Chapter 9 : জনসেবা ও আমলাতন্ত্র Civics 1st Paper

HSC Civics 1st Paper এর Chapter 9 : জনসেবা ও আমলাতন্ত্র অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

২৯৭

প্রশ্ন

Civics 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCCivics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

জনাব আব্দুর রহমান একজন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা। চাকরি জীবনে তিনি সর্বদা উর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশে সুনির্দিষ্ট কর্মক্ষেত্রে রুটিনমাফিক দায়িত্ব পালন করেছেন। চাকরির শেষপর্যায়ে তিনি সচিব পদে পদোন্নতি লাভ করেন। তিনি জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্রে তার ভূমিকাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন। পক্ষান্তরে তার সহকর্মী রহমত সাহেবের আচরণ অত্যন্ত অনমনীয় ও দাম্ভিকতাপূর্ণ। তিনি তার কাজের ব্যাপারে অত্যন্ত উদাসীন এবং জনগণের বিভিন্ন আবেদন গুরুত্বহীনভাবে ফেলে রাখেন। [জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, সিলেট]
ক
আইনসভা কী?

উত্তর

সরকারের যে বিভাগ রাষ্ট্রের শাসন কাজ পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়নের দায়িত্ব পালন করে এবং সমাজ ও রাষ্ট্রের চাহিদা অনুযায়ী প্রচলিত আইনের সংশোধন ও পরিবর্তন করে তাকে আইনসভা বা আইন বিভাগ বলে।
খ
বিচারবিভাগের স্বাধীনতা বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বলতে আইনের ব্যাখ্যা ও বিচারকার্য পরিচালনার সময় বিচারকদের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ মতামত প্রকাশের ক্ষমতাকে বোঝায়। স্বাধীন বিচার বিভাগ বলতে আইন বিভাগ ও শাসন বিভাগের প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণমুক্ত বিচার বিভাগকে বোঝায়। 'গণতন্ত্রকে সুরক্ষা এবং গণতন্ত্রের মহান আদর্শ সমুন্নত রাখতে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচার বিভাগ খুব প্রয়োজন।
গ
জনাব আব্দুর রহমানের কর্মময় জীবনে আমলাতন্ত্রের কোন কোন বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে?- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে জনাব আব্দুর রহমানের কর্মময় জীবনে নিয়মানুবর্তিতা; পেশাদারিত্ব, সততা ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে। আমলারা রাষ্ট্রের জনগুরুত্বপূর্ণ সব কাজের তদারকিতে নিয়োজিত থাকেন। প্রশাসনিক নীতি নির্ধারণ, নীতির বাস্তবায়ন তথা কাজ সম্পন্ন করা, সরকারি সম্পদের হেফাজত করা, বিচারসংশ্লিষ্ট কাজ ইত্যাদি আমলাদের রুটিনওয়ার্ক। সরকারের যাবতীয় উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিকল্পনা করা, সম্ভাব্যতা যাচাই করা, সমীক্ষা করা, বাজেট প্রণয়ন, বাজেট অনুমোদনের সুপারিশ করা, কাজ বাস্তবায়ন করা, তদারকি করা ইত্যাদি আমলাদের মাধ্যয়েই হয়ে থাকে। দেশের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের সূচনা ও বাস্তবায়ন করার মূল দায়িত্ব এ আমলাদের ওপরই ন্যস্ত থাকে। আমলাদের দক্ষতা, যোগ্যতা ও কর্মক্ষমতা যত বেশি হবে, এসব ক্ষেত্রে সফলতা তত দ্রুত আসবে। কৃষি, শিল্প, অবকাঠামো, শিক্ষা ইত্যাদি ক্ষেত্রে উন্নয়নের অগ্রভাগে থাকেন এ আমলারা। এছাড়া সামাজিক পরিবর্তন, অগ্রগতি, সাংস্কৃতিক উন্নয়ন ইত্যাদি অবস্থাগত ক্ষেত্রেও আমলাদের ভূমিকা স্মরণযোগ্য। তবে আমলাতন্ত্রের অতি আনুষ্ঠানিকতা, লালফিতার দৌরাত্ম্য স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি, অদক্ষতা, অবহেলা এবং অ-পেশাদারি আচরণ কোনো কোনো ক্ষেত্রে উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে পারে। কিন্তু এটি আমলাতন্ত্রের নীতির পরিপন্থী। আমলাতন্ত্রে কখনো এরূপ প্রত্যাশা করা হয় না। কিন্তু আব্দুর রহমান সাহেবের মতো দক্ষ, সৎ ও কর্মনিষ্ঠ আমলারাই দেশের উন্নয়নের ধারক ও বাহক, এ ব্যাপারে কোনো 'সন্দেহ নেই।
ঘ
'উদ্দীপকে উল্লিখিত রহমত সাহেবের আচরণ রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অন্তরায়' তুমি কি একমত? তোমার মতামতের পক্ষে যুক্তি প্রদর্শন কর।

উত্তর

উদ্দীপকের রহমত সাহেব, আমলা হিসেবে নিজেকে সেবক না ভেবে জনগণের প্রভু মনে করেন। তিনি তার কাজের ব্যাপারে যেমন উদাসীন তেমনি গুরুত্বপূর্ণ কাজের ফাইল দীর্ঘদিন আটকে রাখেন। এর মাধ্যমে তিনি আমলাতান্ত্রিক জটিলতা তথা লালফিতার দৌরাত্ম্য চর্চা করে সুশাসনকে বাধাগ্রস্ত করছেন। তাই আমি প্রশ্নোক্ত এ উক্তিটির সাথে একমত পোষণ করছি। কারও ওপর অর্জিত দায়িত্ব ও কর্তব্য সঠিকভাবে পালনের নিশ্চয়তাই জবাবদিহিতা। একজন আমলার ওপর আরোপিত ক্ষমতার সুষ্ঠু জবাবই হলো আমলাতন্ত্রের জবাবদিহিতা। যার ওপর সুশাসন নির্ভর করে। সুশাসন প্রতিষ্ঠার পূর্বশর্ত হলো আমলাদের কর্তব্যের অবহেলা ও স্বেচ্ছাচারিতা নিয়ন্ত্রণ করা। আমলা হচ্ছে প্রশাসনের প্রাণ। প্রশাসন আমলাদের মাধ্যমেই পরিচালিত হয়। এজন্য প্রশাসনিক ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার যে, বিষয়টি সর্বপ্রথম প্রয়োজন তা হলো আমলাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। কেননা রাষ্ট্রের প্রশাসন যন্ত্রে যদি সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা যায় তাহলে অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সহজ হয়ে পড়ে। এছাড়াও রাষ্ট্রের আইন প্রণয়ন ও নীতিনিধারণ রাষ্ট্র টিকে থাকার দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আর এ বিষয় দুটিতেও আমলালা সম্পৃক্ত থাকে। তাই আইন প্রনয়ন ও নীতিনির্ধারণের ক্ষেত্রেও যদি সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হয় তাহলে প্রয়োজন হলো আমলাদের জবাবদিহিতা। নিশ্চিত করা। কেননা তাদের 'জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হলে তারা জনগণের কল্যাণের দিকে দৃষ্টি রেখে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকে। ফলে এটি সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বিশেষ সহায়ক হয়। এজন্য আমলাদের কর্মকাণ্ডের যদি জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায় তাহলে তারা ব্যক্তি স্বার্থের পরিবর্তে সামগ্রিক স্বার্থের কথা বিবেচনা করে দায়িত্বের সাথে কর্মসম্পাদন করবে। এভাবেই সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আমলাতন্ত্রের জবাবদিহিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

জনাব আব্দুর রহমান একজন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা। চাকরি জীবনে তিনি সর্বদা উর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশে সুনির্দিষ্ট কর্মক্ষেত্রে রুটিনমাফিক দায়িত্ব পালন করেছেন। চাকরির শেষপর্যায়ে তিনি সচিব পদে পদোন্নতি লাভ করেন। তিনি জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্রে তার ভূমিকাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন। পক্ষান্তরে তার সহকর্মী রহমত সাহেবের আচরণ অত্যন্ত অনমনীয় ও দাম্ভিকতাপূর্ণ। তিনি তার কাজের ব্যাপারে অত্যন্ত উদাসীন এবং জনগণের বিভিন্ন আবেদন গুরুত্বহীনভাবে ফেলে রাখেন। [জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, সিলেট]
ক
আইনসভা কী?

উত্তর

সরকারের যে বিভাগ রাষ্ট্রের শাসন কাজ পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়নের দায়িত্ব পালন করে এবং সমাজ ও রাষ্ট্রের চাহিদা অনুযায়ী প্রচলিত আইনের সংশোধন ও পরিবর্তন করে তাকে আইনসভা বা আইন বিভাগ বলে।
খ
বিচারবিভাগের স্বাধীনতা বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বলতে আইনের ব্যাখ্যা ও বিচারকার্য পরিচালনার সময় বিচারকদের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ মতামত প্রকাশের ক্ষমতাকে বোঝায়। স্বাধীন বিচার বিভাগ বলতে আইন বিভাগ ও শাসন বিভাগের প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণমুক্ত বিচার বিভাগকে বোঝায়। 'গণতন্ত্রকে সুরক্ষা এবং গণতন্ত্রের মহান আদর্শ সমুন্নত রাখতে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচার বিভাগ খুব প্রয়োজন।
গ
জনাব আব্দুর রহমানের কর্মময় জীবনে আমলাতন্ত্রের কোন কোন বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে?- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে জনাব আব্দুর রহমানের কর্মময় জীবনে নিয়মানুবর্তিতা; পেশাদারিত্ব, সততা ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে। আমলারা রাষ্ট্রের জনগুরুত্বপূর্ণ সব কাজের তদারকিতে নিয়োজিত থাকেন। প্রশাসনিক নীতি নির্ধারণ, নীতির বাস্তবায়ন তথা কাজ সম্পন্ন করা, সরকারি সম্পদের হেফাজত করা, বিচারসংশ্লিষ্ট কাজ ইত্যাদি আমলাদের রুটিনওয়ার্ক। সরকারের যাবতীয় উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিকল্পনা করা, সম্ভাব্যতা যাচাই করা, সমীক্ষা করা, বাজেট প্রণয়ন, বাজেট অনুমোদনের সুপারিশ করা, কাজ বাস্তবায়ন করা, তদারকি করা ইত্যাদি আমলাদের মাধ্যয়েই হয়ে থাকে। দেশের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের সূচনা ও বাস্তবায়ন করার মূল দায়িত্ব এ আমলাদের ওপরই ন্যস্ত থাকে। আমলাদের দক্ষতা, যোগ্যতা ও কর্মক্ষমতা যত বেশি হবে, এসব ক্ষেত্রে সফলতা তত দ্রুত আসবে। কৃষি, শিল্প, অবকাঠামো, শিক্ষা ইত্যাদি ক্ষেত্রে উন্নয়নের অগ্রভাগে থাকেন এ আমলারা। এছাড়া সামাজিক পরিবর্তন, অগ্রগতি, সাংস্কৃতিক উন্নয়ন ইত্যাদি অবস্থাগত ক্ষেত্রেও আমলাদের ভূমিকা স্মরণযোগ্য। তবে আমলাতন্ত্রের অতি আনুষ্ঠানিকতা, লালফিতার দৌরাত্ম্য স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি, অদক্ষতা, অবহেলা এবং অ-পেশাদারি আচরণ কোনো কোনো ক্ষেত্রে উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে পারে। কিন্তু এটি আমলাতন্ত্রের নীতির পরিপন্থী। আমলাতন্ত্রে কখনো এরূপ প্রত্যাশা করা হয় না। কিন্তু আব্দুর রহমান সাহেবের মতো দক্ষ, সৎ ও কর্মনিষ্ঠ আমলারাই দেশের উন্নয়নের ধারক ও বাহক, এ ব্যাপারে কোনো 'সন্দেহ নেই।
ঘ
'উদ্দীপকে উল্লিখিত রহমত সাহেবের আচরণ রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অন্তরায়' তুমি কি একমত? তোমার মতামতের পক্ষে যুক্তি প্রদর্শন কর।

উত্তর

উদ্দীপকের রহমত সাহেব, আমলা হিসেবে নিজেকে সেবক না ভেবে জনগণের প্রভু মনে করেন। তিনি তার কাজের ব্যাপারে যেমন উদাসীন তেমনি গুরুত্বপূর্ণ কাজের ফাইল দীর্ঘদিন আটকে রাখেন। এর মাধ্যমে তিনি আমলাতান্ত্রিক জটিলতা তথা লালফিতার দৌরাত্ম্য চর্চা করে সুশাসনকে বাধাগ্রস্ত করছেন। তাই আমি প্রশ্নোক্ত এ উক্তিটির সাথে একমত পোষণ করছি। কারও ওপর অর্জিত দায়িত্ব ও কর্তব্য সঠিকভাবে পালনের নিশ্চয়তাই জবাবদিহিতা। একজন আমলার ওপর আরোপিত ক্ষমতার সুষ্ঠু জবাবই হলো আমলাতন্ত্রের জবাবদিহিতা। যার ওপর সুশাসন নির্ভর করে। সুশাসন প্রতিষ্ঠার পূর্বশর্ত হলো আমলাদের কর্তব্যের অবহেলা ও স্বেচ্ছাচারিতা নিয়ন্ত্রণ করা। আমলা হচ্ছে প্রশাসনের প্রাণ। প্রশাসন আমলাদের মাধ্যমেই পরিচালিত হয়। এজন্য প্রশাসনিক ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার যে, বিষয়টি সর্বপ্রথম প্রয়োজন তা হলো আমলাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। কেননা রাষ্ট্রের প্রশাসন যন্ত্রে যদি সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা যায় তাহলে অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সহজ হয়ে পড়ে। এছাড়াও রাষ্ট্রের আইন প্রণয়ন ও নীতিনিধারণ রাষ্ট্র টিকে থাকার দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আর এ বিষয় দুটিতেও আমলালা সম্পৃক্ত থাকে। তাই আইন প্রনয়ন ও নীতিনির্ধারণের ক্ষেত্রেও যদি সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হয় তাহলে প্রয়োজন হলো আমলাদের জবাবদিহিতা। নিশ্চিত করা। কেননা তাদের 'জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হলে তারা জনগণের কল্যাণের দিকে দৃষ্টি রেখে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকে। ফলে এটি সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বিশেষ সহায়ক হয়। এজন্য আমলাদের কর্মকাণ্ডের যদি জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায় তাহলে তারা ব্যক্তি স্বার্থের পরিবর্তে সামগ্রিক স্বার্থের কথা বিবেচনা করে দায়িত্বের সাথে কর্মসম্পাদন করবে। এভাবেই সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আমলাতন্ত্রের জবাবদিহিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রহিমা বেগম 'ক' প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। তিনি স্থায়িভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত। কর্মক্ষেত্রে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশনা মোতাবেক কাজ করেন। তাঁর ভাই নিরপেক্ষতার জন্য তাঁর প্রতিষ্ঠানের প্রশংসা করেন।। প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা জনকল্যাণমূলক কাজ করেন। তারা মনে করেন যে, স্থায়ী চাকরিজীবী হওয়া সত্ত্বেও তারা জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে নন। যদিও তাঁরা জনগণের মুখোমুখি হয়ে জবাবদিহি করেন না। [কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ]
ক
আমলাতন্ত্রের জনক কে?

উত্তর

আমলাতন্ত্রের জনক হলেন ম্যাক্স ওয়েবার।
খ
আমলাতন্ত্রের রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

আমলাতন্ত্রের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো নিরপেক্ষতা। উদারনৈতিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বিভিন্ন সময় ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক দল সরকার গঠন করতে পারে। কিন্তু যে সরকারই ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হোক না কেন, সরকারের নীতিসমূহকে বাস্তবে রূপায়িত করা আমলাদের কর্তব্য। এভাবে আমলাদের দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে থাকতে হয়। একেই বলা হয় আমলাতন্ত্রের রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা।
গ
রহিমা বেগমের চাকরির ধরন ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের রহিমা বেগম 'ক' প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন এবং তিনি' স্থায়ীভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত। তার চাকরির বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় বলা যায়, তিনি একজন সরকারি আমলা। সরকারি আমলা দেশ ও জনগণের সেবায় সর্বদা নিয়োজিত থাকেন এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রদর্শনে বদ্ধপরিকর। আমলারা মেধার ভিত্তিতে চাকরিতে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। স্থায়িত্ব আমলাতন্ত্রের প্রথম ও প্রধান বৈশিষ্ট্য। 'এ ব্যবস্থায় যারা কর্মরত থাকে তারা সরকারের স্থায়ী ও বেতনভুক্ত কর্মচারী। তারা একটি নির্দিষ্ট বয়সসীমা পর্যন্ত কর্মরতভাবে পদে আসীন থাকে। এ ব্যবস্থায় নিম্নস্তরের কর্মচারীরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আদেশ-নির্দেশ মেনে চলেন। সাধারণত দেখা যায়, আমলারা তাদের কাজের জন্য সর্বদা দায়িত্বশীল থাকেন। নিম্নস্তরের কর্মচারীরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে যেমন দায়ী থাকে তেমনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আবার মন্ত্রিপরিষদের নিকট দায়ী থাকেন। যে কারণে আমলারা দায়িত্বশীলতার সাথে তাদের কর্মসম্পাদন করে থাকে। উদারনৈতিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সরকারের বিপুল পরিমাণ জনকল্যাণকর কার্যাদি সম্পাদনে দায়িত্ব আমলাদের ওপর ন্যস্ত থাকে। তাই স্বাভাবিকভাবেই আমলারাও জনকল্যাণ সাধনকেই তাদের প্রধান কাজ হিসেবে গ্রহণ করে। অতএব বলা যায়, রাহিমা বেগমের চাকরির ধরন উপরিউক্ত বৈশিষ্ট্যের অনুরূপ।
ঘ
উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কৌশল বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানের কর্মকতাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কতিপয় কৌশল রয়েছে। উদ্দীপকের রহিমা বেগম একজন সরকারি আমলা। তারা মনে করেন সে, স্থায়ী চাকরিজীবী হলেও তাদেরকে জবাবদিহিতা করতে হবে। জনগণের কাছে সরাসরি জবাবদিহিতা না করলেও তারা তাদের ঊর্ধ্বতনের কাছে জবাবদিহি করেন। রাষ্ট্রের শাসক হিসেবে ভূমিকা পালন করে রাজনৈতিক নেতৃত্ব। তাই রাজনৈতিক নেতৃত্বকে আমলাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য কার্যকর কৌশল অবলম্বন করতে হবে। প্রয়োজনে আইন সংশোধন করে আমলাতান্ত্রিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। আমলাতান্ত্রিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে না পারলে সুশাসন কখনো আলোর মুখ দেখবে না। পাশাপাশি আমলাতান্ত্রিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য অন্যান্য যে সকল কৌশল রয়েছে সেগুলো প্রয়োগ করতে হবে। প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে ই-গভর্নেন্সে রূপান্তর করতে পারলে আমলাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সহজ হবে এবং নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি পাবে। আমলারা যাতে স্বচ্ছতা ও নিয়মনিষ্ঠা পালন করে এবং দলীয় প্রভাব ও হস্তক্ষেপের উর্ধ্বে থেকে নাগরিকদের সেবা প্রদান করতে সক্ষম হয় তা নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি আমলাদের আর্থিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করতে হবে। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সরকারি আমলাদের তুলনায় বেসরকারি প্রশাসনের কর্মকর্তারা অধিক আর্থিক সুবিধা ভোগ করছে। এ বৈষম্য দূর করতে হবে। আমলাদের সম্পদ বিবরণী প্রতিবছরই প্রকাশ করার ব্যবস্থা করতে হবে। আমলাদেরকে যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নীতি প্রণয়নে ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে সিদ্ধহস্ত করে তুলতে হবে। আমলাদের দুর্নীতি ও তাদের কর্মে গাফিলতির ক্ষেত্রে নাগরিক অংশগ্রহণকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। উপরিউক্ত কৌশলসমূহ বাস্তবায়ন করার মাধ্যমেই উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা বা আমলাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রহিমা বেগম 'ক' প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। তিনি স্থায়িভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত। কর্মক্ষেত্রে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশনা মোতাবেক কাজ করেন। তাঁর ভাই নিরপেক্ষতার জন্য তাঁর প্রতিষ্ঠানের প্রশংসা করেন।। প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা জনকল্যাণমূলক কাজ করেন। তারা মনে করেন যে, স্থায়ী চাকরিজীবী হওয়া সত্ত্বেও তারা জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে নন। যদিও তাঁরা জনগণের মুখোমুখি হয়ে জবাবদিহি করেন না। [কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ]
ক
আমলাতন্ত্রের জনক কে?

উত্তর

আমলাতন্ত্রের জনক হলেন ম্যাক্স ওয়েবার।
খ
আমলাতন্ত্রের রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

আমলাতন্ত্রের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো নিরপেক্ষতা। উদারনৈতিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বিভিন্ন সময় ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক দল সরকার গঠন করতে পারে। কিন্তু যে সরকারই ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হোক না কেন, সরকারের নীতিসমূহকে বাস্তবে রূপায়িত করা আমলাদের কর্তব্য। এভাবে আমলাদের দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে থাকতে হয়। একেই বলা হয় আমলাতন্ত্রের রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা।
গ
রহিমা বেগমের চাকরির ধরন ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের রহিমা বেগম 'ক' প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন এবং তিনি' স্থায়ীভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত। তার চাকরির বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় বলা যায়, তিনি একজন সরকারি আমলা। সরকারি আমলা দেশ ও জনগণের সেবায় সর্বদা নিয়োজিত থাকেন এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রদর্শনে বদ্ধপরিকর। আমলারা মেধার ভিত্তিতে চাকরিতে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। স্থায়িত্ব আমলাতন্ত্রের প্রথম ও প্রধান বৈশিষ্ট্য। 'এ ব্যবস্থায় যারা কর্মরত থাকে তারা সরকারের স্থায়ী ও বেতনভুক্ত কর্মচারী। তারা একটি নির্দিষ্ট বয়সসীমা পর্যন্ত কর্মরতভাবে পদে আসীন থাকে। এ ব্যবস্থায় নিম্নস্তরের কর্মচারীরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আদেশ-নির্দেশ মেনে চলেন। সাধারণত দেখা যায়, আমলারা তাদের কাজের জন্য সর্বদা দায়িত্বশীল থাকেন। নিম্নস্তরের কর্মচারীরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে যেমন দায়ী থাকে তেমনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আবার মন্ত্রিপরিষদের নিকট দায়ী থাকেন। যে কারণে আমলারা দায়িত্বশীলতার সাথে তাদের কর্মসম্পাদন করে থাকে। উদারনৈতিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সরকারের বিপুল পরিমাণ জনকল্যাণকর কার্যাদি সম্পাদনে দায়িত্ব আমলাদের ওপর ন্যস্ত থাকে। তাই স্বাভাবিকভাবেই আমলারাও জনকল্যাণ সাধনকেই তাদের প্রধান কাজ হিসেবে গ্রহণ করে। অতএব বলা যায়, রাহিমা বেগমের চাকরির ধরন উপরিউক্ত বৈশিষ্ট্যের অনুরূপ।
ঘ
উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কৌশল বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানের কর্মকতাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কতিপয় কৌশল রয়েছে। উদ্দীপকের রহিমা বেগম একজন সরকারি আমলা। তারা মনে করেন সে, স্থায়ী চাকরিজীবী হলেও তাদেরকে জবাবদিহিতা করতে হবে। জনগণের কাছে সরাসরি জবাবদিহিতা না করলেও তারা তাদের ঊর্ধ্বতনের কাছে জবাবদিহি করেন। রাষ্ট্রের শাসক হিসেবে ভূমিকা পালন করে রাজনৈতিক নেতৃত্ব। তাই রাজনৈতিক নেতৃত্বকে আমলাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য কার্যকর কৌশল অবলম্বন করতে হবে। প্রয়োজনে আইন সংশোধন করে আমলাতান্ত্রিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। আমলাতান্ত্রিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে না পারলে সুশাসন কখনো আলোর মুখ দেখবে না। পাশাপাশি আমলাতান্ত্রিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য অন্যান্য যে সকল কৌশল রয়েছে সেগুলো প্রয়োগ করতে হবে। প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে ই-গভর্নেন্সে রূপান্তর করতে পারলে আমলাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সহজ হবে এবং নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি পাবে। আমলারা যাতে স্বচ্ছতা ও নিয়মনিষ্ঠা পালন করে এবং দলীয় প্রভাব ও হস্তক্ষেপের উর্ধ্বে থেকে নাগরিকদের সেবা প্রদান করতে সক্ষম হয় তা নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি আমলাদের আর্থিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করতে হবে। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সরকারি আমলাদের তুলনায় বেসরকারি প্রশাসনের কর্মকর্তারা অধিক আর্থিক সুবিধা ভোগ করছে। এ বৈষম্য দূর করতে হবে। আমলাদের সম্পদ বিবরণী প্রতিবছরই প্রকাশ করার ব্যবস্থা করতে হবে। আমলাদেরকে যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নীতি প্রণয়নে ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে সিদ্ধহস্ত করে তুলতে হবে। আমলাদের দুর্নীতি ও তাদের কর্মে গাফিলতির ক্ষেত্রে নাগরিক অংশগ্রহণকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। উপরিউক্ত কৌশলসমূহ বাস্তবায়ন করার মাধ্যমেই উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা বা আমলাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রহমান সাহেব যে সরকারি প্রতিষ্ঠানটিতে কাজ করেন সেটি মূলত পদসোপান ভিত্তিক এবং নিরপেক্ষ একটি প্রতিষ্ঠান। চাকরির নিরাপত্তা থাকার কারণে তিনি অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে দক্ষতার সাথে তার দায়িত্ব সম্পাদন করেন। [আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা]
ক
আইনসভা কী?

উত্তর

আইনসভা হলো রাষ্ট্রের জনসাধারণের প্রতিনিধিত্বমূলক প্রতিষ্ঠান এবং সরকারের নীতি নির্ধারক যন্ত্র ও রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় আইন সরবরাহকারী সংস্থা।
খ
সর্বজনীন ভোটাধিকার বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

সর্বজনীন ভোটাধিকার হলো সবার জন্য ভোটের অধিকার। যখন একটি নির্দিষ্ট বয়সের সকল নারী-পুরুষ, ধর্ম-বর্ণ, গোত্র, শিক্ষিত, নিরক্ষর, ধনী, গরিব, নির্বিশেষ ভোটাধিকার লাভ করে, তখন তাকে সর্বজনীন ভোটাধিকার বলা হয়। তবে এতে আদালত কর্তৃক অপ্রকৃতস্থ কিংবা দেউলিয়া ঘোষিত কিংবা দন্ডপ্রাপ্ত আসামিরা ভোটাধিকার পায় না।
গ
রহমান সাহেবের প্রতিষ্ঠানটি তোমার পঠিত কোন প্রতিষ্ঠানের। সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের রহমান সাহেবের প্রতিষ্ঠানটি মূলত পদসোপানভিত্তিক এবং নিরপেক্ষ। এ প্রতিষ্ঠানে তার চাকুরির নিরাপত্তা রয়েছে এবং তার দক্ষতা প্রতিষ্ঠানটির একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য। এরূপ বৈশিষ্ট্য। আমলাতন্ত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। আমলাতন্ত্র আধুনিক রাজনৈতিক ব্যবস্থার একটি অপরিহার্য অঙ্গ। এটি দক্ষ, স্থায়ী ও বেতনভুক্ত পেশাদার কর্মচারীদের সংগঠন যা সরকারের নীতি ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে। আমলাতন্ত্রে পদসোপান নীতিতে বিভিন্ন পদের শ্রেণিবিন্যাস ও সংগঠন করা হয়। প্রত্যেক নিম্নতর পদ উচ্চতর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় যা রহমান সাহেবের প্রতিষ্ঠানে বর্তমান। আমলাতন্ত্র প্রশাসন একটি রাজনীতি নিরপেক্ষ সংগঠন। আবার, আমলাতান্ত্রিক সংগঠনে কর্মচারীরা সর্বোচ্চ মাত্রায় বিশেষ দক্ষতা ও অর্জনে সচেষ্ট থাকেন, যা রহমান সাহেবের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। সুতরাং রহমান সাহেবের প্রতিষ্ঠানটি আমলাতন্ত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ
রহমান সাহেবের প্রতিষ্ঠানটির জবাবদিহিতার সাথে সুশাসনের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

রহমান সাহেবের প্রতিষ্ঠান অর্থাৎ আমলাতন্ত্রের জবাবদিহিতার সাথে সুশাসনের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আমলাতন্ত্রের জবাবদিহিতা একান্ত প্রয়োজন। আমলাদের দ্বারা সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন হয়। আমলাতন্ত্রে যদি জবাবদিহিতার ব্যবস্থা থাকে তবে যেকোনো কর্মসূচি সঠিকভাবে সম্পন্ন হওয়া সম্ভব। যেহেতু জবাবদিহিতা দুর্নীতি রোধ করে তাই আমলাগণ যদি তাদের কাজের জন্য জবাবদিহিতা করতে বাধ্য থাকেন তবে রাষ্ট্র ও সমাজ অনেকাংশে দুর্নীতিমুক্ত হবে। আর দুর্নীতিমুক্ত সমাজব্যবস্থাই সুশাসনের কাম্য। সুশাসনের প্রবক্তারা সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে জবাবদিহিতাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। সুশাসনের মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারের সমস্ত কার্যক্রমকে দুর্নীতিমুক্ত করে উন্নয়ন নিশ্চিত করা। বর্তমান রাষ্ট্রব্যবস্থায় আমলাতন্ত্রের গুরুত্ব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরকারের নীতি বাস্তবায়ন করা আমলাতন্ত্রের কাজ। তাই একটি দেশের আমলাতন্ত্রের জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাওয়ার অর্থ হলো সরকারের জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাওয়া। জনগণের টাকায় আমলাদের বেতন হয়। তাই আমলারা নিজেদের প্রভু মনে না করে জনগণের সেবক মনে করলে জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। জনগণ সরাসরি রাষ্ট্র পরিচালনায় অংশগ্রহণ করে না। প্রতিনিধিত্বশীল সরকার ব্যবস্থায় জনগণের পক্ষে। তাদের প্রতিনিধিরা আইনসভার সদস্যগণ রাষ্ট্র পরিচালনা করে থাকেন। তাই এ সকল প্রতিনিধিদের কাছেও আমলারা জবাবদিহি করতে বাধ্য। এভাবে আমলাতন্ত্রে জবাবদিহিতা যত বৃদ্ধি পাবে, প্রশাসন তত স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত হবে। আর স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন সুশাসনের বিশেষ সহায়ক শক্তি। তাই বলা যায়, রহমান সাহেবের প্রতিষ্ঠানটির জবাবদিহিতা সুশাসনের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কযুক্ত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রহমান সাহেব যে সরকারি প্রতিষ্ঠানটিতে কাজ করেন সেটি মূলত পদসোপান ভিত্তিক এবং নিরপেক্ষ একটি প্রতিষ্ঠান। চাকরির নিরাপত্তা থাকার কারণে তিনি অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে দক্ষতার সাথে তার দায়িত্ব সম্পাদন করেন। [আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা]
ক
আইনসভা কী?

উত্তর

আইনসভা হলো রাষ্ট্রের জনসাধারণের প্রতিনিধিত্বমূলক প্রতিষ্ঠান এবং সরকারের নীতি নির্ধারক যন্ত্র ও রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় আইন সরবরাহকারী সংস্থা।
খ
সর্বজনীন ভোটাধিকার বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

সর্বজনীন ভোটাধিকার হলো সবার জন্য ভোটের অধিকার। যখন একটি নির্দিষ্ট বয়সের সকল নারী-পুরুষ, ধর্ম-বর্ণ, গোত্র, শিক্ষিত, নিরক্ষর, ধনী, গরিব, নির্বিশেষ ভোটাধিকার লাভ করে, তখন তাকে সর্বজনীন ভোটাধিকার বলা হয়। তবে এতে আদালত কর্তৃক অপ্রকৃতস্থ কিংবা দেউলিয়া ঘোষিত কিংবা দন্ডপ্রাপ্ত আসামিরা ভোটাধিকার পায় না।
গ
রহমান সাহেবের প্রতিষ্ঠানটি তোমার পঠিত কোন প্রতিষ্ঠানের। সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের রহমান সাহেবের প্রতিষ্ঠানটি মূলত পদসোপানভিত্তিক এবং নিরপেক্ষ। এ প্রতিষ্ঠানে তার চাকুরির নিরাপত্তা রয়েছে এবং তার দক্ষতা প্রতিষ্ঠানটির একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য। এরূপ বৈশিষ্ট্য। আমলাতন্ত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। আমলাতন্ত্র আধুনিক রাজনৈতিক ব্যবস্থার একটি অপরিহার্য অঙ্গ। এটি দক্ষ, স্থায়ী ও বেতনভুক্ত পেশাদার কর্মচারীদের সংগঠন যা সরকারের নীতি ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে। আমলাতন্ত্রে পদসোপান নীতিতে বিভিন্ন পদের শ্রেণিবিন্যাস ও সংগঠন করা হয়। প্রত্যেক নিম্নতর পদ উচ্চতর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় যা রহমান সাহেবের প্রতিষ্ঠানে বর্তমান। আমলাতন্ত্র প্রশাসন একটি রাজনীতি নিরপেক্ষ সংগঠন। আবার, আমলাতান্ত্রিক সংগঠনে কর্মচারীরা সর্বোচ্চ মাত্রায় বিশেষ দক্ষতা ও অর্জনে সচেষ্ট থাকেন, যা রহমান সাহেবের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। সুতরাং রহমান সাহেবের প্রতিষ্ঠানটি আমলাতন্ত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ
রহমান সাহেবের প্রতিষ্ঠানটির জবাবদিহিতার সাথে সুশাসনের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

রহমান সাহেবের প্রতিষ্ঠান অর্থাৎ আমলাতন্ত্রের জবাবদিহিতার সাথে সুশাসনের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আমলাতন্ত্রের জবাবদিহিতা একান্ত প্রয়োজন। আমলাদের দ্বারা সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন হয়। আমলাতন্ত্রে যদি জবাবদিহিতার ব্যবস্থা থাকে তবে যেকোনো কর্মসূচি সঠিকভাবে সম্পন্ন হওয়া সম্ভব। যেহেতু জবাবদিহিতা দুর্নীতি রোধ করে তাই আমলাগণ যদি তাদের কাজের জন্য জবাবদিহিতা করতে বাধ্য থাকেন তবে রাষ্ট্র ও সমাজ অনেকাংশে দুর্নীতিমুক্ত হবে। আর দুর্নীতিমুক্ত সমাজব্যবস্থাই সুশাসনের কাম্য। সুশাসনের প্রবক্তারা সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে জবাবদিহিতাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। সুশাসনের মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারের সমস্ত কার্যক্রমকে দুর্নীতিমুক্ত করে উন্নয়ন নিশ্চিত করা। বর্তমান রাষ্ট্রব্যবস্থায় আমলাতন্ত্রের গুরুত্ব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরকারের নীতি বাস্তবায়ন করা আমলাতন্ত্রের কাজ। তাই একটি দেশের আমলাতন্ত্রের জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাওয়ার অর্থ হলো সরকারের জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাওয়া। জনগণের টাকায় আমলাদের বেতন হয়। তাই আমলারা নিজেদের প্রভু মনে না করে জনগণের সেবক মনে করলে জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। জনগণ সরাসরি রাষ্ট্র পরিচালনায় অংশগ্রহণ করে না। প্রতিনিধিত্বশীল সরকার ব্যবস্থায় জনগণের পক্ষে। তাদের প্রতিনিধিরা আইনসভার সদস্যগণ রাষ্ট্র পরিচালনা করে থাকেন। তাই এ সকল প্রতিনিধিদের কাছেও আমলারা জবাবদিহি করতে বাধ্য। এভাবে আমলাতন্ত্রে জবাবদিহিতা যত বৃদ্ধি পাবে, প্রশাসন তত স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত হবে। আর স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন সুশাসনের বিশেষ সহায়ক শক্তি। তাই বলা যায়, রহমান সাহেবের প্রতিষ্ঠানটির জবাবদিহিতা সুশাসনের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কযুক্ত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো