গদ্য : যৌবনের গান Bangla 1st Paper

HSC Bangla 1st Paper এর গদ্য : যৌবনের গান অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

২৬৪

প্রশ্ন

Bangla 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

তুষারশুভ্র পর্বতমালার দুর্নিবার আকর্ষণে মৃত্যুভয়কে উপেক্ষা করে পর্বতারোহীরা এগিয়ে চলেন। বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয়ের স্বপ্ন থাকে তাবৎ বিশ্বের সকল পর্বতারোহীর। বাংলাদেশের এমনই এক তরুণ অভিযাত্রী যিনি তারুণ্য দিয়ে, উৎসাহ ও উদ্দীপনা দিয়ে জয় করেছেন মাউন্ট এভারেস্ট। সেই চিরতরুণ, দুঃসাহসী অভিযাত্রীর নাম মুসা ইব্রাহিম। মূলত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর থেকেই তার পর্বতারোহণের নেশা ধরে যায়। দু'তিনদিন কি এক সপ্তাহ ছুটি পেলেই তিনি চলে যেতেন কেওক্রাডং কিংবা তাজিং ডং-এ। তার অদম্য মনোবল ও স্পৃহাই তাকে পৌঁছে দিয়েছে এভারেস্ট চূড়ায়। মুসা ইব্রাহিম তারুণ্যের প্রতীক হয়ে থাকবেন।
ক
মৃত্যুকালীন শ্বাসকষ্টকে কী বলে?

উত্তর

মৃত্যুকালীন শ্বাসকষ্টকে বলে নাভিশ্বাস।
খ
"যৌবন-সূর্য যেথায় অস্তমিত, দুঃখের তিমিরকুন্ডলা নিশীথিনীর সেই তো লীলাভূমি"- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ "যৌবন-সূর্য যেথায় অস্তমিত, দুঃখের তিমিরকুন্দ্রলা নিশীথিনীর সেই তো লীলাভূমি।"- যৌবনের প্রশস্তি গাইতে গিয়ে লেখক একথা বলেছেন। ➤ 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখক তারুণ্যশক্তির জয়গান করেছেন। কারণ তরুণরা দেশ ও জাতির গৌরব, আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। যুগে যুগে দেশ ও জাতির উন্নতির মূলে এই শক্তি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। যৌবনশক্তিই দেশ ও জাতিকে কুসংস্কার দূরীকরণ এবং পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করেছে। সূর্য যেমন অন্ধকার দূর করে তারুণ্যও তেমনই সমাজ ও জাতীয় জীবন থেকে অন্ধকার ও কুসংস্কার নির্মূল করে। এদিক বিবেচনায় লেখক প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন। সায়কথা: তারুণ্য সূর্যের মতোই তিমির হননকারী। লেখক তাই তাবুগাশক্তির প্রশংসা করেছেন।
গ
উদ্দীপকের মুসা ইব্রাহিমের এভারেস্ট জয় 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের সঙ্গে কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ উদ্দীপকের মুসা ইব্রাহিমের এভারেস্ট জয়। 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের সঙ্গে প্রাণধর্ম তথা স্বপ্ন ও সাধনার দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ। ➤ তরুণরা অফুরন্ত প্রাণচাঞ্চল্য যৌবনের প্রতীক। তারা মৃত্যুকে তুচ্ছ করে এগিয়ে যায় সমাজ প্রগতি ও নতুন স্বপ্নময় মুক্ত জীবনের পথে। ➤ 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলাম দুরন্ত-দুর্বার যৌবনের বন্দনা করেছেন। তিনি তারুণ্যকে জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তাঁর মতে, তারুণ্য হচ্ছে অফুরন্ত প্রাণশক্তির আধার। তা মানুষের জীবনকে করে গতিশীল ও প্রত্যাশাময়। যৌবন বা তারুণ্যই হচ্ছে জীবনের প্রধান প্রাণধর্ম। তার মতে, সেই যথার্থ তরুণ যার প্রাণশক্তি অপরিমেয়। অফুরন্ত প্রাণশক্তির পথ ধরেই মুসা ইব্রাহিমের এভারেস্ট জয়ের সাফল্য এসেছে। উদ্দীপকের মুসা ইব্রাহিম সেই জীবনই ছিনিয়ে এনেছেন। স্বপ্ন বিভোরতা ও সাধনা থেকেই তিনি এভারেস্ট জয় করতে সক্ষম হয়েছেন। এভাবে 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের লেখকের প্রাণধর্মের সঙ্গে তার এভারেস্ট জয়ের ঘটনা সংগতিপূর্ণ। সারকথা: কাজী নজরুল ইসলাম তার 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে তারুণ্যকে অফুরন্ত প্রাণশক্তির আধার হিসেবে বিবেচনা করেছেন। এই দিকটির সঙ্গে অভিযাত্রী মুসা ইব্রাহিমের এভারেস্ট জয়ের ঘটনা সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ
"মুসা ইব্রাহিম তারুণ্যের প্রতীক হয়ে থাকবেন"- 'যৌবনের গান' প্রবন্ধেও তরুণদের এমন প্রশংসা কীর্তিত হয়েছে।"- যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর

➤ মুসা ইব্রাহিম পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেস্ট জয় করা প্রথম বাংলাদেশি তরুণ। তরুণদের জন্য তিনি সব সময় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবেন। এমন তরুণদের প্রশংসাই কীর্তিত হয়েছে 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে। ➤ যারা মানুষকে স্বপ্ন দেখায়, নতুন কিছু ভাবতে শেখায় তারাই তারুণ্যের অধিকারী। তরুণরা যেকোনো অভিযানে তারুণ্যের স্বাক্ষর রেখে সামনে এগিয়ে যায়। তারুণ্য বা যৌবনের স্থানগত ও কালগত কোনো সীমারেখা নেই। ➤ উদ্দীপকের মুসা ইব্রাহিম এভারেস্ট জয় করেছেন। এটা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গর্ব ও গৌরবের বিষয়। তিনি পর্বতের অসীম উচ্চতা, পদে পদে মৃত্যুর হাতছানিকে তুচ্ছ করে জয়ের নেশায় এগিয়ে গেছেন। লাশের সারি দেখে তিনি পিছপা হননি, বরং দৃঢ় মনোবল নিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছেছেন। তাঁর এ এভারেস্ট জয় তারুণ্যের বৈশিষ্ট্যের পরিচায়ক। 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে তারুণ্যের এই বৈশিষ্ট্যের কথা বলা হয়েছে। লেখক এখানে তারুণ্যের সাহসী চেতনা ও মাতৃরূপ তুলে ধরেছেন। তরুণরা যেমন নির্মাণের জন্য তৎপর তেমনই অন্যায়ের প্রতিকারে সংগ্রামী। ➤ 'যৌবনের গান' প্রবন্ধানুসারে তারুণ্যের ধর্ম হলো কোনো বাধা না মানা এবং অদম্য মনোবল ও সাহস পুঁজি করে সামনের পানে এগিয়ে যাওয়া, যা মুসা ইব্রাহিমের চেষ্টায় প্রতিফলিত হয়েছে। মৃত্যুভয়কে তুচ্ছ করে তিনি এভারেস্ট জয়ের মতো ঘটনা ঘটিয়েছেন। এই দিক বিচারে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: তারুণ্যের অফুরন্ত শক্তি ও সম্ভাবনা নিয়ে মুসা ইব্রাহিম প্রথম বাংলাদেশি হিসেধে এভারেস্টের চূড়া জয় করেন। অরুণদের দৃঢ় মনোবল ও অদম্য চেষ্টার দিক থেকে তিনি 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের তারুণ্যের প্রতীক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

তুষারশুভ্র পর্বতমালার দুর্নিবার আকর্ষণে মৃত্যুভয়কে উপেক্ষা করে পর্বতারোহীরা এগিয়ে চলেন। বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয়ের স্বপ্ন থাকে তাবৎ বিশ্বের সকল পর্বতারোহীর। বাংলাদেশের এমনই এক তরুণ অভিযাত্রী যিনি তারুণ্য দিয়ে, উৎসাহ ও উদ্দীপনা দিয়ে জয় করেছেন মাউন্ট এভারেস্ট। সেই চিরতরুণ, দুঃসাহসী অভিযাত্রীর নাম মুসা ইব্রাহিম। মূলত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর থেকেই তার পর্বতারোহণের নেশা ধরে যায়। দু'তিনদিন কি এক সপ্তাহ ছুটি পেলেই তিনি চলে যেতেন কেওক্রাডং কিংবা তাজিং ডং-এ। তার অদম্য মনোবল ও স্পৃহাই তাকে পৌঁছে দিয়েছে এভারেস্ট চূড়ায়। মুসা ইব্রাহিম তারুণ্যের প্রতীক হয়ে থাকবেন।
ক
মৃত্যুকালীন শ্বাসকষ্টকে কী বলে?

উত্তর

মৃত্যুকালীন শ্বাসকষ্টকে বলে নাভিশ্বাস।
খ
"যৌবন-সূর্য যেথায় অস্তমিত, দুঃখের তিমিরকুন্ডলা নিশীথিনীর সেই তো লীলাভূমি"- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ "যৌবন-সূর্য যেথায় অস্তমিত, দুঃখের তিমিরকুন্দ্রলা নিশীথিনীর সেই তো লীলাভূমি।"- যৌবনের প্রশস্তি গাইতে গিয়ে লেখক একথা বলেছেন। ➤ 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখক তারুণ্যশক্তির জয়গান করেছেন। কারণ তরুণরা দেশ ও জাতির গৌরব, আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। যুগে যুগে দেশ ও জাতির উন্নতির মূলে এই শক্তি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। যৌবনশক্তিই দেশ ও জাতিকে কুসংস্কার দূরীকরণ এবং পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করেছে। সূর্য যেমন অন্ধকার দূর করে তারুণ্যও তেমনই সমাজ ও জাতীয় জীবন থেকে অন্ধকার ও কুসংস্কার নির্মূল করে। এদিক বিবেচনায় লেখক প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন। সায়কথা: তারুণ্য সূর্যের মতোই তিমির হননকারী। লেখক তাই তাবুগাশক্তির প্রশংসা করেছেন।
গ
উদ্দীপকের মুসা ইব্রাহিমের এভারেস্ট জয় 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের সঙ্গে কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ উদ্দীপকের মুসা ইব্রাহিমের এভারেস্ট জয়। 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের সঙ্গে প্রাণধর্ম তথা স্বপ্ন ও সাধনার দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ। ➤ তরুণরা অফুরন্ত প্রাণচাঞ্চল্য যৌবনের প্রতীক। তারা মৃত্যুকে তুচ্ছ করে এগিয়ে যায় সমাজ প্রগতি ও নতুন স্বপ্নময় মুক্ত জীবনের পথে। ➤ 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলাম দুরন্ত-দুর্বার যৌবনের বন্দনা করেছেন। তিনি তারুণ্যকে জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তাঁর মতে, তারুণ্য হচ্ছে অফুরন্ত প্রাণশক্তির আধার। তা মানুষের জীবনকে করে গতিশীল ও প্রত্যাশাময়। যৌবন বা তারুণ্যই হচ্ছে জীবনের প্রধান প্রাণধর্ম। তার মতে, সেই যথার্থ তরুণ যার প্রাণশক্তি অপরিমেয়। অফুরন্ত প্রাণশক্তির পথ ধরেই মুসা ইব্রাহিমের এভারেস্ট জয়ের সাফল্য এসেছে। উদ্দীপকের মুসা ইব্রাহিম সেই জীবনই ছিনিয়ে এনেছেন। স্বপ্ন বিভোরতা ও সাধনা থেকেই তিনি এভারেস্ট জয় করতে সক্ষম হয়েছেন। এভাবে 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের লেখকের প্রাণধর্মের সঙ্গে তার এভারেস্ট জয়ের ঘটনা সংগতিপূর্ণ। সারকথা: কাজী নজরুল ইসলাম তার 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে তারুণ্যকে অফুরন্ত প্রাণশক্তির আধার হিসেবে বিবেচনা করেছেন। এই দিকটির সঙ্গে অভিযাত্রী মুসা ইব্রাহিমের এভারেস্ট জয়ের ঘটনা সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ
"মুসা ইব্রাহিম তারুণ্যের প্রতীক হয়ে থাকবেন"- 'যৌবনের গান' প্রবন্ধেও তরুণদের এমন প্রশংসা কীর্তিত হয়েছে।"- যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর

➤ মুসা ইব্রাহিম পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেস্ট জয় করা প্রথম বাংলাদেশি তরুণ। তরুণদের জন্য তিনি সব সময় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবেন। এমন তরুণদের প্রশংসাই কীর্তিত হয়েছে 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে। ➤ যারা মানুষকে স্বপ্ন দেখায়, নতুন কিছু ভাবতে শেখায় তারাই তারুণ্যের অধিকারী। তরুণরা যেকোনো অভিযানে তারুণ্যের স্বাক্ষর রেখে সামনে এগিয়ে যায়। তারুণ্য বা যৌবনের স্থানগত ও কালগত কোনো সীমারেখা নেই। ➤ উদ্দীপকের মুসা ইব্রাহিম এভারেস্ট জয় করেছেন। এটা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গর্ব ও গৌরবের বিষয়। তিনি পর্বতের অসীম উচ্চতা, পদে পদে মৃত্যুর হাতছানিকে তুচ্ছ করে জয়ের নেশায় এগিয়ে গেছেন। লাশের সারি দেখে তিনি পিছপা হননি, বরং দৃঢ় মনোবল নিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছেছেন। তাঁর এ এভারেস্ট জয় তারুণ্যের বৈশিষ্ট্যের পরিচায়ক। 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে তারুণ্যের এই বৈশিষ্ট্যের কথা বলা হয়েছে। লেখক এখানে তারুণ্যের সাহসী চেতনা ও মাতৃরূপ তুলে ধরেছেন। তরুণরা যেমন নির্মাণের জন্য তৎপর তেমনই অন্যায়ের প্রতিকারে সংগ্রামী। ➤ 'যৌবনের গান' প্রবন্ধানুসারে তারুণ্যের ধর্ম হলো কোনো বাধা না মানা এবং অদম্য মনোবল ও সাহস পুঁজি করে সামনের পানে এগিয়ে যাওয়া, যা মুসা ইব্রাহিমের চেষ্টায় প্রতিফলিত হয়েছে। মৃত্যুভয়কে তুচ্ছ করে তিনি এভারেস্ট জয়ের মতো ঘটনা ঘটিয়েছেন। এই দিক বিচারে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: তারুণ্যের অফুরন্ত শক্তি ও সম্ভাবনা নিয়ে মুসা ইব্রাহিম প্রথম বাংলাদেশি হিসেধে এভারেস্টের চূড়া জয় করেন। অরুণদের দৃঢ় মনোবল ও অদম্য চেষ্টার দিক থেকে তিনি 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের তারুণ্যের প্রতীক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

তখন আমার একটি দৈনিক পত্রিকার অফিসে বেশ যাতায়াত ছিল। সুমি নামের একটি মেয়ে খুন হয় মিরপুরে। এটা নিয়ে সংবাদপত্রে আর সাংবাদিক মহলে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল। যে পত্রিকা অফিসে আমার যাতায়াত ছিল সেই পত্রিকাও ওই নিউজটা কাভার করত। এর দায়িত্বে ছিলেন একজন বৃদ্ধ সাংবাদিক। তিনি প্রায়ই সেখানে যেতেন আর এদিকে ওদিকে ক্যামেরা ঘুরিয়ে দু'একজনের কান্নার ভিডিও তুলে খবরটাকে মর্মান্তিক করে তুলতেন। তবে খুনির ব্যাপারে তার মাথাব্যথা ছিল না। অবশেষে এই খুনের তথ্য উদঘাটনের দায়িত্বে এলো এক তরুণ সাংবাদিক। খুনের ব্যাপারে বেশ তদন্ত চালাল ছেলেটি। তার মোবাইলে একাধিকবার হুমকি এলো। তবুও দমল না ছেলেটি। খুঁজে বের করল প্রকৃত খুনিকে।
ক
আপন মনের আনন্দে কে গান করে?

উত্তর

আপন মনের আনন্দে গানের পাখি গান করে।
খ
"যদি তাহাতে কাহারও অলস তন্দ্রা, মোহনিদ্রা টুটিয়া যায়, তাহা একান্ত দৈব।" ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ "যদি তাহাতে কাহারও অলস তন্দ্রা, মোহনিদ্রা টুটিয়া যায়, তাহা একান্ত দৈব" কথাটি দ্বারা গানের পাখির গানকে প্রত্যক্ষ নির্দেশ করা হয়েছে এবং পরোক্ষভাবে যৌবনের বেদনাকে বুঝানো হয়েছে। ➤ 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখক যৌবনের প্রকৃত বৈশিষ্ট্য এবং এর গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তিনি এখানে বিভিন্ন বিষয়ের অবতারণা করে মূল বিষয়টি বোঝাতে চেয়েছেন। তিনি বলেছেন গানের পাখি মনের আনন্দে গান করে। এতে যদি বনের অন্য কারও সুখনিদ্রায় ব্যাঘাত ঘটে, তবে সেটা গানের পাখির দোষ নয়। কারণ গানের পাখি কারও অলসনিদ্রার কথা ভেবে গান গায় না। তেমনই যৌবনের বেগের কাছে যদি কারও মেকি মুখোশ খসে পড়ে, তবে সেটা যৌবনের দোষ নয়, কারণ যৌবন মেকি মুখোশের প্রতি লক্ষ রেখে পথ চলে না। আপন সৃষ্টির তেজে উদ্দীপিত হয়েই যৌবন পথ চলে এবং তার গান গেয়ে যায়। সারকথা: লেখক বনের গানের পাখির স্বাধীন চেতনাকে যৌবনের সঙ্গে তুলনা করে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।
গ
উদ্দীপকের বৃদ্ধ সাংবাদিকের চারিত্রিক গুণ 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ উদ্দীপকের বৃদ্ধ সাংবাদিকের চরিত্র 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে বার্ধক্যরূপে প্রতিফলিত হয়েছে। লেখক বার্ধক্যকে যে রূপে চিত্রায়িত করেছেন, উদ্দীপকের বৃদ্ধ ঠিক সেই চরিত্রেরই অধিকারী। ➤ যৌবনের চেতনা থেকে দূরে গেলে জীবনের সমস্ত মানুষ সকল সাহস ও উদাম হারিয়ে ফেলে। তখন বার্ধক্য বা জড়তা তাকে জড়িয়ে ধরে। মূলত মানব চরিত্রের মানসিক দৈনাই এর জন্য প্রধানত দায়ী। ➤ 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখক যৌবনের গুরুত্ব তুলে ধরতে গিয়ে প্রসঙ্গক্রমে বার্ধক্যের স্বরূপ উন্মোচন করেছেন। তাঁর মতে, যারা মিথ্যা আর পুরাতনকে আঁকড়ে ধরে, নতুনত্বকে অস্বীকার করে তারাই মূলত বার্ধক্যের কাতারে। ভয় আর লোভকে পুঁজি করে যারা নতুনদের নব উদ্দীপনাকে স্বাগত জানায় না; বরং নিন্দা করে তারাই বার্ধক্যের কবলে জর্জরিত। শুধু বৃদ্ধ হলেই মানুষ বার্ধক্যে উপনীত হয় না। মূলত সংস্কারবিরোধী ভীতুজনেরাই বার্ধক্যের প্রতিমূর্তি। জীবন থাকতেও তারা জড়বস্তুর মতো উদ্দীপনাহীন আচরণ করে। লেখকের মতানুসারে যারা বার্ধক্যের প্রতিমূর্তি, উদ্দীপকের বৃদ্ধ সাংবাদিক তাদের অনুরূপ। সারকথা: উদ্দীপকের বৃদ্ধ সাংবাদিকের চারিত্রিক গুণ 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে বার্ধক্য নামের মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়েছে।
ঘ
"উদ্দীপকের দামাল ছেলেটিই 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের যৌবনের প্রতীক।"- মন্তবাটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

➤ "উদ্দীপকের দামাল ছেলেটিই 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের যৌবনের প্রতীক।" মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ মানবজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ের মধ্যে সবচেয়ে সতেজ সবুজ অবস্থাটি যৌবন। যৌবন বলতে কেবল তরুণ বয়সকেই নির্দেশ করে না। তারুণ্যের চেতনাকেও নির্দেশ করে। এই চেতনা বৃদ্ধ বয়সেও থাকতে পারে। আবার তরুণ বয়সেও বার্ধক্য আসতে পারে। ➤ উদ্দীপকে সুমি নামক এক মেয়ে মিরপুরে খুন হলে তার প্রকৃত খুনকে খুঁজে সংবাদ কাভার করা এবং খুনের রহস্য উদঘাটনের দায়িত্ব দেওয়া হয় এক বৃদ্ধ সাংবাদিককে। তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে শুধু মানুষের কান্না যা আর আবেগজড়িত কথাবার্তা দিয়ে ঘটনাটিকে বেদনাবিধুর করেই তুলেছেন, প্রকৃত তদন্তের কিছুই করেননি। এমন সময় এই খুনের রহস্য উদঘাটনের দায়িত্ব নেয় এক তরুণ সাংবাদিক। সে তদন্ত চালাতে থাকে। ধীরে ধীরে এই ব্যাপারে জোর এর রহস্যের জট খুলতে শুরু করে, তখন চতুর্দিক থেকে তরুণ সাংবাদিকের প্রাণনাশের হুমকি এলেও শেষ পর্যন্ত তাকে দমন করা সম্ভব হলো না। 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে যৌবনের এই চেতনায়ই প্রত্যাশা করা হয়েছে।। ➤ 'যৌবনের গান' রচনায় লেখক যৌবনের সুস্পষ্ট রূপরেখা বর্ণনা করেছেন। তাঁর মতে, যৌবন এক অপ্রতিরোধ্য ধর্মের নাম। যৌবনের পূজারি তরুণদের হৃদয়ে যৌবন সঞ্চার করে দুরন্ত সাহস। অত্যাচারীর সামনে যমদূত হয়ে দাঁড়ায় আর মজলুমের জন্য তার হৃদয়ে ঝরনার মতো চিরন্তন কান্নার স্রোত বয়ে চলে। পৃথিবীর রহস্য উদঘাটনে এরা অকুতোভয়। অনাহারীর মুখে আহার তুলে দেয়, আর্তের সেবা করে, দুর্দশাগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ায় তরুণরা। উদ্দীপকের দামাল ছেলেটি এই যৌবনের প্রতীক। এই দিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখুক, যৌবনের যে দুর্দম ম রূপরেখা অঙ্কন করেছেন, তা উদ্দীপকের তরুণ সাংবাদিকের দুঃসাহসী চরিত্রের মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

তখন আমার একটি দৈনিক পত্রিকার অফিসে বেশ যাতায়াত ছিল। সুমি নামের একটি মেয়ে খুন হয় মিরপুরে। এটা নিয়ে সংবাদপত্রে আর সাংবাদিক মহলে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল। যে পত্রিকা অফিসে আমার যাতায়াত ছিল সেই পত্রিকাও ওই নিউজটা কাভার করত। এর দায়িত্বে ছিলেন একজন বৃদ্ধ সাংবাদিক। তিনি প্রায়ই সেখানে যেতেন আর এদিকে ওদিকে ক্যামেরা ঘুরিয়ে দু'একজনের কান্নার ভিডিও তুলে খবরটাকে মর্মান্তিক করে তুলতেন। তবে খুনির ব্যাপারে তার মাথাব্যথা ছিল না। অবশেষে এই খুনের তথ্য উদঘাটনের দায়িত্বে এলো এক তরুণ সাংবাদিক। খুনের ব্যাপারে বেশ তদন্ত চালাল ছেলেটি। তার মোবাইলে একাধিকবার হুমকি এলো। তবুও দমল না ছেলেটি। খুঁজে বের করল প্রকৃত খুনিকে।
ক
আপন মনের আনন্দে কে গান করে?

উত্তর

আপন মনের আনন্দে গানের পাখি গান করে।
খ
"যদি তাহাতে কাহারও অলস তন্দ্রা, মোহনিদ্রা টুটিয়া যায়, তাহা একান্ত দৈব।" ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ "যদি তাহাতে কাহারও অলস তন্দ্রা, মোহনিদ্রা টুটিয়া যায়, তাহা একান্ত দৈব" কথাটি দ্বারা গানের পাখির গানকে প্রত্যক্ষ নির্দেশ করা হয়েছে এবং পরোক্ষভাবে যৌবনের বেদনাকে বুঝানো হয়েছে। ➤ 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখক যৌবনের প্রকৃত বৈশিষ্ট্য এবং এর গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তিনি এখানে বিভিন্ন বিষয়ের অবতারণা করে মূল বিষয়টি বোঝাতে চেয়েছেন। তিনি বলেছেন গানের পাখি মনের আনন্দে গান করে। এতে যদি বনের অন্য কারও সুখনিদ্রায় ব্যাঘাত ঘটে, তবে সেটা গানের পাখির দোষ নয়। কারণ গানের পাখি কারও অলসনিদ্রার কথা ভেবে গান গায় না। তেমনই যৌবনের বেগের কাছে যদি কারও মেকি মুখোশ খসে পড়ে, তবে সেটা যৌবনের দোষ নয়, কারণ যৌবন মেকি মুখোশের প্রতি লক্ষ রেখে পথ চলে না। আপন সৃষ্টির তেজে উদ্দীপিত হয়েই যৌবন পথ চলে এবং তার গান গেয়ে যায়। সারকথা: লেখক বনের গানের পাখির স্বাধীন চেতনাকে যৌবনের সঙ্গে তুলনা করে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।
গ
উদ্দীপকের বৃদ্ধ সাংবাদিকের চারিত্রিক গুণ 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ উদ্দীপকের বৃদ্ধ সাংবাদিকের চরিত্র 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে বার্ধক্যরূপে প্রতিফলিত হয়েছে। লেখক বার্ধক্যকে যে রূপে চিত্রায়িত করেছেন, উদ্দীপকের বৃদ্ধ ঠিক সেই চরিত্রেরই অধিকারী। ➤ যৌবনের চেতনা থেকে দূরে গেলে জীবনের সমস্ত মানুষ সকল সাহস ও উদাম হারিয়ে ফেলে। তখন বার্ধক্য বা জড়তা তাকে জড়িয়ে ধরে। মূলত মানব চরিত্রের মানসিক দৈনাই এর জন্য প্রধানত দায়ী। ➤ 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখক যৌবনের গুরুত্ব তুলে ধরতে গিয়ে প্রসঙ্গক্রমে বার্ধক্যের স্বরূপ উন্মোচন করেছেন। তাঁর মতে, যারা মিথ্যা আর পুরাতনকে আঁকড়ে ধরে, নতুনত্বকে অস্বীকার করে তারাই মূলত বার্ধক্যের কাতারে। ভয় আর লোভকে পুঁজি করে যারা নতুনদের নব উদ্দীপনাকে স্বাগত জানায় না; বরং নিন্দা করে তারাই বার্ধক্যের কবলে জর্জরিত। শুধু বৃদ্ধ হলেই মানুষ বার্ধক্যে উপনীত হয় না। মূলত সংস্কারবিরোধী ভীতুজনেরাই বার্ধক্যের প্রতিমূর্তি। জীবন থাকতেও তারা জড়বস্তুর মতো উদ্দীপনাহীন আচরণ করে। লেখকের মতানুসারে যারা বার্ধক্যের প্রতিমূর্তি, উদ্দীপকের বৃদ্ধ সাংবাদিক তাদের অনুরূপ। সারকথা: উদ্দীপকের বৃদ্ধ সাংবাদিকের চারিত্রিক গুণ 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে বার্ধক্য নামের মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়েছে।
ঘ
"উদ্দীপকের দামাল ছেলেটিই 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের যৌবনের প্রতীক।"- মন্তবাটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

➤ "উদ্দীপকের দামাল ছেলেটিই 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের যৌবনের প্রতীক।" মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ মানবজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ের মধ্যে সবচেয়ে সতেজ সবুজ অবস্থাটি যৌবন। যৌবন বলতে কেবল তরুণ বয়সকেই নির্দেশ করে না। তারুণ্যের চেতনাকেও নির্দেশ করে। এই চেতনা বৃদ্ধ বয়সেও থাকতে পারে। আবার তরুণ বয়সেও বার্ধক্য আসতে পারে। ➤ উদ্দীপকে সুমি নামক এক মেয়ে মিরপুরে খুন হলে তার প্রকৃত খুনকে খুঁজে সংবাদ কাভার করা এবং খুনের রহস্য উদঘাটনের দায়িত্ব দেওয়া হয় এক বৃদ্ধ সাংবাদিককে। তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে শুধু মানুষের কান্না যা আর আবেগজড়িত কথাবার্তা দিয়ে ঘটনাটিকে বেদনাবিধুর করেই তুলেছেন, প্রকৃত তদন্তের কিছুই করেননি। এমন সময় এই খুনের রহস্য উদঘাটনের দায়িত্ব নেয় এক তরুণ সাংবাদিক। সে তদন্ত চালাতে থাকে। ধীরে ধীরে এই ব্যাপারে জোর এর রহস্যের জট খুলতে শুরু করে, তখন চতুর্দিক থেকে তরুণ সাংবাদিকের প্রাণনাশের হুমকি এলেও শেষ পর্যন্ত তাকে দমন করা সম্ভব হলো না। 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে যৌবনের এই চেতনায়ই প্রত্যাশা করা হয়েছে।। ➤ 'যৌবনের গান' রচনায় লেখক যৌবনের সুস্পষ্ট রূপরেখা বর্ণনা করেছেন। তাঁর মতে, যৌবন এক অপ্রতিরোধ্য ধর্মের নাম। যৌবনের পূজারি তরুণদের হৃদয়ে যৌবন সঞ্চার করে দুরন্ত সাহস। অত্যাচারীর সামনে যমদূত হয়ে দাঁড়ায় আর মজলুমের জন্য তার হৃদয়ে ঝরনার মতো চিরন্তন কান্নার স্রোত বয়ে চলে। পৃথিবীর রহস্য উদঘাটনে এরা অকুতোভয়। অনাহারীর মুখে আহার তুলে দেয়, আর্তের সেবা করে, দুর্দশাগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ায় তরুণরা। উদ্দীপকের দামাল ছেলেটি এই যৌবনের প্রতীক। এই দিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখুক, যৌবনের যে দুর্দম ম রূপরেখা অঙ্কন করেছেন, তা উদ্দীপকের তরুণ সাংবাদিকের দুঃসাহসী চরিত্রের মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

অনন্তের এবার একটা সাইকেল হলো। জমানো টাকায় কেনা সাইকেলটি দেখতে বেশ ভালোই। গতিও দারুণ। অনন্তর স্বপ্নটা আরও প্রখর হয়ে ওঠে। একদিন সে বেরিয়ে পড়ে রাস্তায়। তার পর অনেকদিন দেখা পাইনি। তিন মাস পরে অনন্ত এলো। তার মুখে হাসি। দেশের প্রায় সবকটা জেলা সে ভ্রমণ করেছে। অনন্তর পোশাকের দিকে তাকালাম। গায়ে সাদা গেঞ্জি, সামনে ও পেছনে লেখা- "বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ করুন।" বুঝলাম অনন্তর দারুণ হাসির সার্থকতা। শ্রদ্ধায় মাথা নুয়ে এলো।
ক
যৌবনের গান' প্রবন্ধের লেখক কীসের পূজারি?

উত্তর

'যৌবনের গান' প্রবন্ধের লেখক যৌবনের পূজারি।
খ
যৌবনের মাতৃরূপ বলতে কী বোঝ? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ যৌবনের মাতৃরূপ বলতে যৌবনের সেবাব্রতী কোমল রূপকে বোঝানো হয়েছে। ➤ যৌবনের গান, প্রবন্ধে লেখক যৌবনের জয়গান করেছেন। এখানে প্রতিবাদ ও মানবিকতা উভয় চেতনার প্রতিফলন ঘটেছে। যৌবন মানেই ঝড়ের মতো বিধ্বংসী শক্তি। মিথ্যাকে গুঁড়িয়ে সত্য প্রতিষ্ঠাই এই শক্তির মূল লক্ষ্য। কিন্তু কখনো কখনো যৌবন অত্যন্ত কোমল। দয়ার্দ্রতা যৌবনের আরেক রূপ। যৌবন ক্ষুধার্তকে অন্নদানে সহায়তা করে, বন্যার্তের পাশে দাঁড়ায় সর্বাত্মক সাহায্য নিয়ে। আর্ডের পাশে রাত জেগে সেবা করে। শব বহন করে শশ্মশানে সৎকারের জন্য নিয়ে যায়। মূলত এটিই যৌবনের মাতৃরূপ। সারকথা: যৌবনের মাতৃরূপ বলতে যৌবনের সেবাব্রতী কোমল রূপকে বোঝানো হয়েছে।
গ
উদ্দীপকের অনন্ত 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের কোন দিকটি নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ উদ্দীপকের অনন্ত 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের যৌবনের দূরন্ত গতিময়তার দিকটি নির্দেশ করে। ➤ যৌবন হলো জীবনের ধর্ম। এ ধর্ম অন্য সব ধর্মকে ছাপিয়ে উর্ধ্বে অবস্থান করে। এ ধর্মের কোনো জাত নেই, বর্ণ নেই, দেশ নেই, কাল নেই। যৌবন সব দেশ, কাল, সময়কে জয় করে নিয়েছে। ন্যায়কে প্রতিষ্ঠাই যৌবনের একমাত্র উদ্দেশ্য। ➤ 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে যৌবনের তেজদীপ্ত রূপ প্রকাশ পেয়েছে। যৌবন কোনো ভয় বা আশঙ্কায় ভীত নয়। সব ভয়, সব আশঙ্কা কাটিয়ে যৌবন আপনার গতিতে চলে। কোনো প্রতিবন্ধকতা যৌবনকে বুখে দিতে পারে না। প্রচন্ড শক্তিতে যৌবন নিজের পথ নিজেই রচনা করে। পৃথিবীকে সে করে তোলে স্বাভাবিক। সৃষ্টির চাহিদা মেটানো যৌবনধর্মের বিশেষ দিক। ফলে তার পদচারণা কখনো সমুদ্রে, কখনো পাষাণ পাহাড়ে, আবার কখনো বিজন মরুভূমিতে। উদ্দীপকের অনন্তও একই চরিত্রের বাহক। সে সারা দেশ সাইকেলে ভ্রমণ করেছে এবং মানুষকে বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে সচেতন করেছে। মূলত সাধারণ দৃষ্টিতে এই অনন্ত তার ইচ্ছা থেকে পিছপা হয়নি। অকুতোভয় সাহস নিয়ে সারা দেশে একাই রচনা করেছে গণসচেতনতার জোয়ার। এভাবে উদ্দীপকের অনন্তর যৌবনের দুরন্ত গতিময়তার দিকটি নির্দেশ করে। সারকথা: 'যৌবনের গান' প্রবন্দে যৌবনের যে তেজদীপ্ত রূপ প্রকাশ পেয়েছে, উদ্দীপকের অনন্ত সেই দিকটার প্রতিষ্ঠা করেছে।
ঘ
উদ্দীপকে প্রতিফলিত অনন্তর মনোভাব 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের যৌবনের হার না-মানা মনোভাবের প্রতিরূপ।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

➤ উদীপকে প্রতিফলিত অনন্তর মনোভাব 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের যৌবনের হার না-মানা মনোভাবের প্রতিরূপ।"- মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ যে বার্ধক্যের পূজারি, সে মৃত্যুকে ভয় পায়। কারণ তার মধ্যে সৃষ্টির স্পৃহা নেই। অন্যদিকে যৌবন সৃষ্টিতে, জয়ে বিশ্বাসী। সত্যকে অবলম্বন করে মিথ্যার বিরুদ্ধে সংগ্রামে বিশ্বাসী। ➤ উদ্দীপকে যৌবনের ইতিবাচক চেতনার প্রতিফলন ঘটেছে। এখানে অনন্ত একজন তরুণ। তার স্বপ্ন হলো বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা। এজন্য তার একটা সাইকেলের প্রয়োজন ছিল। অনেক দিন ধরে টাকা জমিয়ে অবশেষে সাইকেল কেনে। সেই সাইকেল নিয়ে সে সারা দেশ ভ্রমণ এবং মানুয়কে বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে সচেতন করে। 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের লেখকও দেখিয়েছেন যৌবনের হার না-মানা রূপ। যৌবন কখনো হারতে জানে না, বিপদের ভয় করতে জানে না। যৌবন সৃষ্টির লক্ষ্যে বহু কঠিন পথ পাড়ি দেয়। ➤ 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে যৌবনের রুদ্ররূপ কোনো প্রতিবন্ধকতায় প্রতিহত না হওয়ার বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে। উদ্দীপকের অনন্তর কর্মকান্ডে তা প্রকাশ পেয়েছে। কারণ সে সারা দেশে বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে একাই প্রচারণা চালিয়েছে। সে যদি ভয় পেত, যদি যৌবনধর্মের বাহক না হতো তবে সারা দেশ ঘুরত না। এদিক বিচারে তাই বলা যায়, 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে যৌবনের হার না-মানা যে রূপ প্রকাশ পেয়েছে, উদ্দীপকের অনন্ত সেই মনোভাবেরই প্রতিরূপ। সারকথা: 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখক যৌবনকে দেখিয়েছেন হার না-মানার প্রতীক হিসেবে। উদ্দীপকের অনন্ত সেই মনোভাবের দারুণ প্রতিফলন ঘটিয়েছে তার দুঃসাহসী পদক্ষেপ দ্বারা।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

অনন্তের এবার একটা সাইকেল হলো। জমানো টাকায় কেনা সাইকেলটি দেখতে বেশ ভালোই। গতিও দারুণ। অনন্তর স্বপ্নটা আরও প্রখর হয়ে ওঠে। একদিন সে বেরিয়ে পড়ে রাস্তায়। তার পর অনেকদিন দেখা পাইনি। তিন মাস পরে অনন্ত এলো। তার মুখে হাসি। দেশের প্রায় সবকটা জেলা সে ভ্রমণ করেছে। অনন্তর পোশাকের দিকে তাকালাম। গায়ে সাদা গেঞ্জি, সামনে ও পেছনে লেখা- "বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ করুন।" বুঝলাম অনন্তর দারুণ হাসির সার্থকতা। শ্রদ্ধায় মাথা নুয়ে এলো।
ক
যৌবনের গান' প্রবন্ধের লেখক কীসের পূজারি?

উত্তর

'যৌবনের গান' প্রবন্ধের লেখক যৌবনের পূজারি।
খ
যৌবনের মাতৃরূপ বলতে কী বোঝ? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ যৌবনের মাতৃরূপ বলতে যৌবনের সেবাব্রতী কোমল রূপকে বোঝানো হয়েছে। ➤ যৌবনের গান, প্রবন্ধে লেখক যৌবনের জয়গান করেছেন। এখানে প্রতিবাদ ও মানবিকতা উভয় চেতনার প্রতিফলন ঘটেছে। যৌবন মানেই ঝড়ের মতো বিধ্বংসী শক্তি। মিথ্যাকে গুঁড়িয়ে সত্য প্রতিষ্ঠাই এই শক্তির মূল লক্ষ্য। কিন্তু কখনো কখনো যৌবন অত্যন্ত কোমল। দয়ার্দ্রতা যৌবনের আরেক রূপ। যৌবন ক্ষুধার্তকে অন্নদানে সহায়তা করে, বন্যার্তের পাশে দাঁড়ায় সর্বাত্মক সাহায্য নিয়ে। আর্ডের পাশে রাত জেগে সেবা করে। শব বহন করে শশ্মশানে সৎকারের জন্য নিয়ে যায়। মূলত এটিই যৌবনের মাতৃরূপ। সারকথা: যৌবনের মাতৃরূপ বলতে যৌবনের সেবাব্রতী কোমল রূপকে বোঝানো হয়েছে।
গ
উদ্দীপকের অনন্ত 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের কোন দিকটি নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ উদ্দীপকের অনন্ত 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের যৌবনের দূরন্ত গতিময়তার দিকটি নির্দেশ করে। ➤ যৌবন হলো জীবনের ধর্ম। এ ধর্ম অন্য সব ধর্মকে ছাপিয়ে উর্ধ্বে অবস্থান করে। এ ধর্মের কোনো জাত নেই, বর্ণ নেই, দেশ নেই, কাল নেই। যৌবন সব দেশ, কাল, সময়কে জয় করে নিয়েছে। ন্যায়কে প্রতিষ্ঠাই যৌবনের একমাত্র উদ্দেশ্য। ➤ 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে যৌবনের তেজদীপ্ত রূপ প্রকাশ পেয়েছে। যৌবন কোনো ভয় বা আশঙ্কায় ভীত নয়। সব ভয়, সব আশঙ্কা কাটিয়ে যৌবন আপনার গতিতে চলে। কোনো প্রতিবন্ধকতা যৌবনকে বুখে দিতে পারে না। প্রচন্ড শক্তিতে যৌবন নিজের পথ নিজেই রচনা করে। পৃথিবীকে সে করে তোলে স্বাভাবিক। সৃষ্টির চাহিদা মেটানো যৌবনধর্মের বিশেষ দিক। ফলে তার পদচারণা কখনো সমুদ্রে, কখনো পাষাণ পাহাড়ে, আবার কখনো বিজন মরুভূমিতে। উদ্দীপকের অনন্তও একই চরিত্রের বাহক। সে সারা দেশ সাইকেলে ভ্রমণ করেছে এবং মানুষকে বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে সচেতন করেছে। মূলত সাধারণ দৃষ্টিতে এই অনন্ত তার ইচ্ছা থেকে পিছপা হয়নি। অকুতোভয় সাহস নিয়ে সারা দেশে একাই রচনা করেছে গণসচেতনতার জোয়ার। এভাবে উদ্দীপকের অনন্তর যৌবনের দুরন্ত গতিময়তার দিকটি নির্দেশ করে। সারকথা: 'যৌবনের গান' প্রবন্দে যৌবনের যে তেজদীপ্ত রূপ প্রকাশ পেয়েছে, উদ্দীপকের অনন্ত সেই দিকটার প্রতিষ্ঠা করেছে।
ঘ
উদ্দীপকে প্রতিফলিত অনন্তর মনোভাব 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের যৌবনের হার না-মানা মনোভাবের প্রতিরূপ।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

➤ উদীপকে প্রতিফলিত অনন্তর মনোভাব 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের যৌবনের হার না-মানা মনোভাবের প্রতিরূপ।"- মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ যে বার্ধক্যের পূজারি, সে মৃত্যুকে ভয় পায়। কারণ তার মধ্যে সৃষ্টির স্পৃহা নেই। অন্যদিকে যৌবন সৃষ্টিতে, জয়ে বিশ্বাসী। সত্যকে অবলম্বন করে মিথ্যার বিরুদ্ধে সংগ্রামে বিশ্বাসী। ➤ উদ্দীপকে যৌবনের ইতিবাচক চেতনার প্রতিফলন ঘটেছে। এখানে অনন্ত একজন তরুণ। তার স্বপ্ন হলো বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা। এজন্য তার একটা সাইকেলের প্রয়োজন ছিল। অনেক দিন ধরে টাকা জমিয়ে অবশেষে সাইকেল কেনে। সেই সাইকেল নিয়ে সে সারা দেশ ভ্রমণ এবং মানুয়কে বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে সচেতন করে। 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের লেখকও দেখিয়েছেন যৌবনের হার না-মানা রূপ। যৌবন কখনো হারতে জানে না, বিপদের ভয় করতে জানে না। যৌবন সৃষ্টির লক্ষ্যে বহু কঠিন পথ পাড়ি দেয়। ➤ 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে যৌবনের রুদ্ররূপ কোনো প্রতিবন্ধকতায় প্রতিহত না হওয়ার বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে। উদ্দীপকের অনন্তর কর্মকান্ডে তা প্রকাশ পেয়েছে। কারণ সে সারা দেশে বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে একাই প্রচারণা চালিয়েছে। সে যদি ভয় পেত, যদি যৌবনধর্মের বাহক না হতো তবে সারা দেশ ঘুরত না। এদিক বিচারে তাই বলা যায়, 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে যৌবনের হার না-মানা যে রূপ প্রকাশ পেয়েছে, উদ্দীপকের অনন্ত সেই মনোভাবেরই প্রতিরূপ। সারকথা: 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখক যৌবনকে দেখিয়েছেন হার না-মানার প্রতীক হিসেবে। উদ্দীপকের অনন্ত সেই মনোভাবের দারুণ প্রতিফলন ঘটিয়েছে তার দুঃসাহসী পদক্ষেপ দ্বারা।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো