উদ্দীপকে B এর খাদ্যগুলো হলো জিরা, ঝিঙা, কলমি, শুকনা ফল। এসব খাদ্যে ভালো পরিমাণ রাফেজ বা খাদ্য আঁশ পাওয়া যায়। আবার C এর খাদ্যগুলো হলো কাজু বাদাম, ঘি, চর্বিসহ মাংস, ডিমের কুসুম যা স্নেহ বা চর্বি জাতীয় খাদ্য। হৃদরোগ, কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে স্নেহ এর তুলনায় রাফেজ জাতীয় খাদ্য বেশি ভূমিকা রাখে।রাফেজ বা আঁশ হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি পরিপাকে সহায়তা করে। শরীর থেকে অপাচ্য খাদ্য নিষ্কাশনে সাহায্য করে। এমনকি শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কমাতে সাহায্য করে।কোষ্ঠকাঠিন্যের ক্ষেত্রে খাদ্যনালি শুকিয়ে এর গাত্রে পিণ্ডের সৃষ্টি হয়। রাফেজযুক্ত খাবার এ পিন্ডের স্থলে একটি দৃঢ় স্ফীত গঠন করে। ফলে খাদ্যনালির পেশি ক্রম সংকোচন সঞ্চালনে সহজেই স্থানান্তরিত হয় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। আবার স্থূলতা হ্রাস করে রাফেজ হৃদরোগের ঝুঁকিও কমায়।অপরদিকে স্নেহ পদার্থ হলো চর্বি ও তেল। দেহের পুষ্টি এবং বৃদ্ধির জন্য স্নেহ পদার্থ আবশ্যক। কিন্তু অতিরিক্ত স্নেহ পদার্থ গ্রহণ করলে শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমে শরীর মেদবহুল হয় যা পরবর্তীতে হৃদরোগের সূত্রপাত ঘটাতে পারে।অতএব পরিশেষে বলা যায় যে, হৃদরোগ, কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে B এর রাফেজ উপাদানটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ।