'ক্ষুধিতপাষাণ' কোন সমাস?
ক. কর্মধারয়
খ. বহুব্রীহি
গ. তৎপুরুষ
ঘ. দ্বন্দ্ব
উত্তর: কর্মধারয়
ব্যাখ্যা: বিশেষ্য ও বিশেষণ পদ মিলে যে সমাস হয় এবং বিশেষ্য বা পরপদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন- ক্ষুধিত যে পাষাণ = ক্ষুধিতপাষাণ। সুন্দরী যে লতা = সুন্দরীলতা বহুব্রীহি সমাস চেনার উপায় : যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনটির অর্থ না বুঝিয়ে সমস্তপদে অন্য কোন ব্যক্তি, বস্তু বা পদার্থকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। যেমন— দশ আনন (হাত) যার = দশানন (দশ হাত)। এখানে, সমস্তপদে 'দশ' কিংবা 'আনন' কোনটিরই অর্থ না বুঝিয়ে একটি ভিন্ন অর্থ রাবণকে বুঝিয়েছে। তৎপুরুষ সমাস চেনার উপায় : পরপদের অর্থ প্রাধান্য পাবে, পূর্বপদের বিভক্তি অনুসারে এই সমাসের নামকরণ করা হয়। তৎপুরুষ সমাসের পূর্বপদে দ্বিতীয়া থেকে সপ্তমী পর্যন্ত যে কোন বিভক্তি থাকতে পারে। ব্যাসবাক্যে বিশেষ্য + ক্রিয়া + যে/যা থাকলে— উপপদ তৎপুরুষ । উদাহরণ : ধামা (বিশেষ্য) + ধরে (ক্রিয়া) + যে = ধামাধরা ব্যাসবাক্যের শুরুতে ন, নয়, নাই থাকলে — নঞ তৎপুরুষ। উদাহরণ : ন (নাই) জানা = অজানা। তবে ব্যাসবাক্যের শুরুতে ন, নাই এবং শেষে যে/যার/যা থাকলে — নঞ বহুব্রীহি সমাস। যেমন : নাই জানা যা = অজানা। ব্যাসবাক্যের বিভক্তি সমস্তপদে লোপ না পেলে- অলুক তৎপুরুষ। উদাহরণ : চোখের (চোখ + এর) বালি = চোখের বালি দ্বন্দ্ব সমাস চেনার উপায় : ব্যাসবাক্যে 'ও / এবং / আর' থাকবে। উভয় পদের অর্থ প্রাধান্য পাবে। যেমন : ভাই ও বোন = ভাই-বোন; হেসে ও খেলে = হেসে-খেলে
Admission JU B প্রশ্নব্যাংক ২০১৪-২০১৫ MCQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
Admission · JU B প্রশ্নব্যাংক · ২০১৪-২০১৫ · MCQ