জুলহাস মিয়ার ইবাদতটি চিহ্নিত করে এর অর্থনৈতিক প্রভাব বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: জুলহাস মিয়ার ইবাদতটি হচ্ছে যাকাত। অর্থনৈতিক সাম্য প্রতিষ্ঠায় যাকাতের প্রভাব খুবই গুরুত্বপূর্ণ।অর্থনৈতিকভাবে ধনী ও গরিব উভয় শ্রেণির মানুষ সমাজে রয়েছে। ধনী ও গরিবের মাঝে আর্থিক সমন্বয় সাধন করতে মহান আল্লাহ যাকাতের বিধান দিয়েছেন। ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে কোনো মুসলিম নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হলে বছরান্তে তার সম্পদের শতকরা ২.৫০ হারে নির্দিষ্ট খাতে ব্যয় করাকে যাকাত বলে। নিসাব হলো ন্যূনতম সম্পদ, যা থাকলে যাকাত ফরজ হয়। উদ্দীপকের জুলহাস মিয়ার আদায়কৃত ইবাদাতটির সাথে যাকাত ব্যবস্থার সামঞ্জস্য দেখতে পাই। সুতরাং জুলহাস মিয়ার ইবাদাতটি নিঃসন্দেহে যাকাত। ইসলামি অর্থ ব্যবস্থার উৎসগুলোর মধ্যে যাকাত হলো অন্যতম। এর ওপর ইসলামি রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ভিত্তি ও জনকল্যাণমুখী প্রকল্পসমূহের সাফল্য নির্ভরশীল। এতে সম্পদের প্রবাহ গতিশীল হয়। ধনীর সম্পদ পুঞ্জীভূত না থেকে দরিদ্র লোকদের হাতেও যায়। ফলে রাষ্ট্রের অর্থনীতি সচল হয়। উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং বেকারত্ব হ্রাস পায়। মাথাপিছু আয় বেড়ে যায়। রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ভিত মজবুত ও শক্তিশালী হয়। আর্থিকভাবে অসচ্ছল লোকগুলো ধীরে ধীরে সচ্ছল হতে থাকে। দিনে দিনে সম্পদশালী লোকের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।পরিশেষে বলা যায়, জুলহাস মিয়ার ইবাদতটি হচ্ছে যাকাত। অর্থনৈতিক সাম্য প্রতিষ্ঠায় যাকাত গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করে।
SSC ইসলাম শিক্ষা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · ইসলাম শিক্ষা · সৃজনশীল
জুলহাস মিয়ার ইবাদতটি চিহ্নিত করে এর অর্থনৈতিক প্রভাব বিশ্লেষণ কর।
উদ্দীপক
Sylhet · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর