অমরেশ বাবুর চরিত্রে পাঠ্যপুস্তকের পণ প্রথা নির্মূলে সহায়তার দিকটি ফুটে উঠেছে।কন্যাকে পাত্রস্থ করার সময় বরপক্ষকে যদি নগদ অর্থ, সম্পদ প্রভৃতি দিতে হয় তাহলে তাকে বলে পণ। এই পণপ্রথা বা যৌতুকপ্রথা একটি সামাজিক ব্যাধি। বহুকাল থেকে এটি আমাদের অনেক ক্ষতি করছে। পণ গ্রহণ এবং প্রদান দুটোই সমান অপরাধ। এর মূলে রয়েছে অশিক্ষা, অসচেতনতা, পিতৃতান্ত্রিক ও পুরুষ-নিয়ন্ত্রিত সমাজ ব্যবস্থা। বর্তমান সমাজ ব্যবস্থায় এই পণপ্রথা নিন্দনীয় এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে নিষিদ্ধ। এ সমস্ত জঘন্য প্রথা নির্মূল করার জন্য দরকার আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন, সামাজিক প্রতিরোধ, নারীকে শিক্ষিত ও সচেতন করে যথাযোগ্য মর্যাদা দান। এছাড়াও মানসিক প্রসারতা ও জীবনমুখী শিক্ষা এ প্রথা নির্মূলে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। যার দৃষ্টান্ত উদ্দীপকে অমরেশ বাবুর কর্মকাণ্ডে প্রকাশ পেয়েছে।উদ্দীপকে অমরেশ বাবু 'একজন সরকারি চাকরিজীবী' তিনি তার পছন্দের পাত্রীকে বিয়ে করেন। কিন্তু পাত্রীপক্ষ থেকে কোনো উপহার সামগ্রী তিনি গ্রহণ করেননি। অর্থাৎ পণ গ্রহণ না করার মাধ্যমে তার চরিত্রে পণ প্রথা নির্মূলে সহায়তার দিকটি ফুটে উঠেছে।