অনাদি রায়ের বাবার মৃত্যুর পর আদ্যশ্রাদ্ধ পালন করেন।
শ্রাদ্ধের শুরুতে প্রদীপ জ্বালিয়ে বাস্তুপুরুষ যজ্ঞেশ্বর ও ভূস্বামীর পূজা করতে হয়। তারপর মৃত ব্যক্তির উদ্দেশ্যে শ্রাদ্ধ করতে হয়। এই সময় আসন, ছাতা, পাদুকা, বস্ত্র, অন্ন, জল, তাম্বুল, মালা, বিছানা প্রভৃতি মৃতব্যক্তির নামে মন্ত্রোচ্চারণসহ উৎসর্গ করতে হয়। পরে পিণ্ডদান করে আদ্য একোদ্দিষ্ট শ্রাদ্ধ সম্পন্ন করা হয়। নারীরাও অশৌচ এবং চতুর্থী প্রভৃতি অনুষ্ঠান পালন করে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, অনাদি রায় তার বাবার মৃত্যুতে শোকাহত। বাবার আত্মার শান্তির জন্য একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এবং দ্রব্যসামগ্রী উৎসর্গের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন করে। যা পাঠ্যবইয়ের আদ্যশ্রাদ্ধ অনুষ্ঠানের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
তাই বলা যায়, অনাদি রায়ের পিতার মৃত্যুর পর ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী আদ্যশ্রাদ্ধ অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেন।