HSCGeography 2nd Paperসৃজনশীল
উদ্দীপক
বিভাগীয় শহরের জনসংখ্যা
নগরের নাম
জনসংখ্যা
নগরের নাম
জনসংখ্যা
ঢাকা
৪,৯৩,২১,৬৮৮
বরিশাল
৮৮,৫২,৩২৪
চট্টগ্রাম
২,৯৫,৫৩,৮৫৭
সিলেট
১,০২,৯৬,৯৯৫
রাজশাহী
১,৯২,২৫,৯০৯
রংপুর
১৬,৪১,২২৮৭
খুলনা
১,৬৫,০৯,৩০৪
ময়মনসিংহ
১,১০,১০,০০০
[উৎস: আদমশুমারি ২০১১]
ক
আকৃতিহীন বসতি কী?
উত্তর
আকারবিহীন বিক্ষিপ্ত জনবসতিকে আকৃতিবিহীন বসতি বলে।
খ
রংপুর শহরের ব্যাখ্যা দাও।
উত্তর
তিস্তা নদীর তীরে অবস্থিত রংপুর জেলা সদর ও বিভাগীয় শহর।
এর জনসংখ্যা প্রায় ২৬ লাখ ৪৬ হাজার। এখানে ১টি মেডিক্যাল কলেজ, ১টি ক্যাডেট কলেজ, ১টি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। উত্তরবঙ্গের এটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাচীন জনপদ। অর্থকরী ফসল, খাদ্যশস্য এবং খনিজ ও শিল্প সমৃদ্ধ একটি অঞ্চল। এ শহরের সাথে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরের সাথে সড়ক, রেল ও জলপথে সংযুক্ত। ফলে এটি সহজেই একটি শহরে পরিণত হয়েছে।
গ
বর্গ পদ্ধতিতে ময়মনসিংহ বিভাগীয় শহরের জনসংখ্যা নির্ণয় করে চিত্রে প্রদর্শন কর।
উত্তর
আমরা জানি, একটি বর্গক্ষেত্রের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য সমান থাকে। অতএব প্রতিটি নগরের জনসংখ্যার প্রতিনিধিত্বকারী বর্গগুলোর বাহুর দৈর্ঘ্য কত হবে তা নির্ণয়ের জন্য প্রতি বর্গইঞ্চিতে ৫০ লাখ জনসংখ্যা ধরা হয়েছে। প্রতিটি নগরের জনসংখ্যাকে ৫০,০০,০০০ দিয়ে ভাগ করে বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য নির্ণয় করা হয়েছে। ময়মনসিংহ একটি নতুন বিভাগ এবং এ শহরের জনসংখ্যা ১,১০,১০,০০০। সুতরাং ময়মনসিংহ নগরের জনসংখ্যার বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য ১,১০,১০,০০০ + ৫,০০,০০০ ২.২০"।
বর্গ পদ্ধতিতে নির্ণেয় বিভাগীয় শহরের জনসংখ্যা চিত্রে প্রদর্শন করা হলো-
চিত্র: বর্গ পদ্ধতিতে ময়মনসিংহ নগরের জনসংখ্যা
চিত্র: বর্গ পদ্ধতিতে ময়মনসিংহ নগরের জনসংখ্যাঘ
উদ্দীপকের বিভাগীয় বড় শহরটি বিশ্লেষণ কর।
উত্তর
উদ্দীপকের বিভাগীয় বড় শহরটি হলো ঢাকা
আমরা জানি, একটি বর্গক্ষেত্রের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য সমান থাকে। অতএব প্রতিটি নগরের জনসংখ্যার প্রতিনিধিত্বকারী বর্গগুলোর বাহুর দৈর্ঘ্য কত হবে তা নির্ণয়ের জন্য প্রতি বর্গইঞ্চিতে ৫০ লাখ জনসংখ্যা ধরা হয়েছে। প্রতিটি নগরের জনসংখ্যাকে ৫০,০০,০০০ দিয়ে ভাগ করে বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য নির্ণয় করা হয়। ঢাকা শহরের জনসংখ্যা বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য ৪,৯৩,২১,৬৮৮+৫০,০০,০০০ = ৯.৮৬"।অর্থাৎ ঢাকা মহানগরীর বর্গক্ষেত্রটি অন্যান্য নগর অপেক্ষা বড়। অর্থাৎ এ নগরে জনসংখ্যার পরিমাণ অনেক বেশি। কারণ ঢাকা মহানগরী বাংলাদেশের প্রধান প্রশাসনিক শহর। এখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ- সুবিধা ও জীবনযাত্রার মান অনেক উন্নত। এছাড়া এ শহরের সাথে দেশের অন্যান্য সকল শহরের রেল, সড়ক, জল ও বিমানপথে যাতায়াতের সুব্যবস্থা রয়েছে। ফলে ঢাকায় জনসংখ্যার পরিমাণ বেশি দেখা যায়
সুতরাং মানচিত্রে প্রদর্শিত বর্গক্ষেত্রের আকার ছোট-বড় থেকে সহজেই জনসংখ্যার ভিন্নতা পরিমাপ করা যাবে।উপরোল্লিখিত বিষয়গুলো ছাড়াও বস্তি সমস্যার সমাধানকল্পে কাজ করতে হবে। সর্বোপরি নগর জনসংখ্যা হ্রাসের পাশাপাশি নগর পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন। সুতরাং উল্লিখিত বিষয়গুলো সঠিক বাস্তবায়ন করতে পারলে শহরাঞ্চলের জনসংখ্যাজনিত সমস্যায় সমাধান সম্ভব।
সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো
