গদ্য : গন্তব্য কাবুল Bangla 1st Paper

HSC Bangla 1st Paper এর গদ্য : গন্তব্য কাবুল অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

২১০

প্রশ্ন

Bangla 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

সারওয়ার সাগর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ছাত্র। দেশ-বিদেশে ভ্রমণ করা তার শখ। কিছুদিন আগে সে বন্ধুদের সঙ্গে কাশ্মীর ভ্রমণে যায়। সেখানে পাহাড় এবং ঝরনার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সে মুগ্ধ হয়। পাহাড়ি ফুলের গন্ধ ও ঝরনার মনোমুগ্ধকর শব্দ যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে তাকে আকুল করে।
ক
জালালাবাদ থেকে কাবুলের দূরত্ব কত মাইল?

উত্তর

জালালাবাদ থেকে কাবুলের দূরত্ব একশ মাইল।
খ
"আপনি তো ওদের মালজানের জিম্মাদার নন।"- কে, কাকে, কেন বলেছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ "আপনি তো ওদের মালজানের জিম্মাদার নন।"- বেতার কর্মচারী এই কথাটি লেখককে বলেছিলেন। ➤ 'গন্তব্য কাবুল' রচনায় কাবুল যাত্রায় লেখকদের বহন করা গাড়ি একসময় জালালাবাদ শহরে ঢোকে। তখন কাবুলিরা এক মিনিটের ভেতর যে যার মতো তড়িঘড়ি করে নেমে পড়ে। কেউ একবার জিজ্ঞেসও করে না বাস ফের কখন ছাড়বে। তারা ফিরে না এলে গাড়িও ছাড়বে না। তাই লেখক চিন্তিত হয়ে পড়েন। তাঁর এমন অবস্থা দেখে বেতার কর্মচারী তার সঙ্গে যেতে বলেন। আবার লেখক তাকে জিজ্ঞেস করেন, সবাই কোথায় গেল, আর ফিরবেই বা কখন? তখন লেখকের উদবিগ্নতা দেখে বেতার কর্মচারী আলোচ্য কথাটি বলেন। সারকথা: জালালাবাদ থেকে পুনরায় বাস ছাড়া নিয়ে। লেখকের উদবিগ্নতায় বেভার কর্মচারী প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেন।
গ
উদ্দীপকের দিকটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনার কোন বিশেষ দিকটিকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ উদ্দীপকের দিকটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনার জালালাবাদের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে নির্দেশ করে। ➤ কোনো কোনো দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এতটাই চিত্তাকর্ষক যে তো যেকোনো মানুষের হৃদয়কে মুগ্ধ করে। প্রকৃতির পাহাড়, পর্বত, নদী-নালা, ঝরনা প্রভৃতি এর সৌন্দর্যকে বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়। এসব মনোরম দৃশ্য দেখে এবং ফুল-ফলের সুবাস গ্রহণ করে মানুষের হৃদয় আনন্দে মেতে ওঠে। ➤ উদ্দীপকের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সারওয়ার সাগরের দেশ-বিদেশে ভ্রমণ করা শখ। কিছুদিন আগে সে বন্ধুদের সঙ্গে কাশ্মীর ভ্রমণে গিয়ে সেখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়। পাহাড়ি ফুলের গন্ধ ও ঝরনার মনোমুগ্ধকর দৃশ্য তাকে আকুল করে। এ দিকটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনায়ও দেখা যায়। এ রচনায় লেখকদের গাড়ি জালালাবাদ থামলে কবির সন্ধ্যা কাটে নালার পাড়ে, নারগিস বনের এক পাশে, চিনার মর্মরের মাঝখানে। খেয়েদেয়ে লেখক সেখানেই চারপাইয়ে শুয়ে পড়েন। শেষ রাতে তিনি শুনতে পান জলের কুলুকুলু শব্দ আর ফুলের সৌরভ। এই দুইয়ে মিলে একটি মনোমুগ্ধকর আবহ তৈরি করে। এ দিকটি উদ্দীপকের কাশ্মীরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দিকটিকেই নির্দেশ করে। সারকথা: উদ্দীপকের কাশ্মীরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দিকটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনার জালালাবাদের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দিকটিকেই নির্দেশ করে
ঘ
"উদ্দীপকটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনার একটি খন্ডচিত্রকে ধারণ করে।"- মন্তব্যটির পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর

➤ "উদ্দীপকটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনার একটি খন্ডচিত্রকে ধারণ করে।" মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ এই সুবিশাল পৃথিবীর অনেক কিছুই মানুষের অজানা। তাই এই অজানাকে জানা ও অদেখাকে দেখার প্রবৃত্তি থাকাটা মানুষের জন্য স্বাভাবিক। এজন্যই মানুষ দেশ-বিদেশের বিভিন্ন নতুন নতুন জায়গায় ভ্রমণ করে। এসব ভ্রমণে মানুষ নতুন নতুন অভিজ্ঞতা লাভ করে। ➤ উদ্দীপকের সারওয়ার সাগর কাশ্মীর ভ্রমণে গিয়ে সেখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়। এ দিকটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনার জালালাবাদের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে নির্দেশ করে। তবে এই দিকটি আলোচ্য রচনার একটি খন্ড অংশকে নির্দেশ করে। কেননা এ রচনার লেখক হাওড়া স্টেশন থেকে কাবুলের উদ্দেশে যে যাত্রাটি শুরু করেছিলেন তাতে শেষ পর্যন্ত অসাধারণ রসঘন এক অভিজ্ঞতার সঙ্গে আমাদের পরিচয় ঘটে। পাশাপাশি এ রচনাটির মাধ্যমে আমরা লেখকের জীবনবোধ, সাহিত্যরুচি ও নিজস্ব শিল্প-বৈশিষ্ট্যের সঙ্গেও পরিচিত হতে পারি। এসব বিষয় উদ্দীপকে নেই। ➤ 'গন্তব্য কাবুল' রচনায় লেখক জালালাবাদের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ছাড়াও কাবুল যাত্রার অনেক বিচিত্র অভিজ্ঞতার সন্নিবেশ ঘটিয়েছেন। যাত্রাপথে হরেক রকম মানুষের সঙ্গে আলাপচারিতা, বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতি, পাঠানদের আন্তরিকতা ও আতিথেয়তা, আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক-ভৌগোলিক-সাংস্কৃতিক নানা বিষয় লেখক এ রচনায় ফুটিয়ে তুলেছেন। অথচ এসব দিক উদ্দীপকে নেই। উদ্দীপকে কেবল 'গন্তব্য কাবুল' রচনার জালালাবাদের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: উদ্দীপকের বর্ণনায় কাশ্মীরের যে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কথা বলা হয়েছে এটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনার শুধু একটিমাত্র দিককে ধারণ করে, বাকি বিষয়গুলোর নয়। য়। তাই আলোচ্য মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

সারওয়ার সাগর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ছাত্র। দেশ-বিদেশে ভ্রমণ করা তার শখ। কিছুদিন আগে সে বন্ধুদের সঙ্গে কাশ্মীর ভ্রমণে যায়। সেখানে পাহাড় এবং ঝরনার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সে মুগ্ধ হয়। পাহাড়ি ফুলের গন্ধ ও ঝরনার মনোমুগ্ধকর শব্দ যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে তাকে আকুল করে।
ক
জালালাবাদ থেকে কাবুলের দূরত্ব কত মাইল?

উত্তর

জালালাবাদ থেকে কাবুলের দূরত্ব একশ মাইল।
খ
"আপনি তো ওদের মালজানের জিম্মাদার নন।"- কে, কাকে, কেন বলেছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ "আপনি তো ওদের মালজানের জিম্মাদার নন।"- বেতার কর্মচারী এই কথাটি লেখককে বলেছিলেন। ➤ 'গন্তব্য কাবুল' রচনায় কাবুল যাত্রায় লেখকদের বহন করা গাড়ি একসময় জালালাবাদ শহরে ঢোকে। তখন কাবুলিরা এক মিনিটের ভেতর যে যার মতো তড়িঘড়ি করে নেমে পড়ে। কেউ একবার জিজ্ঞেসও করে না বাস ফের কখন ছাড়বে। তারা ফিরে না এলে গাড়িও ছাড়বে না। তাই লেখক চিন্তিত হয়ে পড়েন। তাঁর এমন অবস্থা দেখে বেতার কর্মচারী তার সঙ্গে যেতে বলেন। আবার লেখক তাকে জিজ্ঞেস করেন, সবাই কোথায় গেল, আর ফিরবেই বা কখন? তখন লেখকের উদবিগ্নতা দেখে বেতার কর্মচারী আলোচ্য কথাটি বলেন। সারকথা: জালালাবাদ থেকে পুনরায় বাস ছাড়া নিয়ে। লেখকের উদবিগ্নতায় বেভার কর্মচারী প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেন।
গ
উদ্দীপকের দিকটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনার কোন বিশেষ দিকটিকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ উদ্দীপকের দিকটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনার জালালাবাদের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে নির্দেশ করে। ➤ কোনো কোনো দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এতটাই চিত্তাকর্ষক যে তো যেকোনো মানুষের হৃদয়কে মুগ্ধ করে। প্রকৃতির পাহাড়, পর্বত, নদী-নালা, ঝরনা প্রভৃতি এর সৌন্দর্যকে বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়। এসব মনোরম দৃশ্য দেখে এবং ফুল-ফলের সুবাস গ্রহণ করে মানুষের হৃদয় আনন্দে মেতে ওঠে। ➤ উদ্দীপকের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সারওয়ার সাগরের দেশ-বিদেশে ভ্রমণ করা শখ। কিছুদিন আগে সে বন্ধুদের সঙ্গে কাশ্মীর ভ্রমণে গিয়ে সেখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়। পাহাড়ি ফুলের গন্ধ ও ঝরনার মনোমুগ্ধকর দৃশ্য তাকে আকুল করে। এ দিকটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনায়ও দেখা যায়। এ রচনায় লেখকদের গাড়ি জালালাবাদ থামলে কবির সন্ধ্যা কাটে নালার পাড়ে, নারগিস বনের এক পাশে, চিনার মর্মরের মাঝখানে। খেয়েদেয়ে লেখক সেখানেই চারপাইয়ে শুয়ে পড়েন। শেষ রাতে তিনি শুনতে পান জলের কুলুকুলু শব্দ আর ফুলের সৌরভ। এই দুইয়ে মিলে একটি মনোমুগ্ধকর আবহ তৈরি করে। এ দিকটি উদ্দীপকের কাশ্মীরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দিকটিকেই নির্দেশ করে। সারকথা: উদ্দীপকের কাশ্মীরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দিকটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনার জালালাবাদের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দিকটিকেই নির্দেশ করে
ঘ
"উদ্দীপকটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনার একটি খন্ডচিত্রকে ধারণ করে।"- মন্তব্যটির পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর

➤ "উদ্দীপকটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনার একটি খন্ডচিত্রকে ধারণ করে।" মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ এই সুবিশাল পৃথিবীর অনেক কিছুই মানুষের অজানা। তাই এই অজানাকে জানা ও অদেখাকে দেখার প্রবৃত্তি থাকাটা মানুষের জন্য স্বাভাবিক। এজন্যই মানুষ দেশ-বিদেশের বিভিন্ন নতুন নতুন জায়গায় ভ্রমণ করে। এসব ভ্রমণে মানুষ নতুন নতুন অভিজ্ঞতা লাভ করে। ➤ উদ্দীপকের সারওয়ার সাগর কাশ্মীর ভ্রমণে গিয়ে সেখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়। এ দিকটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনার জালালাবাদের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে নির্দেশ করে। তবে এই দিকটি আলোচ্য রচনার একটি খন্ড অংশকে নির্দেশ করে। কেননা এ রচনার লেখক হাওড়া স্টেশন থেকে কাবুলের উদ্দেশে যে যাত্রাটি শুরু করেছিলেন তাতে শেষ পর্যন্ত অসাধারণ রসঘন এক অভিজ্ঞতার সঙ্গে আমাদের পরিচয় ঘটে। পাশাপাশি এ রচনাটির মাধ্যমে আমরা লেখকের জীবনবোধ, সাহিত্যরুচি ও নিজস্ব শিল্প-বৈশিষ্ট্যের সঙ্গেও পরিচিত হতে পারি। এসব বিষয় উদ্দীপকে নেই। ➤ 'গন্তব্য কাবুল' রচনায় লেখক জালালাবাদের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ছাড়াও কাবুল যাত্রার অনেক বিচিত্র অভিজ্ঞতার সন্নিবেশ ঘটিয়েছেন। যাত্রাপথে হরেক রকম মানুষের সঙ্গে আলাপচারিতা, বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতি, পাঠানদের আন্তরিকতা ও আতিথেয়তা, আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক-ভৌগোলিক-সাংস্কৃতিক নানা বিষয় লেখক এ রচনায় ফুটিয়ে তুলেছেন। অথচ এসব দিক উদ্দীপকে নেই। উদ্দীপকে কেবল 'গন্তব্য কাবুল' রচনার জালালাবাদের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: উদ্দীপকের বর্ণনায় কাশ্মীরের যে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কথা বলা হয়েছে এটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনার শুধু একটিমাত্র দিককে ধারণ করে, বাকি বিষয়গুলোর নয়। য়। তাই আলোচ্য মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

হাঁটতে হাঁটতে কাশ্মীরের চিরায়ত বিনয়ের ভাসমান বাগানের জন্য জগদ্বিখ্যাত। আরও পশ্চিমে নাগিন: ডালেরই কনিষ্ঠা ভগিনী। শানিনের পানি তত মধু নয়, কিন্তু দুটো লেকের সঙ্গমস্থলের দৃশ্য খুবই চমৎকার। শ্রীনগর বছরের অর্ধেকটা সময় মুখ লুকায় বরফের পর্দায়। তখন রাজধানী চলে যায় জম্মুতে। ডালের পানি শক্ত হয়ে ওঠে আর সাইকেল নিয়ে তার ওপর আনন্দে মেতে ওঠে বরয়েররাণ সেই ছ'মাস কাশ্মীরের জনগণ বন্দী থাকে নিজেদের ঘরে। কাংড়ির তাপে গরম হওয়া আর জানালার পাশে বসে তুষারপাত দেখা ছাড়া কোনো কাজই থাকে না।
ক
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুন প্রদেশের সবচেয়ে বড় শহরের নাম কী?

উত্তর

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুন প্রদেশের সবচেয়ে বড় শহরের নাম পেশাওয়ার।
খ
'গন্তব্য কাবুল' রচনায় উল্লিখিত খাইবার পাস কী? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ 'গন্তব্য কাবুল' রচনায় উল্লিখিত খাইবার পাস হচ্ছে পাকিস্তানে অবস্থিত একটি গিরিপথ। ➤ 'গন্তব্য কাবুল' রচনায়, লেখক কাবুলে যাওয়ার পথে খাইবার পাস তথা খাইবার গিরিপথ পার হয়ে যান। সেই গিরিপথের মাধ্যমে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সংযোগ সাধিত হয়েছে। পৃথিবীর প্রাচীনতম সেই রাস্তায় জগতের বিখ্যাত বহু মানুষ যাতায়াত করেছেন। আলেকজান্ডার দি গ্রেট, চেঙ্গিস খান থেকে শুরু করে মুসলিম শাসকগণ তাদের বিশ্ব বিজয়ে খাইবার পাস ব্যবহার করেছেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় যুদ্ধকৌশলের অংশ হিসেবে ব্রিটিশরা খাইবার পাস দিয়ে একটি ভারি রেলওয়ে নির্মাণ করে। বর্তমানে এই পথ দিয়ে আমেরিকা তাদের সেনাদের জন্য আফগানিস্তানে রসদ নিয়ে যায়। সারকথা: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সংযোগ সাধনকারী গিরিপথের নাম খাইবার পাস। এটি পৃথিবীর প্রাচীনতম রাস্তার অন্যতম।
গ
উদ্দীপকটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনার সঙ্গে কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ উদ্দীপকটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনার সঙ্গে কাবুলে যাওয়ার পথে লেখকের নার্গিস বনের সৌন্দর্য উপভোগের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। ➤ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে ভ্রমণের বিকল্প নেই। মানুষ বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণ করে প্রকৃতির অপরূপ রূপে মুগ্ধ হয়। ভ্রমণের মাধ্যমে মানুষ বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে পারে। ➤ উদ্দীপকে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি কাশ্মীরের চিরায়ত রূপবৈচিত্র্যের পরিচয় দেওয়া হয়েছে। কাশ্মীরের প্রাণ ঝিলাম, ডাল লেক, নাগিন লেক প্রভৃতির সৌন্দর্যের কথা কথা বলা হয়েছে। ডাল লেক স্বচ্ছ নীল জল এবং ভাসমান বাগানের জন্য জগদ্বিখ্যাত। সৌন্দর্যের বিচারে ডাল লেকের কনিষ্ঠা বোন হচ্ছে নাগিন লেক। এই দুই লেকের মিলনস্থলের অপূর্ব সৌন্দর্য মানুষকে বিমোহিত করে। এই সৌন্দর্যের দিকটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনায় লেখকের বর্ণনায় নারগিস বনের সৌন্দর্যের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। নদীর কুলুকুলু ধ্বনি, জানালার পাশে শরতের শিউলি গাছ থাকার যে আনন্দ ও মুগ্ধতা মানুষ অনুভব করে লেখক এখানে তাই অনুভব করেছেন। নারগিস বনের এক পাশে নালার পাশে সন্ধ্যা কাটানোর সময় লেখকের মনে এক অপূর্ব অনুভূতি জাগিয়েছে। তাঁর মনে পুষ্পবনের গন্ধরূপে বৈতালিক সুর মুখরিত হয়ে উঠেছে। আর এভাবেই উদ্দীপকটি গন্তব্য কাবুলের সৌন্দর্য উপভোগের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। সারকথা: উদ্দীপকে 'গন্তব্য কাবুল' রচনায় লেখক কাবুলে যাওয়ার পথে নারগিস বনের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হওয়ার অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে।
ঘ
"সাদৃশ্যপূর্ণ হলেও উদ্দীপকটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনার পুরো বিষয়কে নির্দেশ করে না।"- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

➤ "সাদৃশ্যপূর্ণ হলেও উদ্দীপকটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনার পুরো বিষয়কে নির্দেশ করে না।"- মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ প্রকৃতির বিস্ময়কর সব বস্তু বাস্তবে দেখার অভিপ্রায় থেকে মানুষ ভ্রমণে বের হয় এবং আনন্দ লাভ করে। ভ্রমণ একদিকে যেমন আনন্দের বিষয় অন্যদিকে আবার অভিজ্ঞতার বিষয়ও। এই অভিজ্ঞতা মানুষ তার পরবর্তী সময়ে কাজে লাগায়। ➤ 'গন্তব্য কাবুল' রচনায় লেখক কাবুলে যাওয়ার বর্ণনার পাশাপাশি বিভিন্ন স্টেশন, ব্যবহৃত যানবাহন, আলাপচারিতায় শামিল হওয়া লোকজন, তাদের স্বভাব-বৈশিষ্ট্য, সাধারণ ও নিম্ন আয়ের নারীর পর্দা না মেনে কাজ করা, তাদের সম্পর্কে পাঠানদের বক্তব্য, হাওড়া স্টেশনে ফিরিঙ্গির ব্যবহার, শিখ সর্দারজির কথা বলার ধরন, স্বভাব-বৈশিষ্ট্য প্রভৃতি তুলে ধরেছেন। এসব বিষয় উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়নি। উদ্দীপকে কাশ্মীরের রূপবৈচিত্র্যের প্রকাশ ঘটেছে। এখানে কথক হাঁটতে হাঁটতে কাশ্মীরের চিরায়ত রূপ প্রত্যক্ষ করেছেন। আর 'গন্তব্য কাবুল' রচনায় লেখক চলার পথে এবং যাত্রাবিরতিতে অবস্থানের সময় সেই সৌন্দর্য উপভোগ করেছেন। এই দিকটি ছাড়া উদ্দীপকের সঙ্গে 'গন্তব্য কাবুল' রচনার আর কোনো মিল নেই। ➤ 'গন্তব্য কাবুল' রচনায় লেখক হাওড়া স্টেশন, জাকারিয়া স্ট্রিট, পেশাওয়ার, খাইবার পাস, টাট্টু ঘোড়ায় টানা দুই চাকার গাড়ির কথা বলেছেন। এসব বিষয় উদ্দীপকে নেই। এই দিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: উদ্দীপকে কাশ্মীরের সৌন্দর্য বর্ণনায় কথকের যে মুগ্ধতা প্রকাশ পেয়েছে তা 'গন্তব্য কাবুল' রচনার লেখকের নারগিস ও চিনারের সৌন্দর্য উপভোগের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। এছাড়া অন্য কোনো বিষয় উদ্দীপকে নেই যা 'গন্তব্য কাবুল' রচনায় প্রকাশ পেয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

হাঁটতে হাঁটতে কাশ্মীরের চিরায়ত বিনয়ের ভাসমান বাগানের জন্য জগদ্বিখ্যাত। আরও পশ্চিমে নাগিন: ডালেরই কনিষ্ঠা ভগিনী। শানিনের পানি তত মধু নয়, কিন্তু দুটো লেকের সঙ্গমস্থলের দৃশ্য খুবই চমৎকার। শ্রীনগর বছরের অর্ধেকটা সময় মুখ লুকায় বরফের পর্দায়। তখন রাজধানী চলে যায় জম্মুতে। ডালের পানি শক্ত হয়ে ওঠে আর সাইকেল নিয়ে তার ওপর আনন্দে মেতে ওঠে বরয়েররাণ সেই ছ'মাস কাশ্মীরের জনগণ বন্দী থাকে নিজেদের ঘরে। কাংড়ির তাপে গরম হওয়া আর জানালার পাশে বসে তুষারপাত দেখা ছাড়া কোনো কাজই থাকে না।
ক
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুন প্রদেশের সবচেয়ে বড় শহরের নাম কী?

উত্তর

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুন প্রদেশের সবচেয়ে বড় শহরের নাম পেশাওয়ার।
খ
'গন্তব্য কাবুল' রচনায় উল্লিখিত খাইবার পাস কী? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ 'গন্তব্য কাবুল' রচনায় উল্লিখিত খাইবার পাস হচ্ছে পাকিস্তানে অবস্থিত একটি গিরিপথ। ➤ 'গন্তব্য কাবুল' রচনায়, লেখক কাবুলে যাওয়ার পথে খাইবার পাস তথা খাইবার গিরিপথ পার হয়ে যান। সেই গিরিপথের মাধ্যমে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সংযোগ সাধিত হয়েছে। পৃথিবীর প্রাচীনতম সেই রাস্তায় জগতের বিখ্যাত বহু মানুষ যাতায়াত করেছেন। আলেকজান্ডার দি গ্রেট, চেঙ্গিস খান থেকে শুরু করে মুসলিম শাসকগণ তাদের বিশ্ব বিজয়ে খাইবার পাস ব্যবহার করেছেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় যুদ্ধকৌশলের অংশ হিসেবে ব্রিটিশরা খাইবার পাস দিয়ে একটি ভারি রেলওয়ে নির্মাণ করে। বর্তমানে এই পথ দিয়ে আমেরিকা তাদের সেনাদের জন্য আফগানিস্তানে রসদ নিয়ে যায়। সারকথা: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সংযোগ সাধনকারী গিরিপথের নাম খাইবার পাস। এটি পৃথিবীর প্রাচীনতম রাস্তার অন্যতম।
গ
উদ্দীপকটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনার সঙ্গে কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ উদ্দীপকটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনার সঙ্গে কাবুলে যাওয়ার পথে লেখকের নার্গিস বনের সৌন্দর্য উপভোগের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। ➤ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে ভ্রমণের বিকল্প নেই। মানুষ বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণ করে প্রকৃতির অপরূপ রূপে মুগ্ধ হয়। ভ্রমণের মাধ্যমে মানুষ বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে পারে। ➤ উদ্দীপকে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি কাশ্মীরের চিরায়ত রূপবৈচিত্র্যের পরিচয় দেওয়া হয়েছে। কাশ্মীরের প্রাণ ঝিলাম, ডাল লেক, নাগিন লেক প্রভৃতির সৌন্দর্যের কথা কথা বলা হয়েছে। ডাল লেক স্বচ্ছ নীল জল এবং ভাসমান বাগানের জন্য জগদ্বিখ্যাত। সৌন্দর্যের বিচারে ডাল লেকের কনিষ্ঠা বোন হচ্ছে নাগিন লেক। এই দুই লেকের মিলনস্থলের অপূর্ব সৌন্দর্য মানুষকে বিমোহিত করে। এই সৌন্দর্যের দিকটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনায় লেখকের বর্ণনায় নারগিস বনের সৌন্দর্যের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। নদীর কুলুকুলু ধ্বনি, জানালার পাশে শরতের শিউলি গাছ থাকার যে আনন্দ ও মুগ্ধতা মানুষ অনুভব করে লেখক এখানে তাই অনুভব করেছেন। নারগিস বনের এক পাশে নালার পাশে সন্ধ্যা কাটানোর সময় লেখকের মনে এক অপূর্ব অনুভূতি জাগিয়েছে। তাঁর মনে পুষ্পবনের গন্ধরূপে বৈতালিক সুর মুখরিত হয়ে উঠেছে। আর এভাবেই উদ্দীপকটি গন্তব্য কাবুলের সৌন্দর্য উপভোগের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। সারকথা: উদ্দীপকে 'গন্তব্য কাবুল' রচনায় লেখক কাবুলে যাওয়ার পথে নারগিস বনের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হওয়ার অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে।
ঘ
"সাদৃশ্যপূর্ণ হলেও উদ্দীপকটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনার পুরো বিষয়কে নির্দেশ করে না।"- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

➤ "সাদৃশ্যপূর্ণ হলেও উদ্দীপকটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনার পুরো বিষয়কে নির্দেশ করে না।"- মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ প্রকৃতির বিস্ময়কর সব বস্তু বাস্তবে দেখার অভিপ্রায় থেকে মানুষ ভ্রমণে বের হয় এবং আনন্দ লাভ করে। ভ্রমণ একদিকে যেমন আনন্দের বিষয় অন্যদিকে আবার অভিজ্ঞতার বিষয়ও। এই অভিজ্ঞতা মানুষ তার পরবর্তী সময়ে কাজে লাগায়। ➤ 'গন্তব্য কাবুল' রচনায় লেখক কাবুলে যাওয়ার বর্ণনার পাশাপাশি বিভিন্ন স্টেশন, ব্যবহৃত যানবাহন, আলাপচারিতায় শামিল হওয়া লোকজন, তাদের স্বভাব-বৈশিষ্ট্য, সাধারণ ও নিম্ন আয়ের নারীর পর্দা না মেনে কাজ করা, তাদের সম্পর্কে পাঠানদের বক্তব্য, হাওড়া স্টেশনে ফিরিঙ্গির ব্যবহার, শিখ সর্দারজির কথা বলার ধরন, স্বভাব-বৈশিষ্ট্য প্রভৃতি তুলে ধরেছেন। এসব বিষয় উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়নি। উদ্দীপকে কাশ্মীরের রূপবৈচিত্র্যের প্রকাশ ঘটেছে। এখানে কথক হাঁটতে হাঁটতে কাশ্মীরের চিরায়ত রূপ প্রত্যক্ষ করেছেন। আর 'গন্তব্য কাবুল' রচনায় লেখক চলার পথে এবং যাত্রাবিরতিতে অবস্থানের সময় সেই সৌন্দর্য উপভোগ করেছেন। এই দিকটি ছাড়া উদ্দীপকের সঙ্গে 'গন্তব্য কাবুল' রচনার আর কোনো মিল নেই। ➤ 'গন্তব্য কাবুল' রচনায় লেখক হাওড়া স্টেশন, জাকারিয়া স্ট্রিট, পেশাওয়ার, খাইবার পাস, টাট্টু ঘোড়ায় টানা দুই চাকার গাড়ির কথা বলেছেন। এসব বিষয় উদ্দীপকে নেই। এই দিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: উদ্দীপকে কাশ্মীরের সৌন্দর্য বর্ণনায় কথকের যে মুগ্ধতা প্রকাশ পেয়েছে তা 'গন্তব্য কাবুল' রচনার লেখকের নারগিস ও চিনারের সৌন্দর্য উপভোগের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। এছাড়া অন্য কোনো বিষয় উদ্দীপকে নেই যা 'গন্তব্য কাবুল' রচনায় প্রকাশ পেয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

ছেচল্লিশ ঘন্টা বিরতিহীন রেলভ্রমণের পর 'জেএন্ডকে' টুরিস্ট বাসের আরামদায়ক সিটে বসেই চোখ দুটো বুজে এলো ক্লান্তিতে। শনিবার সকাল এগারোটায় শিয়ালদা স্টেশন থেকে জম্বু-তাওয়াই এক্সপ্রেসে যখন উঠেছিলাম, দীর্ঘ ভ্রমণের আনন্দে মনটা ছিল খুশিতে ভরপুর। কিন্তু দিনের আলো নিতে যাওয়ার আগেই যখন বাঙালি বাবুরা হিন্দি জবানে কথা কইতে শুরু করল, তখনই নিঃসঙ্গতা পুরোপুরি জেগে উঠল। ট্রেন বর্ধমান ছেড়ে বিহারের জলময় ভূখন্ডে প্রবেশ করল এবং রাত্রি এক প্রহরের আগেই দেখা দিল পাহাড়। অনভিজ্ঞতার কারণে বড় বড় স্টেশনের সামান্য বিরতিতে আলুর দম ও লুচি কিনে খাওয়ার সুযোগ ঘটল না। রাত কাটালাম অমৃতবৎ চায়ের পেয়ালায় জিহ্বা আর পত্রিকার পাতায় চোখ বুলিয়ে।
ক
পেশাওয়ার থেকে জালালাবাদের দূরত্ব কয় মাইল?

উত্তর

পেশাওয়ার থেকে জালালাবাদের দূরত্ব একশ মাইল।
খ
"বেলাবেলি কাবুল পৌঁছবার আর কোনো ভরসাই রইল না।" ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ বেলা করে মোটর ছাড়ায় সন্ধ্যার আগে আর কাবুলে পৌঁছানোর কোনো ভরসা নেই বলে লেখক প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন। ➤ লেখক হাওড়া থেকে কাবুল যাত্রা শুরু করেন। যাত্রাপথে জালালাবাদে বাস বিরতি দেয়। সেখানে সবাই যার যার মতো চলে যায়। কারণ অধিকাংশ লোকেরই জালালাবাদে আত্মীয়স্বজন ছিল। তারা সবাই যখন ফিরে আসে ততক্ষণে অনেক বেলা হয়ে যায়। আর বেলা করে গাড়ি ছাড়ায় সন্ধ্যার আগে আর কাবুল পৌছানোর সম্ভাবনা থাকে না। তাই লেখক প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন। সারকথা: সন্ধ্যার আগে কাবুলে পৌঁছার কোনো সম্ভাবনা না দেখে লেখক প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেন।
গ
উদ্দীপকের সঙ্গে 'গন্তব্য কাবুল' রচনার সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ উদ্দীপকের সঙ্গে 'গন্তব্য কাবুল' রচনার সাদৃশ্য দিকটি হলো ভ্রমণপথের অভিজ্ঞতা। ➤ ভ্রমণ মানুষের জ্ঞান বাড়ায়। ভ্রমণে মানুষ শুধু ভ্রমণ স্থান থেকেই নয়, ভ্রমণের পথ থেকেও নানা অভিজ্ঞতা অর্জন করে, যা তাদের জ্ঞানের পরিধি বাড়ায়। পরবর্তী জীবনে চলার পথে এই জ্ঞান কাজে লাগানো যায়। ➤ 'গন্তব্য কাবুল' রচনায় লেখক হাওড়া থেকে কাবুল পর্যন্ত তাঁর ভ্রমণাভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। সেখানে তিনি হাওড়া থেকে পেশাওয়ার, পেশাওয়ার থেকে জালালাবাদ এবং জালালাবাদ থেকে কাবুল যাত্রার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। তিনি তাঁর চলার পথে একাকিত্বের কথা বলেন। পরে অবশ্য যাত্রাসঙ্গী পেয়ে যান। লেখকের এই যাত্রাপথের অভিজ্ঞতার সঙ্গে উদ্দীপকের সাদৃশ্য দেখা যায়। উদ্দীপকে দীর্ঘ ভ্রমণে ভ্রমণকারীর মনের খুশির কথা বলা হয়েছে। সেখানেও বিভিন্ন জাতি ও বিভিন্ন ভাষার বৈশিষ্ট্যের আভাস পাওয়া যায়। মূলত 'গন্তব্য কাবুল' রচনায় লেখক তাঁর ভ্রমণ অভিজ্ঞতার বর্ণনায় বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেছেন, যে দিকটি উদ্দীপকের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। সারকথা: 'গন্তব্য কাবুল' রচনায় লেখক তার ভ্রমণে একাকিত্ব, বিভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতির মানুষের কথা বলেছেন। এই বিষয়টির ইঙ্গিত উদ্দীপকেও রয়েছে।
ঘ
উদ্দীপকটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনার মূল বিষয়কে নির্দেশ করে কি? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর

➤ না, উদ্দীপকটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনার মূল বিষয়কে নির্দেশ করে না। ➤ ভ্রমণ মানুষকে একদিকে যেমন আনন্দিত করে অন্যদিকে তেমনই মানুষের জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করে। ভ্রমণের মাধ্যমে লব্ধ জ্ঞান হলো মানুষের প্রত্যক্ষ জ্ঞান। ভ্রমণ মানুষের জ্ঞানচক্ষু খুলে দেয় আর মানুষকে বিভিন্নভাবে অভিজ্ঞ করে তোলে। ➤ 'গন্তব্য কাবুল' রচনায় লেখক তাঁর হাওড়া থেকে কাবুল পর্যন্ত যাত্রার নানা অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। হাওড়া থেকে পেশাওয়ার পৌছানোর পর সেখানকার আতিথেয়তা তাঁকে মুগ্ধ করে তোলে। তিনি তাঁর রচনায় দুই-একটি বাক্যের মধ্যে ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সম্যক ধারণা দিয়েছেন। ফিরিঙ্গির একটি বাক্যে তিনি ব্রিটিশশাসিত দুইশ বছরের ইতিহাসের মাত্রা অনুভব করিয়েছেন। এছাড়াও বিভিন্ন স্থানের প্রকৃতির বর্ণনা এবং মানুষের আচরণ তাদের সংস্কৃতি সম্পর্কে সম্যক ধারণা দেয়। এভাবেই ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির নানা পরিচয় আলোচ্য রচনায় পাওয়া যায়। এসবের কোনোকিছুর ইঙ্গিতই উদ্দীপকে নেই। ➤ উদ্দীপকে ভ্রমণের যে বর্ণনা দেওয়া হয়েছে সেখানে কেবল আলোচ্য রচনার লেখকের ভ্রমণপথের অভিজ্ঞতার দিকটি ইঙ্গিত করেছে। এছাড়া 'গন্তব্য কাবুল' রচনার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির পরিচয়সহ আরও যেসব বিষয় রয়েছে সেগুলো উদ্দীপকে অনুপস্থিত। তাই বলা যায়, উদ্দীপকটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনার মূল বিষয়কে নির্দেশ করে না। সারকথা: উদ্দীপকে কেবল লেখকের ভ্রমণপথের অভিজ্ঞতার আভাস আছে। এছাড়া ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির দিকটি উদ্দীপকে অনুপস্থিত। তাই উদ্দীপকটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনার । মূল বিষয়কে নির্দেশ করে না।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

ছেচল্লিশ ঘন্টা বিরতিহীন রেলভ্রমণের পর 'জেএন্ডকে' টুরিস্ট বাসের আরামদায়ক সিটে বসেই চোখ দুটো বুজে এলো ক্লান্তিতে। শনিবার সকাল এগারোটায় শিয়ালদা স্টেশন থেকে জম্বু-তাওয়াই এক্সপ্রেসে যখন উঠেছিলাম, দীর্ঘ ভ্রমণের আনন্দে মনটা ছিল খুশিতে ভরপুর। কিন্তু দিনের আলো নিতে যাওয়ার আগেই যখন বাঙালি বাবুরা হিন্দি জবানে কথা কইতে শুরু করল, তখনই নিঃসঙ্গতা পুরোপুরি জেগে উঠল। ট্রেন বর্ধমান ছেড়ে বিহারের জলময় ভূখন্ডে প্রবেশ করল এবং রাত্রি এক প্রহরের আগেই দেখা দিল পাহাড়। অনভিজ্ঞতার কারণে বড় বড় স্টেশনের সামান্য বিরতিতে আলুর দম ও লুচি কিনে খাওয়ার সুযোগ ঘটল না। রাত কাটালাম অমৃতবৎ চায়ের পেয়ালায় জিহ্বা আর পত্রিকার পাতায় চোখ বুলিয়ে।
ক
পেশাওয়ার থেকে জালালাবাদের দূরত্ব কয় মাইল?

উত্তর

পেশাওয়ার থেকে জালালাবাদের দূরত্ব একশ মাইল।
খ
"বেলাবেলি কাবুল পৌঁছবার আর কোনো ভরসাই রইল না।" ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ বেলা করে মোটর ছাড়ায় সন্ধ্যার আগে আর কাবুলে পৌঁছানোর কোনো ভরসা নেই বলে লেখক প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন। ➤ লেখক হাওড়া থেকে কাবুল যাত্রা শুরু করেন। যাত্রাপথে জালালাবাদে বাস বিরতি দেয়। সেখানে সবাই যার যার মতো চলে যায়। কারণ অধিকাংশ লোকেরই জালালাবাদে আত্মীয়স্বজন ছিল। তারা সবাই যখন ফিরে আসে ততক্ষণে অনেক বেলা হয়ে যায়। আর বেলা করে গাড়ি ছাড়ায় সন্ধ্যার আগে আর কাবুল পৌছানোর সম্ভাবনা থাকে না। তাই লেখক প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন। সারকথা: সন্ধ্যার আগে কাবুলে পৌঁছার কোনো সম্ভাবনা না দেখে লেখক প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেন।
গ
উদ্দীপকের সঙ্গে 'গন্তব্য কাবুল' রচনার সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ উদ্দীপকের সঙ্গে 'গন্তব্য কাবুল' রচনার সাদৃশ্য দিকটি হলো ভ্রমণপথের অভিজ্ঞতা। ➤ ভ্রমণ মানুষের জ্ঞান বাড়ায়। ভ্রমণে মানুষ শুধু ভ্রমণ স্থান থেকেই নয়, ভ্রমণের পথ থেকেও নানা অভিজ্ঞতা অর্জন করে, যা তাদের জ্ঞানের পরিধি বাড়ায়। পরবর্তী জীবনে চলার পথে এই জ্ঞান কাজে লাগানো যায়। ➤ 'গন্তব্য কাবুল' রচনায় লেখক হাওড়া থেকে কাবুল পর্যন্ত তাঁর ভ্রমণাভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। সেখানে তিনি হাওড়া থেকে পেশাওয়ার, পেশাওয়ার থেকে জালালাবাদ এবং জালালাবাদ থেকে কাবুল যাত্রার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। তিনি তাঁর চলার পথে একাকিত্বের কথা বলেন। পরে অবশ্য যাত্রাসঙ্গী পেয়ে যান। লেখকের এই যাত্রাপথের অভিজ্ঞতার সঙ্গে উদ্দীপকের সাদৃশ্য দেখা যায়। উদ্দীপকে দীর্ঘ ভ্রমণে ভ্রমণকারীর মনের খুশির কথা বলা হয়েছে। সেখানেও বিভিন্ন জাতি ও বিভিন্ন ভাষার বৈশিষ্ট্যের আভাস পাওয়া যায়। মূলত 'গন্তব্য কাবুল' রচনায় লেখক তাঁর ভ্রমণ অভিজ্ঞতার বর্ণনায় বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেছেন, যে দিকটি উদ্দীপকের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। সারকথা: 'গন্তব্য কাবুল' রচনায় লেখক তার ভ্রমণে একাকিত্ব, বিভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতির মানুষের কথা বলেছেন। এই বিষয়টির ইঙ্গিত উদ্দীপকেও রয়েছে।
ঘ
উদ্দীপকটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনার মূল বিষয়কে নির্দেশ করে কি? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর

➤ না, উদ্দীপকটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনার মূল বিষয়কে নির্দেশ করে না। ➤ ভ্রমণ মানুষকে একদিকে যেমন আনন্দিত করে অন্যদিকে তেমনই মানুষের জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করে। ভ্রমণের মাধ্যমে লব্ধ জ্ঞান হলো মানুষের প্রত্যক্ষ জ্ঞান। ভ্রমণ মানুষের জ্ঞানচক্ষু খুলে দেয় আর মানুষকে বিভিন্নভাবে অভিজ্ঞ করে তোলে। ➤ 'গন্তব্য কাবুল' রচনায় লেখক তাঁর হাওড়া থেকে কাবুল পর্যন্ত যাত্রার নানা অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। হাওড়া থেকে পেশাওয়ার পৌছানোর পর সেখানকার আতিথেয়তা তাঁকে মুগ্ধ করে তোলে। তিনি তাঁর রচনায় দুই-একটি বাক্যের মধ্যে ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সম্যক ধারণা দিয়েছেন। ফিরিঙ্গির একটি বাক্যে তিনি ব্রিটিশশাসিত দুইশ বছরের ইতিহাসের মাত্রা অনুভব করিয়েছেন। এছাড়াও বিভিন্ন স্থানের প্রকৃতির বর্ণনা এবং মানুষের আচরণ তাদের সংস্কৃতি সম্পর্কে সম্যক ধারণা দেয়। এভাবেই ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির নানা পরিচয় আলোচ্য রচনায় পাওয়া যায়। এসবের কোনোকিছুর ইঙ্গিতই উদ্দীপকে নেই। ➤ উদ্দীপকে ভ্রমণের যে বর্ণনা দেওয়া হয়েছে সেখানে কেবল আলোচ্য রচনার লেখকের ভ্রমণপথের অভিজ্ঞতার দিকটি ইঙ্গিত করেছে। এছাড়া 'গন্তব্য কাবুল' রচনার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির পরিচয়সহ আরও যেসব বিষয় রয়েছে সেগুলো উদ্দীপকে অনুপস্থিত। তাই বলা যায়, উদ্দীপকটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনার মূল বিষয়কে নির্দেশ করে না। সারকথা: উদ্দীপকে কেবল লেখকের ভ্রমণপথের অভিজ্ঞতার আভাস আছে। এছাড়া ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির দিকটি উদ্দীপকে অনুপস্থিত। তাই উদ্দীপকটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনার । মূল বিষয়কে নির্দেশ করে না।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো