অধীর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া কাজটি সম্পন্ন করেছিল।
শাস্ত্রে মৃতদেহের সৎকারের বিধান দেয়া হয়েছে। এ সৎকারই অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া নামে পরিচিত। মৃত্যুর পর দেহটিকে বস্ত্রাবৃত ও মালা চন্দনাদি বিভূষিত করে শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে মৃতদেহের মাথা দক্ষিণ দিকে রেখে তাকে কুশের উপর শয়ন করানো হয়। দাহাধিকারী স্নান করে এসে মৃতদেহের গায়ে তেল ও কাঁচা হলুদ মেখে তাকে স্নান করান।
স্নানের পরে মৃতদেহকে নতুন কাপড় ও মালা পরিয়ে কপালে চন্দন দিতে হয়। এপর দুই চোখ, দুই কান, নাকের দুই ছিদ্র ও মুখ এই সপ্তছিদ্র স্বর্ণ বা কাঁসা দ্বারা আচ্ছাদন করতে হয়। তারপর পিণ্ডদান করতে হয়। এরপর আমকাঠ বা চন্দনকাঠ দিয়ে চিতা সাজানো হয়। তারপর শবকে চিতায় শয়ন করানো হয়। তারপর যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু কাঠ দিয়ে সহজে দাহকার্য সম্পন্ন করে।
উদ্দীপকে অধীরের বাবার মৃত্যুতে অধীর পাড়া-প্রতিবেশীদের সহায়তায় কিছু কাজ শেষ করে মৃত ব্যক্তিকে শ্মশানে নিয়ে যায়। সাথে কিছু লোক কাঠ, বাঁশ নিয়ে পিছন পিছন যায়। শ্মশানের সকল কাজ সম্পন্ন করে সকলে মিলে বাড়ি ফিরে আসে। যা পাঠ্যপুস্তকের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সাথে মিল রয়েছে। তাই বলা যায়, অধীর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া কাজটি সম্পন্ন করেছিল।