Chapter 10: বিমা সম্পর্কে মৌলিক ধারণা Finance 2nd Paper

HSC Finance 2nd Paper এর Chapter 10: বিমা সম্পর্কে মৌলিক ধারণা অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৬৯৪

প্রশ্ন

Finance 2nd Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCFinance 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মি. চৌধুরী জাহাজ ব্যবসায়ী। বিদেশ থেকে পণ্য আনা-নেয়া তার কাজ। বৈদ্যুতিক সর্ট সার্কিটের মাধ্যমে আগুন লেগে তার একটি জাহাজের দুই- তৃতীয়াংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তিনি বিমা কোম্পানির কাছে সম্পূর্ণ জাহাজের ক্ষতিপূরণ চেয়ে বিমা দাবি পেশ করেন। বিমা কোম্পানি প্রথমে দাবি পূরণে অপারগতা প্রকাশ করলেও পরবর্তীতে শর্ত সাপেক্ষে তা পূরণ করতে চায়।

Dinajpur · 2017

ক
বিমা কী?

উত্তর

বিমা হলো এক ধরনের লিখিত চুক্তি, যেখানে বিমাগ্রহীতা নির্দিষ্ট প্রিমিয়ামের বিনিময়ে তার সম্ভাব্য ঝুঁকি বা বিপদের ভার বিমাকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ওপর অর্পণ করে। সহায়ক তথ্য... উদাহরণ: জনাব তাহমিদ একটি সুতার কারখানা স্থাপন করেন। তার কারখানার শ্রমিকদের কল্যাণের দায়িত্ব তার। এক্ষেত্রে জনাব তাহমিদ তার কারখানার ঝুঁকি মোকাবিলায় এবং শ্রমিকদের নিরাপত্তা প্রদানে মুনলাইট বিমা কোম্পানি লি.-এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হন।
খ
বিমাকে পরম বিশ্বাসের চুক্তি বলা হয় কেন?

উত্তর

বিমাকারী ও বিমাগ্রহীতা প্রয়োজনীয় সব তথ্য একে অন্যকে দিতে বাধ্য থাকায় বিমা চুক্তিকে পরম বিশ্বাসের চুক্তি বলা হয়। বিমা চুক্তির মাধ্যমে বিমাকারী ও বিমাগ্রহীতার মধ্যে সম্বিশ্বাসের সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। বিমা সম্পর্কিত সব তথ্য দেওয়া উভয় পক্ষের জন্য বাধ্যতামূলক। ফলে দুটি পক্ষ সবকিছু জেনে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়। তাই একে চূড়ান্ত সদ্বিশ্বাসের চুক্তি বলে।
গ
মি. চৌধুরীর দাবি পূরণে বিমা কোম্পানির অপারগতা প্রকাশের কারণ কী?

উত্তর

উদ্দীপকে মি. চৌধুরী আংশিক ক্ষতির বিপক্ষে সম্পূর্ণ জাহাজের ক্ষতিপূরণ দাবি করায় বিমা কোম্পানি দাবি পূরণে অপারগতা প্রকাশ করে। বিমা চুক্তি ক্ষতিপূরণের চুক্তি। এক্ষেত্রে বিষয়বস্তুর যতটুকু ক্ষতি হয় ততটুকু ক্ষতিপূরণ করাই বিমা চুক্তির উদ্দেশ্য। ক্ষতি আংশিক বা সম্পূর্ণ যাই হোক না কেন বিমা কোম্পানি বিমা চুক্তির শর্ত অনুযায়ী তা পূরণ করে। উদ্দীপকে মি. চৌধুরী জাহাজ ব্যবসায়ী। জাহাজের মাধ্যমে তিনি বিদেশ থেকে পণ্য আনা-নেয়া করেন। বৈদ্যুতিক সর্ট সার্কিটের মাধ্যমে আগুন লেগে তার একটি জাহাজের দুই তৃতীয়াংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এক্ষেত্রে ক্ষতি আংশিক হলেও তিনি বিমা কোম্পানির কাছে সম্পূর্ণ জাহাজের ক্ষতিপূরণ দাবি করেন। তবে বিমা চুক্তির আইনগত উপাদান বিবেচনায় ক্ষতিপূরণ অবশ্যই ক্ষতির পরিমাণ দ্বারা নির্ধারিত হতে হবে। অর্থাৎ মি. চৌধুরীর জাহাজের আংশিক ক্ষতিতে বিমা কোম্পানি সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণে বাধ্য নয়।
ঘ
কি শর্তে বিমা কোম্পানি মি. চৌধুরীর দাবি পূরণ করবে বলে তুমি মনে করো? তোমার মতের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে বিমা কোম্পানি মি. চৌধুরীর দাবি পূরণে সমন্বিত আনুপাতিক ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে দাবি পরিশোধ করবে। সমন্বিত আনুপাতিক ক্ষতি মূলত বিমাকৃত বিষয়বস্তুর আংশিক ক্ষতিতে নির্ধারণ করা হয়। এ ধরনের ক্ষতিতে বিমাকারী সর্বোচ্চ নির্ধারিত মূল্য পর্যন্ত বিমাগ্রহীতাকে ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকে। উদ্দীপকে মি. চৌধুরী একজন জাহাজ ব্যবসায়ী। তার বিমাকৃত একটি জাহাজ বৈদ্যুতিক সর্ট সার্কিটের মাধ্যমে আগুন লেগে আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মি. চৌধুরী সম্পূর্ণ জাহাজের ক্ষতিপূরণ দাবি করলে বিমা কোম্পানি তা প্রত্যাখ্যান করে। পরবর্তীতে বিমা কোম্পানি শর্ত সাপেক্ষে বিমা দাবি পরিশোধে সম্মত হয়। বিমা কোম্পানি শর্ত সাপেক্ষে বিমা দাবি পরিশোধ বলতে বিমা চুক্তির আইনগত শর্তকে নির্দেশ করেছে। অর্থাৎ বিমা কোম্পানি ক্ষতিপূরণ নীতির আলোকে ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে সেই পরিমাণ দাবি পরিশোধ করবে। আংশিক ক্ষতিপূরণের ক্ষেত্রে বিমা কোম্পানি সমন্বিত আনুপাতিক ক্ষতি নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় ক্ষতির মূল্য নির্ধারণ করবে। সহায়ক তথ্য... সমন্বিত আনুপাতিক ক্ষতি: বিমাকৃত বিষয়বস্তুর আংশিক ক্ষতি হলে এ পদ্ধতিতে ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়। এক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ সম্পত্তির বিমাকৃত মূল্যকে এর বাজার মূল্য দিয়ে ভাগ করে ক্ষতির পরিমাণ দ্বারা গুণ করা হয়। এর উদ্দেশ্য হলো, ক্ষতিগ্রস্ত পণ্যের বাজারমূল্য হিসাবে বিমাগ্রহীতার প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCFinance 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মি. চৌধুরী জাহাজ ব্যবসায়ী। বিদেশ থেকে পণ্য আনা-নেয়া তার কাজ। বৈদ্যুতিক সর্ট সার্কিটের মাধ্যমে আগুন লেগে তার একটি জাহাজের দুই- তৃতীয়াংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তিনি বিমা কোম্পানির কাছে সম্পূর্ণ জাহাজের ক্ষতিপূরণ চেয়ে বিমা দাবি পেশ করেন। বিমা কোম্পানি প্রথমে দাবি পূরণে অপারগতা প্রকাশ করলেও পরবর্তীতে শর্ত সাপেক্ষে তা পূরণ করতে চায়।

Dinajpur · 2017

ক
বিমা কী?

উত্তর

বিমা হলো এক ধরনের লিখিত চুক্তি, যেখানে বিমাগ্রহীতা নির্দিষ্ট প্রিমিয়ামের বিনিময়ে তার সম্ভাব্য ঝুঁকি বা বিপদের ভার বিমাকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ওপর অর্পণ করে। সহায়ক তথ্য... উদাহরণ: জনাব তাহমিদ একটি সুতার কারখানা স্থাপন করেন। তার কারখানার শ্রমিকদের কল্যাণের দায়িত্ব তার। এক্ষেত্রে জনাব তাহমিদ তার কারখানার ঝুঁকি মোকাবিলায় এবং শ্রমিকদের নিরাপত্তা প্রদানে মুনলাইট বিমা কোম্পানি লি.-এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হন।
খ
বিমাকে পরম বিশ্বাসের চুক্তি বলা হয় কেন?

উত্তর

বিমাকারী ও বিমাগ্রহীতা প্রয়োজনীয় সব তথ্য একে অন্যকে দিতে বাধ্য থাকায় বিমা চুক্তিকে পরম বিশ্বাসের চুক্তি বলা হয়। বিমা চুক্তির মাধ্যমে বিমাকারী ও বিমাগ্রহীতার মধ্যে সম্বিশ্বাসের সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। বিমা সম্পর্কিত সব তথ্য দেওয়া উভয় পক্ষের জন্য বাধ্যতামূলক। ফলে দুটি পক্ষ সবকিছু জেনে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়। তাই একে চূড়ান্ত সদ্বিশ্বাসের চুক্তি বলে।
গ
মি. চৌধুরীর দাবি পূরণে বিমা কোম্পানির অপারগতা প্রকাশের কারণ কী?

উত্তর

উদ্দীপকে মি. চৌধুরী আংশিক ক্ষতির বিপক্ষে সম্পূর্ণ জাহাজের ক্ষতিপূরণ দাবি করায় বিমা কোম্পানি দাবি পূরণে অপারগতা প্রকাশ করে। বিমা চুক্তি ক্ষতিপূরণের চুক্তি। এক্ষেত্রে বিষয়বস্তুর যতটুকু ক্ষতি হয় ততটুকু ক্ষতিপূরণ করাই বিমা চুক্তির উদ্দেশ্য। ক্ষতি আংশিক বা সম্পূর্ণ যাই হোক না কেন বিমা কোম্পানি বিমা চুক্তির শর্ত অনুযায়ী তা পূরণ করে। উদ্দীপকে মি. চৌধুরী জাহাজ ব্যবসায়ী। জাহাজের মাধ্যমে তিনি বিদেশ থেকে পণ্য আনা-নেয়া করেন। বৈদ্যুতিক সর্ট সার্কিটের মাধ্যমে আগুন লেগে তার একটি জাহাজের দুই তৃতীয়াংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এক্ষেত্রে ক্ষতি আংশিক হলেও তিনি বিমা কোম্পানির কাছে সম্পূর্ণ জাহাজের ক্ষতিপূরণ দাবি করেন। তবে বিমা চুক্তির আইনগত উপাদান বিবেচনায় ক্ষতিপূরণ অবশ্যই ক্ষতির পরিমাণ দ্বারা নির্ধারিত হতে হবে। অর্থাৎ মি. চৌধুরীর জাহাজের আংশিক ক্ষতিতে বিমা কোম্পানি সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণে বাধ্য নয়।
ঘ
কি শর্তে বিমা কোম্পানি মি. চৌধুরীর দাবি পূরণ করবে বলে তুমি মনে করো? তোমার মতের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে বিমা কোম্পানি মি. চৌধুরীর দাবি পূরণে সমন্বিত আনুপাতিক ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে দাবি পরিশোধ করবে। সমন্বিত আনুপাতিক ক্ষতি মূলত বিমাকৃত বিষয়বস্তুর আংশিক ক্ষতিতে নির্ধারণ করা হয়। এ ধরনের ক্ষতিতে বিমাকারী সর্বোচ্চ নির্ধারিত মূল্য পর্যন্ত বিমাগ্রহীতাকে ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকে। উদ্দীপকে মি. চৌধুরী একজন জাহাজ ব্যবসায়ী। তার বিমাকৃত একটি জাহাজ বৈদ্যুতিক সর্ট সার্কিটের মাধ্যমে আগুন লেগে আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মি. চৌধুরী সম্পূর্ণ জাহাজের ক্ষতিপূরণ দাবি করলে বিমা কোম্পানি তা প্রত্যাখ্যান করে। পরবর্তীতে বিমা কোম্পানি শর্ত সাপেক্ষে বিমা দাবি পরিশোধে সম্মত হয়। বিমা কোম্পানি শর্ত সাপেক্ষে বিমা দাবি পরিশোধ বলতে বিমা চুক্তির আইনগত শর্তকে নির্দেশ করেছে। অর্থাৎ বিমা কোম্পানি ক্ষতিপূরণ নীতির আলোকে ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে সেই পরিমাণ দাবি পরিশোধ করবে। আংশিক ক্ষতিপূরণের ক্ষেত্রে বিমা কোম্পানি সমন্বিত আনুপাতিক ক্ষতি নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় ক্ষতির মূল্য নির্ধারণ করবে। সহায়ক তথ্য... সমন্বিত আনুপাতিক ক্ষতি: বিমাকৃত বিষয়বস্তুর আংশিক ক্ষতি হলে এ পদ্ধতিতে ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়। এক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ সম্পত্তির বিমাকৃত মূল্যকে এর বাজার মূল্য দিয়ে ভাগ করে ক্ষতির পরিমাণ দ্বারা গুণ করা হয়। এর উদ্দেশ্য হলো, ক্ষতিগ্রস্ত পণ্যের বাজারমূল্য হিসাবে বিমাগ্রহীতার প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCFinance 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

জনাব আশিক তার ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য 'চিত্রা বিমা কোম্পানি লি.' হতে দশ লক্ষ টাকা মূল্যের একটি বিমাপত্র গ্রহণ করেন। গাড়িটি হঠাৎ দুর্ঘটনা কবলিত হয়ে সম্পূর্ণ ধ্বংসপ্রাপ্ত হলে তিনি বিমা কোম্পানির নিকট ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করেন। বিমা কোম্পানিটি তার আবেদনের প্রেক্ষিতে যথাযথ নিয়মে ক্ষতিপূরণ প্রদান করে। অন্যদিকে বিমা কোম্পানি গাড়িটির ধ্বংসাবশেষ পঞ্জাশ হাজার টাকায় বিক্রয় করার পর জনাব আশিক সেটিও দাবি করেন। কিন্তু বিমা কোম্পানির তার দাবিটি প্রত্যাখ্যান করে।

Chittagong · 2017

ক
বিমা চুক্তি কী?

উত্তর

প্রিমিয়ামের বিনিময়ে অন্যের ঝুঁকি নিজের কাঁধে নেয়ার জন্য বিমাকারী ও বিমাগ্রহীতার মধ্যে যে চুক্তি সম্পাদিত হয় তাকে বিমা চুক্তি বলে।
খ
বিমাকে 'কেন ঝুঁকি বণ্টনের ব্যবস্থা বলা হয়'? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

বিমার মাধ্যমে বিমাগ্রহীতা তার সম্ভাব্য ঝুঁকিকে কয়েকটি পক্ষের মধ্যে বণ্টন করে। তাই বিমাকে ঝুঁকি বণ্টনের যৌথ ব্যবস্থা বলা হয়। বিমা হলো এমন একটি ব্যবস্থা যার মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত বিমাগ্রহীতার ক্ষতিকে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে বণ্টনের ব্যবস্থা করা হয়। এ ব্যবস্থায় বিমিকারী বিমাগ্রহীতাদের কাছ থেকে প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে। পরবর্তীতে কোনো বিমাগ্রহীতা ক্ষতিগ্রস্ত হলে তাকে উক্ত প্রিমিয়াম থেকে ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়।
গ
উদ্দীপকে জনাব আশিক কোন ধরনের সম্পত্তি বিমা গ্রহণ করেছেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে জনাব আশিক যানবাহন বা মটর বিমা গ্রহণ করেছেন। এ ধরনের বিমা মূলত যানবাহন বা মোটরযানকে দুর্ঘটনাজনিত ক্ষতি থেকে রক্ষা করার জন্য করা হয়। মানুষের জীবন ও যানবাহন (সম্পত্তি) উভয়ই এ বিমার মূল বিষয়বস্তু। উদ্দীপকে জনাব আশিক তার ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য চিত্রা বিমা কোম্পানি কাছ থেকে দশ লক্ষ টাকা মূল্যের একটি বিমাপত্র গ্রহণ করেন। গাড়িটি হঠাৎ দুর্ঘটনা কবলিত হয়ে সম্পূর্ণ ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। এতে তিনি বিমা কোম্পানির নিকট ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করেন এবং বিমা কোম্পানিও যথানিয়মে ক্ষতিপূরণ প্রদান করে। এখানে জনাব আশিকের বিমার বিষয়বস্তু হলো তার ব্যক্তিগত গাড়ি। মূলত দুর্ঘটনাজনিত কারণে উদ্ভূত ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্যই তিনি এ বিমা করেন। এ সকল বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় বলা যায়, জনাব আশিকের গৃহীত বিমাপত্রটি হলো যানবাহন বা মটর বিমা।
ঘ
উদ্দীপকে বিমা কোম্পানি কর্তৃক জনাব আশিকের সর্বশেষ দাবিটি প্রত্যাখ্যানের যৌক্তিকতা বিমার মূলনীতির আলোকে মূল্যায়ন করো।

উত্তর

উদ্দীপকে বিমা কোম্পানি কর্তৃক জনাব আশিকের সর্বশেষ দাবিটি প্রত্যাখ্যান করা বিমার স্থলাভিষিক্তকরণের নীতি অনুযায়ী যৌক্তিক। বিমা ব্যবসায়ের অন্যতম একটি মূলনীতি হলো স্থলাভিষিক্তকরণের নীতি। এ নীতি অনুযায়ী সম্পত্তির সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ প্রদানের পর সম্পত্তির অবশিষ্টাংশ বা উদ্ধারযোগ্য অংশের মালিকানা পাবে বিমা কোম্পানি। উদ্দীপকে জনাব আশিক তার ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য চিত্রা বিমা কোম্পানি হতে যানবাহন বিমাপত্র গ্রহণ করেন। দুর্ঘটনায় তার গাড়িটি ধ্বংসপ্রাপ্ত হলে বিমা কোম্পানিটি এর সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করে। পরবর্তীতে গাড়িটির ধ্বংসাবশেষ বিমা কোম্পানি ৫০ হাজার টাকায় বিক্রয় করে। জনাব আশিক সম্পত্তি বিক্রয়কৃত এ অর্থ দাবি করলে বিমা কোম্পানি তা প্রত্যাখ্যান করে। উদ্দীপকে উল্লেখ্য দুর্ঘটনার কারণে আশিকের গাড়ির সম্পূর্ণ অংশই ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। বিমা কোম্পানিও চুক্তি অনুযায়ী তাকে সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করে। এক্ষেত্রে বিমার স্থলাভিষিক্তকরণের নীতি অনুযায়ী গাড়ির ধ্বংসাবশেষের মালিক হবে বিমা কোম্পানি। আর এ কারণেই বিমা কোম্পানি গাড়ির ধ্বংসাবশেষ বিক্রির অর্থ জনাব আশিককে দিতে অস্বীকৃতি জানায়, যা অবশ্যই যৌক্তিক হয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCFinance 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

জনাব আশিক তার ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য 'চিত্রা বিমা কোম্পানি লি.' হতে দশ লক্ষ টাকা মূল্যের একটি বিমাপত্র গ্রহণ করেন। গাড়িটি হঠাৎ দুর্ঘটনা কবলিত হয়ে সম্পূর্ণ ধ্বংসপ্রাপ্ত হলে তিনি বিমা কোম্পানির নিকট ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করেন। বিমা কোম্পানিটি তার আবেদনের প্রেক্ষিতে যথাযথ নিয়মে ক্ষতিপূরণ প্রদান করে। অন্যদিকে বিমা কোম্পানি গাড়িটির ধ্বংসাবশেষ পঞ্জাশ হাজার টাকায় বিক্রয় করার পর জনাব আশিক সেটিও দাবি করেন। কিন্তু বিমা কোম্পানির তার দাবিটি প্রত্যাখ্যান করে।

Chittagong · 2017

ক
বিমা চুক্তি কী?

উত্তর

প্রিমিয়ামের বিনিময়ে অন্যের ঝুঁকি নিজের কাঁধে নেয়ার জন্য বিমাকারী ও বিমাগ্রহীতার মধ্যে যে চুক্তি সম্পাদিত হয় তাকে বিমা চুক্তি বলে।
খ
বিমাকে 'কেন ঝুঁকি বণ্টনের ব্যবস্থা বলা হয়'? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

বিমার মাধ্যমে বিমাগ্রহীতা তার সম্ভাব্য ঝুঁকিকে কয়েকটি পক্ষের মধ্যে বণ্টন করে। তাই বিমাকে ঝুঁকি বণ্টনের যৌথ ব্যবস্থা বলা হয়। বিমা হলো এমন একটি ব্যবস্থা যার মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত বিমাগ্রহীতার ক্ষতিকে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে বণ্টনের ব্যবস্থা করা হয়। এ ব্যবস্থায় বিমিকারী বিমাগ্রহীতাদের কাছ থেকে প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে। পরবর্তীতে কোনো বিমাগ্রহীতা ক্ষতিগ্রস্ত হলে তাকে উক্ত প্রিমিয়াম থেকে ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়।
গ
উদ্দীপকে জনাব আশিক কোন ধরনের সম্পত্তি বিমা গ্রহণ করেছেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে জনাব আশিক যানবাহন বা মটর বিমা গ্রহণ করেছেন। এ ধরনের বিমা মূলত যানবাহন বা মোটরযানকে দুর্ঘটনাজনিত ক্ষতি থেকে রক্ষা করার জন্য করা হয়। মানুষের জীবন ও যানবাহন (সম্পত্তি) উভয়ই এ বিমার মূল বিষয়বস্তু। উদ্দীপকে জনাব আশিক তার ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য চিত্রা বিমা কোম্পানি কাছ থেকে দশ লক্ষ টাকা মূল্যের একটি বিমাপত্র গ্রহণ করেন। গাড়িটি হঠাৎ দুর্ঘটনা কবলিত হয়ে সম্পূর্ণ ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। এতে তিনি বিমা কোম্পানির নিকট ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করেন এবং বিমা কোম্পানিও যথানিয়মে ক্ষতিপূরণ প্রদান করে। এখানে জনাব আশিকের বিমার বিষয়বস্তু হলো তার ব্যক্তিগত গাড়ি। মূলত দুর্ঘটনাজনিত কারণে উদ্ভূত ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্যই তিনি এ বিমা করেন। এ সকল বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় বলা যায়, জনাব আশিকের গৃহীত বিমাপত্রটি হলো যানবাহন বা মটর বিমা।
ঘ
উদ্দীপকে বিমা কোম্পানি কর্তৃক জনাব আশিকের সর্বশেষ দাবিটি প্রত্যাখ্যানের যৌক্তিকতা বিমার মূলনীতির আলোকে মূল্যায়ন করো।

উত্তর

উদ্দীপকে বিমা কোম্পানি কর্তৃক জনাব আশিকের সর্বশেষ দাবিটি প্রত্যাখ্যান করা বিমার স্থলাভিষিক্তকরণের নীতি অনুযায়ী যৌক্তিক। বিমা ব্যবসায়ের অন্যতম একটি মূলনীতি হলো স্থলাভিষিক্তকরণের নীতি। এ নীতি অনুযায়ী সম্পত্তির সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ প্রদানের পর সম্পত্তির অবশিষ্টাংশ বা উদ্ধারযোগ্য অংশের মালিকানা পাবে বিমা কোম্পানি। উদ্দীপকে জনাব আশিক তার ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য চিত্রা বিমা কোম্পানি হতে যানবাহন বিমাপত্র গ্রহণ করেন। দুর্ঘটনায় তার গাড়িটি ধ্বংসপ্রাপ্ত হলে বিমা কোম্পানিটি এর সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করে। পরবর্তীতে গাড়িটির ধ্বংসাবশেষ বিমা কোম্পানি ৫০ হাজার টাকায় বিক্রয় করে। জনাব আশিক সম্পত্তি বিক্রয়কৃত এ অর্থ দাবি করলে বিমা কোম্পানি তা প্রত্যাখ্যান করে। উদ্দীপকে উল্লেখ্য দুর্ঘটনার কারণে আশিকের গাড়ির সম্পূর্ণ অংশই ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। বিমা কোম্পানিও চুক্তি অনুযায়ী তাকে সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করে। এক্ষেত্রে বিমার স্থলাভিষিক্তকরণের নীতি অনুযায়ী গাড়ির ধ্বংসাবশেষের মালিক হবে বিমা কোম্পানি। আর এ কারণেই বিমা কোম্পানি গাড়ির ধ্বংসাবশেষ বিক্রির অর্থ জনাব আশিককে দিতে অস্বীকৃতি জানায়, যা অবশ্যই যৌক্তিক হয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCFinance 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

জনাব জমিরের একটি পোশাক তৈরির কারখানা আছে। তিনি তার প্রতিষ্ঠানটি ৫০ লক্ষ টাকায় বিমা করেছিলেন। দুঘর্টনায় প্রতিষ্ঠানটি সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং জনাব জমির বিমা দাবি পেশ করেন। বিমা কোম্পানি সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করে। উদ্ধারকৃত সম্পত্তি বিমা কোম্পানি দাবি করায় জনাব জমির শুরুতে তা হস্তান্তরে অস্বীকৃতি জানালেও পরবর্তীতে তা প্রদানে বাধ্য হন।

Rajshahi · 2017

ক
বিমা কাকে বলে?

উত্তর

বিমা হলো এক ধরনের লিখিত চুক্তি, যেখানে বিমাগ্রহীতা নির্দিষ্ট প্রিমিয়ামের বিনিময়ে তার সম্ভাব্য ঝুঁকি বা বিপদের দায় বিমাকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ওপর অর্পণ করেন।
খ
বিমাকে পরম বিশ্বাসের চুক্তি বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

বিমাকারী ও বিমাগ্রহীতা উভয়পক্ষই আবশ্যকীয় সব তথ্য একে অন্যকে প্রদানে বাধ্য থাকেন বিধায় বিমা চুক্তিকে পরম বিশ্বাসের চুক্তি বলা হয়। বিমা চুক্তির মাধ্যমে বিমাকারী ও বিমাগ্রহীতার মধ্যে সদ্বিশ্বাসের (Fiduciary) সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। সে কারণে চুক্তিবদ্ধ পক্ষসমূহ একে অন্যের কাছে চুক্তির বিষয়ে সব তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে প্রকাশে বাধ্য থাকেন।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত সম্পত্তি হস্তান্তর বিমার কোন নীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ? আলোচনা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত সম্পত্তি হস্তান্তর বিমার স্থলাভিষিক্তকরণের (Subrogation) নীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এই নীতি অনুযায়ী, বিমাকৃত সম্পদের সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ করলে বিমা কোম্পানি ঐ সম্পত্তির ভগ্নাবশেষ বা যা কিছু অবশিষ্ট থাকে তার মালিকানা পায়। এটি বিমা ব্যবসায়ের একটি অন্যতম মূলনীতি। উদ্দীপকে জনাব জমিরের একটি পোশাক তৈরির কারখানা আছে। প্রতিষ্ঠানটি দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হলে তিনি বিমা কোম্পানির কাছে বিমা দাবি পেশ করেন। সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ প্রদানের পর বিমা কোম্পানি উদ্ধারকৃত সম্পত্তি হস্তান্তরের দাবি জানায়। জনাব জমির প্রথমে এতে অসম্মতি জানায়। কিন্তু তিনি পরে সম্পত্তি হস্তান্তরে বাধ্য হন। বিমার স্থলাভিষিক্তকরণের নীতিটি এক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়েছে বলা যায়। কারণ, এখানে বিমা কোম্পানি বিমাকৃত সম্পত্তির ক্ষতির সম্পূর্ণ অংশের ক্ষতিপূরণ প্রদান করেছে। তাই এ নীতি অনুযায়ী এ সম্পত্তির অবশিষ্টাংশের মালিকানা পাবে বিমা কোম্পানি।
ঘ
সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ পাওয়ার পরেও জনাব জমিরের সম্পত্তি হস্তান্তরে অস্বীকৃতির সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল কিনা? তোমার মতামত দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে জনাব জমিরের বিমাকৃত সম্পত্তি হস্তান্তরে অস্বীকৃতির সিদ্ধান্তটি স্থলাভিষিক্তকরণ (Subrogation) নীতি অনুযায়ী সঠিক ছিল না। বিমা চুক্তির একটি অপরিহার্য উপাদান হলো স্থলাভিষিক্তকরণ। বিমা চুক্তি অনুযায়ী, সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করলে বিমা কোম্পানি বিমাকৃত সম্পত্তির অবশিষ্ট অংশের মালিক হবে। উদ্দীপকে জনাব জমির তার প্রতিষ্ঠানের জন্য বিমা করেন। দুর্ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি হলে বিমা কোম্পানি তাকে সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করে। তবুও উদ্ধারযোগ্য সম্পত্তি হস্তান্তর করতে জনাব জমির অস্বীকৃতি জানান। এখানে, জনাব জমিরের প্রতিষ্ঠানটি সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তিনি বিমাকৃত সম্পূর্ণ মূল্যই বিমা কোম্পানি থেকে ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন। অর্থাৎ তিনি তার ন্যায্য পাওনা পেয়েছেন। স্থলাভিষিক্তকরণ নীতি অনুযায়ী ক্ষতিপূরণকৃত সম্পত্তি থেকে যদি কিছু উদ্ধার করা যায়- তার মালিক হবে বিমা কোম্পানি। তাই বলা যায়, উদ্ধারযোগ্য সম্পত্তি হস্তান্তরে জনাব জমিরের অস্বীকৃতি জানানো উচিত হয়নি।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCFinance 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

জনাব জমিরের একটি পোশাক তৈরির কারখানা আছে। তিনি তার প্রতিষ্ঠানটি ৫০ লক্ষ টাকায় বিমা করেছিলেন। দুঘর্টনায় প্রতিষ্ঠানটি সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং জনাব জমির বিমা দাবি পেশ করেন। বিমা কোম্পানি সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করে। উদ্ধারকৃত সম্পত্তি বিমা কোম্পানি দাবি করায় জনাব জমির শুরুতে তা হস্তান্তরে অস্বীকৃতি জানালেও পরবর্তীতে তা প্রদানে বাধ্য হন।

Rajshahi · 2017

ক
বিমা কাকে বলে?

উত্তর

বিমা হলো এক ধরনের লিখিত চুক্তি, যেখানে বিমাগ্রহীতা নির্দিষ্ট প্রিমিয়ামের বিনিময়ে তার সম্ভাব্য ঝুঁকি বা বিপদের দায় বিমাকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ওপর অর্পণ করেন।
খ
বিমাকে পরম বিশ্বাসের চুক্তি বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

বিমাকারী ও বিমাগ্রহীতা উভয়পক্ষই আবশ্যকীয় সব তথ্য একে অন্যকে প্রদানে বাধ্য থাকেন বিধায় বিমা চুক্তিকে পরম বিশ্বাসের চুক্তি বলা হয়। বিমা চুক্তির মাধ্যমে বিমাকারী ও বিমাগ্রহীতার মধ্যে সদ্বিশ্বাসের (Fiduciary) সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। সে কারণে চুক্তিবদ্ধ পক্ষসমূহ একে অন্যের কাছে চুক্তির বিষয়ে সব তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে প্রকাশে বাধ্য থাকেন।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত সম্পত্তি হস্তান্তর বিমার কোন নীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ? আলোচনা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত সম্পত্তি হস্তান্তর বিমার স্থলাভিষিক্তকরণের (Subrogation) নীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এই নীতি অনুযায়ী, বিমাকৃত সম্পদের সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ করলে বিমা কোম্পানি ঐ সম্পত্তির ভগ্নাবশেষ বা যা কিছু অবশিষ্ট থাকে তার মালিকানা পায়। এটি বিমা ব্যবসায়ের একটি অন্যতম মূলনীতি। উদ্দীপকে জনাব জমিরের একটি পোশাক তৈরির কারখানা আছে। প্রতিষ্ঠানটি দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হলে তিনি বিমা কোম্পানির কাছে বিমা দাবি পেশ করেন। সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ প্রদানের পর বিমা কোম্পানি উদ্ধারকৃত সম্পত্তি হস্তান্তরের দাবি জানায়। জনাব জমির প্রথমে এতে অসম্মতি জানায়। কিন্তু তিনি পরে সম্পত্তি হস্তান্তরে বাধ্য হন। বিমার স্থলাভিষিক্তকরণের নীতিটি এক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়েছে বলা যায়। কারণ, এখানে বিমা কোম্পানি বিমাকৃত সম্পত্তির ক্ষতির সম্পূর্ণ অংশের ক্ষতিপূরণ প্রদান করেছে। তাই এ নীতি অনুযায়ী এ সম্পত্তির অবশিষ্টাংশের মালিকানা পাবে বিমা কোম্পানি।
ঘ
সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ পাওয়ার পরেও জনাব জমিরের সম্পত্তি হস্তান্তরে অস্বীকৃতির সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল কিনা? তোমার মতামত দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে জনাব জমিরের বিমাকৃত সম্পত্তি হস্তান্তরে অস্বীকৃতির সিদ্ধান্তটি স্থলাভিষিক্তকরণ (Subrogation) নীতি অনুযায়ী সঠিক ছিল না। বিমা চুক্তির একটি অপরিহার্য উপাদান হলো স্থলাভিষিক্তকরণ। বিমা চুক্তি অনুযায়ী, সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করলে বিমা কোম্পানি বিমাকৃত সম্পত্তির অবশিষ্ট অংশের মালিক হবে। উদ্দীপকে জনাব জমির তার প্রতিষ্ঠানের জন্য বিমা করেন। দুর্ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি হলে বিমা কোম্পানি তাকে সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করে। তবুও উদ্ধারযোগ্য সম্পত্তি হস্তান্তর করতে জনাব জমির অস্বীকৃতি জানান। এখানে, জনাব জমিরের প্রতিষ্ঠানটি সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তিনি বিমাকৃত সম্পূর্ণ মূল্যই বিমা কোম্পানি থেকে ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন। অর্থাৎ তিনি তার ন্যায্য পাওনা পেয়েছেন। স্থলাভিষিক্তকরণ নীতি অনুযায়ী ক্ষতিপূরণকৃত সম্পত্তি থেকে যদি কিছু উদ্ধার করা যায়- তার মালিক হবে বিমা কোম্পানি। তাই বলা যায়, উদ্ধারযোগ্য সম্পত্তি হস্তান্তরে জনাব জমিরের অস্বীকৃতি জানানো উচিত হয়নি।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো