Chapter 4 : বনায়ন Agriculture 2nd Paper

HSC Agriculture 2nd Paper এর Chapter 4 : বনায়ন অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৪১৩

প্রশ্ন

Agriculture 2nd Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCAgriculture 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

তানভীর সিদ্দিকী একজন বৃক্ষপ্রেমী । তিনি তার এলাকায় প্রায় ২০০ জন লোক নিয়ে ১০টি দলে বিভক্ত হয়ে রাস্তার দুই ধারে শিশু, মেহগনি, দেবদারু, তাল, পাম ইত্যাদি বৃক্ষ রোপণ করেন এবং যত্ন নিয়ে বড় করেন। জলগুলোর নিয়মিত পরিদর্শন, পর্যবেক্ষণের কারণে রাস্তার দু'পাশে বেড়ে ওঠা গাছগুলোর নান্দনিক সৌন্দর্য সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তানভীর সিদ্দিকীর এই মহৎ উদ্যোগের কারণে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এ বছর তাকে পুরস্কৃত করেছে।

Rajshahi · 2017

ক
বন কী ?

উত্তর

বন বলতে বৃহৎ আকৃতির বৃক্ষরাজি দ্বারা আচ্ছাদিত বিস্তৃত এলাকাকে বোঝায়, যেখানে প্রাকৃতিক বন্য পশুপাখি, কীটপতঙ্গ ও অন্যান্য জীব বসবাস করতে পারে ।
খ
কৃষি মেলার গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর ।

উত্তর

কৃষি মেলায় কৃষক কর্তৃক উৎপাদিত ও বাছাইকৃত কৃষি পণ্যের প্রদর্শনী ও বিক্রয় করা হয়। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে কৃষিতে উদ্ভাবিত নতুন নতুন প্রযুক্তি সম্পর্কে কৃষকদের অবহিত করা এবং উক্ত প্রযুক্তি কৃষকদের মাঝে হস্তান্তর করা হয়। কৃষি পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষকদের মাঝে প্রতিযোগিতার মনোভাব সৃষ্টি করা যায় কৃষিমেলার মাধ্যমে। এ মেলার মাধ্যমে কৃষি ও প্রযুক্তিবিদদের সাথে কৃষকদের খোলামেলা মতবিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়। তাই বলা যায় কৃষি মেলার গুরুত্ব অপরিসীম।
গ
উদ্দীপকে তানভীর সিদ্দিকী যে কাজগুলো করে থাকেন তা কোন ধরনের বনায়নের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত তানভীর সিদ্দিকী একজন বৃক্ষপ্রেমী। তিনি তার এলাকায় ২০০ জন লোক নিয়ে ১০টি দলে বিভক্ত হয়ে রাস্তার দুই ধারে শিশু, মেহগনি, দেবদারু, তাল, পাম ইত্যাদি বৃক্ষ রোপণ ও যত্ন নেন। তানভীর সিদ্দিকী যে কাজগুলো করে থাকেন তা সামাজিক বনায়নের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- প্রাকৃতিক বন ব্যতিরেকে বনজ সম্পদের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে জনসাধারণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের মাধ্যমে বসতবাড়ি, রাস্তা, বাঁধ, খাস ও প্রাতিষ্ঠানিক জমিতে স্থাপিত বনকে সামাজিক বন বলে। সামাজিক বন জনগণের কল্যাণে জনগণ কর্তৃক সৃষ্ট যার ব্যবস্থাপনা, সংরক্ষণ ও ব্যবহার স্থানীয় উপকারভোগী ও জনগণ কর্তৃক সম্পাদিত হয় এবং এতে বনবিভাগ ও অন্যান্য সংস্থা কারিগরি ও আর্থিক বিষয়ে সহায়তাকারী হিসেবে কাজ করে। সামাজিক বন বিভিন্ন প্রকারের হতে পারে। যেমন— বসত বন, কৃষি বন, প্রাতিষ্ঠানিক বন, সড়ক ও বাঁধ বন। তানভীর সিদ্দিকীর কাজগুলো সামাজিক বনায়নের অন্তর্গত সড়কও বাঁধ বন। এ ধরনের বনায়নে প্রধানত রেইনট্রি, কড়ই, বাবলা, শিশু, আকাশমণি, অর্জুন ইত্যাদি বৃক্ষ সড়ক ও বাঁধের দুই ধারে লাগিয়ে সড়ক ও বাঁধ বন সৃষ্টি করা হয়।
ঘ
তানভীর সিদ্দিকীর সামগ্রিক কর্মকাণ্ড “জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে”— মূল্যায়ন কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত তানভীর সিদ্দিকীর কর্মকাণ্ডগুলো হলো সামাজিক বনায়ন। তানভীর সিদ্দিকীর সামগ্রিক কর্মকাণ্ড “জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।" নিচে তা মূল্যায়ন করা হলো : সামাজিক বনায়ন জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির “কমিউনিটি ফরেস্ট্রি” প্রকল্পের বাস্তবায়নের ফলে বরেন্দ্র অঞ্চলে আজ সবুজের সমারোহ। সামাজিক বনায়নের ফলে দেশে বনজ সম্পদের পরিমাণ বেড়েছে। সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে নতুন নতুন বৃক্ষ রোপণ ও সম্প্রসারণের ফলে এদের উপর আশ্রিত বিভিন্ন পাখি, জীব, উপকারী পোকামাকড় তাদের টিকিয়ে রাখতে পারছে। সামাজিক বনায়ন জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ও সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। গ্রামীণ জনগণের দারিদ্র্য নিরসনে সামাজিক বনায়ন বিশাল ভূমিকা পালন করছে। সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় পাঁচ লক্ষ গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠী সামাজিক বনায়ন কর্মসূচিতে নিজেদের উপকারভোগী হিসেবে সম্পৃক্ত করেছে। সরকারি বনাঞ্চলের বাহিরের প্রান্তিক জমি যেমন— রাস্তা, রেলপথ, সড়ক, খাল ও বাঁধের ধার বসতবাড়ির আশেপাশে বনায়নের মাধ্যমে জনসাধারণের জন্য জ্বালানি কাঠ, পশুখাদ্য ও ছোটখাটো কাঠের চাহিদা পূরণে এবং বাড়তি আয়ের মাধ্যমে তাদের জীবনের মান ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সাধন করা সম্ভব হচ্ছে। এভাবে তানভীর সিদ্দিকীর সামগ্রিক কর্মকাণ্ড অর্থাৎ সামাজিক বনায়ন “জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।”

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCAgriculture 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

তানভীর সিদ্দিকী একজন বৃক্ষপ্রেমী । তিনি তার এলাকায় প্রায় ২০০ জন লোক নিয়ে ১০টি দলে বিভক্ত হয়ে রাস্তার দুই ধারে শিশু, মেহগনি, দেবদারু, তাল, পাম ইত্যাদি বৃক্ষ রোপণ করেন এবং যত্ন নিয়ে বড় করেন। জলগুলোর নিয়মিত পরিদর্শন, পর্যবেক্ষণের কারণে রাস্তার দু'পাশে বেড়ে ওঠা গাছগুলোর নান্দনিক সৌন্দর্য সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তানভীর সিদ্দিকীর এই মহৎ উদ্যোগের কারণে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এ বছর তাকে পুরস্কৃত করেছে।

Rajshahi · 2017

ক
বন কী ?

উত্তর

বন বলতে বৃহৎ আকৃতির বৃক্ষরাজি দ্বারা আচ্ছাদিত বিস্তৃত এলাকাকে বোঝায়, যেখানে প্রাকৃতিক বন্য পশুপাখি, কীটপতঙ্গ ও অন্যান্য জীব বসবাস করতে পারে ।
খ
কৃষি মেলার গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর ।

উত্তর

কৃষি মেলায় কৃষক কর্তৃক উৎপাদিত ও বাছাইকৃত কৃষি পণ্যের প্রদর্শনী ও বিক্রয় করা হয়। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে কৃষিতে উদ্ভাবিত নতুন নতুন প্রযুক্তি সম্পর্কে কৃষকদের অবহিত করা এবং উক্ত প্রযুক্তি কৃষকদের মাঝে হস্তান্তর করা হয়। কৃষি পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষকদের মাঝে প্রতিযোগিতার মনোভাব সৃষ্টি করা যায় কৃষিমেলার মাধ্যমে। এ মেলার মাধ্যমে কৃষি ও প্রযুক্তিবিদদের সাথে কৃষকদের খোলামেলা মতবিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়। তাই বলা যায় কৃষি মেলার গুরুত্ব অপরিসীম।
গ
উদ্দীপকে তানভীর সিদ্দিকী যে কাজগুলো করে থাকেন তা কোন ধরনের বনায়নের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত তানভীর সিদ্দিকী একজন বৃক্ষপ্রেমী। তিনি তার এলাকায় ২০০ জন লোক নিয়ে ১০টি দলে বিভক্ত হয়ে রাস্তার দুই ধারে শিশু, মেহগনি, দেবদারু, তাল, পাম ইত্যাদি বৃক্ষ রোপণ ও যত্ন নেন। তানভীর সিদ্দিকী যে কাজগুলো করে থাকেন তা সামাজিক বনায়নের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- প্রাকৃতিক বন ব্যতিরেকে বনজ সম্পদের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে জনসাধারণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের মাধ্যমে বসতবাড়ি, রাস্তা, বাঁধ, খাস ও প্রাতিষ্ঠানিক জমিতে স্থাপিত বনকে সামাজিক বন বলে। সামাজিক বন জনগণের কল্যাণে জনগণ কর্তৃক সৃষ্ট যার ব্যবস্থাপনা, সংরক্ষণ ও ব্যবহার স্থানীয় উপকারভোগী ও জনগণ কর্তৃক সম্পাদিত হয় এবং এতে বনবিভাগ ও অন্যান্য সংস্থা কারিগরি ও আর্থিক বিষয়ে সহায়তাকারী হিসেবে কাজ করে। সামাজিক বন বিভিন্ন প্রকারের হতে পারে। যেমন— বসত বন, কৃষি বন, প্রাতিষ্ঠানিক বন, সড়ক ও বাঁধ বন। তানভীর সিদ্দিকীর কাজগুলো সামাজিক বনায়নের অন্তর্গত সড়কও বাঁধ বন। এ ধরনের বনায়নে প্রধানত রেইনট্রি, কড়ই, বাবলা, শিশু, আকাশমণি, অর্জুন ইত্যাদি বৃক্ষ সড়ক ও বাঁধের দুই ধারে লাগিয়ে সড়ক ও বাঁধ বন সৃষ্টি করা হয়।
ঘ
তানভীর সিদ্দিকীর সামগ্রিক কর্মকাণ্ড “জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে”— মূল্যায়ন কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত তানভীর সিদ্দিকীর কর্মকাণ্ডগুলো হলো সামাজিক বনায়ন। তানভীর সিদ্দিকীর সামগ্রিক কর্মকাণ্ড “জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।" নিচে তা মূল্যায়ন করা হলো : সামাজিক বনায়ন জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির “কমিউনিটি ফরেস্ট্রি” প্রকল্পের বাস্তবায়নের ফলে বরেন্দ্র অঞ্চলে আজ সবুজের সমারোহ। সামাজিক বনায়নের ফলে দেশে বনজ সম্পদের পরিমাণ বেড়েছে। সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে নতুন নতুন বৃক্ষ রোপণ ও সম্প্রসারণের ফলে এদের উপর আশ্রিত বিভিন্ন পাখি, জীব, উপকারী পোকামাকড় তাদের টিকিয়ে রাখতে পারছে। সামাজিক বনায়ন জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ও সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। গ্রামীণ জনগণের দারিদ্র্য নিরসনে সামাজিক বনায়ন বিশাল ভূমিকা পালন করছে। সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় পাঁচ লক্ষ গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠী সামাজিক বনায়ন কর্মসূচিতে নিজেদের উপকারভোগী হিসেবে সম্পৃক্ত করেছে। সরকারি বনাঞ্চলের বাহিরের প্রান্তিক জমি যেমন— রাস্তা, রেলপথ, সড়ক, খাল ও বাঁধের ধার বসতবাড়ির আশেপাশে বনায়নের মাধ্যমে জনসাধারণের জন্য জ্বালানি কাঠ, পশুখাদ্য ও ছোটখাটো কাঠের চাহিদা পূরণে এবং বাড়তি আয়ের মাধ্যমে তাদের জীবনের মান ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সাধন করা সম্ভব হচ্ছে। এভাবে তানভীর সিদ্দিকীর সামগ্রিক কর্মকাণ্ড অর্থাৎ সামাজিক বনায়ন “জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।”

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCAgriculture 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

শিমুলের দাদু বন বিভাগের কর্মচারী ছিলেন। অবসর জীবনে তিনি রাঙ্গামাটি জেলায় বসবাস করেন। তার একমাত্র নাতী শিমুলের এসএসসি পরীক্ষার পর তাকে নিয়ে সুন্দরবন বেড়াতে এসেছেন । শিমুল তার এলাকার শীল কড়ই গাছের সাথে পরিচিত ছিল। এখানে সে সুন্দরী গাছসহ অনেক অপরিচিত গাছপালা ও পশুপাখি দেখে মুগ্ধ হলো। দাদু বললেন, তার ছোট বেলায় দেখা বনের গাছপালা ও পশুপাখি এখন আর তেমন একটা চোখে পড়ে না। কারণ মানুষ আজকাল নির্বিচারে গাছপালা কাটছে।

Dhaka · 2017

ক
কৃষি বন কী ?

উত্তর

মাঠ ফসলের মাঝে মাঝে কিছু নির্দিষ্ট প্রজাতির গাছ লাগিয়ে যে বনায়ন করা হয় তাই কৃষি বন ৷
খ
কৃষি মেলার আয়োজন করা হয় কেন ?

উত্তর

নিম্নোক্ত উদ্দেশ্যে কৃষি মেলার আয়োজন করা হয় : ১. কৃষি উন্নয়ন সংস্থা কর্তৃক উদ্ভাবিত প্রযুক্তি প্রদর্শন করা । ২. উন্নত ও আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণে জনগণকে উৎসাহিত করা । ৩. সমন্বিত খামার ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান দেওয়া । ৪. ফলমূল ও শাকসবজি প্রক্রিয়াজাতকরণের আধুনিক কৌশল ও পদ্ধতিসমূহ সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করা।
গ
উদ্দীপকের আলোকে শিমুলের দেখা বন দুটির তুলনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত শিমুলের দেখা বন দুটি হলো পাহাড়ি বন ও ম্যানগ্রোভ বন । নিচে বন দুটির তুলনা করা হলো— ১. পাহাড়ি বন উঁচু, পাহাড় এলাকায় জন্মানো বন। অন্যদিকে ম্যানগ্রোভ বন সমুদ্র উপকূলবর্তী নিচু ও মাঝারি নিচু লোনা জমিতে জন্মানো বন । ২. পাহাড়ি বন দেশের পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত । ম্যানগ্রোভ বন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মূল ভূখণ্ড থেকে সমুদ্রের তীর পর্যন্ত বিস্তৃত । ৩. পাহাড়ি বনের আয়তন ১৩ লক্ষ হেক্টর । ম্যানগ্রোভ বনের আয়তন ৮.১ লক্ষ হেক্টর । ৪. পাহাড়ি বনের প্রধান বৃক্ষ গর্জন, চাপালিশ, তেলসুর, গামার, চম্পা, সেগুন, সিভিট ইত্যাদি। ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান বৃক্ষ সুন্দরি, পশুর, গরান, গেওয়া, কেওড়া, গোলপাতা, বাইন ইত্যাদি । ৫. পাহাড়ি বনের প্রাণীদের মধ্যে হাতি, বানর, সাপ, শূকর, বনমুরগি, ভাল্লুক, শিয়াল ইত্যাদি প্রধান। ম্যানগ্রোভ বনে রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিতাবাঘ, হরিণ, বানর, অজগর সাপ, পাখি ইত্যাদি পাওয়া যায় । ৬. পাহাড়ি বনে অল্প পরিমাণে মধু ও মোম পাওয়া যায়। ম্যানগ্রোভ বনে পর্যাপ্ত পরিমাণে মধু ও মোম পাওয়া যায়।
ঘ
উদ্দীপকের দাদুর ছোটবেলার দেখা বনের গাছপালা ও পশুপাখি এখন দেখা না যাওয়ার কারণ বিশ্লেষণ কর ।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত শিমুলের দাদুর ছোটবেলার দেখা বনের গাছপালা ও পশুপাখি এখন দেখা না যাওয়ার কারণ নিচে বিশ্লেষণ করা হলো- দেশের বর্ধিত জনসংখ্যার আবাসস্থলের জন্য বন কেটে ঘরবাড়ি তৈরি করা হচ্ছে। ঝড়-ঝঞ্ঝার প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় গাছপালা নষ্ট হচ্ছে। খরায় বনাঞ্চল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মানুষ অবাধে বন্যপ্রাণী ও পাখি শিকার করছে। দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে বন থেকে অধিক হারে গাছ কাটা হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন নির্মাণ কাজে ব্যবহারের জন্য গাছ কাটা হচ্ছে। কিন্তু বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে নতুন বনায়ন করা হচ্ছে না। বন ও বন্যপ্রাণী বিধির যথাযথ প্রয়োগ না হওয়ায় অবাধে গাছ, প্রাণী, পাখি ধ্বংস করা হচ্ছে। ভূমিক্ষয়ে বনভূমি নষ্ট হওয়া ও ভূমির উর্বরতা কমে যাওয়ায় বনজ উৎপাদন কম হয়। বন ও বন্যপ্রাণীর সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে তা ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। বন্য ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত কর্মীদের প্রশিক্ষণ না থাকায় বন নষ্ট হচ্ছে। বন কেটে পাহাড়ি এলাকায় জুম চাষ করায় বন ধ্বংস হচ্ছে। ইটের ভাটায় বনজ গাছ ব্যবহার করায় বন কেটে নষ্ট করা হচ্ছে। গাছপালা কমে যাওয়ায় বন্যপ্রাণী ও পাখি ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে ও বিলুপ্তি ঘটছে। মানুষের এতসব অসচেতন কর্মকাণ্ডের ফলে বনের পরিবেশ পরিবর্তিত হয়ে অনেক উদ্ভিদ ও প্রাণীর বিলুপ্তি ঘটেছে। তাই শিমুলের দাদু এখন আগের মতো বনে প্রচুর গাছপালা ও পশুপাখি দেখতে পান না ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCAgriculture 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

শিমুলের দাদু বন বিভাগের কর্মচারী ছিলেন। অবসর জীবনে তিনি রাঙ্গামাটি জেলায় বসবাস করেন। তার একমাত্র নাতী শিমুলের এসএসসি পরীক্ষার পর তাকে নিয়ে সুন্দরবন বেড়াতে এসেছেন । শিমুল তার এলাকার শীল কড়ই গাছের সাথে পরিচিত ছিল। এখানে সে সুন্দরী গাছসহ অনেক অপরিচিত গাছপালা ও পশুপাখি দেখে মুগ্ধ হলো। দাদু বললেন, তার ছোট বেলায় দেখা বনের গাছপালা ও পশুপাখি এখন আর তেমন একটা চোখে পড়ে না। কারণ মানুষ আজকাল নির্বিচারে গাছপালা কাটছে।

Dhaka · 2017

ক
কৃষি বন কী ?

উত্তর

মাঠ ফসলের মাঝে মাঝে কিছু নির্দিষ্ট প্রজাতির গাছ লাগিয়ে যে বনায়ন করা হয় তাই কৃষি বন ৷
খ
কৃষি মেলার আয়োজন করা হয় কেন ?

উত্তর

নিম্নোক্ত উদ্দেশ্যে কৃষি মেলার আয়োজন করা হয় : ১. কৃষি উন্নয়ন সংস্থা কর্তৃক উদ্ভাবিত প্রযুক্তি প্রদর্শন করা । ২. উন্নত ও আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণে জনগণকে উৎসাহিত করা । ৩. সমন্বিত খামার ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান দেওয়া । ৪. ফলমূল ও শাকসবজি প্রক্রিয়াজাতকরণের আধুনিক কৌশল ও পদ্ধতিসমূহ সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করা।
গ
উদ্দীপকের আলোকে শিমুলের দেখা বন দুটির তুলনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত শিমুলের দেখা বন দুটি হলো পাহাড়ি বন ও ম্যানগ্রোভ বন । নিচে বন দুটির তুলনা করা হলো— ১. পাহাড়ি বন উঁচু, পাহাড় এলাকায় জন্মানো বন। অন্যদিকে ম্যানগ্রোভ বন সমুদ্র উপকূলবর্তী নিচু ও মাঝারি নিচু লোনা জমিতে জন্মানো বন । ২. পাহাড়ি বন দেশের পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত । ম্যানগ্রোভ বন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মূল ভূখণ্ড থেকে সমুদ্রের তীর পর্যন্ত বিস্তৃত । ৩. পাহাড়ি বনের আয়তন ১৩ লক্ষ হেক্টর । ম্যানগ্রোভ বনের আয়তন ৮.১ লক্ষ হেক্টর । ৪. পাহাড়ি বনের প্রধান বৃক্ষ গর্জন, চাপালিশ, তেলসুর, গামার, চম্পা, সেগুন, সিভিট ইত্যাদি। ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান বৃক্ষ সুন্দরি, পশুর, গরান, গেওয়া, কেওড়া, গোলপাতা, বাইন ইত্যাদি । ৫. পাহাড়ি বনের প্রাণীদের মধ্যে হাতি, বানর, সাপ, শূকর, বনমুরগি, ভাল্লুক, শিয়াল ইত্যাদি প্রধান। ম্যানগ্রোভ বনে রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিতাবাঘ, হরিণ, বানর, অজগর সাপ, পাখি ইত্যাদি পাওয়া যায় । ৬. পাহাড়ি বনে অল্প পরিমাণে মধু ও মোম পাওয়া যায়। ম্যানগ্রোভ বনে পর্যাপ্ত পরিমাণে মধু ও মোম পাওয়া যায়।
ঘ
উদ্দীপকের দাদুর ছোটবেলার দেখা বনের গাছপালা ও পশুপাখি এখন দেখা না যাওয়ার কারণ বিশ্লেষণ কর ।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত শিমুলের দাদুর ছোটবেলার দেখা বনের গাছপালা ও পশুপাখি এখন দেখা না যাওয়ার কারণ নিচে বিশ্লেষণ করা হলো- দেশের বর্ধিত জনসংখ্যার আবাসস্থলের জন্য বন কেটে ঘরবাড়ি তৈরি করা হচ্ছে। ঝড়-ঝঞ্ঝার প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় গাছপালা নষ্ট হচ্ছে। খরায় বনাঞ্চল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মানুষ অবাধে বন্যপ্রাণী ও পাখি শিকার করছে। দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে বন থেকে অধিক হারে গাছ কাটা হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন নির্মাণ কাজে ব্যবহারের জন্য গাছ কাটা হচ্ছে। কিন্তু বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে নতুন বনায়ন করা হচ্ছে না। বন ও বন্যপ্রাণী বিধির যথাযথ প্রয়োগ না হওয়ায় অবাধে গাছ, প্রাণী, পাখি ধ্বংস করা হচ্ছে। ভূমিক্ষয়ে বনভূমি নষ্ট হওয়া ও ভূমির উর্বরতা কমে যাওয়ায় বনজ উৎপাদন কম হয়। বন ও বন্যপ্রাণীর সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে তা ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। বন্য ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত কর্মীদের প্রশিক্ষণ না থাকায় বন নষ্ট হচ্ছে। বন কেটে পাহাড়ি এলাকায় জুম চাষ করায় বন ধ্বংস হচ্ছে। ইটের ভাটায় বনজ গাছ ব্যবহার করায় বন কেটে নষ্ট করা হচ্ছে। গাছপালা কমে যাওয়ায় বন্যপ্রাণী ও পাখি ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে ও বিলুপ্তি ঘটছে। মানুষের এতসব অসচেতন কর্মকাণ্ডের ফলে বনের পরিবেশ পরিবর্তিত হয়ে অনেক উদ্ভিদ ও প্রাণীর বিলুপ্তি ঘটেছে। তাই শিমুলের দাদু এখন আগের মতো বনে প্রচুর গাছপালা ও পশুপাখি দেখতে পান না ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCAgriculture 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

কৃষি শিক্ষক রনি মাঠের ছাত্র-ছাত্রীদের বনজবৃক্ষের চারা রোপণের উদ্দেশ্যে প্রথম ধাপে নির্দিষ্ট মাপে মাটি সরানো এবং দ্বিতীয় ধাপের কাজটিও সম্পাদন করে দেখালেন। ছাত্রী ঝুমুর উক্ত অভিজ্ঞতার আলোকে তার বাড়িতে প্রথমে একটি চারা রোপণ করে বাঁচাতে পারল না। কৃষি শিক্ষক তাকে চারা রোপণের সময় ধাপে ধাপে কাজের ত্রুটিগুলো সংশোধন করে দিলেন। পরবর্তীতে সেই মোতাবেক ঝুমুর গাছের চারা রোপণ করে বাঁচাতে সক্ষম হলো।

Rajshahi · 2018

ক
বৃক্ষের ড্রেসিং কী ?

উত্তর

বৃক্ষের কাণ্ড, শাখা ও প্রশাখার ক্ষতস্থানের ছত্রাকসহ পচনশীল পদার্থ অপসারণ করে জীবাণু সংক্রমণ প্রতিরোধক লাগিয়ে দেওয়াই হলো বৃক্ষের ড্রেসিং।
খ
সকল ট্রেনিং প্রুনিং নয় কেন ?

উত্তর

গাছকে নির্দিষ্ট উচ্চতা, আকার-আকৃতি, সুন্দর, সুগঠিত ও শক্ত কাঠামো দেওয়ার জন্য ট্রেনিং করা হয় । এক্ষেত্রে ব্যবহারযোগ্য কাঠের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় শুধু গাছের শাখা-প্রশাখা ছাঁটাই করা হয়। অপরদিকে গাছের শাখা-প্রশাখা, কাণ্ড, ফুল, ফল মূল, কেটে অপসারণ করাই হচ্ছে প্রুনিং। প্রুনিং-এর ফলে গাছের ফুল-ফল ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং রোগ ও পোকার আক্রমণ কমে যায় । এজন্যই বলা যায় সকল ট্রেনিং প্রুনিং কিন্তু সকল প্রুনিং ট্রেনিং নয় ।
গ
ছাত্র-ছাত্রীদের প্রাথমিক ধাপে মাটি সরানোর কাজটি কী ছিল ? ব্যাখ্যা কর ।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত বৃক্ষরোপণের প্রথম ধাপ হচ্ছে বৃক্ষরোপণ পূর্ববর্তী কাজ। আর এ ধাপে ছাত্র-ছাত্রীদের মাটি সরানোর কাজটি হচ্ছে গর্ত খনন । নিচে এ সম্পর্কে ব্যাখ্যা করা হলো- বৃক্ষরোপণ বা চারা রোপণের ক্ষেত্রে প্রথমে স্থান নির্বাচন করে তা পরিষ্কার করতে হবে। ছোট কোদাল দ্বারা গর্ত তৈরি করতে হবে। গর্তের উপরের অর্ধেক মাটিকে আলাদা রাখতে হবে, যাকে গর্তের প্রথম মাটি বলা হয়। গর্তের নিচের অর্ধেক মাটিকে আলাদা রাখতে হবে, যাকে গর্তের দ্বিতীয় মাটি বলা হয়। গর্তের ভেতরের পাশগুলো সমান রাখতে হবে । গর্তের তলার মাটি হালকাভাবে কুপিয়ে গুঁড়া করে দিতে হবে। চারার আকার অনুযায়ী গর্ত বিভিন্ন রকমের হয়। বড় আকারের চারার জন্য ৯০ X ৯০ x ৯০ ঘন সে. মি., মাঝারি .. আকারের চারার জন্য ৭০x৭০x৭০ ঘন সে.মি. এবং ছোট আকারের চারার জন্য ৫০ x ৫০ x ৫০ ঘন সে.মি. আকারের গর্ত করা হয় । এভাবেই মাটি সরানোর মাধ্যমে চারা রোপণের জন্য গর্ত তৈরি করা হয়েছিল।
ঘ
ঝুমুরের প্রথম ধাপে রোপণ করা চারা গাছটি না বাঁচার কারণ উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

ঝুমুরের প্রথম ধাপে রোপণ করা চারা গাছটি না বাঁচার কারণ উদ্দীপকের আলোকে নিচে বিশ্লেষণ করা হলো— চারা রোপণের সময় কিছু কিছু পূর্বপ্রস্তুতিমূলক কাজ সম্পাদন করতে হয়, তা না হলে চারা মারা যাওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। ঝুমুরের এসব পূর্বপ্রস্তুতিতে ত্রুটি থাকায় তার রোপণকৃত চারা বাঁচে না। চারা না বাঁচার কারণ হচ্ছে চারা রোপণের পূর্বে কোনো শিকড় কেটে যাওয়া, রোগাক্রান্ত শিকড়, চারা হার্ডেনিং না করা, চারায় রোগাক্রান্ত পাতার এবং অতিরিক্ত পরিমাণে শুকনো শিকড়ের উপস্থিতি। চারায় পোকার আক্রমণ থাকলেও অনেক সময় তা মারা যায়। এছাড়া মাটিতে উপযুক্ত পরিমাণ পানি না থাকলেও চারা মারা যেতে পারে। গর্তের মাটি প্রচণ্ড শক্ত হলে এবং প্রচণ্ড রোদের তাপের কারণেও অনেক সময় চারা বাঁচে না । অতএব বলা যায়, উপরোক্ত এক বা একাধিক ত্রুটির কারণেই ঝুমুরের চারা বাঁচে না অর্থাৎ মারা যায় ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCAgriculture 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

কৃষি শিক্ষক রনি মাঠের ছাত্র-ছাত্রীদের বনজবৃক্ষের চারা রোপণের উদ্দেশ্যে প্রথম ধাপে নির্দিষ্ট মাপে মাটি সরানো এবং দ্বিতীয় ধাপের কাজটিও সম্পাদন করে দেখালেন। ছাত্রী ঝুমুর উক্ত অভিজ্ঞতার আলোকে তার বাড়িতে প্রথমে একটি চারা রোপণ করে বাঁচাতে পারল না। কৃষি শিক্ষক তাকে চারা রোপণের সময় ধাপে ধাপে কাজের ত্রুটিগুলো সংশোধন করে দিলেন। পরবর্তীতে সেই মোতাবেক ঝুমুর গাছের চারা রোপণ করে বাঁচাতে সক্ষম হলো।

Rajshahi · 2018

ক
বৃক্ষের ড্রেসিং কী ?

উত্তর

বৃক্ষের কাণ্ড, শাখা ও প্রশাখার ক্ষতস্থানের ছত্রাকসহ পচনশীল পদার্থ অপসারণ করে জীবাণু সংক্রমণ প্রতিরোধক লাগিয়ে দেওয়াই হলো বৃক্ষের ড্রেসিং।
খ
সকল ট্রেনিং প্রুনিং নয় কেন ?

উত্তর

গাছকে নির্দিষ্ট উচ্চতা, আকার-আকৃতি, সুন্দর, সুগঠিত ও শক্ত কাঠামো দেওয়ার জন্য ট্রেনিং করা হয় । এক্ষেত্রে ব্যবহারযোগ্য কাঠের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় শুধু গাছের শাখা-প্রশাখা ছাঁটাই করা হয়। অপরদিকে গাছের শাখা-প্রশাখা, কাণ্ড, ফুল, ফল মূল, কেটে অপসারণ করাই হচ্ছে প্রুনিং। প্রুনিং-এর ফলে গাছের ফুল-ফল ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং রোগ ও পোকার আক্রমণ কমে যায় । এজন্যই বলা যায় সকল ট্রেনিং প্রুনিং কিন্তু সকল প্রুনিং ট্রেনিং নয় ।
গ
ছাত্র-ছাত্রীদের প্রাথমিক ধাপে মাটি সরানোর কাজটি কী ছিল ? ব্যাখ্যা কর ।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত বৃক্ষরোপণের প্রথম ধাপ হচ্ছে বৃক্ষরোপণ পূর্ববর্তী কাজ। আর এ ধাপে ছাত্র-ছাত্রীদের মাটি সরানোর কাজটি হচ্ছে গর্ত খনন । নিচে এ সম্পর্কে ব্যাখ্যা করা হলো- বৃক্ষরোপণ বা চারা রোপণের ক্ষেত্রে প্রথমে স্থান নির্বাচন করে তা পরিষ্কার করতে হবে। ছোট কোদাল দ্বারা গর্ত তৈরি করতে হবে। গর্তের উপরের অর্ধেক মাটিকে আলাদা রাখতে হবে, যাকে গর্তের প্রথম মাটি বলা হয়। গর্তের নিচের অর্ধেক মাটিকে আলাদা রাখতে হবে, যাকে গর্তের দ্বিতীয় মাটি বলা হয়। গর্তের ভেতরের পাশগুলো সমান রাখতে হবে । গর্তের তলার মাটি হালকাভাবে কুপিয়ে গুঁড়া করে দিতে হবে। চারার আকার অনুযায়ী গর্ত বিভিন্ন রকমের হয়। বড় আকারের চারার জন্য ৯০ X ৯০ x ৯০ ঘন সে. মি., মাঝারি .. আকারের চারার জন্য ৭০x৭০x৭০ ঘন সে.মি. এবং ছোট আকারের চারার জন্য ৫০ x ৫০ x ৫০ ঘন সে.মি. আকারের গর্ত করা হয় । এভাবেই মাটি সরানোর মাধ্যমে চারা রোপণের জন্য গর্ত তৈরি করা হয়েছিল।
ঘ
ঝুমুরের প্রথম ধাপে রোপণ করা চারা গাছটি না বাঁচার কারণ উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

ঝুমুরের প্রথম ধাপে রোপণ করা চারা গাছটি না বাঁচার কারণ উদ্দীপকের আলোকে নিচে বিশ্লেষণ করা হলো— চারা রোপণের সময় কিছু কিছু পূর্বপ্রস্তুতিমূলক কাজ সম্পাদন করতে হয়, তা না হলে চারা মারা যাওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। ঝুমুরের এসব পূর্বপ্রস্তুতিতে ত্রুটি থাকায় তার রোপণকৃত চারা বাঁচে না। চারা না বাঁচার কারণ হচ্ছে চারা রোপণের পূর্বে কোনো শিকড় কেটে যাওয়া, রোগাক্রান্ত শিকড়, চারা হার্ডেনিং না করা, চারায় রোগাক্রান্ত পাতার এবং অতিরিক্ত পরিমাণে শুকনো শিকড়ের উপস্থিতি। চারায় পোকার আক্রমণ থাকলেও অনেক সময় তা মারা যায়। এছাড়া মাটিতে উপযুক্ত পরিমাণ পানি না থাকলেও চারা মারা যেতে পারে। গর্তের মাটি প্রচণ্ড শক্ত হলে এবং প্রচণ্ড রোদের তাপের কারণেও অনেক সময় চারা বাঁচে না । অতএব বলা যায়, উপরোক্ত এক বা একাধিক ত্রুটির কারণেই ঝুমুরের চারা বাঁচে না অর্থাৎ মারা যায় ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো