গদ্য : বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন Bangla 1st Paper

HSC Bangla 1st Paper এর গদ্য : বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

১৬২

প্রশ্ন

Bangla 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

সাহিত্যের উদ্দেশ্য সকলকে আনন্দ দেওয়া, কারও মনোরঞ্জন করা নয়। এ দুয়ের ভিতর যে আকাশ-পাতাল প্রভেদ আছে, সেহাট ভুলে গেলেই লেখকেরা নিজে খেলা না করে পরের জন্যে খেলনা তৈরি করতে বসেন। সমাজের মনোরঞ্জন করতে গেলে সাহিত্য যে স্বধর্মচ্যূত হয়ে পড়ে, তার প্রমাণ বাংলাদেশে আজ দুর্লভ নয়।
ক
উন্নত' শব্দের অর্থ কী?

উত্তর

'উন্নত' শব্দের অর্থ হলো- উৎকর্ষ।
খ
"অসময়ে বা শূন্য ভান্ডারে অলংকার প্রয়োগের বা রসিকতার মতো কদর্য আর কিছুই নাই।"- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

"অসময়ে বা শূন্য ভান্ডারে অলংকার প্রয়োগের বা রসিকতার মতো কদর্য আর কিছুই নাই।" বলতে লেখক, লেখার মধ্যে অপ্রয়োজনে অলংকার প্রয়োগ করে সাহিত্যকে সুন্দর করার পরিবর্তে কদর্য করে তোলাকে বোঝাতে চেয়েছেন। 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধে লেখকের মতে সাহিত্যের রস বা নির্যাস অনেকাংশেই অলংকারের ওপর নির্ভরশীল। তবে তা অবশ্যই যথাস্থানে ব্যবহার করতে হবে। অলংকার প্রয়োগ বা রসিকতার জন্য জোর করা যাবে না। অযথা যেখানে-সেখানে অলংকার বা রসিকতা ব্যবহার করলে সাহিত্য সৌন্দর্যমন্ডিত হওয়ার বদলে আরও কুৎসিত হয়ে ওঠে। লেখকের ভান্ডারে থাকলে প্রয়োজন অনুসারে তা আপনা থেকেই আসবে। এই দিকটি বোঝাতেই লেখক প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন। সারকথা: প্রয়োজন অনুসারে সাহিত্যে রসিকতা বা অলংকার প্রয়োগ করতে হবে। অপ্রয়োজনে করলে সাহিত্য কদর্য হয়ে পড়বে।
গ
উদ্দীপকে 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রকাশ পেয়েছে?

উত্তর

উদ্দীপকে 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধে সাহিত্যের উদ্দেশ্যর দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। সাহিত্য রচিত হয় মানুষের জন্য। মানুষ ছাড়া সাহিত্য এক প্রকার অসম্ভব। তাই মানুষের কল্যাণে সত্য ও ধর্মের প্রতিনিধিত্ব করা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কাজ। সত্য ও ধর্ম থেকে বিচ্যুত হলে সাহিত্য মানুষের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে না। উদ্দীপকের লেখক বলেন, সাহিত্যের উদ্দেশ্য সবাইকে আনন্দ দেওয়া, কারও মনোরঞ্জন করা নয়। এই দুইয়ের মাঝে আকাশ- পাতাল প্রভেদ রয়েছে। এ প্রভেদটি ভুলে গেলেই লেখক নিজে খেলা না করে পরের জন্য খেলনা তৈরি করতে বসেন। সমাজের মনোরঞ্জন করতে গেলে সাহিত্য নিজের ধর্ম থেকে সরে যায়। 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধেও তেমন বলা হয়েছে। প্রাবন্ধিক বলেন- যা অসত্য, ধর্মবিরুদ্ধ, পরনিন্দা, পরপীড়ন কিংবা স্বার্থসাধন যার উদ্দেশ্য সেসব প্রবন্ধ কখনো হিতকর বা কল্যাণকর হতে পারে না। অসত্য, ধর্মবিরুদ্ধ বক্তব্য, পরনিন্দা, পরপীড়ন এবং স্বার্থসাধনের ঊর্ধ্বে গিয়ে সত্য ও ধর্মের কথা সাহিত্যে তুলে আনতে হবে। কারণ সত্য ও ধর্মই হলো সাহিত্যের উদ্দেশ্য। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকে 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধের সাহিত্যের উদ্দেশ্যর দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। সারকথা: সত্য ও ধর্ম একটির সঙ্গে অন্যটি জড়িত। সত্য ও ধর্ষকে প্রবণ্যে এমন কথাই বলা হয়েছে। বাদ দিয়ে মহৎ সাহিত্য রচিত হতে পারে না। উদ্দীপক ও আলোচা
ঘ
"উদ্দীপকে আলোচ্য প্রবন্ধের একটি দিক প্রকাশ পেয়েছে মাত্র।" মন্তব্যটির পক্ষে তোমার মত দাও।

উত্তর

'উদ্দীপকে আলোচ্য প্রবন্ধের একটি দিক প্রকাশ পেয়েছে মাত্র।" মন্তব্যটি যথার্থ।' মানুষের কল্যাণে সত্য ও ধর্মের প্রতিনিধিত্ব করা সাহিত্যের অন্যতম কাজ। সত্য ও ধর্ম ছাড়া মহৎ কিছুই কল্পনা করা যায় না। যে সাহিত্য সত্য ও ধর্মের পথ থেকে বিচ্যুত সেই সাহিত্য কখনই মানুষের জন্য সৃষ্টি হতে পারে না। মানুষের জন্য রচিত সাহিত্যে সত্য ও ধর্ম অনিবার্যরূপে থাকতে হবে। উদ্দীপকের লেখক মনে করেন, সাহিত্যের উদ্দেশ্য সবাইকে আনন্দ দেওয়া, কারও মনোরঞ্জন করা নয়। অন্যকে আনন্দ দেওয়া আর মনোরঞ্জন করার মধ্যে যে পার্থক্য আছে, আমরা সেটাই ভুলে যাই। ফলে লেখক নিজে খেলা না করে পরের জন্য খেলনা তৈরি করতে বসেন। সমাজের মনোরঞ্জন করতে গেলে সাহিত্য স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে। 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধেও এই বিষয়টি উঠে এসেছে। কিন্তু এই বিষয়টি ছাড়াও আরও অনেক বিষয় আলোচ্য প্রবন্ধে প্রকাশ পেয়েছে। যেমন- যশ ও টু অর্থের জন্য লেখা যাবে না, মানুষের কল্যাণ না হলে সাহিত্য রচনা করা যাবে না। অসত্য, ধর্মবিরুদ্ধ, পরনিন্দা, পরপীড়ন বা স্বার্থসাধন সাহিত্যের মাধ্যমে করা যাবে না; লিখেই ছাপানোর কথা চিন্তা করা যাবে না; বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা করা যাবে না; অলংকার প্রয়োগ বা রসিকতার ক্ষেত্রে সাবধান হতে হবে প্রভৃতি আরও অনেক নিয়ম প্রবন্ধে উঠে এসেছে। এই বিষয়গুলো উদ্দীপকে নেই। 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধে লেখক সাহিত্যে অন্যের মনোরঞ্জন না করার ব্যাপারে বিশেষভাবে গুরুত্ব ই দিয়েছেন। এই বিষয়টি উদ্দীপকেও দেখা যায়। কিন্তু আলোচ্য প্রবন্ধে এই বিষয়টি ছাড়াও আরও অনেক বিষয় এসেছে যেগুলো উদ্দীপকে অনুপস্থিত। তাই বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: সত্য ও ধর্মের সমন্বয়ে স্থায়ী সাহিতা । সৃষ্টি হয়। উদ্দীপক ও আলোচ্য প্রবন্ধে এই বিষয়টি থাকলেও প্রবন্ধে এটি ছাড়াও বেশ কয়েকটি বিষয় উঠে এসেছে, যেগুলো উদ্দীপকে অনুপস্থিত থাকায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

সাহিত্যের উদ্দেশ্য সকলকে আনন্দ দেওয়া, কারও মনোরঞ্জন করা নয়। এ দুয়ের ভিতর যে আকাশ-পাতাল প্রভেদ আছে, সেহাট ভুলে গেলেই লেখকেরা নিজে খেলা না করে পরের জন্যে খেলনা তৈরি করতে বসেন। সমাজের মনোরঞ্জন করতে গেলে সাহিত্য যে স্বধর্মচ্যূত হয়ে পড়ে, তার প্রমাণ বাংলাদেশে আজ দুর্লভ নয়।
ক
উন্নত' শব্দের অর্থ কী?

উত্তর

'উন্নত' শব্দের অর্থ হলো- উৎকর্ষ।
খ
"অসময়ে বা শূন্য ভান্ডারে অলংকার প্রয়োগের বা রসিকতার মতো কদর্য আর কিছুই নাই।"- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

"অসময়ে বা শূন্য ভান্ডারে অলংকার প্রয়োগের বা রসিকতার মতো কদর্য আর কিছুই নাই।" বলতে লেখক, লেখার মধ্যে অপ্রয়োজনে অলংকার প্রয়োগ করে সাহিত্যকে সুন্দর করার পরিবর্তে কদর্য করে তোলাকে বোঝাতে চেয়েছেন। 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধে লেখকের মতে সাহিত্যের রস বা নির্যাস অনেকাংশেই অলংকারের ওপর নির্ভরশীল। তবে তা অবশ্যই যথাস্থানে ব্যবহার করতে হবে। অলংকার প্রয়োগ বা রসিকতার জন্য জোর করা যাবে না। অযথা যেখানে-সেখানে অলংকার বা রসিকতা ব্যবহার করলে সাহিত্য সৌন্দর্যমন্ডিত হওয়ার বদলে আরও কুৎসিত হয়ে ওঠে। লেখকের ভান্ডারে থাকলে প্রয়োজন অনুসারে তা আপনা থেকেই আসবে। এই দিকটি বোঝাতেই লেখক প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন। সারকথা: প্রয়োজন অনুসারে সাহিত্যে রসিকতা বা অলংকার প্রয়োগ করতে হবে। অপ্রয়োজনে করলে সাহিত্য কদর্য হয়ে পড়বে।
গ
উদ্দীপকে 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রকাশ পেয়েছে?

উত্তর

উদ্দীপকে 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধে সাহিত্যের উদ্দেশ্যর দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। সাহিত্য রচিত হয় মানুষের জন্য। মানুষ ছাড়া সাহিত্য এক প্রকার অসম্ভব। তাই মানুষের কল্যাণে সত্য ও ধর্মের প্রতিনিধিত্ব করা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কাজ। সত্য ও ধর্ম থেকে বিচ্যুত হলে সাহিত্য মানুষের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে না। উদ্দীপকের লেখক বলেন, সাহিত্যের উদ্দেশ্য সবাইকে আনন্দ দেওয়া, কারও মনোরঞ্জন করা নয়। এই দুইয়ের মাঝে আকাশ- পাতাল প্রভেদ রয়েছে। এ প্রভেদটি ভুলে গেলেই লেখক নিজে খেলা না করে পরের জন্য খেলনা তৈরি করতে বসেন। সমাজের মনোরঞ্জন করতে গেলে সাহিত্য নিজের ধর্ম থেকে সরে যায়। 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধেও তেমন বলা হয়েছে। প্রাবন্ধিক বলেন- যা অসত্য, ধর্মবিরুদ্ধ, পরনিন্দা, পরপীড়ন কিংবা স্বার্থসাধন যার উদ্দেশ্য সেসব প্রবন্ধ কখনো হিতকর বা কল্যাণকর হতে পারে না। অসত্য, ধর্মবিরুদ্ধ বক্তব্য, পরনিন্দা, পরপীড়ন এবং স্বার্থসাধনের ঊর্ধ্বে গিয়ে সত্য ও ধর্মের কথা সাহিত্যে তুলে আনতে হবে। কারণ সত্য ও ধর্মই হলো সাহিত্যের উদ্দেশ্য। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকে 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধের সাহিত্যের উদ্দেশ্যর দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। সারকথা: সত্য ও ধর্ম একটির সঙ্গে অন্যটি জড়িত। সত্য ও ধর্ষকে প্রবণ্যে এমন কথাই বলা হয়েছে। বাদ দিয়ে মহৎ সাহিত্য রচিত হতে পারে না। উদ্দীপক ও আলোচা
ঘ
"উদ্দীপকে আলোচ্য প্রবন্ধের একটি দিক প্রকাশ পেয়েছে মাত্র।" মন্তব্যটির পক্ষে তোমার মত দাও।

উত্তর

'উদ্দীপকে আলোচ্য প্রবন্ধের একটি দিক প্রকাশ পেয়েছে মাত্র।" মন্তব্যটি যথার্থ।' মানুষের কল্যাণে সত্য ও ধর্মের প্রতিনিধিত্ব করা সাহিত্যের অন্যতম কাজ। সত্য ও ধর্ম ছাড়া মহৎ কিছুই কল্পনা করা যায় না। যে সাহিত্য সত্য ও ধর্মের পথ থেকে বিচ্যুত সেই সাহিত্য কখনই মানুষের জন্য সৃষ্টি হতে পারে না। মানুষের জন্য রচিত সাহিত্যে সত্য ও ধর্ম অনিবার্যরূপে থাকতে হবে। উদ্দীপকের লেখক মনে করেন, সাহিত্যের উদ্দেশ্য সবাইকে আনন্দ দেওয়া, কারও মনোরঞ্জন করা নয়। অন্যকে আনন্দ দেওয়া আর মনোরঞ্জন করার মধ্যে যে পার্থক্য আছে, আমরা সেটাই ভুলে যাই। ফলে লেখক নিজে খেলা না করে পরের জন্য খেলনা তৈরি করতে বসেন। সমাজের মনোরঞ্জন করতে গেলে সাহিত্য স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে। 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধেও এই বিষয়টি উঠে এসেছে। কিন্তু এই বিষয়টি ছাড়াও আরও অনেক বিষয় আলোচ্য প্রবন্ধে প্রকাশ পেয়েছে। যেমন- যশ ও টু অর্থের জন্য লেখা যাবে না, মানুষের কল্যাণ না হলে সাহিত্য রচনা করা যাবে না। অসত্য, ধর্মবিরুদ্ধ, পরনিন্দা, পরপীড়ন বা স্বার্থসাধন সাহিত্যের মাধ্যমে করা যাবে না; লিখেই ছাপানোর কথা চিন্তা করা যাবে না; বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা করা যাবে না; অলংকার প্রয়োগ বা রসিকতার ক্ষেত্রে সাবধান হতে হবে প্রভৃতি আরও অনেক নিয়ম প্রবন্ধে উঠে এসেছে। এই বিষয়গুলো উদ্দীপকে নেই। 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধে লেখক সাহিত্যে অন্যের মনোরঞ্জন না করার ব্যাপারে বিশেষভাবে গুরুত্ব ই দিয়েছেন। এই বিষয়টি উদ্দীপকেও দেখা যায়। কিন্তু আলোচ্য প্রবন্ধে এই বিষয়টি ছাড়াও আরও অনেক বিষয় এসেছে যেগুলো উদ্দীপকে অনুপস্থিত। তাই বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: সত্য ও ধর্মের সমন্বয়ে স্থায়ী সাহিতা । সৃষ্টি হয়। উদ্দীপক ও আলোচ্য প্রবন্ধে এই বিষয়টি থাকলেও প্রবন্ধে এটি ছাড়াও বেশ কয়েকটি বিষয় উঠে এসেছে, যেগুলো উদ্দীপকে অনুপস্থিত থাকায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

এখন আমাদের বাঙ্গা সাহিত্যে স্থায়ী প্রভাব বিস্তার করিতে হইলে সর্বপ্রথম আমাদের লেখার জড়তা দূর করিয়া তাহাতে ঝর্ণার মতো ঢেউভরা চপলতা ও সহজ মুক্তি আনিতে হইবে। যে সাহিত্য জড়, যাহার প্রাণ নাই, সে নির্জীব-সাহিত্য দিয়া আমাদের কোনো উপকার হইবে না। আর তাহা স্থায়ী সাহিত্যও হইতে পারে না।
ক
'সাম্য' কোন ধরনের গ্রন্থ?

উত্তর

'সাম্য' একটি গদ্যগ্রন্থ।
খ
"অনুকরণে দোষগুলি অনুকৃত হয়, গুণগুলি হয় না।"- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

"অনুকরণে দোষগুলি অনুকৃত হয়, গুণগুলি হয় না।" বলতে লেখক সাহিত্য রচনার সময় অন্যের লেখা অনুকরণ করে লিখলে দোষগুলোর অনুকরণ হওয়া এবং গুণগুলোর অনুকরণ না হওয়াকে বুঝিয়েছেন। লেখক বলেছেন 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধের অনেক লেখক আছেন যারা অন্য লেখক দ্বারা প্রভাবিত হন এবং তাদের লেখা অনুকরণ করে সাহিত্য রচনায় সচেষ্ট হন। এরকম অনুকরণপ্রিয়তা সাহিত্যের জন্য ক্ষতিকর। একজন লেখক অন্য লেখক দ্বারা অনুপ্রাণিত হতে পারেন, সেই ক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময় দোষগুলোই অনুকৃত হয়। প্রশ্নোক্ত উক্তিটিতে লেখক এটাই বোঝাতে চেয়েছেন। সারকথা: যেকোনো লেখক অন্য লেখক দ্বারা অনুপ্রাণিত হতে পারেন, তবে অনুকরণ করতে গেলে দোষগুলো অনুকৃত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে।
গ
উদ্দীপকে 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রকাশ পেয়েছে?

উত্তর

উদ্দীপকে 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধের সাহিত্যের ভাষা হবে সহজ-সরল ও জড়তামুক্ত- এ দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। সাহিত্য মানুষের কথা বলে। যা মানুষের জন্য রচিত হবে তার ভাষা হতে হবে সহজ ও সরল। জটিল ভাষার মোড়কে জড়িয়ে রাখলে সাহিত্য সব মানুষের কাছে পৌঁছাবে না। তাই সাহিত্যে মনের ভাব প্রকাশের জন্য সহজ ও সরল ভাষা বেছে নিতে হবে। উদ্দীপকে বলা হয়েছে বাংলা সাহিত্যে স্থায়ী প্রভাব বিস্তার করতে চাইলে সর্বপ্রথম লেখার জড়তা দূর করার দিকে নজর দিতে হবে। রচনার জড়তা দূর হলে লেখায় ঝরনার মতো চপলতা চলে আসে। যে সাহিত্য জড়, সেই সাহিত্যের প্রাণ নেই; সেই নির্জীব সাহিত্য দিয়ে আমাদের কোনো উপকার হবে না। যে সাহিত্য মানুষের উপকারে আসে না তা স্থায়ী সাহিত্যও হতে পারে না। অন্যদিকে 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধের লেখক বলেছেন, অজানা ভাষা থেকে কিংবা অন্য গ্রন্থের সাহায্য নিয়ে জটিল ভাষার কোটেশন ব্যবহার করা যাবে না। কারণ ছাড়া অলংকারের ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে। যিনি সহজ ভাষায় মনের ভাব প্রকাশ করতে পারেন তিনিই শ্রেষ্ঠ লেখক। লেখক মনে করেন, সকল অলংকারের শ্রেষ্ঠ অলংকার সরলতা। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকে 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধের সাহিত্যের ভাষা হবে সহজ, সরল ও জড়তামুক্ত- এই দিকটি প্রকাশিত হয়েছে। সারকথা: আলোচ্য প্রবন্ধে লেখক সাহিত্যের ভাষা হিসেবে সহজ-সরল ও জড়তামুক্ত ভাষাকে প্রাধান্য দিয়েছেন। উদ্দীপকেও সহজ-সরল ও জড়তামুক্ত ভাষার কথা বলা হয়েছে। সহজ ও সরল ভাষায় রচিত সাহিত্য মানুষের কাছাকাছি পৌঁছায় বলে তা বাংলা সাহিত্যে স্থায়িত্ব লাভ করে।
ঘ
"উদ্দীপকের বিষয়টি 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধের খন্ডাংশমাত্র"- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

"উদ্দীপকের বিষয়টি 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধের খন্ডাংশমাত্র"- মন্তব্যটি যথার্থ। সাহিত্যচর্চার ক্ষেত্রে একজন লেখককে অনেক বিষয়ে সচেতন থাকতে হয়। লেখার ভাষা কেমন হবে, ছন্দ ও অলংকারের ব্যবহার কেমন হবে- এসব বিষয় মাথায় রেখেই সাহিত্যে মনোনিবেশ করা জরুরি। এই বিষয়গুলোর দিকে নজর রাখলেই একজন সাহিত্যিক সফলতা অর্জন করতে পারেন। উদ্দীপকে লেখকের লেখার জড়তা বিষয়ে বলা হয়েছে। উদ্দীপকের লেখক সর্বপ্রথম আমাদের লেখার জড়তা দূর করার কথা বলেছেন। যে সাহিত্য জড়, যার প্রাণ নেই, সেই নির্জীব সাহিত্য মানুষের কোনো উপকারে আসবে না; সেই সাহিত্য কখনো স্থায়ী সাহিত্যও হতে পারবে না। 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধেও উদ্দীপকের বিষয়টি নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে। কিন্তু এ বিষয়টি ছাড়াও আলোচ্য প্রবন্ধে উঠে এসেছে একজন নতুন লেখক কোন কোন বিষয়ে নজর রেখে সাহিত্য সাধনা করবে- সেসব বিষয়ে কিছু নির্দেশনা বা পরামর্শ। এসব নির্দেশনা বা পরামর্শ বিষয়ে উদ্দীপকে কোনো আলোচনা হয়নি। 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় নতুন লেখকদের সাহিত্য রচনার সময় কয়েকটি বিষয় বর্জন করতে বলেছেন এবং কয়েকটি বিষয় গভীরভাবে বিশ্লেষণ করে সাহিত্য রচনা করতে বলেছেন। উদ্দীপকের বিষয়টি প্রবন্ধে উল্লিখিত বিষয়গুলোর একটি। কিন্তু এই বিষয়টি ছাড়াও অন্য আরও অনেক বিষয় থাকায় বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধে বলা হয়েছে সাহিত্যের ভাষা হবে সহজ, সরল ও জড়তামুক্ত। উদ্দীপকেও এই বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে, যা আলোচ্য প্রবন্ধের একটি মাত্র ভাব।তাই বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

এখন আমাদের বাঙ্গা সাহিত্যে স্থায়ী প্রভাব বিস্তার করিতে হইলে সর্বপ্রথম আমাদের লেখার জড়তা দূর করিয়া তাহাতে ঝর্ণার মতো ঢেউভরা চপলতা ও সহজ মুক্তি আনিতে হইবে। যে সাহিত্য জড়, যাহার প্রাণ নাই, সে নির্জীব-সাহিত্য দিয়া আমাদের কোনো উপকার হইবে না। আর তাহা স্থায়ী সাহিত্যও হইতে পারে না।
ক
'সাম্য' কোন ধরনের গ্রন্থ?

উত্তর

'সাম্য' একটি গদ্যগ্রন্থ।
খ
"অনুকরণে দোষগুলি অনুকৃত হয়, গুণগুলি হয় না।"- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

"অনুকরণে দোষগুলি অনুকৃত হয়, গুণগুলি হয় না।" বলতে লেখক সাহিত্য রচনার সময় অন্যের লেখা অনুকরণ করে লিখলে দোষগুলোর অনুকরণ হওয়া এবং গুণগুলোর অনুকরণ না হওয়াকে বুঝিয়েছেন। লেখক বলেছেন 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধের অনেক লেখক আছেন যারা অন্য লেখক দ্বারা প্রভাবিত হন এবং তাদের লেখা অনুকরণ করে সাহিত্য রচনায় সচেষ্ট হন। এরকম অনুকরণপ্রিয়তা সাহিত্যের জন্য ক্ষতিকর। একজন লেখক অন্য লেখক দ্বারা অনুপ্রাণিত হতে পারেন, সেই ক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময় দোষগুলোই অনুকৃত হয়। প্রশ্নোক্ত উক্তিটিতে লেখক এটাই বোঝাতে চেয়েছেন। সারকথা: যেকোনো লেখক অন্য লেখক দ্বারা অনুপ্রাণিত হতে পারেন, তবে অনুকরণ করতে গেলে দোষগুলো অনুকৃত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে।
গ
উদ্দীপকে 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রকাশ পেয়েছে?

উত্তর

উদ্দীপকে 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধের সাহিত্যের ভাষা হবে সহজ-সরল ও জড়তামুক্ত- এ দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। সাহিত্য মানুষের কথা বলে। যা মানুষের জন্য রচিত হবে তার ভাষা হতে হবে সহজ ও সরল। জটিল ভাষার মোড়কে জড়িয়ে রাখলে সাহিত্য সব মানুষের কাছে পৌঁছাবে না। তাই সাহিত্যে মনের ভাব প্রকাশের জন্য সহজ ও সরল ভাষা বেছে নিতে হবে। উদ্দীপকে বলা হয়েছে বাংলা সাহিত্যে স্থায়ী প্রভাব বিস্তার করতে চাইলে সর্বপ্রথম লেখার জড়তা দূর করার দিকে নজর দিতে হবে। রচনার জড়তা দূর হলে লেখায় ঝরনার মতো চপলতা চলে আসে। যে সাহিত্য জড়, সেই সাহিত্যের প্রাণ নেই; সেই নির্জীব সাহিত্য দিয়ে আমাদের কোনো উপকার হবে না। যে সাহিত্য মানুষের উপকারে আসে না তা স্থায়ী সাহিত্যও হতে পারে না। অন্যদিকে 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধের লেখক বলেছেন, অজানা ভাষা থেকে কিংবা অন্য গ্রন্থের সাহায্য নিয়ে জটিল ভাষার কোটেশন ব্যবহার করা যাবে না। কারণ ছাড়া অলংকারের ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে। যিনি সহজ ভাষায় মনের ভাব প্রকাশ করতে পারেন তিনিই শ্রেষ্ঠ লেখক। লেখক মনে করেন, সকল অলংকারের শ্রেষ্ঠ অলংকার সরলতা। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকে 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধের সাহিত্যের ভাষা হবে সহজ, সরল ও জড়তামুক্ত- এই দিকটি প্রকাশিত হয়েছে। সারকথা: আলোচ্য প্রবন্ধে লেখক সাহিত্যের ভাষা হিসেবে সহজ-সরল ও জড়তামুক্ত ভাষাকে প্রাধান্য দিয়েছেন। উদ্দীপকেও সহজ-সরল ও জড়তামুক্ত ভাষার কথা বলা হয়েছে। সহজ ও সরল ভাষায় রচিত সাহিত্য মানুষের কাছাকাছি পৌঁছায় বলে তা বাংলা সাহিত্যে স্থায়িত্ব লাভ করে।
ঘ
"উদ্দীপকের বিষয়টি 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধের খন্ডাংশমাত্র"- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

"উদ্দীপকের বিষয়টি 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধের খন্ডাংশমাত্র"- মন্তব্যটি যথার্থ। সাহিত্যচর্চার ক্ষেত্রে একজন লেখককে অনেক বিষয়ে সচেতন থাকতে হয়। লেখার ভাষা কেমন হবে, ছন্দ ও অলংকারের ব্যবহার কেমন হবে- এসব বিষয় মাথায় রেখেই সাহিত্যে মনোনিবেশ করা জরুরি। এই বিষয়গুলোর দিকে নজর রাখলেই একজন সাহিত্যিক সফলতা অর্জন করতে পারেন। উদ্দীপকে লেখকের লেখার জড়তা বিষয়ে বলা হয়েছে। উদ্দীপকের লেখক সর্বপ্রথম আমাদের লেখার জড়তা দূর করার কথা বলেছেন। যে সাহিত্য জড়, যার প্রাণ নেই, সেই নির্জীব সাহিত্য মানুষের কোনো উপকারে আসবে না; সেই সাহিত্য কখনো স্থায়ী সাহিত্যও হতে পারবে না। 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধেও উদ্দীপকের বিষয়টি নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে। কিন্তু এ বিষয়টি ছাড়াও আলোচ্য প্রবন্ধে উঠে এসেছে একজন নতুন লেখক কোন কোন বিষয়ে নজর রেখে সাহিত্য সাধনা করবে- সেসব বিষয়ে কিছু নির্দেশনা বা পরামর্শ। এসব নির্দেশনা বা পরামর্শ বিষয়ে উদ্দীপকে কোনো আলোচনা হয়নি। 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় নতুন লেখকদের সাহিত্য রচনার সময় কয়েকটি বিষয় বর্জন করতে বলেছেন এবং কয়েকটি বিষয় গভীরভাবে বিশ্লেষণ করে সাহিত্য রচনা করতে বলেছেন। উদ্দীপকের বিষয়টি প্রবন্ধে উল্লিখিত বিষয়গুলোর একটি। কিন্তু এই বিষয়টি ছাড়াও অন্য আরও অনেক বিষয় থাকায় বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধে বলা হয়েছে সাহিত্যের ভাষা হবে সহজ, সরল ও জড়তামুক্ত। উদ্দীপকেও এই বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে, যা আলোচ্য প্রবন্ধের একটি মাত্র ভাব।তাই বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

হে বঙ্গ, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন;- তা সবে, (অবোধ আমি!) অবহেলা করি পর-ধন-লোভে মত্ত, করিনু ভ্রমণ পরদেশ, ভিক্ষাবৃত্তি কুক্ষণে আচরি। কাটাইনু বহুদিন সুখ পরিহরি। ………..………...……………\ldots\ldots\ldots.. \ldots\ldots\ldots... \ldots\ldots\ldots\ldots\ldots কেলিনু শৈবালে; ভুলি কমল-কানন! ……………………...…………...\ldots\ldots\ldots\ldots \ldots\ldots\ldots\ldots... \ldots\ldots\ldots\ldots... পালিলাম আজ্ঞা সুখে; পাইলাম কালে মাতৃভাষা-রূপে খনি, পূর্ণ মণিজালে।
ক
বাংলা সাহিত্য কার ভরসা?

উত্তর

বাংলা সাহিত্য বাংলার ভরসা।
খ
'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধে লেখক নব্য লেখকের হাতে কী থাকার কথা বলেছেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধে লেখক নব্য লেখকের হাতে প্রমাণ থাকার কথা বলেছেন। 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধে লেখক রচনার বস্তুনিষ্ঠতার ওপর সবিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। যে কথার প্রমাণ নেই লেখক তা লিখতে নিষেধ করেছেন। লেখার প্রয়োজনে অনেক কথাই রচনায় আনতে হয়। তবে যুক্তি-প্রমাণহীন কোনো কথাই রচনায় যুক্ত করা ঠিক নয় বলে লেখক মনে করেছেন। আর এ ক্ষেত্রে তিনি প্রমাণ থাকার কথা বলেছেন। সারকথা: যে বিষয়ে লেখক সাহিত্যে যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন করবেন তার এ সঠিক প্রমাণ হাতে থাকতে হবে। প্রয়োগ
গ
উদ্দীপকে 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধের কোন দিকটিকে নির্দেশ করে?

উত্তর

উদ্দীপকে 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধের বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা না করা এবং নিজ ভাষায় সাহিত্য রচনা করার দিকটিকে নির্দেশ করে। প্রত্যেক সাহিত্যিকের উচিত মাতৃভাষায় সাহিত্য রচনা করা। যাতে তিনি সাহিত্যের মাধ্যমে সাধারণের দুঃখ-কষ্ট, আনন্দ-বেদনা স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারেন। মাতৃভাষায় সাহিত্য রচনা না করলে তাতে দেশের সাধারণ মানুষ সাহিত্যের রস লাভ থেকে বঞ্চিত থাকে। উদ্দীপকের কবিতাংশে দেখা যায়, কবি তাঁর মাতৃভাষাকে অবহেলা করে অন্য ভাষায় সাহিত্য রচনা করেছেন। কিন্তু তিনি তাতে খ্যাতি লাভ করতে পারেননি। অন্য ভাষায় সাহিত্য রচনা কবির কাছে ভিক্ষাবৃত্তির মতো মনে হয়েছে। তিনি মনে করেন, নিজ ভাষাকে অবহেলা করে অন্য ভাষায় সাহিত্য রচনা করার মানে হলো- ফুল ছেড়ে শৈবাল নিয়ে খেলা করা। মাতৃভাষায় সাহিত্য রচনা করার গুরুত্বের দিকটি আলোচা প্রবন্ধেও প্রকাশ পেয়েছে। প্রাবন্ধিকের মতে, বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা করা ঠিক নয়। তাতে পাঠক বিরক্ত হন এবং রচনা উৎকর্ষ হারায়। তাই মাতৃভাষায় সহজ-সরলভাবে সাহিত্য রচনা করা উচিত। তিনি মনে করেন, অন্যান্য ভাষার কোটেশনও সাহিত্যের মানকে নষ্ট করে দেয়। তাই। বলা যায় যে, উভয় স্থানে বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা না করে মাতৃভাষায় সাহিত্য রচনা করার দিকটি নির্দেশিত হয়েছে। সারকথা: নিজের ভাষায় সাহিত্যসাধনা করা উচিত, বিদ্যা জাহির করার চেষ্টা করা উচিত নয়। উদ্দীপক ও প্রবন্ধে এই কথাই বলা হয়েছে।
ঘ
"উদ্দীপকের কবিতাংশের ভাব আলোচ্য প্রবন্ধের আংশিক ভাব ধারণ করে"- উক্তিটি যাচাই কর।

উত্তর

"উদ্দীপকের কবিতাংশের ভাব আলোচ্য প্রবন্ধের আংশিক ভাব ধারণ করে"- উক্তিটি যথার্থ। মাতৃভাষার মাধ্যমে মানুষ যথাযথ ও সুন্দরভাবে মনের ভাব প্রকাশ করতে পারে। কারণ মাতৃভাষা সর্বসাধারণের বোধগম্য। তাই সবার উচিত মাতৃভাষায় সাহিত্য রচনা করা। উদ্দীপক ও আলোচ্য প্রবন্ধে বলা হয়েছে, জোর করে বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা করা উচিত নয়। মাতৃভাষা ছাড়া অন্যান্য ভাষা সাধারণ মানুষের কাছে বোধগম্য হয় না। তাই একজন সাহিত্যিক তখনই সাফল্য লাভ করেন যখন তিনি মাতৃভাষায় সাহিত্য রচনা করেন। এই বিষয়টি ছাড়াও আলোচ্য প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক নতুন লেখকদের কয়েকটি বিষয়ের প্রতি বিশেষভাবে নজর দিতে বলেছেন। যেমন- যশ বা খ্যাতির জন্য না লেখা, অর্থের জন্য না লেখা, মানুষের মঙ্গল হয় এমন সাহিত্য রচনা করা, সাহিত্যে কোনো কিছু জোর করে আরোপ না করা, সহজ-সরল সুন্দর ভাষায় সাহিত্য রচনা করা ইত্যাদি। কিন্তু এই বিষয়গুলো উদ্দীপকে প্রকাশ পায়নি। উদ্দীপকের কবি পরধন লোভে মত্ত হয়ে অর্থাৎ অন্য ভাষায় সাহিত্য রচনা করে খ্যাতি লাভ করতে পারেননি। কিন্তু মাতৃভাষায় সাহিত্য রচনা করে তিনি বুঝতে পারেন, তাঁর মাতৃভাষা বাংলার ভান্ডার বিবিধ রত্নে পরিপূর্ণ। এই বিষয়টি আলোচ্য প্রবন্ধের আংশিক ভাব নির্দেশ করে। উদ্দীপকে প্রবন্ধের অন্যান্য বিষয় অনুপস্থিত থাকায় বলা যায়, প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথার্থ। সারকথা: উদ্দীপকে মাতৃভাষায় সাহিত্য রচনার। । গুরুত্ব প্রকাশ পেয়েছে, যা এই প্রবন্ধের আংশিক ভাব ধারণ করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

হে বঙ্গ, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন;- তা সবে, (অবোধ আমি!) অবহেলা করি পর-ধন-লোভে মত্ত, করিনু ভ্রমণ পরদেশ, ভিক্ষাবৃত্তি কুক্ষণে আচরি। কাটাইনু বহুদিন সুখ পরিহরি। ………..………...……………\ldots\ldots\ldots.. \ldots\ldots\ldots... \ldots\ldots\ldots\ldots\ldots কেলিনু শৈবালে; ভুলি কমল-কানন! ……………………...…………...\ldots\ldots\ldots\ldots \ldots\ldots\ldots\ldots... \ldots\ldots\ldots\ldots... পালিলাম আজ্ঞা সুখে; পাইলাম কালে মাতৃভাষা-রূপে খনি, পূর্ণ মণিজালে।
ক
বাংলা সাহিত্য কার ভরসা?

উত্তর

বাংলা সাহিত্য বাংলার ভরসা।
খ
'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধে লেখক নব্য লেখকের হাতে কী থাকার কথা বলেছেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধে লেখক নব্য লেখকের হাতে প্রমাণ থাকার কথা বলেছেন। 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধে লেখক রচনার বস্তুনিষ্ঠতার ওপর সবিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। যে কথার প্রমাণ নেই লেখক তা লিখতে নিষেধ করেছেন। লেখার প্রয়োজনে অনেক কথাই রচনায় আনতে হয়। তবে যুক্তি-প্রমাণহীন কোনো কথাই রচনায় যুক্ত করা ঠিক নয় বলে লেখক মনে করেছেন। আর এ ক্ষেত্রে তিনি প্রমাণ থাকার কথা বলেছেন। সারকথা: যে বিষয়ে লেখক সাহিত্যে যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন করবেন তার এ সঠিক প্রমাণ হাতে থাকতে হবে। প্রয়োগ
গ
উদ্দীপকে 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধের কোন দিকটিকে নির্দেশ করে?

উত্তর

উদ্দীপকে 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধের বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা না করা এবং নিজ ভাষায় সাহিত্য রচনা করার দিকটিকে নির্দেশ করে। প্রত্যেক সাহিত্যিকের উচিত মাতৃভাষায় সাহিত্য রচনা করা। যাতে তিনি সাহিত্যের মাধ্যমে সাধারণের দুঃখ-কষ্ট, আনন্দ-বেদনা স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারেন। মাতৃভাষায় সাহিত্য রচনা না করলে তাতে দেশের সাধারণ মানুষ সাহিত্যের রস লাভ থেকে বঞ্চিত থাকে। উদ্দীপকের কবিতাংশে দেখা যায়, কবি তাঁর মাতৃভাষাকে অবহেলা করে অন্য ভাষায় সাহিত্য রচনা করেছেন। কিন্তু তিনি তাতে খ্যাতি লাভ করতে পারেননি। অন্য ভাষায় সাহিত্য রচনা কবির কাছে ভিক্ষাবৃত্তির মতো মনে হয়েছে। তিনি মনে করেন, নিজ ভাষাকে অবহেলা করে অন্য ভাষায় সাহিত্য রচনা করার মানে হলো- ফুল ছেড়ে শৈবাল নিয়ে খেলা করা। মাতৃভাষায় সাহিত্য রচনা করার গুরুত্বের দিকটি আলোচা প্রবন্ধেও প্রকাশ পেয়েছে। প্রাবন্ধিকের মতে, বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা করা ঠিক নয়। তাতে পাঠক বিরক্ত হন এবং রচনা উৎকর্ষ হারায়। তাই মাতৃভাষায় সহজ-সরলভাবে সাহিত্য রচনা করা উচিত। তিনি মনে করেন, অন্যান্য ভাষার কোটেশনও সাহিত্যের মানকে নষ্ট করে দেয়। তাই। বলা যায় যে, উভয় স্থানে বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা না করে মাতৃভাষায় সাহিত্য রচনা করার দিকটি নির্দেশিত হয়েছে। সারকথা: নিজের ভাষায় সাহিত্যসাধনা করা উচিত, বিদ্যা জাহির করার চেষ্টা করা উচিত নয়। উদ্দীপক ও প্রবন্ধে এই কথাই বলা হয়েছে।
ঘ
"উদ্দীপকের কবিতাংশের ভাব আলোচ্য প্রবন্ধের আংশিক ভাব ধারণ করে"- উক্তিটি যাচাই কর।

উত্তর

"উদ্দীপকের কবিতাংশের ভাব আলোচ্য প্রবন্ধের আংশিক ভাব ধারণ করে"- উক্তিটি যথার্থ। মাতৃভাষার মাধ্যমে মানুষ যথাযথ ও সুন্দরভাবে মনের ভাব প্রকাশ করতে পারে। কারণ মাতৃভাষা সর্বসাধারণের বোধগম্য। তাই সবার উচিত মাতৃভাষায় সাহিত্য রচনা করা। উদ্দীপক ও আলোচ্য প্রবন্ধে বলা হয়েছে, জোর করে বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা করা উচিত নয়। মাতৃভাষা ছাড়া অন্যান্য ভাষা সাধারণ মানুষের কাছে বোধগম্য হয় না। তাই একজন সাহিত্যিক তখনই সাফল্য লাভ করেন যখন তিনি মাতৃভাষায় সাহিত্য রচনা করেন। এই বিষয়টি ছাড়াও আলোচ্য প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক নতুন লেখকদের কয়েকটি বিষয়ের প্রতি বিশেষভাবে নজর দিতে বলেছেন। যেমন- যশ বা খ্যাতির জন্য না লেখা, অর্থের জন্য না লেখা, মানুষের মঙ্গল হয় এমন সাহিত্য রচনা করা, সাহিত্যে কোনো কিছু জোর করে আরোপ না করা, সহজ-সরল সুন্দর ভাষায় সাহিত্য রচনা করা ইত্যাদি। কিন্তু এই বিষয়গুলো উদ্দীপকে প্রকাশ পায়নি। উদ্দীপকের কবি পরধন লোভে মত্ত হয়ে অর্থাৎ অন্য ভাষায় সাহিত্য রচনা করে খ্যাতি লাভ করতে পারেননি। কিন্তু মাতৃভাষায় সাহিত্য রচনা করে তিনি বুঝতে পারেন, তাঁর মাতৃভাষা বাংলার ভান্ডার বিবিধ রত্নে পরিপূর্ণ। এই বিষয়টি আলোচ্য প্রবন্ধের আংশিক ভাব নির্দেশ করে। উদ্দীপকে প্রবন্ধের অন্যান্য বিষয় অনুপস্থিত থাকায় বলা যায়, প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথার্থ। সারকথা: উদ্দীপকে মাতৃভাষায় সাহিত্য রচনার। । গুরুত্ব প্রকাশ পেয়েছে, যা এই প্রবন্ধের আংশিক ভাব ধারণ করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো