"আমাকে শাফায়াত করার অধিকার দেয়া হয়েছে" ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: কিয়ামতের দিন পাপীদের ক্ষমা ও পুন্যবানদের মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য শাফাআত করা হবে। নবি-রাসুল, ফেরেশতা, শহিদ, আলেম, হাফিযও শাফাআতের সুযোগ পাবেন। আল-কুরআন ও সিয়াম (রোযা) কিয়ামতের দিন শাফাআত করবে বলেও হাদিসে উল্লেখ করা হয়েছে। কিয়ামতের দিন নবি-রাসুল ও নেক বান্দাগণ আল্লাহর নিকট সুপারিশ করবেন। আল্লাহ তায়ালা এসব শাফাআত কবুল করবেন এবং বহু মানুষকে জান্নাত দান করবেন। তবে শাফাআতের সবচেয়ে বেশি ক্ষমতা থাকবে আমাদের প্রিয়নবি হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর অধিকারে। তিনি নিজেই বলেছেন اعطيت الشفاعة অর্থ: "আমাকে শাফাআত (করার অধিকার) দেওয়া হয়েছে।" (সহিহ বুখারী ও সহিহ মুসলিম) অন্য একটি হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন- "পৃথিবীতে যত ইট ও পাথর আছে, আমি তার চেয়েও বেশি লোকের জন্য কিয়ামতের দিন শাফাআত করব।” (মুসনাদে আহমাদ) শাফাআত একটি বিরাট নিয়ামত। মহানবি (সা.)-এর শাফাআত ব্যতীত কিয়ামতের দিন সফলতা, কল্যাণ ও জান্নাত লাভ করা সম্ভব হবে না। অতএব, আমরা শাফাআতে বিশ্বাস স্থাপন করব। আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (সা.)-কে ভালোবাসব। আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (সা.)-এর আদেশ-নিষেধ অনুযায়ী আমাদের জীবন পরিচালনা করব। তাহলে পরকালে আমরা প্রিয়নবি (সা.)-এর শাফাআত লাভে ধন্য হয়ে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারব।
SSC ইসলাম শিক্ষা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · ইসলাম শিক্ষা · সৃজনশীল
"আমাকে শাফায়াত করার অধিকার দেয়া হয়েছে" ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপক
Dhaka · 2023
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর