Chapter 7 : সংগঠন Economics 1st Paper

HSC Economics 1st Paper এর Chapter 7 : সংগঠন অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

২৮৬

প্রশ্ন

Economics 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCEconomics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

করিম সাহেব একটি প্লাস্টিক কারখানার মালিক। তিনি নিজেই। অত্যন্ত দক্ষতার সাথে উপকরণ সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর দক্ষতা ও ঝুঁকি গ্রহণের ক্ষমতা, একক বুদ্ধিমত্তা, নতুনত্ব প্রবর্তন, সৃষ্টিশীলতা ও দুরদর্শিতা, পরিকল্পনা গ্রহণ ও সুষ্ঠু বাজারজাতকরণের ফলে প্রতিষ্ঠানটি দিন দিন উন্নত হচ্ছে। তিনি একাই প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন এবং সকল মুনাফা ভোগ করেন। সীমাহীন দায়িত্ব ও ঝুঁকির আধিক্য থাকলেও তার প্রতিষ্ঠানের গোপনীয়তা বজায় থাকে। [ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, কুমিল্লা]
ক
যৌথ মূলধনী কারবার কী?

উত্তর

মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে একাধিক ব্যক্তি স্বেচ্ছায় একত্রিত হয়ে নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী যৌথভাবে মূলধন বিনিয়োগ করে সীমাবদ্ধ তার ভিত্তিতে যে কারবার গঠন করে, তাই যৌথ মূলধনী কারবার।
খ
"দারিদ্র্য বিমোচনে NGO সহায়ক ভূমিকা পালন করে"- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

দারিদ্র্য বিমোচনে NGO সহায়ক ভূমিকা পালন করে। NGO প্রত্যন্ত অঞ্চলের হতদরিদ্র মানুষকে বিনা জানামতে ক্ষুদ্র ঋণ প্রদান করে। হতদরিদ্র কৃষকদের কৃষিঋণ ও উপকরণ সুবিধা দেয়। এছাড়া কুটির শিল্প ও ক্ষুদ্র শিল্পের ওপর জার্নামতবিহীন ঋণ প্রদান করে। এছাড়া NGO বেকার যুবকদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ঋণ প্রদান করে কর্মক্ষম হতে সাহায্য করে।
গ
করিম সাহেবের কার্যাবলি উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের করিম সাহেব একজন উদ্যোক্তা। উদ্যোক্তা হিসেবে করিম সাহেব নানাবিধ কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে। নিচে উদ্যোক্তা হিসেবে করিম সাহেবের কার্যাবলি ব্যাখ্যা করা হলো- ⦿ পরিকল্পনা গ্রহণ: উদ্যোক্তা বিভিন্ন উপাদানকে একত্রিত করে উৎপাদন পরিকল্পনা গ্রহণ করে এবং চূড়ান্ত বাস্তবায়নের দায়িত্ব বহন করে। ⦿ ঝুঁকি গ্রহণ: উদ্যোক্তার সর্বপ্রধান কাজ হলো ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তা বহন করা। প্রতিযোগিতামূলক বাজারে উদ্যোক্তাদের প্রতিযোগিতার জন্য ঝুঁকি বেশি হয়। প্রত্যেকেই ন্যূনতম ব্যয়ে দ্রব্য উৎপাদন করতে চেষ্টা করে। তাই উদ্যোক্তাকে ঝুঁকি গ্রহণ করতে হয়। ⦿ নতুনত্ব প্রচলন: উৎপাদনের নতুন উদ্ভাবিত কৌশল সম্বন্ধে জ্ঞান রাখা উদ্যোক্তার অন্যতম কাজ। বর্তমান যুগে উৎপাদন কৌশল দ্বারা কীভাবে দ্রব্যের উৎপাদন ও গুণাগুণ বৃদ্ধি করা যায় উদোক্তাকে এ বিষয়ে কাজ করতে হয়। ⦿ বাজারজাত করা: কেবল উৎপাদনই নয়; বরং উৎপাদিত দ্রব্য বাজারজাত করাও উদ্যোক্তার অন্যতম কাজ। সুষ্ঠুভাবে দ্রব্যের জন্য ভোক্তার চাহিদা প্রবণতা পর্যবেক্ষণ, দ্রব্যের গুদামজাতকরণ, সংরক্ষণ ইত্যাদি কাজে লিপ্ত হতে হয়। ⦿ দক্ষতা: একজন উদ্যোক্তাকে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে তার উৎপাদন কার্যাবলিসহ সব কাজ সম্পাদন করতে হয়। কারণ উদ্যোক্তার দক্ষতার ওপর তার ব্যবসায়ের মুনাফা নির্ভর করে। ⦿ দূরদর্শিতা ও সৃষ্টিশীলতা: উদ্যোক্তাকে ভবিষ্যৎ বাজারকে সামনে রেখে বর্তমানে দ্রব্য উৎপাদন করতে হয়। তাই তাকে দূরদর্শী ও সৃষ্টিশীল হতে হয়।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটির ধরন উল্লেখপূর্বক এর সুবিধা ও অসুবিধাসমূহ আলোচনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি একমালিকানা প্রতিষ্ঠান। কারণ, প্রতিষ্ঠানটির মালিক করিম নিজেই। নিচে একমালিকানা প্রতিষ্ঠানের সুবিধা ও অসুবিধাসমূহ আলোচনা করা হলো- সুবিধাসমূহ ১. একমালিকানা কারবারে একজন মাত্র মালিক থাকায় দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায়। ২. এ কারবারে মালিক একজন, তাই প্রশাসনিক জটিলতা কম। ৩. 'একজন মাত্র ব্যক্তি পরিচালনা করে বলে তার পরিচালনার ক্ষেত্রে ব্যাপক দক্ষতা তৈরি হয়। ৪. একমালিকানা কারবারে অবচয় রোধ করা যায়। ৫. এ কারবারে উদ্যোক্তা নিজ ব্যবসায়ের উন্নতির জন্য উন্নত উৎপাদন পদ্ধতির ব্যবহার করা যায়। ৬. এ কারবারে বিনিয়োগের সুবিধা পাওয়া যায়। অসুবিধাসমূহ ১. একমালিকানা কারবার সাধারণত বৃহৎ আকারের হতে পারে না। ২. এ প্রতিষ্ঠানে একজন মাত্র মালিক মূলধন সংগ্রহ করে বলে মূলধনের অভাব দেখা দেয়। ৩. একক মালিকানা কারবারে বাজার সীমিত থাকে। ৪. একক মালিকানা কারবারে মালিক একাই সর্বেসর্বা। এতে ব্যবসায়ের সুনাম নষ্ট হতে পারে। ৫. একমালিকানা কারবারে মালিক অতি মুনাফার আশায় শ্রমিক যোগান করে। ৬. একমালিকানা কারবারে মালিক একাই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। তাতে ব্যবসায়ের ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

করিম সাহেব একটি প্লাস্টিক কারখানার মালিক। তিনি নিজেই। অত্যন্ত দক্ষতার সাথে উপকরণ সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর দক্ষতা ও ঝুঁকি গ্রহণের ক্ষমতা, একক বুদ্ধিমত্তা, নতুনত্ব প্রবর্তন, সৃষ্টিশীলতা ও দুরদর্শিতা, পরিকল্পনা গ্রহণ ও সুষ্ঠু বাজারজাতকরণের ফলে প্রতিষ্ঠানটি দিন দিন উন্নত হচ্ছে। তিনি একাই প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন এবং সকল মুনাফা ভোগ করেন। সীমাহীন দায়িত্ব ও ঝুঁকির আধিক্য থাকলেও তার প্রতিষ্ঠানের গোপনীয়তা বজায় থাকে। [ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, কুমিল্লা]
ক
যৌথ মূলধনী কারবার কী?

উত্তর

মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে একাধিক ব্যক্তি স্বেচ্ছায় একত্রিত হয়ে নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী যৌথভাবে মূলধন বিনিয়োগ করে সীমাবদ্ধ তার ভিত্তিতে যে কারবার গঠন করে, তাই যৌথ মূলধনী কারবার।
খ
"দারিদ্র্য বিমোচনে NGO সহায়ক ভূমিকা পালন করে"- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

দারিদ্র্য বিমোচনে NGO সহায়ক ভূমিকা পালন করে। NGO প্রত্যন্ত অঞ্চলের হতদরিদ্র মানুষকে বিনা জানামতে ক্ষুদ্র ঋণ প্রদান করে। হতদরিদ্র কৃষকদের কৃষিঋণ ও উপকরণ সুবিধা দেয়। এছাড়া কুটির শিল্প ও ক্ষুদ্র শিল্পের ওপর জার্নামতবিহীন ঋণ প্রদান করে। এছাড়া NGO বেকার যুবকদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ঋণ প্রদান করে কর্মক্ষম হতে সাহায্য করে।
গ
করিম সাহেবের কার্যাবলি উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের করিম সাহেব একজন উদ্যোক্তা। উদ্যোক্তা হিসেবে করিম সাহেব নানাবিধ কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে। নিচে উদ্যোক্তা হিসেবে করিম সাহেবের কার্যাবলি ব্যাখ্যা করা হলো- ⦿ পরিকল্পনা গ্রহণ: উদ্যোক্তা বিভিন্ন উপাদানকে একত্রিত করে উৎপাদন পরিকল্পনা গ্রহণ করে এবং চূড়ান্ত বাস্তবায়নের দায়িত্ব বহন করে। ⦿ ঝুঁকি গ্রহণ: উদ্যোক্তার সর্বপ্রধান কাজ হলো ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তা বহন করা। প্রতিযোগিতামূলক বাজারে উদ্যোক্তাদের প্রতিযোগিতার জন্য ঝুঁকি বেশি হয়। প্রত্যেকেই ন্যূনতম ব্যয়ে দ্রব্য উৎপাদন করতে চেষ্টা করে। তাই উদ্যোক্তাকে ঝুঁকি গ্রহণ করতে হয়। ⦿ নতুনত্ব প্রচলন: উৎপাদনের নতুন উদ্ভাবিত কৌশল সম্বন্ধে জ্ঞান রাখা উদ্যোক্তার অন্যতম কাজ। বর্তমান যুগে উৎপাদন কৌশল দ্বারা কীভাবে দ্রব্যের উৎপাদন ও গুণাগুণ বৃদ্ধি করা যায় উদোক্তাকে এ বিষয়ে কাজ করতে হয়। ⦿ বাজারজাত করা: কেবল উৎপাদনই নয়; বরং উৎপাদিত দ্রব্য বাজারজাত করাও উদ্যোক্তার অন্যতম কাজ। সুষ্ঠুভাবে দ্রব্যের জন্য ভোক্তার চাহিদা প্রবণতা পর্যবেক্ষণ, দ্রব্যের গুদামজাতকরণ, সংরক্ষণ ইত্যাদি কাজে লিপ্ত হতে হয়। ⦿ দক্ষতা: একজন উদ্যোক্তাকে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে তার উৎপাদন কার্যাবলিসহ সব কাজ সম্পাদন করতে হয়। কারণ উদ্যোক্তার দক্ষতার ওপর তার ব্যবসায়ের মুনাফা নির্ভর করে। ⦿ দূরদর্শিতা ও সৃষ্টিশীলতা: উদ্যোক্তাকে ভবিষ্যৎ বাজারকে সামনে রেখে বর্তমানে দ্রব্য উৎপাদন করতে হয়। তাই তাকে দূরদর্শী ও সৃষ্টিশীল হতে হয়।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটির ধরন উল্লেখপূর্বক এর সুবিধা ও অসুবিধাসমূহ আলোচনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি একমালিকানা প্রতিষ্ঠান। কারণ, প্রতিষ্ঠানটির মালিক করিম নিজেই। নিচে একমালিকানা প্রতিষ্ঠানের সুবিধা ও অসুবিধাসমূহ আলোচনা করা হলো- সুবিধাসমূহ ১. একমালিকানা কারবারে একজন মাত্র মালিক থাকায় দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায়। ২. এ কারবারে মালিক একজন, তাই প্রশাসনিক জটিলতা কম। ৩. 'একজন মাত্র ব্যক্তি পরিচালনা করে বলে তার পরিচালনার ক্ষেত্রে ব্যাপক দক্ষতা তৈরি হয়। ৪. একমালিকানা কারবারে অবচয় রোধ করা যায়। ৫. এ কারবারে উদ্যোক্তা নিজ ব্যবসায়ের উন্নতির জন্য উন্নত উৎপাদন পদ্ধতির ব্যবহার করা যায়। ৬. এ কারবারে বিনিয়োগের সুবিধা পাওয়া যায়। অসুবিধাসমূহ ১. একমালিকানা কারবার সাধারণত বৃহৎ আকারের হতে পারে না। ২. এ প্রতিষ্ঠানে একজন মাত্র মালিক মূলধন সংগ্রহ করে বলে মূলধনের অভাব দেখা দেয়। ৩. একক মালিকানা কারবারে বাজার সীমিত থাকে। ৪. একক মালিকানা কারবারে মালিক একাই সর্বেসর্বা। এতে ব্যবসায়ের সুনাম নষ্ট হতে পারে। ৫. একমালিকানা কারবারে মালিক অতি মুনাফার আশায় শ্রমিক যোগান করে। ৬. একমালিকানা কারবারে মালিক একাই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। তাতে ব্যবসায়ের ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image [ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, রংপুর]
ক
কোন কারবারে Single entry পদ্ধতিতে হিসাব রাখা হয়?

উত্তর

একমালিকানা কারবারে single entry পদ্ধতিতে হিসাব করা হয়।
খ
উদ্যোক্তাই কারবারের প্রাণ- বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর

উদ্দীপকের ক্ষেত্রে ভূমি, শ্রম, মূলধন ইত্যাদিকে উপযুক্ত সমন্বয় ঘটিয়ে উৎপাদন কাজ পরিচালনা করেন উদ্যোক্তা। এছাড়া কারবার পরিচালনা, পরিকল্পনা প্রণয়ন, ঝুঁকি গ্রহণ, মূলধন একত্রিকরণ ইত্যাদি কাজ করেন উদ্যোক্তা। সর্বসাকুল্যে দেখা যায় কারবার গঠন থেকে শুরু করে কারবারের প্রায় যাবতীয় কার্যাবলি পালন করেন একজন উদ্যোক্তা। উদ্যোক্তার যৌক্তিক সিদ্ধান্তের ওপর একটি কারবারে সাফল্য অনেকাংশে নির্ভরশীল। তাই উদ্যোক্তাকে কারবারের প্রাণ বলা হয়।
গ
উদ্দীপক অনুযায়ী 'ক' কারবারের ধরন ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদত্ত বৈশিষ্ট্যাবলি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, ক কারবারটি একটি অংশীদারি কারবার। অংশীদারি কারবার বলতে বোঝায় ১৯৩২ সালে অংশীদারি আইনে গঠিত ও নিয়ন্ত্রিত কারবারকে। সকলের দ্বারা বা সকলের পক্ষে একজনের দ্বারা পরিচালিত ব্যবসায়ের মুনাফা নিজেদের মধ্যে বণ্টনের উদ্দেশ্যে ব্যক্তিবর্গের মধ্যকার চুক্তিবদ্ধ সম্পর্ককে অংশীদারি কারবার বলে। অংশীদারি কারবারের সদস্যসংখ্যা সর্বনিম্ন ২ জন এবং সর্বোচ্চ ২০ জন। তবে ব্যাংকিং ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০ জনও থাকতে পারে। লিখিত বা মৌখিক চুক্তির মাধ্যমে অংশীদারি ব্যবসায় গঠন করতে পারে। কারবারের ভিত্তি হলো পারস্পরিক আস্থা ও সদ্বিশ্বাস, যা অংশীদারি কারবারের পূর্বশর্ত। সদস্যদের দায় অসীম। নাবালক ও সীমিত অংশীদারদের দায় সীমিত। সদস্যদের কেউ মারা গেলে, পাগল হলে বা দেওলিয়া হলে কারবার বন্ধ হয়ে যায়। কারবারের অভ্যন্তরীণ সকল সদস্যদের সম্মতিক্রমে নতুন অংশীদার গ্রহণ করা যায়। অংশীদারদের মধ্যে লাভ/ক্ষতি বণ্টিত হয় চুক্তিতে উল্লিখিত অনুপাত অনুযায়ী। চুক্তি অনুযায়ী সরবারহকৃত অর্থ হতে মূলধন সংগঠিত হয়। এক কথাই সকল কার্যাবলি পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয় চুক্তির ভিত্তিতে। উপরিউক্ত বৈশিষ্ট্যাবলি পর্যালোচনা করে আমরা বলতে পারি "ক" কারবারটি একটি অংশীদারি কারবার।
ঘ
কোন প্রেক্ষাপটে 'ক' অপেক্ষা 'খ' কারবার গঠন যুক্তিযুক্ত- তোমার মতামত বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

অবশ্যই যুক্তিযুক্ত, উদ্দীপকে উল্লিখিত ক কারবারটি একটি অংশীদারি ও খ কারবারটি একটি যৌথ মূলধনী কারবার। অংশীদারি কারবারের ক্ষেত্রে মূলধন স্বল্পতা রয়েছে। দায় অসীম। পরিচালনায় রয়েছে, ব্যাপক জটিলতা। এছাড়া অংশীদারি ব্যবসায়ের আইনগত বৈধতা থাকলেও নিবন্ধনে আবশ্যকতা না থাকায় না চুক্তির বৈধতা নিয়ে অনেক জটিলতার সৃষ্টি হয়। অংশীদারি কারবার কারও নিকট বৃহৎ অর্থ প্রাপ্তির অভিযোগ মামলা করতে পারে না। পক্ষান্তরে যৌথমূলধনী কোম্পানি বৃহৎ প্রকৃতির হয়। পর্যাপ্ত মূলধন বিদ্যমান। চাইলে আরও মূলধন শেয়ার বিক্রয়ের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে পারে। দায় শেয়ারের মূল্যে সীমাবদ্ধ। আইনগতভাবে বৈধ। পরিচালনায় অনেক সহজ প্রকৃতির। যৌথ মূলধন কোম্পানি দীর্ঘস্থায়ী হয়ে থাকে ধরা হয় চিরস্থায়ী প্রকৃতির। আইনগত বাধ্যবাধকতা বেশি হওয়ায় অর্থপ্রাপ্তির অভিযোগে তৃতীয় কারও নামে মামলা করতে পারে এবং তৃতীয় পক্ষও মামলা করতে পারে। কৃত্রিম ব্যক্তিসত্ত্বার অধিকার ভোগ করে। উপরিউক্ত দুটি কারবারের বৈশিষ্ট্যগুলো পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যাচ্ছে, 'খ' কারবার 'ক' কারবারের তুলনায় অধিক সুবিধা ভোগ করছে। এ সকল বৈশিষ্ট্য ও সুবিধা পর্যালোচনা করে এটাই প্রতীয়মান হওয়া যায়, 'ক' অপেক্ষা 'খ' কারবার অধিকতর শ্রেয় ও'যুক্তিযুক্ত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image [ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, রংপুর]
ক
কোন কারবারে Single entry পদ্ধতিতে হিসাব রাখা হয়?

উত্তর

একমালিকানা কারবারে single entry পদ্ধতিতে হিসাব করা হয়।
খ
উদ্যোক্তাই কারবারের প্রাণ- বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর

উদ্দীপকের ক্ষেত্রে ভূমি, শ্রম, মূলধন ইত্যাদিকে উপযুক্ত সমন্বয় ঘটিয়ে উৎপাদন কাজ পরিচালনা করেন উদ্যোক্তা। এছাড়া কারবার পরিচালনা, পরিকল্পনা প্রণয়ন, ঝুঁকি গ্রহণ, মূলধন একত্রিকরণ ইত্যাদি কাজ করেন উদ্যোক্তা। সর্বসাকুল্যে দেখা যায় কারবার গঠন থেকে শুরু করে কারবারের প্রায় যাবতীয় কার্যাবলি পালন করেন একজন উদ্যোক্তা। উদ্যোক্তার যৌক্তিক সিদ্ধান্তের ওপর একটি কারবারে সাফল্য অনেকাংশে নির্ভরশীল। তাই উদ্যোক্তাকে কারবারের প্রাণ বলা হয়।
গ
উদ্দীপক অনুযায়ী 'ক' কারবারের ধরন ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদত্ত বৈশিষ্ট্যাবলি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, ক কারবারটি একটি অংশীদারি কারবার। অংশীদারি কারবার বলতে বোঝায় ১৯৩২ সালে অংশীদারি আইনে গঠিত ও নিয়ন্ত্রিত কারবারকে। সকলের দ্বারা বা সকলের পক্ষে একজনের দ্বারা পরিচালিত ব্যবসায়ের মুনাফা নিজেদের মধ্যে বণ্টনের উদ্দেশ্যে ব্যক্তিবর্গের মধ্যকার চুক্তিবদ্ধ সম্পর্ককে অংশীদারি কারবার বলে। অংশীদারি কারবারের সদস্যসংখ্যা সর্বনিম্ন ২ জন এবং সর্বোচ্চ ২০ জন। তবে ব্যাংকিং ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০ জনও থাকতে পারে। লিখিত বা মৌখিক চুক্তির মাধ্যমে অংশীদারি ব্যবসায় গঠন করতে পারে। কারবারের ভিত্তি হলো পারস্পরিক আস্থা ও সদ্বিশ্বাস, যা অংশীদারি কারবারের পূর্বশর্ত। সদস্যদের দায় অসীম। নাবালক ও সীমিত অংশীদারদের দায় সীমিত। সদস্যদের কেউ মারা গেলে, পাগল হলে বা দেওলিয়া হলে কারবার বন্ধ হয়ে যায়। কারবারের অভ্যন্তরীণ সকল সদস্যদের সম্মতিক্রমে নতুন অংশীদার গ্রহণ করা যায়। অংশীদারদের মধ্যে লাভ/ক্ষতি বণ্টিত হয় চুক্তিতে উল্লিখিত অনুপাত অনুযায়ী। চুক্তি অনুযায়ী সরবারহকৃত অর্থ হতে মূলধন সংগঠিত হয়। এক কথাই সকল কার্যাবলি পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয় চুক্তির ভিত্তিতে। উপরিউক্ত বৈশিষ্ট্যাবলি পর্যালোচনা করে আমরা বলতে পারি "ক" কারবারটি একটি অংশীদারি কারবার।
ঘ
কোন প্রেক্ষাপটে 'ক' অপেক্ষা 'খ' কারবার গঠন যুক্তিযুক্ত- তোমার মতামত বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

অবশ্যই যুক্তিযুক্ত, উদ্দীপকে উল্লিখিত ক কারবারটি একটি অংশীদারি ও খ কারবারটি একটি যৌথ মূলধনী কারবার। অংশীদারি কারবারের ক্ষেত্রে মূলধন স্বল্পতা রয়েছে। দায় অসীম। পরিচালনায় রয়েছে, ব্যাপক জটিলতা। এছাড়া অংশীদারি ব্যবসায়ের আইনগত বৈধতা থাকলেও নিবন্ধনে আবশ্যকতা না থাকায় না চুক্তির বৈধতা নিয়ে অনেক জটিলতার সৃষ্টি হয়। অংশীদারি কারবার কারও নিকট বৃহৎ অর্থ প্রাপ্তির অভিযোগ মামলা করতে পারে না। পক্ষান্তরে যৌথমূলধনী কোম্পানি বৃহৎ প্রকৃতির হয়। পর্যাপ্ত মূলধন বিদ্যমান। চাইলে আরও মূলধন শেয়ার বিক্রয়ের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে পারে। দায় শেয়ারের মূল্যে সীমাবদ্ধ। আইনগতভাবে বৈধ। পরিচালনায় অনেক সহজ প্রকৃতির। যৌথ মূলধন কোম্পানি দীর্ঘস্থায়ী হয়ে থাকে ধরা হয় চিরস্থায়ী প্রকৃতির। আইনগত বাধ্যবাধকতা বেশি হওয়ায় অর্থপ্রাপ্তির অভিযোগে তৃতীয় কারও নামে মামলা করতে পারে এবং তৃতীয় পক্ষও মামলা করতে পারে। কৃত্রিম ব্যক্তিসত্ত্বার অধিকার ভোগ করে। উপরিউক্ত দুটি কারবারের বৈশিষ্ট্যগুলো পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যাচ্ছে, 'খ' কারবার 'ক' কারবারের তুলনায় অধিক সুবিধা ভোগ করছে। এ সকল বৈশিষ্ট্য ও সুবিধা পর্যালোচনা করে এটাই প্রতীয়মান হওয়া যায়, 'ক' অপেক্ষা 'খ' কারবার অধিকতর শ্রেয় ও'যুক্তিযুক্ত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রাকিব, রায়হান, সেলিম ও মোর্শেদ চার বন্ধু একত্রে মূলধন সংগ্রহ করে ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইন অনুযায়ী 'স্টার টেক প্রাইভেট লিমিটেড' নামের একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ হতে ইলেক্ট্রনিক সামগ্রী ক্রয় করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্রয় করেন। উন্নত গুণগত মান, অপেক্ষাকৃত কম দাম, ভালো সেবা ইত্যাদি কারণে অল্প দিনের মধ্যে তাদের ভালো মুনাফা অর্জিত হয় এবং সারা দেশে সুনাম ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে তারা ব্যবসায় সম্প্রসারণের উদ্দেশ্য দেশের বিভিন্ন জেলায় শোরুম খোলার পরিকল্পনা করেছেন এবং একই সাথে মূলধন সংগ্রহের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠানটিকে স্টক এক্সচেঞ্জে নিবন্ধনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। [আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল, ঢাকা]
ক
এনজিও কী?

উত্তর

এনজিও (NGO-Non Government Organization) হচ্ছে বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান, যা দেশি-বিদেশি অনুদান প্রাপ্ত হয়ে উন্নয়নমূলক ও সেবাধর্মী কাজ করে থাকে।
খ
সংগঠন উৎপাদনের একটি অপরিহার্য উপাদান- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উৎপাদন বা ব্যবসায় ক্ষেত্রে উৎপাদনের উপাদান সমূহ যেমন ভূমি, শ্রম ও মূলধনের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে সুষ্ঠুভাবে কারবার পরিচালনার কাজেই সংগঠন। সংগঠন মূলত উৎপাদনের কোনো বস্তুগত উপাদান নয়, সংগঠন হলো উপকরণগুলোর সমন্বয় সাধনকারী। অতএব, সংগঠন উৎপাদনের একটি অপরিহার্য উপাদান।
গ
"স্টার টেক প্রাইভেট লিমিটেড" কোন ধরনের প্রতিষ্ঠান- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'স্টার টেক প্রাইভেট লিমিটেড' প্রতিষ্ঠানটি একটি যৌথ মূলধনী প্রতিষ্ঠান। কারণ উক্ত প্রতিষ্ঠানটি রাকিব, রায়হান সেলিম ও মোর্শেদ চার বন্ধু মিলে মূলধন এনে গঠন করেছে। তাছাড়া তারা ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনানুযায়ী কোম্পানিটি গঠন করেছে। যৌথ মূলধনে গঠিত ও পরিচালিত ব্যবসায়কে যৌথ মূলধনী কোম্পানি বলে। কয়েকজন ব্যক্তি যৌথভাবে মূলধন সংগ্রহ করে কারবার পরিচালনা করলে তাকে যৌথ মূলধনী কারবার বলে। ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনের ২-১ (খ) ধারা অনুযায়ী, কোম্পানি বলতে এ আইনের অধীনে গঠিত ও নিবন্ধিত কোনো কোম্পানি বা কোনো বিদ্যমান কোম্পানিকে বোঝায়। সরকারের অনুমোদনের পর একটি কোম্পানি পৃথক রূপ লাভ করে। কোম্পানির মুনাফা স্মারক লিপিতে লিখিত নিয়ম অনুসারে সবাই ভোগ করে থাকে। এখানে যৌথ মূলধনী কারবারের প্রদত্ত তথ্যসমূহ পর্যালোচনা করে দেখা যাচ্ছে যে, উদ্দীপকের উল্লিখিত চার বন্ধুর কারবারটি উক্ত বৈশিষ্ট্য সংবলিত একটি যৌথ মূলধনী কারবার। কারণ শুধু বৈশিষ্ট্যই, নয় কোম্পানি গঠিত ও হয়েছে ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইন অনুসারে। পরিশেষে আমরা অচিরেই বলতে পারি যে উদ্দীপকের কারবারটি একটি যৌথ মূলধনী কারবার।
ঘ
উক্ত প্রতিষ্ঠানে মূলধন সংগ্রহের জন্য যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে - তা কি যৌক্তিক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

হ্যাঁ, উক্ত প্রতিষ্ঠানটি মূলধন সংগ্রহ করার জন্য যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা অবশ্যই যৌক্তিক। তবে উপরিউক্তভাবে মূলধন সংগ্রহ করতে হলে তাকে বেশকিছু নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। কারণ বর্তমানে তার কোম্পানিটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে নিবন্ধিত। এতে সে চাইলেও খোলা বাজারে শেয়ার বিক্রয় করতে পারবে না। এর জন্য তাকে কোম্পানি নিবন্ধন অফিসে গিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রদানের মাধ্যমে আগে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে নিবন্ধিত হতে হবে। তারপর শেয়ার ক্রয়ের অনুমতিপত্র সংগ্রহ করতে হবে। নিবন্ধক যদি সকল দলিলপত্রাদি ও তথ্যাবলি বিশ্লেষণ করে তাকে উক্ত অনুমতিপত্র প্রদান করেন। তবেই সে উক্ত প্রক্রিয়াই মূলধন সংগ্রহ করতে পারবে। তবে উদ্দীপকের চারবন্ধুর মূলধন সংগ্রহের পরিকল্পনাটি যথার্থ। কারণ যখন তারা ঐ প্রতিষ্ঠানটি তৈরি করে তখন হয়তো তার সুনাম বিস্তৃত ছিল না বা অধিক মুনাফাও ছিল না। কিন্তু বর্তমানে সেগুলো আছে। সেই সুনাম ও বিস্তৃতিকে ব্যবহার করে চাইলেই সে উপরিউক্তভাবে মূলধন সংগ্রহ করতে পারবে। শুধু এর পূর্বে তাকে উপরিউক্ত কার্যাবলি সম্পাদন করতে হবে। তাই উপরিউক্ত সকল তথ্যাবলি বিশ্লেষণপূর্বক আমরা বলতে পারি যে, মূলধন সংগ্রহের জন্য উক্ত প্রতিষ্ঠান যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা অবশ্যই যৌক্তিক সিদ্ধান্ত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রাকিব, রায়হান, সেলিম ও মোর্শেদ চার বন্ধু একত্রে মূলধন সংগ্রহ করে ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইন অনুযায়ী 'স্টার টেক প্রাইভেট লিমিটেড' নামের একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ হতে ইলেক্ট্রনিক সামগ্রী ক্রয় করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্রয় করেন। উন্নত গুণগত মান, অপেক্ষাকৃত কম দাম, ভালো সেবা ইত্যাদি কারণে অল্প দিনের মধ্যে তাদের ভালো মুনাফা অর্জিত হয় এবং সারা দেশে সুনাম ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে তারা ব্যবসায় সম্প্রসারণের উদ্দেশ্য দেশের বিভিন্ন জেলায় শোরুম খোলার পরিকল্পনা করেছেন এবং একই সাথে মূলধন সংগ্রহের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠানটিকে স্টক এক্সচেঞ্জে নিবন্ধনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। [আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল, ঢাকা]
ক
এনজিও কী?

উত্তর

এনজিও (NGO-Non Government Organization) হচ্ছে বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান, যা দেশি-বিদেশি অনুদান প্রাপ্ত হয়ে উন্নয়নমূলক ও সেবাধর্মী কাজ করে থাকে।
খ
সংগঠন উৎপাদনের একটি অপরিহার্য উপাদান- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উৎপাদন বা ব্যবসায় ক্ষেত্রে উৎপাদনের উপাদান সমূহ যেমন ভূমি, শ্রম ও মূলধনের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে সুষ্ঠুভাবে কারবার পরিচালনার কাজেই সংগঠন। সংগঠন মূলত উৎপাদনের কোনো বস্তুগত উপাদান নয়, সংগঠন হলো উপকরণগুলোর সমন্বয় সাধনকারী। অতএব, সংগঠন উৎপাদনের একটি অপরিহার্য উপাদান।
গ
"স্টার টেক প্রাইভেট লিমিটেড" কোন ধরনের প্রতিষ্ঠান- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'স্টার টেক প্রাইভেট লিমিটেড' প্রতিষ্ঠানটি একটি যৌথ মূলধনী প্রতিষ্ঠান। কারণ উক্ত প্রতিষ্ঠানটি রাকিব, রায়হান সেলিম ও মোর্শেদ চার বন্ধু মিলে মূলধন এনে গঠন করেছে। তাছাড়া তারা ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনানুযায়ী কোম্পানিটি গঠন করেছে। যৌথ মূলধনে গঠিত ও পরিচালিত ব্যবসায়কে যৌথ মূলধনী কোম্পানি বলে। কয়েকজন ব্যক্তি যৌথভাবে মূলধন সংগ্রহ করে কারবার পরিচালনা করলে তাকে যৌথ মূলধনী কারবার বলে। ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনের ২-১ (খ) ধারা অনুযায়ী, কোম্পানি বলতে এ আইনের অধীনে গঠিত ও নিবন্ধিত কোনো কোম্পানি বা কোনো বিদ্যমান কোম্পানিকে বোঝায়। সরকারের অনুমোদনের পর একটি কোম্পানি পৃথক রূপ লাভ করে। কোম্পানির মুনাফা স্মারক লিপিতে লিখিত নিয়ম অনুসারে সবাই ভোগ করে থাকে। এখানে যৌথ মূলধনী কারবারের প্রদত্ত তথ্যসমূহ পর্যালোচনা করে দেখা যাচ্ছে যে, উদ্দীপকের উল্লিখিত চার বন্ধুর কারবারটি উক্ত বৈশিষ্ট্য সংবলিত একটি যৌথ মূলধনী কারবার। কারণ শুধু বৈশিষ্ট্যই, নয় কোম্পানি গঠিত ও হয়েছে ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইন অনুসারে। পরিশেষে আমরা অচিরেই বলতে পারি যে উদ্দীপকের কারবারটি একটি যৌথ মূলধনী কারবার।
ঘ
উক্ত প্রতিষ্ঠানে মূলধন সংগ্রহের জন্য যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে - তা কি যৌক্তিক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

হ্যাঁ, উক্ত প্রতিষ্ঠানটি মূলধন সংগ্রহ করার জন্য যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা অবশ্যই যৌক্তিক। তবে উপরিউক্তভাবে মূলধন সংগ্রহ করতে হলে তাকে বেশকিছু নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। কারণ বর্তমানে তার কোম্পানিটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে নিবন্ধিত। এতে সে চাইলেও খোলা বাজারে শেয়ার বিক্রয় করতে পারবে না। এর জন্য তাকে কোম্পানি নিবন্ধন অফিসে গিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রদানের মাধ্যমে আগে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে নিবন্ধিত হতে হবে। তারপর শেয়ার ক্রয়ের অনুমতিপত্র সংগ্রহ করতে হবে। নিবন্ধক যদি সকল দলিলপত্রাদি ও তথ্যাবলি বিশ্লেষণ করে তাকে উক্ত অনুমতিপত্র প্রদান করেন। তবেই সে উক্ত প্রক্রিয়াই মূলধন সংগ্রহ করতে পারবে। তবে উদ্দীপকের চারবন্ধুর মূলধন সংগ্রহের পরিকল্পনাটি যথার্থ। কারণ যখন তারা ঐ প্রতিষ্ঠানটি তৈরি করে তখন হয়তো তার সুনাম বিস্তৃত ছিল না বা অধিক মুনাফাও ছিল না। কিন্তু বর্তমানে সেগুলো আছে। সেই সুনাম ও বিস্তৃতিকে ব্যবহার করে চাইলেই সে উপরিউক্তভাবে মূলধন সংগ্রহ করতে পারবে। শুধু এর পূর্বে তাকে উপরিউক্ত কার্যাবলি সম্পাদন করতে হবে। তাই উপরিউক্ত সকল তথ্যাবলি বিশ্লেষণপূর্বক আমরা বলতে পারি যে, মূলধন সংগ্রহের জন্য উক্ত প্রতিষ্ঠান যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা অবশ্যই যৌক্তিক সিদ্ধান্ত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো