Chapter 3 : বসতি (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) Geography 2nd Paper

HSC Geography 2nd Paper এর Chapter 3 : বসতি (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

২৯৫

প্রশ্ন

Geography 2nd Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCGeography 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

বিভাগীয় শহরের জনসংখ্যা নগরের নাম জনসংখ্যা নগরের নাম জনসংখ্যা ঢাকা ৪,৯৩,২১,৬৮৮ বরিশাল ৮৮,৫২,৩২৪ চট্টগ্রাম ২,৯৫,৫৩,৮৫৭ সিলেট ১,০২,৯৬,৯৯৫ রাজশাহী ১,৯২,২৫,৯০৯ রংপুর ১৬,৪১,২২৮৭ খুলনা ১,৬৫,০৯,৩০৪ ময়মনসিংহ ১,১০,১০,০০০ [উৎস: আদমশুমারি ২০১১]
ক
আকৃতিহীন বসতি কী?

উত্তর

আকারবিহীন বিক্ষিপ্ত জনবসতিকে আকৃতিবিহীন বসতি বলে।
খ
রংপুর শহরের ব্যাখ্যা দাও।

উত্তর

তিস্তা নদীর তীরে অবস্থিত রংপুর জেলা সদর ও বিভাগীয় শহর। এর জনসংখ্যা প্রায় ২৬ লাখ ৪৬ হাজার। এখানে ১টি মেডিক্যাল কলেজ, ১টি ক্যাডেট কলেজ, ১টি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। উত্তরবঙ্গের এটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাচীন জনপদ। অর্থকরী ফসল, খাদ্যশস্য এবং খনিজ ও শিল্প সমৃদ্ধ একটি অঞ্চল। এ শহরের সাথে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরের সাথে সড়ক, রেল ও জলপথে সংযুক্ত। ফলে এটি সহজেই একটি শহরে পরিণত হয়েছে।
গ
বর্গ পদ্ধতিতে ময়মনসিংহ বিভাগীয় শহরের জনসংখ্যা নির্ণয় করে চিত্রে প্রদর্শন কর।

উত্তর

আমরা জানি, একটি বর্গক্ষেত্রের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য সমান থাকে। অতএব প্রতিটি নগরের জনসংখ্যার প্রতিনিধিত্বকারী বর্গগুলোর বাহুর দৈর্ঘ্য কত হবে তা নির্ণয়ের জন্য প্রতি বর্গইঞ্চিতে ৫০ লাখ জনসংখ্যা ধরা হয়েছে। প্রতিটি নগরের জনসংখ্যাকে ৫০,০০,০০০ দিয়ে ভাগ করে বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য নির্ণয় করা হয়েছে। ময়মনসিংহ একটি নতুন বিভাগ এবং এ শহরের জনসংখ্যা ১,১০,১০,০০০। সুতরাং ময়মনসিংহ নগরের জনসংখ্যার বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য ১,১০,১০,০০০ + ৫,০০,০০০ ২.২০"। বর্গ পদ্ধতিতে নির্ণেয় বিভাগীয় শহরের জনসংখ্যা চিত্রে প্রদর্শন করা হলো- question image চিত্র: বর্গ পদ্ধতিতে ময়মনসিংহ নগরের জনসংখ্যা
ঘ
উদ্দীপকের বিভাগীয় বড় শহরটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের বিভাগীয় বড় শহরটি হলো ঢাকা আমরা জানি, একটি বর্গক্ষেত্রের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য সমান থাকে। অতএব প্রতিটি নগরের জনসংখ্যার প্রতিনিধিত্বকারী বর্গগুলোর বাহুর দৈর্ঘ্য কত হবে তা নির্ণয়ের জন্য প্রতি বর্গইঞ্চিতে ৫০ লাখ জনসংখ্যা ধরা হয়েছে। প্রতিটি নগরের জনসংখ্যাকে ৫০,০০,০০০ দিয়ে ভাগ করে বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য নির্ণয় করা হয়। ঢাকা শহরের জনসংখ্যা বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য ৪,৯৩,২১,৬৮৮+৫০,০০,০০০ = ৯.৮৬"।অর্থাৎ ঢাকা মহানগরীর বর্গক্ষেত্রটি অন্যান্য নগর অপেক্ষা বড়। অর্থাৎ এ নগরে জনসংখ্যার পরিমাণ অনেক বেশি। কারণ ঢাকা মহানগরী বাংলাদেশের প্রধান প্রশাসনিক শহর। এখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ- সুবিধা ও জীবনযাত্রার মান অনেক উন্নত। এছাড়া এ শহরের সাথে দেশের অন্যান্য সকল শহরের রেল, সড়ক, জল ও বিমানপথে যাতায়াতের সুব্যবস্থা রয়েছে। ফলে ঢাকায় জনসংখ্যার পরিমাণ বেশি দেখা যায় সুতরাং মানচিত্রে প্রদর্শিত বর্গক্ষেত্রের আকার ছোট-বড় থেকে সহজেই জনসংখ্যার ভিন্নতা পরিমাপ করা যাবে।উপরোল্লিখিত বিষয়গুলো ছাড়াও বস্তি সমস্যার সমাধানকল্পে কাজ করতে হবে। সর্বোপরি নগর জনসংখ্যা হ্রাসের পাশাপাশি নগর পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন। সুতরাং উল্লিখিত বিষয়গুলো সঠিক বাস্তবায়ন করতে পারলে শহরাঞ্চলের জনসংখ্যাজনিত সমস্যায় সমাধান সম্ভব।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

বিভাগীয় শহরের জনসংখ্যা নগরের নাম জনসংখ্যা নগরের নাম জনসংখ্যা ঢাকা ৪,৯৩,২১,৬৮৮ বরিশাল ৮৮,৫২,৩২৪ চট্টগ্রাম ২,৯৫,৫৩,৮৫৭ সিলেট ১,০২,৯৬,৯৯৫ রাজশাহী ১,৯২,২৫,৯০৯ রংপুর ১৬,৪১,২২৮৭ খুলনা ১,৬৫,০৯,৩০৪ ময়মনসিংহ ১,১০,১০,০০০ [উৎস: আদমশুমারি ২০১১]
ক
আকৃতিহীন বসতি কী?

উত্তর

আকারবিহীন বিক্ষিপ্ত জনবসতিকে আকৃতিবিহীন বসতি বলে।
খ
রংপুর শহরের ব্যাখ্যা দাও।

উত্তর

তিস্তা নদীর তীরে অবস্থিত রংপুর জেলা সদর ও বিভাগীয় শহর। এর জনসংখ্যা প্রায় ২৬ লাখ ৪৬ হাজার। এখানে ১টি মেডিক্যাল কলেজ, ১টি ক্যাডেট কলেজ, ১টি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। উত্তরবঙ্গের এটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাচীন জনপদ। অর্থকরী ফসল, খাদ্যশস্য এবং খনিজ ও শিল্প সমৃদ্ধ একটি অঞ্চল। এ শহরের সাথে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরের সাথে সড়ক, রেল ও জলপথে সংযুক্ত। ফলে এটি সহজেই একটি শহরে পরিণত হয়েছে।
গ
বর্গ পদ্ধতিতে ময়মনসিংহ বিভাগীয় শহরের জনসংখ্যা নির্ণয় করে চিত্রে প্রদর্শন কর।

উত্তর

আমরা জানি, একটি বর্গক্ষেত্রের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য সমান থাকে। অতএব প্রতিটি নগরের জনসংখ্যার প্রতিনিধিত্বকারী বর্গগুলোর বাহুর দৈর্ঘ্য কত হবে তা নির্ণয়ের জন্য প্রতি বর্গইঞ্চিতে ৫০ লাখ জনসংখ্যা ধরা হয়েছে। প্রতিটি নগরের জনসংখ্যাকে ৫০,০০,০০০ দিয়ে ভাগ করে বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য নির্ণয় করা হয়েছে। ময়মনসিংহ একটি নতুন বিভাগ এবং এ শহরের জনসংখ্যা ১,১০,১০,০০০। সুতরাং ময়মনসিংহ নগরের জনসংখ্যার বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য ১,১০,১০,০০০ + ৫,০০,০০০ ২.২০"। বর্গ পদ্ধতিতে নির্ণেয় বিভাগীয় শহরের জনসংখ্যা চিত্রে প্রদর্শন করা হলো- question image চিত্র: বর্গ পদ্ধতিতে ময়মনসিংহ নগরের জনসংখ্যা
ঘ
উদ্দীপকের বিভাগীয় বড় শহরটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের বিভাগীয় বড় শহরটি হলো ঢাকা আমরা জানি, একটি বর্গক্ষেত্রের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য সমান থাকে। অতএব প্রতিটি নগরের জনসংখ্যার প্রতিনিধিত্বকারী বর্গগুলোর বাহুর দৈর্ঘ্য কত হবে তা নির্ণয়ের জন্য প্রতি বর্গইঞ্চিতে ৫০ লাখ জনসংখ্যা ধরা হয়েছে। প্রতিটি নগরের জনসংখ্যাকে ৫০,০০,০০০ দিয়ে ভাগ করে বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য নির্ণয় করা হয়। ঢাকা শহরের জনসংখ্যা বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য ৪,৯৩,২১,৬৮৮+৫০,০০,০০০ = ৯.৮৬"।অর্থাৎ ঢাকা মহানগরীর বর্গক্ষেত্রটি অন্যান্য নগর অপেক্ষা বড়। অর্থাৎ এ নগরে জনসংখ্যার পরিমাণ অনেক বেশি। কারণ ঢাকা মহানগরী বাংলাদেশের প্রধান প্রশাসনিক শহর। এখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ- সুবিধা ও জীবনযাত্রার মান অনেক উন্নত। এছাড়া এ শহরের সাথে দেশের অন্যান্য সকল শহরের রেল, সড়ক, জল ও বিমানপথে যাতায়াতের সুব্যবস্থা রয়েছে। ফলে ঢাকায় জনসংখ্যার পরিমাণ বেশি দেখা যায় সুতরাং মানচিত্রে প্রদর্শিত বর্গক্ষেত্রের আকার ছোট-বড় থেকে সহজেই জনসংখ্যার ভিন্নতা পরিমাপ করা যাবে।উপরোল্লিখিত বিষয়গুলো ছাড়াও বস্তি সমস্যার সমাধানকল্পে কাজ করতে হবে। সর্বোপরি নগর জনসংখ্যা হ্রাসের পাশাপাশি নগর পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন। সুতরাং উল্লিখিত বিষয়গুলো সঠিক বাস্তবায়ন করতে পারলে শহরাঞ্চলের জনসংখ্যাজনিত সমস্যায় সমাধান সম্ভব।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image
ক
বসতি কাকে বলে?

উত্তর

কোনো একটি স্থানে মানুষ একত্রিত হয়ে স্থায়িভাবে বসবাসের জন্য যে অবস্থার তৈরি করে তাকে বসতি বলে।
খ
পুঞ্জীভূত বসতির প্রধান কারণ শিল্পায়ন- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

যে অধিবাসীদের বসতবাড়িগুলো খুব কাছাকাছি এবং ঘন বা নিবিড়ভাবে গড়ে ওঠে তাকে পুঞ্জীভূত বসতি বলে। কোনো স্থানে শিল্প স্থাপিত হলে সে অঞ্চলে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধার (যেমন- কর্মসংস্থানের পাশাপাশি শিক্ষা, বিনোদন, চিকিৎসা প্রভৃতি) কারণে মানুষ শিল্পাঞ্চলকে কেন্দ্র করে বসতি স্থাপন করতে চায়। উক্ত কারণে' শিল্পাঞ্চলে পুঞ্জীভূত বসতি গড়ে ওঠে।
গ
উদ্দীপকে বসতি-২ এর বৈশিষ্ট্য বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে বসতি-২ হলো গ্রামীণ বসতি। গ্রামীণ বসতি মূলত কৃষিকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে। গ্রামে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল থাকে না। এখানে অধিকাংশ লোকই দরিদ্র শ্রেণির, তাই এসব অঞ্চলে কাঁচা বাড়ি লক্ষ করা যায়। তবে স্থানভেদে কোথাও নিবিড়, কোথাও সারিবদ্ধ, কোথাও বিক্ষিপ্ত, কোথাও অনুকেন্দ্রিক, পুঞ্জীভূত প্রভৃতি ধরনের বসতি গড়ে ওঠে। গ্রামে অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, তথ্য প্রযুক্তির কম ব্যবহার, কৃষিভিত্তিক সমাজ, শিল্পকারখানা কম হওয়া প্রভৃতির প্রভাব গ্রামীণ বসতির মধ্যে ফুটে ওঠে। বর্তমানে অনেক গ্রামে শিল্পকারখানা গড়ে উঠলেও গ্রামীণ অর্থনীতির মূল ভিত্তি হলো কৃষি। তাই কৃষিকে কেন্দ্র করেই বেশিরভাগ গ্রামীণ বসতি গড়ে উঠেছে। উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, গ্রামীণ বসতির এই বৈশিষ্ট্যগুলো গ্রামীণ বসতি গড়ে উঠতে বৈশিষ্ট্যময় রূপদান করেছে।
ঘ
বসতি-১ এ অতিরিক্ত জনসংখ্যা কী ধরনের সমস্যার সৃষ্টি করে- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

বসতি-১ হলো নগর বসতি। নগরে জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে তীব্র বাসস্থান সংকট দেখা দেয়। কেননা এখানে জমির উচ্চমূল্য এবং ভূমি সাধারণত বাণিজ্যিক প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়। নগর জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে নগরবাসী আকাঙ্ক্ষিত সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে। যেমন- বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, পয়ঃনিষ্কাশন, নিরাপত্তা, পরিবহন, চিকিৎসা, শিক্ষা প্রভৃতি। শিল্পক্ষেত্রে জ্বালানির ব্যবহার, পয়ঃনিষ্কাশন সমস্যা, যানবাহনের বিষাক্ত ধোঁয়া, শব্দ, শিল্পবর্জ্য প্রভৃতি কারণে নগর পরিবেশ প্রতিনিয়ত দূষিত হবে। গ্রামের মানুষের ভূমিহীনতা, দারিদ্র্য, কর্মসংস্থানের অভাব, প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রভৃতি কারণে নগরে এসে নগর জনসংখ্যার ওপর চাপ বৃদ্ধি করছে। এসব মানুষ কাঙ্ক্ষিত সুযোগ-সুবিধা না পাওয়ায় বস্তিতে বসবাস শুরু করবে। এটা নগরের পরিবেশ নষ্ট করবে এবং নানা প্রকার সমস্যার সৃষ্টি করবে। নগরে নানা ধরনে সুযোগ-সুবিধা থাকার কারণে গ্রাম থেকে মানুষ নগরবাসী হচ্ছে। কিন্তু নগরে এসে কর্মসংস্থান করতে পারছে না। ফলে নগরে বেকারত্ব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই বলা যায়, অতিরিক্ত জনসংখ্যা একটি নগরে ব্যাপক সমস্যার সৃষ্টি করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image
ক
বসতি কাকে বলে?

উত্তর

কোনো একটি স্থানে মানুষ একত্রিত হয়ে স্থায়িভাবে বসবাসের জন্য যে অবস্থার তৈরি করে তাকে বসতি বলে।
খ
পুঞ্জীভূত বসতির প্রধান কারণ শিল্পায়ন- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

যে অধিবাসীদের বসতবাড়িগুলো খুব কাছাকাছি এবং ঘন বা নিবিড়ভাবে গড়ে ওঠে তাকে পুঞ্জীভূত বসতি বলে। কোনো স্থানে শিল্প স্থাপিত হলে সে অঞ্চলে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধার (যেমন- কর্মসংস্থানের পাশাপাশি শিক্ষা, বিনোদন, চিকিৎসা প্রভৃতি) কারণে মানুষ শিল্পাঞ্চলকে কেন্দ্র করে বসতি স্থাপন করতে চায়। উক্ত কারণে' শিল্পাঞ্চলে পুঞ্জীভূত বসতি গড়ে ওঠে।
গ
উদ্দীপকে বসতি-২ এর বৈশিষ্ট্য বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে বসতি-২ হলো গ্রামীণ বসতি। গ্রামীণ বসতি মূলত কৃষিকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে। গ্রামে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল থাকে না। এখানে অধিকাংশ লোকই দরিদ্র শ্রেণির, তাই এসব অঞ্চলে কাঁচা বাড়ি লক্ষ করা যায়। তবে স্থানভেদে কোথাও নিবিড়, কোথাও সারিবদ্ধ, কোথাও বিক্ষিপ্ত, কোথাও অনুকেন্দ্রিক, পুঞ্জীভূত প্রভৃতি ধরনের বসতি গড়ে ওঠে। গ্রামে অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, তথ্য প্রযুক্তির কম ব্যবহার, কৃষিভিত্তিক সমাজ, শিল্পকারখানা কম হওয়া প্রভৃতির প্রভাব গ্রামীণ বসতির মধ্যে ফুটে ওঠে। বর্তমানে অনেক গ্রামে শিল্পকারখানা গড়ে উঠলেও গ্রামীণ অর্থনীতির মূল ভিত্তি হলো কৃষি। তাই কৃষিকে কেন্দ্র করেই বেশিরভাগ গ্রামীণ বসতি গড়ে উঠেছে। উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, গ্রামীণ বসতির এই বৈশিষ্ট্যগুলো গ্রামীণ বসতি গড়ে উঠতে বৈশিষ্ট্যময় রূপদান করেছে।
ঘ
বসতি-১ এ অতিরিক্ত জনসংখ্যা কী ধরনের সমস্যার সৃষ্টি করে- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

বসতি-১ হলো নগর বসতি। নগরে জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে তীব্র বাসস্থান সংকট দেখা দেয়। কেননা এখানে জমির উচ্চমূল্য এবং ভূমি সাধারণত বাণিজ্যিক প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়। নগর জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে নগরবাসী আকাঙ্ক্ষিত সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে। যেমন- বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, পয়ঃনিষ্কাশন, নিরাপত্তা, পরিবহন, চিকিৎসা, শিক্ষা প্রভৃতি। শিল্পক্ষেত্রে জ্বালানির ব্যবহার, পয়ঃনিষ্কাশন সমস্যা, যানবাহনের বিষাক্ত ধোঁয়া, শব্দ, শিল্পবর্জ্য প্রভৃতি কারণে নগর পরিবেশ প্রতিনিয়ত দূষিত হবে। গ্রামের মানুষের ভূমিহীনতা, দারিদ্র্য, কর্মসংস্থানের অভাব, প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রভৃতি কারণে নগরে এসে নগর জনসংখ্যার ওপর চাপ বৃদ্ধি করছে। এসব মানুষ কাঙ্ক্ষিত সুযোগ-সুবিধা না পাওয়ায় বস্তিতে বসবাস শুরু করবে। এটা নগরের পরিবেশ নষ্ট করবে এবং নানা প্রকার সমস্যার সৃষ্টি করবে। নগরে নানা ধরনে সুযোগ-সুবিধা থাকার কারণে গ্রাম থেকে মানুষ নগরবাসী হচ্ছে। কিন্তু নগরে এসে কর্মসংস্থান করতে পারছে না। ফলে নগরে বেকারত্ব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই বলা যায়, অতিরিক্ত জনসংখ্যা একটি নগরে ব্যাপক সমস্যার সৃষ্টি করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image
ক
বসতি কাকে বলে?

উত্তর

কোনো একটি স্থানে মানুষ একত্রিত হয়ে স্থায়িভাবে বসবাসের জন্য যে অবস্থার তৈরি করে তাকে বসতি বলে।
খ
পুঞ্জীভূত বসতির প্রধান কারণ শিল্পায়ন- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

যে অধিবাসীদের বসতবাড়িগুলো খুব কাছাকাছি এবং ঘন বা নিবিড়ভাবে গড়ে ওঠে তাকে পুঞ্জীভূত বসতি বলে। কোনো স্থানে শিল্প স্থাপিত হলে সে অঞ্চলে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধার (যেমন- কর্মসংস্থানের পাশাপাশি শিক্ষা, বিনোদন, চিকিৎসা প্রভৃতি) কারণে মানুষ শিল্পাঞ্চলকে কেন্দ্র করে বসতি স্থাপন করতে চায়। উক্ত কারণে' শিল্পাঞ্চলে পুঞ্জীভূত বসতি গড়ে ওঠে।
গ
উদ্দীপকে বসতি-২ এর বৈশিষ্ট্য বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে বসতি-২ হলো গ্রামীণ বসতি। গ্রামীণ বসতি মূলত কৃষিকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে। গ্রামে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল থাকে না। এখানে অধিকাংশ লোকই দরিদ্র শ্রেণির, তাই এসব অঞ্চলে কাঁচা বাড়ি লক্ষ করা যায়। তবে স্থানভেদে কোথাও নিবিড়, কোথাও সারিবদ্ধ, কোথাও বিক্ষিপ্ত, কোথাও অনুকেন্দ্রিক, পুঞ্জীভূত প্রভৃতি ধরনের বসতি গড়ে ওঠে। গ্রামে অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, তথ্য প্রযুক্তির কম ব্যবহার, কৃষিভিত্তিক সমাজ, শিল্পকারখানা কম হওয়া প্রভৃতির প্রভাব গ্রামীণ বসতির মধ্যে ফুটে ওঠে। বর্তমানে অনেক গ্রামে শিল্পকারখানা গড়ে উঠলেও গ্রামীণ অর্থনীতির মূল ভিত্তি হলো কৃষি। তাই কৃষিকে কেন্দ্র করেই বেশিরভাগ গ্রামীণ বসতি গড়ে উঠেছে। উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, গ্রামীণ বসতির এই বৈশিষ্ট্যগুলো গ্রামীণ বসতি গড়ে উঠতে বৈশিষ্ট্যময় রূপদান করেছে।
ঘ
বসতি-১ এ অতিরিক্ত জনসংখ্যা কী ধরনের সমস্যার সৃষ্টি করে- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

বসতি-১ হলো নগর বসতি। নগরে জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে তীব্র বাসস্থান সংকট দেখা দেয়। কেননা এখানে জমির উচ্চমূল্য এবং ভূমি সাধারণত বাণিজ্যিক প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়। নগর জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে নগরবাসী আকাঙ্ক্ষিত সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে। যেমন- বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, পয়ঃনিষ্কাশন, নিরাপত্তা, পরিবহন, চিকিৎসা, শিক্ষা প্রভৃতি। শিল্পক্ষেত্রে জ্বালানির ব্যবহার, পয়ঃনিষ্কাশন সমস্যা, যানবাহনের বিষাক্ত ধোঁয়া, শব্দ, শিল্পবর্জ্য প্রভৃতি কারণে নগর পরিবেশ প্রতিনিয়ত দূষিত হবে। গ্রামের মানুষের ভূমিহীনতা, দারিদ্র্য, কর্মসংস্থানের অভাব, প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রভৃতি কারণে নগরে এসে নগর জনসংখ্যার ওপর চাপ বৃদ্ধি করছে। এসব মানুষ কাঙ্ক্ষিত সুযোগ-সুবিধা না পাওয়ায় বস্তিতে বসবাস শুরু করবে। এটা নগরের পরিবেশ নষ্ট করবে এবং নানা প্রকার সমস্যার সৃষ্টি করবে। নগরে নানা ধরনে সুযোগ-সুবিধা থাকার কারণে গ্রাম থেকে মানুষ নগরবাসী হচ্ছে। কিন্তু নগরে এসে কর্মসংস্থান করতে পারছে না। ফলে নগরে বেকারত্ব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই বলা যায়, অতিরিক্ত জনসংখ্যা একটি নগরে ব্যাপক সমস্যার সৃষ্টি করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image
ক
বসতি কাকে বলে?

উত্তর

কোনো একটি স্থানে মানুষ একত্রিত হয়ে স্থায়িভাবে বসবাসের জন্য যে অবস্থার তৈরি করে তাকে বসতি বলে।
খ
পুঞ্জীভূত বসতির প্রধান কারণ শিল্পায়ন- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

যে অধিবাসীদের বসতবাড়িগুলো খুব কাছাকাছি এবং ঘন বা নিবিড়ভাবে গড়ে ওঠে তাকে পুঞ্জীভূত বসতি বলে। কোনো স্থানে শিল্প স্থাপিত হলে সে অঞ্চলে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধার (যেমন- কর্মসংস্থানের পাশাপাশি শিক্ষা, বিনোদন, চিকিৎসা প্রভৃতি) কারণে মানুষ শিল্পাঞ্চলকে কেন্দ্র করে বসতি স্থাপন করতে চায়। উক্ত কারণে' শিল্পাঞ্চলে পুঞ্জীভূত বসতি গড়ে ওঠে।
গ
উদ্দীপকে বসতি-২ এর বৈশিষ্ট্য বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে বসতি-২ হলো গ্রামীণ বসতি। গ্রামীণ বসতি মূলত কৃষিকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে। গ্রামে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল থাকে না। এখানে অধিকাংশ লোকই দরিদ্র শ্রেণির, তাই এসব অঞ্চলে কাঁচা বাড়ি লক্ষ করা যায়। তবে স্থানভেদে কোথাও নিবিড়, কোথাও সারিবদ্ধ, কোথাও বিক্ষিপ্ত, কোথাও অনুকেন্দ্রিক, পুঞ্জীভূত প্রভৃতি ধরনের বসতি গড়ে ওঠে। গ্রামে অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, তথ্য প্রযুক্তির কম ব্যবহার, কৃষিভিত্তিক সমাজ, শিল্পকারখানা কম হওয়া প্রভৃতির প্রভাব গ্রামীণ বসতির মধ্যে ফুটে ওঠে। বর্তমানে অনেক গ্রামে শিল্পকারখানা গড়ে উঠলেও গ্রামীণ অর্থনীতির মূল ভিত্তি হলো কৃষি। তাই কৃষিকে কেন্দ্র করেই বেশিরভাগ গ্রামীণ বসতি গড়ে উঠেছে। উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, গ্রামীণ বসতির এই বৈশিষ্ট্যগুলো গ্রামীণ বসতি গড়ে উঠতে বৈশিষ্ট্যময় রূপদান করেছে।
ঘ
বসতি-১ এ অতিরিক্ত জনসংখ্যা কী ধরনের সমস্যার সৃষ্টি করে- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

বসতি-১ হলো নগর বসতি। নগরে জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে তীব্র বাসস্থান সংকট দেখা দেয়। কেননা এখানে জমির উচ্চমূল্য এবং ভূমি সাধারণত বাণিজ্যিক প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়। নগর জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে নগরবাসী আকাঙ্ক্ষিত সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে। যেমন- বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, পয়ঃনিষ্কাশন, নিরাপত্তা, পরিবহন, চিকিৎসা, শিক্ষা প্রভৃতি। শিল্পক্ষেত্রে জ্বালানির ব্যবহার, পয়ঃনিষ্কাশন সমস্যা, যানবাহনের বিষাক্ত ধোঁয়া, শব্দ, শিল্পবর্জ্য প্রভৃতি কারণে নগর পরিবেশ প্রতিনিয়ত দূষিত হবে। গ্রামের মানুষের ভূমিহীনতা, দারিদ্র্য, কর্মসংস্থানের অভাব, প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রভৃতি কারণে নগরে এসে নগর জনসংখ্যার ওপর চাপ বৃদ্ধি করছে। এসব মানুষ কাঙ্ক্ষিত সুযোগ-সুবিধা না পাওয়ায় বস্তিতে বসবাস শুরু করবে। এটা নগরের পরিবেশ নষ্ট করবে এবং নানা প্রকার সমস্যার সৃষ্টি করবে। নগরে নানা ধরনে সুযোগ-সুবিধা থাকার কারণে গ্রাম থেকে মানুষ নগরবাসী হচ্ছে। কিন্তু নগরে এসে কর্মসংস্থান করতে পারছে না। ফলে নগরে বেকারত্ব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই বলা যায়, অতিরিক্ত জনসংখ্যা একটি নগরে ব্যাপক সমস্যার সৃষ্টি করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো