
গ
উদ্দীপকে করিম সাহেবের কর্মকান্ড কোন বিষয়কে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের করিম সাহেবের কর্মকাণ্ড নীতিবিদ্যার নির্দেশ করে। মূল্যবিদ্যার একটি অন্যতম শাখা হলো নীতিবিদ্যা। ইংরেজি Ethics শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ হলো নীতিবিদ্যা। ইংরেজি Ethies শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ 'Ethica′Ethica^{\prime} থেকে। 'Ethica′Ethica^{\prime} শব্দটি এসেছে 'Ethos′Ethos^{\prime} থেকে যার অর্থ হলো চরিত্র। তাই শাব্দিক অর্থে বলা যায় যে, নীতিবিদ্যা হচ্ছে 'চরিত্র' বিষয়ক বিদ্যা। মানুষের চরিত্র প্রকাশিত হয় তার আচরণে। তাই নীতিবিদ্যা মানুষের আচরণ নিয়ে আলোচনা করে। কিন্তু মানুষের সকল প্রকার আচরণ নীতিবিদ্যার আলোচ্য বিষয় নয়। বিভিন্ন প্রকার আচরণ নীতিবিদ্যার আলোচ্য বিষয়। আবার সকল মানুষের আচরণ নীতিবিদ্যার আলোচ্য বিষয় নয়। কেবল সমাজবদ্ধ মানুষের আচরণই নীতিবিদ্যার আলোচ্য বিষয়। তাই বলা যায়, নীতিবিদ্যা হচ্ছে একটি আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান যা নৈতিক আদর্শের ভিত্তিতে সমাজবদ্ধ মানুষের আচরণের ভালোত্ব-মন্দত্ব, ন্যায়ত্ব- অন্যায়ত্ব ইত্যাদি নৈতিক আদর্শের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করে। তবে সমকালীন যুগে নীতিবিদ্যা কেবল আদর্শনিষ্ঠ অর্থাৎ, আচরণের মানদণ্ড নির্ধারণের বিদ্যা নয়। আমাদের বাস্তব জীবনের বিভিন্ন নৈতিক সমস্যা নিয়েও নীতিবিদ্যা আলোচনা করে।
ঘ
উদ্দীপকে করিম সাহেব ও হাবিব সাহেবের কর্মকান্ডের তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের করিম সাহেবের কর্মকাণ্ডে নীতিবিদ্যার এবং হাবিব সাহেবের কর্মকান্ডে যুক্তিবিদ্যার নির্দেশ পাওয়া যায়। নিচে এ দুই প্রকার বিদ্যার তুলনামূলক আলোচনা করা হলো- মিল বা সাদৃশ্য ১. নীতিবিদ্যা ও যুক্তিবিদ্যা উভয়ই দর্শনের শাখা। কেননা নীতিবিদ্যা: দর্শনের অন্যতম শাখা মূল্যবিদ্যার শাখা এবং যুক্তিবিদ্যাও মূল্যবিদ্যার শাখা। ২. যুক্তিবিদ্যা ও নীতিবিদ্যা উভয়ই তাদের বিষয়বস্তুর আলোচনায়। কিছু মানদন্ড অনুসরণ করে। নীতিবিদ্যা মানদন্ডের ভিত্তিতে মানুষের আচরণের মূল্যায়ন করে। আর যুক্তিবিদ্যা মানদন্ডের ভিত্তিতে যুক্তির বৈধতা-অবৈধতা নির্ণয় করে। ৩. সত্য প্রতিষ্ঠা যুক্তিবিদ্যা ও নীতিবিদ্যা উভয়ের লক্ষ্য। নীতিবিদ্যা কল্যাণকে চূড়ান্ত লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করে।। যুক্তিবিদ্যা সত্যকে প্রতিষ্ঠা করতে চায়। আর সত্য হলো কল্যাণের বাহক। অমিল বা বৈসাদৃশ্য ১. যুক্তিবিদ্যা যুক্তির বৈধতা-অবৈধতা নিয়ে আলোচনা করে। অন্যদিকে, নীতিবিদ্যা সমাজবদ্ধ মানুষের ঐচ্ছিক আচরণ নৈতিক আদর্শের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করে। ২. যুক্তিবিদ্যা যুক্তিসংক্রান্ত বিজ্ঞান। তাই যুক্তির বৈধতা-অবৈধতা নিয়ে আলোচনা করা যুক্তিবিদ্যার প্রধান কাজ। অন্যদিকে, নীতিবিদ্যা মানুষের সকল ঐচ্ছিক আচরণের সাথে যুক্ত। মানুষের সকল ঐচ্ছিক আচরণের নৈতিক মান বিচার করে নীতিবিদ্যা। ৩. যুক্তিবিদ্যার নিয়মনীতিগুলো প্রায় বিতর্ক ছাড়াই গ্রহণীয়। অন্যদিকে, নীতিবিদ্যার আদর্শের অনেক সমালোচনা আছে। বিভিন্ন নৈতিক মানদণ্ড সকলে সমানভাবে গ্রহণ করেনা। পরিশেষে বলা যায়, যুক্তিবিদ্যা ও নীতিবিদ্যার মধ্যে বিভিন্ন দিক দিয়ে যেমন কিছু সম্পর্ক রয়েছে, তেমনি কিছু পার্থক্যও রয়েছে। মানুষের যুক্তি ও বিবেক যখন একান্তভাবে সমন্বিত হয় তখনই মানুষ প্রকৃতপক্ষে উন্নত জীবনের ধারক হয়ে ওঠে। তাই যুক্তিবিদ্যা ও নীতিবিদ্যার পারস্পরিক নির্ভরশীলতা রয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCLogic 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

করিম সাহেব ব্যাংকে চাকরি করেন। তিনি প্রতিদিন সময় মত. অফিসে যান। তার উপর অর্পিত সকল দায়িত্ব অতি সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করেন। অর্থাৎ যা কিছু উচিত তিনি তাই করেন এবং যা কিছু অনুচিত তা বর্জন করেন। করিম সাহেবের পাশের বাসায় থাকেন হাবিব সাহেব। উনি ভীষণ যৌক্তিক চলাফেরা করেন। এপার্টম্যান্টের কোনো ঝগড়াঝাঁটি হলে হাবিব সাহেবই অত্যন্ত যুক্তিতর্ক, বিচার-বিশ্লেষণের মাধ্যমে মীমাংসা করেন। [ঝালকাঠি সরকারি কলেজ]
ক
কম্পিউটার কী?

উত্তর

কম্পিউটার' শব্দের বাংলা অর্থ 'গণনাকারী। তবে বর্তমান যুগে কম্পিউটার কেবল গণনার কাজেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং একে প্রয়োজন অনুসারে বিভিন্নভাবে প্রোগ্রাম করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অত্যন্ত দ্রুত ও নির্ভুলভাবে সিদ্ধান্ত অর্জন করা সম্ভব নয়।
খ
নন্দনতত্ত্ব বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

নন্দনতত্ত্ব মূল্যবিদ্যার একটি শাখা। মূল্যবিদ্যার শাখা হিসেবে নন্দনতত্ত্ব সৌন্দর্য, বুচি, সুন্দর, অসুন্দর ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা, করে। অর্থাৎ নন্দনতত্ত্ব রুচি, সৌন্দর্য ও সুন্দর-অসুন্দর নিয়ে আলোচনা, করে। নন্দনতত্ত্ব, কলাবিদ্যা, সৌন্দর্যতত্ত্ব ও রুচি সংক্রান্ত বিষয়ের সাথেও সম্পৃক্ত।
গ
উদ্দীপকে করিম সাহেবের কর্মকান্ড কোন বিষয়কে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের করিম সাহেবের কর্মকাণ্ড নীতিবিদ্যার নির্দেশ করে। মূল্যবিদ্যার একটি অন্যতম শাখা হলো নীতিবিদ্যা। ইংরেজি Ethics শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ হলো নীতিবিদ্যা। ইংরেজি Ethies শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ 'Ethica′Ethica^{\prime} থেকে। 'Ethica′Ethica^{\prime} শব্দটি এসেছে 'Ethos′Ethos^{\prime} থেকে যার অর্থ হলো চরিত্র। তাই শাব্দিক অর্থে বলা যায় যে, নীতিবিদ্যা হচ্ছে 'চরিত্র' বিষয়ক বিদ্যা। মানুষের চরিত্র প্রকাশিত হয় তার আচরণে। তাই নীতিবিদ্যা মানুষের আচরণ নিয়ে আলোচনা করে। কিন্তু মানুষের সকল প্রকার আচরণ নীতিবিদ্যার আলোচ্য বিষয় নয়। বিভিন্ন প্রকার আচরণ নীতিবিদ্যার আলোচ্য বিষয়। আবার সকল মানুষের আচরণ নীতিবিদ্যার আলোচ্য বিষয় নয়। কেবল সমাজবদ্ধ মানুষের আচরণই নীতিবিদ্যার আলোচ্য বিষয়। তাই বলা যায়, নীতিবিদ্যা হচ্ছে একটি আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান যা নৈতিক আদর্শের ভিত্তিতে সমাজবদ্ধ মানুষের আচরণের ভালোত্ব-মন্দত্ব, ন্যায়ত্ব- অন্যায়ত্ব ইত্যাদি নৈতিক আদর্শের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করে। তবে সমকালীন যুগে নীতিবিদ্যা কেবল আদর্শনিষ্ঠ অর্থাৎ, আচরণের মানদণ্ড নির্ধারণের বিদ্যা নয়। আমাদের বাস্তব জীবনের বিভিন্ন নৈতিক সমস্যা নিয়েও নীতিবিদ্যা আলোচনা করে।
ঘ
উদ্দীপকে করিম সাহেব ও হাবিব সাহেবের কর্মকান্ডের তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের করিম সাহেবের কর্মকাণ্ডে নীতিবিদ্যার এবং হাবিব সাহেবের কর্মকান্ডে যুক্তিবিদ্যার নির্দেশ পাওয়া যায়। নিচে এ দুই প্রকার বিদ্যার তুলনামূলক আলোচনা করা হলো- মিল বা সাদৃশ্য ১. নীতিবিদ্যা ও যুক্তিবিদ্যা উভয়ই দর্শনের শাখা। কেননা নীতিবিদ্যা: দর্শনের অন্যতম শাখা মূল্যবিদ্যার শাখা এবং যুক্তিবিদ্যাও মূল্যবিদ্যার শাখা। ২. যুক্তিবিদ্যা ও নীতিবিদ্যা উভয়ই তাদের বিষয়বস্তুর আলোচনায়। কিছু মানদন্ড অনুসরণ করে। নীতিবিদ্যা মানদন্ডের ভিত্তিতে মানুষের আচরণের মূল্যায়ন করে। আর যুক্তিবিদ্যা মানদন্ডের ভিত্তিতে যুক্তির বৈধতা-অবৈধতা নির্ণয় করে। ৩. সত্য প্রতিষ্ঠা যুক্তিবিদ্যা ও নীতিবিদ্যা উভয়ের লক্ষ্য। নীতিবিদ্যা কল্যাণকে চূড়ান্ত লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করে।। যুক্তিবিদ্যা সত্যকে প্রতিষ্ঠা করতে চায়। আর সত্য হলো কল্যাণের বাহক। অমিল বা বৈসাদৃশ্য ১. যুক্তিবিদ্যা যুক্তির বৈধতা-অবৈধতা নিয়ে আলোচনা করে। অন্যদিকে, নীতিবিদ্যা সমাজবদ্ধ মানুষের ঐচ্ছিক আচরণ নৈতিক আদর্শের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করে। ২. যুক্তিবিদ্যা যুক্তিসংক্রান্ত বিজ্ঞান। তাই যুক্তির বৈধতা-অবৈধতা নিয়ে আলোচনা করা যুক্তিবিদ্যার প্রধান কাজ। অন্যদিকে, নীতিবিদ্যা মানুষের সকল ঐচ্ছিক আচরণের সাথে যুক্ত। মানুষের সকল ঐচ্ছিক আচরণের নৈতিক মান বিচার করে নীতিবিদ্যা। ৩. যুক্তিবিদ্যার নিয়মনীতিগুলো প্রায় বিতর্ক ছাড়াই গ্রহণীয়। অন্যদিকে, নীতিবিদ্যার আদর্শের অনেক সমালোচনা আছে। বিভিন্ন নৈতিক মানদণ্ড সকলে সমানভাবে গ্রহণ করেনা। পরিশেষে বলা যায়, যুক্তিবিদ্যা ও নীতিবিদ্যার মধ্যে বিভিন্ন দিক দিয়ে যেমন কিছু সম্পর্ক রয়েছে, তেমনি কিছু পার্থক্যও রয়েছে। মানুষের যুক্তি ও বিবেক যখন একান্তভাবে সমন্বিত হয় তখনই মানুষ প্রকৃতপক্ষে উন্নত জীবনের ধারক হয়ে ওঠে। তাই যুক্তিবিদ্যা ও নীতিবিদ্যার পারস্পরিক নির্ভরশীলতা রয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCLogic 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রেমুন একটি ব্যাংকের কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত। কাজের দক্ষতা, সময়ানুবর্তিতা এবং নিয়মানুবর্তিতার জন্য সকলে তার খুব প্রশংসা করে। দিনের কাজ দিনেই শেষ করা এবং সকলের সাথে হাসিমুখে কথা বলা তার নিত্যদিনের স্বভাব। লোন পাশ করানোর জন্য সে. কখনোই আলাদা কোনো টাকা নেয় না। অবসর পেলেই বই পড়ে। প্রতিবেশীদের ধারণা, 'তার বেশি বেশি পড়ালেখাই। তাকে এমন করেছে।' [জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, সিলেট]
ক
নন্দনতত্ত্ব কী?

উত্তর

নন্দনতত্ত্ব হচ্ছে দর্শনের এমন একটি শাখা যা সৌন্দর্য, শিল্প এবং রসবোধ-বুচিবোধ নিয়ে আলোচনা করে এবং সুন্দরের প্রশংসা করে।
খ
দর্শনের সারসত্তা বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

ব্রিটিশ দার্শনিক বার্ট্রান্ড রাসেল যুক্তিবিদ্যাকে দর্শনের সারসভা (Essence) বলে আখ্যায়িত করেছেন। যুক্তিবিদ্যা হলো দর্শনের একটি শাখা 'মূল্যবিদ্যার' অন্তর্গত। যুক্তিবিদ্যা একটি আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান। এ আদর্শ হলো সত্যতার আদর্শ, নৈতিকতার আদর্শ। । এটি বিজ্ঞানের নীতিমালার আলোকে বাস্তবে অনুশীলনযোগ্য।
গ
রেমুনের কার্যক্রমে প্রতিফলিত বিষয়টি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

রেমুনের কার্যক্রমে প্রতিফলিত বিষয়টি হলো পেশাগত নীতিবিদ্যা। পেশাগত নীতিবিদ্যা পেশার সাথে জড়িত ব্যক্তি, ব্যক্তিবর্গ ও প্রতিষ্ঠানের কাজের নৈতিক মান রিচার করতে সচেষ্ট। যেকোনো পেশার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নানাবিধ ধারণা ও বিষয়ের সঠিক সংজ্ঞা নির্ধারণ করতে হয়। যেমন: শিক্ষকতা পেশার ক্ষেত্রে শিক্ষা, ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে মুনাফা, আইন পেশার ক্ষেত্রে আইন ও ন্যায়বিচার। যুক্তিবিদ্যার আদর্শ, যুক্তিপদ্ধতি, বিশুদ্ধ চিন্তা, সঠিক অনুশাসন ও নীতির প্রয়োগ মানুষকে একাধারে যৌক্তিক ও নৈতিক করে তোলে। তাই বাস্তব জীবনে ও পেশাগত জীবনে নৈতিকতা ও যুক্তির চর্চা একান্ত জরুরি। উদ্দীপকে রেমুনের কাজের দক্ষতা, নিপুণতা ও পেশাগত নৈতিকতা তার বাস্তব জীবনের সফলতার সোপান। আর এই বিষয়গুলো পেশাগত নীতিবিদ্যাকে নির্দেশ করে।
ঘ
প্রতিবেশীদের ধারণাকে পাঠ্যবইয়ের আলোকে মূল্যায়ন কর।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রতিবেশীদের ধারণ্য যথার্থ। বই এর শিখন এমন এক ধরনের প্রক্রিয়া যা ব্যক্তি মানুষকে সত্য-মিথ্যা, ভালো-মন্দ, সঠিক কাজ ও কুকর্মের মধ্যে পার্থক্য বোঝার উপযুক্ত করে তোলে। বই পড়ে শিক্ষণের মাধ্যমে মানুষের আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটে। মানুষের আচরণ পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজন মনোভাব পরিশুদ্ধ করা। এক্ষেত্রে যুক্তিবিদ্যা যুক্তিবাদী চেতনা জাগ্রত করার মাধ্যমে মানুষের মনোভাবকে গঠনমূলক হতে সাহায্য করে। মানুষ সামাজিক জীব। সমাজের সদস্য হিসেবে তার নৈতিক দায়িত্ব হচ্ছে সমাজে বসবাসকারী মানুষের কল্যাণ সাধন করা। যেমন: নৈতিকতার বিচারে ব্যাংকের লোন পাশ করানোর জন্য আলাদা কোনো টাকা না নেওয়া। উদ্দীপকে আলোচিত প্রতিবেশীদের ধারণা যথার্থ। রেমুনের বেশি বেশি পড়ালেখাই তাকে নৈতিক করে তুলছে। কেননা, শিক্ষা আমাদের যৌক্তিক করে তোলে। আর যৌক্তিকতা দেয় নৈতিকতার মহান আদর্শ। এর ফলে মানুষ নীতিবান হতে শেখে। পরিশেষে বলা যায় যে, বেশি পড়ালেখাই আলোকিত মানুষ গড়ার অন্যতম হাতিয়ার।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCLogic 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রেমুন একটি ব্যাংকের কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত। কাজের দক্ষতা, সময়ানুবর্তিতা এবং নিয়মানুবর্তিতার জন্য সকলে তার খুব প্রশংসা করে। দিনের কাজ দিনেই শেষ করা এবং সকলের সাথে হাসিমুখে কথা বলা তার নিত্যদিনের স্বভাব। লোন পাশ করানোর জন্য সে. কখনোই আলাদা কোনো টাকা নেয় না। অবসর পেলেই বই পড়ে। প্রতিবেশীদের ধারণা, 'তার বেশি বেশি পড়ালেখাই। তাকে এমন করেছে।' [জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, সিলেট]
ক
নন্দনতত্ত্ব কী?

উত্তর

নন্দনতত্ত্ব হচ্ছে দর্শনের এমন একটি শাখা যা সৌন্দর্য, শিল্প এবং রসবোধ-বুচিবোধ নিয়ে আলোচনা করে এবং সুন্দরের প্রশংসা করে।
খ
দর্শনের সারসত্তা বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

ব্রিটিশ দার্শনিক বার্ট্রান্ড রাসেল যুক্তিবিদ্যাকে দর্শনের সারসভা (Essence) বলে আখ্যায়িত করেছেন। যুক্তিবিদ্যা হলো দর্শনের একটি শাখা 'মূল্যবিদ্যার' অন্তর্গত। যুক্তিবিদ্যা একটি আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান। এ আদর্শ হলো সত্যতার আদর্শ, নৈতিকতার আদর্শ। । এটি বিজ্ঞানের নীতিমালার আলোকে বাস্তবে অনুশীলনযোগ্য।
গ
রেমুনের কার্যক্রমে প্রতিফলিত বিষয়টি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

রেমুনের কার্যক্রমে প্রতিফলিত বিষয়টি হলো পেশাগত নীতিবিদ্যা। পেশাগত নীতিবিদ্যা পেশার সাথে জড়িত ব্যক্তি, ব্যক্তিবর্গ ও প্রতিষ্ঠানের কাজের নৈতিক মান রিচার করতে সচেষ্ট। যেকোনো পেশার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নানাবিধ ধারণা ও বিষয়ের সঠিক সংজ্ঞা নির্ধারণ করতে হয়। যেমন: শিক্ষকতা পেশার ক্ষেত্রে শিক্ষা, ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে মুনাফা, আইন পেশার ক্ষেত্রে আইন ও ন্যায়বিচার। যুক্তিবিদ্যার আদর্শ, যুক্তিপদ্ধতি, বিশুদ্ধ চিন্তা, সঠিক অনুশাসন ও নীতির প্রয়োগ মানুষকে একাধারে যৌক্তিক ও নৈতিক করে তোলে। তাই বাস্তব জীবনে ও পেশাগত জীবনে নৈতিকতা ও যুক্তির চর্চা একান্ত জরুরি। উদ্দীপকে রেমুনের কাজের দক্ষতা, নিপুণতা ও পেশাগত নৈতিকতা তার বাস্তব জীবনের সফলতার সোপান। আর এই বিষয়গুলো পেশাগত নীতিবিদ্যাকে নির্দেশ করে।
ঘ
প্রতিবেশীদের ধারণাকে পাঠ্যবইয়ের আলোকে মূল্যায়ন কর।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রতিবেশীদের ধারণ্য যথার্থ। বই এর শিখন এমন এক ধরনের প্রক্রিয়া যা ব্যক্তি মানুষকে সত্য-মিথ্যা, ভালো-মন্দ, সঠিক কাজ ও কুকর্মের মধ্যে পার্থক্য বোঝার উপযুক্ত করে তোলে। বই পড়ে শিক্ষণের মাধ্যমে মানুষের আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটে। মানুষের আচরণ পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজন মনোভাব পরিশুদ্ধ করা। এক্ষেত্রে যুক্তিবিদ্যা যুক্তিবাদী চেতনা জাগ্রত করার মাধ্যমে মানুষের মনোভাবকে গঠনমূলক হতে সাহায্য করে। মানুষ সামাজিক জীব। সমাজের সদস্য হিসেবে তার নৈতিক দায়িত্ব হচ্ছে সমাজে বসবাসকারী মানুষের কল্যাণ সাধন করা। যেমন: নৈতিকতার বিচারে ব্যাংকের লোন পাশ করানোর জন্য আলাদা কোনো টাকা না নেওয়া। উদ্দীপকে আলোচিত প্রতিবেশীদের ধারণা যথার্থ। রেমুনের বেশি বেশি পড়ালেখাই তাকে নৈতিক করে তুলছে। কেননা, শিক্ষা আমাদের যৌক্তিক করে তোলে। আর যৌক্তিকতা দেয় নৈতিকতার মহান আদর্শ। এর ফলে মানুষ নীতিবান হতে শেখে। পরিশেষে বলা যায় যে, বেশি পড়ালেখাই আলোকিত মানুষ গড়ার অন্যতম হাতিয়ার।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো