উদ্দীপকে নুপুর জাঙ্কফুড খেতে পছন্দ করে। এতে সে স্থূলকায় হয়ে পড়ে। নুপুরের মামা তাকে জাঙ্কফুডের পরিবর্তে শাকসবজি ও টাটকা ফল অর্থাৎ রাফেজ বা আঁশযুক্ত খাবার খেতে বলেন এবং একই সাথে নিয়মিত শরীরচর্চা করার পরামর্শ দেন। নিচে মামার পরামর্শের যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করা হলো-
জাঙ্কফুডে প্রায়শই অতিরিক্ত রাসায়নিক পদার্থ থাকে, যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এতে সাধারণত প্রচুর পরিমাণে প্রাণিজ চর্বি ও চিনি থাকে। এই চর্বি শরীরে চর্বি কলায় রূপান্তরিত হয় এবং আমাদেরকে অস্বাভাবিকভাবে স্ফীত করে তোলে। আবার অতিরিক্ত চিনি আমাদের দাঁত ও ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। অপরদিকে রাফেজ মূলত সেলুলোজ নির্মিত উদ্ভিদ কোষপ্রাচীর। যা পরিপাকে সহায়তা করে, পানি শোষণ করে মলের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। রাফেজ বা আঁশযুক্ত খাবার বারবার ক্ষুধার প্রবণতা কমাতে কাজ করে। এছাড়া শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কমাতে সাহায্য করে ও দেহের স্থূলতা অনেকাংশে হ্রাস করে। অন্যদিকে নিয়মিত শরীরচর্চার ফলে নুপুরের শরীরের বিভিন্ন দেহতন্ত্র বা জৈবতন্ত্রগুলো সক্রিয় থাকবে, রক্ত চলাচল ক্ষমতা ভালো থাকবে যার মাধ্যমে সে সুস্থ শরীরের অধিকারী হবে। তাই বলা যায়, নুপুরকে দেওয়া তার মামার পরামর্শটি যথার্থ ও যৌক্তিক ছিল।