জনাব নাহিদের বক্তব্যের সাথে রাসুল (সা.)-এর জীবনের 'বিদায় হজের ভাষণের' সাদৃশ্য রয়েছে।মহানবি (সা.) ৬৩২ খ্রি. (দশম হিজরিতে) তাঁর শেষ হজের নবম তারিখে আরাফাতের ময়দানে যে ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন, তা আমাদের নিকট বিদায় হজের ভাষণ নামে খ্যাত। 'জাবালে রহমত' নামক পাহাড়ে লক্ষ স্রোতার সামনে সেদিনকার ভাষণ আজও মানবতা ও নৈতিকতার গুরুত্বপূর্ণ আইনি ভিত্তি হিসেবে ভূমিকা রাখছে। বিদায় হজের ভাষণের গুরুত্বপূর্ণ দুটি নির্দেশ ছিল। যথা: ১. হে বিশ্বাসীগণ! স্ত্রীদের সাথে সদয় ব্যবহার করবে। তাদের উপর তোমাদের যেমন অধিকার আছে, তেমনই তোমাদের উপর তাদের অধিকার রয়েছে এবং ২. দাস-দাসীদের প্রতি সদ্ব্যবহার করবে। তোমরা যা আহার করবে ও পরিধান করবে তাদেরকেও তা আহার করাবে ও পরিধান করাবে। তারা যদি কোনো অমার্জনীয় অপরাধ করে ফেলে, তবে তাদের মুক্ত করে দেবে। তবুও তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করবে না। কেননা তারাও তোমাদের মতো মানুষ। উদ্দীপকে চেয়ারম্যানের বক্তব্যে এ বিষয়গুলোই প্রতিফলিত হয়েছে।উদ্দীপকে দেখা যায়, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব নাহিদ জনগণের উদ্দেশ্যে এক বক্তৃতায় মানবাধিকার, নারীর অধিকার ও ধর্মীয় অধিকার ইত্যাদি বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করেন। তাই তা রাসুল (সা.)-এর বিদায় হজের ভাষণের প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছে।