“সুষম খাদ্যে উদ্দীপকের সবগুলো উপাদান বিদ্যমান থাকে”- উক্তিটি মূল্যায়ন কর।
উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত খাদ্য উপাদানগুলো যথাক্রমে ৫% অসম্পৃক্ত, ২০% সম্পৃক্ত স্নেহ, ১৫% প্রোটিন এবং ৬০% শর্করা। যে খাদ্যে শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি এই ছয়টি উপাদানই গুণাগুণ অনুসারে উপযুক্ত পরিমাণে থাকে এবং যে খাদ্য গ্রহণ করলে দেহে স্বাভাবিক কাজকর্মের জন্য উপযুক্ত পরিমাণ ক্যালরি পাওয়া যায় তাকে সুষম খাদ্য বলে। একজন পূর্ণবয়স্ক শারীরিক পরিশ্রম করা মানুষের দৈনিক ২০০০ ২৫০০ কিলোক্যালরি খাবার গ্রহণ করা উচিত যার সম্পূর্ণ অংশই শর্করা, আমিষ ও স্নেহ জাতীয় খাদ্য থেকে আসবে। আমাদের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় এমন ধরনের খাদ্য থাকা দরকার যাতে সে খাদ্যের মধ্যে মুখ্য তিনটি খাদ্য উপাদানই সঠিক পরিমাণে থাকে। সুষম খাদ্যে উদ্দীপকে উল্লিখিত খাদ্য উপাদানগুলো পরিমিত মাত্রায় থাকা আবশ্যক। কেননা শর্করা দেহে কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি ও তাপশক্তি উৎপাদন করে। আমাদের দেহে বিপাকীয় কাজের জন্য যে শক্তি লাগে তা শ্বসনের সময় শর্করা খাদ্য জারণের ফলে উৎপন্ন হয়। এছাড়া শর্করা কোষ্ঠকাটিন্য রোধ করে, ডিএনএ ও আরএনএ গঠনে অংশ নেয়। অপরদিকে খাদ্যে শর্করার পরিমাণ আবার চাহিদার তুলনায় বেশি হলে অতিরিক্ত শর্করা দেহে মেদরূপে জমা হয়। ফলে দেহ স্থূলকায় হতে পারে। প্রাণিদেহের গঠনে আমিষ অপরিহার্য। প্রাণিদহের শুষ্ক ওজনের প্রায় ৫০% প্রোটিন, কারণ কোষের গঠন এবং কার্যাবলি প্রোটিনের সাহায্যে নিয়ন্ত্রিত হয়। তাই দেহে পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রোটিন না থাকলে দেহ সুস্থ ও সবলভাবে বেড়ে উঠতে পারে না, চলাচলও করতে পারে না।স্নেহ জাতীয় পদার্থ দেহের পুষ্টি ও বৃদ্ধির জন্য অতিআবশ্যক। এটি দেহে ভবিষ্যতের খাদ্য ভাণ্ডার হিসেবে কাজ করে।অপরদিকে দেহে স্নেহ পদার্থের অভাবে চর্মরোগ, একজিমা ইত্যাদি দেখা দেয়। ত্বক শুষ্ক ও খসখসে হয়ে সৌন্দর্য নষ্ট হয়। আবার অতিরিক্ত স্নেহ পদার্থ দেহে রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত ঘটায়। উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে এটা স্পষ্ট যে, সুষম খাদ্যে উদ্দীপকের সবগুলো উপাদান অর্থাৎ শর্করা, আমিষ ও স্নেহ পদার্থ বিদ্যমান থাকে।
SSC বিজ্ঞান CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
“সুষম খাদ্যে উদ্দীপকের সবগুলো উপাদান বিদ্যমান থাকে”- উক্তিটি মূল্যা…
Mymensingh · 2023
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর
