ফরহাদ ও তার পরিবারের আচরণে মহানবি (স.)-এর বিদায় হজের ভাষণের প্রভাব প্রতিফলিত হয়েছে। মহানবি (স.) ৬৩২ খ্রিষ্টাব্দে বিদায় হজে জিলহজ মাসের নবম তারিখে আরাফার ময়দানে উপস্থিত জনসমুদ্রের উদ্দেশ্যে যে যুগান্তকারী ভাষণ প্রদান করে তাকে বিদায় হজের ভাষণ বলে। বিদায় হজের ভাষণে মহানবি (স.) বলেন, দাস-দাসীদের প্রতি সদ্ব্যবহার করবে। তোমরা যা আহার করবে ও পরিধান করবে তাদেরকেও তা আহার করাবে ও পরিধান করাবে। তারা যদি কোনো অমার্জনীয় অপরাধ করে ফেলে তবে তাদের মুক্ত করে দেবে, তবুও তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করবে না। কেননা তারা তোমাদের মতোই মানুষ, আল্লাহর সৃষ্টি। সকল মুসলিম একে অন্যের ভাই এবং তোমরা একই ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ। উদ্দীপকে ফরহাদও তার পরিবার উপরে উল্লিখিত বিদায় হজের ভাষণের শিক্ষা গ্রহণ করে ইয়াতিম মেয়ের সাথে সদ্ব্যবহার করে। নিজের সন্তানের মতো আদার করে এবং নিজেরা যা খায় ও পরে তাকেও তা খেতে দেয় ও পরতে দেয়। তাই বলা যায়, ফরহাদ ও তার পরিবারের আচরণে মহানবি (স.)-এর বিদায় হজের ভাষণের প্রভাব প্রতিফলিত হয়েছে।