HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল
উদ্দীপক
ক-আটলান্টিক মহাসাগরে নিরক্ষরেখার উভয় পাশে প্রবাহিত হয়।
খ- লাব্রাডর পূর্ব উপকূলে প্রবাহিত স্রোত।
ক
নিরক্ষীয় বিপরীত স্রোত বলতে কী বোঝায়?
উত্তর
নিরক্ষরেখার সামান্য উত্তরে একটি দুর্বল স্রোত শক্তিশালী উত্তর ও দক্ষিণ নিরক্ষীয় স্রোতের মধ্য দিয়ে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়। একে নিরক্ষীয় বিপরীত স্রোত বলে।
খ
সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির কারণ ব্যাখ্যা কর।
উত্তর
সমুদ্রের পানির চলাচল বা নড়াচড়ার কারণে একস্থান হতে অন্যস্থানে গমন করাকে সমুদ্রস্রোত বলে। এটি বিভিন্ন কারণে হয়ে থাকে। যথা- বায়ুপ্রবাহ, পৃথিবীর আবর্তন, উষ্ণতার তারতম্য, লবণাক্ততার তারতম্য, সমুদ্রের গভীরতা, বরফ গলন, মাধ্যাকর্ষণজনিত বল ইত্যাদি। উক্ত বিষয়গুলোর কারণে সমুদ্রের পানির মধ্যে নড়াচড়া বা চলন ক্রিয়া কাজ করে। ফলে পানিগুলো একস্থান হতে অন্যস্থানে চলে যায় যা সমুদ্রস্রোত নামে পরিচিত।
গ
উদ্দীপকের 'ক' স্রোতটির প্রবাহ পথ বর্ণনা কর।
উত্তর
উদ্দীপকের 'ক' স্রোতটি হলো দক্ষিণ নিরক্ষীয় সমুদ্রস্রোত। এটি আটলান্টিক মহাসাগরের উভয় গোলার্ধেই ক্রিয়াশীল। নিম্নে উক্ত স্রোতটির প্রবহপথ বর্ণনা করা হলো-
বেঙ্গুয়েলা স্রোত যখন নিরক্ষরেখার দক্ষিণ দিক দিয়ে সোজা পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয় তখন তাকে দক্ষিণ নিরক্ষীয় স্রোত বলে। দক্ষিণ-পূর্ব আয়ন বায়ুর প্রভাবে এ স্রোতের গতিবেগ বৃদ্ধি পায়। এ স্রোতটি আটলান্টিক মহাসাগর পার হয়ে দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূলে এসে সেন্টরক অন্তরীপে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে দুটি শাখায় বিভক্ত হয়। প্রথম ও প্রধান শাখাটি দক্ষিণ আমেরিকার উত্তর উপকূল দিয়ে ক্যারিবিয়ান সাগরে প্রবেশ করে এবং পরে মেস্কিকো উপসাগরে পৌঁছে উষ্ণ-উপসাগরীয় স্রোতে পরিণত হয়। দ্বিতীয় শাখাটি দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূল দিয়ে প্রবাহিত হয়।
ঘ
উদ্দীপকের 'খ' স্রোতটির গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।
উত্তর
উদ্দীপকে 'খ' স্রোতটি হলো ল্যাব্রাডর স্রোত। উত্তর মহাসাগর হতে আগত সুমেরু শীতল স্রোত দুটি গ্রীনল্যান্ডের পূর্ব ও পশ্চিম পার্শ্ব দিয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে ল্যাব্রাডর উপদ্বীপের নিকট মিলিত হয়। এ মিলিত শীত ল্যাব্রাডর স্রোত নামে পরিচিত। এই স্রোতের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করা হলো-
সুমেরু শীতল স্রোতের প্রভাবে উত্তর আমেরিকার ল্যাব্রাডর উপদ্বীপের বন্দরগুলো বছরের অধিকাংশ সময়ই বরফে আচ্ছাদিত থাকে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে বিঘ্ন ঘটে।
শীতল ল্যাব্রাডর স্রোতের প্রভাবে উত্তর আমেরিকার সেন্ট লরেন্স নদী ও তার মোহনা বছরের প্রায় নয় মাসই বরফাবৃত থাকে। নিউইয়র্ক লন্ডন হতে দক্ষিণ দিকে অবস্থিত হলেও নিউইয়র্কের পার্শ্ব দিয়ে শীতল ল্যাব্রাডর স্রোত প্রবাহিত হয় বলে সেখানে শীতকালে লন্ডন অপেক্ষা বেশি শীত অনুভূত হয়।
শীতল ল্যাব্রাডর স্রোতের সাথে হিমালয় উষ্ণ স্রোতের মিলনস্থলে চড়াভূমির সৃষ্টি হয়। এখানে মৎস্যক্ষেত্র গড়ে উঠেছে।
উদ্দীপকে 'খ' স্রোতটি হলো ল্যাব্রাডর স্রোত। উত্তর মহাসাগর হতে আগত সুমেরু শীতল স্রোত দুটি গ্রীনল্যান্ডের পূর্ব ও পশ্চিম পার্শ্ব দিয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে ল্যাব্রাডর উপদ্বীপের নিকট মিলিত হয়। এ মিলিত শীত ল্যাব্রাডর স্রোত নামে পরিচিত। এই স্রোতের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করা হলো-
সুমেরু শীতল স্রোতের প্রভাবে উত্তর আমেরিকার ল্যাব্রাডর উপদ্বীপের বন্দরগুলো বছরের অধিকাংশ সময়ই বরফে আচ্ছাদিত থাকে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে বিঘ্ন ঘটে।
শীতল ল্যাব্রাডর স্রোতের প্রভাবে উত্তর আমেরিকার সেন্ট লরেন্স নদী ও তার মোহনা বছরের প্রায় নয় মাসই বরফাবৃত থাকে। নিউইয়র্ক লন্ডন হতে দক্ষিণ দিকে অবস্থিত হলেও নিউইয়র্কের পার্শ্ব দিয়ে শীতল ল্যাব্রাডর স্রোত প্রবাহিত হয় বলে সেখানে শীতকালে লন্ডন অপেক্ষা বেশি শীত অনুভূত হয়।
শীতল ল্যাব্রাডর স্রোতের সাথে হিমালয় উষ্ণ স্রোতের মিলনস্থলে চড়াভূমির সৃষ্টি হয়। এখানে মৎস্যক্ষেত্র গড়ে উঠেছে।
সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো