Chapter 1 : যুক্তিবিদ্যা পরিচিতি Logic 1st Paper

HSC Logic 1st Paper এর Chapter 1 : যুক্তিবিদ্যা পরিচিতি অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৯০৬

প্রশ্ন

Logic 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCLogic 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১: মি. হাফিজ উচ্চতর ডিগ্রী অর্জন করে তাঁর গ্রামে একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি গ্রামের মানুষকে সেই বিদ্যালয়ে বিভিন্ন বিষয়ে আধুনিক প্রযুক্তির শিক্ষা দেয়ার বিষয়ে চিন্তা করছেন। দৃশ্যকল্প-২: ডাক্তার কবির চক্ষু শিবিরে দরিদ্র মানুষদের বিনামূল্যে চক্ষুর অস্ত্রপচার করেন। তার সুচিকিৎসায় চক্ষু রোগীরা সুস্থ হয়ে উঠছে।

Jessore · 2017

ক
যুক্তিবিদ্যা কাকে বলে?

উত্তর

যে বিদ্যা বৈধ যুক্তি থেকে অবৈধ যুক্তিকে পৃথক করার নিয়ম সম্পর্কে আলোচনা করে তাকে যুক্তিবিদ্যা (Logic) বলে।
খ
যুক্তিবিদ্যা কি আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান?

উত্তর

হ্যাঁ, যুক্তিবিদ্যা একটি আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান (Normative Science)। যে বিজ্ঞান কোনো বিশেষ আদর্শের আলোকে তার বিষয়বস্তুর আলোচনা ও মূল্যায়ন করে তাকে আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান বলে। যেমন- নীতিবিদ্যা একটি আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান। এ দৃষ্টিকোণ থেকে বলতে পারি, যুক্তিবিদ্যাও একটি আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান। যুক্তিবিদ্যার মূল আদর্শ হলো সত্যতা। সত্যতার আদর্শের ভিত্তিতে এটি বাস্তবজীবনের যেকোন ক্ষেত্রে অসত্যকে বর্জন করার দিক নির্দেশনা প্রদান করে।
গ
উদ্দীপকে দৃশকল্প-১ এ কোন বিষয়টি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে সাজিদের বক্তব্যে যুক্তিবিদ্যার তাত্ত্বিক বা বিজ্ঞান (Science) বিষয়ক দিকের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। যুক্তিবিদ্যার প্রধানত দুটি দিক রয়েছে। একটি হলো তাত্ত্বিক বা বিজ্ঞান বিষয়ক দিক এবং অন্যটি হলো ব্যবহারিক বা কলাবিদ্যা বিষয়ক দিক। আমরা জানি, কোনো সাধারণ নিয়মের ভিত্তিতে প্রকৃতির একটি বিশেষ বিষয়ের সুশৃঙ্খল ও সুসংবদ্ধ আলোচনা হচ্ছে বিজ্ঞান। অর্থাৎ বিজ্ঞান কোনো নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে তাত্ত্বিক জ্ঞান প্রদান করে। যেমন, পদার্থবিজ্ঞান পদার্থের গঠন ও প্রকৃতি সম্পর্কে আলোচনা করে। এর মাধ্যমে আমরা পদার্থ সম্পর্কে তাত্ত্বিক জ্ঞান অর্জন করি। উদ্দীপকের সাজিদ একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার সময় পড়াশোনার বিষয় নির্ধারণ করতে গিয়ে বলে, 'জীবজগৎ ও জড়জগতের যে কোনোটির বিশেষ জ্ঞান লাভের সুযোগ আছে, এমন বিষয় আমি পড়তে চাই'। সাজিদের এ বক্তব্য যুক্তিবিদ্যার তাত্ত্বিক বা বিজ্ঞান বিষয়ক দিকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ
পাঠ্যপুস্তকের আলোকে দৃশ্যকল্প-১ ও ২ এর মধ্যকার পার্থক্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে সুজন ও ফারিহার বক্তব্যে যুক্তিবিদ্যার সামগ্রিক দিক তথা তাত্ত্বিক বা বিজ্ঞান এবং ব্যাবহারিক বা কলাবিদ্যা বিষয়ক উভয় দিক ফুটে উঠেছে। যুক্তিবিদ্যার দুটি প্রধান দিক হলো- তাত্ত্বিক বা বিজ্ঞান বিষয়ক দিক এবং ব্যাবহারিক বা কলাবিদ্যা বিষয়ক দিক। কোনো সাধারণ নিয়মের ভিত্তিতে প্রকৃতির কোনো একটি বিশেষ বিষয়ের সুশৃঙ্খল ও সুসংবদ্ধ আলোচনা হচ্ছে বিজ্ঞান। অর্থাৎ বিজ্ঞান কোনো নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে তাত্ত্বিক জ্ঞান প্রদান করে। যেমন- পদার্থবিজ্ঞান পদার্থের গঠন ও প্রকৃতি সম্পর্কে আলোচনা করে। এর মাধ্যমে আমরা পদার্থ সম্পর্কে তাত্ত্বিক জ্ঞান লাভ করি। অন্যদিকে, কলাবিদ্যা হচ্ছে একটি প্রায়োগিক বিদ্যা, যা কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য বৈজ্ঞানিক জ্ঞানকে বাস্তব ক্ষেত্রে প্রয়োগ করার নিয়ম-কানুন ও কৌশল শিক্ষা দেয়। যেমন- নৌবিদ্যা শেখায় কীভাবে নৌযান চালনা করতে হবে এবং শল্যচিকিৎসা বিদ্যা (Surgery) সঠিকভাবে অস্ত্রোপচার করার নিয়ম-কানুন ও কৌশল শিক্ষা দেয়। উদ্দীপকে বর্ণিত, সুজন ও ফারিহা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার সময় এমন একটি বিষয়ে পড়ার আগ্রহ প্রকাশ করে, যা তাদেরকে কোনো বিশেষ জ্ঞান প্রদান করবে এবং সে জ্ঞানকে ব্যবহারিক ক্ষেত্রে কাজে লাগানো যাবে। সুজন ও ফারিহার বক্তব্য যুক্তিবিদ্যার সামগ্রিক তথা তাত্ত্বিক বা বিজ্ঞান বিষয়ক এবং ব্যবহারিক বা কলাবিদ্যা বিষয়ক উভয় দিকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। পরিশেষে বলা যায়, বিজ্ঞান ও কলাবিদ্যা যুক্তিবিদ্যার দুটি ভিন্ন দিক হলেও পরস্পর গভীরভাবে সম্পর্কিত। একটিকে ছাড়া অন্যটি পূর্ণাঙ্গ হতে পারে না। কেননা, বিজ্ঞান কোনো নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে তাত্ত্বিক জ্ঞান প্রদান করে এবং কলাবিদ্যা বৈজ্ঞানিক জ্ঞানকে বাস্তব ক্ষেত্রে প্রয়োগ করার নিয়ম-কানুন ও কৌশল শিক্ষা দেয়। কাজেই কোনো বিষয়ের পূর্ণাঙ্গ জ্ঞানার্জনের জন্য তাত্ত্বিক ও ব্যাবহারিক উভয় দিক অবিচ্ছেদ্যভাবে সম্পর্কিত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCLogic 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১: মি. হাফিজ উচ্চতর ডিগ্রী অর্জন করে তাঁর গ্রামে একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি গ্রামের মানুষকে সেই বিদ্যালয়ে বিভিন্ন বিষয়ে আধুনিক প্রযুক্তির শিক্ষা দেয়ার বিষয়ে চিন্তা করছেন। দৃশ্যকল্প-২: ডাক্তার কবির চক্ষু শিবিরে দরিদ্র মানুষদের বিনামূল্যে চক্ষুর অস্ত্রপচার করেন। তার সুচিকিৎসায় চক্ষু রোগীরা সুস্থ হয়ে উঠছে।

Jessore · 2017

ক
যুক্তিবিদ্যা কাকে বলে?

উত্তর

যে বিদ্যা বৈধ যুক্তি থেকে অবৈধ যুক্তিকে পৃথক করার নিয়ম সম্পর্কে আলোচনা করে তাকে যুক্তিবিদ্যা (Logic) বলে।
খ
যুক্তিবিদ্যা কি আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান?

উত্তর

হ্যাঁ, যুক্তিবিদ্যা একটি আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান (Normative Science)। যে বিজ্ঞান কোনো বিশেষ আদর্শের আলোকে তার বিষয়বস্তুর আলোচনা ও মূল্যায়ন করে তাকে আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান বলে। যেমন- নীতিবিদ্যা একটি আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান। এ দৃষ্টিকোণ থেকে বলতে পারি, যুক্তিবিদ্যাও একটি আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান। যুক্তিবিদ্যার মূল আদর্শ হলো সত্যতা। সত্যতার আদর্শের ভিত্তিতে এটি বাস্তবজীবনের যেকোন ক্ষেত্রে অসত্যকে বর্জন করার দিক নির্দেশনা প্রদান করে।
গ
উদ্দীপকে দৃশকল্প-১ এ কোন বিষয়টি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে সাজিদের বক্তব্যে যুক্তিবিদ্যার তাত্ত্বিক বা বিজ্ঞান (Science) বিষয়ক দিকের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। যুক্তিবিদ্যার প্রধানত দুটি দিক রয়েছে। একটি হলো তাত্ত্বিক বা বিজ্ঞান বিষয়ক দিক এবং অন্যটি হলো ব্যবহারিক বা কলাবিদ্যা বিষয়ক দিক। আমরা জানি, কোনো সাধারণ নিয়মের ভিত্তিতে প্রকৃতির একটি বিশেষ বিষয়ের সুশৃঙ্খল ও সুসংবদ্ধ আলোচনা হচ্ছে বিজ্ঞান। অর্থাৎ বিজ্ঞান কোনো নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে তাত্ত্বিক জ্ঞান প্রদান করে। যেমন, পদার্থবিজ্ঞান পদার্থের গঠন ও প্রকৃতি সম্পর্কে আলোচনা করে। এর মাধ্যমে আমরা পদার্থ সম্পর্কে তাত্ত্বিক জ্ঞান অর্জন করি। উদ্দীপকের সাজিদ একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার সময় পড়াশোনার বিষয় নির্ধারণ করতে গিয়ে বলে, 'জীবজগৎ ও জড়জগতের যে কোনোটির বিশেষ জ্ঞান লাভের সুযোগ আছে, এমন বিষয় আমি পড়তে চাই'। সাজিদের এ বক্তব্য যুক্তিবিদ্যার তাত্ত্বিক বা বিজ্ঞান বিষয়ক দিকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ
পাঠ্যপুস্তকের আলোকে দৃশ্যকল্প-১ ও ২ এর মধ্যকার পার্থক্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে সুজন ও ফারিহার বক্তব্যে যুক্তিবিদ্যার সামগ্রিক দিক তথা তাত্ত্বিক বা বিজ্ঞান এবং ব্যাবহারিক বা কলাবিদ্যা বিষয়ক উভয় দিক ফুটে উঠেছে। যুক্তিবিদ্যার দুটি প্রধান দিক হলো- তাত্ত্বিক বা বিজ্ঞান বিষয়ক দিক এবং ব্যাবহারিক বা কলাবিদ্যা বিষয়ক দিক। কোনো সাধারণ নিয়মের ভিত্তিতে প্রকৃতির কোনো একটি বিশেষ বিষয়ের সুশৃঙ্খল ও সুসংবদ্ধ আলোচনা হচ্ছে বিজ্ঞান। অর্থাৎ বিজ্ঞান কোনো নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে তাত্ত্বিক জ্ঞান প্রদান করে। যেমন- পদার্থবিজ্ঞান পদার্থের গঠন ও প্রকৃতি সম্পর্কে আলোচনা করে। এর মাধ্যমে আমরা পদার্থ সম্পর্কে তাত্ত্বিক জ্ঞান লাভ করি। অন্যদিকে, কলাবিদ্যা হচ্ছে একটি প্রায়োগিক বিদ্যা, যা কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য বৈজ্ঞানিক জ্ঞানকে বাস্তব ক্ষেত্রে প্রয়োগ করার নিয়ম-কানুন ও কৌশল শিক্ষা দেয়। যেমন- নৌবিদ্যা শেখায় কীভাবে নৌযান চালনা করতে হবে এবং শল্যচিকিৎসা বিদ্যা (Surgery) সঠিকভাবে অস্ত্রোপচার করার নিয়ম-কানুন ও কৌশল শিক্ষা দেয়। উদ্দীপকে বর্ণিত, সুজন ও ফারিহা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার সময় এমন একটি বিষয়ে পড়ার আগ্রহ প্রকাশ করে, যা তাদেরকে কোনো বিশেষ জ্ঞান প্রদান করবে এবং সে জ্ঞানকে ব্যবহারিক ক্ষেত্রে কাজে লাগানো যাবে। সুজন ও ফারিহার বক্তব্য যুক্তিবিদ্যার সামগ্রিক তথা তাত্ত্বিক বা বিজ্ঞান বিষয়ক এবং ব্যবহারিক বা কলাবিদ্যা বিষয়ক উভয় দিকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। পরিশেষে বলা যায়, বিজ্ঞান ও কলাবিদ্যা যুক্তিবিদ্যার দুটি ভিন্ন দিক হলেও পরস্পর গভীরভাবে সম্পর্কিত। একটিকে ছাড়া অন্যটি পূর্ণাঙ্গ হতে পারে না। কেননা, বিজ্ঞান কোনো নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে তাত্ত্বিক জ্ঞান প্রদান করে এবং কলাবিদ্যা বৈজ্ঞানিক জ্ঞানকে বাস্তব ক্ষেত্রে প্রয়োগ করার নিয়ম-কানুন ও কৌশল শিক্ষা দেয়। কাজেই কোনো বিষয়ের পূর্ণাঙ্গ জ্ঞানার্জনের জন্য তাত্ত্বিক ও ব্যাবহারিক উভয় দিক অবিচ্ছেদ্যভাবে সম্পর্কিত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCLogic 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

ওরিয়েন্টেশন ক্লাসে চারুকলার শিক্ষিকা মিসেস অবন্তী সহপাঠ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ছাত্র-ছাত্রীদের চারুকলার বিভিন্ন কৌশল শিখিয়ে দেন। বিজ্ঞান শিক্ষক মি. অলক ব্যবহারিক ও প্রায়োগিক দিকের ওপর বেশি গুরুত্ব দেন। প্রধান শিক্ষক তাঁর বক্তব্যে বলেন, প্রকৃত জ্ঞান অর্জনের জন্য ব্যবহারিক ও প্রায়োগিক দিকের সাথে শিখন কৌশলও অবলম্বন করতে হয়।

Sylhet · 2017

ক
যুক্তিবিদ্যার জনক কে?

উত্তর

যুক্তিবিদ্যার জনক হলেন প্রখ্যাত গ্রিক দার্শনিক এরিস্টটল (Aristotle)
খ
যুক্তিবিদ্যা কি একটি আদর্শমূলক বিজ্ঞান? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

যুক্তিবিদ্যা আমাদের বাস্তব জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে, সত্য উদঘাটনে এবং ভ্রান্তি নিরসনে সহায়তা করে। যুক্তিবিদ্যার দুটি দিক- ১. বিজ্ঞান বিষয়ক এবং ২. কলাবিদ্যা বিষয়ক। বিজ্ঞান হিসেবে যুক্তিবিদ্যা নির্ভুল চিন্তার নীতিসমূহ আবিষ্কার করে। পাশাপাশি কলাবিদ্যা হিসেবে সত্য উদ্ঘাটনের উদ্দেশ্যে যুক্তিবিদ্যা ঐ নীতিসমূহকে বাস্তবে প্রয়োগ করতে আমাদের সাহায্য করে।
গ
মিসেস অবন্তীর বক্তব্য যুক্তিবিদ্যার কোন দিকটি নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

মিসেস অবন্তীর বক্তব্য যুক্তিবিদ্যার আকারগত বিজ্ঞান নির্দেশ করে যুক্তিবিদ্যার আলোচ্য বিষয় আকারগত সত্যতার ওপর প্রতিষ্ঠিত। এ কারণে যুক্তিবিদ্যাকে আকারগত বিজ্ঞান (Formal Science) বলা হয়। যে শাস্ত্র তার আলোচ্য বিষয়ের আকার নিয়ে আলোচনা করে তাকে আকারগত বিজ্ঞান বলে। যেমন- গণিত, পরিসংখ্যান, কম্পিউটার বিজ্ঞান প্রভৃতি হলো আকারগত বিজ্ঞান। এ হিসেবে যুক্তিবিদ্যাকেও আকারগত বিজ্ঞান বলা হয়। কেননা, অবরোহ (Deductive) যুক্তিবিদ্যার প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে আকারগত সত্যতা লাভ করা। এছাড়া আরোহ (Inductive) যুক্তিবিদ্যাও বস্তুগত সত্যতা অর্জনের পাশাপাশি আকারগত সত্যতার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে। এ কারণে ব্রিটিশ যুক্তিবিদ উইলিয়াম হ্যামিলটন (William Hamilton) বলেন, 'যুক্তিবিদ্যা হলো চিন্তার আকারগত নিয়মাবলি সম্পর্কিত বিজ্ঞান'।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য যুক্তিবিদ্যার ব্যবহারিক বা প্রায়োগিক দিককে নির্দেশ করে। নিচে ব্যবহারিক বা প্রায়োগিক দিক বিশ্লেষণ করা হলো- যুক্তিবিদ্যা কেবল তাত্ত্বিক বিজ্ঞান নয়, আবার কলাবিদ্যাও নয়। অর্থাৎ, যুক্তিবিদ্যা বিজ্ঞান ও কলা উভয়ই। আমরা জানি, যুক্তিবিদ্যার দুটি প্রধান দিক হলো- তাত্ত্বিক বা বিজ্ঞান বিষয়ক এবং ব্যবহারিক বা কলাবিদ্যা বিষয়ক দিক। কলাবিদ্যা হচ্ছে একটি প্রায়োগিক বিদ্যা যা কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য বৈজ্ঞানিক জ্ঞানকে বাস্তব ক্ষেত্রে প্রয়োগ করার নিয়ম-কানুন ও কৌশল শিক্ষা দেয়। যেমন- নৌবিদ্যা শেখায় কীভাবে নৌযান চালনা করতে হবে এবং শল্যচিকিৎসাবিদ্যা (Surgery) সঠিকভাবে অস্ত্রোপাচার করার নিয়ম-কানুন ও কৌশল শিক্ষা দেয়। উদ্দীপকে প্রধান শিক্ষক তার বক্তব্যে ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বলেন যে, প্রকৃত জ্ঞান অর্জনের জন্য ব্যবহারিক ও প্রায়োগিক দিকের সাথে শিখন কৌশলও অবলম্বন করতে হয়। সুতরাং, প্রকৃত জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্রে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক উভয় দিকের প্রয়োজন রয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCLogic 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

ওরিয়েন্টেশন ক্লাসে চারুকলার শিক্ষিকা মিসেস অবন্তী সহপাঠ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ছাত্র-ছাত্রীদের চারুকলার বিভিন্ন কৌশল শিখিয়ে দেন। বিজ্ঞান শিক্ষক মি. অলক ব্যবহারিক ও প্রায়োগিক দিকের ওপর বেশি গুরুত্ব দেন। প্রধান শিক্ষক তাঁর বক্তব্যে বলেন, প্রকৃত জ্ঞান অর্জনের জন্য ব্যবহারিক ও প্রায়োগিক দিকের সাথে শিখন কৌশলও অবলম্বন করতে হয়।

Sylhet · 2017

ক
যুক্তিবিদ্যার জনক কে?

উত্তর

যুক্তিবিদ্যার জনক হলেন প্রখ্যাত গ্রিক দার্শনিক এরিস্টটল (Aristotle)
খ
যুক্তিবিদ্যা কি একটি আদর্শমূলক বিজ্ঞান? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

যুক্তিবিদ্যা আমাদের বাস্তব জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে, সত্য উদঘাটনে এবং ভ্রান্তি নিরসনে সহায়তা করে। যুক্তিবিদ্যার দুটি দিক- ১. বিজ্ঞান বিষয়ক এবং ২. কলাবিদ্যা বিষয়ক। বিজ্ঞান হিসেবে যুক্তিবিদ্যা নির্ভুল চিন্তার নীতিসমূহ আবিষ্কার করে। পাশাপাশি কলাবিদ্যা হিসেবে সত্য উদ্ঘাটনের উদ্দেশ্যে যুক্তিবিদ্যা ঐ নীতিসমূহকে বাস্তবে প্রয়োগ করতে আমাদের সাহায্য করে।
গ
মিসেস অবন্তীর বক্তব্য যুক্তিবিদ্যার কোন দিকটি নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

মিসেস অবন্তীর বক্তব্য যুক্তিবিদ্যার আকারগত বিজ্ঞান নির্দেশ করে যুক্তিবিদ্যার আলোচ্য বিষয় আকারগত সত্যতার ওপর প্রতিষ্ঠিত। এ কারণে যুক্তিবিদ্যাকে আকারগত বিজ্ঞান (Formal Science) বলা হয়। যে শাস্ত্র তার আলোচ্য বিষয়ের আকার নিয়ে আলোচনা করে তাকে আকারগত বিজ্ঞান বলে। যেমন- গণিত, পরিসংখ্যান, কম্পিউটার বিজ্ঞান প্রভৃতি হলো আকারগত বিজ্ঞান। এ হিসেবে যুক্তিবিদ্যাকেও আকারগত বিজ্ঞান বলা হয়। কেননা, অবরোহ (Deductive) যুক্তিবিদ্যার প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে আকারগত সত্যতা লাভ করা। এছাড়া আরোহ (Inductive) যুক্তিবিদ্যাও বস্তুগত সত্যতা অর্জনের পাশাপাশি আকারগত সত্যতার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে। এ কারণে ব্রিটিশ যুক্তিবিদ উইলিয়াম হ্যামিলটন (William Hamilton) বলেন, 'যুক্তিবিদ্যা হলো চিন্তার আকারগত নিয়মাবলি সম্পর্কিত বিজ্ঞান'।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য যুক্তিবিদ্যার ব্যবহারিক বা প্রায়োগিক দিককে নির্দেশ করে। নিচে ব্যবহারিক বা প্রায়োগিক দিক বিশ্লেষণ করা হলো- যুক্তিবিদ্যা কেবল তাত্ত্বিক বিজ্ঞান নয়, আবার কলাবিদ্যাও নয়। অর্থাৎ, যুক্তিবিদ্যা বিজ্ঞান ও কলা উভয়ই। আমরা জানি, যুক্তিবিদ্যার দুটি প্রধান দিক হলো- তাত্ত্বিক বা বিজ্ঞান বিষয়ক এবং ব্যবহারিক বা কলাবিদ্যা বিষয়ক দিক। কলাবিদ্যা হচ্ছে একটি প্রায়োগিক বিদ্যা যা কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য বৈজ্ঞানিক জ্ঞানকে বাস্তব ক্ষেত্রে প্রয়োগ করার নিয়ম-কানুন ও কৌশল শিক্ষা দেয়। যেমন- নৌবিদ্যা শেখায় কীভাবে নৌযান চালনা করতে হবে এবং শল্যচিকিৎসাবিদ্যা (Surgery) সঠিকভাবে অস্ত্রোপাচার করার নিয়ম-কানুন ও কৌশল শিক্ষা দেয়। উদ্দীপকে প্রধান শিক্ষক তার বক্তব্যে ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বলেন যে, প্রকৃত জ্ঞান অর্জনের জন্য ব্যবহারিক ও প্রায়োগিক দিকের সাথে শিখন কৌশলও অবলম্বন করতে হয়। সুতরাং, প্রকৃত জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্রে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক উভয় দিকের প্রয়োজন রয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCLogic 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রাজিব ও মিরাজ খুবই ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তারা ২০১৬ সালে এইচএসসি পাস করেছে। তারা কম্পিউটারের ব্যবহার ভালভাবে জানতে চায়। তাই পরিকল্পনা করে তারা দুজনই দিনাজপুর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ভর্তি হয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছে। রাজিব প্রশিক্ষণ গ্রহণের পাশাপাশি একটি কম্পিউটার ক্রয় করে তার অর্জিত জ্ঞান বাস্তবে প্রয়োগ করে। অপরদিকে, মিরাজও একটি কম্পিউটার ক্রয় করবে বলে চিন্তা করছে।

Comilla · 2017

ক
যুক্তিবিদ্যা কাকে বলে?

উত্তর

যে বিদ্যা বৈধ যুক্তি থেকে অবৈধ যুক্তিকে পৃথক করার পদ্ধতি ও নিয়মসমূহ সম্পর্কে আলোচনা করে তাকে যুক্তিবিদ্যা (Logic) বলে।
খ
যুক্তিবিদ্যা আমাদের বাস্তব জীবনে কীভাবে সহায়তা করে?

উত্তর

যুক্তিবিদ্যা আমাদের বাস্তব জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে, সত্য উদঘাটনে এবং ভ্রান্তি নিরসনে সহায়তা করে। যুক্তিবিদ্যার দুটি দিক- ১. বিজ্ঞান বিষয়ক এবং ২. কলাবিদ্যা বিষয়ক। বিজ্ঞান হিসেবে যুক্তিবিদ্যা নির্ভুল চিন্তার নীতিসমূহ আবিষ্কার করে। পাশাপাশি কলাবিদ্যা হিসেবে সত্য উদ্ঘাটনের উদ্দেশ্যে যুক্তিবিদ্যা ঐ নীতিসমূহকে বাস্তবে প্রয়োগ করতে আমাদের সাহায্য করে।
গ
উদ্দীপকে রাজীবের কর্মকাণ্ডটি কোন বিষয়টিকে ইঙ্গিত করছে? বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে রাজিবের কর্মকান্ড যুক্তিবিদ্যার ব্যবহারিক দিক বা কলাবিদ্যাকে (Art) ইঙ্গিত করে। কলা কথাটির একাধিক অর্থ আছে। দৈনন্দিন জীবনে 'কলা' শব্দটি পৃথক দুটি অর্থে ব্যবহৃত হয়। প্রথম অর্থে, কলা শব্দটি দক্ষতা, পারদর্শিতা ও কর্মপটুতা অর্থে ব্যবহৃত হয়। যেমন- নৃত্যের জ্ঞান না থাকা সত্ত্বেও অনেকে এ পেশায় দক্ষ হতে পারে। এ ক্ষেত্রে তাদের দক্ষতা বা প্রয়োগ কুশলতাকে কলা বলা যায়। দ্বিতীয় অর্থে, কলা বলতে বস্তু সম্পর্কিত জ্ঞানের বিধিবদ্ধ ব্যবহার বা প্রয়োগ সম্পর্কিত ধারাবাহিক জ্ঞানকে বোঝানো হয়। যেমন- কোনো ব্যক্তি নৃত্য পরিবেশন না করেও নৃত্যবিদ্যার নীতিমালা প্রয়োগের ধারাবাহিক জ্ঞানের অধিকারী হতে পারেন। সুতরাং, কলা বলতে একদিকে যেমন ব্যবহারিক দক্ষতাকে নির্দেশ করে, অন্যদিকে কাজ নিষ্পন্ন করার কৌশল বা পদ্ধতিকেও নির্দেশ করে থাকে। উদ্দীপকে রাজিবের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ গ্রহণ করা এবং অর্জিত জ্ঞান বাস্তবে প্রয়োগ করা কলাবিদ্যার অনুরূপ।
ঘ
পাঠ্যবইয়ের আলোকে রাজিব ও মিরাজের কর্মকাণ্ডের মধ্যকার পার্থক্য নিরূপণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে রাজিবের কর্মকান্ড নিচে ব্যবহারিক বা প্রায়োগিক দিককে এবং মিরাজের কর্মকাণ্ড তাত্ত্বিক দিককে নির্দেশ করে। এদের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করা হলো- আমরা জানি, সুশৃঙ্খল ও সুসংবদ্ধ আলোচনা হলো তাত্ত্বিক বিষয় বা বিজ্ঞানের কাজ। আর তাত্ত্বিক জ্ঞানকে বাস্তবে প্রয়োগ করে কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের নিয়ম-কানুন ও কৌশল শেখানো হলো প্রায়োগিক বা কলা বিদ্যার কাজ। অর্থাৎ তাত্ত্বিক জ্ঞানকে যখন ব্যবহারিক জীবনে প্রয়োগ করা হয় তখন তা প্রায়োগিক বিদ্যায় পরিণত হয়। যেমন- জীববিজ্ঞান জীবদেহের গঠন ও কার্যাবলি সম্পর্কে তাত্ত্বিক জ্ঞান প্রদান করে। আর শল্যচিকিৎসা বিদ্যা (Surgery) শেখায় কীভাবে সঠিক পদ্ধতিতে কোনো রোগীর অস্ত্রোপাচার করতে হয়। আমরা জানি, তাত্ত্বিক বিষয়ের পরিধি ব্যবহারিক বিষয়ের চেয়ে ব্যাপক। কারণ তাত্ত্বিক বিষয় হলো ব্যবহারিক বিষয়ের পূর্ববর্তী অবস্থা। উদ্দীপকে রাজিবের কর্মকান্ড ব্যবহারিক বা প্রায়োগিক দিকের সাথে এবং মিরাজের কর্মকাণ্ড তাত্ত্বিক দিকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। পরিশেষে বলা যায়, তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক দিকের মূল পার্থক্য হলো- তাত্ত্বিক বিষয় বা বিজ্ঞান নিজ নিজ আলোচ্য বিষয় সম্পর্কে সুশৃঙ্খল ও সুসংবদ্ধ জ্ঞান দান করে। আর প্রায়োগিক বিদ্যা তথা কলা কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য বিজ্ঞানের জ্ঞানকে বাস্তব ক্ষেত্রে প্রয়োগ করার কৌশল শেখায়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCLogic 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রাজিব ও মিরাজ খুবই ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তারা ২০১৬ সালে এইচএসসি পাস করেছে। তারা কম্পিউটারের ব্যবহার ভালভাবে জানতে চায়। তাই পরিকল্পনা করে তারা দুজনই দিনাজপুর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ভর্তি হয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছে। রাজিব প্রশিক্ষণ গ্রহণের পাশাপাশি একটি কম্পিউটার ক্রয় করে তার অর্জিত জ্ঞান বাস্তবে প্রয়োগ করে। অপরদিকে, মিরাজও একটি কম্পিউটার ক্রয় করবে বলে চিন্তা করছে।

Comilla · 2017

ক
যুক্তিবিদ্যা কাকে বলে?

উত্তর

যে বিদ্যা বৈধ যুক্তি থেকে অবৈধ যুক্তিকে পৃথক করার পদ্ধতি ও নিয়মসমূহ সম্পর্কে আলোচনা করে তাকে যুক্তিবিদ্যা (Logic) বলে।
খ
যুক্তিবিদ্যা আমাদের বাস্তব জীবনে কীভাবে সহায়তা করে?

উত্তর

যুক্তিবিদ্যা আমাদের বাস্তব জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে, সত্য উদঘাটনে এবং ভ্রান্তি নিরসনে সহায়তা করে। যুক্তিবিদ্যার দুটি দিক- ১. বিজ্ঞান বিষয়ক এবং ২. কলাবিদ্যা বিষয়ক। বিজ্ঞান হিসেবে যুক্তিবিদ্যা নির্ভুল চিন্তার নীতিসমূহ আবিষ্কার করে। পাশাপাশি কলাবিদ্যা হিসেবে সত্য উদ্ঘাটনের উদ্দেশ্যে যুক্তিবিদ্যা ঐ নীতিসমূহকে বাস্তবে প্রয়োগ করতে আমাদের সাহায্য করে।
গ
উদ্দীপকে রাজীবের কর্মকাণ্ডটি কোন বিষয়টিকে ইঙ্গিত করছে? বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে রাজিবের কর্মকান্ড যুক্তিবিদ্যার ব্যবহারিক দিক বা কলাবিদ্যাকে (Art) ইঙ্গিত করে। কলা কথাটির একাধিক অর্থ আছে। দৈনন্দিন জীবনে 'কলা' শব্দটি পৃথক দুটি অর্থে ব্যবহৃত হয়। প্রথম অর্থে, কলা শব্দটি দক্ষতা, পারদর্শিতা ও কর্মপটুতা অর্থে ব্যবহৃত হয়। যেমন- নৃত্যের জ্ঞান না থাকা সত্ত্বেও অনেকে এ পেশায় দক্ষ হতে পারে। এ ক্ষেত্রে তাদের দক্ষতা বা প্রয়োগ কুশলতাকে কলা বলা যায়। দ্বিতীয় অর্থে, কলা বলতে বস্তু সম্পর্কিত জ্ঞানের বিধিবদ্ধ ব্যবহার বা প্রয়োগ সম্পর্কিত ধারাবাহিক জ্ঞানকে বোঝানো হয়। যেমন- কোনো ব্যক্তি নৃত্য পরিবেশন না করেও নৃত্যবিদ্যার নীতিমালা প্রয়োগের ধারাবাহিক জ্ঞানের অধিকারী হতে পারেন। সুতরাং, কলা বলতে একদিকে যেমন ব্যবহারিক দক্ষতাকে নির্দেশ করে, অন্যদিকে কাজ নিষ্পন্ন করার কৌশল বা পদ্ধতিকেও নির্দেশ করে থাকে। উদ্দীপকে রাজিবের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ গ্রহণ করা এবং অর্জিত জ্ঞান বাস্তবে প্রয়োগ করা কলাবিদ্যার অনুরূপ।
ঘ
পাঠ্যবইয়ের আলোকে রাজিব ও মিরাজের কর্মকাণ্ডের মধ্যকার পার্থক্য নিরূপণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে রাজিবের কর্মকান্ড নিচে ব্যবহারিক বা প্রায়োগিক দিককে এবং মিরাজের কর্মকাণ্ড তাত্ত্বিক দিককে নির্দেশ করে। এদের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করা হলো- আমরা জানি, সুশৃঙ্খল ও সুসংবদ্ধ আলোচনা হলো তাত্ত্বিক বিষয় বা বিজ্ঞানের কাজ। আর তাত্ত্বিক জ্ঞানকে বাস্তবে প্রয়োগ করে কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের নিয়ম-কানুন ও কৌশল শেখানো হলো প্রায়োগিক বা কলা বিদ্যার কাজ। অর্থাৎ তাত্ত্বিক জ্ঞানকে যখন ব্যবহারিক জীবনে প্রয়োগ করা হয় তখন তা প্রায়োগিক বিদ্যায় পরিণত হয়। যেমন- জীববিজ্ঞান জীবদেহের গঠন ও কার্যাবলি সম্পর্কে তাত্ত্বিক জ্ঞান প্রদান করে। আর শল্যচিকিৎসা বিদ্যা (Surgery) শেখায় কীভাবে সঠিক পদ্ধতিতে কোনো রোগীর অস্ত্রোপাচার করতে হয়। আমরা জানি, তাত্ত্বিক বিষয়ের পরিধি ব্যবহারিক বিষয়ের চেয়ে ব্যাপক। কারণ তাত্ত্বিক বিষয় হলো ব্যবহারিক বিষয়ের পূর্ববর্তী অবস্থা। উদ্দীপকে রাজিবের কর্মকান্ড ব্যবহারিক বা প্রায়োগিক দিকের সাথে এবং মিরাজের কর্মকাণ্ড তাত্ত্বিক দিকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। পরিশেষে বলা যায়, তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক দিকের মূল পার্থক্য হলো- তাত্ত্বিক বিষয় বা বিজ্ঞান নিজ নিজ আলোচ্য বিষয় সম্পর্কে সুশৃঙ্খল ও সুসংবদ্ধ জ্ঞান দান করে। আর প্রায়োগিক বিদ্যা তথা কলা কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য বিজ্ঞানের জ্ঞানকে বাস্তব ক্ষেত্রে প্রয়োগ করার কৌশল শেখায়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো