সুজন সাহেবের কর্মকান্ড ঘুষের অন্তর্ভুক্ত। যার পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ।
মানব চরিত্রের একটি নিন্দনীয় স্বভাব ঘুষ লেনদেন। স্বাভাবিক প্রাপ্যের পরও অসদুপায়ে অতিরিক্ত সম্পদ বা সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করাকে ঘুষ বলে। এটি একটি অনৈতিক কাজ এবং অর্থনৈতিক অপরাধ। সুজন সাহেবের কাজে এটিই প্রকাশ পেয়েছে, যার জন্য তাকে কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, সুজন অধীনস্ত কর্মচারী নিয়োগের সময় ১ লাখ টাকা গ্রহণ করার বিনিময়ে নিয়োগ দিয়ে থাকেন। যা ঘুষের বাস্তব প্রতিচ্ছবি। এর পরিণতি খুবই ভয়াবহ। ঘুষ মানব সমাজে অশান্তি ডেকে আনে। ঘুষখোর ব্যক্তি দায়িত্ব কর্তব্যে অবহেলা করে। আমানতের খিয়ানত করে। নিজ ক্ষমতা ও দায়িত্বের অপব্যবহার করে। ঘুষদাতা ও ঘুষখোর অন্য লোকের অধিকার হরণ করে। ফলে অধিকার বঞ্চিতদের সাথে শত্রুতা সৃষ্টি হয়। সমাজে মারামারি হানাহানির সূত্রপাত ঘটে। মহানবি (সা.) বলেন, 'ঘুষ প্রদানকারী ও ঘুষ গ্রহণকারী উভয়ের উপরই আল্লাহর অভিসম্পাত।' (বুখারি ও মুসলিম)
পরিশেষে বলা যায়, এ আচরণ থেকে আমাদের বেঁচে থাকা উচিত।