কবিতা : আঠারো বছর বয়স Bangla 1st Paper

HSC Bangla 1st Paper এর কবিতা : আঠারো বছর বয়স অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

২৭২

প্রশ্ন

Bangla 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

"ওরে নবীন ওরে আমার কাঁচা, ওরে সবুজ, ওরে অবুঝ, আধ-মরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচা। রক্ত আলোর মদে মাতাল ভোরে আজকে যে যা বলে বলুক তোরে, সকল তর্ক হেলায় তুচ্ছ করে পুচ্ছটি তোর উচ্চে তুলে নাচা। আয় দুরন্ত, আয় রে আমার কাঁচা।"

Comilla · 2017

ক
সুকান্ত ভট্টাচার্য মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত কোন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?

উত্তর

সুকান্ত ভট্টাচার্য মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত 'দৈনিক স্বাধীনতা' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
খ
'এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে'- পঙক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

কবি উক্ত পঙক্তিটির মাধ্যমে প্রত্যাশা করেছেন, আঠারো বছর বয়সের ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যগুলো যেন জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তি হয়ে ওঠে। আঠারো বছর বয়স বহু ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যে সমৃদ্ধ। এ বয়সের তরুণরা জড়-নিশ্চল প্রথাবদ্ধ জীবনকে পেছনে ফেলে সবসময় নতুন জীবন রচনার স্বপ্ন দেখে। কল্যাণচিন্তা, সেবাব্রত, উদ্দীপনা, সাহসিকতা, চলার দুর্বার গতি- এসবই তাদের বৈশিষ্ট্য। কবির কামনা এসব বৈশিষ্ট্য দিয়েই যেন তরুণরা জাতীয় জীবনের ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটায়।
গ
"উদ্দীপকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় বর্ণিত বিষয়ের আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে"- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে তারুণ্যের কেবল একটি বিশেষ দিক আলোচিত হওয়ায় এখানে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে। 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি বয়ঃসন্ধিকালের নানা বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। তারুণ্যের ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যের গুণগানের পাশাপাশি জাতীয় জীবনে এ বয়সের উদ্দীপনাকে তিনি প্রত্যাশা করেছেন। কবিতায় তিনি আঠারো বছর বয়সের নানা দিক নিজ অভিজ্ঞতার আলোকে বিশদভাবে উপস্থাপন করেছেন। এ বয়স নিয়ে উৎকণ্ঠাও প্রকাশ করেছেন তিনি। উদ্দীপকের কবিতাংশে নিশ্চল সমাজে প্রাণের সঞ্চার ঘটাতে নবীনদের প্রতি আহ্বান করা হয়েছে। এখানে তারুণ্যের শক্তিতে বলীয়ান হয়ে সকল বাধা অতিক্রম করে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় আঠারো বছর বয়সি তরুণদের নানা বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে। কবির দৃষ্টিতে এ বয়সটি উত্তেজনার, প্রবল উচ্ছ্বাসে জীবনের ঝুঁকি নেওয়ার, অদম্য দুঃসাহসে বাধা-বিপদ পেরিয়ে যাওয়ার এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার উপযুক্ত সময়। পাশাপাশি, সমাজজীবনের নানা বিকার, অসুস্থতা ও সর্বনাশের অভিঘাতে এ বয়সের শঙ্কাজনক দিকটিও তুলে ধরেছেন তিনি। উদ্দীপকের ক্ষুদ্র পরিসরে তারুণ্যের জয়গানের দিকটি ফুটে উঠলেও আলোচ্য কবিতায় বর্ণিত অন্যান্য দিক প্রতিফলিত হয়নি। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে আলোচ্য কবিতার আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে মাত্র।
ঘ
'আঠারো বছর বয়স' কবিতা এবং উদ্দীপকে মূলত তারুণ্যেরই জয়গান গাওয়া হয়েছে- এ বিষয়ে তোমার যৌক্তিক মতামত দাও।

উত্তর

পরিসরে ভিন্নতা থাকলেও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতা ও উদ্দীপকে মূলত তারুণ্যেরই জয়গান গাওয়া হয়েছে। পাঠ্য কবিতায় কবি আঠারো বছর বয়সের নানা ইতিবাচক দিক চিহ্নিত করেছেন। সতর্ক করেছেন নেতিবাচক দিক সম্পর্কেও। এ বয়সের বৈশিষ্ট্য অঙ্কন করতে গিয়ে কবি মূলত তরুণদের জয়গানই করেছেন। তিনি মনে করেন, এদেশের তরুণেরাই জাতীয় জীবনের মূল চালিকাশক্তি হয়ে এগিয়ে আসবে। উদ্দীপকের কবিতাংশে স্থবিরতা ও নিশ্চলতায় জর্জরিত মানুষের মাঝে প্রাণের সঞ্চার করতে নবীনদের আহ্বান করা হয়েছে। একইসঙ্গে সকল বাধাকে তুচ্ছ করে নিজ নিজ ব্যক্তিত্বের স্ফূরণ ঘটানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে এখানে। কবি সমস্যাপীড়িত জাতিকে উদ্ধার করতে তারুণ্যের শক্তির ওপর তাঁর নির্ভরতার কথা ব্যক্ত করেছেন। একইভাবে, 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায়ও কবি আঠারো বছর বয়সের নানা ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যের জাগরণ কামনা করেছেন। পাঠ্য কবিতায় কবি মনে করেন, আঠারো বছর বয়সটি প্রবল আবেগ ও উচ্ছ্বাসে জীবনের ঝুঁকি নেওয়ার জন্য উপযোগী। এ বয়সের তরুণদের ধর্মই হলো আত্মত্যাগের মহান মন্ত্রে উজ্জীবিত হওয়া- আঘাত-সংঘাতের মধ্যে রক্তশপথ নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়া। এখানে নির্দিষ্টভাবে আঠারো বছর বয়সের বৈশিষ্ট্য বলা হলেও তা আসলে তারুণ্যেরই সাধারণ বৈশিষ্ট্য। উদ্দীপকের কবিতার ক্ষুদ্র পরিসরেও মূলত তারুণ্যের জয়গান গাওয়া হয়েছে। তাই বলা যায়, আলোচ্য কবিতা ও উদ্দীপকের কবিতাংশ, উভয়ক্ষেত্রেই মুখ্য হয়ে উঠেছে তারুণ্যের জয়গানের দিকটি।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

"ওরে নবীন ওরে আমার কাঁচা, ওরে সবুজ, ওরে অবুঝ, আধ-মরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচা। রক্ত আলোর মদে মাতাল ভোরে আজকে যে যা বলে বলুক তোরে, সকল তর্ক হেলায় তুচ্ছ করে পুচ্ছটি তোর উচ্চে তুলে নাচা। আয় দুরন্ত, আয় রে আমার কাঁচা।"

Comilla · 2017

ক
সুকান্ত ভট্টাচার্য মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত কোন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?

উত্তর

সুকান্ত ভট্টাচার্য মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত 'দৈনিক স্বাধীনতা' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
খ
'এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে'- পঙক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

কবি উক্ত পঙক্তিটির মাধ্যমে প্রত্যাশা করেছেন, আঠারো বছর বয়সের ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যগুলো যেন জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তি হয়ে ওঠে। আঠারো বছর বয়স বহু ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যে সমৃদ্ধ। এ বয়সের তরুণরা জড়-নিশ্চল প্রথাবদ্ধ জীবনকে পেছনে ফেলে সবসময় নতুন জীবন রচনার স্বপ্ন দেখে। কল্যাণচিন্তা, সেবাব্রত, উদ্দীপনা, সাহসিকতা, চলার দুর্বার গতি- এসবই তাদের বৈশিষ্ট্য। কবির কামনা এসব বৈশিষ্ট্য দিয়েই যেন তরুণরা জাতীয় জীবনের ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটায়।
গ
"উদ্দীপকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় বর্ণিত বিষয়ের আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে"- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে তারুণ্যের কেবল একটি বিশেষ দিক আলোচিত হওয়ায় এখানে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে। 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি বয়ঃসন্ধিকালের নানা বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। তারুণ্যের ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যের গুণগানের পাশাপাশি জাতীয় জীবনে এ বয়সের উদ্দীপনাকে তিনি প্রত্যাশা করেছেন। কবিতায় তিনি আঠারো বছর বয়সের নানা দিক নিজ অভিজ্ঞতার আলোকে বিশদভাবে উপস্থাপন করেছেন। এ বয়স নিয়ে উৎকণ্ঠাও প্রকাশ করেছেন তিনি। উদ্দীপকের কবিতাংশে নিশ্চল সমাজে প্রাণের সঞ্চার ঘটাতে নবীনদের প্রতি আহ্বান করা হয়েছে। এখানে তারুণ্যের শক্তিতে বলীয়ান হয়ে সকল বাধা অতিক্রম করে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় আঠারো বছর বয়সি তরুণদের নানা বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে। কবির দৃষ্টিতে এ বয়সটি উত্তেজনার, প্রবল উচ্ছ্বাসে জীবনের ঝুঁকি নেওয়ার, অদম্য দুঃসাহসে বাধা-বিপদ পেরিয়ে যাওয়ার এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার উপযুক্ত সময়। পাশাপাশি, সমাজজীবনের নানা বিকার, অসুস্থতা ও সর্বনাশের অভিঘাতে এ বয়সের শঙ্কাজনক দিকটিও তুলে ধরেছেন তিনি। উদ্দীপকের ক্ষুদ্র পরিসরে তারুণ্যের জয়গানের দিকটি ফুটে উঠলেও আলোচ্য কবিতায় বর্ণিত অন্যান্য দিক প্রতিফলিত হয়নি। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে আলোচ্য কবিতার আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে মাত্র।
ঘ
'আঠারো বছর বয়স' কবিতা এবং উদ্দীপকে মূলত তারুণ্যেরই জয়গান গাওয়া হয়েছে- এ বিষয়ে তোমার যৌক্তিক মতামত দাও।

উত্তর

পরিসরে ভিন্নতা থাকলেও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতা ও উদ্দীপকে মূলত তারুণ্যেরই জয়গান গাওয়া হয়েছে। পাঠ্য কবিতায় কবি আঠারো বছর বয়সের নানা ইতিবাচক দিক চিহ্নিত করেছেন। সতর্ক করেছেন নেতিবাচক দিক সম্পর্কেও। এ বয়সের বৈশিষ্ট্য অঙ্কন করতে গিয়ে কবি মূলত তরুণদের জয়গানই করেছেন। তিনি মনে করেন, এদেশের তরুণেরাই জাতীয় জীবনের মূল চালিকাশক্তি হয়ে এগিয়ে আসবে। উদ্দীপকের কবিতাংশে স্থবিরতা ও নিশ্চলতায় জর্জরিত মানুষের মাঝে প্রাণের সঞ্চার করতে নবীনদের আহ্বান করা হয়েছে। একইসঙ্গে সকল বাধাকে তুচ্ছ করে নিজ নিজ ব্যক্তিত্বের স্ফূরণ ঘটানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে এখানে। কবি সমস্যাপীড়িত জাতিকে উদ্ধার করতে তারুণ্যের শক্তির ওপর তাঁর নির্ভরতার কথা ব্যক্ত করেছেন। একইভাবে, 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায়ও কবি আঠারো বছর বয়সের নানা ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যের জাগরণ কামনা করেছেন। পাঠ্য কবিতায় কবি মনে করেন, আঠারো বছর বয়সটি প্রবল আবেগ ও উচ্ছ্বাসে জীবনের ঝুঁকি নেওয়ার জন্য উপযোগী। এ বয়সের তরুণদের ধর্মই হলো আত্মত্যাগের মহান মন্ত্রে উজ্জীবিত হওয়া- আঘাত-সংঘাতের মধ্যে রক্তশপথ নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়া। এখানে নির্দিষ্টভাবে আঠারো বছর বয়সের বৈশিষ্ট্য বলা হলেও তা আসলে তারুণ্যেরই সাধারণ বৈশিষ্ট্য। উদ্দীপকের কবিতার ক্ষুদ্র পরিসরেও মূলত তারুণ্যের জয়গান গাওয়া হয়েছে। তাই বলা যায়, আলোচ্য কবিতা ও উদ্দীপকের কবিতাংশ, উভয়ক্ষেত্রেই মুখ্য হয়ে উঠেছে তারুণ্যের জয়গানের দিকটি।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মচমইল বাজারে প্রকাশ্যে তিনজন সন্ত্রাসী আক্রমণ করে তালেব মাস্টারকে। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে মোটরসাইকেলযোগে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। এমন সময় ঘটনাস্থলে এসে পড়ে সাহসী তরুণ ফিরোজ। সে সন্ত্রাসীদের ধাওয়া করে এবং একজনকে ধরে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের হাতে তুলে দেয়। ফিরে এসে দেখে মাস্টার সাহেব তখনো মাটিতে লুটিয়ে পড়ে আছেন। পুলিশি ঝামেলার ভয়ে কেউ সাহায্যে এগিয়ে আসছে না। ফিরোজ কোনো কিছু না ভেবেই মাস্টার সাহেবকে নিয়ে যায় মেডিকেলে।

Dinajpur · 2017

ক
কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কোন দৈনিক পত্রিকার সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন?

উত্তর

কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য 'দৈনিক স্বাধীনতা' পত্রিকার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।
খ
'আঠারো বছর বয়স মাথা নোয়াবার নয়'- কেন?

উত্তর

আঠারো বছর বয়সে মানুষ যৌবনে পদার্পণ করে আত্মপ্রত্যয়ী ও সাহসী হয়ে ওঠে বলে কারো কাছে মাথা নোয়ায় না। শৈশব-কৈশোরের পরনির্ভরতার দিনগুলো সচেতনভাবে মুছে ফেলতে উদ্যোগী হয় আঠারো বছর বয়সের তরুণেরা। এ বয়স অদম্য দুঃসাহসে সকল বাধা-বিপদকে পেরিয়ে যেতে প্রস্তুত থাকে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে উদ্যমী এ বয়সের তরুণেরা। কোনো অন্যায় ও প্রতিবন্ধকতার কাছে মাথা নত করে না এ বয়সের তরুণপ্রাণ। কবি তাই এ বয়সটিকে দুঃসাহসী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
গ
উদ্দীপকের ফিরোজের মানসিকতার যে দিকটি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার মধ্যে বিদ্যমান তা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের ফিরোজের মানসিকতায় 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় উল্লেখিত তরুণদের ইতিবাচক দিকগুলো বিদ্যমান। আলোচ্য কবিতায় কবি নিজ অভিজ্ঞতার আলোকে বয়ঃসন্ধিকালের বৈশিষ্ট্যকে তুলে ধরেছেন। তিনি লক্ষ করেছেন, কৈশোর থেকে যৌবনে পদার্পণের এ বয়সটি প্রচন্ড সাহসে ঝুঁকি নেওয়ার উপযোগী। আঠারো বছর বয়সের তরুণেরা অসাধ্যকে সাধন করার জন্য দুর্বার গতিতে এগিয়ে যায়। উদ্দীপকের ফিরোজ একজন সাহসী তরুণ। সে তালেব মাস্টারকে আক্রমণ করা সন্ত্রাসীদের একজনকে ধরে চেয়ারম্যানের হাতে তুলে দেয়। আক্রমণস্থলে ফিরে এসে সে দেখে ভীতু মানুষগুলো রক্তাক্ত তালেব মাস্টারকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেনি। তখন সে পুলিশি ঝামেলার ভয় অগ্রাহ্য করে নিজেই তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। আলোচ্য কবিতায় ফিরোজের এ বৈশিষ্ট্যগুলোর কথাই বলা হয়েছে। দেশ, জাতি ও মানবতার জন্য এ বয়সের তরুণেরাই এগিয়ে যায় সবার আগে। কবি মনে করেন, এ বয়সটি প্রবল উচ্ছ্বাসে ঝুঁকি নেওয়ার উপযোগী। ফিরোজের মাঝেও এই ঝুঁকি নেওয়ার প্রবণতা লক্ষণীয়। সর্বোপরি, 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় বর্ণিত তরুণপ্রাণের ইতিবাচক সকল বৈশিষ্ট্যই ফিরোজের মাঝে বিদ্যমান।
ঘ
উদ্দীপকের মূলভাব 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার মূলভাবের দ্যোতক- আলোচনা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের মূলভাব 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার মূলভাবের দ্যোতক'- উক্তিটি যথার্থ। কেননা উভয়স্থানেই তারুণ্যের যথার্থ স্ফূরণ লক্ষ করা যায়। 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি বয়ঃসন্ধিকালের বৈশিষ্ট্যকে তুলে ধরেছেন। এ সকল বৈশিষ্ট্য ইতিবাচকতায় পরিপূর্ণ। কবির বর্ণনায় নানারকম গুণ ও দক্ষতার লক্ষণ ফুটে উঠেছে এ বয়সের তরুণদের মাঝে। তিনি মনে করেন, এ বয়সের ধর্মই হলো আত্মত্যাগের মহান মন্ত্রে উজ্জীবিত হওয়া। উদ্দীপকের ফিরোজ তালেব মাস্টারকে আক্রমণ করা সন্ত্রাসীদের ধাওয়া করে একজনকে ধরে ফেলতে সক্ষম হয়। তাকে আটক করে চেয়ারম্যানের হাতে তুলে দেয় সে। পরবর্তীতে সে পুলিশি ঝামেলার তোয়াক্কা না করে আহত মাস্টারকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। পাঠ্য কবিতায় কবি তরুণদের যে ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যের কথা বলেছেন তা ফিরোজের মাঝেও বিদ্যমান। তারুণ্যের শক্তিতে ফিরোজ অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। আঠারো বছর বয়স বহু ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যে চিহ্নিত। জড়, নিশ্চল ও প্রথাবদ্ধ জীবনকে পেছনে ফেলে নতুন জীবন রচনার স্বপ্ন, কল্যাণ ও সেবাব্রত, উদ্দীপনা ও সাহসিকতা, চলার দুর্বার গতি- এ সবই আঠারো বছর বয়সের বৈশিষ্ট্য। প্রতিটি তরুণেরই এ সকল বৈশিষ্ট্য ধারণ করা জরুরি। উদ্দীপকের ফিরোজ যেন কবির প্রত্যাশিত বৈশিষ্ট্যের অধিকারী এক তরুণ। সন্ত্রাসী ও পুলিশি ঝামেলার ভয়ে যখন মানবতা পদপিষ্ট হচ্ছিল তখন তারুণ্যদীপ্ত ফিরোজই সেখানে সাহায্যকারীর ভূমিকায় উত্তীর্ণ হয়। ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে থাকা অনেক মানুষের ভিড়ে একজন ফিরোজই অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। আর তাই, উদ্দীপকের ফিরোজের চরিত্রটি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় বর্ণিত সকল তরুণের প্রতিনিধি হয়ে উঠেছে। সুতরাং, আলোচ্য মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মচমইল বাজারে প্রকাশ্যে তিনজন সন্ত্রাসী আক্রমণ করে তালেব মাস্টারকে। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে মোটরসাইকেলযোগে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। এমন সময় ঘটনাস্থলে এসে পড়ে সাহসী তরুণ ফিরোজ। সে সন্ত্রাসীদের ধাওয়া করে এবং একজনকে ধরে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের হাতে তুলে দেয়। ফিরে এসে দেখে মাস্টার সাহেব তখনো মাটিতে লুটিয়ে পড়ে আছেন। পুলিশি ঝামেলার ভয়ে কেউ সাহায্যে এগিয়ে আসছে না। ফিরোজ কোনো কিছু না ভেবেই মাস্টার সাহেবকে নিয়ে যায় মেডিকেলে।

Dinajpur · 2017

ক
কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কোন দৈনিক পত্রিকার সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন?

উত্তর

কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য 'দৈনিক স্বাধীনতা' পত্রিকার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।
খ
'আঠারো বছর বয়স মাথা নোয়াবার নয়'- কেন?

উত্তর

আঠারো বছর বয়সে মানুষ যৌবনে পদার্পণ করে আত্মপ্রত্যয়ী ও সাহসী হয়ে ওঠে বলে কারো কাছে মাথা নোয়ায় না। শৈশব-কৈশোরের পরনির্ভরতার দিনগুলো সচেতনভাবে মুছে ফেলতে উদ্যোগী হয় আঠারো বছর বয়সের তরুণেরা। এ বয়স অদম্য দুঃসাহসে সকল বাধা-বিপদকে পেরিয়ে যেতে প্রস্তুত থাকে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে উদ্যমী এ বয়সের তরুণেরা। কোনো অন্যায় ও প্রতিবন্ধকতার কাছে মাথা নত করে না এ বয়সের তরুণপ্রাণ। কবি তাই এ বয়সটিকে দুঃসাহসী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
গ
উদ্দীপকের ফিরোজের মানসিকতার যে দিকটি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার মধ্যে বিদ্যমান তা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের ফিরোজের মানসিকতায় 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় উল্লেখিত তরুণদের ইতিবাচক দিকগুলো বিদ্যমান। আলোচ্য কবিতায় কবি নিজ অভিজ্ঞতার আলোকে বয়ঃসন্ধিকালের বৈশিষ্ট্যকে তুলে ধরেছেন। তিনি লক্ষ করেছেন, কৈশোর থেকে যৌবনে পদার্পণের এ বয়সটি প্রচন্ড সাহসে ঝুঁকি নেওয়ার উপযোগী। আঠারো বছর বয়সের তরুণেরা অসাধ্যকে সাধন করার জন্য দুর্বার গতিতে এগিয়ে যায়। উদ্দীপকের ফিরোজ একজন সাহসী তরুণ। সে তালেব মাস্টারকে আক্রমণ করা সন্ত্রাসীদের একজনকে ধরে চেয়ারম্যানের হাতে তুলে দেয়। আক্রমণস্থলে ফিরে এসে সে দেখে ভীতু মানুষগুলো রক্তাক্ত তালেব মাস্টারকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেনি। তখন সে পুলিশি ঝামেলার ভয় অগ্রাহ্য করে নিজেই তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। আলোচ্য কবিতায় ফিরোজের এ বৈশিষ্ট্যগুলোর কথাই বলা হয়েছে। দেশ, জাতি ও মানবতার জন্য এ বয়সের তরুণেরাই এগিয়ে যায় সবার আগে। কবি মনে করেন, এ বয়সটি প্রবল উচ্ছ্বাসে ঝুঁকি নেওয়ার উপযোগী। ফিরোজের মাঝেও এই ঝুঁকি নেওয়ার প্রবণতা লক্ষণীয়। সর্বোপরি, 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় বর্ণিত তরুণপ্রাণের ইতিবাচক সকল বৈশিষ্ট্যই ফিরোজের মাঝে বিদ্যমান।
ঘ
উদ্দীপকের মূলভাব 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার মূলভাবের দ্যোতক- আলোচনা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের মূলভাব 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার মূলভাবের দ্যোতক'- উক্তিটি যথার্থ। কেননা উভয়স্থানেই তারুণ্যের যথার্থ স্ফূরণ লক্ষ করা যায়। 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি বয়ঃসন্ধিকালের বৈশিষ্ট্যকে তুলে ধরেছেন। এ সকল বৈশিষ্ট্য ইতিবাচকতায় পরিপূর্ণ। কবির বর্ণনায় নানারকম গুণ ও দক্ষতার লক্ষণ ফুটে উঠেছে এ বয়সের তরুণদের মাঝে। তিনি মনে করেন, এ বয়সের ধর্মই হলো আত্মত্যাগের মহান মন্ত্রে উজ্জীবিত হওয়া। উদ্দীপকের ফিরোজ তালেব মাস্টারকে আক্রমণ করা সন্ত্রাসীদের ধাওয়া করে একজনকে ধরে ফেলতে সক্ষম হয়। তাকে আটক করে চেয়ারম্যানের হাতে তুলে দেয় সে। পরবর্তীতে সে পুলিশি ঝামেলার তোয়াক্কা না করে আহত মাস্টারকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। পাঠ্য কবিতায় কবি তরুণদের যে ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যের কথা বলেছেন তা ফিরোজের মাঝেও বিদ্যমান। তারুণ্যের শক্তিতে ফিরোজ অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। আঠারো বছর বয়স বহু ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যে চিহ্নিত। জড়, নিশ্চল ও প্রথাবদ্ধ জীবনকে পেছনে ফেলে নতুন জীবন রচনার স্বপ্ন, কল্যাণ ও সেবাব্রত, উদ্দীপনা ও সাহসিকতা, চলার দুর্বার গতি- এ সবই আঠারো বছর বয়সের বৈশিষ্ট্য। প্রতিটি তরুণেরই এ সকল বৈশিষ্ট্য ধারণ করা জরুরি। উদ্দীপকের ফিরোজ যেন কবির প্রত্যাশিত বৈশিষ্ট্যের অধিকারী এক তরুণ। সন্ত্রাসী ও পুলিশি ঝামেলার ভয়ে যখন মানবতা পদপিষ্ট হচ্ছিল তখন তারুণ্যদীপ্ত ফিরোজই সেখানে সাহায্যকারীর ভূমিকায় উত্তীর্ণ হয়। ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে থাকা অনেক মানুষের ভিড়ে একজন ফিরোজই অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। আর তাই, উদ্দীপকের ফিরোজের চরিত্রটি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় বর্ণিত সকল তরুণের প্রতিনিধি হয়ে উঠেছে। সুতরাং, আলোচ্য মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

'আমরা চলি সম্মুখপানে কে আমাদের বাঁধবে? রইল যারা পিছুর টানে কাঁদবে তারা কাঁদবে। ছিঁড়ব বাধা রক্ত-পায়ে, চলব ছুটে রৌদ্রে-ছায়ে জড়িয়ে ওরা আপন গায়ে কেবলই ফাঁদ ফাঁদবে।'

Dhaka · 2018

ক
আঠারো বছর বয়স পদাঘাতে কী ভাঙতে চায়?

উত্তর

আঠারো বছর বয়স পদাঘাতে পাথর বাধা ভাঙতে চায়।
খ
'এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য'- এ কথার তাৎপর্য কী?

উত্তর

যেকোনো মহৎ কাজে আঠারো বছর বয়সি তরুণদের আত্মত্যাগী মানসিকতা বোঝাতে কবি আলোচ্য উক্তিটি করেছেন। দেশ, জাতি ও মানবতার জন্য যুগে যুগে তরুণেরাই এগিয়ে এসেছে সবচেয়ে বেশি। সমস্ত বিপদ মোকাবিলায় তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রাণ দিয়েছে দেশ ও জনগণের মুক্তির সংগ্রামে। যেকোনো অন্যায়-অবিচারের প্রতিবাদ করতে এ বয়সের তরুণেরা পিছপা হয় না। তাই কবি বলেছেন, 'এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য।'
গ
উদ্দীপকের ভাবার্থের সাথে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকের সাদৃশ্য লক্ষণীয়? ব্যাখা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত তরুণদের বাধা অতিক্রম করার মানসিকতা 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার ভাবার্থের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে বয়ঃসন্ধিকালের বৈশিষ্ট্যকে তুলে ধরেছেন। এ বয়সি তরুণেরা অসীম সাহস ও আত্মত্যাগের মহান মন্ত্রে উজ্জীবিত। তাই তারা শত আঘাত- সংঘাতের মধ্যেও রক্তশপথ নিয়ে মানুষের কল্যাণে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে। এরা স্থবিরতা, নিশ্চলতা, জরাজীর্ণতাকে অতিক্রম করে দুর্বার গতিতে। তাই আলোচ্য কবিতায় কবি প্রগতি ও অগ্রগতির পথে এ বয়সি তরুণদের পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেছেন। উদ্দীপকের কবি দুরন্ত-দুর্বার যৌবনের প্রশস্তি গাইতে গিয়ে তারুণ্যের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। তিনি তারুণ্যকে অফুরন্ত প্রাণশক্তির আধাররূপে বর্ণনা করেছেন। তারা প্রবল প্রাণশক্তিতে উজ্জীবিত হয়ে সমস্ত বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যেতে পারে অভীষ্ট লক্ষ্যে। এখানে তারুণ্যকে দুর্বার উদ্দীপনা, অপরিসীম ঔদার্য ও অফুরন্ত প্রাণের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। আর তারুণ্যের এসব বৈশিষ্ট্যই 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় সদ্য যৌবনে উত্তীর্ণ তরুণদের মধ্যে কবি প্রত্যক্ষ করেছেন। যৌবনের উদ্দীপনা, সাহসিকতা, দুর্বার গতি ও নতুন জীবন রচনার স্বপ্নের জন্য কবি প্রত্যাশা করেছেন সমস্যাপীড়িত এ দেশে তারুণ্যই যেন জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তি হয়ে দাঁড়ায়। এভাবেই উদ্দীপক ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার ভাবার্থের সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়।
ঘ
উদ্দীপকের বক্তব্য ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার যে ভাবগত মিল রয়েছে তা কোন অর্থে ইতিবাচক? মূল্যায়ন করো।

উত্তর

উদ্দীপক ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় বর্ণিত তারুণ্যের জয়গান ধ্বনিত হওয়ার দিকটি ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যসমৃদ্ধ। 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি আঠারো বছর বয়সকে দুর্বার ও নিভীক বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে, এ বয়সের তরুণেরা সমাজজীবনের নানা বিকার, অসুস্থতা ও সর্বনাশের অভিঘাতকে রুখে দিতে পারে। এ জন্য কবি আঠারো বছর বয়সকে অদম্য প্রাণশক্তি ও দুর্বার সাহসিকতার প্রতীকরূপে তুলে ধরেছেন। উদ্দীপকে বলা হয়েছে তরুণেরা দুর্বার উদ্দীপনায় সকল প্রতিবন্ধকতা খুব সহজেই পেরিয়ে যেতে পারে। কোনো অশুভশক্তিই তাদের চলার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না। অর্থাৎ, তরুণদের আছে বাধা পেরিয়ে যাওয়ার মতো প্রবল প্রাণশক্তি। সেই শক্তি ও সাহসের বলেই তারা সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম। 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় ঠিক একই চেতনার বহিঃপ্রকাশ লক্ষ করা যায়। 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় বলা হয়েছে, এ বয়সের আছে সমস্ত দুর্যোগ আর দুর্বিপাক মোকাবিলা করার অদম্য শক্তি। কবি তাই সমস্যাপীড়িত এ দেশে আঠারোর তারুণ্যকে প্রত্যাশা করেছেন। অর্থাৎ, আলোচ্য কবিতা ও উদ্দীপকের কবিতাংশ উভয় ক্ষেত্রেই সমাজজীবনের ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। পাঠ্য কবিতার কবি প্রত্যাশা করেছেন আঠারো বছর বয়সি তরুণেরা যেন দেশের চালিকাশক্তি হয়ে দাঁড়ায়। আর উদ্দীপকের কবিতাংশে সেই ভাবকে সমর্থন করেই কবি বলেছেন, তরুণেরা সকল বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যাক মুক্তজীবনের পথে। এ মুক্তজীবন নিশ্চিতভাবেই ইতিবাচক। সুতরাং, উভয় কবিতায় তারুণ্যের প্রশস্তি ইতিবাচক হয়ে ধরা দিয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

'আমরা চলি সম্মুখপানে কে আমাদের বাঁধবে? রইল যারা পিছুর টানে কাঁদবে তারা কাঁদবে। ছিঁড়ব বাধা রক্ত-পায়ে, চলব ছুটে রৌদ্রে-ছায়ে জড়িয়ে ওরা আপন গায়ে কেবলই ফাঁদ ফাঁদবে।'

Dhaka · 2018

ক
আঠারো বছর বয়স পদাঘাতে কী ভাঙতে চায়?

উত্তর

আঠারো বছর বয়স পদাঘাতে পাথর বাধা ভাঙতে চায়।
খ
'এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য'- এ কথার তাৎপর্য কী?

উত্তর

যেকোনো মহৎ কাজে আঠারো বছর বয়সি তরুণদের আত্মত্যাগী মানসিকতা বোঝাতে কবি আলোচ্য উক্তিটি করেছেন। দেশ, জাতি ও মানবতার জন্য যুগে যুগে তরুণেরাই এগিয়ে এসেছে সবচেয়ে বেশি। সমস্ত বিপদ মোকাবিলায় তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রাণ দিয়েছে দেশ ও জনগণের মুক্তির সংগ্রামে। যেকোনো অন্যায়-অবিচারের প্রতিবাদ করতে এ বয়সের তরুণেরা পিছপা হয় না। তাই কবি বলেছেন, 'এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য।'
গ
উদ্দীপকের ভাবার্থের সাথে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকের সাদৃশ্য লক্ষণীয়? ব্যাখা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত তরুণদের বাধা অতিক্রম করার মানসিকতা 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার ভাবার্থের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে বয়ঃসন্ধিকালের বৈশিষ্ট্যকে তুলে ধরেছেন। এ বয়সি তরুণেরা অসীম সাহস ও আত্মত্যাগের মহান মন্ত্রে উজ্জীবিত। তাই তারা শত আঘাত- সংঘাতের মধ্যেও রক্তশপথ নিয়ে মানুষের কল্যাণে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে। এরা স্থবিরতা, নিশ্চলতা, জরাজীর্ণতাকে অতিক্রম করে দুর্বার গতিতে। তাই আলোচ্য কবিতায় কবি প্রগতি ও অগ্রগতির পথে এ বয়সি তরুণদের পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেছেন। উদ্দীপকের কবি দুরন্ত-দুর্বার যৌবনের প্রশস্তি গাইতে গিয়ে তারুণ্যের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। তিনি তারুণ্যকে অফুরন্ত প্রাণশক্তির আধাররূপে বর্ণনা করেছেন। তারা প্রবল প্রাণশক্তিতে উজ্জীবিত হয়ে সমস্ত বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যেতে পারে অভীষ্ট লক্ষ্যে। এখানে তারুণ্যকে দুর্বার উদ্দীপনা, অপরিসীম ঔদার্য ও অফুরন্ত প্রাণের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। আর তারুণ্যের এসব বৈশিষ্ট্যই 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় সদ্য যৌবনে উত্তীর্ণ তরুণদের মধ্যে কবি প্রত্যক্ষ করেছেন। যৌবনের উদ্দীপনা, সাহসিকতা, দুর্বার গতি ও নতুন জীবন রচনার স্বপ্নের জন্য কবি প্রত্যাশা করেছেন সমস্যাপীড়িত এ দেশে তারুণ্যই যেন জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তি হয়ে দাঁড়ায়। এভাবেই উদ্দীপক ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার ভাবার্থের সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়।
ঘ
উদ্দীপকের বক্তব্য ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার যে ভাবগত মিল রয়েছে তা কোন অর্থে ইতিবাচক? মূল্যায়ন করো।

উত্তর

উদ্দীপক ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় বর্ণিত তারুণ্যের জয়গান ধ্বনিত হওয়ার দিকটি ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যসমৃদ্ধ। 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি আঠারো বছর বয়সকে দুর্বার ও নিভীক বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে, এ বয়সের তরুণেরা সমাজজীবনের নানা বিকার, অসুস্থতা ও সর্বনাশের অভিঘাতকে রুখে দিতে পারে। এ জন্য কবি আঠারো বছর বয়সকে অদম্য প্রাণশক্তি ও দুর্বার সাহসিকতার প্রতীকরূপে তুলে ধরেছেন। উদ্দীপকে বলা হয়েছে তরুণেরা দুর্বার উদ্দীপনায় সকল প্রতিবন্ধকতা খুব সহজেই পেরিয়ে যেতে পারে। কোনো অশুভশক্তিই তাদের চলার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না। অর্থাৎ, তরুণদের আছে বাধা পেরিয়ে যাওয়ার মতো প্রবল প্রাণশক্তি। সেই শক্তি ও সাহসের বলেই তারা সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম। 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় ঠিক একই চেতনার বহিঃপ্রকাশ লক্ষ করা যায়। 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় বলা হয়েছে, এ বয়সের আছে সমস্ত দুর্যোগ আর দুর্বিপাক মোকাবিলা করার অদম্য শক্তি। কবি তাই সমস্যাপীড়িত এ দেশে আঠারোর তারুণ্যকে প্রত্যাশা করেছেন। অর্থাৎ, আলোচ্য কবিতা ও উদ্দীপকের কবিতাংশ উভয় ক্ষেত্রেই সমাজজীবনের ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। পাঠ্য কবিতার কবি প্রত্যাশা করেছেন আঠারো বছর বয়সি তরুণেরা যেন দেশের চালিকাশক্তি হয়ে দাঁড়ায়। আর উদ্দীপকের কবিতাংশে সেই ভাবকে সমর্থন করেই কবি বলেছেন, তরুণেরা সকল বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যাক মুক্তজীবনের পথে। এ মুক্তজীবন নিশ্চিতভাবেই ইতিবাচক। সুতরাং, উভয় কবিতায় তারুণ্যের প্রশস্তি ইতিবাচক হয়ে ধরা দিয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো