বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সাওমের তাৎপর্য ফুটে উঠেছে।
ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে সাওম একটি। প্রাপ্ত বয়স্ক প্রত্যেক নারী-পুরুষের ওপর রমযান মাসের একমাস সাওম পালন করা ফরজ। এটি তাকওয়া অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। ধর্মীয় দিক থেকেও সাওমের গুরুত্ব অপরিসীম। রমযান মাসে আল্লাহ তায়ালা সকল সৎকাজের প্রতিদান দশগুণ থেকে সাতশত গুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেবেন, যা বিশেষ অতিথির বক্তব্যেও লক্ষ করা যায়।
উদ্দীপকের কোনো একটি বিদ্যালয়ের বার্ষিক মিলাদ মাহফিলে বিশেষ অতিথি একটি ইবাদতের তাৎপর্য সম্পর্কে বলেন, আল্লাহ তায়ালা নির্দিষ্ট একটি মাসে সকল সৎকাজের প্রতিদান দশগুণ থেকে সাতশত গুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেন। তার বক্তব্যটি সাওমকে নির্দেশ করে। কারণ রমযান মাসের প্রতিটি নেক কাজে অন্যান্য মাসের তুলনায় সত্তর গুণ বেশি সওয়াব দেওয়া হবে। এ মাসের প্রতিটি নফলের মর্যাদা ফরজের ন্যায় এবং ফরজের মর্যাদা সত্তরটি ফরজের ন্যায়। সকল সৎকাজের প্রতিদান আল্লাহ দশগুণ থেকে সাতশত গুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেবেন; কিন্তু সাওমের প্রতিদান হবে স্পেশাল। সাওমের প্রতিদান সম্পর্কে الصَّوْمُ لِي وَأَنَا أَجْزِي بِهِ - IR RICH PICO 'সাওম আমার জন্য, আর আমি নিজেই এর প্রতিদান দেব' (বুখারি)। হাদিসে আরও আছে, 'যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস ও সওয়াবের আশায় রমযান মাসে রোযা রাখে আল্লাহ তার পূর্বের সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেন' (বুখারি)। অতএব, সাওমের তাৎপর্য অপরিসীম।