সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার প্রধান পার্থক্য—
ক. শব্দে ও বাক্যে
খ. ক্রিয়াপদে ও সর্বনামে
গ. কারক ও বিভক্তিতে
ঘ. উচ্চারণে
ঙ. কোনটিই নয়
উত্তর: ক্রিয়াপদে ও সর্বনামে
ব্যাখ্যা: সাধু ভাষা : · সাধুভাষা পরিভাষাটি প্রথম ব্যবহার করেন- রামমোহন রায়। · বাংলা গদ্যের প্রথম যুগে প্রচলন ছিল- সাধুরীতির। · বাংলা ভাষার যে রীতি সুনির্ধারিত ব্যাকরণের অনুসারী- সাধুরীতি। · যে ভাষারীতির পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট- সাধুভাষা। · সাধু ভাষার বৈশিষ্ট্য- এটি তৎসম শব্দবহুল এবং সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে। · সাধু ভাষার প্রচলন স্তিমিত হয়- বিংশ শতাব্দীতে। চলিত ভাষা : · বাংলা সাহিত্যের চলিত রীতির রূপকার, স্রষ্টা ও প্রথম ব্যবহারকারী- প্রমথ চৌধুরী। · প্রমথ চৌধুরীর 'সবুজপত্র'কে কেন্দ্র করে চলিত গদ্যরীতির সাহিত্যিক স্বীকৃতি ও পূর্ণ বিকাশ লাভ করে- ১৯১৪ সালে। · বর্তমানে সর্বজনস্বীকৃত ভাষা- চলিত ভাষা। · চলিত ভাষার রীতি- পরিবর্তনশীল। · চলিত ভাষার বিশেষ বৈশিষ্ট্য- তদ্ভব শব্দবহুলতা। · ভাগীরথী নদীর তীরবর্তী মানুষের ভাষা মূলত- চলিত ভাষা। · প্রমথ চৌধুরী যে বিষয়ে রবীন্দ্রনাথকে প্রভাবিত করেছিলেন- চলিত ভাষার ব্যবহার। · নাটকের সংলাপের উপযোগী।
Admission CU A প্রশ্নব্যাংক ২০১৩-২০১৪ MCQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
Admission · CU A প্রশ্নব্যাংক · ২০১৩-২০১৪ · MCQ
সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার প্রধান পার্থক্য—
- ক.শব্দে ও বাক্যে
- খ.ক্রিয়াপদে ও সর্বনামে
- গ.কারক ও বিভক্তিতে
- ঘ.উচ্চারণে
- ঙ.কোনটিই নয়
উত্তর