Chapter 2: কেন্দ্রীয় ব্যাংক Finance 2nd Paper

HSC Finance 2nd Paper এর Chapter 2: কেন্দ্রীয় ব্যাংক অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৭৪১

প্রশ্ন

Finance 2nd Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCFinance 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

তালিকাভুক্ত কিছু ব্যাংক সম্প্রতি জনগণকে অধিক ঋণ দেওয়ার ফলে দেশে মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের একমাত্র ব্যাংকটি ঈজজ ও ঝখজ-এর মাধ্যমে মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে। এছাড়া তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে পারস্পরিক দেনা-পাওনা নিষ্পত্তিতে প্রকট সমস্যা দেখাদিয়েছে। এ সমস্যা মোকাবিলার জন্য তারা এ ব্যাংকটির দ্বারস্থ হয়েছে।
ক
মুদ্রাস্ফীতি কী?

উত্তর

দামের ক্রমাগত বৃদ্ধিই হলো মুদ্রাস্ফীতি। মুদ্রাস্ফীতির অর্থ দাম বেশি থাকা নয়, বরং দামের বৃদ্ধি অব্যাহত থাকাকেই মুদ্রাস্ফীতি বোঝায়।
খ
ঋণ নিয়ন্ত্রণের গুণগত পদ্ধতি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

কোন বিশেষ ক্ষেত্রে বিশেষ লক্ষ্য অর্জনের জন্য ঋনের উদ্দেশ্য ও ব্যবহারের প্রতি খেয়াল রেখে ঋন নিয়ন্ত্রণের যে সকল পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় তাকে গুণগত বা নির্বাচনমূলক পদ্ধতি বলে। প্রয়োজনীয় বিশেষ খাত যেন প্রত্যাশিত ঋণ পায় বা কোন খাতে ঋণ বেড়ে না যায় তা নিয়ন্ত্রণের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণে গুণগত পদ্ধতি ব্যবহার করে। সংখ্যাত্মক নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি সামগ্রিকভাবে ঋণ নিয়ন্ত্রণে প্রভাব রাখে। তবে বিশেষ খাতের নিয়ন্ত্রণের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক গুণগত পদ্ধতি ব্যবহার করে। ঋণের বরাদ্দকরণ নীতি, ভোগ্যপণ্যের ঋণ নিয়ন্ত্রণ এর মধ্যে পড়ে।
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত ব্যাংকটি মুদ্রাবাজারের স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য কি পদ্ধতি গ্রহণ করেছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত ব্যাংকটি মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীল রাখার জন্য ঋণ নিয়ন্ত্রণের জমার হার পরিবর্তন নীতিটি প্রয়োগ করেন। তালিকাভুক্ত ব্যাংক সমূহ তার সংগৃহীত আমানতের একটা নির্দিষ্ট অংশ বাধ্যতামূলকভাবে নগদে এবং অংশ বিশেষ বন্ড সিকিউরিটিজ ক্রয় করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখে। এই জমার হার পরিবর্তন করে ঋণ নিয়ন্ত্রণ কৌশল কে জমার হার পরিবর্তন নীতি বলে। উদ্দীপক তালিকাভুক্ত কিছু ব্যাংক জনগণকে অধিক হারে ঋণ দেওয়ার ফলে দেশের মুদ্রা সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের একমাত্র ব্যাংক CRR এবং SLR এর মাধ্যমে দেশের মুদ্রা বাজার স্থিতিশীল রাখার ব্যবস্থা করছে। এখানে কেন্দ্রীয় ব্যাংক CRR অর্থাৎ নগদ জমার হার এবং SLR অর্থাৎ বন্ড কিনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংরক্ষন করে। এখানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকCRR এবং SLR এর হার বৃদ্ধি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋনদান ক্ষমতা কমিয়ে নিবে। এটি প্রয়োগের মাধ্যমেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখবে।
ঘ
“তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে পারস্পরিক লেনদেন নিষ্পত্তিতে একমাত্র ব্যাংকটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে।” তুমি কি একমত? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে লেনদেন নিষ্পত্তিতে একমাত্র ব্যাংকটি অর্থাৎ কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিশেষ ভূমিকা পালন করে।এর সাথে আমি একমত ব্যাংকিং লেনদেন থেকে উদ্ভত আন্তব্যাংকিং দেনা পাওনা নিষ্পত্তিস্থলই হলো নিকাশঘর। যা ব্যাংক ব্যবসা কে গতিশীল এবং শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে যে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিদিনের কার্যকর সহায়তা প্রদান করে চলেছে। উদ্দীপকের দেশে তালিকাভুক্ত ব্যাংক সমূহের মধ্যে দেনা পাওনা নিষ্পত্তিতে প্রকট সমস্যা দেখা দিয়েছে ।এই সমস্যা সমাধানের জন্য ব্যাংকটি এই ব্যাংকের দ্বারস্থ হয়েছে। এখানে তালিকাভুক্ত ব্যাংক সমূহ নিকাশ ঘরের সমস্যা সমাধানের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিকট দারস্থ হয়েছে। নিকাশ ঘরের মাধ্যমে অত্যন্ত দ্রুততার সাথে দেনা পাওনা নিষ্পত্তি করা যায়। এর মাধ্যমে ব্যাংক সমূহ অত্যন্ত কম খরচে নিজেদের মধ্যকার দেনা পাওনা নিষ্পত্তি করে।নিকাশ ঘরের আওতায় ওই অঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্যে সামগ্রিক পরিস্থিতি সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা পাওয়া যায়। তাই বলা যায় ব্যাংকিং লেনদেন প্রসারে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCFinance 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

তালিকাভুক্ত কিছু ব্যাংক সম্প্রতি জনগণকে অধিক ঋণ দেওয়ার ফলে দেশে মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের একমাত্র ব্যাংকটি ঈজজ ও ঝখজ-এর মাধ্যমে মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে। এছাড়া তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে পারস্পরিক দেনা-পাওনা নিষ্পত্তিতে প্রকট সমস্যা দেখাদিয়েছে। এ সমস্যা মোকাবিলার জন্য তারা এ ব্যাংকটির দ্বারস্থ হয়েছে।
ক
মুদ্রাস্ফীতি কী?

উত্তর

দামের ক্রমাগত বৃদ্ধিই হলো মুদ্রাস্ফীতি। মুদ্রাস্ফীতির অর্থ দাম বেশি থাকা নয়, বরং দামের বৃদ্ধি অব্যাহত থাকাকেই মুদ্রাস্ফীতি বোঝায়।
খ
ঋণ নিয়ন্ত্রণের গুণগত পদ্ধতি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

কোন বিশেষ ক্ষেত্রে বিশেষ লক্ষ্য অর্জনের জন্য ঋনের উদ্দেশ্য ও ব্যবহারের প্রতি খেয়াল রেখে ঋন নিয়ন্ত্রণের যে সকল পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় তাকে গুণগত বা নির্বাচনমূলক পদ্ধতি বলে। প্রয়োজনীয় বিশেষ খাত যেন প্রত্যাশিত ঋণ পায় বা কোন খাতে ঋণ বেড়ে না যায় তা নিয়ন্ত্রণের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণে গুণগত পদ্ধতি ব্যবহার করে। সংখ্যাত্মক নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি সামগ্রিকভাবে ঋণ নিয়ন্ত্রণে প্রভাব রাখে। তবে বিশেষ খাতের নিয়ন্ত্রণের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক গুণগত পদ্ধতি ব্যবহার করে। ঋণের বরাদ্দকরণ নীতি, ভোগ্যপণ্যের ঋণ নিয়ন্ত্রণ এর মধ্যে পড়ে।
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত ব্যাংকটি মুদ্রাবাজারের স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য কি পদ্ধতি গ্রহণ করেছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত ব্যাংকটি মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীল রাখার জন্য ঋণ নিয়ন্ত্রণের জমার হার পরিবর্তন নীতিটি প্রয়োগ করেন। তালিকাভুক্ত ব্যাংক সমূহ তার সংগৃহীত আমানতের একটা নির্দিষ্ট অংশ বাধ্যতামূলকভাবে নগদে এবং অংশ বিশেষ বন্ড সিকিউরিটিজ ক্রয় করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখে। এই জমার হার পরিবর্তন করে ঋণ নিয়ন্ত্রণ কৌশল কে জমার হার পরিবর্তন নীতি বলে। উদ্দীপক তালিকাভুক্ত কিছু ব্যাংক জনগণকে অধিক হারে ঋণ দেওয়ার ফলে দেশের মুদ্রা সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের একমাত্র ব্যাংক CRR এবং SLR এর মাধ্যমে দেশের মুদ্রা বাজার স্থিতিশীল রাখার ব্যবস্থা করছে। এখানে কেন্দ্রীয় ব্যাংক CRR অর্থাৎ নগদ জমার হার এবং SLR অর্থাৎ বন্ড কিনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংরক্ষন করে। এখানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকCRR এবং SLR এর হার বৃদ্ধি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋনদান ক্ষমতা কমিয়ে নিবে। এটি প্রয়োগের মাধ্যমেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখবে।
ঘ
“তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে পারস্পরিক লেনদেন নিষ্পত্তিতে একমাত্র ব্যাংকটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে।” তুমি কি একমত? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে লেনদেন নিষ্পত্তিতে একমাত্র ব্যাংকটি অর্থাৎ কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিশেষ ভূমিকা পালন করে।এর সাথে আমি একমত ব্যাংকিং লেনদেন থেকে উদ্ভত আন্তব্যাংকিং দেনা পাওনা নিষ্পত্তিস্থলই হলো নিকাশঘর। যা ব্যাংক ব্যবসা কে গতিশীল এবং শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে যে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিদিনের কার্যকর সহায়তা প্রদান করে চলেছে। উদ্দীপকের দেশে তালিকাভুক্ত ব্যাংক সমূহের মধ্যে দেনা পাওনা নিষ্পত্তিতে প্রকট সমস্যা দেখা দিয়েছে ।এই সমস্যা সমাধানের জন্য ব্যাংকটি এই ব্যাংকের দ্বারস্থ হয়েছে। এখানে তালিকাভুক্ত ব্যাংক সমূহ নিকাশ ঘরের সমস্যা সমাধানের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিকট দারস্থ হয়েছে। নিকাশ ঘরের মাধ্যমে অত্যন্ত দ্রুততার সাথে দেনা পাওনা নিষ্পত্তি করা যায়। এর মাধ্যমে ব্যাংক সমূহ অত্যন্ত কম খরচে নিজেদের মধ্যকার দেনা পাওনা নিষ্পত্তি করে।নিকাশ ঘরের আওতায় ওই অঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্যে সামগ্রিক পরিস্থিতি সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা পাওয়া যায়। তাই বলা যায় ব্যাংকিং লেনদেন প্রসারে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCFinance 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো সীমাহীন ঋণ দেওয়ার কারণে দেশে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক-এ তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোকে এখন ১% বেশি আমানতী টাকা জমা দিতে হচ্ছে। আর্থিক স্বচ্ছল বড় ব্যাংকগুলোর অনেকেই ইহা মানতে নারাজ। বর্তমানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিকাশ ঘর সুবিধাবঞ্চিত হওয়ার ভয়ে সকল তালিকাভুক্ত ব্যাংকই ইহা মানতে বাধ্য হচ্ছে।

Barisal · 2017

ক
ব্যাংক হার নীতি কি?

উত্তর

ব্যাংক হারের হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঋণ নিয়ন্ত্রণ করার কৌশলকে ব্যাংক হার নীতি বলে।
খ
ঋণদানের শেষ আশ্রয়স্থল বলতে কী বোঝ?

উত্তর

ঋণের শেষ আশ্রয়স্থল বলা হয় কেন্দ্রীয় ব্যাংককে। তালিকাভুক্ত ব্যাংকসমূহ যেকোনো কারণেই তারল্য সংকটে বা আর্থিক সংকটে পড়তে পারে। এ সময় ব্যাংকগুলো যখন অন্য কোনো উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহে ব্যর্থ হয় তখন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ সরবরাহে এগিয়ে আসে। এ কারণেই কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ঋণদানের শেষ আশ্রয়স্থল বলা হয়।
গ
উদ্দীপকে ঋণ নিয়ন্ত্রণের কোন পদ্ধতির কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে ঋণ নিয়ন্ত্রণের সাধারণ পদ্ধতির অন্তর্ভুক্ত জমার হার পরিবর্তন নীতিটির কথা বলা হয়েছে। বাণিজ্যিক ব্যাংকের আমানতের একটি অংশ অবশ্যই কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখতে হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক এ জমার হার পরিবর্তন করে ঋণ নিয়ন্ত্রণ করার কৌশলই হলো জমার হার পরিবর্তন নীতি। উদ্দীপকে তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো সীমাহীন ঋণ দেয়ার কারণে দেশে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিয়েছে। তাই ঋণ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আগের চেয়ে ১% বেশি আমানত জমা রাখছে। অর্থাৎ আগের তুলনায় ১% বেশি আমানতের অর্থ বাণিজ্যিক ব্যাংককে তারল্য হিসেবে সংরক্ষণ করতে হচ্ছে। এতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ঋণদান ক্ষমতা কমবে। ফলে ঋণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। এভাবে জমার হার পরিবর্তন করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক ঋণ নিয়ন্ত্রণের এ পদ্ধতিকে জমার হার পরিবর্তন নীতি বলা হয়। [সহায়ক তথ্য] তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক: কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যাংককে তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক বলে।
ঘ
তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর নিকাশ ঘর সুবিধা না পাওয়ার এত ভয় কেন? উদ্দীপকের আলোকে তা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে নিকাশঘর সুবিধা ব্যতীত গ্রাহক ধরে রাখা সম্ভব নয়। তাই বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো এ বিষয়ে ভয়ে রয়েছে। নিকাশঘর হলো আন্তঃব্যাংকিং দেনা-পাওনা নিষ্পত্তির স্থল। মূলত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে এ পদ্ধতিতে তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো পারস্পরিক দেনা-পাওনা নিষ্পত্তি করে থাকে। উদ্দীপকে ঋণ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোর জমার হার ১% বাড়ায়। মূলত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিকাশঘর সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে পারে এই ভয়ে সকল তালিকাভুক্ত ব্যাংকই এ সিদ্ধান্ত মানতে বাধ্য হচ্ছে। নিকাশঘর সুবিধা বঞ্চিত হলে তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলো গ্রাহকের চেক, বিনিময় বিল ইত্যাদির মূল্য পরিশোধ করতে পারবে না। এতে ব্যাংকের ওপর গ্রাহক সন্তুষ্টি কমবে। ফলে ব্যাংকগুলোর গ্রাহকের সংখ্যাও কমতে পারে। আর এভাবে গ্রাহক সন্তুষ্টি এবং গ্রাহকের সংখ্যা কমলে ব্যাংকের আমানত সংগ্রহের পরিমাণও কমতে থাকবে। যার ফলে ব্যাংকের মুনাফা কমবে। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো এজন্যই নিকাশঘর সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে চায় না। [সহায়ক তথ্য] জমার হার: বাণিজ্যিক ব্যাংককে অবশ্যই একটি নির্দিষ্ট হারে সম্পূর্ণ আমানতের একটি অংশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখতে হয়। এটিকেই জমার হার বলে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCFinance 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো সীমাহীন ঋণ দেওয়ার কারণে দেশে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক-এ তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোকে এখন ১% বেশি আমানতী টাকা জমা দিতে হচ্ছে। আর্থিক স্বচ্ছল বড় ব্যাংকগুলোর অনেকেই ইহা মানতে নারাজ। বর্তমানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিকাশ ঘর সুবিধাবঞ্চিত হওয়ার ভয়ে সকল তালিকাভুক্ত ব্যাংকই ইহা মানতে বাধ্য হচ্ছে।

Barisal · 2017

ক
ব্যাংক হার নীতি কি?

উত্তর

ব্যাংক হারের হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঋণ নিয়ন্ত্রণ করার কৌশলকে ব্যাংক হার নীতি বলে।
খ
ঋণদানের শেষ আশ্রয়স্থল বলতে কী বোঝ?

উত্তর

ঋণের শেষ আশ্রয়স্থল বলা হয় কেন্দ্রীয় ব্যাংককে। তালিকাভুক্ত ব্যাংকসমূহ যেকোনো কারণেই তারল্য সংকটে বা আর্থিক সংকটে পড়তে পারে। এ সময় ব্যাংকগুলো যখন অন্য কোনো উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহে ব্যর্থ হয় তখন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ সরবরাহে এগিয়ে আসে। এ কারণেই কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ঋণদানের শেষ আশ্রয়স্থল বলা হয়।
গ
উদ্দীপকে ঋণ নিয়ন্ত্রণের কোন পদ্ধতির কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে ঋণ নিয়ন্ত্রণের সাধারণ পদ্ধতির অন্তর্ভুক্ত জমার হার পরিবর্তন নীতিটির কথা বলা হয়েছে। বাণিজ্যিক ব্যাংকের আমানতের একটি অংশ অবশ্যই কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখতে হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক এ জমার হার পরিবর্তন করে ঋণ নিয়ন্ত্রণ করার কৌশলই হলো জমার হার পরিবর্তন নীতি। উদ্দীপকে তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো সীমাহীন ঋণ দেয়ার কারণে দেশে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিয়েছে। তাই ঋণ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আগের চেয়ে ১% বেশি আমানত জমা রাখছে। অর্থাৎ আগের তুলনায় ১% বেশি আমানতের অর্থ বাণিজ্যিক ব্যাংককে তারল্য হিসেবে সংরক্ষণ করতে হচ্ছে। এতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ঋণদান ক্ষমতা কমবে। ফলে ঋণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। এভাবে জমার হার পরিবর্তন করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক ঋণ নিয়ন্ত্রণের এ পদ্ধতিকে জমার হার পরিবর্তন নীতি বলা হয়। [সহায়ক তথ্য] তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক: কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যাংককে তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক বলে।
ঘ
তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর নিকাশ ঘর সুবিধা না পাওয়ার এত ভয় কেন? উদ্দীপকের আলোকে তা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে নিকাশঘর সুবিধা ব্যতীত গ্রাহক ধরে রাখা সম্ভব নয়। তাই বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো এ বিষয়ে ভয়ে রয়েছে। নিকাশঘর হলো আন্তঃব্যাংকিং দেনা-পাওনা নিষ্পত্তির স্থল। মূলত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে এ পদ্ধতিতে তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো পারস্পরিক দেনা-পাওনা নিষ্পত্তি করে থাকে। উদ্দীপকে ঋণ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোর জমার হার ১% বাড়ায়। মূলত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিকাশঘর সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে পারে এই ভয়ে সকল তালিকাভুক্ত ব্যাংকই এ সিদ্ধান্ত মানতে বাধ্য হচ্ছে। নিকাশঘর সুবিধা বঞ্চিত হলে তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলো গ্রাহকের চেক, বিনিময় বিল ইত্যাদির মূল্য পরিশোধ করতে পারবে না। এতে ব্যাংকের ওপর গ্রাহক সন্তুষ্টি কমবে। ফলে ব্যাংকগুলোর গ্রাহকের সংখ্যাও কমতে পারে। আর এভাবে গ্রাহক সন্তুষ্টি এবং গ্রাহকের সংখ্যা কমলে ব্যাংকের আমানত সংগ্রহের পরিমাণও কমতে থাকবে। যার ফলে ব্যাংকের মুনাফা কমবে। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো এজন্যই নিকাশঘর সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে চায় না। [সহায়ক তথ্য] জমার হার: বাণিজ্যিক ব্যাংককে অবশ্যই একটি নির্দিষ্ট হারে সম্পূর্ণ আমানতের একটি অংশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখতে হয়। এটিকেই জমার হার বলে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCFinance 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

'C′C^{\prime} ব্যাংকের অধীনে তালিকাভুক্ত হয়ে এবং ঐ ব্যাংকের অনুমতি গ্রহণ করে D ব্যাংক আমানত গ্রহণ এবং ঋণ প্রদান কার্যক্রম শুরু করে। সম্প্রতি গ্রাহকদের প্রয়োজনমত নগদ অর্থ সরবরাহ করতে D ব্যাংক ব্যর্থ হচ্ছে।

Jessore · 2017

ক
নিকাশ ঘর কী?

উত্তর

ব্যাংকিং লেনদেন থেকে উদ্ভূত আন্তঃব্যাংকিং দেনা-পাওনার নিষ্পত্তিস্থলই হলো নিকাশঘর।
খ
বাণিজ্যিক ব্যাংক কিভাবে ঋণের মাধ্যমে আমানত সৃষ্টি করে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

যে পদ্ধতি অবলম্বন করে বাণিজ্যিক ব্যাংক ঋণগ্রহীতাকে সরাসরি নগদে ঋণের অর্থ প্রদান না করে তা ঋণগ্রহীতার আমানত হিসাবে স্থানান্তর করে এবং উক্ত আমানত থেকে নতুন ঋণের সৃষ্টি করে তাকে ঋণ আমানত সৃষ্টি বলে। ব্যাংক যখন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ঋণ প্রদান করে তখন সরাসরি নগদ অর্থ ঋণ হিসেবে প্রদান না করে ঋণগ্রহীতাকে তার নামে একটি আমানত হিসাব খোলার জন্য বলে এবং তাতে ঋণের অর্থ প্রদান করে। চেকের মাধ্যমে এই হিসাব থেকে ঋণগ্রহীতা অর্থ উত্তোলন করে। এভাবে প্রদত্ত ঋণ থেকে আমানতের সৃষ্টি হয়। [সহায়ক তথ্য] উদাহরণ: মনে করি, ব্যাংকের তহবিল থেকে রহিমকে ১০,০০০ টাকা ঋণ মঞ্জুর করা হলো। এ টাকা ব্যাংক নগদে প্রদান না করে রহিমের ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করে। এখন উক্ত আমানত থেকে বিধিবদ্ধ তারল্য অর্থাৎ পর্যাপ্ত নগদ জমা রেখে, মনে করি উক্ত অর্থের ২০% নগদ হিসেবে ব্যাংক তহবিলে জমা রেখে বাকি ১০,০০০ (১০,০০০ × ২০%)। = ৮,০০০ টাকা অন্য কোনো গ্রাহককে ঋণ হিসাবে প্রদান করে। এভাবেই ব্যাংক মঞ্জুরকৃত ঋণ থেকে পুনরায় আমানত সৃষ্টি করে।
গ
উদ্দীপকে 'C′C^{\prime} ব্যাংকের সাথে বাংলাদেশের কোন ব্যাংকের কার্যক্রম সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে C ব্যাংকের সাথে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যক্রম সাদৃশ্যপূর্ণ। কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো একটি দেশের প্রধান ব্যাংক। মুদ্রাবাজারের নিয়ন্ত্রণ ও এর পরিচালনার দায়িত্ব মূলত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপরই থাকে। দেশের সকল বাণিজ্যিক ব্যাংকের অভিভাবকের দায়িত্বও এই কেন্দ্রীয় ব্যাংকই পালন করে থাকে। উদ্দীপকে ব্যাংকের অধীনে তালিকাভুক্ত হয়ে এবং ঐ ব্যাংকের অনুমতি নিয়ে D ব্যাংক তার কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করে। অর্থাৎ C ব্যাংক এখানে অভিভাবকের ভূমিকা পালন করছে। অন্যদিকে D ব্যাংক হলো একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক। বাংলাদেশে এরূপ বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহের অভিভাবকত্ব পালন করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তাই নির্দ্বিধায় বলা যায়, C ব্যাংকের কার্যক্রম এর সাথে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যক্রমের মিল রয়েছে। [সহায়ক তথ্য] বাণিজ্যিক ব্যাংকের অভিভাবক: বাণিজ্যিক ব্যাংকের আর্থিক সংকটে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের ঋণ দিয়ে এ সংকট দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংককে ঋণ আদায়ে সাহায্য, ঋণ তদারকি ও উপযুক্ত পরামর্শ প্রদান করায় একে বাণিজ্যিক ব্যাংকের অভিভাবক বলা হয়।
ঘ
'D′D^{\prime} ব্যাংকের সমস্যা সমাধানে তোমার পরামর্শ কী? উদ্দীপকের আলোকে আলোচনা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে D ব্যাংকের সমস্যা সমাধানের জন্য ব্যাংকটিকে অবশ্যই কাম্য পরিমাণ তারল্য সংরক্ষণ করতে হবে। তারল্য বলতে ব্যাংক কর্তৃক গ্রাহকের অর্থ চাহিবামাত্র ফেরত প্রদানের সামর্থ্য ধরে রাখাকে বোঝায়। পর্যাপ্ত তারল্যের অভাবে ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার আশঙ্কা থাকে। উদ্দীপকে D ব্যাংকটি C ব্যাংকের একটি তালিকাভুক্ত ব্যাংক। D ব্যাংকটি C ব্যাংকের অনুমতি নিয়েই আমানত গ্রহণ এবং ঋণ প্রদান কার্যক্রম শুরু করে। সম্প্রতি গ্রাহকদের প্রয়োজনমতো নগদ অর্থ সরবরাহ করতে D ব্যাংকটি ব্যর্থ হচ্ছে। অর্থাৎ তারল্যের নীতি সঠিকভাবে অনুসরণ না করায় ব্যাংক তারল্য সংকটে পড়েছে। সাময়িকভাবে ব্যাংকটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থাৎ C ব্যাংক হতে ঋণ নিয়ে তারল্য সমস্যার সমাধান করতে পারে। তবে ব্যাংকটিকে ভবিষ্যতে তার কার্যক্রম চালু রাখতে হলে অবশ্যই বাণিজ্যিক ব্যাংকের অন্যতম মূলনীতি 'তারল্য নীতি' মেনে চলতে হবে। অর্থাৎ ব্যাংকটিকে সবসময় কাম্য পরিমাণ নগদ অর্থ সংরক্ষণ করতে হবে। [সহায়ক তথ্য] তারল্য নীতি: জনগণের কাছ থেকে সংগৃহীত আমানতের একটি নির্দিষ্ট অংশ ব্যাংক নিজের কাছে জমা রাখে। যাতে আমানতকারী চাহিবামাত্র তার অর্থ পরিশোধ করা যায়, যা তারল্য নীতি নামে পরিচিত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCFinance 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

'C′C^{\prime} ব্যাংকের অধীনে তালিকাভুক্ত হয়ে এবং ঐ ব্যাংকের অনুমতি গ্রহণ করে D ব্যাংক আমানত গ্রহণ এবং ঋণ প্রদান কার্যক্রম শুরু করে। সম্প্রতি গ্রাহকদের প্রয়োজনমত নগদ অর্থ সরবরাহ করতে D ব্যাংক ব্যর্থ হচ্ছে।

Jessore · 2017

ক
নিকাশ ঘর কী?

উত্তর

ব্যাংকিং লেনদেন থেকে উদ্ভূত আন্তঃব্যাংকিং দেনা-পাওনার নিষ্পত্তিস্থলই হলো নিকাশঘর।
খ
বাণিজ্যিক ব্যাংক কিভাবে ঋণের মাধ্যমে আমানত সৃষ্টি করে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

যে পদ্ধতি অবলম্বন করে বাণিজ্যিক ব্যাংক ঋণগ্রহীতাকে সরাসরি নগদে ঋণের অর্থ প্রদান না করে তা ঋণগ্রহীতার আমানত হিসাবে স্থানান্তর করে এবং উক্ত আমানত থেকে নতুন ঋণের সৃষ্টি করে তাকে ঋণ আমানত সৃষ্টি বলে। ব্যাংক যখন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ঋণ প্রদান করে তখন সরাসরি নগদ অর্থ ঋণ হিসেবে প্রদান না করে ঋণগ্রহীতাকে তার নামে একটি আমানত হিসাব খোলার জন্য বলে এবং তাতে ঋণের অর্থ প্রদান করে। চেকের মাধ্যমে এই হিসাব থেকে ঋণগ্রহীতা অর্থ উত্তোলন করে। এভাবে প্রদত্ত ঋণ থেকে আমানতের সৃষ্টি হয়। [সহায়ক তথ্য] উদাহরণ: মনে করি, ব্যাংকের তহবিল থেকে রহিমকে ১০,০০০ টাকা ঋণ মঞ্জুর করা হলো। এ টাকা ব্যাংক নগদে প্রদান না করে রহিমের ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করে। এখন উক্ত আমানত থেকে বিধিবদ্ধ তারল্য অর্থাৎ পর্যাপ্ত নগদ জমা রেখে, মনে করি উক্ত অর্থের ২০% নগদ হিসেবে ব্যাংক তহবিলে জমা রেখে বাকি ১০,০০০ (১০,০০০ × ২০%)। = ৮,০০০ টাকা অন্য কোনো গ্রাহককে ঋণ হিসাবে প্রদান করে। এভাবেই ব্যাংক মঞ্জুরকৃত ঋণ থেকে পুনরায় আমানত সৃষ্টি করে।
গ
উদ্দীপকে 'C′C^{\prime} ব্যাংকের সাথে বাংলাদেশের কোন ব্যাংকের কার্যক্রম সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে C ব্যাংকের সাথে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যক্রম সাদৃশ্যপূর্ণ। কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো একটি দেশের প্রধান ব্যাংক। মুদ্রাবাজারের নিয়ন্ত্রণ ও এর পরিচালনার দায়িত্ব মূলত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপরই থাকে। দেশের সকল বাণিজ্যিক ব্যাংকের অভিভাবকের দায়িত্বও এই কেন্দ্রীয় ব্যাংকই পালন করে থাকে। উদ্দীপকে ব্যাংকের অধীনে তালিকাভুক্ত হয়ে এবং ঐ ব্যাংকের অনুমতি নিয়ে D ব্যাংক তার কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করে। অর্থাৎ C ব্যাংক এখানে অভিভাবকের ভূমিকা পালন করছে। অন্যদিকে D ব্যাংক হলো একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক। বাংলাদেশে এরূপ বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহের অভিভাবকত্ব পালন করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তাই নির্দ্বিধায় বলা যায়, C ব্যাংকের কার্যক্রম এর সাথে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যক্রমের মিল রয়েছে। [সহায়ক তথ্য] বাণিজ্যিক ব্যাংকের অভিভাবক: বাণিজ্যিক ব্যাংকের আর্থিক সংকটে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের ঋণ দিয়ে এ সংকট দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংককে ঋণ আদায়ে সাহায্য, ঋণ তদারকি ও উপযুক্ত পরামর্শ প্রদান করায় একে বাণিজ্যিক ব্যাংকের অভিভাবক বলা হয়।
ঘ
'D′D^{\prime} ব্যাংকের সমস্যা সমাধানে তোমার পরামর্শ কী? উদ্দীপকের আলোকে আলোচনা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে D ব্যাংকের সমস্যা সমাধানের জন্য ব্যাংকটিকে অবশ্যই কাম্য পরিমাণ তারল্য সংরক্ষণ করতে হবে। তারল্য বলতে ব্যাংক কর্তৃক গ্রাহকের অর্থ চাহিবামাত্র ফেরত প্রদানের সামর্থ্য ধরে রাখাকে বোঝায়। পর্যাপ্ত তারল্যের অভাবে ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার আশঙ্কা থাকে। উদ্দীপকে D ব্যাংকটি C ব্যাংকের একটি তালিকাভুক্ত ব্যাংক। D ব্যাংকটি C ব্যাংকের অনুমতি নিয়েই আমানত গ্রহণ এবং ঋণ প্রদান কার্যক্রম শুরু করে। সম্প্রতি গ্রাহকদের প্রয়োজনমতো নগদ অর্থ সরবরাহ করতে D ব্যাংকটি ব্যর্থ হচ্ছে। অর্থাৎ তারল্যের নীতি সঠিকভাবে অনুসরণ না করায় ব্যাংক তারল্য সংকটে পড়েছে। সাময়িকভাবে ব্যাংকটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থাৎ C ব্যাংক হতে ঋণ নিয়ে তারল্য সমস্যার সমাধান করতে পারে। তবে ব্যাংকটিকে ভবিষ্যতে তার কার্যক্রম চালু রাখতে হলে অবশ্যই বাণিজ্যিক ব্যাংকের অন্যতম মূলনীতি 'তারল্য নীতি' মেনে চলতে হবে। অর্থাৎ ব্যাংকটিকে সবসময় কাম্য পরিমাণ নগদ অর্থ সংরক্ষণ করতে হবে। [সহায়ক তথ্য] তারল্য নীতি: জনগণের কাছ থেকে সংগৃহীত আমানতের একটি নির্দিষ্ট অংশ ব্যাংক নিজের কাছে জমা রাখে। যাতে আমানতকারী চাহিবামাত্র তার অর্থ পরিশোধ করা যায়, যা তারল্য নীতি নামে পরিচিত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো