গদ্য : নেকলেস Bangla 1st Paper

HSC Bangla 1st Paper এর গদ্য : নেকলেস অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

২৩৬

প্রশ্ন

Bangla 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

বাবুই হাসিয়া কহে- "সন্দেহ কি তায়? কষ্ট পাই, তবু থাকি নিজের বাসায়; পাকা হোক, তবু ভাই, পরের ও বাসা, নিজ হাতে গড়া মোর কাঁচা ঘর, খাসা।"
ক
মাদাম লোইসেলের প্রকৃত নাম কী?

উত্তর

মাদাম লোইসেলের প্রকৃত নাম মাতিলদা।
খ
মাদাম লোইসেল কেন গর্বের ভাষে ও সরল আনন্দে একটু হেসেছিল?

উত্তর

➤ মাদাম লোইসেল মাদাম ফোরস্টিয়ারের দিকে তাকিয়ে গর্বের ভাবে ও সরল আনন্দে একটু হেসেছিল। ➤ মাদাম লোইসেল মাদাম ফোরন্টিয়ারের দিকে দাম ফোরন্টিয়ারের হীরার জড়োয়া সেট পরে গিয়েছিল। ফেরার পথে মাদাম মাদাম লোইসেল বল নৃত্যের অনুষ্ঠানে রমার অনেক খোঁজাখুঁজি করে হারটি না পেয়ে সে ও তার স্বামী সিদ্ধান্ত নেয় যে অনুরূপ লোইসেল সেই হারটি হারিয়ে ফেলে। তা মাদাম ফোরস্টিয়ারের কাছে। তারা অনেক ঋণ করে অনুরূপ একটি হীরার হার একটি তার তারা কিনে ফেরত দেবে ঋণ পরিশোধ করতে মাদাম লোইসেল ঘরের সব কাজকর্ম শিখে নেয় এবং তার স্বাধী কঠোর পারকে ফেরতে দোয়ক এবঅনেক বছর পরে যখন তাদের দুজনের দেখা হয় তখন মাদাম লোইসেল সেই গহনা হারিয়ে কঠোর পরিলায় করতে থাকে। অনেকস্টয়ার সব শুনে অবাক হয় যে তারা এত কষ্ট করে তার হারটি ফিরিয়ে দিয়েছে, তখন মাদাম লোইসেল মাদাম ফোরস্টিয়ারের দিকে তাকিয়ে গর্বের ভাবে ও সরল আনন্দে একটু হেসেছিল। সারকথা: নিজের শ্রমের টাকায় হারানো জিনিসের ক্ষতিপূরণ দিতে পারার আনন্দে মাদাম লোইসেল এভাবে হেসেছিল।
গ
উদ্দীপকের সঙ্গে 'নেকলেস' গল্পের বৈসাদৃশ্য নিরূপণ কর।

উত্তর

➤ উদ্দীপকের সঙ্গে 'নেকলেস' গল্পের মূল্যবোধজনিত বৈসাদৃশ্য রয়েছে। ➤ মানুষের নিজের যা কিছু আছে তাই নিয়েই সন্তুষ্ট থাকা উচিত। নিজের অবস্থানে সন্তুষ্ট থাকতে না পারলে জীবনে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। কারণ না পাওয়ার হতাশা মানুষের সাধারণ সুখটুকুও নষ্ট করে দেয়। তাই নিজের যা কিছু আছে তা নিয়ে সন্তুষ্ট থেকে সামনে এগিয়ে যাওয়া উচিত। ➤ উদ্দীপকের বাবুই পাখি কুঁড়েঘর নিয়ে মোটেই দুঃখিত নয়। বরং নিজ হাতে বানানো বলে তার কাঁচা ঘর নিয়ে সে সন্তুষ্ট। কারণ পাকা হলেও অন্যের বাড়িতে গিয়ে থাকতে হবে, এটা তার পছন্দ নয়। তাই সে নিজের হাতে বানানো ঘরে থাকতেই গর্ব ও স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। 'নেকলেস' গল্পের মাতিলদা নিজের অবস্থানে সন্তুষ্ট ছিল না। সে সবসময় অন্যের সম্পত্তি দেখে কষ্ট পেত, সেও তাদের মতো হতে চাইত। নিজের কোনোকিছু নিয়ে সন্তুষ্ট না থাকতে পেরে সে তার বন্ধুর কাছ থেকে গহনা ধার করে বল নাচের অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। সেই গহনাটি হারিয়ে ফেলায় দশ বছর ধরে সে ও তার স্বামী ঐ গহনা ফেরত দেওয়ার ধার শোধ করে। মাতিলদা যদি নিজের যা ছিল তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকত তাহলে জীবনের দশটি বছর এত কষ্ট আর দুঃখ নিয়ে কাটাতে হতো না। তাই উদ্দীপক ও 'নেকলেস' গল্পের মধ্যে মূল্যবোধজনিত বৈসাদৃশ্য দেখা যায়। সারকথা: নিজের জেদ ও ভুলের জন্য মাতিলদা ও তার স্বামীকে অভাবনীয় দুঃখের মধ্য দিয়ে দিনাতিপাত করতে হয়।
ঘ
উদ্দীপকের বারই চরিত্রের মধ্যের নেকলেস' গল্পের মসিয়ে লোইসেলের প্রতিফলন ঘটেছে।"- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

➤ "উদ্দীপকের বাবুই চরিত্রের মধ্যে 'নেকলেস' গল্পের মসিয়ে লোইসেলের প্রতিফলন ঘটেছে।"- মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ জীবনে উন্নতি ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে যেতে হলে নিজের অবস্থানের ভিতটা শক্ত করে গড়ে তুলতে হয়। সামান্য ভুলের কারণে জীবনে অনেক বড় রকমের বিপর্যয় নেমে আসতে পারে। আর এ বিপর্যয় মেনে নেওয়ার চেয়ে বড় বিষয় হলো সেই বিপর্যয়ের মুখোমুখি হওয়া। তাই জীবনে চলার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। ➤ উদ্দীপকে বাবুই সামান্য হলেও নিজের যা আছে তাই নিয়ে সে ভালো থাকার কথা ব্যক্ত করেছে। বরং নিজের সামান্য ঘরকে সে শৈল্পিকভাবে সাজিয়ে সুন্দর রাখার চেষ্টা করেছে। নিজের যা আছে তাই নিয়ে সন্তুষ্ট থেকেছে। 'নেকলেস' গল্পে মর্সিয়ে লোইসেল নিজের সামান্য কিছু নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে। সে স্ত্রীকে খুশি করতে বল নাচের অনুষ্ঠানের কার্ড জোগাড় করে এবং সাধ্যমতো তাকে সাজানোর চেষ্টা করে। মসিয়ে লোইসেল নিজের যা ছিল তাই নিয়ে খুশি ছিল এবং নিজের স্থানকে সমৃদ্ধ করার চেষ্টা করেছিল। ➤ উদ্দীপকে বাবুই নিজের তৈরি ঘর নিয়েই সন্তুষ্ট থেকেছে আর গল্পেও মসিয়ে লোইসেল নিজের যা আছে তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে চেয়েছে। স্ত্রীকে খুশি রাখার চেষ্টা করেছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের বাবুইর মাঝে 'নেকলেস' গল্পের মসিয়ে লোইসেলের প্রতিফলন ঘটেছে। সারকথা : উদ্দীপকে বাবুই এবং গল্পে মসিয়ে লোইসেল দুজনেই নিজ নিজ অবস্থান সম্পর্কে সচেতন।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

বাবুই হাসিয়া কহে- "সন্দেহ কি তায়? কষ্ট পাই, তবু থাকি নিজের বাসায়; পাকা হোক, তবু ভাই, পরের ও বাসা, নিজ হাতে গড়া মোর কাঁচা ঘর, খাসা।"
ক
মাদাম লোইসেলের প্রকৃত নাম কী?

উত্তর

মাদাম লোইসেলের প্রকৃত নাম মাতিলদা।
খ
মাদাম লোইসেল কেন গর্বের ভাষে ও সরল আনন্দে একটু হেসেছিল?

উত্তর

➤ মাদাম লোইসেল মাদাম ফোরস্টিয়ারের দিকে তাকিয়ে গর্বের ভাবে ও সরল আনন্দে একটু হেসেছিল। ➤ মাদাম লোইসেল মাদাম ফোরন্টিয়ারের দিকে দাম ফোরন্টিয়ারের হীরার জড়োয়া সেট পরে গিয়েছিল। ফেরার পথে মাদাম মাদাম লোইসেল বল নৃত্যের অনুষ্ঠানে রমার অনেক খোঁজাখুঁজি করে হারটি না পেয়ে সে ও তার স্বামী সিদ্ধান্ত নেয় যে অনুরূপ লোইসেল সেই হারটি হারিয়ে ফেলে। তা মাদাম ফোরস্টিয়ারের কাছে। তারা অনেক ঋণ করে অনুরূপ একটি হীরার হার একটি তার তারা কিনে ফেরত দেবে ঋণ পরিশোধ করতে মাদাম লোইসেল ঘরের সব কাজকর্ম শিখে নেয় এবং তার স্বাধী কঠোর পারকে ফেরতে দোয়ক এবঅনেক বছর পরে যখন তাদের দুজনের দেখা হয় তখন মাদাম লোইসেল সেই গহনা হারিয়ে কঠোর পরিলায় করতে থাকে। অনেকস্টয়ার সব শুনে অবাক হয় যে তারা এত কষ্ট করে তার হারটি ফিরিয়ে দিয়েছে, তখন মাদাম লোইসেল মাদাম ফোরস্টিয়ারের দিকে তাকিয়ে গর্বের ভাবে ও সরল আনন্দে একটু হেসেছিল। সারকথা: নিজের শ্রমের টাকায় হারানো জিনিসের ক্ষতিপূরণ দিতে পারার আনন্দে মাদাম লোইসেল এভাবে হেসেছিল।
গ
উদ্দীপকের সঙ্গে 'নেকলেস' গল্পের বৈসাদৃশ্য নিরূপণ কর।

উত্তর

➤ উদ্দীপকের সঙ্গে 'নেকলেস' গল্পের মূল্যবোধজনিত বৈসাদৃশ্য রয়েছে। ➤ মানুষের নিজের যা কিছু আছে তাই নিয়েই সন্তুষ্ট থাকা উচিত। নিজের অবস্থানে সন্তুষ্ট থাকতে না পারলে জীবনে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। কারণ না পাওয়ার হতাশা মানুষের সাধারণ সুখটুকুও নষ্ট করে দেয়। তাই নিজের যা কিছু আছে তা নিয়ে সন্তুষ্ট থেকে সামনে এগিয়ে যাওয়া উচিত। ➤ উদ্দীপকের বাবুই পাখি কুঁড়েঘর নিয়ে মোটেই দুঃখিত নয়। বরং নিজ হাতে বানানো বলে তার কাঁচা ঘর নিয়ে সে সন্তুষ্ট। কারণ পাকা হলেও অন্যের বাড়িতে গিয়ে থাকতে হবে, এটা তার পছন্দ নয়। তাই সে নিজের হাতে বানানো ঘরে থাকতেই গর্ব ও স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। 'নেকলেস' গল্পের মাতিলদা নিজের অবস্থানে সন্তুষ্ট ছিল না। সে সবসময় অন্যের সম্পত্তি দেখে কষ্ট পেত, সেও তাদের মতো হতে চাইত। নিজের কোনোকিছু নিয়ে সন্তুষ্ট না থাকতে পেরে সে তার বন্ধুর কাছ থেকে গহনা ধার করে বল নাচের অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। সেই গহনাটি হারিয়ে ফেলায় দশ বছর ধরে সে ও তার স্বামী ঐ গহনা ফেরত দেওয়ার ধার শোধ করে। মাতিলদা যদি নিজের যা ছিল তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকত তাহলে জীবনের দশটি বছর এত কষ্ট আর দুঃখ নিয়ে কাটাতে হতো না। তাই উদ্দীপক ও 'নেকলেস' গল্পের মধ্যে মূল্যবোধজনিত বৈসাদৃশ্য দেখা যায়। সারকথা: নিজের জেদ ও ভুলের জন্য মাতিলদা ও তার স্বামীকে অভাবনীয় দুঃখের মধ্য দিয়ে দিনাতিপাত করতে হয়।
ঘ
উদ্দীপকের বারই চরিত্রের মধ্যের নেকলেস' গল্পের মসিয়ে লোইসেলের প্রতিফলন ঘটেছে।"- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

➤ "উদ্দীপকের বাবুই চরিত্রের মধ্যে 'নেকলেস' গল্পের মসিয়ে লোইসেলের প্রতিফলন ঘটেছে।"- মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ জীবনে উন্নতি ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে যেতে হলে নিজের অবস্থানের ভিতটা শক্ত করে গড়ে তুলতে হয়। সামান্য ভুলের কারণে জীবনে অনেক বড় রকমের বিপর্যয় নেমে আসতে পারে। আর এ বিপর্যয় মেনে নেওয়ার চেয়ে বড় বিষয় হলো সেই বিপর্যয়ের মুখোমুখি হওয়া। তাই জীবনে চলার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। ➤ উদ্দীপকে বাবুই সামান্য হলেও নিজের যা আছে তাই নিয়ে সে ভালো থাকার কথা ব্যক্ত করেছে। বরং নিজের সামান্য ঘরকে সে শৈল্পিকভাবে সাজিয়ে সুন্দর রাখার চেষ্টা করেছে। নিজের যা আছে তাই নিয়ে সন্তুষ্ট থেকেছে। 'নেকলেস' গল্পে মর্সিয়ে লোইসেল নিজের সামান্য কিছু নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে। সে স্ত্রীকে খুশি করতে বল নাচের অনুষ্ঠানের কার্ড জোগাড় করে এবং সাধ্যমতো তাকে সাজানোর চেষ্টা করে। মসিয়ে লোইসেল নিজের যা ছিল তাই নিয়ে খুশি ছিল এবং নিজের স্থানকে সমৃদ্ধ করার চেষ্টা করেছিল। ➤ উদ্দীপকে বাবুই নিজের তৈরি ঘর নিয়েই সন্তুষ্ট থেকেছে আর গল্পেও মসিয়ে লোইসেল নিজের যা আছে তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে চেয়েছে। স্ত্রীকে খুশি রাখার চেষ্টা করেছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের বাবুইর মাঝে 'নেকলেস' গল্পের মসিয়ে লোইসেলের প্রতিফলন ঘটেছে। সারকথা : উদ্দীপকে বাবুই এবং গল্পে মসিয়ে লোইসেল দুজনেই নিজ নিজ অবস্থান সম্পর্কে সচেতন।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মাখন যেন ভয়ে ভয়েই বলে 'আজ অনেকগুলো টাকা জিতেছি।' নলিনী সাড়া দেয় না। প্রায় সাতশ। নলিনী তবু সাড়া দেয় না। তোমায় একটা গয়না গড়িয়ে দেব- যা চাও।' নলিনী চুপ করিয়া থাকে।... কে চায় তোমার গয়না: একবার কাছে ডাকতে পার না আমায়?
ক
মসিয়ের বন্ধুরা ভরতপাখি শিকারে কোথায় গিয়েছিল?

উত্তর

মসিয়ের বন্ধুরা ভরতপাখি শিকারে নানতিয়ারের সমভূমিতে গিয়েছিল।
খ
'তাই এই অনুষ্ঠানে আমার না যাওয়াই ভালো হবে।'- কে, কেন এ কথা বলেছিল?

উত্তর

➤ 'তাই এই অনুষ্ঠানে আমার না যাওয়াই ভালো হবে।'- এ কথা মাতিলদা বলেছিল তার স্বামীকে। কারণ দামি গহনা না থাকায় ঐ অনুষ্ঠানে যাওয়া তার ভালো মনে হয়নি। ➤ 'নেকলেস' গল্পে মাতিলদার বস্তুগত সম্পদ তথা দামি পোশাক, দামি গহনা প্রভৃতির প্রতি প্রবল আকর্ষণ ছিল। তার স্বামী লোইসেল তার জন্য একটি আমন্ত্রণপত্র নিয়ে আসে। জনশিক্ষা মন্ত্রীর সেই অনুষ্ঠানে অনেক ধনী ব্যক্তি দামি পোশাক পরে এবং তাদের স্ত্রীরা দামি গহনা পরে আসবে ভেবে সে সংকোচবোধ করে। আর তাদের সমকক্ষ হওয়ার জন্য তার প্রয়োজন ভালো পোশাক এবং দামি গহনা। পোশাকের ব্যবস্থা হলেও দামি গহনার ব্যবস্থা সে করতে পারবে না জেনে স্বামীকে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছে। সারকথা: দামি গহনা না থাকার কারণে মাদাম লোইসেল মনে করে যে ঐ অনুষ্ঠানে তার না যাওয়াই ভালো।
গ
উদ্দীপকের নলিনীর সঙ্গে 'নেকলেস' গল্পের মাদাম লোইসেলের বৈসাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ উদ্দীপকের নলিনীর সঙ্গে 'নেকলেস' গল্পের মাতিলদার প্রত্যাশার দিকটি বৈসাদৃশ্যপূর্ণ। ➤ মানুষের চাওয়ার শেষ নেই। একজন যত পায় তত চায়। মানুষের প্রত্যাশা অনুসারে প্রাপ্তি ঘটে না। ফলে না পাওয়ার কষ্ট নিয়ে অনেকেই মানসিক অশান্তিতে ভোগে। আবার অনেকেই অল্পে তুষ্ট থাকে। তাদের জীবন হয় সুখ-শান্তির। ➤ উদ্দীপকে একজন অল্পে তুষ্ট থাকা নারীর কথা বলা হয়েছে। এখানে নলিনী তার স্বামীর কাছে গয়না চায় না, শুধু তার স্নেহ- ভালোবাসা প্রত্যাশা করে। উদ্দীপকের নলিনীর এই প্রত্যাশা 'নেকলেস' গল্পের মাতিলদার প্রত্যাশার সঙ্গে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ। কারণ এ গল্পে মাতিলদা শুরুতে একজন উচ্চাভিলাষী নারী ছিল। সে বিলাসী জীবনযাপনের প্রত্যাশা করত। স্বামীর গভীর ভালোবাসাকে সে প্রথমে অনুভব করতে পারেনি। তার বাসকক্ষের দারিদ্র্য, হতশ্রী দেয়াল, জীর্ণ চেয়ার এবং বিবর্ণ জিনিসপত্রের কারণে সে ব্যথিত হতো। অথচ তার মতো অবস্থার অন্য কোনো মেয়ে এসব জিনিস যদিও লক্ষ করত না, সে এতে দুঃখিত ও ক্রুদ্ধ হতো। তার স্বামী তাকে খুশি করতে শিক্ষামন্ত্রীর অনুষ্ঠানের নিমন্ত্রণপত্র এনে দিলে সে দামি পোশাক ও দামি গহনা না থাকার কথা ভেবে বিরক্ত হয়ে নিমন্ত্রণপত্র ছুড়ে ফেলে দিয়েছে। অথচ উদ্দীপকের নলিনী এসব প্রত্যাশা করেনি। সে শুধু তার স্বামীর ভালোবাসা প্রত্যাশা করেছে। সারকথা: 'নেকলেস' গল্পের মাতিলদার প্রথম জীবনের প্রত্যাশার সঙ্গে উদ্দীপকের নলিনীর প্রত্যাশা বৈসাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ
"উদ্দীপকের মাখন এবং 'নেকলেস' গল্পের লোইসেল দুজন বিপরীত মেরুর মানুষ।"- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

➤ "উদ্দীপকের মাখন এবং 'নেকলেস' গল্পের লোইসেল দুজন বিপরীত মেরুর মানুষ।"- মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ অর্থ-বিত্ত দিয়ে মানুষের মূল্য ও মর্যাদা নির্ণয় করা যায় না। মানুষের প্রতি মানুষের যে অনুরাগ ও ভালোবাসা তা অত্যন্ত মানবিক। সবাই তা যথার্থভাবে উপলব্ধি করতে পারে না। কারণ অনেকের কাছে বস্তুগত সম্পদের তুলনায় ভালোবাসা তুচ্ছ। ➤ 'নেকলেস' গল্পে মাতিলদার বস্তুগত সম্পদ যেমন- দামি পোশাক, দামি গহনার প্রতি প্রবল আকর্ষণ। এসবের চিন্তায় সে বেশি মত্ত থাকত। তার স্বামী লোইসেল তাকে এসবের ব্যবস্থা করে দিতে না পারলেও তাকে খুশি রাখার জন্য সাধ্যমতো চেষ্টা করত। তাকে সে প্রচন্ড ভালোবাসত। কিন্তু তার ভালোবাসা প্রথম জীবনে মাতিলদা বুঝতে পারেনি। সেই কারণেই সে নিজেকে অতৃপ্ত ও অসুখী মনে করত। লোইসেল তাকে খুশি করতে শিক্ষামন্ত্রীর অনুষ্ঠানে যাওয়ার নিমন্ত্রণপত্র সংগ্রহ করে এনেছে। স্ত্রীকে পোশাক কেনার জন্য নিজের জমানো চারশ ফ্রাঁয়ের পুরোটাই দিয়ে দিয়েছে। অথচ গ্রীষ্মে বন্ধুদের সঙ্গে শিকারে যাওয়ার বন্দুক কেনার জন্য সে ঐ অর্থ জমিয়ে ছিল। 'নেকলেস' গল্পের মাতিলদার প্রতি লোইসেলের বিপরীতধর্মী হচ্ছে উদ্দীপকের মাখনের আচরণ। ➤ উদ্দীপকের মাখন তার স্ত্রীকে ভালোবাসে না। সে অনেক টাকা জিতে স্ত্রীকে একটা গয়না গড়িয়ে দিতে চায়। স্ত্রী যা চায় তা সে বুঝতে পারে না। স্ত্রীকে সে যেভাবে খুশি করতে চায় তা 'নেকলেস' গল্পের লোইসেলের সঙ্গে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ। কারণ নলিনীর চুপ করে থাকার কারণ সে অনুধাবন করতে পারে না। মাতিলদা চুপ করে থাকলে তার স্বামী তাকে নিয়ে দুঃশ্চিন্তা করে, চুপ থাকার কারণ অনুসন্ধান করে তার সমাধান করে। নলিনীর স্বামী তা করে না। এসব দিক বিচারে তাই বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: 'নেকলেস' গল্পে লোইসেল তার স্ত্রীকে গভীরভাবে ভালোবাসে। সে তার স্ত্রীর চুপ থাকা বা মন খারাপের কারণ বুঝতে পারে। উদ্দীপকের মাখন তা বুঝতে পারে না। স্ত্রীর প্রতি তার ভালোবাসা টাকা-গহনার মধ্যে সীমাবদ্ধ, সেখানে আন্তরিকতা নেই। এ কারণেই প্রশ্নোত্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মাখন যেন ভয়ে ভয়েই বলে 'আজ অনেকগুলো টাকা জিতেছি।' নলিনী সাড়া দেয় না। প্রায় সাতশ। নলিনী তবু সাড়া দেয় না। তোমায় একটা গয়না গড়িয়ে দেব- যা চাও।' নলিনী চুপ করিয়া থাকে।... কে চায় তোমার গয়না: একবার কাছে ডাকতে পার না আমায়?
ক
মসিয়ের বন্ধুরা ভরতপাখি শিকারে কোথায় গিয়েছিল?

উত্তর

মসিয়ের বন্ধুরা ভরতপাখি শিকারে নানতিয়ারের সমভূমিতে গিয়েছিল।
খ
'তাই এই অনুষ্ঠানে আমার না যাওয়াই ভালো হবে।'- কে, কেন এ কথা বলেছিল?

উত্তর

➤ 'তাই এই অনুষ্ঠানে আমার না যাওয়াই ভালো হবে।'- এ কথা মাতিলদা বলেছিল তার স্বামীকে। কারণ দামি গহনা না থাকায় ঐ অনুষ্ঠানে যাওয়া তার ভালো মনে হয়নি। ➤ 'নেকলেস' গল্পে মাতিলদার বস্তুগত সম্পদ তথা দামি পোশাক, দামি গহনা প্রভৃতির প্রতি প্রবল আকর্ষণ ছিল। তার স্বামী লোইসেল তার জন্য একটি আমন্ত্রণপত্র নিয়ে আসে। জনশিক্ষা মন্ত্রীর সেই অনুষ্ঠানে অনেক ধনী ব্যক্তি দামি পোশাক পরে এবং তাদের স্ত্রীরা দামি গহনা পরে আসবে ভেবে সে সংকোচবোধ করে। আর তাদের সমকক্ষ হওয়ার জন্য তার প্রয়োজন ভালো পোশাক এবং দামি গহনা। পোশাকের ব্যবস্থা হলেও দামি গহনার ব্যবস্থা সে করতে পারবে না জেনে স্বামীকে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছে। সারকথা: দামি গহনা না থাকার কারণে মাদাম লোইসেল মনে করে যে ঐ অনুষ্ঠানে তার না যাওয়াই ভালো।
গ
উদ্দীপকের নলিনীর সঙ্গে 'নেকলেস' গল্পের মাদাম লোইসেলের বৈসাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ উদ্দীপকের নলিনীর সঙ্গে 'নেকলেস' গল্পের মাতিলদার প্রত্যাশার দিকটি বৈসাদৃশ্যপূর্ণ। ➤ মানুষের চাওয়ার শেষ নেই। একজন যত পায় তত চায়। মানুষের প্রত্যাশা অনুসারে প্রাপ্তি ঘটে না। ফলে না পাওয়ার কষ্ট নিয়ে অনেকেই মানসিক অশান্তিতে ভোগে। আবার অনেকেই অল্পে তুষ্ট থাকে। তাদের জীবন হয় সুখ-শান্তির। ➤ উদ্দীপকে একজন অল্পে তুষ্ট থাকা নারীর কথা বলা হয়েছে। এখানে নলিনী তার স্বামীর কাছে গয়না চায় না, শুধু তার স্নেহ- ভালোবাসা প্রত্যাশা করে। উদ্দীপকের নলিনীর এই প্রত্যাশা 'নেকলেস' গল্পের মাতিলদার প্রত্যাশার সঙ্গে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ। কারণ এ গল্পে মাতিলদা শুরুতে একজন উচ্চাভিলাষী নারী ছিল। সে বিলাসী জীবনযাপনের প্রত্যাশা করত। স্বামীর গভীর ভালোবাসাকে সে প্রথমে অনুভব করতে পারেনি। তার বাসকক্ষের দারিদ্র্য, হতশ্রী দেয়াল, জীর্ণ চেয়ার এবং বিবর্ণ জিনিসপত্রের কারণে সে ব্যথিত হতো। অথচ তার মতো অবস্থার অন্য কোনো মেয়ে এসব জিনিস যদিও লক্ষ করত না, সে এতে দুঃখিত ও ক্রুদ্ধ হতো। তার স্বামী তাকে খুশি করতে শিক্ষামন্ত্রীর অনুষ্ঠানের নিমন্ত্রণপত্র এনে দিলে সে দামি পোশাক ও দামি গহনা না থাকার কথা ভেবে বিরক্ত হয়ে নিমন্ত্রণপত্র ছুড়ে ফেলে দিয়েছে। অথচ উদ্দীপকের নলিনী এসব প্রত্যাশা করেনি। সে শুধু তার স্বামীর ভালোবাসা প্রত্যাশা করেছে। সারকথা: 'নেকলেস' গল্পের মাতিলদার প্রথম জীবনের প্রত্যাশার সঙ্গে উদ্দীপকের নলিনীর প্রত্যাশা বৈসাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ
"উদ্দীপকের মাখন এবং 'নেকলেস' গল্পের লোইসেল দুজন বিপরীত মেরুর মানুষ।"- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

➤ "উদ্দীপকের মাখন এবং 'নেকলেস' গল্পের লোইসেল দুজন বিপরীত মেরুর মানুষ।"- মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ অর্থ-বিত্ত দিয়ে মানুষের মূল্য ও মর্যাদা নির্ণয় করা যায় না। মানুষের প্রতি মানুষের যে অনুরাগ ও ভালোবাসা তা অত্যন্ত মানবিক। সবাই তা যথার্থভাবে উপলব্ধি করতে পারে না। কারণ অনেকের কাছে বস্তুগত সম্পদের তুলনায় ভালোবাসা তুচ্ছ। ➤ 'নেকলেস' গল্পে মাতিলদার বস্তুগত সম্পদ যেমন- দামি পোশাক, দামি গহনার প্রতি প্রবল আকর্ষণ। এসবের চিন্তায় সে বেশি মত্ত থাকত। তার স্বামী লোইসেল তাকে এসবের ব্যবস্থা করে দিতে না পারলেও তাকে খুশি রাখার জন্য সাধ্যমতো চেষ্টা করত। তাকে সে প্রচন্ড ভালোবাসত। কিন্তু তার ভালোবাসা প্রথম জীবনে মাতিলদা বুঝতে পারেনি। সেই কারণেই সে নিজেকে অতৃপ্ত ও অসুখী মনে করত। লোইসেল তাকে খুশি করতে শিক্ষামন্ত্রীর অনুষ্ঠানে যাওয়ার নিমন্ত্রণপত্র সংগ্রহ করে এনেছে। স্ত্রীকে পোশাক কেনার জন্য নিজের জমানো চারশ ফ্রাঁয়ের পুরোটাই দিয়ে দিয়েছে। অথচ গ্রীষ্মে বন্ধুদের সঙ্গে শিকারে যাওয়ার বন্দুক কেনার জন্য সে ঐ অর্থ জমিয়ে ছিল। 'নেকলেস' গল্পের মাতিলদার প্রতি লোইসেলের বিপরীতধর্মী হচ্ছে উদ্দীপকের মাখনের আচরণ। ➤ উদ্দীপকের মাখন তার স্ত্রীকে ভালোবাসে না। সে অনেক টাকা জিতে স্ত্রীকে একটা গয়না গড়িয়ে দিতে চায়। স্ত্রী যা চায় তা সে বুঝতে পারে না। স্ত্রীকে সে যেভাবে খুশি করতে চায় তা 'নেকলেস' গল্পের লোইসেলের সঙ্গে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ। কারণ নলিনীর চুপ করে থাকার কারণ সে অনুধাবন করতে পারে না। মাতিলদা চুপ করে থাকলে তার স্বামী তাকে নিয়ে দুঃশ্চিন্তা করে, চুপ থাকার কারণ অনুসন্ধান করে তার সমাধান করে। নলিনীর স্বামী তা করে না। এসব দিক বিচারে তাই বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: 'নেকলেস' গল্পে লোইসেল তার স্ত্রীকে গভীরভাবে ভালোবাসে। সে তার স্ত্রীর চুপ থাকা বা মন খারাপের কারণ বুঝতে পারে। উদ্দীপকের মাখন তা বুঝতে পারে না। স্ত্রীর প্রতি তার ভালোবাসা টাকা-গহনার মধ্যে সীমাবদ্ধ, সেখানে আন্তরিকতা নেই। এ কারণেই প্রশ্নোত্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

কি সাধনা প্রসাধনে। একটানা খেটে টানে সুবঙ্কিম ভুরু, ঘড়ি ঘড়ি ঘসে মোছে, হয় না পছন্দ কিছু, নতুন উদ্যমে ফের শুরু, নিপুণ বাবুর্চি রাঁধে, পেছন পেছন ফেরে ছায়া হয়ে নিত্য এক গণ্ডা বাঁদী দাসী, পুরাতন জী হুজুর আয়া, বাড়িময় বাড়বাড়ি প্রাচুর্যের, টানাপোড়েনে দেখে নাকো একবারও মুখ সেটাই রিমির দুঃখ, ভুগছে বেচারী শুধু একটানা সুখের মুখ অসুখ।
ক
ফ্রাঁ কী?

উত্তর

ফ্রাঁ হলো ২০০২ সাল পর্যন্ত ফ্রান্সে প্রচলিত মুদ্রার নাম।
খ
ফোরস্টিয়ার মাতিলদাকে চিনতে পারছিল না কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ কঠোর পরিশ্রম করায় মাতিলদার চেহারার লাবণ্য নষ্ট হয়ে যাওয়ায় ফোরস্টিয়ার তাকে চিনতে পারছিল না। ➤ মাতিলদা একসময় অসাধারণ রূপলাবণ্যের অধিকারিণী ছিল। কিন্তু এখন তার সেই লাবণ্য নেই। সংসারের দারিদ্র্যের কারণে এখন সে সাধারণ পরিবারের মেয়ের মতো বাড়ির সব কাজ নিজ হাতে করে। ফলে সে দেখতে অনেকটা গরিব গৃহস্থ ঘরের অমার্জিত মেয়েদের মতো হয়ে যাওয়ায় দশ বছর পর দেখা হওয়া বান্ধবী ফোরস্টিয়ার তাকে চিনতে পারছিল না। সারকথা: অভাবের সংসারে কঠোর পরিশ্রমে মাতিলদার চেহারার পরিবর্তন হওয়ায় তার বান্ধবী তাকে চিনতে পারছিল না।
গ
উদ্দীপকের রিমির সঙ্গে 'নেকলেস' গল্পের মাদাম লোইসেলের বৈসাদৃশ্য চিহ্নিত কর।

উত্তর

➤ জীবনযাপনের ধরন অর্থনৈতিক অবস্থা এবং জীবনবোধের দিক থেকে উদ্দীপকের রিমির সঙ্গে 'নেকলেস' রচনার মাদাম লোইসেলের বৈসাদৃশ্য রয়েছে। ➤ সাধারণভাবে মানুষ যে অবস্থায় আছে সেই অবস্থাটাকে তার কাছে সুখের মনে হয় না। মানুষ ভাবে সে যে অবস্থায় আছে তাতে সুখ নেই। মানুষ তাই সর্বদা নিজের অবস্থা নিয়ে দুঃখেবাধ করে। ➤ 'নেকলেস' গল্পে দেখা যায়, মাদাম লোইসেলের জন্ম দরিদ্র কেরানি পরিবারে। তার বিয়েও হয়েছিল এক সাধারণ কেরানির সঙ্গে। সেই জীবনে সে সুখী ছিল না। কারণ সে চায় বিলাসপূর্ণ জীবন। সর্বদা সেই জীবনের ভাবনায় সে ভাবিত। অন্যদিকে উদ্দীপকে রিমির জীবনে কোনোকিছুর অভাব নেই। চারদিকে প্রাচুর্য, বিলাসিতা। কিন্তু সংসারের কোনো টানাপড়েন সেখানে নেই, তাই সে সুখী নয়। কেননা দুঃখের স্পর্শেই সে সুখ পেতে চায়। আর এদিক থেকেই উদ্দীপকের রিমির সঙ্গে 'নেকলেস' গল্পের মাদাম লোইসেলের বৈসাদৃশ্য রয়েছে। সারকথা: 'নেকলেস' গল্পে মাদাম লোইসেল যে জীবন প্রত্যাশা করেছে উদ্দীপকের রিমি সেই জীবনে সুখী নয়। এখানেই উভয়ের মধ্যে বৈসাদৃশ্য লক্ষ করা যায়।
ঘ
"উদ্দীপকের রিমি এবং 'নেকলেস' গল্পের মাদাম লোইসেলের দুঃখের কারণ ভিন্ন।"- মূল্যায়ন কর।

উত্তর

➤ "উদ্দীপকের রিমি এবং 'নেকলেস' গল্পের মাদাম লোইসেলের দুঃখের কারণ ভিন্ন।" মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ এই পৃথিবীর প্রতিটি মানুষই একে অন্যের থেকে ভিন্ন। আর সে কারণেই তাদের অনুভূতি, উপলব্ধি, সুখ-দুঃখের কারণও ভিন্ন। কেউ প্রাচুর্যের মধ্যে সব সুখ নিহিত বলে মনে করে, আবার কেউ সেই জীবনে সুখের কোনো চিহ্নই খুঁজে পায় না। ➤ 'নেকলেস' গল্পে মাদাম লোইসেল তার সাধারণ জীবনে সুখী নয়। সে সবসময় প্রাচুর্যে পরিপূর্ণ জীবন প্রতাশা করে। তার প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মধ্যে যোগ ঘটে না। তাই তার দুঃখ আরও বেড়ে যায়। বিলাসী জীবনের প্রত্যাশা তাকে সবসময় তাড়িত করে। অপরদিকে উদ্দীপকের রিমির সব রকম প্রাচুর্য থাকার পরও সে সুখী নয়। সে বিলাসী জীবনযাপন করার পরও অসুখী। সে ভাবে প্রাচুর্যে নয়, সাধারণ জীবনযাপনেই সুখ। ➤ 'নেকলেস' গল্পের মাদাম লোইসেলের দুঃখের কারণ প্রাচুর্যের অভাব। অন্যদিকে এই প্রাচুর্যই উদ্দীপকের রিমির দুঃখের কারণ। এক্ষেত্রে উভয়ের দুঃখের কারণ সম্পূর্ণরূপে ভিন্ন। সুতরাং বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: মাদাম লোইসেল বিলাসী জীবন না পেয়ে অসুখী। অন্যদিকে রিমি প্রাচুর্যের মধ্যে থেকে অসুখী। তাই তাদের সুখের প্রত্যাশা এবং দুঃখের কারণ ভিন্ন। এই দৃষ্টিকোণ থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

কি সাধনা প্রসাধনে। একটানা খেটে টানে সুবঙ্কিম ভুরু, ঘড়ি ঘড়ি ঘসে মোছে, হয় না পছন্দ কিছু, নতুন উদ্যমে ফের শুরু, নিপুণ বাবুর্চি রাঁধে, পেছন পেছন ফেরে ছায়া হয়ে নিত্য এক গণ্ডা বাঁদী দাসী, পুরাতন জী হুজুর আয়া, বাড়িময় বাড়বাড়ি প্রাচুর্যের, টানাপোড়েনে দেখে নাকো একবারও মুখ সেটাই রিমির দুঃখ, ভুগছে বেচারী শুধু একটানা সুখের মুখ অসুখ।
ক
ফ্রাঁ কী?

উত্তর

ফ্রাঁ হলো ২০০২ সাল পর্যন্ত ফ্রান্সে প্রচলিত মুদ্রার নাম।
খ
ফোরস্টিয়ার মাতিলদাকে চিনতে পারছিল না কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ কঠোর পরিশ্রম করায় মাতিলদার চেহারার লাবণ্য নষ্ট হয়ে যাওয়ায় ফোরস্টিয়ার তাকে চিনতে পারছিল না। ➤ মাতিলদা একসময় অসাধারণ রূপলাবণ্যের অধিকারিণী ছিল। কিন্তু এখন তার সেই লাবণ্য নেই। সংসারের দারিদ্র্যের কারণে এখন সে সাধারণ পরিবারের মেয়ের মতো বাড়ির সব কাজ নিজ হাতে করে। ফলে সে দেখতে অনেকটা গরিব গৃহস্থ ঘরের অমার্জিত মেয়েদের মতো হয়ে যাওয়ায় দশ বছর পর দেখা হওয়া বান্ধবী ফোরস্টিয়ার তাকে চিনতে পারছিল না। সারকথা: অভাবের সংসারে কঠোর পরিশ্রমে মাতিলদার চেহারার পরিবর্তন হওয়ায় তার বান্ধবী তাকে চিনতে পারছিল না।
গ
উদ্দীপকের রিমির সঙ্গে 'নেকলেস' গল্পের মাদাম লোইসেলের বৈসাদৃশ্য চিহ্নিত কর।

উত্তর

➤ জীবনযাপনের ধরন অর্থনৈতিক অবস্থা এবং জীবনবোধের দিক থেকে উদ্দীপকের রিমির সঙ্গে 'নেকলেস' রচনার মাদাম লোইসেলের বৈসাদৃশ্য রয়েছে। ➤ সাধারণভাবে মানুষ যে অবস্থায় আছে সেই অবস্থাটাকে তার কাছে সুখের মনে হয় না। মানুষ ভাবে সে যে অবস্থায় আছে তাতে সুখ নেই। মানুষ তাই সর্বদা নিজের অবস্থা নিয়ে দুঃখেবাধ করে। ➤ 'নেকলেস' গল্পে দেখা যায়, মাদাম লোইসেলের জন্ম দরিদ্র কেরানি পরিবারে। তার বিয়েও হয়েছিল এক সাধারণ কেরানির সঙ্গে। সেই জীবনে সে সুখী ছিল না। কারণ সে চায় বিলাসপূর্ণ জীবন। সর্বদা সেই জীবনের ভাবনায় সে ভাবিত। অন্যদিকে উদ্দীপকে রিমির জীবনে কোনোকিছুর অভাব নেই। চারদিকে প্রাচুর্য, বিলাসিতা। কিন্তু সংসারের কোনো টানাপড়েন সেখানে নেই, তাই সে সুখী নয়। কেননা দুঃখের স্পর্শেই সে সুখ পেতে চায়। আর এদিক থেকেই উদ্দীপকের রিমির সঙ্গে 'নেকলেস' গল্পের মাদাম লোইসেলের বৈসাদৃশ্য রয়েছে। সারকথা: 'নেকলেস' গল্পে মাদাম লোইসেল যে জীবন প্রত্যাশা করেছে উদ্দীপকের রিমি সেই জীবনে সুখী নয়। এখানেই উভয়ের মধ্যে বৈসাদৃশ্য লক্ষ করা যায়।
ঘ
"উদ্দীপকের রিমি এবং 'নেকলেস' গল্পের মাদাম লোইসেলের দুঃখের কারণ ভিন্ন।"- মূল্যায়ন কর।

উত্তর

➤ "উদ্দীপকের রিমি এবং 'নেকলেস' গল্পের মাদাম লোইসেলের দুঃখের কারণ ভিন্ন।" মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ এই পৃথিবীর প্রতিটি মানুষই একে অন্যের থেকে ভিন্ন। আর সে কারণেই তাদের অনুভূতি, উপলব্ধি, সুখ-দুঃখের কারণও ভিন্ন। কেউ প্রাচুর্যের মধ্যে সব সুখ নিহিত বলে মনে করে, আবার কেউ সেই জীবনে সুখের কোনো চিহ্নই খুঁজে পায় না। ➤ 'নেকলেস' গল্পে মাদাম লোইসেল তার সাধারণ জীবনে সুখী নয়। সে সবসময় প্রাচুর্যে পরিপূর্ণ জীবন প্রতাশা করে। তার প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মধ্যে যোগ ঘটে না। তাই তার দুঃখ আরও বেড়ে যায়। বিলাসী জীবনের প্রত্যাশা তাকে সবসময় তাড়িত করে। অপরদিকে উদ্দীপকের রিমির সব রকম প্রাচুর্য থাকার পরও সে সুখী নয়। সে বিলাসী জীবনযাপন করার পরও অসুখী। সে ভাবে প্রাচুর্যে নয়, সাধারণ জীবনযাপনেই সুখ। ➤ 'নেকলেস' গল্পের মাদাম লোইসেলের দুঃখের কারণ প্রাচুর্যের অভাব। অন্যদিকে এই প্রাচুর্যই উদ্দীপকের রিমির দুঃখের কারণ। এক্ষেত্রে উভয়ের দুঃখের কারণ সম্পূর্ণরূপে ভিন্ন। সুতরাং বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: মাদাম লোইসেল বিলাসী জীবন না পেয়ে অসুখী। অন্যদিকে রিমি প্রাচুর্যের মধ্যে থেকে অসুখী। তাই তাদের সুখের প্রত্যাশা এবং দুঃখের কারণ ভিন্ন। এই দৃষ্টিকোণ থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো