জনাব কামালের সাহেবের বক্তব্য হযরত আবু বকর (রা.)-এর বক্তব্যের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। ইসলামের সেবায় এ খলিফা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.)-এর শাসন সর্বকালের শাসকদের জন্য আদর্শ। খলিফা নির্বাচিত হয়ে তিনি জনতার উদ্দেশে বললেন, "যতদিন আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (স.)-এর অনুসরণ করি, ততদিন তোমরা আমার অনুসরণ করবে এবং আমাকে সাহায্য করবে। আর ভুল পথে চললে তোমরা আমাকে সাথে সাথে সংশোধন করে দেবে।" অতএব বলা যায়, মেয়র নোমান সাহেবের বক্তব্য হযরত আবু বকর (রা.)-এর বক্তব্যের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.)-এর শাসন সর্বকালের শাসকদের জন্য আদর্শ। মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর ইন্তেকালের পর মুসলিম রাষ্ট্রে কতিপয় সমস্যা দেখা দেয়। কেউ কেউ মিথ্যা নবুয়তের দাবি করে, কতিপয় লোক যাকাত দিতে অস্বীকার করে, আবার কতিপয় লোক ইসলাম ত্যাগ করে। হযরত আবু বকর (রা.) অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে এসব মোকাবিলা করেন, ইসলাম ও মুসলমানদের বিশৃঙ্খলা থেকে রক্ষা করেন। এছাড়া ইয়ামামার যুদ্ধে কুরআনের অনেক হাফিয শাহাদাতবরণ করেন। এতে কুরআন বিলুপ্তির আশঙ্কা দেখা দিলে তিনি পবিত্র কুরআনকে একত্র করে গ্রন্থাকারে প্রকাশ করেন। এসব যুগান্তকারী পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করার কারণে তাঁকে ইসলামের 'ত্রাণকর্তা' বলা হয়। তাই বলা যায়, ইসলামে হযরত আবু বকর (রা.)-এর অবদান অবিস্মরণীয়।