কবিতা : প্রতিদান Bangla 1st Paper

HSC Bangla 1st Paper এর কবিতা : প্রতিদান অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

১৮৩

প্রশ্ন

Bangla 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নদী কভু পান নাহি করে নিজ জল, তরুগণ নাহি খায় নিজ নিজ ফল। গাভী কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পান, কাষ্ঠ, দগ্ধ হয়ে করে পরে অন্ন দান। স্বর্ণ করে নিজ রূপে অপরে শোভিত, বংশী করে নিজ স্বরে অপরে মোহিত। শস্য জন্মাইয়া নাহি খায় জলধরে, সাধুর ঐশ্বর্য শুধু পরহিত তরে।

Mymensingh · 2022

ক
'নকশী কাঁথার মাঠ' কী ধরনের রচনা?

উত্তর

'নকশি কাঁথার মাঠ' একটি কাব্যগ্রন্থ।
খ
'কাঁটা পেয়ে তারে ফুল করি দান সারাটি জনম-ভর'- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

কবি অনিষ্ঠকারীর উপকার করতে চান বলে কাঁটার বিনিময়ে ফুল দান করে। কবি বিশ্বাস করেন অনিষ্টকারীকে কেবল ক্ষমা করেই নয়, বরং প্রতিদান হিসেবে তার উপকার করার মাধ্যমে পৃথিবীকে সুন্দর করা সম্ভব।বর্তমানে মানুষ একে অন্যের ক্ষতি করতে ব্যস্ত।যদি মানুষ একে অপরের ক্ষতি না করে ভালো চাইতো তাহলে পৃথিবী সুন্দর হতো।কবিতায় পৃথিবীকে সুন্দর করতে কবি অনিষ্ঠকারীকেও ফুল দিতে চেয়েছেন, মঙ্গল সাধন করতে চেয়েছেন।
গ
উদ্দীপকে 'প্রতিদান' কবিতার যে দিকটি প্রকাশিত হয়েছে তা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে 'প্রতিদান' কবিতার অন্যের জন্য আত্মনিবেদনে দিকটি প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিদান কবিতায় কবি নিজের স্বার্থ অপরের কল্যাণে আত্মনিবেদন করেছেন।তিনি তার যারা ক্ষতি করেছেন তার ক্ষতি না করে তার উপকার করতে চেয়েছেন। কবি মনে করেন প্রতিশোধ প্রতিহিংসার বিপরীতে ভালোবাসায় পারে পৃথিবীকে সুন্দর ও নিরাপদ করতে। আর তাই তিনি তাঁর শত্রুর প্রতি ভালোবাসার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। উদ্দীপকে পরার্থপরতার বিভিন্ন প্রাকৃতিক অনুষঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে। প্রকৃতির প্রতিটি উপাদান— নদী, গাছ, গাভী, কাঠ, স্বর্ণ, বাঁশি, মেঘ সবকিছুই পরের কল্যাণে নিজেকে সর্বদা উৎসর্গ করে দেয়। পরহিতব্রতে জীবনের সার্থকতা নিহিত। প্রকৃতির এ উদারচিত্তের পরিচয় দেখে মহৎপ্রাণ ব্যক্তিরাও পরের কল্যাণে নিজেকে বিলিয়ে দেন।উদ্দীপকের এর মাঝে আত্মনিবেদনের স্বরূপ আমরা প্রতিদান কবিতার কবির মাঝেও দেখি। কবি মনে করেন, পরের কল্যাণে নিজেকে নিবেদিত করতে পারলেই সমাজ হয়ে উঠবে সুন্দর। আর এখানে উদ্দীপকের সঙ্গে আলোচ্য কবিতার সাদৃশ্য।
ঘ
“উদ্দীপকের সাধুজন 'প্রতিদান' কবিতার কবির কাক্ষিত মানুষ”- উক্তিটির সত্যতা যাচাই কর।

উত্তর

পরার্থে আত্মনিবেদন করার দিকটি উঠে আসায় উদ্দীপকের সাধুজন প্রতিদান কবিতার কবির কাঙ্খিত মানুষ হয়ে উঠেছেন। প্রতিদান কবিতায় ক্ষমাশীলতা,উদারতা ও সহনশীলতার দৃষ্টান্ত ফুটে উঠেছে।কবি সমাজে হানাহানি হিংসা বিদ্বেষের বিপরীতে প্রীতিময় পরিবেশের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন। কবি মনে করেন পরের উপকার করার মধ্য দিয়ে মানুষের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করলেই তাঁর প্রত্যাশা পূরণ হবে। তাঁর কাছে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কই পরম সত্য। উদ্দীপকের কবিতাংশের কবি নানা উদাহরণের মাধ্যমে বুঝাতে চেয়েছেন সাধুর ঐশ্বর্য নির্ভর করে তার পরার্থপরতায়। প্রকৃতির প্রতিটি উপাদান— নদী, গাছ, গাভী, কাঠ, স্বর্ণ, বাঁশি, মেঘ সবকিছুই পরের কল্যাণে নিজেকে সর্বদা উৎসর্গ করে দেয়। পরহিতব্রতে জীবনের সার্থকতা নিহিত। প্রতিদান কবিতায় যেমন অপরের কল্যাণে কথা বলেছেন, তেমনি উদ্দীপকের কবিতাংশেও সাধুর মতো অপরের কল্যাণ করার কথা বলা হয়েছে। অপরের কল্যাণে আত্মনিবেদনের মধ্যে যে মানব জীবনের সার্থকতা নিহিত তিনি সাধুর মাধ্যমে দেখাতে চেয়েছেন। আর এই বিষয়টি আলোচ্য কবিতার প্রদান বিষয়। এই বিবেচনায় উদ্দীপকের সাধুজন আলোচ্য কবিতার কবির কাঙ্খিত মানুষ হয়ে উঠেছেন।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নদী কভু পান নাহি করে নিজ জল, তরুগণ নাহি খায় নিজ নিজ ফল। গাভী কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পান, কাষ্ঠ, দগ্ধ হয়ে করে পরে অন্ন দান। স্বর্ণ করে নিজ রূপে অপরে শোভিত, বংশী করে নিজ স্বরে অপরে মোহিত। শস্য জন্মাইয়া নাহি খায় জলধরে, সাধুর ঐশ্বর্য শুধু পরহিত তরে।

Mymensingh · 2022

ক
'নকশী কাঁথার মাঠ' কী ধরনের রচনা?

উত্তর

'নকশি কাঁথার মাঠ' একটি কাব্যগ্রন্থ।
খ
'কাঁটা পেয়ে তারে ফুল করি দান সারাটি জনম-ভর'- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

কবি অনিষ্ঠকারীর উপকার করতে চান বলে কাঁটার বিনিময়ে ফুল দান করে। কবি বিশ্বাস করেন অনিষ্টকারীকে কেবল ক্ষমা করেই নয়, বরং প্রতিদান হিসেবে তার উপকার করার মাধ্যমে পৃথিবীকে সুন্দর করা সম্ভব।বর্তমানে মানুষ একে অন্যের ক্ষতি করতে ব্যস্ত।যদি মানুষ একে অপরের ক্ষতি না করে ভালো চাইতো তাহলে পৃথিবী সুন্দর হতো।কবিতায় পৃথিবীকে সুন্দর করতে কবি অনিষ্ঠকারীকেও ফুল দিতে চেয়েছেন, মঙ্গল সাধন করতে চেয়েছেন।
গ
উদ্দীপকে 'প্রতিদান' কবিতার যে দিকটি প্রকাশিত হয়েছে তা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে 'প্রতিদান' কবিতার অন্যের জন্য আত্মনিবেদনে দিকটি প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিদান কবিতায় কবি নিজের স্বার্থ অপরের কল্যাণে আত্মনিবেদন করেছেন।তিনি তার যারা ক্ষতি করেছেন তার ক্ষতি না করে তার উপকার করতে চেয়েছেন। কবি মনে করেন প্রতিশোধ প্রতিহিংসার বিপরীতে ভালোবাসায় পারে পৃথিবীকে সুন্দর ও নিরাপদ করতে। আর তাই তিনি তাঁর শত্রুর প্রতি ভালোবাসার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। উদ্দীপকে পরার্থপরতার বিভিন্ন প্রাকৃতিক অনুষঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে। প্রকৃতির প্রতিটি উপাদান— নদী, গাছ, গাভী, কাঠ, স্বর্ণ, বাঁশি, মেঘ সবকিছুই পরের কল্যাণে নিজেকে সর্বদা উৎসর্গ করে দেয়। পরহিতব্রতে জীবনের সার্থকতা নিহিত। প্রকৃতির এ উদারচিত্তের পরিচয় দেখে মহৎপ্রাণ ব্যক্তিরাও পরের কল্যাণে নিজেকে বিলিয়ে দেন।উদ্দীপকের এর মাঝে আত্মনিবেদনের স্বরূপ আমরা প্রতিদান কবিতার কবির মাঝেও দেখি। কবি মনে করেন, পরের কল্যাণে নিজেকে নিবেদিত করতে পারলেই সমাজ হয়ে উঠবে সুন্দর। আর এখানে উদ্দীপকের সঙ্গে আলোচ্য কবিতার সাদৃশ্য।
ঘ
“উদ্দীপকের সাধুজন 'প্রতিদান' কবিতার কবির কাক্ষিত মানুষ”- উক্তিটির সত্যতা যাচাই কর।

উত্তর

পরার্থে আত্মনিবেদন করার দিকটি উঠে আসায় উদ্দীপকের সাধুজন প্রতিদান কবিতার কবির কাঙ্খিত মানুষ হয়ে উঠেছেন। প্রতিদান কবিতায় ক্ষমাশীলতা,উদারতা ও সহনশীলতার দৃষ্টান্ত ফুটে উঠেছে।কবি সমাজে হানাহানি হিংসা বিদ্বেষের বিপরীতে প্রীতিময় পরিবেশের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন। কবি মনে করেন পরের উপকার করার মধ্য দিয়ে মানুষের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করলেই তাঁর প্রত্যাশা পূরণ হবে। তাঁর কাছে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কই পরম সত্য। উদ্দীপকের কবিতাংশের কবি নানা উদাহরণের মাধ্যমে বুঝাতে চেয়েছেন সাধুর ঐশ্বর্য নির্ভর করে তার পরার্থপরতায়। প্রকৃতির প্রতিটি উপাদান— নদী, গাছ, গাভী, কাঠ, স্বর্ণ, বাঁশি, মেঘ সবকিছুই পরের কল্যাণে নিজেকে সর্বদা উৎসর্গ করে দেয়। পরহিতব্রতে জীবনের সার্থকতা নিহিত। প্রতিদান কবিতায় যেমন অপরের কল্যাণে কথা বলেছেন, তেমনি উদ্দীপকের কবিতাংশেও সাধুর মতো অপরের কল্যাণ করার কথা বলা হয়েছে। অপরের কল্যাণে আত্মনিবেদনের মধ্যে যে মানব জীবনের সার্থকতা নিহিত তিনি সাধুর মাধ্যমে দেখাতে চেয়েছেন। আর এই বিষয়টি আলোচ্য কবিতার প্রদান বিষয়। এই বিবেচনায় উদ্দীপকের সাধুজন আলোচ্য কবিতার কবির কাঙ্খিত মানুষ হয়ে উঠেছেন।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মালেকের ঘর তালেব পুড়িয়ে দেয়। মালেক প্রতিশোধ নেয়ার জন্য তৎপর হয়। কিন্তু পরে তার এই স্পৃহা পরিবর্তিত হয়। তাকে ক্ষমা করে দেয়। এতে তালেব খুশি হয়ে মালেকের নতুন ঘর বেঁধে দেয়।

Rajshahi · 2023

ক
'প্রতিদান' শব্দের অর্থ কী?

উত্তর

'প্রতিদান' শব্দের অর্থ প্রত্যর্পণ।
খ
কবি দীঘল রজনী জেগে থাকেন কেন?

উত্তর

কবির ঘুম যে কেড়ে নিয়েছে কবি তার জন্য দীঘল রজনী জেগে থাকেন। কবি একজন উদার, মহৎ ও সুন্দর হৃদয়ের মানুষ। পরার্থপরতা তাঁর অন্যতম প্রধান গুণ। সব মানুষের জন্যই তাঁর প্রাণ কাঁদে। তাই তো দীর্ঘ রাত কবি জেগে থাকেন। তিনি তার জন্য জেগে থাকেন, যে ব্যক্তি তার ঘুম হরণ করেছে। অর্থাৎ কষ্ট পেলেও কবি বুক ভরা ভালোবাসা দিয়ে তাকে আগলে রাখেন, যে কবির ক্ষতি করেছে। তাই কবি বলেছেন, 'দীঘল রজনী তার তরে জাগি ঘুম যে হরেছে মোর।'
গ
উদ্দীপকে মালেকের সঙ্গে 'প্রতিদান' কবিতার সাদৃশ্য কতটুকু? আলোচনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে মালেকের সঙ্গে 'প্রতিদান' কবিতার ক্ষমাপরায়নতার দিক থেকে সাদৃশ্য রয়েছে। 'প্রতিদান' কবিতায় সমাজ-সংসারে বিদ্যমান বিভেদ-হিংসা-হানাহানি দ্বারা আক্রান্ত হওয়া সত্ত্বেও কবির কণ্ঠে প্রতিশোধ-প্রতিহিংসার বিপরীতে ব্যক্ত ত হয়েছে প্রীতিময় এক পরিবেশ সৃষ্টির আকাঙ্ক্ষা। কবি অনিষ্টকারীকে কেবল ং ক্ষমা করেই ক্ষান্ত হননি, বরং প্রতিদান দিয়েছেন তার উপকার করে। উদ্দীপকের মালেকের ঘর তালেব পুড়িয়ে ফেললেও মালেক প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়েও নিজেকে সংবরণ করে তালেবের কোন ক্ষতি করেনি। বরং তাকে ক্ষমা করে দিয়েছে। তবে সে প্রতিদান কবিতার লেখকের মত তালেবের উপকার করেনি। তাই বলা যায়, 'প্রতিদান' কবিতার মত ক্ষমাপরায়ন মন মানসিকতার দিক থেকে উদ্দীপকের মালেকের সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়।
ঘ
“উদ্দীপকের চেতনা এবং 'প্রতিদান' কবিতার মর্মকথা প্রায় একই।”—তুমি কি মনে কর? সপক্ষে যুক্তি দাও ।

উত্তর

“উদ্দীপকের চেতনা এবং 'প্রতিদান' কবিতার মর্মকথা প্রায় একই।” - উক্তিটি সত্যি বলে আমি মনে করি। 'প্রতিদান' কবিতায় কবি পরার্থপরতার মধ্য দিয়ে মানুষের জন্য নিজেকে নিবেদন করেছেন। তিনি সমাজে বিদ্যমান বিভেদ-হিংসা-হানাহানিতে বিশ্বাস করেন না। তাঁর কাছে ভালোবাসাই পরম সত্য। তাই তিনি অনিষ্টকারীকেও দ্বিধাহীনভাবে ক্ষমা করেছেন। অনিষ্টকারীর উপকার করে মহৎ মনের পরিচয় দিয়েছেন। তাঁর বিশ্বাস, ভালোবাসাই পারে পৃথিবীকে সুন্দর ও নিরাপদ বাসস্থানে পরিণত করতে। তেমনি উদ্দীপকে মালেকের ঘর তালেব পুড়িয়ে দেয়ার পর মালেক প্রতিশোধ নেয়ার জন্য তৎপর হয়। কিন্তু পরে তার এই স্পৃহা পরিবর্তিত হলে তাকে ক্ষমা করে দেয়। এতে তালেব খুশি হয়ে মালেকের নতুন ঘর বেঁধে দেয়। এমন মনোভাবই 'প্রতিদান' কবিতার মূলকথা। 'প্রতিদান' কবিতায় কবির ভাবনায় স্বার্থহীন মহান হৃদয়ের সন্ধান পাওয়া যায়, যে সহজেই অনিষ্টকারীকে ক্ষমা করে তাকে আপন করতে পারে। তেমনি মালেক ও তালেবকে আপন করে নিয়েছে। তাই বলা যায়, "উদ্দীপকের চেতনা এবং 'প্রতিদান' কবিতার মর্মকথা প্রায় একই।" - উক্তিটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মালেকের ঘর তালেব পুড়িয়ে দেয়। মালেক প্রতিশোধ নেয়ার জন্য তৎপর হয়। কিন্তু পরে তার এই স্পৃহা পরিবর্তিত হয়। তাকে ক্ষমা করে দেয়। এতে তালেব খুশি হয়ে মালেকের নতুন ঘর বেঁধে দেয়।

Rajshahi · 2023

ক
'প্রতিদান' শব্দের অর্থ কী?

উত্তর

'প্রতিদান' শব্দের অর্থ প্রত্যর্পণ।
খ
কবি দীঘল রজনী জেগে থাকেন কেন?

উত্তর

কবির ঘুম যে কেড়ে নিয়েছে কবি তার জন্য দীঘল রজনী জেগে থাকেন। কবি একজন উদার, মহৎ ও সুন্দর হৃদয়ের মানুষ। পরার্থপরতা তাঁর অন্যতম প্রধান গুণ। সব মানুষের জন্যই তাঁর প্রাণ কাঁদে। তাই তো দীর্ঘ রাত কবি জেগে থাকেন। তিনি তার জন্য জেগে থাকেন, যে ব্যক্তি তার ঘুম হরণ করেছে। অর্থাৎ কষ্ট পেলেও কবি বুক ভরা ভালোবাসা দিয়ে তাকে আগলে রাখেন, যে কবির ক্ষতি করেছে। তাই কবি বলেছেন, 'দীঘল রজনী তার তরে জাগি ঘুম যে হরেছে মোর।'
গ
উদ্দীপকে মালেকের সঙ্গে 'প্রতিদান' কবিতার সাদৃশ্য কতটুকু? আলোচনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে মালেকের সঙ্গে 'প্রতিদান' কবিতার ক্ষমাপরায়নতার দিক থেকে সাদৃশ্য রয়েছে। 'প্রতিদান' কবিতায় সমাজ-সংসারে বিদ্যমান বিভেদ-হিংসা-হানাহানি দ্বারা আক্রান্ত হওয়া সত্ত্বেও কবির কণ্ঠে প্রতিশোধ-প্রতিহিংসার বিপরীতে ব্যক্ত ত হয়েছে প্রীতিময় এক পরিবেশ সৃষ্টির আকাঙ্ক্ষা। কবি অনিষ্টকারীকে কেবল ং ক্ষমা করেই ক্ষান্ত হননি, বরং প্রতিদান দিয়েছেন তার উপকার করে। উদ্দীপকের মালেকের ঘর তালেব পুড়িয়ে ফেললেও মালেক প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়েও নিজেকে সংবরণ করে তালেবের কোন ক্ষতি করেনি। বরং তাকে ক্ষমা করে দিয়েছে। তবে সে প্রতিদান কবিতার লেখকের মত তালেবের উপকার করেনি। তাই বলা যায়, 'প্রতিদান' কবিতার মত ক্ষমাপরায়ন মন মানসিকতার দিক থেকে উদ্দীপকের মালেকের সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়।
ঘ
“উদ্দীপকের চেতনা এবং 'প্রতিদান' কবিতার মর্মকথা প্রায় একই।”—তুমি কি মনে কর? সপক্ষে যুক্তি দাও ।

উত্তর

“উদ্দীপকের চেতনা এবং 'প্রতিদান' কবিতার মর্মকথা প্রায় একই।” - উক্তিটি সত্যি বলে আমি মনে করি। 'প্রতিদান' কবিতায় কবি পরার্থপরতার মধ্য দিয়ে মানুষের জন্য নিজেকে নিবেদন করেছেন। তিনি সমাজে বিদ্যমান বিভেদ-হিংসা-হানাহানিতে বিশ্বাস করেন না। তাঁর কাছে ভালোবাসাই পরম সত্য। তাই তিনি অনিষ্টকারীকেও দ্বিধাহীনভাবে ক্ষমা করেছেন। অনিষ্টকারীর উপকার করে মহৎ মনের পরিচয় দিয়েছেন। তাঁর বিশ্বাস, ভালোবাসাই পারে পৃথিবীকে সুন্দর ও নিরাপদ বাসস্থানে পরিণত করতে। তেমনি উদ্দীপকে মালেকের ঘর তালেব পুড়িয়ে দেয়ার পর মালেক প্রতিশোধ নেয়ার জন্য তৎপর হয়। কিন্তু পরে তার এই স্পৃহা পরিবর্তিত হলে তাকে ক্ষমা করে দেয়। এতে তালেব খুশি হয়ে মালেকের নতুন ঘর বেঁধে দেয়। এমন মনোভাবই 'প্রতিদান' কবিতার মূলকথা। 'প্রতিদান' কবিতায় কবির ভাবনায় স্বার্থহীন মহান হৃদয়ের সন্ধান পাওয়া যায়, যে সহজেই অনিষ্টকারীকে ক্ষমা করে তাকে আপন করতে পারে। তেমনি মালেক ও তালেবকে আপন করে নিয়েছে। তাই বলা যায়, "উদ্দীপকের চেতনা এবং 'প্রতিদান' কবিতার মর্মকথা প্রায় একই।" - উক্তিটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নদী কভু পান নাহি করে নিজ জল, তরুগণ নাহি খায় নিজ নিজ ফল। ।গাভী কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পান। কাষ্ঠ-দগ্ধ হয়ে করে পরে অনুদান । স্বর্ণ করে নিজ রূপে অপরে শোভিত, বংশী করে নিজ সুরে অপরে মোহিত। শস্য জন্মাইয়া নাহি খায় জল ধরে সাধুর ঐশ্বর্য শুধু পরহিত তরে।

Mymensingh · 2023

ক
'মালঞ্চ' অর্থ কী?

উত্তর

'মালঞ্চ' শব্দের অর্থ ফুলের বাগান।
খ
কবি কেন অনিষ্টকারীর জন্য দীঘল রজনী জেগে থাকেন?

উত্তর

কবির অনিষ্টকারীর জন্য কবি দীঘল রজনী জেগে থাকেন কারণ - কবি একজন উদার, মহৎ ও সুন্দর হৃদয়ের মানুষ। পরার্থপরতা তাঁর অন্যতম প্রধান গুণ। সব মানুষের জন্যই তাঁর প্রাণ কাঁদে। তাই তো দীর্ঘ রাত কবি জেগে থাকেন। তিনি তার জন্য জেগে থাকেন, যে ব্যক্তি তার ঘুম হরণ করেছে। অর্থাৎ কষ্ট পেলেও কবি বুক ভরা ভালোবাসা দিয়ে তাকে আগলে রাখেন, যে কবির অনিষ্ট করেছে।
গ
উদ্দীপকে 'প্রতিদান' কবিতার কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? আলোচনা কর ।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রতিদান কবিতার যে দিকটি প্রকাশিত হয়েছে তা হল ব্যক্তিস্বার্থ বিসর্জন দিয়ে নিজেকে নিবেদন করা। প্রতিদান কবিতায় কবির পরার্থপর চেতনার প্রকাশ ঘটেছে। যে কবিকে বিষে ভরা বাণ দিয়েছে, কবি তাকে বুক ভরা গান দিতে চেয়েছেন, কাটা পেয়ে তিনি ফুল দান করতে চেয়েছেন। তিনি বুঝিয়েছেন, পরার্থপরতাই জীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্য। অপরের স্বার্থে আত্মবিসর্জনকারী ব্যক্তিই প্রকৃত সুখী ব্যক্তি। নিজের সকল স্বার্থকে বিসর্জন দিয়ে নিজেকে অন্যের জন্য নিবেদন করাই প্রকৃত মনুষ্যত্ব। উদ্দীপকে আমরা দেখি নদা কখনো নিজের জল পান করেনা। নদীর জল পান করে পথিক বা লোকজন তৃপ্ত হয়। বৃক্ষ কখনো নিজের ফল খায়না। অন্যরা সে ফলের স্বাদ গ্রহণ করে। ঠিক একইভাবে গাভী যেমন নিজের দুধ পান করেনা তেমনি স্বর্ণ নিজের কপকে শোভিত করে না। এরা নিজেকে উৎসর্গ করে দিয়েছে অপরের জন্য। পরার্থপরতার মাধ্যমেই এরা জীবনের প্রকৃত সুখ খুঁজে পায়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে প্রতিদান কবিতার যে দিকটি প্রকাশিত হয়েছে তা হল ব্যক্তিস্বার্থ বিসর্জন দিয়ে নিজেকে নিবেদন করা।
ঘ
“উদ্দীপকের 'সাধু' ' প্রতিদান' কবিতার কবির আদর্শ”- মন্তব্যটি মূল্যায়ন কর।

উত্তর

উদ্দীপকে 'সাধু' 'প্রতিদান' কবিতায় কবির কাঙ্খিত মানুষ" - উক্তিটি যথার্থ। প্রতিদান কবিতায় কবি সমাজ সংসারে বিদ্যমান হিংসা বিভেদ, বৈষম্য, প্রতিশোধ আর প্রতিহিংসা দূর করতে চেয়েছেন, সুন্দর সমাজ তৈরি করতে চেয়েছেন। তার প্রতি কেউ অন্যায়, অবিচার আর হিংসা করলেও তিনি তাকে বুকে টেনে নেন। কারণ তিনি সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের পৃথিবী প্রত্যাশা করেন। কবি সমাজের সকল মানুষকে এই সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের পথে আসার আহ্বান করেছেন। এমন একজন মানুষ হয়ে গড়ে উঠতে চেয়েছেন যার প্রাপ্তিতে নয়, বরং পরোপকারের মাধ্যমে প্রকৃত সুখ অনুভূত হয়। উদ্দীপকের 'সাধু' এমনই একজন ব্যক্তি। যার ঐশ্বর্য শুধুমাত্র অন্যের উপকার করে। যিনি পরের উপকারে নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। যার সৌন্দর্য প্রকাশ পায় পরের উপকার করে। এ সৌন্দর্য সত্য এবং সুন্দর। কল্যাণময় পৃথিবী রচনায় যার কোনো তুলনা হয় না। অতএব এ থেকে বুঝা যায় যে, উদ্দীপকে 'সাধু' 'প্রতিদান' কবিতায় কবির কাঙ্খিত মানুষ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নদী কভু পান নাহি করে নিজ জল, তরুগণ নাহি খায় নিজ নিজ ফল। ।গাভী কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পান। কাষ্ঠ-দগ্ধ হয়ে করে পরে অনুদান । স্বর্ণ করে নিজ রূপে অপরে শোভিত, বংশী করে নিজ সুরে অপরে মোহিত। শস্য জন্মাইয়া নাহি খায় জল ধরে সাধুর ঐশ্বর্য শুধু পরহিত তরে।

Mymensingh · 2023

ক
'মালঞ্চ' অর্থ কী?

উত্তর

'মালঞ্চ' শব্দের অর্থ ফুলের বাগান।
খ
কবি কেন অনিষ্টকারীর জন্য দীঘল রজনী জেগে থাকেন?

উত্তর

কবির অনিষ্টকারীর জন্য কবি দীঘল রজনী জেগে থাকেন কারণ - কবি একজন উদার, মহৎ ও সুন্দর হৃদয়ের মানুষ। পরার্থপরতা তাঁর অন্যতম প্রধান গুণ। সব মানুষের জন্যই তাঁর প্রাণ কাঁদে। তাই তো দীর্ঘ রাত কবি জেগে থাকেন। তিনি তার জন্য জেগে থাকেন, যে ব্যক্তি তার ঘুম হরণ করেছে। অর্থাৎ কষ্ট পেলেও কবি বুক ভরা ভালোবাসা দিয়ে তাকে আগলে রাখেন, যে কবির অনিষ্ট করেছে।
গ
উদ্দীপকে 'প্রতিদান' কবিতার কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? আলোচনা কর ।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রতিদান কবিতার যে দিকটি প্রকাশিত হয়েছে তা হল ব্যক্তিস্বার্থ বিসর্জন দিয়ে নিজেকে নিবেদন করা। প্রতিদান কবিতায় কবির পরার্থপর চেতনার প্রকাশ ঘটেছে। যে কবিকে বিষে ভরা বাণ দিয়েছে, কবি তাকে বুক ভরা গান দিতে চেয়েছেন, কাটা পেয়ে তিনি ফুল দান করতে চেয়েছেন। তিনি বুঝিয়েছেন, পরার্থপরতাই জীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্য। অপরের স্বার্থে আত্মবিসর্জনকারী ব্যক্তিই প্রকৃত সুখী ব্যক্তি। নিজের সকল স্বার্থকে বিসর্জন দিয়ে নিজেকে অন্যের জন্য নিবেদন করাই প্রকৃত মনুষ্যত্ব। উদ্দীপকে আমরা দেখি নদা কখনো নিজের জল পান করেনা। নদীর জল পান করে পথিক বা লোকজন তৃপ্ত হয়। বৃক্ষ কখনো নিজের ফল খায়না। অন্যরা সে ফলের স্বাদ গ্রহণ করে। ঠিক একইভাবে গাভী যেমন নিজের দুধ পান করেনা তেমনি স্বর্ণ নিজের কপকে শোভিত করে না। এরা নিজেকে উৎসর্গ করে দিয়েছে অপরের জন্য। পরার্থপরতার মাধ্যমেই এরা জীবনের প্রকৃত সুখ খুঁজে পায়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে প্রতিদান কবিতার যে দিকটি প্রকাশিত হয়েছে তা হল ব্যক্তিস্বার্থ বিসর্জন দিয়ে নিজেকে নিবেদন করা।
ঘ
“উদ্দীপকের 'সাধু' ' প্রতিদান' কবিতার কবির আদর্শ”- মন্তব্যটি মূল্যায়ন কর।

উত্তর

উদ্দীপকে 'সাধু' 'প্রতিদান' কবিতায় কবির কাঙ্খিত মানুষ" - উক্তিটি যথার্থ। প্রতিদান কবিতায় কবি সমাজ সংসারে বিদ্যমান হিংসা বিভেদ, বৈষম্য, প্রতিশোধ আর প্রতিহিংসা দূর করতে চেয়েছেন, সুন্দর সমাজ তৈরি করতে চেয়েছেন। তার প্রতি কেউ অন্যায়, অবিচার আর হিংসা করলেও তিনি তাকে বুকে টেনে নেন। কারণ তিনি সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের পৃথিবী প্রত্যাশা করেন। কবি সমাজের সকল মানুষকে এই সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের পথে আসার আহ্বান করেছেন। এমন একজন মানুষ হয়ে গড়ে উঠতে চেয়েছেন যার প্রাপ্তিতে নয়, বরং পরোপকারের মাধ্যমে প্রকৃত সুখ অনুভূত হয়। উদ্দীপকের 'সাধু' এমনই একজন ব্যক্তি। যার ঐশ্বর্য শুধুমাত্র অন্যের উপকার করে। যিনি পরের উপকারে নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। যার সৌন্দর্য প্রকাশ পায় পরের উপকার করে। এ সৌন্দর্য সত্য এবং সুন্দর। কল্যাণময় পৃথিবী রচনায় যার কোনো তুলনা হয় না। অতএব এ থেকে বুঝা যায় যে, উদ্দীপকে 'সাধু' 'প্রতিদান' কবিতায় কবির কাঙ্খিত মানুষ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো