ইমাম মুসলিম (র.)-এর ভূমিকাটি মুসলিম মনীষী ইমাম বুখারি (র.)-এর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।ইমাম বুখারি (র.) দীর্ঘ ১৬ বছর সাধনা করে ৬ লক্ষ হাদিস থেকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ৭২৭৫টি হাদিস 'সহিহ বুখারি' শরিফে লিপিবদ্ধ করেন। প্রত্যেক হাদিস লেখার পূর্বে তিনি অজু ও গোসল করে দুই রাকআত নফল নামায পড়তেন। অতঃপর ইস্তেখারা (স্বপ্নে কল্যাণকর বস্তু পাওয়ার আবেদন) করতেন। বিশুদ্ধ মনে হলে সেই হাদিস লিখতেন। হাদিসবিশারদ ও উলামায়ে কেরাম ঐকমত্য পোষণ করেছেন যে, পৃথিবীতে আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফই হলো সবচেয়ে বিশুদ্ধ গ্রন্থ। হাদিস শাস্ত্রে অবদানের জন্য তাঁকে 'আমিরুল মুমিনুন ফিল হাদিস' (হাদিস বর্ণনায় মুসলিমদের নেতা) উপাধি দেওয়া হয়।উদ্দীপকে ইমাম মুসলিম (র.) তিন লক্ষ হাদিস থেকে যাচাই-বাচাই করে ৩০৩৩টি হাদিস 'সহিহ মুসলিম' শরিফে লিপিবদ্ধ করেন। তাই বলা যায়, ইমাম মুসলিম (র.)-এর উক্ত ভূমিকাটি ইমাম বুখারি (র.)-এর অবদানের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।